এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • pi | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২১:১৮165450
  • হুর অনেক কথাতেই একমত।
  • aka | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২১:১৬165449
  • এসবই দেখা দরকার, কিন্তু সেকেণ্ডারি, এই মুহূর্তে খুব ক্লিয়ারলি সকলের জানা দরকার মেয়েটির মৃত্যু কেন কি জন্য? নইলে পুরো স্কুলটাই ভেঙে ফেলবে হুজুগে বাঙালি।
  • hu | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২১:১৩165448
  • কিন্তু যে মেয়েগুলো অন্যায়টা করেছিল তারা কোথায় গেল?
    স্কুল রাজনীতির নোংরামির গল্প এত শুনেছি যে এই প্রিন্সিপাল গ্রেফতারের ঘটনা ইত্যাদি শুনলে মনে হাজারো সন্দেহ আসে।
  • aka | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২১:১২165447
  • এইতো বিগাই বলে দিয়েছে। মেয়েটির মৃত্যু হয়েছে একটা রেয়ার মেডিকাল ইভেন্টে, আর লোকে এদিকে বুলিয়িং নিয়ে চিল্লে চলেছে, ভাঙচুর। জ্জিও পঃবঃ। এই নয় যে বুলিয়িং থামার দরকার নেই, কিন্তু এক্ষেত্রে মৃত্যু অন্য কারণে। সত্যি জঙ্গল।
  • | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২১:১০165446
  • প্রিন্সিপালকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অনেক প্রাক্তনী ছাত্রীও নাকি সন্ধ্যেবেলায় এসে ভাঙচুরে যোগ দিয়েছিল!!
    কোনও সহকর্মী নাকি প্রিন্সিপালকে জানিয়েছিলেন ঘটনার কথা।
  • hu | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২১:০৭165445
  • টাকা তো চেয়েছিল উঁচু ক্লাসের কিছু অসভ্য মেয়ে। তার জন্য দিদিমনিদের ওপর হামলা হল কেন? বাথরুমে আটকে রাখার ঘটনা তাঁরা কি জানতেন?
    আর আমার স্কুলে এমন কিছু হলে আমিও হয়ত ঐ বয়সে বাড়িতে বলতাম না। আমি একটু পাকা বাচ্চা ছিলাম। যদি মনে হত, বাবা-মা কোন জিনিস দিতে পারবে না, বা কোন কথা জানালে তারা খুব চিন্তিত হয়ে পড়বে তাহলে সেটা বেমালুম চেপে যেতাম।
    মেয়েটির বাবা-মাও তো ভিক্টিম। তাঁদের নিয়ে কাটাছেঁড়াটা মেনে নিতে পারছি না। আর টিচাররাও সব জানতেন কিনা কে জানে। আজকাল যেকোন বিষয়ে শিক্ষকদের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোটা খুব সোজা হয়ে গেছে। তাঁরাও তো মানুষ। না জেনে তাদের ওপর আক্রমণ করলে তাদেরও নিশ্চয়ই ভালো লাগে না।
  • kiki | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২০:৫৪165443
  • চান্দু বাবু,
    কি জানেন, লিখতে আর ভাল্লাগেনা। আসলে কাছা খোলা মানুষের এত বিপদ। তার উপর সে যদি সব কিছুতেই দুমদাম কথা বলে।

    লোক অনবরত খুঁচিয়ে যাবে। তারপর তাকে ঝেড়ে দিলে মিড লাইপ ক্রাইসিসে থাকে তাই একে তাকে কামড়ে বেড়ায় বলে উল্লাস করবে। এগুলো সাধারনত উপেক্ষাই করি। কিন্তু যখন দেখি কিছু মানুষ যাদের আমি কিছুটা বোধ সম্পন্ন মনে করি তারাও সেখানে সাপোর্টিয়ে আসছে, তখন নিজেকে নিয়ে বেমালুম কনফির অভাব দেখা যায়।

    সে যাগ্গে। এই বুলিং একটা জঘন্ন্য পর্যায়ে চলে গেছে। মানে আগেও ছিলো। কিন্তু আগের ব্যবস্থা দেখুন(ডিঃএগুলো সব আমার মত) সেখানে বাড়ীতে মানুষের সংখ্যা অনেক বেশী ছিলো। বাচ্চারা একা ছিলো না। এমনকি পাড়া ও এমন একটা ব্যাপার ছিলো যেখানে পাড়ার মানুষেরা ও প্রচুর গার্জেন গিরি করতেন। অত স্পেশের বালাই ছিলো না। তাতে একটা বড় সুবিধা ছিলো যে লুকিয়ে অনেক কিছু হলেও সেটা খুব বেশী পরিমান হত না। কারন ঐ সিসি টিভি য়ালা চোখ বাবা মায়ের না থাকলেও আরো অনেকের থাকতো। জানি সবাই হাসতে শুরু করেছে। এরপর টিটকিরির বন্যা ও বইবে। মজা লাগে যখন দেখি এই যে কথা আমি বলছি, সেটাই হয়তো হেবিওয়েট কেউ বলে গেলো বা কোন হেবিওয়েট কেউ বাই এ চান্স আমায় সাপোর্টিয়ে গেলো তো আবহ পাল্টে যাবে। এনি ওয়ে। কিন্তু এখন এমন একটা দিন এসেছে যে কেউ কারোর ব্যাপারে নাক গলায় না। সে সুযোগ ও কম থাকে। বাচ্চারা এত একা ভাবার ও অসম্ভব জায়গায়। আর একটা জিনিস আমায় অবাক করে যে এর যখন বন্ধু নিয়েও থাকে তখন ও কিরকম কেবল তুলনা টানতে ভালোবাসে। মজার গল্প হৈ হৈ তেমন নেই। এই আমার ছেলেরা তিন তারিখ ক্যাম্পে যাবে। স্কুল ক্যাম্প। তো সে তার মোবাইলে একটা ষোলো জিবি না কত যেন মেমোরি চিপ কিনতে চাইছে। আমি জিগালাম কি করবি, তো বললো যে সিনেমা ভরে নিয়ে যাবে। জিজ্ঞেস করলাম সেকিরে! সেখানে সিনেমা কি করে দেখবি? মোবাইলে? বললো না, টিভিতে ঢুকিয়ে। ভাবুন। ব্যবস্থা কতটা এদের হাতের কাছে। যে রুমে থাকবে( এর আগেও দু বছর সে ক্যাম্পে গিয়ে এই অভিজ্ঞতা লাভ করেছে)সেখানে এলসিডি টিভি থাকছে। আমরাও ক্যাম্পে গেছি। প্রচুর হৈ হল্লা, এত আনন্দ, এত চারিদিকে দেখার জিনিস ছিলো, মনে আমাদের চোখে, এত বিষ্ময় ছিলো সব কিছু নিয়ে যে আমরা ভরে থাকতাম। বন্ধুরাও একটা বিরাট আকর্ষন। কিন্তু কেন জানিনা এর তা নয়। বন্ধুরা এক হলেও গল্প কম হয়। টিভি দেখা গেম খেলা( আমাদের সময়কার আউটদোর, ইন্ডোর এর মত নয়, কম্পিউটার গেম, পি এস পি বা এই ধরনের)। উফ ! আমি কিছুতেই গুছিয়ে বলতে পারছি না। পরের পোষ্টে বরং আমার ছেলের কিছু ঘটনা বলি। বেঙী ও আসেনা। ঊ বলতে পারতো। ওর ছেলের স্কুলেও এই পয়সা চাওয়াটা হয়। সেদিন বলছিলো।
  • | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২০:৫৪165444
  • হুঁ আমারও মনে হল বেশ অভ্যস্ত হাতে ভাঙচুর
  • pi | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২০:৪৮165442
  • অক্ষদার ৭ঃ৫৯ এর ডিট্টো কেস আমার এক পরিচিত সম্বন্ধে জানি। বাড়ির সাথে সেও যথেষ্ট ক্লোজ ই ছিল। আমাকে বলেছিল, ঘটনার বোধহয় ১২-১৩ বছর বাদে এবং সেই প্রথম বলা।
  • I | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২০:৪৭165441
  • এক মহিলাকে দেখলাম বিশেষ দায়িত্ব নিয়ে পিটিয়ে পিটিয়ে জিনিষপত্তর, আয়না ইত্যাদি ভাঙছেন। টেলিফোন, কম্পিউটারের কেবল মুঠিয়ে ধরে টেনে টেনে ছিঁড়ছেন। দেখে মনে হল অভ্যেস আছে। কিছুমাত্র শোকার্ত লাগল না। একটি ক্লাস টুয়েল্ভের ছাত্রী অধ্যক্ষার বিরুদ্ধে জ্বালাময়ী ভাষণ দিল। আগেও অনেকবার নাকি এরকম ঘটনা ঘটেছে( বাথরুমে বন্ধ করে রাখা), যদিও নির্দিষ্ট করে কোনো ঘটনার কথা বলতে পারল না। বা বলল না। শিক্ষিকাদের নালিশ করেনি, কেননা নালিশ করলে অত্যাচারিত হতে হয়। সেই গোলগোল জেনেরিক কথা। এই বাজারে যে যার নিজের রাগ ভেন্ট আউট করছে। দেখে মনে হল বেশ কিছু সংগঠিত বদমাশ আছে। সাধারণতঃ তাই থাকে।

    এইসব দেখেশুনে প্যানিক অ্যাটাক মত হয়। বিকেলে হল, ইন ফ্যাক্ট। মনে হল ছেলেকে রোজ রোজ পিঠে ব্যাগ দিয়ে জঙ্গলে পাঠাই। নিজেরাও জঙ্গলে বেরোই। আমরা নিজেরাই সাপ-বাঘ-বুনো মোষ। আমাদের আশেপাশে সব সাপ-বাঘ-বুনো মোষ।
  • I | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২০:৩৯165440
  • ও, লোরাজেপামের ব্যাপারটা সবাই জানেন !
  • cm | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২০:৩৭165439
  • এর পূর্বাভাষ ইন্দ্রনীল আগেই দিয়ে গেছেন।
  • | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২০:৩৪165438
  • টিভিতে বিক্ষোভ দেখলাম। এর মধ্যে কতজন সত্যি অভিভাবক সেটা বেশ সন্দেহজনক। কিরকম মনে হল ঐ কোনও পার্টির লোকাল ছেলেপুলে যারা এখানে সেখানে লোককে চমকে বেড়ায় -- তারই সুযোগ পেয়ে মনের আনন্দে গুন্ডামি কর্ফছে।
  • 4z | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২০:৩৩165437
  • জানিনা অক্ষদি। কিছু খবর নেওয়ার চেষ্টা করছি। একজন টিচারকে ফোন করছিলাম, লাইন গেল না।
  • I | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২০:৩০165435
  • অক্ষদার ৭.৫০-এ ক।

    যদ্দুর জানলাম মেয়েটিকে লোরাজেপাম ২mg ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়েছিল। সূত্র আমার সাংবাদিক বন্ধু(নাম দেওয়া উচিৎ কিনা জানিনা)। ইন্ট্রাভেনাস দেওয়া হয়েছিল কিনা জানি না। যাই হোক, ডাক্তারের কশাস হওয়া উচিৎ ছিল। হসপিটাল সেট আপ ভিন্ন ডায়াজেপাম গ্রুপের ইঞ্জেকশন দেওয়া বিপজ্জনক। রেসপিরেটরি প্যারালিসিস হতে পারে। সম্ভবতঃ মেয়েটির তাই হয়েছে। তবে কিনা লোরাজেপাম ট্যাবলেট দিলেও হতে পারত। এবং শয়তানের পক্ষে ওকালতি করে আরেকটু বলে যাই, অজস্র লোক লোরাজেপাম ইঞ্জেকশন পায়, তাদের খুব অল্পই অংশের এরকম ফেটাল সাইড এফেক্ট হয়। এবং আগে থেকে বোঝা একেবারেই সম্ভব নয়, কার কোন সাইড এফেক্ট হবে। এখানে কার কী "ধাত" সেটা ইমমেটিরিয়াল।

    কিন্তু আবারো বলছি ডায়াজেপাম গোত্রের ইঞ্জেকশন দেওয়ার আগে( বিশেষ করে হাসপাতালের বাইরে) দশবার ভাবা উচিৎ। আমি হলে সেফার ওরাল মেডিকেশন দিতাম। অ্যালপ্রাজোলাম/ক্লোনাজেপাম জাতীয়। তবে মেয়েটির কী অবস্থা ছিল সে সময়ে জানা নেই। বেশী বক্কা না দেওয়াই ভালো।
  • siki | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২০:৩০165436
  • এই ভিড়, এই মব, এই তাণ্ডবের এক পার্সেন্টও যদি কামদুনির জন্য হত।
  • siki | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২০:২৯165433
  • এনডিটিভি বলছে প্রিন্সিপাল রিজাইন করেছেন।
  • kumu | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২০:২৭165432
  • আকা হতেই পারে, নাও হতে পারে।এত ছোট বাচ্চার জন্য অনেক সময় তো জানাই যায় না কিসে তার অ্যালার্জি।
  • aka | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২০:১৮165431
  • ইতিমধ্যে লোরজিপাম নিয়ে একটা লিং দিয়ে যাই। মেয়েটির সম্ভবত অ্যালার্জি ছিল। গুরুর ডাক্তারকুল কইতে পারে। যদি তাই হয় আনফরচুনেট।

    http://kidshealth.org/parent/medications/lorazepam.html
  • kumu | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২০:১৫165429
  • স্কুলে যারা তাণ্ডব করছিল তারা সত্যি সবাই অভিভাবক? ৭ ৩০ থেকে ৮ টা দেখে আমার মনে হয়েছে অন্তত ৫০% বেশ অল্পবয়স্ক, স্কুলপড়ুয়ার বা বা হওয়ার বয়েসে আসে নি।
  • a x | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২০:১৫165430
  • মা'র দায় শুধু, বাবা'র দায় নেই? আর সমাজের, রাষ্ট্রের কোনোই দায় নেই?

    ৮ ঘন্টার বেশি কাউকে দিয়ে কাজ করানো যাবেনা।
    কাজের পরে বাড়ির সময়ে কোনো অবস্থাতেই কাউকে অফিসের কাজে যোগাযোগ করা যাবেনা, আনলেস এমার্জেন্সি সার্ভিস - ডাক্তার আগুন ইত্যাদি ছাড়া।
    বাচ্চার গঠনমূলক বয়সগুলোতে অ্যাডেকুয়েট স্টেট সাপোর্ট থাকবে - ট্রেনড ন্যানি, কাজের জায়গায় বা স্কুলেই ছুটির পরে দেখাশোনার ব্যবস্থা।
    স্টুডেন্ট টিচার রেশিও বেঁধে দেওয়া।
    স্কুলেই একজন নার্স ও একজন শিশু মনস্তাত্বিক ডাক্তার সবসময়ের।
    বাচ্চা হবার পরে বাবাকে বাধ্যতামূলক যথেষ্ট ছুটি দেওয়া।

    - রাষ্ট্রর দায় নেই এগুলো এনশিওর করার? সেটা না করে কেন আরো আরো সফল কর্মচারী, কেন আরো আরো সফল পুত্র কন্যা, কেন আরো আরো সফল বাবা-মা হতে পারছেনা মানুষেরা এই দায় চাপানো দিয়ে লং টার্মে মুখ থুবড়ে পড়া ছাড়া আর কিছু দেখতে পাই না।
  • cm | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২০:০৬165428
  • আমিও হয়ত বুঝিয়ে বলতে পারছিনা, শিশুটির মনের ভেতরে কি হচ্ছে তা বোঝার দায় কি মার নয়? আমি এবিষয়ে কিকির বক্তব্য শুনতে চাইছিলাম। যিনি বললেন যে তার ছেলে জানে মার চোখ সব সময় তার দিকে নজর রাখছে। আমি তো ছোটবেলা প্রায় সব অভিজ্ঞতাই বাড়ির বড়দের অভিজ্ঞতার আলোয় ঝালিয়ে নিতে শিখেছি। কি জানি হয়ত আমি খানিকটা প্রোটেক্টিভ পরিবেশে বড় হয়েছি।

    আজকে সে স্কুলে কি অসভ্যতা হয়েছে আপনি টিভিতে দেখলে বুঝতেন। মেয়েটির বাবা ও বলছেন এমন হওয়া উচিত নয়। যে অভিভাবকেরা ঐ কান্ড ঘটিয়েছেন, ভাঙ্গচুড় তান্ডব চালিয়েছেন তারা অভিভাবকের যোগ্য নন।
  • a x | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২০:০৫165427
  • ততদিন বাচ্চাগুলো কোন স্কুলে যাবে?
  • 4z | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২০:০৩165426
  • কারেকশন - inadequate security এই কনশার্নে বোর্ড কিছুদিনের জন্য স্কুল বন্ধ রাখতে বলেছে।
  • a x | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৯:৫৯165425
  • কিছুই বুঝলাম না আপনি কী বললেন সিএম। আমার নিজের কেসটা আমি বলতে পারি তাই বললাম, অন্যদের প্রাইভেসি ভেঙ্গে তাদের কেস তো বলতে পারিনা। কিন্তু দুইবছর ধরে ৮-৯ বছর বয়সে অতি বিখ্যাত হিন্দুস্থানী ক্লাসিকালের গায়কের দ্বারা সেক্সুয়ালি অ্যাবিউসড হয়ে আমার বন্ধু কোনোদিনও তার বাবা-মাকে বলেনি এরকম ঘটনাও আছে। মেয়েটির মা অন্ত প্রাণ ছিল/আছে। এগুলো এত সোজা না, এতক্ষণে এটা বোঝাতে না পারলে কী আর বলব!
  • cm | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৯:৫৫165424
  • ১) আমরা সবাই সব সময় শুধু মাত্র নিজের স্পেশাল কেসটি নিয়ে কেন চিন্তিত হয়ে পড়ি বোঝা গেল না?

    ২) আর তাহলে আপনাদের বাড়িতে আপনিই সবল ছিলেন। নীতিটিতো আমি যথেষ্ট স্পষ্ট ভাবে ব্যক্ত করেছি।
  • a x | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৯:৫০165423
  • আমার ছোটবেলায় আমার বাড়িতে অসুস্থ ঠাকুমা, সারাক্ষণ ক্লান্ত বাবা, তিনবার টিবিতে ভোগা দাদা, দুইবার মৃত্যুর খুব কাছ ঘেঁষা মা ছিল। আমার দিকে তেমন নজর দিতে পারিনি বাবা-মা। আমি বাবার পার্স থেকে টাকা বার করে নিয়েছি, জানতেও পারেনি। পরে স্কুল থেকে চিঠি গেলে লুকিয়ে ফেলেছি, সই জাল করার চেষ্টা করেছি। এগুলো স্রেফ কয়েকটা উদাহরণ দিলাম। আরো অনেক কনস্ট্রেন্টস ছিল, তার আরো অনেক ফলাফলও ছিল। মানুষের জীবনে কী ঘতছে, কোন পরিস্থিতিতে কে কী করছে এগুলো না জেনে কাগজ পড়ে ইন্ডিভিজুয়াল লেভেলে টার্গেট করে কয়েকটা জাজমেন্টাল কমেন্ট করার একেবারেই কোনো মানে নেই।
  • 4z | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৯:৪৮165422
  • হেডমিস্ট্রেস রিজাইন করেছেন। স্কুলে প্রচুর ভাঙ্গচুর হয়েছে। বোর্ড স্কুল পার্মানেন্টলি বন্ধ করে দেওয়ার ডিসিশন নিয়েছে।
  • a x | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৯:৪৫165421
  • উচিত আর উচিত না'র মাঝখানে অনেক কিছু থাকে। আমি চাইলেই দূরত্ব চলে যায়না।

    একটা এমন সমাজে আমরা বাস করি যেখানে বাচ্চারা আজকাল বাড়ির বাইরে ১১-১২ ঘন্টা কাটায়। পরিবারের স্ট্রাকচার পুরো বদলে গেছে। এক্স্টেন্ডেড হেল্প অনেকসময়ই নেই। বাবা-মার বেশির ভাগ সময়ই ক্লান্ত বাইরে কাজ করে এবং বাকি সব সামলে। এরমধ্যে একটা পার্ফেক্ট বাবা-মা হবার ডিম্যান্ডটা অবাস্তব। একটা ক্যাপিটালিস্ট সমাজের ডিম্যান্ড মিট করতে গেলে এগুলো কম্প্রোমাইজ না করলে সার্ভাইভ করা যাবেনা।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত