এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • | ১৭ জুন ২০১২ ০২:০৬15329
  • পিনাকী, দেশের বইতে (আমার দেখা) জন্মপদ্ধতি শিশুপাচ্য করে গিলিয়ে দেবার চ্যাপ্টার আমি দেখি নি। ছোটদের ইংরেজি বই এর সেকশানে আমার বহু দুপুর-বিকেল কেটেছে।টিনটিনের বইটা এখানকার।
  • প্পন | ১৭ জুন ২০১২ ০২:০৬15330
  • আকা, এখন আইসিএসসির নাইন টেনে এইসব কভার করে।

    (আমাদের) যে দিন গিয়াছে তা আর ফিরিবে না।
  • pinaki | ১৭ জুন ২০১২ ০১:৫৯15328
  • এখন বেরোচ্ছে তাহলে আস্তে আস্তে। আমি দেখিনি এখনো। হতে পারে। এই জীবন শৈলী এসব কোর্স চালু হওয়ার পরে বোধহয় এরকম বই মার্কেটে আসছে।
  • aka | ১৭ জুন ২০১২ ০১:৫৮15327
  • মনে পড়ে গেল। আমার এইচএসে স্ট্যাট ফোর্থ সাবজেক্ট ছিল। বন্ধুদের সবার পরীক্ষা শেষ শুধু আমার বাকি আছে। শোনা গেল অমন শিক্ষণীয় একটি বই নাকি বাজারে এসেছে। পরীক্ষা দিয়ে এসে ছুটেছিলাম সেই বই আনতে। এনে রেখেছিলাম একটি খাতার মধ্যে, রাতে সেই খাতা নিয়ে শুতে যাচ্ছি দেখে মা জিজ্ঞেস করল সেই রাতে আবার পড়া কিসের? বললাম এমনি অভ্যেস হয়ে গেছে ঘুম আসবে না তাই। সে রাতে যৌনক্রিয়ার সময়ে রাই ও সর্ষের উপকারিতা সম্বন্ধে সম্যক জ্ঞানলাভ করলাম। সকালে উঠে বেমালুম সেই বইয়ের কথা ভুলে গেলাম। খাতার মধ্যেই রয়ে গেল সেই বই। বিকেলে যখন বই ফেরত দেবার কথা তখন আর খুঁজে পাই না। খেয়াল করে দেখলাম মায়ের মুখটা গম্ভীর। দুঃশ্চিন্তা প্রবল, এদিকে কাউকে কিছু জিজ্ঞেসও করতে পারছি না। যাইহোক খানিক বাদে মা আমাকে বলল বইটা যেখান থেকে এনেছো সেখানে দিয়ে এসো।
  • পাই | ১৭ জুন ২০১২ ০১:৫৭15326
  • পিনাকীদা, এরকম বাচ্চাদের জানার জন্য বই দেশেও অনেক পাওয়া যায়।
  • pinaki | ১৭ জুন ২০১২ ০১:৫০15325
  • না না ম দি, স্ট্যান্ডার্ড বই দেশে নেই সেরকম। আমি বলতে চাইলাম ঐ ধর টিনটিন যেমন বই পড়ে জানল কতকিছু - সেরম বই।
  • | ১৭ জুন ২০১২ ০১:৪৯15324
  • আজ্জো, দেশের সামাজিক জীবন এরচে খুব বেশিকিছু অন্যরকম না।
    আর অন্যটা ঠিক, এখানে সময় অনেক বেশি পাওয়া যায়।
  • pinaki | ১৭ জুন ২০১২ ০১:৪৮15323
  • হ্যাঁ, অনেক কিছু বাবামারাও ভুল জানে এই স্কোপটা থেকেই যায়।

    আর ছোটোবেলায় প্রথম যখন বাচ্চারা পেনিট্রেশন ব্যাপারটা শেখে, সেটা তাদের কাছে অনেক সময় খুব জঘন্য একটা ব্যাপার বলে মনে হয়। সেটা হয়তো রাস্তায় সে কুকুরকে করতে দেখেছে। সেটা তার বাবামাও করেছে, তবে তার জন্ম হয়েছে - এইটা মানতে অনেকেরই বেশ অসুবিধে হয়। কাজেই শুধু ইনফর্মেশন দিয়ে দিলেই হল না, তার পরে সেটার কি ইম্প্যাক্ট হল, সেটাও দেখা জরুরী। সেখানে সাপোর্টের প্রয়োজন থাকতে পারে অনেক সময়।
  • aka | ১৭ জুন ২০১২ ০১:৪৬15322
  • কেসি সব এক করে ফেললে। আরে গুচ রিফ্রেশ করি বিদেশে থাকি বলে। এখানে সোশাল লাইফটা ঘাঁটা আর সময় অনেক বেশি পাওয়া যায়।

    নিঃসঙ্গতার সাথে প্রপার সেক্স এডুকেশনের কোন সম্পর্ক কি আছে। বন্ধু বান্ধবদের সাথে এর পরেও সেক্স ইত্যাদি নিয়ে কথা বলবে। শুধু তথ্যগুলো ঠিকঠাক থাকবে। ঠিক সময়ে সেক্সও করবে, শুধু সেক্স করার সময়ে তথ্যগুলো জেনে ঠিকঠাক সিদ্ধান্ত নেবে। সঠিক তথ্য জেনেও ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব, ঐ আর কি অড যতটা কমানো যায়।
  • | ১৭ জুন ২০১২ ০১:৪৩15320
  • পিনাকী, স্ট্যান্ডার্ড বই বলতে কি স্টেশানের সেই পাঁচালির নীচে পাতলা চটির কথা বলতে চাইলেঃ)
    মেয়েদের সে বই কেনার ও সাহস ছিলো না।তবে ছেলেবন্ধুরা কেউ কখনো সাপ্লাই দিতো- আর তাতে যা লেখা থাকতো- তাতে কি জ্ঞান বর্ধন হতো ভগাই জানেন।
  • pi | ১৭ জুন ২০১২ ০১:৪৩15321
  • পিনাকীদা, কাল তোমার টাকিলা শুনে অনেক কথা মনে পড়ে গেল ঃ)
  • pinaki | ১৭ জুন ২০১২ ০১:৩৯15319
  • তবে সব তো বাবা মার কাছ থেকে শিখবে না, সেক্ষেত্রে স্ট্যান্ডার্ড বই থেকে শেখা বেটার। আর এসব নিয়ে পিএনপিসি ফক্কুড়ি এসবের জন্যে তো বন্ধুরা রইলোই।
  • | ১৭ জুন ২০১২ ০১:৩৬15317
  • শিকড় তো অনেক গভীরে কেসি- এখানে না হয় বিদেশবিভূঁই কিন্তু দেশেও দেখলাম,সবাই ছুটছে-সময় জিনিসটার খুব অভাব।
    আমাদের সেই ঢিমেতেতালার দিন গিয়াছে। ছোট ছোট পরিবার, ভাইবোন নেই, আত্মীয়পরিজন দূরেদূরে।(টিনটিনের ইমিডিয়েট পরিবারে এখন দুই বৃদ্ধবৃদ্ধা ছাড়া একমামা বর্তমান)
    বিকেলে চারটে না বাজতেই মাঠে যাবার উপায় নেই, মাঠই নেই- তারপর এখন সামাজিক শ্রেনীভেদও বেশ প্রকট, যেটা আমাদের সময় এরকম ছিলো না।কে কার সাথে খেলবে বা খেলবে না সেসব দিকেও আমাদের কড়া নজর। বাচ্চা জানে কিছু হলেই মাবাবার কাছে এলেই নিরাপদ সোহাগ ইত্যাদি মিলবে। আমাদের সময় মাকে নালিশ করলে কানমলা মিলতো। পরিবারের বাইরে যে একটা বন্ধুবান্ধব,পাড়াপ্রতিবেশি নিয়ে জগত,এইটা ওদের নেই- আমরাই কেড়ে নিলাম কি?
    সবকিছুই অনেক পালটে গেলো।আমার শৈশব আর আমার ছেলের -প্রায় কোনো মিলই নেই।
    খুব খারাপ লাগে মাঝে মাঝে।
  • pi | ১৭ জুন ২০১২ ০১:৩৬15318
  • মা বাবারাই সব ঠিকঠাক জানে ? ঃ)
    এই ধরণের প্রশ্ন যাঁরা করেন, দেখা যাবে তাঁদের অনেকেও বাবা মা ঃ)
  • pinaki | ১৭ জুন ২০১২ ০১:৩২15316
  • হ্যাঁ, এই বন্ধুবান্ধব লেভেলের শিক্ষায় অনেক কুশিক্ষার ব্যাপার থাকে যেটা অনেকেই অনেক বয়েস পর্যন্ত বয়ে বেড়ায় এমনকি যা তার নিজের এবং তার পার্টনারের জীবনেও পরবর্তীতে প্রভাব ফেলতে পারে। কেসিদা এব্যাপরে খুব ভাগ্যবান বলতে হবে যে বন্ধুবান্ধব লেভেলে 'ঠিক' শিক্ষা পেয়েছে। আমার বউ কিছুদিন একটা যৌন শিক্ষা বিষয়ক টেলেফোনিক কাউন্সেলিং এর কাজে যুক্ত ছিল একটা এনজিওর হয়ে। তাদের একটা নাম্বার ছিল যেটায় আইডেন্টিটি গোপন রেখে যে কেউ ফোন করে এই ধরণের সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতে পারত। এখানে কাজ করে আমার বউ এর অভিজ্ঞতা হল অধিকাংশ ছেলে তাদের লিঙ্গের সাইজ নিয়ে হীনমন্যতায় ভোগে। এবং তাদের ধারণা হল মেয়েদের যৌনসুখ লিঙ্গের দৈর্ঘ্যের সমানুপাতিক, অতএব তারা বোধহয় তাদের পার্টনানারকে পুরোপুরি সুখী করতে পারবে না। এছাড়া ধরুন হস্তমৈথুন করলে শরীর দুর্বল হয় - ইত্যাদি তো আছেই। তাই বাবা মার কাছ থেকে শেখা সেদিক থেকে দেখলে অনেক ভালো।
  • kc | ১৭ জুন ২০১২ ০১:২৯15315
  • আজ্জো,
    বছর দুয়েক আগের কথা মনে পড়ে গেল। তিনি সিরিয়াসলি জানতে চাইছিলেন যে তাঁর আর কোনও ভাই বা বোন নেই কেন? অনেক রকম সোশিও ইকোনোমিক ফিজিক্যাল প্রবলেম দিয়ে বোঝানোর পর আধঘন্টা পর রাতে খাওআর সময় তিনি জিজ্ঞেস তবে কি তোমার স্পার্ম ফুরিয়ে গেছে?
  • kc | ১৭ জুন ২০১২ ০১:১৯15313
  • মামী সেটাতেই তো আমার প্রশ্ন। একটু আধ্টু ভুল জানলাম, পারে আবার তা শুধরে নিলাম। (ডালটনের থিওরি থেকে রাদারফোর্ডের থিওরির মতন)। তাতে অসুবিধা কোথায়? অমানুষ যে তৈরী হইনি তা তো জানিই। আসলে কি আমরা নিজেরাই ভীষণ রকম একা হয়ে গেলাম? ( তা নাহলে ক্ষি আর দিনের মধ্যে চল্লিশ বার গুচর ভাটপাতা রিফ্রেশ করি? সমমনস্ক কোনও কোনও এক মানুষ কি লিখলেন জানতে চেয়ে?) এবং যেহেতু আমরা একা হয়ে গেছি, তাই পরবর্তী প্রজন্মকে একাতর করে দিলাম?
  • pi | ১৭ জুন ২০১২ ০১:১৯15314
  • এখনকার বাচ্চাদের জন্য তো আমার কাকু সব জানেন ই আছেন ঃ)
  • pi | ১৭ জুন ২০১২ ০১:১৭15312
  • তেহেলকার সেই সাংবাদিক মারা গেলেন।
  • aka | ১৭ জুন ২০১২ ০১:১৫15311
  • ম, শিকাগোর ওদিকে যাবার কথা আছে। আমার এক বন্ধু থাকে। দেখা যাক।

    কেসি, আমিও বিকৃত কিছু শিখি নি, কিন্তু ভুল শিখেছিলাম বহু কিছু। মাস্টারবেশন সম্বন্ধে জেনেছিলাম বিরাট খারাপ কিছু, শক্তিক্ষয় হয়, এমনকি এও শুনেছিলাম যে বীর্য্যর পরিমাণ কনস্ট্যান্ট বেশি ক্ষরণ হলে শেষে একসময়ে ফুরিয়ে যায়। এসব মাথায় বসলে মানসিক সমস্যা হয়।
  • | ১৭ জুন ২০১২ ০১:০৪15310
  • আজ্জো, গরমের ছুটিতেই একটা প্ল্যান বানিয়ে চলে এসো সবাই।খুব হৈচৈ করা যাবে।
    সিরিয়াসলি বল্লাম।
  • | ১৭ জুন ২০১২ ০১:০৩15309
  • কেসি,আমি যখন জ্ঞানবৃক্ষের ফল খেয়েছিলাম, সঙ্গিনীর জ্ঞান ছিলো তথৈবচ- দুজনে পুউরো পোকায় কাটা ফল খেয়েছিলাম বলতে দ্বিধা নেই। মাবাবাকে এইসব জিজ্ঞাসা করিনি,আমাদের সময়ে এইসব পাকা পাকা নিষিদ্ধ কথা বলা ঘোরতর অপরাধ ছিলো। বাবামারাও এইসব নিয়ে আলোচনা পছন্দ করতেন না,জানানোর জন্যে বন্ধুবান্ধব,পাড়াতুতো দিদিরা ছিলো- এখনকার ছোটদের এইসবের বালাই নেই।
    বাপমাকে জিজ্ঞাসা করে জানা মন্দ কিছু না, বরং তুলনায় ঠিক জানবে।
    মেয়েদের বুক থেকে পিরিয়ড হয় জাতীয় তথ্য বয়ে বেড়াতে হবে না।
  • kc | ১৭ জুন ২০১২ ০০:৪৩15308
  • এইসব কোশ্নোত্তরের ফেজ আমরা প্রায় পেরিয়ে এসেছি বলে মনে হচ্ছে। সব কোশ্নোগুলোই মোটামুটি ফেস করেছি। কিন্তু আজকের ডেটে এসে মাঝে মাঝে আমার মনে একটা কোশ্নো উঁকি দিয়ে যায়, আমি কোনওদিনই বাপমায়ের কাছে এই ধরণের কোনও প্রশ্নই করিনি। আমার মতন চরপাশের যারা তাদের প্রায় সবাইকেই দেখেছি, বাপমাকে এই ধরণের প্রশ্ন করিনি। কিন্তু যা জানার ঠিকঠাকই জেনেছি। বিকৃত কিছু যে শিখিনি, সে ব্যাপারে এক্জন নারীর (খেয়াল করুন, আমি কিন্তু সিরিয়াস) কাছে সার্টিফিকেটও পেইছি। আমার চারপাশের সবাইই তাই। তাইলে এমন ক্ষি পরিবর্তন এল বাজারে যে পরবর্তী প্রজন্ম এ বিষয়ে তাদের অনুসন্ধিৎসা মেটানোর জন্য আমাদের কাছেই আসছে? আমরা কি বেশী বেশী পক্ষীমাতাসুলভ ( মহিলারা একা নন, পুরুষেরাও এই নব্য পক্ষীমাতার দলে চলে আসবেন) আচরণ করে ফেল্লাম?

    আমরা কি নতুন প্রজন্মকে বড় বেশী আমাদের মুখাপেক্ষি করে তুললাম?

    কে দিবে উত্তর? ছায়াপিণ্ড?
  • kk | ১৭ জুন ২০১২ ০০:০৮15307
  • আপাতত বুশনেলের দু একটা, পেনট্যাক্সের একটা আর নাইকন মনার্ক দেখে পছন্দ হচ্ছে (অনলাইন)। দোকানে ঘুরে টুরে ফাইনাল করতে হবে।
  • kk | ১৬ জুন ২০১২ ২৩:৫৫15306
  • একক,

    আপনার বলা নাইকনের বাইনোকুলারটা দেখবো। আমি একজন অ্যামেচার বার্ডওয়াচার হিসেবে কিনতে চাইছি। খুব হাই লেভেলের না হলেও চলবে।

    অভ্যু,

    এই মডেলটা তো এখন আর পাওয়া যায়না বলছে।
  • kiki | ১৬ জুন ২০১২ ২৩:৩৮15305
  • এইরে! এদিকে আজকাল টই পাড়ায় যাওয়াই হয় না। স্যরি।
  • kiki | ১৬ জুন ২০১২ ২৩:৩৭15304
  • তো ছেলে তখন হস্টেলে। ক্লাস থ্রী, একদিন এসে একটা পিকুলিয়ার জিনিস দেখালো। একটা হাতের বুড়ো আঙুল আর তর্জনি দিয়ে একটা লুপ করলো, আর অন্য হাতের একটা আঙুল তাতে ঢুকিয়ে খুব ফিসফিসিয়ে বললো, জানো এটা পৃথিবীর সবচেয়ে খারাপ সাইন। আমি সত্যি বলতে কি অতটুকু বাচ্চা আর কি বোঝাতেই বা চাইছে ভেবে গুরুত্ব দিই নি।

    এদিকে সে যে কত গোপন তথ্য জমাচ্ছে তা কে জানতো। আর বাচ্চারা যে কি চিজ হয়! একদিন হস্টেল থেকে এসেছে। তখন বোধায় ক্লাস ফোর। রাত্রে আমার কাছে শুয়ে আছে। আর তখন আমি বাপের বাড়ীতেই থাকতাম। আর এখন ও সেখানে অনেক ফাঁকা জায়গা আছে। বর্ষাকাল। ব্যাঙেরা ডাকছে। তো সেখান থেকে অনুসন্ধান শুরু।
    ব্যাঙ ডাকে কেন?
    উঃ মেল ব্যাঙেরা ফিমেল দের ডাকে ডিম পারবে বলে।
    প্রঃ মেল ব্যাঙেরা কি ডিম পারে? তবে ডাকবে কেন?
    উঃ না তবে কিনা ডিম বা বেবির জন্য দুজনকেই দরকার।
    প্রঃ মানুষদেরো?
    উঃ হ্যাঁ বাবা।
    প্রঃ মানুষদের ও
    উঃ হ্যাঁ
    প্রঃ কিভাবে হয়?
    উঃ বাবাদের বডি থেকে একটা সেল আর মাদের থেকে একটা সেল দুজনে মিলে জোট বাঁধে, তারপর সেই থেকে সেল ডিভিসন হয়ে বেবি হয় মার পেটুতে।
    প্রঃমার পেটুতে বাবাদের সেলটা যায় কিভাবে?
    সেটা তুমি আরেকটু বড় হও নিজেই জানতে পারবে।

    তখন জোর ফলাতে থাকে, না বলো। আবার বলতে হয়, তুমি কিন্তু নিজেই লজ্জা পাবে তখন। একটা প্রসেস আছে, এখন জানতে চেয়ো না।

    প্রঃ সেটাকি ফা দিয়ে শুরু?

    মা হতভম্ব ! এবং বিরক্ত।

    শোনো! সব কিছু জানার ই একটা নির্দিষ্ট বয়স আছে। তার আগে জানলে আসলে অনেক সময় ভুল ভাবে জানা হয়। সেটা ঠিক নয়। এদিকে ছেলে আশা করেছিলো যে এরম জঘন্ন্য ব্যাপার যেটা শুনেছে সেটা নিশ্চয় ঠিক নয়। বেচারী মার থেকে সেটা কনফার্ম করতে চেয়েছিলো। বুঝতে পারি। নিজেও যখন প্রথম জানি মেনে নিতে পারিনি। তারপর যিনি কিনা হস্টেল থেকে ফিরলে মায়ের গলা জড়িয়ে ঘুমুতেন তিনি সারারাত কি অজানা অভিমানে মাকে গায়ে হাত ও দিতে দিলেন না।
  • aka | ১৬ জুন ২০১২ ২৩:৩৫15303
  • ম, সত্যি এগুলো পড়ে ফেলেছে, বাপরে এই ছেলে বড় হয়ে ফুকো হবেই। না টিনটিনের সাথে আলাপ করার ইচ্ছে ছিল আরও বাড়ল। মিত্তির বাবুর মেয়ের সাথেও আলাপ করার ইচ্ছে রইল।
  • পাই | ১৬ জুন ২০১২ ২৩:২৯15302
  • কিকিদি, এগুলো টইতে লিখতে পারো তো। পিনাকীদা তো বলে কয়ে টই খোলালো !
  • kiki | ১৬ জুন ২০১২ ২৩:২১15301
  • তা সে ছোটবেলায় একবার তেনাকে নিয়ে সায়েন্স সিটির উল্টো দিকে কি এক গবেষনা কেন্দ্র আছে না, সেখেন থেকে জার্নি তো মার্স এ গেলুম। তিনি তো খুব খুশী স্পেসে যেতে পেরে। রোভার কে দেখেও খুব খুশী, বলতে কি আমিও বেশ মজা পেয়েছিলুম। তখন কি আর জানি পাঁচ বছুরে পরে আমায় কি বাঁশ দেবে! সে তো জানে সত্যি স্পেসে গেছে। আমিও তার খুশী কমাতে চাইনি।

    এবার তার স্কুলে প্রিয় বন্ধু ছিলো শ্রেয়া। খুব সুইট নেচারের বাচ্চা আর পড়াশুনায় ও বেজায় ভালো। আমার ফি দিন তার বাড়ীতে (আমাদের ই পাড়ায়) ছুটতে হতো কি পড়িয়েছে জানতে। কোনদিন হতভাগা ছেলে খাতায় ও আঁচর কাটতো না, খেয়াল ও করতো না কি হয় ক্লাসে। দিদিমনি একবার আমায় ধরে বেজায় বকে দিয়েছিলো ছেলে সবসময় কল্পনার জগতে থাকে কেন বলে।তো সেই শ্রেয়া সন্তান জ্ঞানে ক্লাসের বাচ্চাদের খাইয়ে দিতো, মুখ মুছিয়ে দিতো। খাতায় দরকারি হোম ওয়ার্ক লিখে দিতো, ইত্যাদি। তার মাও ভারী ভালো মেয়ে। তো তাকে সে ছেলে ফাঁপিয়ে টাপিয়ে স্পেসে জাবার বাতেলা ঝেড়েছে। আর যায় কোথায়! সে মেয়ে তাকে আদর টাদর করে বুঝিয়েছে, ওরে! তুই আসলে যাসনি। ছেলে মুখ লাল করে এসে আমায় প্রচন্ড সিরিয়াস ভাবে জিগালো, আচ্ছা মা আমরা কি সত্যি মার্সে যায় নি? তখন বলতে কি সত্যি বলতে বাধ্য হলুম। আর তার সেই বিশ্বাস ভেঙ্গে যাওয়ার কষ্ট দেখে সেদিন প্রতিজ্ঞা করেছিলাম এরপর থেকে কোন দিন আর বানিয়ে কিছু বলবো না। সদা সত্য বলিবো। তার কি ফল বলছিঃ
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত