এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • test2 | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০১:২০168511
  • বহুকালের পুরোনো একটা মাল খুজে পেয়ে ট্রান্সলিটারেট করলাম। বাংলাএডিটর ডট জার এ। যা ভুলভাল হল, সেসব হাতে করে সংশোধন যোগ্য। দায়ী কোড লিখিয়ে মামু। যাগ্গে,
  • pi | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০১:২০168512
  • ওমনাথ এগুলো ভাটে পোস্ট করছে কেন ?
  • siki | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০১:১৯168508
  • এটা কী ধরণের ক্যাওড়ামো হচ্ছে?
  • aka | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০১:১৭168506
  • ওএমজি
  • test2 | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০১:১৭168507
  • বৈজয়ন্ত,আজ থেকে কয়েক হাজার বছর আগে "কা তব কান্তা কস্তে পুś: " ইত্যাদি বলে মানুষ কে মনে করিয়ে দেওয়ার একটা চেষ্টা হয়েছিল যে অজস্র সামাজিক পরিচয়ের মধ্যে জড়িয়ে থাকলেও আদতে তুমি একজন স্বতন্ত্র মানুষ৷ "শ্রźধান: শুভা ংবিদ্যামাদদীতাবরাদপিঅন্ত্যাদপি পর ংধর্ম Øśঈংরত্ন ংদুষ্কুলাদপি" ( - মনুসংহিতা)(শ্রদ্ধাপূর্বক নীচ ব্যক্তির থেকেও উত্তম বিদ্যা গ্রহণ করবে, অতি নীচ জাতির থেকেও শ্রেষ্ঠ ধর্ম অর্থাত্ মুক্তিমার্গের উপদেশ নেবে৷ নীচকুল থেকেও বিবাহের জন্য উত্তমা Øśঈ গ্রহণ করবে৷)এটার মানে আমার তো একদম আধুনিক সামাজিক আচার আচরণে সক্ষতদঢ়ভদতর সাম্যের ধারণার মতই ঠেকল৷ রাজনৈতিক সাম্যের ধারণা তো এখন পাল্টাবেই, "রাজাদের দিন তো কবেই বিদায় নিয়েছে দেশ থেকে৷ "(-সুমন) সেকালের রাজতান্ত্রিক নিয়ম তাই এখন অচেনা লাগাটাই স্বাভাবিক৷ বলে রাখা ভাল, আমার কোনো বঁসষঢ়বনড়ভড় নেই৷ ছোট্টোবেলা থেকে বিবেকানন্দ পড়ে আর নরেন্দ্রপুরে গিয়ে থেকে প্রচুর প্রাচীন সংস্কৃত বইয়ের বাংলা তর্জমা পড়ে, ঐশধভতশ ইয়রঢ়য়ক্ষন ক্লাসে যে কথাগুলো বলা হত সেগুলোর উত্স খুঁজতে গিয়ে আরো প্রচীন সাহিত্যের সঙ্গে ওতোপ্রোত হতে থেকে যে ধারণা গড়ে উঠেছে, (তার মধ্যে আমার ঐশঢ়নক্ষসক্ষনঢ়তঢ়ভষশ গত ভুলভ্রান্তি থাকা অসম্ভব নয়) তাতে ভর দিয়েই এই তক্কাতক্কি, যেটা শুরু অবশ্যই ঈশানের শক্তিশালী কলম নিঙড়ে আবার কিছু মনোগ্রাহী প্রবন্ধ বের করার ইচ্ছে থেকে৷ যখন ব্যাপারটা শেষ করার দিকে যাচ্ছি তখনই তুমি যোগ দিলে৷ এটাও বড় প্রাপ্তি, কারণ তোমার পরিণত মননের অন্যদের মত আমিও একজন প্রশংসক৷ আমার বক্তব্য ছিল, প্রাচীন পৃথিবীতে (মূলত: ভারতে এব ংকিছুটা হলেও হয়ত গ্রীসে) সাম্যভাবনা বোধহয় চালু ছিল৷ বিভিন্ন ধর্ম প্রচারের সঙ্গে সঙ্গে সারা পৃথিবীতে এই দার্শনিকতা ছড়িয়ে পড়ে৷ ওদিকে বিভিন্ন কারণে ভারতে ঐ উদার সামাজিক চর্চা ব্যাহত হয়৷ কেবল মাঝে মাঝে দাক্ষিণাত্যের শঙ্করাচার্য, পরবর্তী কালে রামানুজ, বাংলায় চৈতন্য এঁদের হাত ধরে সামাজিক আন্দোলনের মত এই প্রাচীন মতগুলোর পুণরুজ্জীবন ঘটে থাকবে, যার সর্বশেষ নিদর্শন বিবেকানন্দের ইওরোপ-আমেরিকা-ভারত জোড়া বেদান্ত প্রচার অভিযান৷ পণ্য-ধারণা থেকে কথা শুরু হয়েছিল, যেখানে আমার বক্তব্য ছিল নিজের বা পারিপার্শ্বিকের প্রতি শ্রদ্ধা হারানোর যে ধারা দেখা যাচ্ছে, পণ্যমুখী চিন্তাভাবনার অনিবার্য পরিণতি যাতে সেটা না হয়ে দাঁড়ায় তার জন্য আমাদের যত্নবান হওয়া উচিত্৷ এপ্রসঙ্গে আসা "সাম্যভাবনা" একান্তভাবে পণ্যমুখী চিন্তারই দান, এই মতের বিপক্ষে আমার বক্তব্য - ইওরোপীয় পণ্যমুখী সাম্যভাবণা প্রাচীন - অনেক বৃহত্তর অর্থে ব্যবহতৃ - সাম্যভাবনার একটা সংকুচিত রূপমাś, কিন্তু সে প্রাচীন চর্চা প্রায় বিস্মৃত বলেই এখন হাতের কাছে ব্যবহারোপযোগী এই পণ্যমুখী সাম্যভাবনাই পড়ে আছে৷ তাকে বেশি নম্বর দেওয়া বা তাকে চর্চা করতে গিয়ে ইওরোপ আমেরিকা ধন্যবাদা`ড়্য হতে পারে, কিন্তু ঐ সংজ্ঞা বা চর্চা এখন গ্রহণ করছি (বা করা উচিত্) বলেই আমাদের ওদের প্রতি অনাবশ্যক আনুগত্য গড়ে ওঠা, নিজস্ব অতীতের প্রতি শ্রদ্ধাহীন হয়ে পড়ে নিজেকে ছিন্নমূল ভেবে ওদেশীয় সব কিছুকেই অনুকরনীয় ভাবার বিরোধিতা করতে আর পণ্যমুখীনতার অন্যান্য কুফলগুলূ গ্রহণ করার মতো বিপদের প্রতিরোধক কোনো পথ খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা থেকেই এই সব বিরক্তিকর ভাঁট বকছিলাম৷ বোঝাতে পারলাম?
    আইভিদিদি,তোমার কলমের শংসায় আর কি বলব? আমার কথাই বলি৷ তক্ক করতে গিয়ে কোনো প্রসঙ্গে ঐ যে কথাটা লিখতে বাধ্য হয়ে নিজের রক্তক্ষরণ ব্র্যাকেট দিয়ে ঢেকে রেখে আবেদন করেছিলাম কেউ এর উপরেও লবণ ছেঁটানোর মত অত্যাচার করবেন না, সেটা আর শব্দের মুখোশে ঢেকে কি করে দেখাবো? শুধু বলি বাক্যবন্ধটা পড়েও কি একবারও বোঝা যায়নি আমার ব্যক্তিগত সমর্থন কোন দিকে ছিল? এই তর্কটা কলেজ জীবনে যে সহপাঠীর সাথে হয়েছিল, তার কাছে যুক্তিতে হারতে হারতে যে কি প্রচণ্ড মারামারি কারার ইচ্ছে হয়েছিল আর অক্ষমতায় রাত জেগে আবার "বাণী ও রচনা" তন্ন তন্ন করে পড়া, ভোরবেলায় ঘুম থেকে তুলে বিমূঢ় তাকে তুলোধনা করা এসব আজ আর কি করে প্রমাণ করি? শুধু এটুকুই বলি, স্বামীজী কে "পলায়নবাদী" বলে কেউ যদি কলম ধরত, তো সবার আগে তার সঙ্গেই আমার ধুন্ধুমার লেগে যেত৷ ঈশানের কথাও ও হয়ত নিজেই বলবে, আমি এটুকুই বলি, এ পর্যন্ত যেটুকু চিনেছি, তাতে তক্ক করতে গিয়ে "ট্রডিশন বেচে দেওয়া" গোছের যাই লিখুক, আদতে নিজের শ্রদ্ধার কাছে সত্ থাকতে চেয়েই আমাকে ঐ কম্বুক ভদ্রলোকের  থেকে সরিয়ে নিজের পায়ে এনে খেলাতে চাইছে৷ রামকৃষ্ঞ মিশনের ব্যর্থতা সম্পর্কে যুক্তিনিষ্ঠ বিশ্লেষণ ওর মুখ দিয়ে যাই বলাক, আমার স্থির বিশ্বাস, পারিপার্শ্বিক সমাজ, জনগোষ্ঠী থেকে সম্পূর্ণ আলাদা উচ্চতায় অবস্থানকারী এই ব্যক্তিটির প্রতি সম্মান শ্রদ্ধায় ওরও এতটুকু ঘাটতি নেই৷ না হলে আর ওর সাথে এত কথা বলতাম ভাবো? তবু এই কথাকাটাকাটির খেলায় তোমার মত আরো কাউকে বোধে, শ্রদ্ধায় আঘাত দিয়ে থাকলে বা হয়তো আরো দিতে চলেছি বলে দুজনের তরফ থেকেই আমি ক্ষমা চেয়ে রাখলাম৷ -  চির বিবেকানন্দ ভক্ত আমি
    2/5সোমনাথ,কনক্লুশানের কথা পরে হবে৷ আগে কাটাকাটি:এক) "সাম্যভাবণার এই পণ্যমুখী ধারণা সত্যি আগে ছিল না৷ কিন্তু সাম্যভাবনাটা ছিল, এব ংবর্তমান প্রচলিত ইউরো-মার্কিন অর্থের চেয়ে অনেক উদার অনেক ব্যাপক অর্থে৷ এটা প্রমাণ করাটা খুব সোজা, কাল দুটো শ্লোক লিখে দেব, বুঝে যাবে৷"হলনা হলনা৷ লিখিত ইতিহাস বলে যদি কিছু সত্যি সত্যি ই বুঝে থাকি তাহলে ভারতবর্ষে সর্বপ্রথম সেরকম একটি নিদর্শন হল মনুসংহিতা, সমাজে চালু রীতিনীতি এব ংআইন কানুন বিষয়ে যেটা পষ্টাপষ্টি করে চাড্ডি কথা লেখে৷ সেখান থেকে গোটা কয়েক শোলোক বর ংপড়া যাক৷ সমস্কিত জানিনা, তাই চালু অনুবাদ থেকেই দিচ্ছি:
    8/413. But a Sudra, whether bought or unbought, he may compel to do servile work; for he was created by the Self-existent (Svayambhu) to be the slave of a Brahmana.
    8/414. A Sudra, though emancipated by his master, is not released from servitude; since that is innate in him, who can set him free from it?
    8/417. A Brahmana may confidently seize the goods of (his) Sudra (slave); for, as that (slave) can have no property, his master may take his possessions.
    আরো চাড্ডি দেওয়া যায়৷ কিন্তু শুদ্রদের সম্পর্কে এই কটাই যথেষ্ট৷এবার নারী সম্পর্কে:
    9/94. A man, aged thirty years, shall marry a maiden of twelve who pleases him, or a man of twenty-four a girl eight years of age; if (the performance of) his duties would (otherwise) be impeded, (he must marry) sooner.
    8/371. If a wife, proud of the greatness of her relatives or (her own) excellence, violates the duty which she owes to her lord, the king shall cause her to be devoured by dogs in a place frequented by many.
    8/374. A Sudra who has intercourse with a woman of a twice-born caste (varna), guarded or unguarded, (shall be punished in the following manner): if she was unguarded, he loses the part (offending) and all his property; if she was guarded, everything (even his life).

    ৷দেখতেই পাচ্ছ, কি চমত্কার সাম্য৷ :-) মন্তব্য নিষ্পয়োজন৷ ( এর সঙ্গে ভারতীয় দন্ডবিধির একটা তুলনামূলক আলোচনা চলতে পারে, হেভি জমবে )৷ ভালো কথা, অনুবাদ গুলো বাহলার থেকে নেওয়া৷ এগুলো নিয়ে কেউই কোনো আপত্তি তোলেননি৷দুই) "বেদ, উপনিষদ পুরাণ গুলো প্রাচীন ভারতের চিন্তাভাবনার সাক্ষ্য বহণ করে, যেমন śপিটক, বাইবেল, কোরাণ ও তার বেশ পরের মধ্যপ্রাচ্যের চিন্তাধারার সাক্ষ্য বহণ করে৷ এগুলোকে ধর্মগ্রন্থ বলে লিপিবদ্ধ ইতিহাসের বাইরে ফেলাটা আমি সমর্থন করি না৷"মনু সংহিতা নিয়ে মূল বাওয়ালটা যেখানে দেওয়া হয়, সেটা হল, এটা পরের দিকে লেখা৷ আসলি বৈদিক মাল নয়৷ ওদিকে আসলি বৈদিক মাল যেগুলো, সেগুলো নিয়ে সমস্যাটা হল, সেখানে খুব কś²ঈংট কিছু পাওয়া শক্ত, অনেক পরস্পর বিরোধিতা আছে, তাছাড়াও কোনটা আসল কোনটা প্রক্ষিপ্ত এই নিয়ে বাওয়ালি আছে৷ আমি ব্যক্তিগতভাবে ওগুলোকে লিখিত ইতিহাসের মর্যাদা দিতে রাজি নই৷ তবুও, কথা যখন উঠছে, আদিস্য আদি বৈদিক বস্তু R্বদ একটু নেড়ে দেখা যাক, সেখানেও তোমার বক্তব্য বিশেষ পাত্তা করতে পারবেনা :-)
    8/33/17 Indra himself hath said, The mind of woman brooks not discipline,Her intellect hath little weight.
    10/95/15 Nay, do not die, Pururavas, nor vanish: let not the evil-omened wolves devour thee. With women there can be no lasting friendship: hearts of hyenas are the hearts of women.
    ই হল R্বদের নারী সম্পর্কিত ধারণা৷ এরপর আসছে সেই স্তোś, যা সতী স্তোś নামে জগদ্বিখ্যাত:
    10/18/7 Let these women, whose husbands are worthy and are living, enter the house with ghee (applied) as corrylium ( to their eyes). Let these wives first step into the pyre, tearless without any affliction and well adorned.

    এখানে পরিষ্কার বলা হচ্ছে, যে, যাও বাছা স্বামীর মৃত্যুর পর জ্বলন্ত চিতায় উঠে পড়৷ কিন্তু এই ভার্সান টা নিয়ে একটু মতবিরোধ আছে৷ সমস্কিত জানিনা, ফলে মতবিরোধের যৌক্তিকতা নিয়ে কিচ্ছু বলতে পারবনা৷ তবে নরমতর ভার্সানটা এরকম:
    10/18/7 Let these unwidowed dames with noble husbands adorn themselves with fragrant balm and unguent.Decked with fair jewels, tearless, free from sorrow, first let the dames go up to where he lieth.
    জিনিসটা একই আছে, তবে আগুনে উঠে পড়ো টা কাটিয়ে দিয়ে মৃত স্বামীর পাশে যাও বলা আছে, তাতে মনে হয়না সেন্সটা বিশেষ বদলায়৷ তো, এই হল বেদের নারী সś²আংন্ত ধ্যানধারণা৷ এর নাম যদি সমতা হয়, তবে নতুন অভিধান লিখতে হবে৷ ঐ জন্যেই বলি, মানে বই না পড়ে আসল মাল গুলো একটু পড়ো৷ আর এর পরেও যদি গগনে গগনে খেল, তাহলে আমার কিছু বলার নেই৷ এছাড়াও তোমার বাকি পয়েন্টগুলো আবার সেই শুন্যপথের মায়া ফুটবল৷ একটাও ধোপে টেকেনা, বুঝলে? আরেকবার রিভিশান মেরে একটু দেখে নিও বদলাবে কিনা, তাপ্পর নাহয় জবাব দেওয়া যাবে:-)৷ঈশান** ভালো কথা R্বদের অনুবাদ গুলো গ্রিফিথের৷
    3/5
    সোমনাথ,তোমার মনুসংহিতার উদ্ধৃতি থেকেই শুরু করি - "শ্রদ্ধাপূর্বক নীচ ব্যক্তির থেকেও উত্তম বিদ্যা গ্রহণ করিবে৷৷৷"একটা শ্লোকে তিনবার "নীচ" - "নীচ ব্যক্তি", "নীচ জাতি", "নীচকূল" - অর্থাত্ "আমি উঁচু, আরো কেউ নীচু" - এই ধারণাটা কিন্তু অলরেডী প্রতিষ্ঠিত৷ এইখানেই কিন্তু "প্রাচীন সাম্য" ধারণাটা মার খেয়ে যাচ্ছে৷ আমার প্রশ্ন, "আমি উঁচু" - কেন? কে বলেছে? কোন অধিকারে আমি আর একজনকে "নীচু" বলছি?এটার মানে আমার কাছে কিন্তু সক্ষতদঢ়ভদতর সাম্যের মতন ঠেকলো না৷শঙ্করাচার্য্য, চৈতন্য, আরো পিছোলে বুদ্ধ, মহাবীর, যীশু - প্রত্যেকেই একএকভাবে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলেছেন - কিন্তু আধুনিক "সাম্য" - অর্থাত্ "শ্রম", "পণ্য", "যুক্তি", "দ্বন্দ" - এই ধারণাটা প্রাচীন নয় - ধভতরনদঢ়ভদড়-এর শুরু হেগেল থেকে (তাই তো?)৷ আধুনিক সাম্যের সাথে শ্রম-পুঁজির অর্থনীতি প্রচণ্ডভাবেই জড়িত৷"আধুনিক সাম্য" মানে আগে নাম করা সামাজিক ক্ষনপষক্ষলনক্ষ-দের অস্বীকার করা নয় কিন্তু৷৷৷হয়তো "শ্রম-পণ্য-যুক্তি-দ্বন্দ-অর্থনীতি"-এর ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে নেওয়া একটা নতুন সমাজচিন্তা৷৷৷যেখানে ঐ একই শ্লোকে "নীচ" কথাটা আর লেখা হয় না৷৷৷অরিজিত্পু: "দেশে-বিদেশে"-তে পেশোয়ারের এক প্রোফেসরের কথা আছে, যিনি কিনা যীশুর উপদেশগুলিকে অর্থনীতির সাথে মিশিয়ে এক অনবদ্য থিয়োরী খাড়া করেছিলেন৷৷৷
    3/5

    অরিজিত্"আমি উঁচু, আরো কেউ উঁচু" এই "প্রতিষ্ঠিত" ধারণাটা যাতে ভাঙতে পারে তারই চিহ্ন কিন্তু শ্লোক টার গায়ে৷ যতবার তুমি "নিচু" শব্দটা পড়ছো, ততবার তার ঠিক আগে অনুক্ত "তথাকথিত" শব্দটাও তুমি পড়ছো, আরেকবার পড়লেই বুঝবে৷ উদাহরণটা আমার মনে হয়েছিল সাম্যমুখী সমাজ বদলের চিন্তারই জনক৷  বেদের সময় থেকে বুদ্ধের সময়, পরে শঙ্কর, রামানুজ, চৈতন্য বারবার "সব মানুষ ই সমান" এই কথা বলতে চেয়েছেন, বোঝাতে চেয়েছেন৷ শঙ্করাচার্য তো নাকি দলকে দল "নীচু জাতি" বলে পরিচিত লোকদের ধরে ফটাস্ করে "ব্রাহ্মণ" করে দিতেন৷ "সম ংসর্বেষু ভূতেষু তিষ্ঠন্ত ংপরমেশ্বরম্৷বিনশ্বত্স্ববিনশ্যন্ত ংয: পশ্যতি স পশ্যতি৷৷সম ংপশ্যন্ হি সর্বś সমবস্থিতমীশ্বরম্ ৷ন হিনস্ত্যাত্মনাত্মান ংততো যাতি পরা ংগতিম্ ৷৷" ( - শ্রীকৃষ্ঞ)(বিনাশশীল সর্বভূতের মধ্যে অবিনাশী পরমেশ্বরকে যিনি সমভাবে অবস্থিত দেখেন তিনিই যথার্থ দর্শন করেন; কারণ ঈশ্বরকে সর্বś সমভাবে অবস্থিত দেখিয়া সেই সমদর্শী নিজে নিজেকে হিংসা করেন না, সুতরা ংতিনি পরমগতি প্রাপ্ত হন৷)আমি বলতে চেয়েছি এই সমস্ত জীবের দিকে সাম্যদৃষ্টি রাখার চিন্তাটা ধর্মীয় উপদেশগুলোর প্রচারের সঙ্গে সঙ্গে ইওরোপে পৌঁছলে তারাও সাম্য ব্যাপারটা উপলব্ধি করে থাকবে, যা সেখানের তত্কালীন শিল্পবিপ্লবোত্তর জীবনে গ্রহণ করতে গেলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় পণ্যমুখী মডিফিকেশন করার দরকার ছিল৷ আবার এমনটা নাও হতে পারে৷ আধুনিক সাম্য ধারণাটা গোটাগুটি ইওরোপীয় আবিষ্কার ও হতেই পারে, তবে আমাদের দেশেও বহুদিন আগেই সব মানুষকে সমান ভাবে দেখার মত মানসিক উত্কর্ষ ছিল৷ এটা ভুলে, মানুষের সমত্বের কারণ হিসেবে শুধু তাদের বিś² হিয়ে যাওয়ার প্রবণতাটুকুই দায়ী - এমনতর মহত্ দৃষ্টিভঙ্গি দান করার জন্য ইওরোপ-আমেরিকার প্রতি মুগ্ধ আনুগত্যের আমি প্রতিবাদ করেছিলাম৷ঈশান,একটু "মানেবই" আওড়াই, আমি কিছু বললেই সেটা আবার "আমার মতবাদ" বলে পরিগণিত হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা৷"""একদিকে ব্রাহ্মণ, অপরদিকে চণ্ডাল; চণ্ডালকে ś²মশ: ব্রাহ্মণত্বে উন্নীত করাই তাঁহাদের কার্যপ্রণালী৷ যেগুলি অপেক্ষাকৃত আধুনিক শাØś, সেগুলিতে দেখিবে নিম্নতর জাতিদের ś²মশ: উচ্চাধিকার দেওয়া হইতেছে৷ এমন শাØśও আছে, যাহাতে এইরূপ কঠোর বাক্য বলা হইয়াছে যে, যদি শূদ্র বেদ শ্রবণ করে, তাহার কর্ণে তপ্ত সীসা ঢালিয়া দিতে হইবে, যদি তাহার বেদ কিছু স্মরণ থাকে, তবে তাহাকে কাটিয়া ফেলিতে হইবে৷ যদি সে ব্রহ্মণ কে "ওহে ব্রাহ্মণ" বলিয়া সম্বোধন করে, তবে তাহার জিহ্বা ছেদন করিতে হইবে৷ ইহা প্রাচীন আসুরিক বর্বরতা সন্দেহ নাই৷ আর ইহা বলাও বাহুল্যমাś৷ কিন্তু ইহাতে ব্যবস্থাপকগণের কোন দোষ দেওয়া যায় না, কারণ তাঁহারা সমাজের অংশবিশেষের প্রথাবিশেষ লিপিবদ্ধ করেছেন মাś৷ এই প্রাচীনদের ভিতর কখনও কখনও অসুরপ্রকৃতির লোকের জন্ম হইয়াছিল৷ সকলযুগে সর্বśই অল্পবিস্তর অসুরপ্রকৃতির লোক ছিল৷ পরবর্তী স্মৃতিসমূহে আবার দেখিবে, শূদ্রের প্রতি ব্যবস্থার কঠোরতা কিছু কমিয়াছে - "শূদ্রগণের প্রতি নিষ্ঠুর ব্যবহারের প্রয়োজন নাই, কিন্তু তাহাদিগকে বেদাদি শিক্ষা দিবে না৷" ś²মশ: আমরা আরও আধুনিক - বিশেষত যেগুলি এই যুগের জন্য বিশেষভাবে উপদিষ্ট - সেই সকল স্মৃতিতে দেখিতে পাই, "যদি শূদ্রগণ ব্রাহ্মণের আচার-ব্যবহার অনুকরন করে, তাহারা ভালই করিয়া থাকে, তাহাদিগকে উত্সাহ দেওয়া উচিত৷ এইরূপে যতই দিন যাইতেছে ততই শূদ্রদিগকে বেশি বেশি অধিকার দেওয়া হইতেছে৷ এইরূপে মূল কর্মপ্রণালীর এব ংবিভিন্ন সময়ে উহার বিভিন্ন পরিনতির, অথবা কিরূপে বিভিন্ন শØś অনুসন্ধান করিয়া উহাদের বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যাইবে, তাহা দেখাইবার সময় আমার নাই; ৷৷৷৷৷৷ """ ইত্যাদি৷ নারীদের ক্ষেśও ব্যাপারটা মোটামুটি একই বলা যায়, তাই না? সতীদাহের "চিতা" র কনসপ্টটা আমার কেন যেন স্বামীহীনতার কষ্টের রূপক বলে মনে হয়৷ (ইয়ে, এটা আমার ব্যক্তিগত ধারণা)৷তাড়াতাড়ি শেষ কর গুরু, শুক্কুরবারের পরে আর টানতে পারব না৷দীপ্তেন্দা, তোমায় কিন্তুক জাজ ঠাউরেছি৷ একটা ইন্টারমিডিয়েট সাম আপ থাকলে শেষ করাটায় সুবিধে হত৷!
    6/5
    সোমনাথ,কি বললে? সতীদাহের "চিতা" র কনসেপ্টটা স্বামীহীনতার কষ্টের রূপক বলে মনে হয়? :-)) ৷ বলি, সতীদাহ সত্যি সত্যি হত সেটা জানো তো? সেটাও কি রূপকার্থে সাম্যচিন্তার স্তম্ভ?আর "এইরূপে যতই দিন যাইতেছে ততই শূদ্রদিগকে বেশি বেশি অধিকার দেওয়া হইতেছে৷ এইরূপে মূল কর্মপ্রণালীর এব ংবিভিন্ন সময়ে উহার বিভিন্ন পরিনতির, অথবা কিরূপে বিভিন্ন শØś অনুসন্ধান করিয়া উহাদের বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যাইবে, তাহা দেখাইবার সময় আমার নাই", এইটাই বা কি হল, অ্যাঁ?  সময় যখন নাই, তখন বলিবার প্রয়োজন কি? দম টম নিয়ে পরে বললেই হত৷ সময় নাই বলিয়াই তো আর সাতখুন মাপ নয়, আর গুরুবাক্য বেদবাক্য হিসাবে মেনে নেবার কোনো প্রশ্নও নেই৷ সত্যি মাইরি, মানেবই পড়ার অভ্যেস এই জাতির যে কবে যাবে?ঈশান
    6/5
    ঈশান,হ্যা, "ঁআমার মনে হয়"৷ মনে হয় ঐ রূপকে বাঁধা কথার মানে ধরতে না পেরেই পরবর্তী কালে সতীদাহ শুরু হয়৷ কিংবা কেউ কেউ স্বামী মারা গেলে নিজেরাই আত্মহত্যা করে থাকবেন হয়ত সেখান থেকেই এই ব্যাখ্যাটা জোর পায়৷ মহাভারতেও মাদ্রী মরে গেল, কিন্তু কুন্তী রয়ে গেল না? (আবার কোনো মহাকাব্যের সামাজিক ব্যাখ্যায় ঢুকতে চাইছি না৷) শেষটাও এড়িয়ে গেলে৷ যাই হোক, কনক্লুশনটা তাড়াতাড়ি দিয়ে দাও যাওয়ার আগে দেখে যাই৷ নয়তো
  • siki | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০১:১৫168505
  • র‌্যাগিংয়ের গল্প শুনিয়েছিল আমার বন্ধু, তারাতলা মেরিন ইঞ্জিনীয়ারিংয়ের, শুনলে গা হিম হয়ে যায়।

    যাক, সে কথা ছেড়ে, এইটা কি অজ্জিতের ইনপুটে বেরিয়েছে আজ?

    http://www.epaper.eisamay.com/Details.aspx?id=6603&boxid=134749156
  • a x | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০১:১৪168504
  • হাসতে হাসতে চেয়ার থেকে পড়ে যাচ্ছি।
  • siki | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০১:১৩168502
  • ইটা কী!!!!!!
  • pi | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০১:১৩168503
  • কোন একটা ওষুধে ম্যাজিকের মত কাজ হয়ে গেল, ব্যাপারটা তো এরকম নয়। আইন হয়, সেটাকে ইম্প্লিমেন্ট করার জায়গাটাও তৈরি করতে হয়। নইলে আইন কাগুজে আইন হয়েই থেকে যায়। এটা একটা কালচারের বিরুদ্ধেও লড়াই তো বটে। ছাত্র রাজনীতি করা কয়েকটা দল হোস্টেলে টানা অ্যান্টি র‌্যাগিং ক্যাম্পেন করে গেছে, সেখানে আরো লোকজনকে বোঝানো, সেই র‌্যাগিং বিরোধী দলে আনার চেষ্টা, সবই করে গেছে। পাশাপাশি এগুলো হয়ে যাবারও উপযোগিতা ছিল এবম` আছে বলেই মনে করি।
  • rabaahuta | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০১:০৮168500
  • আসলে ভাবছিলাম, এই যে ছাত্ররাজনীতিতে এত কিছু হয়, অনেকেই, ছাত্রাবস্থায় বোধয় প্রায় সবাইই আদর্শের টানেই আসে, তো যে সময় হোস্টেল গুলিতে র‌্যাগিংএর স্বর্ণযুগ ছিল, তখন স্পেসিফিক্যালি ছাত্ররাজনীতির লোকেরা কিছু করে নি? একা একা নয়, সাংগঠনিক ভাবে, এই যেমন র‌্যাগিং করলেই কেলিয়ে পাট করে দেওয়া টাইপ? (কেলিয়ে পাট করাটা ভালো কথা নয়, কিন্তু অনশন করে কি আর র‌্যাগিং বন্ধ হয়, আমি ধরে নিচ্ছি কর্তৃপক্ষ বা শাসনযন্ত্রকে নাক গলাতে দেওয়া হবে না)

    হয়েই থাকতে পারে, নিশ্চয় কিছু হয়েছে, আমি কোন এলিট প্রতিষ্ঠানে পড়ার চান্স তো পাইনি, তাই প্রত্যক্ষ জানিনা। তবে সরকারী শাসনযন্ত্র, কর্তৃপক্ষ, মিডিয়া, এদের কেউ একটুও বিশ্বাসযোগ্য নয় আমিও মনে করি, কিন্তু এদের হস্তক্ষেপ ছাড়া র‌্যাগিং বন্ধের দিকে এফেকটিভ কিছু পদক্ষেপ কি হয়েছে? নিজেদের মধ্যে মিটিয়ে নিতে পারলে তো তার থেকে ভালো আর কিছু হতো না।

    আমার চেনা একজন আছে, তাকে জন্মদিন জিজ্ঞেস করলে দুটো দিন বলে। একটা হলো ঐ, জন্মদিন, আর আরেকটা র‌্যাগিঙের, তাও নিজের নয়, নিজের বরাদ্দ ক্যাল হজম করে নিয়েছিল, অন্য এক নিরীহ আর 'আনস্মার্ট' সহপাঠীর হেনস্থার প্রতিবাদ করার পর দুচারখানা ভাঙা রিব সারাইয়ের সার্জারী শেষে জ্ঞান ফেরার দিন। আর আরেকজনের গল্প কাল শুনছিলাম, অনবরত ক্যাল খেতে খেতে আর সহ্য করতে না পেরে গভীর রাতে ক্যাম্পাস থেকে বেরিয়ে শহরে আসার। এদের দলে নাকি একজন কলকাতার ছেলে ছিল, সে আর ফেরেনি, কোনভাবে যোগাড়যন্ত্র করে সোজা কলকাতা ফেরৎ, বাঙাল র‌্যাগিং নিতে পারেনি। এই প্রসঙ্গে মনে পড়লো, বিনয় মজুমদার কিছুদিন ত্রিপুরা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে অধ্যাপনা করেছেন, এই দুর্মদ বাঙাল মুলুকে কি করে ছিলেন কে জানে। তো এরা অবশ্য সবাই প্রতিষ্ঠিত লোক, র‌্যাগারদের সম্পর্কে কোন অভিযোগও নেই আর, বেশীরভাগ সময়ই যা হয় আরকি। আর এগুলো কোনটাই কোন এলিট প্রতিষ্ঠানের গল্প নয়, পূর্বতন ত্রিপুরা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের গল্প। আগরতলার মত ছোট শহরে বোধয় এসব গল্প বেশী শোনা যেত, ছেলে মেয়েরা অপেক্ষাকৃত ক্যাবলা হতো তো, তাই সিনিয়াররা স্মার্ট করার জন্যে বোধয় বেশী এফোর্ট দিত। তো মেধাবী ও ফ্রাস্ট্রেটেড ফিজিক্স স্যার যে র‌্যাগিং সহ্য করতে না পেরে পালিয়ে এসে অন্য পড়াশুনো করে আমাদের স্কুলের শিক্ষক হয়ে বেদম পেটাতেন। তো এইরকম লোকজন অনেক ছিল আশেপাশে। আমার এক মামা আছেন... যাউগ্গা, এইসব ব্যাক্তিগত গল্প।

    তো এইসব ছাত্রদের আভ্যন্তরীন ব্যাক্তিগত বিষয় মেটানোর জন্যে ছাত্ররাজনীতি, বা ছাত্রদের আঙিনার রাজনীতি, যেসব ছাত্রছাত্রীরা 'চান্স' পেয়েছিল, তারা ঠিক কি করেছেন? নাকি এইসব চাড্ডি সংগঠন আর 'ক্লিভেজ দেখানো বাজারী মিডিয়া' এদের সাহায্যই নিতে হয়েছে, র‌্যাগিং বিরোধী আইনকানুন করার জন্যে? এবং আইনকানুন না করে র‌্যাগিং বন্ধ করা যায়ও নি। অনধিকার চর্চা হচ্ছে, ঐ যে বললাম, আমি তো চান্সই পাইনি, তার থেকেও বেশী এগুলো আমার বিশ্বাসের বিপরীতে কথা বলছে, কারন আমি মনে করি ছাত্রদের ক্ষমতা অসীম, এবং রাজনীতি গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু, ঐ কতগুলি কিন্তু আছে।

    ব্যাক্তিগত অতীতের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আমার মনে হয় এসব কথা বলার খুব একটা জায়গা, অভিজ্ঞতা, জ্ঞান, প্রয়োজন কিছুই আমার নেই। কিন্তু এই র‌্যাগিং বস্তুটা, অন্তত নৃশংস মারধোরগুলি আটকানোর পুরো ক্ষমতা ছাত্ররাজনীতির ছিল মনে করি, এবং নিজেদের স্বার্থে আটকায়নি সেটাও মনে করি। তাই এই বিষয়ে ছাত্ররাজনীতির হস্তক্ষেপকে একটু কুটিল চোখে দেখি আরকি।
  • a x | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০১:০৫168499
  • হোলি কাউ!
  • test | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০১:০২168498
  • ধুস ওয়ার্ড কাউন্টে লিমিট আছে। ঃ-(
    ঈশান মুর্দাবাদ
  • test | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০১:০১168497
  • অরিজিত্,আমার পয়েন্টটা অন্য৷ মূল্যবোধের অবক্ষয় ইত্যাদি খুব চালু কথা, কিন্তু প্রশ্নটা হচ্ছে কিকরে, কোন মাপকাঠিতে বুঝব, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মূল্যবোধ ś²মশ ঝরে যাচ্ছে শীতের পাতার মতো? সোজা চোখে সাদা বাংলায় দেখলে তো এমন কোনো চিহ্ন চোখে পড়েনা যা থেকে বোঝা যায় যে গত দুশো বছর ধরে আজ পর্যন্ত "মূল্যবোধ" এর অবনতি হচ্ছে৷ দুশো খানেক বছর আগে আমাদের এলিট পূর্বপুরুষরা কতো সহজে চিতায় তুলে জ্বালিয়ে দিতেন জীবন্ত নারীকে, শ দেড়েক বছর আগে এলিট বাবু আর তাঁর সাঙ্গোপাঙ্গদের কীর্তিকাহিনী ইতিহাস হয়ে আছে, বছর ষাটেক আগে কালোবাজারির কল্যাণে এমন কেলোর কীর্তি হয়েছিল যে নেহেরু অবধি উত্তেজিত হয়ে ল্যাম্পপোস্টে ঝোলানোর প্রসঙ্গ তুলে ফেলেছিলেন, এমনকি স্বাধীনতার পরে, এই তো মাś বছর পঁয়তাল্লিশ বছর আগে, ঊনষাট সালে, কলকাতা শহরের রাজপথে আমাদের স্বাধীন সরকারের সুসভ্য পুলিশ বাহিনী খাদ্য আন্দোলনের ভুখা মিছিলের উপরে টিপ প্র্যাকটিস করে যত সংখ্যক মানুষকে খতম করেছিল, আজ সেসব হলে লঙ্কাকান্ড হয়ে যেত৷ ষাট সত্তর এমনকি আশিতেও মফ:স্বলে বীর ছেলেপুলে বাহিনীর দলবল বেঁধে মেয়েদের "পিছনে লাগা" খুব স্বাভাবিক ব্যাপার ছিল, মেয়ের সম্বন্ধ দেখতে হলে  বাপ-মা সরকারী চাকুরে পাśরে উপরি কত খোঁজখবর নিতেন, ইত্যাদি ইত্যাদি৷আজকেও যে দিনকাল খুব পাল্টে গেছে তা নয়, কিন্তু বিষয়টা মোটেই এরকম নয়, যে আজকে "মূল্যবোধ" ধসে যাচ্ছে, ছেলেপুলে ইন্টারনেট কেবল টিভি আর পর্নোগ্রাফির পাল্লায় পড়ে গোল্লায় যাচ্ছে, আর আগে স্বর্ণযুগ ছিল৷ বিষয়টা মোটেই এরকম তো নয়ই বর ংউল্টোটাই৷ বলতে দ্বিধা থাকার কথা নয়, যে, যদি, তথাকথিত "মূল্যবোধ" নামে কোনো অজর অনড় জাগতিক বস্তু এ ভুবনে থেকেও থাকে, তাহলে তার অবনতি তো নয়ই বর ংকিছুটা হলেও উন্নতি হয়েছে৷ ইন্টারনেটে পর্নো দেখা ছেলেপুলেরা আজকাল সেই স্বর্ণযুগে তাদের বাপ কাকাদের মতো সেভাবে মেয়েদের "পিছনে লাগেনা", সরকারি চাকরি বস্তুটা আজকাল বোধহয় পাওয়াই যায়না, ফলে উপরির চান্সও কমেছে৷ অবশ্যই আজও মস্তান রাজ আছে, সেই মহান পুলিশ আজও ঘুষ খায়, লকাপে কিলিয়ে কাঁঠাল পাকিয়ে দেয়, কিন্তু সেসব মোটেই নতুন যুগে হঠাত্ করে "মূল্যবোধের অবক্ষয়ের" ফলে গজিয়ে ওঠেনি, ইন্টারনেট কেবল টিভি আর ভোগবাদী কুপ্রভাবও সেসবের জননী নয়, বর ংআমাদের বাপ-পিতেমো যে মহান স্বর্ণযুগের উত্তরাধিকার আমাদের ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়ে গেছেন, ওগুলো তারই অংশ৷আর তার চেয়েও বড়ো কথা হল, মূল্যবোধ মোটেই কোনো অচঞ্দল ধ্রুবতারা নয়৷ রবীন্দ্র সন্ধ্যার শাপমোচন,পনেরই আগস্টের পতাকা উত্তোলন,সারারাśব্যিআপী বিরাট বিচিśআনুষ্ঠানে কিশোরকন্ঠী মাস্টার অশোক আর লতাকন্ঠী মিস শোভার নাচাগানা, "সিঁদুর দিয়োনা মুছে শাঁখা দিয়োনা ভেঙে"র মেলোড্রামা,এসবের সঙ্গে সঙ্গে শোলের হেলেনের নৃত্য, রুদ্ধশ্বাসে লুকিয়ে পড়া হলুদ বই এইসবও কোনো না কোনো ভাবে ঢুকে ছিল আমাদের কালেক্টিভ আনকনশাসে৷ এখন হেলেনের জায়গায় এসেছেন ব্রিটনি স্পিয়ার্স বা জেনিফার লোপেজ, হলুদ বইয়ের জায়গায় এসেছে হাতে গরম দেসিবাবা৷ এটা একটা পরিবর্তন তো বটেই, কিন্তু আর যাই হোক মূল্যবোধ ভেঙে পড়া নয়৷ঈশান
    8/4
    ঈশান,অবশ্যই একথা বলছি না (বা বলতে চাইছিও না) যে কুড়ি বছর কি আরো আগে স্বর্ণযুগ ছিলো, আজকে সব গোল্লায় গেছে - কুড়ি বছর আগে সত্যযুগ ছিলো, এখন ঘোর কলি - এরকমটা মোটেও নয়৷ আমি কারণ খুঁজছি - উদাহরণহিসেবে যৌন অপরাধের হঠাত্ বেড়ে যাওয়ার কারণ - নাকি এগুলো আগেও ছিলো, এখন শুধু চোখের সামনে আসছে? হাজার বছর আগে আম্রপালী ছিলেন, এখন শুধু নাম আর চারপাশটা পাল্টেছে, এও যেমন সত্যি, তেমনি এটাও সত্যি চটজলদি অর্থোপার্জনের জন্যে আজ আরো অনেক বেশিসংখ্যক মানুষ এই ধরণের পথ বেছে নিচ্ছে৷ এটাই আমার সবচেয়ে বড় প্রশ্ন - চটজলদি অর্থোপার্জনই কি সবচেয়ে বড় লক্ষ্য? এই মনোভাবটা কি আগেও এত বেশি রকম প্রকট ছিলো?টাইমস অফ ইণ্ডিয়া আর হিন্দুস্তান টাইমস - দুখানা কাগজেই দিল্লী-গুরগাঁও-নয়ডার আশেপাশের অঞ্চল নিয়ে একটা সার্ভে হয়েছিলো - তাতে এই ধরণেরই উত্তর পাওয়া গেছে - বিভিন্ন রাজ্য থেকে পড়তে আসা মেয়েরা কিভাবে চটজলদি আয়বৃদ্ধির জন্যে স্বেচ্ছায় (হ্যা, ঁস্বেচ্ছায়) এই পথগুলো বেছে নিচ্ছে৷৷৷প্রশ্নটা সেখানেই - এই মুল্যবোধ কি আমাদের আজকের প্রাপ্তি, নাকি আগেও ছিলো? এই ধরণের প্রশ্ন এখানেও (ইংল্যাণ্ডেও) উঠছে - রতধ দয়রঢ়য়ক্ষন নিয়ে, থভশফন ধক্ষভশযভশফ নিয়ে৷৷৷এই আকালেও (নিম্নগামী অর্থনীতি) ঙষক্ষশ ঐশধয়ড়ঢ়ক্ষ-ঁর রমরমার একটা অর্থনৈতিক ব্যাখ্যা আছে - মেরীল্যাণ্ডে "অতলান্তিক ঘন্টা" কোম্পানীতে থাকার সময় কিছু তথ্য হাতে এসেছিলো (কিভাবে আমেরিকায় টেলিকম সেক্টরের খারাপ সময়ের পুরো ফায়দা তুলেছে এই শিল্প)৷৷৷সেই বিষদে যাচ্ছি না আপাতত, কিন্তু এটা তো মোটামুটি সর্বজনবিদিত যে ইন্টারনেট, মেল ইত্যাদির ব্যবহার বাড়ার সাথে সাথে এই ব্যবসাটা চুটিয়ে বেড়েছে৷৷৷আগে হোস্টেলে লুকিয়ে-চুরিয়ে নীলছবি চলতো (এগারোতে আমি না থাকলে, কারণ বারকয়েক উন্মুখ জনতার সামনে থেকে টিভি তুলে নিয়ে এসেছিলাম) - এখন লুকোছাপার অত প্রয়োজন নেই, আর ব্যাপারটা অনেক সহজলভ্য৷৷৷তার প্রতিś²য়িআ কি একেবারেই নেই?এই প্রশ্নগুলো তুললেই তো কারণ জানা যাবে - বোঝা যাবে যা ভাবছি সেগুলো ঠিক কি ভুল৷৷৷হিংস্র খেলনা, বই, টিভি গেম যে সত্যিই এফেক্ট ফেলে সেটাও তো বেশ কিছু তথ্য দিয়েই বলা হচ্ছে৷৷৷সুইত্জারল্যাণ্ডেই মনে হয় সমস্ত রকম হিংস্র খেলনা (বন্দুক-পিস্তল-তরোয়াল) বন্ধ৷৷৷মনে তো হয় শিশুদের মাথায় হিংসা ঢোকা বন্ধ করার জন্যে সদর্থক পদক্ষেপ৷৷৷এই প্রশ্নগুলো সহজ নয়, আর উত্তরও আমার জানা নেই৷ আর দ্বিতীয়ত, আমার মূল বক্তব্য ছিলো এই সবকিছু শুধুমাś আমাদের দেশের সমস্যা নয়, গোটা পৃথিবীতেই এই ট্রেন্ডটা দেখা দিয়েছে৷অরিজিত্
    9/4
    ঈশান,অরিজিতের সঙ্গে আলোচনায়, "ইন্টরনেটে পর্ণো দেখা" আর "মেয়েদের উত্তক্ত করা কমা" সś²আংন্ত বাক্যটা প্রায় ড়নরপ নক্ষ্সরতশতঢ়ষক্ষ ঁহয়ে গেল, তাতে মূল্যবোধের উন্নতির উদাহরণ পেলাম কি? মেয়েদের না জ্বালিয়ে পানু দেখাটা বেটার, এমনটাই বললে কি?সরকারি চাকরি না পাওয়া গেলে উপরির চান্স কমবে কেন বুঝলাম না, যারা এখন সরকারি চাকরি করছেন তারা উপরি নেওয়া কমিয়েছেন কিনা সেটাই প্রতিপাদ্য হলে ভালো হত বোধহয়৷ইন্টারনেট, কেবল টিভি - মস্তান রাজ, বা পুলিশি দুর্নীতির জননী নয় বটে, কিন্তু অন্য কিছুর ও কি নয়?আলোচনা জমে উঠছে, খুঁত ধরতে নয়, ভাবনার রসদ যোগাতে লিখলাম৷ চলুক চলুক৷অরিজিত্যৌন অপরাধ বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি, অন্যান্য দিকগুলূ বলো৷আর তোমার উদাহরণ থেকে বোধহয় একটা প্রশ্ন উঠতে পারে, ছেলে বা মেয়েদের ড়নক্ষ্যতর সয়ক্ষভঢ়-ঁর লঁঢ়ব টা ভেঙে যাওয়া, আর উপার্জনের উপায় হিসেবে মেধা আর কায়িক শ্রমের পাশাপাশি "স্বেচ্ছা যৌনতার স্বীকৃতি"র ফল কিছু ভাল হল, না খারাপ হল৷  ছোটবেলা থেকে হিংস্র খেলনা বা দৃশ্যের মুখোমুখি হওয়া শিশুরা তাদের আগের প্রজন্মের চেয়ে বেশি ম্যাচিওরড, যা তাদের জীবনসংগ্রাম কে আরো বেশি সাহায্য করেছে, নাকি এ এমন একটা ছদ্ম-উত্তরণ যা পারিপার্শ্বিকের প্রতি আরো অকরুণ হয়ে নিজের শিকড় বা পরিবেশ থেকে রসাস্বাদনের মাধ্যমগুলো কেটে ফেলে মানুষ কে আরো একলা, নৈতিক-পরমতসহিষ্ঞুতার হননকারী করে তুলছে৷ ফল, স্বার্থসিদ্ধির পথে যে কোনো উপায়কে আরো বেশি করে আঁকড়ে ধরা৷ ঈশানের আপত্তি বোধহয় এই "আরো বেশি" শব্দটায়৷ যাই হোক যদি "বেশি"-ও হয়, এই ś²মশ কঠিন হতে থাকা বেঁচে থাকার উদ্বর্তনে সেটা সমর্থনযোগ্য কিনা৷লেখো, লেখো, বহু বহু দিন বাদে আমারো হাত নিশপিস করছে৷তা দময়ন্তি কই গেলে৷ আমি তো ভাবতেছিলুম কদিন আগে মধুলিকার কলমে তুমি দেশীয় অবক্ষয়ের যথেষ্ট চিś পেয়োচো৷ এখনো মন বুঝি ভরে নাই, ভরে নাই? এইবার আমরা আন্তর্জাতিক অবক্ষয়ের পথে এগোবো৷ সঙ্গে থাকো৷ বৈজয়ন্ত? দীপ্তেন্দা?
    10/4
    মূল্যবোধ ও অবক্ষয় নিয়ে দু-এক কথা৷এশান যা বলেছে তাও যেমন ঠিক তেমনি অরিজিত বলেছে একটু অন্য দিক থেকে৷ আমি ইন্টারনেটের ব্যবাহার নিয়ে একতু বলি৷ বেশ কিছুদিন আগের হিমাচল ও বো৷ওর আলোচনা থেকে দুটো নাম ধার নিলাম, প্রেম ও প্রেমী৷ ধরা যাক প্রেমের বয়স 55 আর প্রেমীর 45৷ দুজনেরই দুনিয়াদারীর অভিজ্ঞতা যথেষ্ট, তাই হঠাত্ বাইরের কিছুর প্রভাবে কিছু অন্যায় করবে এমন ভাবাটা বোধহয় ঠিক হবে না৷ প্রেমী প্রায় 20 বছর আগে এক সাহেব কে বিয়ে করে নিউজীল্যান্ডবাসী  হয়েছে৷ প্রেম কর্মসুś বের্তমানে অস্ট্রেলিয়াবাসী৷ নি:সন্তান প্রেমী পেশায় ফ্যাশান ডিজাইনার৷ নি:সঙ্গতা কাটাতে ইয়াহুতে প্রচুর চ্যাট করে৷ এইভাবেই কোনো এক চ্যাটরুমে ইয়াহুর একটি বিশেষ গ্রুপের মধ্যে প্রেমের ভাই ঠ্যাঁটার মাধ্যমে দুজনের পরিচয় হয়৷ এই পরিচয়ের দুদিনের মাথায়ই ঠ্যাঁটা তার দাদার কাছে শোনে প্রেমী নাকি মধ্যরাś অতিś²আন্ত হবার পর রোজ প্রেমকে ফোন করে অনে-এ-এক গল্প করে৷ ঠ্যাঁটা  বেজায় অবাক৷ কেন অত রাś কেন? ওরা তো মোটামুটি একই টাইম জোন এ৷ ঠ্যাঁটার বৌদি যিনি আমেরিকায় থাকেন তিনি হলে মানে বোঝা যেত৷ কারণ একেবারে উল্টৌল্টি সময় তো৷ তা যা শোনা গেল তা হল ঐ সাহেব ঘুমোবার পর প্রেমী ফোন করে৷ মেলের সাহায্যে নিজের ডিজাইন করা জামাকাপড়ে প্রচুর ছবি টবি পাঠান৷ এরপ্রে ঠ্যাঁটা শোনে প্রেমী এমনকি কোনো এক সময় (যত তাড়াতড়ি সম্ভব) দেশে ফিরে প্রেমের সাথে বকখালি বা দীঘায় এক রাত কাটাতে চায়৷ কারণ সে প্রেমের প্রেমে পড়েছে এব ংসন্তান চায়৷ এইবারে ঠ্যাঁটা মনে মনে ভাবে কেন রে বাব নিউজীল্যান্ড এ কি স্পার্ম ব্যাংক নেই? তার সাহায্য নেওয়া যেত না৷ ঠ্যাঁটা এই ঘটনাকে ঠিক "নিকষিত হেম" টাইপের ভাবতে পারে না, বরঞ্চ  প্রেমীকে তার, ঐ চলতি বাংলায় যাকে হাফ্ গেরস্ত বলে, তাই মনে হয়৷ প্রেম ঠ্যাঁটাকে তাদের ফোনালাপের  আরো কিছু  কথা জানিয়েছে, যা এখানে উল্লেখ করার কোনো দরকার নেই৷ তবে তা ঠ্যাঁটার ধারণাকে আরো পোক্ত করেছে৷ তা এইবারে আমার কথা হল এর জন্য কি আমরা ইয়াহু কে দোষ দেব? আমাদের ইচ্ছামত গ্রুপ বানাতে দিয়েছে, অমন ভাল মেল দিয়েছে বলে? প্রেমীর হাফ্ গেরস্তপনা তো ইয়াহুর সাহায্য ছাড়াই বিকশিত হতে পারত৷ আবার এটাও ঠিক যে ইয়াহু গ্রুপের অস্তিত্ব এব ংমেল এ অ্যাটাচমেন্ট পাঠানোর সুবিধার জন্যই খুব দ্রুত হতে পারে এইসব ব্যপার৷ তাহলে??? আপাতত এই৷ পরে আরেকটা অন্য বিষয় নিয়ে লিখব৷ দময়ন্তী
    10/4
    অরিজিত্মুল্যবোধের অবক্ষয় ? না মুল্যবোধের পরিবর্তন ? গুরগাও ইত্যাদি যায়গার মেয়েরা স্বেচ্ছায় যা করছে (তা ভালো কি মন্দ -সেই এঁড়ে তক্কে যাচ্ছি না)সেটা তারা করছে কোনো অপরাধবোধ ছাড়াই- যেমন করেছিলো ষাঠের দশকের হিপি জেনারেশন - বিশ্ব জুড়ে তখন সদর দপ্তরের বিরুদ্ধে লড়াই- রাজনৈতিক, সামাজিক,  সাংস্কৃতিক কোনো ফ্রন্টেই বাকী ছিলো না৷ ভেবে দেখেছো কি গুরগাঁও মেয়েরা সেই কামান দাগার লড়াই ই চালিয়ে  যাচ্ছে  - তাদের মতন করে?তবে একটা বিষয়ে তোমার সাথে আমার মত কিছুটা মেলে - কেনো জানি না মনে হয় আমাদের ছোটোবেলায় (তোমাদের মতন বয়সে)অনেক বেশী প্যাশন দেখেছি-রাজনীতি, নাটক, কবিতা ৷৷৷৷ ইত্যাদি সব বিষয়েই৷এখন, কেনো জানি মনে হয়, নবীন প্রজন্ম অনেক বেশী দতরদয়রতঢ়ভশফ, কত ধানে কত চাল- সেই হিসাবে ব্যস্ত৷হতে পারে এটা আমার চালশে দৃষ্টির দর্শন - কিন্তু আমাদের প্রজন্মের সেই আধা পাগোল ছেলে মেয়ে গুলোকে তো আর দেখতে পাই না৷বুঝলে ?দীপ্তেন্দা
    11/4

    দময়ন্তী,বাসে চড়লে অ্যাকসিডেন্ট হতে পারে, তাবলে কি সেটা বাসের দোষ? ইয়ে মানে অনেক ক্ষেś অবিশ্যি দোষ, কিন্তু সবসময় নয় - বর ংবলা ভালো ঐ যে ভদ্রলোক কি যেন নাম যিনি ইনি আবিষ্কার করেছিলেন, তাঁর দোষ নয়৷৷৷তাই ইন্টারনেটের দোষ নয়, ইন্টারনেট দায়ীও নয়৷ ভোগবাদের প্রাধাণ্যের সাথে প্রযুক্তির উন্নতির একটা যোগাযোগ আছে ঠিকই, কিন্তু একে ঠিক কার্য-কারণ হিসেবে ভাবা যায় না৷ উদাহরণ দিয়ে বলি - আমাদের আগের প্রজন্ম যখন সংসার পেতেছিলেন, তখন ফ্রীজ আবিষ্কার হয়ে থাকলেও সহজলভ্য ছিলো না, আর তাই মধ্যবিত্ত সংসারে প্রয়োজনীয় বস্তুও ছিলো না৷ অথচ, আমরা যখন সংসার পেতেছি, অন্যতম প্রয়োজনীয় বস্তু ছিলো কিন্তু একটা ফ্রীজ৷৷৷একে ঠিক ভোগবাদ বলা যায় না - আগের প্রজন্মের ক্ষেś হেয়তো এটা ভোগবাদ ছিলো, আমাদের প্রজন্মের ক্ষেś নেয়৷ ভোগবাদের সংজ্ঞা সময়ের সাথে সাথে পাল্টায়৷৷৷একই ভাবে মুল্যবোধের সংজ্ঞাও - কিন্তু কিছু সাধারণ ব্যাপার আছে, সেগুলো একই থেকে যায়৷৷৷ইন্টারনেট বা প্রযুক্তিকে দায়ী করলে তো প্রাগৈতিহাসিক যুগে ফেরত্ যেতে হয়৷৷৷তাই না?আমি বলতে চাইছি একটা মানসিকতার কথা - একটা অসুস্থ মানসিকতা যেটা হয় প্রচণ্ডভাবে বেড়েছে, বা বাড়ানো হয়েছে৷৷৷আমি বলতে চাইছি একট চś²রে কথা - একটা ব্যবসায়ী চś² যারা এর জন্য দায়ী৷৷৷বোঝাতে পারলাম কি? এখন বেশী লিখতে পারছি না - বেশ এট্টু কাজ আছে৷৷৷তার ফাঁকে যেটুকু পারলাম৷৷৷অরিজিত্
    11/4

    মূল্যবোধের অবক্ষয়ই হয় শুধু শুনি, তা মূল্যবোধটা কি তেজস্ক্রিয়? অনবরত বিকিরণে ক্ষয়ে যাচ্ছে - তৈরী হচ্ছে অন্য পদার্থ!মূল্যবোধের হাফ-লাইফই বা কত?দ্রব্যমূল্য শুধুই বাড়ে আর মূল্য বোধ শুধুই কমে - কোনো সম্পর্ক আছে কি? আরো একটা কথা - প্রাথমিক ভাবে মূল্যবোধ কত ছিল -  শুধুই তো এর ক্ষয়ে যাওয়ার গপ্পই শুনি!বড় চিন্তা হয় আজকাল
    11/4
    অরিজিত্1) কোন সাধারণ  ব্যাপারগুলো একই থেকে যায়?2) "ভোগবাদ", "মূল্যবোধ" আর কি কি সংজ্ঞা পাল্টেছে? কেন পাল্টেছে?3) মানসিকতাটা অসুস্থ কেন?4) চś²? ব্যবসায়ী চś²? এটা কি পর্ণো প্রসঙ্গে বললে?ঘেঁটে যাচ্ছো তো হে? মাথা ঠাণ্ডা করে লেখো৷ ঐ আর্য আসছে সামাল দিতে৷দীপ্তেন্দাপ্যাশনটা কমেছে বললে৷ এই "কমা"-টা কেন হয়েছে  বলে মনে করছ বললে না?12/4দীপ্তেন্দা,অরিজিত্, আরো সকলেমূল্যবোধ কমেছে না যৌন অপরাধের সংখ্যা বেড়েছে সে ব্যাপারে কিন্তু স্ট্যাটিস্টিক্স দিয়ে একেবারেই কিচ্ছু বোঝা যায়না৷ কারণ অন্তত দুটো৷ এক) স্যাম্পল ডেটা কিভাবে সংগ্রহ করতে হবে, সেটা নিরূপণ করার কোনো সর্বজন স্বীকৃত পদ্ধতি নেই, থাকা সম্ভব নয়৷ দুই) সংগৃহীত তথ্যের ইন্টারপ্রিটেশন কি হবে তারও কোনো গাইডলাইন সম্ভব নয় -- বিশ্বদুনিয়ার যাবতীয় পার্থিব প্রতিবেদনের মতই এরও সারপ্লাস মিনি ংতৈরি হবে এব ংহতে থাকবে৷একটা উদাহরণ৷ ভারতবর্ষে যৌন অপরাধের পরিসংখ্যান৷ ইমমরাল ট্রাফিক অ্যাক্ট বলছে যে অর্থের বিনিময়ে যৌন কাজকর্ম হলেই তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ৷ ফলে যৌন অপরাধ বিষয়ে যেকোনো ডাটা কালেক্ট করতে হলে অর্থের বিনিময়ে ঘটে চলা যাবতীয় যৌন কাজকর্মকেও অপরাধের তালিকায় আনতে হবে, সেই সমস্ত কাজকর্ম যতই পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে হোকনা কেন৷ এইবার মজা হচ্ছে, এই ভারতবর্ষেই ইমমরাল ট্রাফিক অ্যাক্টের বিরুদ্ধে বলছেন এরকম জনতা/সংগঠনের সংখ্যা কম নয়৷ যদি এদের আন্দোলনের ফলে কোনোদিন আইনটা তুলে নেওয়া হয়, তাহলেই স্ট্যাটিস্টিক্সে কেলোর কীর্তি হয়ে যাবে৷ তখন অর্থের বিনিময়ে যৌন কাজকর্মকে বাদ দিতে হবে অপরাধের তালিকা থেকে আর সঙ্গে সঙ্গেই স্ট্যাটিস্টিক্সের হিসেবে এক ঝটকায় অনেক কমে যাবে যৌন অপরাধের সংখ্যা৷  যদিও বাস্তব দুনিয়ায় কিছুই বদলাবেনা, কিন্তু স্ট্যাটিস্টিক্স দেখাবে যে অপরাধের সংখ্যা অনেক কমে গেছে, এমনকি শাসক সরকার তার কৃতিত্ব দাবী করে ভোট ক্যাম্পেনও করতে পারেন৷এখানে প্রতিপাদ্য হল, যে স্যাম্পলি ংএর পদ্ধ
  • siki | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০০:৫৯168496
  • একটু আগে অফিস থেকে ফিরেছি, রাজস্থানী কৌশিককে এখানেই জানাই, লেখাটা মাত্র পাঁচ ছ পাতা পর্যন্ত পড়েছি, দারুণ লেখার হাত তো আপনার!

    আপনাকে কাল দুপুরের দিকে এ ব্যাপারে মেল করব। কিছু ঘষামাজা করে এখানে বের করে দেওয়াই যায়।
  • rabaahuta | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০০:৪৬168495
  • হ্যাঁ, কিন্তু এফেকটিভ কিছু? এফেকটিভ বলতে আমি কি বোঝাচ্ছি সেটা খুব পরিস্কার নয় আমার কাছেও- কিন্তু, ঐ পোস্টার লাগানো বা গুপ্ত গোষ্ঠীর মধ্যে মিটিং করা বা আধঘন্টার অনশন টাইপ নয়, এমন কিছু যেটা বাইরে থেকে শোনা যায়। এই যেমন এখন হচ্ছে, বাহান্ন ঘন্টা ঘেরাও টাইপ। র‌্যাগারদের ঘেরাও করে রাখা হলো টাইপ।
  • pi | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০০:৪২168494
  • শুধু সদিচ্ছা কেন, ছাত্ররা তো র‌্যাগিং বিরোধী আন্দোলনও করেছে।
  • rabaahuta | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০০:৩২168493
  • আচ্ছা... তো তার মানে 'এফেকটিভ' র‌্যাগিং বিরোধী পদক্ষেপ কি প্রশাসন, এবং মিডিয়ারই অবদান?

    আমি বলছি এফেকটিভ পদক্ষেপ। সদিচ্ছা তো ব্যাক্তিগত স্তরে থাকেই, ছোট খাটো গোষ্ঠীরও থাকে। কিন্তু আইনকানুন তৈরী ইত্যাদির জন্যে কাজ... তাহলে ছাত্ররাজনীতি থেকে হয়নি? ছাত্র রাজনীতি বা 'ছাত্রদের আঙিনা থেকে রাজনীতি' হোয়াটেভার আরকি।
  • তাতিন | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০০:২৪168492
  • ছাত্ররাজনীতির মধ্যে র‍্যাগিং বিরোধী বক্তব্য চিরকালই ছিল। আমরাও অ্যাডমিশনের দিন পোস্টার দিতাম, ইত্যাদি। ছাত্র যত কড়া নকশাল গ্রুপ করে তত র‍্যাগিং বিরোধী এই ব্যাপারটা ছিলই।
    তবে সর্ষের মধ্যে ভূত থাকতই, আর র‍্যাগিং বিরোধিতা রাজনীতির বাইরে ব্যাপক ছাত্র মহলে একদমই জনপ্রিয় ছিল না।

    জেইউতে ২০০৮ এ র‍্যাগিং-এর জন্য দুট ছেলের শাস্তি হয়। ইউনিয়নের জিএস সেই শাস্তিকে সমর্থন করে, ফলে কিছু ছাত্র তার বিরোধিতা করে এবং জি এস কে পদত্যাগ করতে হয়।
  • rabaahuta | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০০:১৭168491
  • আচ্ছা। বিশ্ব জাগৃতি মিশন তো দেখছি ছাত্র সংগঠন টাইপ কিছু নয়, বরং ধর্মীয় অনুসঙ্গ আছে (এ বাবা চাড্ডি :p?)।

    তার মানে কি ছাত্র রাজনীতির ভেতর থেকে র‌্যাগিং বিরোধী কিছু উঠে আসেনি?
  • riddhi | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০০:১০168490
  • হুতো উইকিতে বলছে " a major boost to anti-ragging efforts was given by a landmark judgement of the Supreme Court of India in May 2001,[22] in response to a Public Interest Litigation filed by the Vishwa Jagriti Mission." ঐ সময়ে কিছু পরের পর কেস ঘটছিল, তই নিয়েই হইচই থেকেই মনে হয়।
  • রোবু | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০০:০০168489
  • ঋদ্ধি কেন এরকম বোঝা গেল।
  • riddhi | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২৩:৫৭168488
  • সিকি, নেটে লোকটার আশির দশকের ছবিগুলো যাস্ট দেখ। খাপে খাপ!

    অরণ্যদা, সুনীল গাঙ্গুলি আমাদের প্রজন্ম অবধি (তার আগে তো বটেই) অনেকের কাছেই ঈশ্বর। আমি মাঝখানে একজনের পাল্লায় পড়ে ট্যাশ হয়ে যাচ্ছিলুম, তখন বাবা আমাকে সুনীলের একটা দেশের উপন্যাস পড়ে শোনান। সেখানে অবশ্য জাঙ্গিয়া চুমু এসব ছিল, কিন্তু বাবাকে থামানো যায় নি। আজ যে গুরুতে বাংলায় টাইপ করে লিখছি, এর জন্য সুনীল দায়ী।
    আমিও মাঝে মাঝে সুনীল নিয়ে বসি। তবে সবি নেট থেকে।
  • rabaahuta | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২৩:৫১168487
  • আচ্ছা এই যে আজকাল র‌্যাগিংবিরোধী আইন কানুন হয়েছে, এগুলো কি করে হলো, মানে এটা কি কোন ছাত্র আন্দোলন টাইপ কিছুর ফল, না শাসনযন্ত্র, মিডিয়ার প্রচার এসব? নাইভ প্রশ্ন হলো খুব, কিন্তু সত্যিই কোন ধারনা নেই।
  • aranya | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২৩:২৯168485
  • হুতোর এই ক্রমাগত অধঃপতনে ভারাক্রান্ত হৃদয়ে কাজাতে গেলাম
  • aranya | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২৩:২৮168484
  • ছ্যাঃ, হুতো-টা আর জাতে উঠল না। হুনীল কেউ পড়ে - বাজারী লেখককে দিওনাকো দাসখত
  • | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২৩:২০168483
  • 'বলের ব্যক্তিগত ব্যাপার'
    :-D :-D :-))
  • aranya | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২৩:১৯168482
  • আর কুম্বলে জোরে বল ছাড়ত বলে ওকে অনেকে স্পিনার বলেই মনে করে না :-)
  • rabaahuta | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২৩:১৬168481
  • সকাল থেকে ভেবে ভেবে অস্থির, আমাকে যেন কার মত দেখতে, কিছুতেই মনস্থির করতে পারছিনা।

    আর আমি আজকাল সুনীলের উপন্যাসগুলো ফিরে পড়ছি, বহুকাল পর নীললোহিত ইত্যাদি। জানিয়ে রাখ্লাম আরকি।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত