এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • siki | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১০:৫৬165600
  • জানি না, আমি তো কখনও কলকাতায় থাকি নি, তবে তথাকথিত সামান্য স্থানীয় ঘটনা নিয়ে রাস্তা রোকো, রেল রোকো, বাস জ্বালানো, বাস ভাঙচুর, এসব চিরদিনই শুনে আসছি। যখন মিডিয়ার এত বাড়বাড়ন্ত ছিল না, তখনও এই সব ঘটনা দিয়েই চিনতাম কলকাতাকে।

    মানুষ বিচারব্যবস্থায় ভরসা করে না। আমি, অ্যাজ অ্যান ইন্ডিভিজুয়াল, করি না। বিচারব্যবস্থা দীর্ঘমেয়াদী ব্যাপার, ততদিন ধরে কেস চালাবার মত সঙ্গতি বেশির ভাগেরই থাকে না, ইনস্ট্যান্ট জাস্টিস ডেলিভারির ইচ্ছেটা সব মানুষের মধ্যেই থাকে, সেইটাই যখন একসাথে অনেকের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে, মব তৈরি হয়। মানুষ জেনে গেছে পুলিশ কিছু করবে না, আইন বছরের পর বছর সময় নেবে, কার অত সময় আছে? যার সন্তান গেল, তার শোকও ততদিনে স্তিমিত হয়ে যায়।

    আমিও তো কতকিছু ভুলে যাই, এক এক সময়ে মনে হত কাউকে সামনে পেলে খুন করে ফেলতে পারি, সময়ের সাথে সাথে সেই রাগ কমে তো যায়।
  • Felix Felicis | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১০:৩৪165599
  • গত সাত/আট বছর ধরে যা শুনছি/দেখছি সেই স্কেলে মবিং - নাঃ, আমার মনে পড়ে না।
  • siki | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১০:২৯165598
  • সেই কবিতাটা মনে নেই? ওরা এক নৈরাজ্যের, এক নেই-রাজ্যের বাসিন্দা?
  • siki | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১০:২৮165597
  • ই কী রে! মব কালচার তো কলকাতার সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ! সেই প্রাচীন কাল থেকে রয়েছে। অ্যাক্সিডেন্ট হলে মব জুটে যায়, বাসে বাসে সামান্য ঠোকাঠুকি হলে মব জুটে যায়, এ তো সেই ছোটবেলা থেকেই দেখে আর শুনে আসছি।
  • Felix Felicis | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১০:২২165596
  • জানি না, কিন্তু প্রায় সমস্ত ঘটনায় এরকম মব মেন্টালিটি কয়েক বছর আগেও এত দেখেছি বলে মনে পড়ে না। এখন যে কোনো ঘটনা ঘটুক - রাস্তায় গাড়ি একটা স্কুটারকে ঠুকে দিক বা একটা পকেটমার ধরা পড়ুক বা অন্য যে কোনো কিছু একটা - একটা মব কোথা থেকে হাজির হয়ে যায়। এবং তারা সর্বক্ষণই রাগী, কন্ট্রোলের বাইরে।
  • | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১০:১৮165595
  • বিজন সেতু? বাণতলা?
    তারও আগে বোধহয়
  • Felix Felicis | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১০:১৬165594
  • কাল যেটা চোখে লাগলো (এবং গত কয়েক বছরে বহুবার লেগেছে) সেটা হল মব মেন্টালিটি। কে জানে এইটার আমদানি কোত্থেকে হল...
  • siki | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১০:১৫165593
  • আনন্দবাজার থেকে, দমদমের স্কুল সম্পর্কেঃ

    এত দিন এ সব কথা অধ্যক্ষাকে জানানো হয়নি কেন?
    অভিভাবকদের দাবিঃ অধ্যক্ষা তাঁদের সঙ্গে দেখাই করতেন না। ওঁদের অভিযোগ, “প্রিন্সিপ্যালের ঘর থেকে বলা হতো অফিসে জানান। আবার অফিস বলতো, প্রিন্সিপ্যালকে জানান। মাঝখান থেকে কাজের কাজ কিছু হতো না।” কিছু অভিভাবকের নালিশ, স্কুলে শিক্ষক-অভিভাবক নিয়মিত বৈঠকের পাট কার্যত উঠে গিয়েছিল। হলেও দায়সারা ভাবে হতো। পঞ্চম শ্রেণির আর এক ছাত্রীর মায়ের আক্ষেপ, “আমার মেয়ে স্কুলে যেতে এত ভয় পাচ্ছিল যে, ওকে মনোবিদের কাছে নিয়ে যেতে হয়েছে। স্কুলে কেন এমন হচ্ছে জানতে চেয়ে প্রিন্সিপ্যালকে চিঠি লিখেছিলাম। জবাব পাইনি।” অভিভাবকদের কারও কারও দাবি, বছর দুয়েক আগে বর্তমান অধ্যক্ষা দায়িত্বে আসার পরেই স্কুলটিতে এমন অবস্থা তৈরি হয়েছে।

    হুবহু দিল্লি পাবলিক স্কুল নয়ডার গল্প। এক জিনিস এখানেও। মাসের পর মাস ধরে চেষ্টা করে চলেছি, প্রিন্সিপালের দেখা পাই নি। কী করে পাবো? উনি সো-কলড রাষ্ট্রপতি পুরস্কারবিজেতা, তার ওপরে ডিপিএস সোসাইটির প্রধানের মেয়ে।
  • Blank | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১০:১২165592
  • আম্মো
  • | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১০:০৪165591
  • গোলাপী সন্দেশ খাবো। :-(
  • sosen | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১০:০০165590
  • আমার একটা জিনিস ক্ল্যারিফাই করার আছে। কাল দেখেছিলাম কেউ পোস্ট করেছেন -সুষেনের ইস্কুল, যে ইস্কুলে টিচার বাসের মাইনে দিতে না পারায় বাচ্চা মেয়ের গালে চড় মারে।
    আরো যোগ করার আছে। সুষেনের ইস্কুল, যে ইস্কুলে সে ক্লাস কামাই করে পুরনো ল্যাবে বসে সময় কাটায় বকুলদির ক্লাসে। আর বকুলদি জানতে পেরে চটে গেলে, পায়ে পায়ে ক্ষমা চাইতে যায় স্টাফ রুমে, আর বকুল-দি কেন ক্ষমা চাইতে এসেছে সে সব ভুলে মেরে দিয়ে গোলাপী সন্দেশ খাওয়ান।
    সুষেনের ইস্কুল, যে ইস্কুলে শুক্লাদি তার মা -কে টেস্টের পর ডেকে অযাচিত বলেন অঙ্কের কোনো রকম দরকারে যেন সাহায্য চাইতে দ্বিধাবোধ না করি। যদিও সেই টেস্টে আমি অঙ্কে সাতচল্লিশ পেয়েছিলাম, দুজন পাশ করেছিলাম।
    সেই ইস্কুল, যে ইস্কুলে কিছু প্রাইমারি টিচার মারধর করতেন, কিন্তু বেশির ভাগ-ই কখনো গায়ে হাত তোলেন নি।
    সুষেনের ইস্কুলে আদৌ টিচাররা সারাক্ষণ মারধর করতেন না, তবে টিচারদের কাছে নালিশ করার প্রয়োজন-ও পড়ত না। সিনিয়র ও জুনিয়রদের সঙ্গে ভীষণ-ই সুসম্পর্ক ছিল, যা আজ-ও আছে। কিছু টিচার কে আমরা পছন্দ করতাম না, কিন্তু তেমন সব স্কুলেই হয়। তার চেয়ে ভালো লাগা মানুষদের সংখ্যা অনেক বেশি। ওই বিরাট স্কুলে একটা লিমিটেড স্বাধীনতার আনন্দ ছিল। এক একটা ক্লাসে তিনটে সেকশন, তাতে ৬০-৭০ জন স্টুডেন্ট, ক্লাস পিছু ২০০ জন স্টুডেন্ট তো বটেই। এদের বেশিরভাগকেই নাম ধরে চিনতেন বড় তৃপ্তিদি, রমলাদি, দ্যুতি দি র মত দিদি রা। আবার ছোট রেখাদির মত রাগী দুর্মুখ টিচার -ও ছিলেন। সংযুক্তাদি, বকুলদির মত ভুলোমনা ভালোমানুষ দিদি রা-ও ছিলেন। এই মিশেল তো সারা পৃথিবীতেই আছে। কতদিন আমার স্কুলের চরিত্র অমন একপেশে আদৌ নয়। আমার আগে করা পোস্ট থেকে এই ধারণা কেউ করে থাকলে সে জন্য আমি দায়ী, ও ক্ষমাপ্রার্থী।
    ছোটাই-দি র আগের পোস্টে-ও ক।
  • lcm | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৯:৫৮165589
  • একদম। গুরুজনে কইতেন - ডাক্তারের ওপর ডাক্তারি, আর, মাস্টারের ওপর মাস্টারি করবা না। কিন্তু গুরুজনের কথা আর কে শুনছে।
  • hu | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৯:৪৭165588
  • ডাক্তার আর শিক্ষকরা সমাজের নেসেসারি ইভিল। দরকার পড়লে যেতেও হবে, আবার না পোষালে চড়-থাপ্পর লাগানোর এমন সুন্দর টার্গেট আর কিই বা আছে। বেশির ভাগ মানুষই পাশ করা ডাক্তারদের থেকে ডাক্তারীটা ভালো বোঝে আর শিক্ষকদের কি কি আচরণবিধি হওয়া উচিত তাতো জানেই। শুধু নিজেরা কষ্ট করে এই কাজগুলো করতে পারে না।
  • lcm | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৯:৩৭165586
  • না গিলে খাওয়া টাফ্‌। চিবিয়ে নরম করে নিলে গিলতে সুবিধে হয়। কিন্তু তার জন্যে একটু সময় দিতে হবে।
  • Tim | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৯:৩২165585
  • দমদি,
    উনি তো গেলাতেও বারণ করেছেন। কিন্তু সারভাইভ করার জন্য বাচ্চারা গিলতে বাধ্য হয় ও হবে। প্রতিযোগিতা উনি কমাতে পারবেন?
  • Tim | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৯:৩০165584
  • আকাদার ৮ঃ২২ এর পোস্টের প্রশ্নটা আমারও ছিলো। কথা বাড়াতে চাইনি। এখন যখন উঠলোই তাই বলে যাই যে এরকম কিছু বলা অভিপ্রায় ছিলোনা। অথচ সেই নিয়ে একের পর এক পোস্ট পড়ে গেল আমাদের ভিলেন বানিয়ে। একটু অবাক হয়েছি।
  • | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৮:৪২165583
  • ইনি আবার আতুপুতু করতে মানা করছেন
    http://www.anandabazar.com/13edit3.html
  • | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৮:৪১165582
  • আমার তো পড়ে মনে হচ্ছে পরীক্ষা হয়ে যাবার পরে পরেই বাড়ী চলে আসুক এটা চেয়েছিলেন মা। আর স্কুলে হয়ত কিছু বাধ্যতামূলক পিরিয়ড বসিয়ে রেখেছে।

    স্কুলগুলোতে অনেকসময়ই এটা করে তো। তবে এখন এই সুযোগে অনেকেই নিজের ঝাল ঝেড়ে নেবে এটাও সত্যি।
  • aka | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৮:৩৮165581
  • ডিপেন্ড করে তো। কথা হল পরীক্ষা একটা ইম্পর্ট্যান্ট ব্যপার যা অসুস্থতা নিয়েও জোর করে অনেকে দেয়। কিন্তু কদিন ক্লাস কামাই দেওয়াই যায়।
  • s | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৮:৩৫165580
  • অসুস্থ থাকার কারণে পরীক্ষা না দিলে স্কুলে ফেল করিয়ে দেবে?
  • s | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৮:৩২165579
  • কিকিদির ছেলের কথা শুনে মনটা খুব খারাপ হয়ে গেল। একটা শিশুর যখন হাসিখেলায় আনন্দে জীবনটা উপভোগ করার সময় তখন সে কি রকম নরকযন্ত্রনা সহ্য করে দিনের পর দিন 'স্কুল' নামক একটি জেলখানায় সময় কাটিয়েছে, তাই ভাবছিলাম।
  • aka | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৮:৩০165578
  • পরীক্ষা না দিলে তো ফেল করে যাবে।
  • s | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৮:২৯165577
  • আবাপর খবর পড়তে গিয়ে এটা দেখলাম।
    "“এক বার আমার মেয়ে জ্বর নিয়ে পরীক্ষা দিতে এসেছিল। অনুরোধ করেছিলাম, পরীক্ষার পরে যেন ওকে ছুটি দেওয়া হয়। কিন্তু মেয়েকে পুরো সময়টা বসিয়ে রাখা হল।” —বলেন এক মা। "
    জ্বর সত্ত্বেও মা নিজের মেয়েকে স্কুলে পাঠিয়েছেন পরীক্ষা দেবার জন্য, অথচ অভিযোগ করছেন যে শিক্ষিকা কোনো মানবিকতা দেখান নি মেয়েকে দ্রুত বাড়ী যেতে দিয়ে।
  • aka | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৮:২২165576
  • কিন্তু কিকি কেন ননীগোপাল বলতে জেনারালাইজ করা হল ভাবল? এরকম কোন ইন্ডিকেশন তো ছিল না।
  • aranya | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৮:০৪165574
  • আমিও আপিস থেকে গৃহাভিমুখে রওনা হই, রাত মাত্র সাড়ে দশ
  • kiki | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৮:০২165572
  • ইবাবা! অক্ষ আমায় আপনি করে বল্লো নাকি?

    যাগ্গে, আমার সময় শেষ।
  • aranya | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৮:০২165573
  • ইন্দো-র হাতের লেখাও খুব ভাল বুঝি - বড়ই আনফেয়ার ব্যাপার, একজনের মধ্যে এত গুণের সমন্বয়
  • aranya | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৮:০০165571
  • ভাল। অনেক ছোটবেলার কথা তো, সময়ের সাথে আরই ভুলে যাবে যন্ত্রণার দিনগুলো
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত