এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ishan | ১৪ জুন ২০১২ ২১:০১14310
  • থ্যাঙ্কু অক্ষ।
    নেতাই অপরাজিত নিয়ে একটা রিভিউ লিখুক। :)
  • hu | ১৪ জুন ২০১২ ২০:৫৬14308
  • ব্যাংদি, তোমাদের এই ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট নিয়ে, এই মহিলাদের নিয়ে একটা টই খুলে লিখতে পার। ভাটে তো হারিয়ে যায়।
  • riddhi | ১৪ জুন ২০১২ ২০:৫৬14309
  • সর্বজয়া নিয়ে এ এক্সের সাথে পুরো একমত। খুব স্ট্রং চরিত্র, রিলেট করা যায়, আমার ব্যাপক লাগে ওনাকে।

    আর ঐ শিকাগোর মেলের লেখাটা প্রথম পড়লাম। গুচ্ছের বক্তব্য আছে। বলাই বাহুল্য কোনটাই অপু বা সত্যজিত রায় নিয়ে নয়। বক্তব্য ঐ মর্কট রাম-গাম্বাট ফিল্ম সোসাইতির বন্ধুদের উদ্দেশ্যে। এদের কে এলাউ করা হয় কেন? শিকাগোতে বসে হিটেড ডিনার করছে বলে যা ই্চ্ছে তাই?
  • hu | ১৪ জুন ২০১২ ২০:৫৩14307
  • কেরিয়ারের জন্য মাকে, গ্রামকে ছেড়ে যাওয়া? নাহ! এই প্রোটোটাইপে অপরাজিত পড়ে না। বিভুতিভূষনের অপরাজিত অন্তত পড়ে না। সত্যজিত রায়েরটা পড়লেও পড়তে পারে।
  • a x | ১৪ জুন ২০১২ ২০:৪৬14306
  • আরে মায়া বাড়ানোর জন্য পড়তে দিইনি! ঃ-))
  • a x | ১৪ জুন ২০১২ ২০:৪৫14305
  • এটা একটা পার্ট মৃণাল সেনের মেমোয়ারে আছে, আর আমি কপি পেস্ট করলাম TLM থেকে। পুরো লেখাটাও বেশ ইন্টেরেস্টিং। http://www.littlemag.com/2000/mrinal.htm
  • Ishan | ১৪ জুন ২০১২ ২০:৪৩14304
  • এই লেখাটা কোথায় যেন পড়েছিলাম। এবং এ নিয়ে আমার গুচ্ছের বক্তব্য ছিল। সে অবশ্য যথারীতি লেখা হয়নি।
    বলাবাহুল্য সেই বক্তব্যের সঙ্গে সত্যজিৎ রায় বা অপুর বিশেষ সম্পর্ক নেই। :)
  • | ১৪ জুন ২০১২ ২০:৪০14303
  • হুঁ পড়লাম। সবই ঠিক।

    কিন্তু তাও তা-ও ঠিক মায়া হচ্ছে না।
  • ব্যাং | ১৪ জুন ২০১২ ২০:৩৯14302
  • হুচির পোস্টের প্রতিটা কথায় ভীষণভাবে একমত হলাম।

    আসি এবার বনের মোষ তাড়ানোর কথায়। আজকে দুপুরের পোস্টগুলো পড়ে কেন জানি না মনে হচ্ছে উপার্জনক্ষম কাজ এবং বনের মোষ তাড়ানোর কাজ এই দুটোর মধ্যে বিস্তর ফারাক। অন্যের উপর নির্ভরশীল হয়ে বনের মোষ তাড়ানো তো নৈব নৈব চ, এরকম একটা ধারণা হল দুপুরের পোস্টগুলো পড়ে।

    তো আমি একদম খুব কাছ থেকে দেখা আমার কিছু বন্ধুর কথা লিখি। ঘটনাচক্রে এরা সবাই মেয়ে। কুমুদি, তুমি তো ঐ ওয়েস্ট ম্যানেজেমেন্টের কাজ বা বাড়ির কাজ করতে আসা মেয়েদের বাচ্চাদের জন্য ক্রেশ এগুলো শুনে খুব উৎসাহিত হয়েছিলে, তাই তোমার সঙ্গেই শেয়ার করি এদের কথা। কিকির সঙ্গেও। তবে নিজের কথা দিয়ে শুরু করি।

    আটবছর আগে যখন এক বছরের ছেলেকে নিয়ে ব্যাঙ্গালোরে এসেছিলাম, তখন আমিও ভাবতাম নিজের যোগ্যতা অনুযায়ী একটা চাকরি না করতে পারলে জীবন বৃথা। জুটলও কিছু চাকরি নিজের যোগ্যতা আর অভিজ্ঞতার উপযুক্ত চাকরিই সেগুলো ছিল। কিন্তু কোনোটাতেই লেগে থাকতে পারলাম না নানা ব্যক্তিগত কারণে। ডুবেই যাচ্ছিলাম বিষাদের অতলে। নিজের পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে তো যোগাযোগ ছিলই, যখনি জানতাম তারা খুব করে কাজ করছে, কারুর একটা হাইক হয়েছে অথবা প্রোমোশন, হিংসে-আপশোসে জ্বলেপুড়ে মরতাম। আস্তে আস্তে নতুন জায়গায় নতুন কিছু বন্ধু হল আশ্পাশের বিল্ডিংগুলো থেকে। এক সময়ে দেখলাম এরাও বেশির ভাগই আমার মতন। একসময়ে চাক্রি করত এখন করে না। কেউ কেউ বাধ্য হয়ে করে না, আর কেউ কেউ নিজের চয়েজে করে না। প্রত্যেকেই অত্যন্ত উচ্চশিক্ষিত। কেউ হয়তো ইঞ্জিনীয়রিং কলেজে পড়াত, কেউ হয়তো বিশ্ববিখ্যাত সফ্টওয়ার কোম্পানিতে খুব উঁচুপদে কাজ করত, কারুর হয়তো নিজেরই একটা আস্ত কোম্পানি ছিল কম করেও দুশোজন ম্যানপাওয়ারওয়ালা কোম্পানি। আর এরা সবাই কোনো না কোনো কারণে লম্বা ব্রেক নিয়েছে ইচ্ছে এবং অনিচ্ছেয়ে। স্বীকার করতেই হবে এদের সবারই আগের কর্মজীবনের সেভিংস ভালৈ ছিল, (এদের বররাও মোটামুটি ভালো চাক্রিই করে, সেটাও স্বীকার্য)। এরা আমাকে ধীরে ধীরে ভাবতে শেখায় চাকরি করে, মাইনের টাকা আনাতেই জীবনটা ফুরিয়ে যায় না। দিনের চব্বিশ ঘন্টা সময় আরো অনেকভাবে খরচা করা যায়।
    প্রথমেই বলি শানার কথা। আমারই সমবয়সী। কেরালার মেয়ে। ব্যাঙ্গালোরে এসে প্রথম যার সঙ্গে আলাপ হয়। ইঞ্জিনীয়ার, এমবিএও করেছে। ছেলে হওয়ার পরে কাজ ছেড়ে দিয়েছে। ছেলের খেয়াল রাখার জন্য। ঐ আমাকে প্রথম ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্টের ইনিশিয়াল কাজকর্মে টেনে আনে। আমি আমার লম্বা ব্রেকের পরে যখন আবার কাজ করতে শুরু করি, ও-ও তখন বিভিন্ন জয়গায় আবার নতুন করে অ্যাপ্লাই করতে শুরু করে। এখানকার এক বিখ্যাত কলেজে পড়ানোর চাকরিও পেয়ে যায়। কিন্তু কয়েকমাস পরে খুব সচেতনভাবে সে কাজ ছেড়ে দেয়। ছেড়ে দিয়ে এসে আমাকে প্রথম ফোনটা করে জিজ্ঞেস করেছিল "অন্যের জন্য কাজ করে আনন্দ পাচ্ছ? নিজের জন্য কাজ করতে ইচ্ছে করে না? নিজের মতন থাকতে? দিনের সাত-আট্ঘন্টা সময়, সবচেয়ে দামী সময় কেন অন্যের ইচ্ছেয় বাঁচবে?" বুঝতে পারি বাঁধাধরার কাজ ওর আর ভাল্লাগছে না। এবার ও শুরু করে কাজের মেয়েদের বাচ্চাদের জন্য ক্রেশ। ওরই মতন আরো কিছু মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে। রাতদিন পরিশ্রম করত। ক্রেশটাকে দাঁড় করানোর জন্য ব্যাঙাচির সমবয়সী ছেলেকে স্কুল ছাড়িয়ে প্রায় একবছরের জন্য নিজের মায়ের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছিল কেরালায়, যেহেতু ও ছেলের যত্ন নিতে পারছিল না। অথচ বিনা মাইনের কাজের জন্য কেউ এমন একটা বিরাট সিদ্ধান্ত নেয় না, ছেলেকে স্কুল ছাড়িয়ে অন্য শহরে নিজের মায়ের কাছে পাঠিয়ে দেওয়ার মতন। সাধারণত আমি এর আগে মেয়েদেরকে এইধরণের সিদ্ধান্ত নিতে দেখেছি চাকরিতে উন্নতির জন্য। ওকে একদিন জিজ্ঞেস করেছিলাম "আবার নতুন করে চাকরিতে জয়েন করতে ইচ্ছে করে না? একটা কথা বল, এই যে তুমি এত কাজ করছ, রোজ দুইহাজার ফ্ল্যাটে ফ্ল্যাটে ঘুরছ যাতে তারা নিজেদের গারবেজ ব্যাগ নিজেরা বয়ে নিয়ে যায় এটা বলার জন্য! অথবা প্রায় সাড়ে পাঁচশো কাজের মেয়েদের সঙ্গে নিয়মিত মিটিং করছ, তারা তাদের বাচ্চাদের জন্য কীরকম ব্যবস্থা চায় সেটা বুঝতে! এইসবই তো করতে পারছ, গোকুল (ওর বর) তোমার নিজের পরিবারটাকে চালানোর জন্য যথেষ্ট উপার্জন করছে, সেই জন্যই তো?" ও নির্দ্বিধায় বলেছিল, "হ্যাঁ আমার বর চাকরি করছে বলেই আমি যে কাজটা করতে চাই, সেটা করতে পারছি। কিন্তু যদি আমার বরও কোনোদিন চায় নিজের ইচ্ছেমতন কাজে সময় দিয়ে কয়েক বছর বিনা উপার্জনে থাকতে। তখন কিন্তু আমি আবার নতুন করে চাকরি জয়েন করতে পিছপা হব না। আর এই যে এই ছয়-সাত বছরে এতগুলো অন্যরকমের কাজ করলাম নিজের দায়িত্বে, শূন্য থেকে শুরু করে সবকিছু দাঁড় করালাম এটা আমার সিভিটাকে অন্যরকমভাবে সমৃদ্ধ করছে, সেটা কী খেয়াল করছ?" সেদিন হেসে ফেলেছিলাম ওর কথায়।

    এবার আসি ঊষার কথায়। ঊষাকে আমি আগে চিনতাম না। আমাদের হাউসিং কমপ্লেক্সের একটা ইমেল্গ্রুপ আছে সেখানে দেখতাম নিয়মিত মেল করত ঊষা রাজাগোপালন বলে একজন, একটা লেক বাঁচানোর আর্জি নিয়ে। আমি আমার আঠেরোতলার বারান্দায় দাঁড়িয়ে চারিদিকে তাকিয়ে কোথাও কোনো লেক খুঁজে পেতাম না। আর ভাব্তাম কী অশ্চর্য্য এই মহিলা রে বাবা! কোথাও কোনো লেকের নামগন্ধ নেই, পুরোটাই ডাঙা, অথচ কীভাবে লোকজনকে তাতাচ্ছে, সাহায্য চাইছে! কতরকমের যে লোক ঠকানোর ফিকির হয়! একদিন অন্য এক বন্ধুকে যে আমার থেকেও পুরনো বাসিন্দা এই পাড়ার, তাকে বলেই ফেললাম নিজের সন্দেহর কথা। "কোথাও তো কোনো লেক দেখি না রে, কোন লেক বাঁচানোর কথা বলছেই এই মহিলা?" সে আমাকে আমারই বারান্দা থেকে আমাদের পাড়ার ঠিক পাশেই যে জায়গাটা দেখাল, সেতা আমি ভাবতাম বর্ষার জমা জল, বেরোনোর জায়গা পায় না। সেটাকে লেক বলে চালানোর চেষ্টায় সেদিন যেমনি অবাক হয়েছিলাম, সেইরকম হেসেছিলাম। লিংক দিলাম সেই লেকের বিবর্তনের http://www.puttenahallilake.in/home।
    উষা এই লেকটাকে বাঁচানোর জন্য কী কী করে এই হল তার লিংক http://bangalore.citizenmatters.in/articles/author/1712-usha-rajagopalan
    আর এই হল উষার অন্য এক পরিচয়ের লিংক http://saritharao.blogspot.in/2006/01/meri-amrita-interview-with-usha.html ধীরে ধীরে যখন ঊষার সঙ্গে আলাপ বাড়ে অবাক হয়ে শুনি তার অসম্ভব সমৃদ্ধ বিচিত্র কর্মজীবনের কথা। কী অসম্ভব ব্যস্ততার মধ্যে নিজের মেয়েকে বড় করেছে, চাকরি করেছে। আর এখন এমন কিছু করতে চায় যা শুধু নিজের বা নিজের মেয়ের জন্য নয়, সবার জন্য। আশপাশের বেশ কিছু অনাথ আশ্রমেও নিয়মিত নিজের শ্রম দেয়, বাচ্চাগুলোর মুখে হাসি দেখার জন্য। লোকের কাছে পুরনো সাইকেল চায় লেকের সিকিউরিটিগার্ডের জন্য, যাতে লেকের একপ্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে টহল দিতে সুবিধে হয় তার। আমাদেরকে বারবার করে অনুরোধ করে এই লেককে এসেমেস প্রতিযোগিতায় জিতিয়ে দিতে। জিতিয়ে দিলে যে কটিহাজার টাকা পাওয়া যাবে সেই টাকায় আরো একটু অন্যরকম কাজ করা যাবে যে। আমাদের ঐ লেকটাকে নিয়ে, ঊষাকে নিয়ে ভারি গর্ব, দেশবিদেশের কত পাখি আসে আজকাল ঐ লেকে। আর ঐ পাখি দেখতে কত মানুষ এমনকি পক্ষীবিশারদরাও। আজ আর ঊষাকে একটুও সন্দেহ করি না। ভাগ্যিস ও দশটা-পাঁচটার চাকরি করে না, আর ওর বরও রিটায়ার করেছেন। তাই লোকের কাছে হাত পাততে ঊষার একটুও লজ্জা হয় না। আর আমিও ঊষার থেকে নির্লজ্জতার পাঠ নিই। নিলে যে নিজের ইচ্ছেমতন কাজ করা যায়।

    আজ আর সময় নেই। রাতের রান্না এবার করতেই হবে। আজ এইদুইজন মেয়ের কথাই থাক। পরে লিখব স্বপ্না রাওয়াত, মিসেস চন্দ্রশেখরদের কথা। ওরাও স্টে অ্যাট হোম বাই চয়েজ।
  • a x | ১৪ জুন ২০১২ ২০:৩৭14301
  • দ্য সান - কুণাল সেন, দ্য মাদার - গীতা সেন, নিশা- নিশা রুপারেলসেন, লেখক - মৃণাল সেন। বলা বাহুল্য, দ্য সান এখনও শিকাগোবাসী ঃ-)
  • a x | ১৪ জুন ২০১২ ২০:৩১14300
  • একটু বড়, তবে পড়লে বোর হবেনা।

    It happened in 1983. Shortly after Satyajit Ray suffered a near-fatal heart attack, a letter was delivered to our tiny apartment. It had travelled a long way, from Chicago, USA, where our only son was working while he preparted for his thesis in electronics and computer science. The letter was addressed to my wife but it was meant for both of us.

    My wife was busy cooking in the kitchen. She asked me to read it out. I pulled out a stool, sat on it and opened the envelope. I started reading it aloud.

    It was a letter written, as I could see, in great haste while working in the laboratory. "Ma," he wrote, "you remember you once took me to a neighbouring theatre to see a film. I was a child then, five years old. It was your third viewing, you said, and my first — Satyajit Ray’s Aparajito. As you were watching the film, I saw you crying. Coming home, you cried a lot. You drew me close. You hugged me and said, ‘When you will be Apu’s age, will you do the same? Will you go the same way as Apu did? Will you run away from me and go far away to study? If you do, I warn you, the same thing will happen to us as in the film. When you come back, you will no longer see me. I shall be no more.’"

    I paused and looked at my wife who was looking at me. Both of us were wondering what our son was coming to. I continued to read:

    "Last night a few of my friends, all Indians, and Nisha and I went to the Chicago University Film Club to see Aparajito. It was my first viewing abroad. This time I cried a lot — as much as you did in Calcutta years ago. After the screening, my friends came to our apartment and Nisha made dinner for all of us. We had a heated debate after dinner and it went on into the early hours of the morning. Those of my friends who have decided to settle down here — and some of them have already secured respectable jobs — argued that mothers must not expect that much from their sons. They must not. Shouldn’t the sons care about their own careers? Mothers have no right to be so selfish. They must not tie their sons to their apron strings. It really is terribly unfair of them, the mothers, to take revenge by dying."

    Revenge! So, my son and his friends got it right!

    I looked at my wife and went back to the letter.

    "Ma, believe me, I did not agree with them, I promise I shall return, I must. As soon as I finish my work."

    At that point I distinctly recall feeling a lump in my throat. I looked at my wife. She got busy cooking to hide her embarrassment. She was crying.

    Obviously, my son and his friends had no first-hand knowledge of the physical world where Apu was made to live. And, true, the story of Aparajito dates back to the late ’20s and the early ’30s, and the film was made in the mid-’50s. Finally, it was close to the mid-’80s that a batch of vibrant Indians studying in Chicago were watching the film and reacting with adequate intensity. The periods remaining far apart, the world of Apu had mysteriously come within easy reach of young viewers of diverse backgrounds in Chicago. They reacted, they argued, some differed, the rest agreed, and those who differed built their defence as if to contest an unspoken challenge.

    I saw Sarbajaya, Apu’s mother, standing before me and wiping her tears. As we looked at each other, a kind of tribute surged in me, and most certainly, in my wife too — a glowing tribute to the master and his masterpiece.

    I, the father of my son, can never escape Aparajito. Every time I watch the film, I discover in it a stupendous journey through distressed adolescence, stepping into refreshing youth and always looking into the wide unknown world. Here, in Aparajito, I watch the master’s unorthodox approach to the analysis and unfolding of the relationship between a mother and her only son, growing into adulthood. In our own regional set-up I discovered in the film the slow but inevitable disintegration of a seemingly unalterable relationship — with constant stresses and strains acting within — until the son finds new moorings in a metropolitan milieu in a changing time — intimidating, infernal and yet not so unfriendly.

    Going through the hurriedly-written letter of our son, written in a computer lab, I ask myself if my son and his Chicago-based friends passed through the same experiences in their time as I did in my own time. I have a strong feeling that they had undergone the same experience but had reacted in diverse manners depending, by and large, on their knowledge and perception.

    And this is where Ray’s Aparajito scores as a mighty human document valid for all time. Not that I was unaware of it, but the letter written by our son on an impulse — and written from a totally alien environment — lends a different dimension to my realisation. The letter re-affirms my views on Aparajito.

    To conclude and to reiterate, Aparajito is the most contemporaneous of Ray’s films. The contemporaneity, as I see it — and my son’s letter proves it — is determined much less by the period captured but dominantly by the attitudes that are invested in exploring the characters and the relationships. My son, my wife and I keep in regular touch — on e-mail — he from Chicago, the same old Chicago, and we from Calcutta, my EI Dorado.
  • hu | ১৪ জুন ২০১২ ২০:২৯14299
  • অপুকে প্রচন্ড ভালোবাসত। অপু যাতে খুশি হয়, নিজে না বুঝলেও তার যোগান দেওয়ার চেষ্টা করেছে সাধ্যমত। অভিমান ছিল। ক্ষোভ ছিল কি?
  • a x | ১৪ জুন ২০১২ ২০:২৮14298
  • কিন্তু দুর্বল হলে তো অপুর সামনে কান্না কাটি করতেন, অ্যাক্টিভলি আটকানোর চেষ্টা না করলেও, প্যাসিভলি করতেন, সেটাও তো দেখিনি।

    যাইহোক, একটু ডিগ্রেস করছি, একটা জায়গা একটু কোট করছি, অন্য আরেকজনের লেখা থেকে।
  • | ১৪ জুন ২০১২ ২০:২৭14297
  • হ্যাঁ আমিও দেখলাম তো ওরকম অনেক মা'কে। তাতে কি আর হল। ঃ-)
  • | ১৪ জুন ২০১২ ২০:২৫14296
  • সর্বজয়া দুর্বল বলেই অপুকে তেমনভাবে আটকানোর চেষ্টা করতে পারে নি। আরেকটু জোর দিয়ে নিজের কথা বলতে পারতে পারলেই বলত। ঐজন্যই করুণা হয়। ঐ অসম্ভব দারিদ্র্যের সাথে লড়াইয়ের জন্যই করুণা হয়।
  • a x | ১৪ জুন ২০১২ ২০:২৩14295
  • আর সবচেয়ে বড় কথা সর্বজয়ার মতই মা তো আমি সারাজীবন বেশি ভাগ বাঙ্গালী বাড়িতে দেখে এলাম। সারাজীবনের না পাওয়াগুলো, যত খেদ, বাড়ির পুরুষ মানুষটির অপরিসীম উদাসীনতার মধ্যে, অভাবের মধ্যেও সবার চাহিদা, বাচ্চাদের পুষ্টির চিন্তা সবই সামলাতে সামলাতে ঠিক এরকমই খিটখিটে, এরকমই আরো একটা বাড়তি পেট জুটলে ভুল আক্রোশ, এরকমটাই তো দেখে এলাম।
  • hu | ১৪ জুন ২০১২ ২০:২২14294
  • সর্বজয়ার মৃত্যুর সময়টা বিভুতিভূষন দারুন লিখেছিলেন অপরাজিত উপন্যাসে। মৃত্যু আসছে অপুর বেশে। বড় হয়ে যাওয়া অপু নয়। ছোট্ট অপু। দাঁতহীন ফোকলা হাসি। - কিরে খোকা, কদমা কেমন খেলি? - ভিজে। সেই অপু।
  • Ishan | ১৪ জুন ২০১২ ২০:২০14293
  • আজকের টপিক কি? পথের পাঁচালি ও পয়সা? কেউ একটু সামারি দ্যান। :)
  • a x | ১৪ জুন ২০১২ ২০:১৯14292
  • এমনকি অপু চলে যাবার পরেও ট্রেনের হুইসেলের শব্দের দিকে কান পেতে বসে থাকতে দেখেও মায়া হয়না? এমনকি একা একা সন্তানের মৃত্যুর দায় ও মৃত্যুর ব্যাথা বয়ে অনিশ্চিত এবং অসম্ভব দারিদ্র্যের সময় কাটানোর সময়ও হয়না? আর সর্বজয়া দুর্বল?! সর্বজয়া যেভাবে তার একেবারে একাকী সময়ে জীবনের সবচেয়ে দামী এবং বস্তুত তাঁর সমগ্র অস্তিত্ব যা দিয়ে সংজ্ঞায়িত সেই অপুকে অত সহজেই দূরে পাঠিয়ে দেয়, তা আজকের দিনেরও অনেক কম মা পারেন।
  • | ১৪ জুন ২০১২ ২০:১৩14291
  • হ্যাঁ অক্ষ। সর্বজয়ার জন্য করুণা (বন্দ্যো নয়) হয়, মায়া হয় না।
  • a x | ১৪ জুন ২০১২ ২০:১০14290
  • সর্বজয়াকে ভালো লাগেনা? সর্বজয়াকে ভালো লাগেনা! দ এ কি কয়ে গেছে!
  • kumu | ১৪ জুন ২০১২ ২০:০৩14289
  • পাই,৬-৪০,হ্যাঁ,অভ্রতে লিখি,পারবো।
    আমার ডেরাইভার হল পৃথিবীর সবচে বড় ফাঁকিবাজ,রোজ এম্নি সময়ে ওয়শরুমে ঢুকে থাকে।
  • kc | ১৪ জুন ২০১২ ২০:০১14288
  • মাল্লু কামানো উচিত। একশোবার উচিত। হাজারবার উচিত। (জমিদার হলে আলাদা কথা)। হাম দো হামারা দো এর সুন্দর ছোট্টোখাট্টো সংসার বাড়ির একমাত্র উপার্জন্ক্ষম ব্যক্তিটির হঠাৎ মৃত্যুতে এক্কেরে নাস্তানাবুদ হতে দেখেছি। ইনফ্যাক্ট নিজের জীবনেই নাস্তানাবুদ হয়েছি। হঠাৎ মৃত ব্যক্তিটির জন্য শোকপালন তুলে রেখে সামনে কি হবে এই নিয়ে চিন্তা করেছি।

    মাল্লু অবশ্যই কামান উচিত।
  • kumu | ১৪ জুন ২০১২ ১৯:৫০14287
  • আকা,উচিত কেননা নইলে খাবে কী।
    কিন্তু মনে রেখে যে ঐটিই প্রথম/শেষ কথা নয়।
    সত্য এত কটিন হয়ে যাচ্চে দিন কে দিন,কিন্তু তাকেই ভালোবাসতে হবে,উপায় নাই।
  • aka | ১৪ জুন ২০১২ ১৯:৪৪14286
  • এই হল আপনাদের মুশকিল, আলুচানা ইত্যাদির করার পরেও আসল ব্যপারটা কয়ে দিলেন না। মাল্লু কামানো উচিত না অনুচিত। শুধু বাগাড়ম্বর, কোথায় এক লাইনে আপ্তবাক্য ঝেড়ে দেবেন, লোকে চোখ বুঁজে মেনে চলবে তা না। এইজন্যই আপনারা কেউ রামদেব বাবা হতে পারলেন না। উনিই যা ভরসা।
  • একক | ১৪ জুন ২০১২ ১৯:২৯14285
  • এবার কাটি . কাজাতে হবা . :)
  • একক | ১৪ জুন ২০১২ ১৯:২৮14284
  • আমেন
    ---------

    দু কুড়ি হতে চল্লো
    এখনো
    বাওবাব গাছের তলায় বসে
    কপাল এর ঘাম মোছা হলো নাহ
    পথ আটকে
    দাঁড়ালো না কোন আফ্রিকান দাঁতাল
    খুনে তিমির সংগে মোলাকাত তো
    দূর অস্ত
    বঁড়শী তে বাঁধলোনা জেরুসালেম-এর
    শুঁড়ি খানা ফেরত
    ম্যাডগালেন | একে জীবন বলো ?

    (লুরু,২০১২ খ্রি)
  • pi | ১৪ জুন ২০১২ ১৯:২৩14283
  • কুমুদিকে দেওয়া পৌনে ক র সওয়াটুকু প্পনের ঃ)
  • প্পন | ১৪ জুন ২০১২ ১৯:২২14282
  • এইটাই, কোনটা বুনো মোষ তাড়ানো নয়, কে ঠিক করে।

    যাঃ, এখনি আবার বেরোতে হবে। ঃ)
  • প্পন | ১৪ জুন ২০১২ ১৯:১৭14281
  • কুমুদি, এক্কেরে তাও বলিনি। শুধু দু'জনের পরিবার নয়, বৃহত্তর অর্থে বলেছিলাম। কে কী করবে বা করবে না তা আমি জোর করে চাপাবার পক্ষপাতী নই। এইটা নিজের নিজের ওপর ছেড়ে দেওয়াই ভালো বলে আমার মনে হয়। অর্থবহতা মাপার কোন ইউনিভার্সাল ইয়ার্ডস্টিক সত্যি নেই, অর্থের পরিমাণ ছাড়া, নইলে সব কাজই বেকার। সে নিজের জন্যই করি, নিজের পরিবারের জন্যই করি অথবা সামগ্রিক জগতের জন্যও করি।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত