এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ishan | ১৭ জুন ২০১২ ০৯:১৭15418
  • তখন বয়স কম ছিল। নন্দনে পুকুরপাড়ে বসতাম। একদিন একটা ছেলে পা পিছলে জলে পড়ে গেল। ছেলেটা হাসতে-হাসতেই উঠে আসার চেষ্টা করছিল। কিন্তু পুকুরটা সিমেন্ট বাঁধানো, পিছল। উঠে আসা সোজা নয়। অনেকটা চোরাবালির মতো। যতবার একধাপ এগোতে যায়, ততবার আরেকটু গভীরে। তখন সন্ধ্যাবেলা। জমজমাট নন্দ। পাড়ভর্তি লোক। সবাই দেখছে। আমিও। ছেলেটার বন্ধুবান্ধবরাও দেখছে। হাসছে। কেউই ঠিক গুরুত্ব বুঝছেনা। তাছাড়া এই ফালতু কারণে জলে নামবেই বা কে।

    কিন্তু আমার কেমন একটা শিরশিরানি হল দেখে। কোনো কারণ নেই, দুম করে উঠে ছেলেটার বন্ধুবান্ধবদেরই বললাম, ভাই একটা চেন বানাও। তারাও উঠল। তৈরি হল হিউম্যান চেন। ছেলেটা ততক্ষণে গলা জলে। আপদমস্তক ভিজে জামাকপড়সহ ছেলেটাকে তুলে আনা হল। বাকিদের কারো গায়ে একফোঁটাও জল লাগলনা।

    খুব বড়ো কিছু করা হয়েছে ভাবা হয়নি। কেউই ভাবেনি। আমিও না। হয়তো ভুলেই যেতাম। কিন্তু ভুলিনি, কারণ, এর কদিন পরেই কাগজে পড়লাম নন্দনের ওই পুকুরেই জলে ডুবে এক যুবকের মৃত্যু। সেই একই সময়। সেই একই শহর। ভিড়ে ভরা নন্দন। পাড়ভর্তি লোকের সামনে টুপ করে জলে পড়ে সন্ধ্যেবেলায় একটা জলজ্যান্ত ছেলে মারা গেল বেমালুম। শুনে মনে হয়েছিল, ইশ কেউ তুললনা? কঠিন তো কিছু নয়।

    কলকাতা আমার এরকম লাগে। ট্রেন থেকে লোকে পড়ে গেলে বাকিরা চারিদিকে ঘিরে ধরে দাঁড়িয়ে থাকবে। লোকটার হাঁফ ধরবে। বাতাসের অভাবে দম বন্ধ হয়ে আসবে, আর জনতা ভিড় করে দাঁড়িয়ে দেখবে। কেউ স্ট্রেচার নিয়ে এলে বাকিরা সবাই ধরাধরি করে কি তুলে দেবেনা? দেবে। কিন্তু স্ট্রেচারটা আনবে কে? কেউ জানেনা।
  • aka | ১৭ জুন ২০১২ ০৯:১৭15419
  • হ্যাঁ হ্যাঁ লাল সেলাম, লাল সেলাম।
  • kc | ১৭ জুন ২০১২ ০৯:১৭15420
  • আকা, তা কেন? তোমার আমার কাছে পজিটিভ ইন্সেন্টিভ কমছে, তাই আমরা পালিয়ে এসেছি। কিন্তু অনেক বেশী লোকের কাছে আবার পজিটিভ ইন্সেন্টিভ কলকাতায় বেশী, তাই তারা কলকাতায় যাচ্ছে, নইলে কলকাতায় এত লোক বাড়ছে কেন?
  • aka | ১৭ জুন ২০১২ ০৯:১৬15416
  • আরে আমিও তো বলছি তক্কের কিছু নেই। ঃ)
  • pi | ১৭ জুন ২০১২ ০৯:১৬15417
  • যাই হোক, এই মরণোন্মুখ শহরেও অনেক লোক্জন কিছু করে যাচ্ছে। করার চেষ্টা করছে। ভাল লাগে সেগুলো দেখলে। ভাগ্যে সবাই পজিটিভ ইন্সেন্টিভ ছাড়াও থাকে, কাজ করে। নইলে কবেই হয়তো মরে যেত।
  • aka | ১৭ জুন ২০১২ ০৯:১৫15415
  • না না অভদ্র বলে আসি নি। পরে রিয়ালাইজ করলাম দেশের লোকজন অভদ্র।
  • aka | ১৭ জুন ২০১২ ০৯:১৪15414
  • ইনফ্যাক্ট এটা মনে হয় রিদ্ধির মতে কোয়ান্ট দিয়েই প্রমাণ করা যাবে। সিম্পুল। মাইগ্রেশনের টাইম সিরিজ অ্যানালিসিস করুন, আর অন্যদিকে কলকাতায় কি কি হয়েছে তার টাইম সিরিজ অ্যানালিসিস করুন। মাইগ্রেশন ফ্রম কলকাতা তুলনামূলক ভাবে রিসেন্ট ফেনমেনন। কলকাতার তার আগেই অনেক কিছু দেখানোর ছিল।

    লক্ষ্যণীয় আমাদের আলোচনা সেই কলকাতায় এসেই পড়ে। এতদিন বাদেও বাঙালীর অন্য কোন কর্মসংস্থান তৈরি হল না, চিকিৎসার জায়গা তৈরি হল না। এগুলো কেপিআই ধরে নিয়ে অ্যানালিসিস করলেই দিব্য বোঝা যায়।
  • pi | ১৭ জুন ২০১২ ০৯:১২15413
  • কীসের স্বীকারোক্তি, কীসের অ্যাকাউন্ট ক্লিয়ার রাখা ?
    এনিওয়ে, দেশে সুযোগ সুবিধা স্বাচ্ছন্দ্য কম, দেশের লোকজন অভদ্র, এজন্য তুমি দেশ থেকে চলে এসেছো, এনিয়ে আমার কোন বক্তব্যই নাই। তক্কেরও কিছু নাই, আগে বলেছি তো। যার যার জাস্টিফিকেশন, তার নিজের কাছে।
  • aka | ১৭ জুন ২০১২ ০৯:১০15412
  • কোন বলা শক্ত নয়। একদম ক্লিয়ার, কলকাতায় থাকার পজিটিভ ইন্সেটিভস গুলো ক্রমশ কমছে। তারফলে ডাউনওয়ার্ড স্পাইরাল।
  • pi | ১৭ জুন ২০১২ ০৯:০৮15411
  • কোনটা কারণ, কোনটা ফল বলা শক্ত।
    মরণোন্মুখ বলে লোকে তাকে ছেড়ে যাচ্ছে, নাকি ছেড়ে যাচ্ছে বলে ...
  • aka | ১৭ জুন ২০১২ ০৯:০৭15409
  • পাই, মানে স্বীকারোক্তি হিসেবে নাকি অ্যাকাউন্ট ক্লিয়ার রাখার জন্য?
  • pi | ১৭ জুন ২০১২ ০৯:০৭15410
  • মামু, মেইল দেখো একবার।
  • kc | ১৭ জুন ২০১২ ০৯:০৫15407
  • ঈশেন, আসলে মানুষ গতানুগতিকতায় থেকে থেকে ক্লান্ত হয়ে গেছে। ( পুরা পাক গয়া)। জিন্দেগিমে এক বড়াসা ঘুমাও চাহিয়ে। একটা কিছু নতুন ধরণের উন্মাদনার দরকার। জিড্ডূ কৃষ্ণমুর্তির লেখার মত কিছু হওয়ার দরকার।
  • Ishan | ১৭ জুন ২০১২ ০৯:০৫15408
  • কলকাতায় নামলে আমার একটা অদ্ভুত অনুভূতি হয়। চেনা শহর, চেনা জায়গা, চেনা গন্ধ। কিন্তু আবেগ সরিয়ে একটু দূর থেকে দেখলে একই সঙ্গে মনে হয়, এখানে মানুষের জাস্ট কোনো দাম নেই। উদ্যমের দাম নেই। জীবনের দাম নেই। কিরকম একটা মরোণোন্মুখ শহর মনে হয়। একা একা ধ্বংসের দিকে চলেছে যেন। এবং ধ্বংস নিয়েই সে দিব্যি আছে। তাতেই বড়ো সুখ।

    বিদেশে এসেছি বলে নয়। যখন বিদেশ কি বস্তু জানতামনা, তখন থেকেই এরকম লাগে। গত দুবছর যখন চিরস্থায়ী ভাবে থেকে গেলাম ভেবেছিলাম। তখনও মনে হয়েছে। ওই পামুকের ইস্তাম্বুল পড়লে যেমন। কিংবা ফিল্মে আফগানিস্থানের কোনো শহর দেখলে যেমন। অবিকল সেই জিনিস।

    এ বোঝানো ভারি মুশকিল।
  • pi | ১৭ জুন ২০১২ ০৯:০৩15406
  • করি বলে।
  • aka | ১৭ জুন ২০১২ ০৯:০২15405
  • কেন জরুরি?
  • pi | ১৭ জুন ২০১২ ০৯:০১15404
  • হ্যাঁ, অন্যরা আমাদের করে, এর সঙ্গে আমরা অন্যদের করি, এটা জোড়াটা জরুরি।
  • pi | ১৭ জুন ২০১২ ০৮:৫৯15403
  • না না, খাঁড়া টাঁড়া না এলেই ভাল ঃ(
  • Ishan | ১৭ জুন ২০১২ ০৮:৫৮15402
  • কলকাতায় আমার যেটা সবচেয়ে সমস্যা লাগে, সেটা হল মানুষ মানুষকে মানুষ হিসেবে সম্মান দেওয়াটা প্রায় ভুলেই গেছে। সবাই সবাইকে অসম্মান করে। আমরা অন্যদের করি। অন্যরা আমাদের করে। অটো ওলারা প্যাসেঞ্জারদের করে (যতক্ষণ খুশি দাঁড়িয়ে থাকব, না পোষালে নেমে যান)। প্যাসেঞ্জাররা অন্য প্যাসেঞ্জারদের করে (যেটুকু জায়গা আছে সেখানেই বসুন, আমি নড়বনা)। গাড়ি পাবলিককে করে (আমি গাড়িতে বসে আছে যা খুশি করব)। পাবলিক গাড়িওয়ালাকে করে (চান্স পেলেই ভাঙচুর)। ইত্যাদি ইত্যাদি।

    লোকের অসহিষ্ণুতা আর ক্রুরতাটা খুব চোখে পড়ে কলকাতায়। চোখে আঙুল দিয়ে দেখানোর মতো স্পষ্ট সেটা। সর্বস্তরেই। অন্য মেট্রোয় খুব বেশি যাইনি। কিন্তু কিছুটা দেখে আর বাকিটা শুনে মনে হয় অন্যত্র ব্যাপারটা এতটা প্রকট নয়।
  • aka | ১৭ জুন ২০১২ ০৮:৫২15401
  • ঠিক ঠিক রিদ্ধি কই এটাকেও কোয়ান্টে ফেলতে হবে। কে কে কতজনের কাছ থেকে কতরকম সিভিয়ারিটি লেভেলের রুড বিহেভিয়ার পেয়েছে, আবার উল্টোটা। তারপরে একটা মেট্রিক ডিফাইন করে হাইপোথিসিস খাঁড়া করাতে হবে, তবেই না।
  • pi | ১৭ জুন ২০১২ ০৮:২২15400
  • হ্যাঁ, হলে ভাল।

    কিছুটা মুন্নাভাই এফেক্টও আছে বোধহয় এখানে ঃ)
  • Lama | ১৭ জুন ২০১২ ০৮:১৯15399
  • এখানে একটা ভালো জিনিস লক্ষ্য করছি।

    আমাদের ছোটবেলায় ঠাকুর্দার বয়েসী রিকশাওয়ালাকেও কেউ অবলীলায় সম্বোধন করত, "অ্যাই রিকশা, যাবে?"। বাজারে গিয়ে মধ্যবয়স্ক বা প্রৌঢ়রা বলতেন "মাছ কত করে দিচ্ছিস র‌্যা?"

    আস্তে আস্তে এটা পাল্টাচ্ছে।
  • pi | ১৭ জুন ২০১২ ০৮:১৫15398
  • তবে আগেও বলেছি। এখানে যেটা সত্যি ভালো লাগে অর শিক্ষণীয় মনে হয়, সেটা হল প্রায় সব লোকজনকে সম্মান দিয়ে কথা বলা। সে সিকিওরিটি গার্ড হোক কি সুইপার কি মালি হোক রাস্তার মজুর। এই আমরা যারা অন্যদের ব্যবহার নিয়ে অভিযোগ করি ( আমি স্পেসিফিক কেসে আমাদের খারাপ ব্যবহার পাওয়া উদাঃ নিয়ে প্রশ্ন তুলছিনা কিন্তু), নিজেদের দিকে তাকালে কী দেখবো ? রিক্সাওয়ালা, কাজের মেয়ে, মুচি, মেথরদের সাথে খুব সম্মানজনক ব্যবহার করি তো ? যারা এখানে থাকি, দেশে গিয়েও একইরকম ব্যবহার করি ? এখানের অনেকেই করতে পারেন। ব্যক্তিবিশেষের কথা হচ্ছে না। কিন্তু করেন না, এমনও অনেকে আছি/আছেন। ওভাবে সব কিছু জেনেরালাইজ করা যায় কিনা জানিনা।
  • pi | ১৭ জুন ২০১২ ০৮:০৬15397
  • আর হ্যাঁ, প্রবাসী ভারতীয়, যাঁরা এখানে ভদ্রতার পরাকাষ্ঠা দেখিয়ে থাকেন, তাঁদেরও দেশে গিয়ে অন্য রূপ ধরতে দেখেছি। হতে পারে, পরিস্থিতির চাপে, পাকে চক্রে তাঁরাও এমনি করছেন। কিন্তু সেই কারণ তো অন্যদেরও থাকতে পারে।

    এখানে একটু চাপ বেড়ে গেলে লোকজনের ব্যবহার কেমন হয়, তাও দেখা আছে ঃ)
    সুখে স্বাচ্ছন্দ্যে থাকলে মিষ্টি মিষ্টি কথা বের হওয়াটা অনেক সোজা।

    তবে, আমি হয়তো সত্যি সৌভাগ্যবান, দেশে অনেকের কাছেই অনেক সহৃদয়তা পেয়েছি। রুডনেস পাইনি তা নয়, কিন্তু তা এমন বেশি নয় যে জেনেরালাইজ করে সবাইকে রুড বলে মনে হবে। কিম্বা হয়তো রুডনেস বোঝার মত অত সেন্সিটিভ নই। না হলেই মঙ্গল। দেশে থাকতে অসুবিধে হবে ঃ)
  • pi | ১৭ জুন ২০১২ ০৭:৫৫15396
  • এবার বইমেলায় কপুর কী অভাবিত ভালো ব্যবহার পেয়েছিলাম, সিকি আগেই লিখেছিল। নিজেও থানায় গিয়ে বেশ ভাল রেসপন্স পেয়েছি
    আর চেনা পরিচিত বাজার দোকানে রুড ব্যবহার পেয়েছি বলে তেমন মনে পড়ে না, বরং একটা আলাদা উষ্ণতা আছে। এবারে গিয়ে তারামেডিক্যাল কাকু আর সুজাতার দাদার ( আই এস আই এর জনতারা চিনবে হয়তো) সাথে ইন্টার‌্যাকশনের কথা আগে লিখেছিলাম কিনা মনে পড়ছে না।

    নাঃ, সেরকম কোন ডাক্তারবাবুকেও সে অর্থে রুড বলতে পারবো না, অন্ততঃ যাদের সাথে বেশিরভাগ ইন্টারাআক্ট করতে হয়েছে। মেডিকাল কলেজে কিছু খারাপ অভিজ্ঞতা আছে।
  • | ১৭ জুন ২০১২ ০৭:৫২15395
  • কোলকাতায় সবচে হৃদয়হীন ব্যবহার পেয়েছি টিনটিনের ডাক্তারের কাছে। জন্মের পর থেকে যতবার কোলকাতা গেছি, কোনো সমস্যা হলেই ওর কাছে নিয়ে যেতাম। দাঁড়িয়ে থাকতে পারছে না এইরকম ছেলেকে উনি বাড়ির বাইরে বের করে দিয়েছিলেন।
    এইটা সম্ভবতঃ ক্ষমা করিনিতে যাবে।
  • | ১৭ জুন ২০১২ ০৭:৪৭15394
  • কাউন্টারের ব্যাপারে ল্যামিকে ক্ক। এমনকি পাড়ার রিলায়েন্সের বা স্পেন্সার্সের কাউন্টারে যারা থাকে,তাদের কারুর কারুর ভাবগতিকও মাঝেমাঝে অসহ্য বাজে।ব্যাজার মুখে মনে হয় কোনোক্রমে দয়া করে জিনিসের দাম নিয়ে বাধিত করছে।
  • aka | ১৭ জুন ২০১২ ০৭:৪৬15393
  • লামার আপিসের ইমিগ্রেশন টা মর্মে মর্মে বুঝিলাম। ঃ)
  • | ১৭ জুন ২০১২ ০৭:৪৪15392
  • আমার আবার ইদানীং এদেশি মায়েদের দিব্যি লাগছে, এমনকি বাবাদের ও- আজ দোকান থেকে বেরোবার সময় খুব বৃষ্টি হচ্ছে, এক ভদ্রলোক এসে নিজের বিরাট ছাতা দেখিয়ে জানতে চাইলেন, আমাকে গাড়ি পর্যন্ত এগিয়ে দেবেন কিনাঃ)
  • Lama | ১৭ জুন ২০১২ ০৭:৩৪15391
  • আমাদের অফিসের ইমিগ্রেশন টিমের লোকজন যেমন। কখনো কোনো প্রশ্নের উত্তর একবারে দিতে শুনি নি। মুখের দিকে তাকিয়ে কথাও বলে না।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত