এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • | ০২ অক্টোবর ২০১৩ ১০:৫৯170430
  • আমাদের কাতলা আর মাছে র ডিম।
  • cm | ০২ অক্টোবর ২০১৩ ১০:৪৮170429
  • আপনি কি বলতে চান খাদ্যনীতিটিও ভুললে চলবেনা?
  • kc | ০২ অক্টোবর ২০১৩ ১০:৪৫170428
  • কাতারের লোকেরা পুউরো ভুল। ব্যাটারা ইলিশের স্বাদই জানেনা। জানলে কি আর ........ ?
  • kc | ০২ অক্টোবর ২০১৩ ১০:৪৩170427
  • ইলিশ আর চিংড়ির মালাইকারি। আহা ক্ষী আনন্দ।
  • | ০২ অক্টোবর ২০১৩ ১০:২০170426
  • ইশানের দাবি " ঘুমোতে পারি কিন্তু কেন ঘুমোবো?ঃ))
  • দ্রি | ০২ অক্টোবর ২০১৩ ১০:০৯170425
  • নেটো একটা মিলিটারী অ্যালায়েন্স। মার্শাল প্ল্যান একটা লোন বেস্‌ড রিকভারি স্কীম। হাত ধরাধরি করে তো এগুলোর সাথে ইউ এন, আই এম এফ, ওয়ার্ল্ড ব্যাঙ্ক, হু সবই আসে। এগুলোকে এক করে দেখতে চাইছ চাও। কিন্তু পয়েন্টটা ঠিক ক্লিয়ার হল না।
  • ঈশান | ০২ অক্টোবর ২০১৩ ১০:০১170423
  • এইটা নিয়ে জমিয়ে তক্কো হতে পারে। কিন্তু আজ না। একটা টই খুলুন না। কাল হবে।
  • h | ০২ অক্টোবর ২০১৩ ১০:০১170424
  • ক্রমশঃ ব্যাপারটা হেজেমনি, ডমিনান্স ও ইকোনোমিক পলিসির মধ্যে চলে যাবে। ইশান না ঘুমুনো অব্দি দ্রি এর শান্তি নাই ;-)
  • দ্রি | ০২ অক্টোবর ২০১৩ ০৯:৫৮170422
  • মিডিয়া প্রফিটের জন্য নয়। মিডিয়া কন্ট্রোলের জন্য। এবং এটা অর্থনীতির বাইরে নয়।
  • ঈশান | ০২ অক্টোবর ২০১৩ ০৯:৫৪170421
  • ও মা। নেটো আর মার্শাল প্ল্যান তো হাত ধরাধরি করেই আসে। ওদেরকে আলাদা করে কিকরে দেখব?

    স্ট্রেচ করেছি শুধু ইউরোর ক্ষেত্রে। মার্শাল প্ল্যান না হলে ইউরো হয়না, এটা আমার বক্তব্য। এইটাকে ফার ফেচেড ভাবা যেতেই পারে। সেটা ভ্যালিড সমালোচনা। কিন্তু আমার দ্বিমত থাকবে।
  • ঈশান | ০২ অক্টোবর ২০১৩ ০৯:৫০170420
  • দ্বিমতটাও লিখে দিই। ধরুন বলিউডি ফিল্ম। বা ক্রিকেট। একটি দীর্ঘস্থায়ী পাকিস্তাবিরোধী জনমত তৈরিতে তো এদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। সীমান্তের ওপারেও এর কিছু কাউন্টারপার্ট আছে নিশ্চয়ই। এবার, এই তীব্র জনমত কি আদপেই বৃহৎ পুঁজির খেলা? মানে ধরুন, সাহারার সুব্রত রায় কি মারণাস্ত্র ব্যবসায়ীদের স্বার্থে বিসিসিআই টিমকে স্পনসর করছেন? নাকি জনমানসের ইতিমধ্যেই বিরাজমান এই বিতৃষ্ণাকে কাজে লাগিয়েই আসলে ব্যবসা হচ্ছে? এই খানেই কার্যকারণ একটু ঘেঁটে যায়। এইটা অর্থনীতির আওতার বাইরে। এই হল কথা।
  • দ্রি | ০২ অক্টোবর ২০১৩ ০৯:৪৮170419
  • ঈশেন, তুমি কিন্তু নেটো, মার্শাল প্ল্যান, ইউরো এই সব একসাথে মাখিয়ে ঘন্ট করে ফেললে। এই জট ছাড়াতে এখন অনেক বকতে হবে। এতো টাইপিং করতে আর পারি না।
  • ঈশান | ০২ অক্টোবর ২০১৩ ০৯:৪৬170418
  • নানা অর্থনীতি একদম বাদ দেবেন না। বাদ দিলে আরেক এক্সট্রিম হবে। দ্রি বা হনু মূলতঃ একই লাইনে বলছেন। এর প্রত্যেকটাই হয়। সে নিয়ে কোনো দ্বিমত নেই।

    দ্বিমত অন্য জায়গায়।
  • ঈশান | ০২ অক্টোবর ২০১৩ ০৯:৪৩170416
  • হ্যাঁ, হ্যাঁ, টই হোক। টই হোক। আর আমি ঘুমোতে যাই। :)
  • cm | ০২ অক্টোবর ২০১৩ ০৯:৪৩170417
  • অ অর্থনীতি বাদ দিয়ে খালি রাজা রাজা খেলার জন্য বুঝি রাজনীতি?
  • দ্রি | ০২ অক্টোবর ২০১৩ ০৯:৪২170414
  • লুজ-লুজ বলছ। কিন্তু যাদের লাভ হওয়ার তাদের ঠিকই লাভ হচ্ছে। লাভ হচ্ছে ইন্টারন্যাশানাল অস্ত্রবিক্রেতাদের। লাভ হচ্ছে ভারতের মিলিটারী ইন্ডাস্ত্রির সাথে যারা যুক্ত আছে তাদের। যারা অস্ত্র কেনার ডিসিশান নেয়, কিকব্যাক নেয়। র'এর ফান্ড তো বাজেটের আওতার বাইরে। কিছু মিনিস্টারদের লাভ হয়। পিওর মনিটারী গেইন। এছাড়া এই ইস্যুটা পাবলিক ওপিনিয়ান কন্ট্রোলে তো খুবই এফেক্টিভ। একটা গ্রুপের ইউনিফিকেশানে কমন এনিমির মত এফেক্টিভ টুল তো আর দুটো নেই।
  • ঈশান | ০২ অক্টোবর ২০১৩ ০৯:৪২170415
  • হনুকে অনেকদিন পরে ক দিলাম। :)

    আরো একটা জিনিস যোগ করে দিই। ইউরোপ আর জাপানের পুনর্গঠনে আজকের মূল্যে কত ডলার গেছে, আমি ঠিক জানিনা, দ্রিই বলতে পারবেন। কিন্তু সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাওয়া হাফ মহাদেশকে "উন্নত" অবস্থায় আনতে কত টাকা লাগতে পারে, সেটা বিপুল বলা যায়। রাজনীতি বাদ দিয়ে স্রেফ অর্থনীতির মূল্যে সেটা আদপেই জাস্টিফাই করা যায়না।
  • cm | ০২ অক্টোবর ২০১৩ ০৯:৩৯170413
  • এসব গম্ভীর জিনিস আপনারা টই খুলে আলোচনা করেন, নইলে রঞ্জনদা, কল্লোলদা বা পিটিদার মত পাওয়া যাবেনা। আমার মতন পাতি পাবলিকের হাতে ক্ষমতা থাকলে ওসব দেশের সীমা কবে তুলে দিতুম। যুদ্ধের কোন গপ্পৈ থাকতনা।
  • ঈশান | ০২ অক্টোবর ২০১৩ ০৯:৩৮170412
  • হ্যাঁ, পারব। ভারত-পকিস্তানের মতো আমেরিকা-রাশিয়ার লড়াইও তো মূলতঃ রাজনৈতিক ক্ষমতা বিস্তারের লড়াই। ওই লুজলুজ গেম। সোভিয়েত বা আমেরিকা, দুজনেই তো কেবল ভরতুকি জুগিয়ে গেছে। আমেরিকার দিক থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ছিল মার্শাল প্ল্যান, সেটা সরাসরি ভরতুকি। রাশিয়ার পাল্টা প্ল্যানটার নাম এই মাত্র ভুলে গেলাম, সেটাও ভরতুকি।

    এবার তক্কো হতে পারে, এর বিনিময়ে আমেরিকা আন্তর্জাতিক কারেন্সি হিসেবে ডলারকে প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছে। তেলের কারেন্সি হিসেবে ডলার অকচেটিয়া হয়েছে। এর পাল্টা যুক্তি হল, বরং ইউরোপ দুর্বল থাকলে এগুলো সহজতর হত। বরং ভর্তুকি জুগিয়ে আদতে শক্তিশালী ইউরোপ এবং পরিণতিতে ইইউ বানিয়ে আমেরিকার পিছনে স্লাইট বাঁশ হয়েছে।
  • h | ০২ অক্টোবর ২০১৩ ০৯:৩৭170411
  • কিন্তু শুধু ই যদি শাসক দের পক্ষ থেকে বা মিলিটারি এস্টাবলিশমেন্ট এর পক্ষ থেকে দেখা হয়, এটি উইন উইন গেম। যুদ্ধ না হলে কিন্তু স্কার্মিশ হলে বেশি লাভ। শুধু যুদ্ধ হতে পারে বলে যে ভাবে অস্ত্র কেনা বেড়ে চলেছে, তাতে বলা যায়, ওবামার ভারত প্রেমে আকার ভাষায় সাইকেল বেচা টা বড় বেশি।

    কিন্তু আমার এটা মেনে নিতে অসুবিধে নাই, অর্থনীতি খন্ডিত চিত্র দেয়, দিয়েই থাকে, ফাইন, কিন্তু তাতে যুদ্ধ এস্তাবলিশমেন্ট এর মধ্যেকার লোকের প্রফিট মোটিভেশন এর সত্যটা তো বদলায় না। আর লন্ডন কনফারেন্স এর মত সিনিকাল বিজনেস ডিল ও হয় নি বলা যায় না।
  • ঈশান | ০২ অক্টোবর ২০১৩ ০৯:৩১170409
  • নাঃ। ধরুন, ভারত-পাকিস্তান উভয় পক্ষই অস্ত্রপ্রতিযোগিতা নামক লুজ-লুজ গেমটি কেন দীর্ঘদিন ধরে খেলে চলেছে, বিশেষ করে জনমানসে কেন এর পিছনে বিপুল সমর্থন, এর অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ কী?
  • দ্রি | ০২ অক্টোবর ২০১৩ ০৯:৩১170410
  • "কারোরই অর্থনৈতিক কোনো লাভ হয়নি তো।"

    ঈশেন, এই ক্লেমটার একটু বিস্তার করতে পারবে?
  • cm | ০২ অক্টোবর ২০১৩ ০৯:২৮170408
  • অর্থনীতি দিয়ে বেশিরভাগটাই মাপা যায় কিন্তু যারে কর sup norm তাতে মাপলে হবেনা বরং L1 ব্যবহার করুন। গোদা বাংলায় বললে এক নির্দিষ্ট সময়ের অর্থনীতির পরিবর্তন নয় আপনাকে একখানা ইন্টিগ্রেটেড এফেক্ট কমপেয়ার করতে হবে।
  • দ্রি | ০২ অক্টোবর ২০১৩ ০৯:২২170407
  • তবে আকাদার ১) এর উত্তর তো অবশ্যই হ্যাঁ। এটা ফোর্জি সহজেই কনফার্ম করতে পারবেন, কারন উনি চাকরীসূত্রে এগুলো জানেন।

    ২) ও হ্যাঁ। বি মানি মিডিয়াকে ব্যবহার করে ঠিক এই কারনেই। পাবলিক ওপিনিয়ান ম্যানিপুলেট করার জন্য।
  • ঈশান | ০২ অক্টোবর ২০১৩ ০৯:১৫170406
  • আমেরিকা ন্যাটো বানিয়েছিল কেন? সোভিয়েত ইউনিয়ন ওয়ারশ আর কমিনফর্ম বানিয়েছিল কেন? কারোরই অর্থনৈতিক কোনো লাভ হয়নি তো।

    অর্থনীতি সর্বস্ব চিন্তাভাবনার একটা বিপদ আছে। ডান-বাম দুই পক্ষেরই। ওতে করে পৃথিবীর অতি খন্ডিত একটা চিত্র পাওয়া যায়। লাভক্ষতি কি আর সবটাই অর্থনীতি দিয়ে মাপা যায়? নাকি অর্থনীতি সবকিছু মাপার ক্ষমতা রাখে?
  • দ্রি | ০২ অক্টোবর ২০১৩ ০৮:৩০170405
  • আমেরিকার ইকনমির যা সাইজ তাতে ইরাক, লিবিয়া, সিরিয়ার মত ছোট স্কেলে যুদ্ধ করে ইকনমি চাঙ্গা করা (মানে বহু লোকের চাকরী বাকরী হওয়া সেন্সে) টাফ। কিছু ক্ষমতাসম্পন্ন সিইওস্থানীয় লোক দাঁও মারবেন, ঐ অব্দিই। খুব একটা ট্রিক্‌ল ডাউনের আশা নেই। ইকনমি চাঙ্গা করতে গেলে ওয়ার্ল্ড ওয়ার স্কেলের বড়সড় যুদ্ধ চাই। তাতেও কতটা হবে সন্দেহ আছে। সেকেন্ড ওয়ার্ল্ড ওয়ারের সময় যুদ্ধের ইকুইপমেন্ট প্রোডাকশানে বহু লোক লাগত। এখন তো সবই অটোমেটেড।

    তবে ইরাক, সিরিয়া লেভেলের যুদ্ধের একটা ইন্ডাইরেক্ট লাভ আছে, ইকনমির ওপর। এতে কিছু একস্ট্রা রিসোর্সের ওপর কব্জা করা যায়, এবং তার ভিত্তিতে মনিটারী পলিসি সেট করা যায় (বলা ভালো মানি প্রিন্ট করা যায়)। এই মুহুর্তে ইউ এসের সবচেয়ে বড় প্রবলেম হল, তাদের ট্রেজারী আর কেউ কিনতে চাইছে না। সেই জন্যই ইন্টারেস্ট রেট না বাড়ালে ডেট সিলিং বাড়িয়েও আর বিশেষ লাভ নেই। সিরিয়ার গ্যাস পাইপলাইন যদি যুদ্ধ করে সৌদিদের হাতে তুলে দেওয়া যায়, তাহলে সৌদিরা হয়ত আরো কিছুদিন ট্রেজারী কিনতে রাজি থাকবে।
  • aka | ০২ অক্টোবর ২০১৩ ০৭:৩৯170404
  • না আমার বলার কথা হল আম্রিগান সরকার দেশের ইকনমি চাঙ্গা করতে বারবার যুদ্ধু করে এই প্রোপোজিশনটা আমি মেলাতে পারি না। এটা নিয়ে কোন ডিসপিউট নেই যুদ্ধ হওয়াতে কারুর কারুর লাভ হয়েছে।
  • দ্রি | ০২ অক্টোবর ২০১৩ ০৭:৩৬170403
  • যুদ্ধে ক্ষতি কার, লাভ কারঃ

    লাভ অস্ত্র কোম্পানীর, কনস্ট্রাকশান কোম্পানীর। ব্যাঙ্কের, যারা অস্ত্র কোম্পানী, কনস্ট্রাকশান কোম্পানীদের, এবং সরকারদের লোন দেয়। ইরাক রিকনস্ট্রাকশানে লোন দিয়েছিল আই এম এফ, ওয়ার্ল্ড ব্যাঙ্ক। ফান্ড ম্যানেজ করেছিল ইউ এস মিলিটারীর বিভিন্ন এজেন্সি, USAID ইত্যাদিরা।

    ক্ষতি আক্রমনকারী ও আক্রান্ত দুই দেশের ট্যাক্সপেয়ারের। আক্রমনকারী দেশের ট্যাক্সপেয়ার যুদ্ধটা ফাইনান্স করে। আক্রান্ত দেশের ট্যাক্সপেয়ার রিকন্সট্রাকশানটা ফাইনান্স করে।

    পুরো ফ্লো অফ মানিটা এইরকম। আমেরিকার ট্যাক্সপেয়ার সরকারকে টাকা দিল। সেই টাকা গিয়ে ঢুকল ডিফেন্স কন্ট্র্যাক্টারের পকেটে, বদলে সরকার অস্ত্র পেল। সেই অস্ত্র দিয়ে ইরাকের ইনফ্রাস্ট্রাকচার (ওয়াটার, ইলেকট্রিসিটি) ধ্বংস করল। যুদ্ধে হারার পর, ইউনাইটেড নেশান্সের কান্নাকাটি হল, রিকনস্ট্রাকশান ফান্ড তৈরী হল। সেই ফান্ডে টাকা দিল আই এম এফ, ওয়ার্ল্ড ব্যাঙ্ক, এবং সুদটা কালেক্ট করল। রিকনস্ট্রাকশানের খরচটা বিয়ার করল ইরাকের ট্যাক্সপেয়ার। রিসোর্স রিচ দেশে এটা করা খুবই সোজা। ইরাকে তেলের দাম একটু বাড়িয়ে দিয়েই এটা তুলে নেওয়া যায়।

    আমেরিকার কি লাভ হল? সবার লাভ হল না। ম্যাক্সিমাম লোকের ওপর ট্যাক্স পড়ল। কিন্তু লকহীড মার্টিন, বেখটেলদের সিইওদের লাভ হল খুব বেশী, ঐসব কোম্পানীদের যারা কাজ করে তাদের লাভ হল কিছু কম। যেসব সেনেটার আর কংগ্রেসম্যান ঐসব কোম্পানীর লবিইস্টদের পয়সা নিয়ে যুদ্ধের অনুমতি পাইয়ে দিলেন, তাদের কিছু মনিটারী লাভ হল। তো, আমেরিকাকে যদি একটা হাতি কল্পনা করি, তাহলে হাতির কানের লাভ হল, না হাতির লেজের লাভ হল সেই নিয়ে ঝগড়া কোনদিন শেষ হবে না।
  • aka | ০২ অক্টোবর ২০১৩ ০৭:৩১170402
  • যুদ্ধ হয়েছে কয়েকটি কোম্পানি লাভ করেছে সরকারের কোনই লাভ হয় নি। সেটাকে এখন হাইন্ড সাইট মনে হচ্ছে ঠিক এই কারণেই যুদ্ধ হয়েছে।

    এবারে ২০০১ এ ফিরে গেলে দেখা যাচ্ছেঃ

    ১। ওয়ার অন টেররে

    ক) হাউস অফ রিপ্রেসেন্টেটিভ ভোটের রেজাল্ট হল
    ৪২০ - হ্যাঁ
    ১ - না
    ১০ - ভোট দেয় নি

    খ) সেনেট
    ৯৮ - হ্যাঁ
    ০ - না
    ২ - ভোট দেয় নি

    ২। ইরাক যুদ্ধে
    ক) হাউস অফ রিপ্রেসেন্টেটিভ
    ২৯৭ - হ্যাঁ
    ১৩৩ - না
    ৩ - ভোট দেয় নি

    খ) সেনেট
    ৭৭ - হ্যাঁ
    ২৩ - না
    ০ - ভোট দেয় নি

    যারা যারা হ্যাঁ করেছে তাদের মধ্যে ডেমোক্রেট, রিপ্লাবলিকান দুপক্ষই আছে এবং উল্টোদিকেও।

    তাহলে যদি ধরা যায় ঐ কোম্পানিগুলোর লাভের কথা ভেবে যুদ্ধ হয়েছিল তাহলে দুটো সম্ভাবনা।

    ১) কোম্পানিগুলো এই রাজনীতির লোকজনকে কিনে নিয়েছিল সম্ভাব্য লাভের কথা ভেবে।

    ২) কোম্পানিগুলো এমন একটা আবহাওয়া তৈরি করেছিল খুব পরিকল্পিত ভাবে যাতে যুদ্ধ হয়।

    এবারে বলুন কোনটা?
  • h | ০২ অক্টোবর ২০১৩ ০৭:০৩170401
  • কুয়েত রিকন্স্ট্রাকশন, প্রথম গাল্ফ ওয়ার, এর বিল ও ওরকম কয়েক বিলিয়ন ছিল। তো হিসেব যদি এটা হয়, আমেরিকান মিলিটারি যুদ্ধু করবে, তাতে যুদ্ধাস্ত্র বানানোর কোং কন্ট্রাক্ট পাবে, তাতে কিছু জব তৈরী হবে, যুদ্ধের পরে, আমেরিকান কোং কন্ট্রাক্ট পাবে, এবং তাই দিয়ে দেশে জব তৈরী ও হবে, এবং তাতে কিছু কর্পোরেট ট্যাক্সো পাবে সরকার। তাইলে তো সিরিয়াসলি উইন উইন কেন নয় সেটা বুঝতে আমার অসুবিধে হচ্ছে। রিপাবলিকান যুদ্ধ বাজ আর ডেমোক্রাট জবপন্থী দু দলের পক্ষেই। তার উপরে তো যুদ্ধ কোং, রিকনস্ট্রাকশন কোং এবং তদুপরি তেল কোং এ যদি বিভিন্ন অফিসিয়াল দের একটু পদ থাকে তাইলে তো হয়েও গেলো। ডিক চেনি তেল কোং লিংক কি লোকের অজানা?

    দুইটা এরিয়া অফ কনফ্লিক্ট (অফ ইন্টারেস্ট)। যদি রিকন্স্ট্রাকশন এর কাজ করে লোকাল রিক্রুট, তাতে ব্যবসা হল, কিন্তু আমেরিকান জব্স হল না, অবশ্য সেটা একটু লিডারশিপ পজিশনে গুঁজে দিলেই হবে, আর ফাইনালি, যুদ্ধু টাও পুরোটা নিজে না করে, আইন বহির্ভূত অংশ গুলো বা কাউন্টার ইনসার্জেন্স এর কাজটা সিকিউরিটি কন্ট্রাকটর দিয়ে করা যেতে পারে, তবে তাতে নানা ছোটোখাটো পোলিটিকাল রিস্ক আছে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত