এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • হীরকের রানী ভগবান (৪)

    s
    নাটক | ২৩ মে ২০১৬ | ১৩১৯৯৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Bratin | ১৫ জুন ২০১৬ ২১:৪৬715803
  • " কাঁদালে তুমি মোরে ভালোবাসার ই ঘায়ে "
  • PT | ১৫ জুন ২০১৬ ২২:০৬715814
  • বাম আমলে ঢপটা শুরু হয়নি শুধু বিমান বন্দর তৈরি হয়েছিল। বামেরা চালালেও চলত না তাই তারা ঢপ দেয়নি।
    তবে ওখানে শিল্প-টিল্প হলে চলত..... অবিশ্যি চপের কারখানার মালিকেরা প্লেনে করে আর কতদূর যাবে......
    আর ভর্তুকি দেওয়ার সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের-একটি সরকারী বিমান সংস্থাকে। এখানে ব্যবসায়ী আসে কোথা থেকে?
  • ghamachi | ১৫ জুন ২০১৬ ২২:৩৭715825
  • কাকা গরমে ঘামচি হোলো ণকি।চুল্কোচে মনে হয়। ছাগোল ছাগোল।
  • sm | ১৫ জুন ২০১৬ ২৩:৩৫715836
  • We have got feedback from business travellers that direct air connectivity to the region will help business grow and the volume of passengers will also go up. We are bullish about the airport," said Kabi Dutta, the managing director of the Citi Residenci Group of Hotels.
    --এই যে ব্যবসায়ীর দেওয়া ঢপ ! এভাবেই ওনারা ঢপ ছাড়েন বাজারে।
    ওখানে শিল্প টিল্প হলে চলত- এটা যেমন আপনার দেওয়া কল্পনার চপ বা বামেদের দেওয়া ঢপের অম্ল উদগীরণ।
  • PT | ১৬ জুন ২০১৬ ০৭:৩৫715847
  • কিন্তু ভর্তুকি তো দিল রাজ্য সরকার আরেকটি সরকারী সংস্থাকে........... রাজ্য সরকারের স্নেহ্চ্ছায়ায় না থাকলে কি এমন ঢপ দেওয়া যায় নাকি!!

    এই যেমনঃ
    "শাসকদলের মদতে পুকুর ভরাটের প্রতিযোগিতা শহরতলিতে "
    http://www.epaper.eisamay.com/Details.aspx?id=23906&boxid=144847862

    কম্মটি যারা করছে তারাও শাসকদলের স্নেহচ্ছায় থাকা ছোট ব্যবসায়ী।
  • dc | ১৬ জুন ২০১৬ ০৮:১৭715869
  • শাসকদলের স্নেহচ্ছায় থাকা ছোট ব্যবসায়ীরা পুকুর বুজিয়ে ফেলছে তো সেই ঠাকুর্দার পিসেমশায়ের বড়োমেসোর পিতামহীর আমল থেকে! পবর ইতিহাসে কোন সরকার কম্মটি আটাকাতে গেছিল নাকি?
  • PT | ১৬ জুন ২০১৬ ০৮:৩৩715880
  • তাতে গত ৫ বছর ক্ষমতায় থাকা একটি দলের যারা কিনা আরো ৫ বছর ক্ষমতায় থাকবে তাদের কাজ জাস্টিফাই করে আনন্দ পাওয়া গেল তো?
    আশা করি সল্লেকে যারা থাকে তারা এবার থেকে লজ্জায় মুখ ঢাকবে!!
  • sm | ১৬ জুন ২০১৬ ০৮:৪৩715891
  • মুখ ঢাকার কুনো ব্যাপার ই নাই প্রমোটার- সিন্ডিকেট চক্রের সৃষ্টি ই আগের সরকার এর আমলে। সুভাস বাবু তো এব্যাপারে বেশ গুরু ঠাকুর ছিলেন। গর্ব করে বলতেন। প্রমোটারী একটি শিল্প।এতে হাজার হাজার লোকের কর্মসংস্থান হয়।
  • dc | ১৬ জুন ২০১৬ ০৮:৫৪715903
  • কার কোন কাজ আবার কে জাস্টিফাই করেছে? ৩৪ বছর ক্ষমতায় থেকেও যে দল একটা পুকুর বোজানোও বন্ধ করতে পারেনি, সেই দলের কাজ কেউ জাস্টিফাই করেছে না লজ্জায় মুখ ঢেকেছে?
  • PT | ১৬ জুন ২০১৬ ০৯:০৫715914
  • পব-র ইতিহাস কি ১৯৭৭ সাল থেকে শুরু হল নাকি? তাহলে তো ব্রিটিশ আমল থেকেই শুরু করতে হয় কেননা অনেক খাল বিল বুঁজিয়ে নগর-শহরের পত্তন তারাই করে। বোধহীন আমড়াগাছী করলে জলা বুঁজিয়ে নগর পত্তনের গুরু ঠাকুর সুভাষ চক্কোত্তি নয়-বিধান রায়কেই ধরতে হয়।

    কিন্তু "ঠাকুর্দার পিসেমশায়ের বড়োমেসোর পিতামহীর" আমলে বেশ কিছু সবুজ বিপ্লবী পব-তে দাপিয়ে বেড়াত। যারা বইমেলাতে ধুলো ওড়ার কারণে ময়দান থেকে বইমেলা উতখাৎ করেছিল।

    এখানকার তিনো সমর্থকরা কি লিখবে সেটা জানা আছে আর তারা শিক্ষা-শিল্প ইত্যাদির সর্বনাশকারী সরকারকে কিভাবে ডিফেন্ড করবে সেটাও জানা আছে কিন্তু সেই সব সবুজ বিপ্লবীরাও কি মেরুদন্ড জমা রেখেছে? তাহলে তো পব-র বিপদ খুব গুরুতর।
  • dc | ১৬ জুন ২০১৬ ০৯:১৩715925
  • ধুর সেই সবুজ বিপ্লবীদেরও ঠাকুদ্দার আমল থেকে, মানে যখন সেই সবুজ বিপ্লবীদের মেরুদন্ডই গজায়নি, সবুজ বিপ্লব কাকে বলে তাই জানা ছিলনা, তখন থেকেই মহা উৎসাহে যত্রতত্র খাল বিল পুকুর বুঁজিয়ে বাড়ি আর ফ্ল্যাট বানানো হচ্ছে। পব-র বিপদ বহু বহুকাল থেকেই খুব গুরুতর।
  • PT | ১৬ জুন ২০১৬ ০৯:২১715936
  • "মহা উৎসাহে" কাদের জন্য বাড়ি আর ফ্ল্যাট বানানো হচ্ছে? ঐসব জায়গায় বসবাস করে তাদের কাজ শুধু বিধান রায় আর সুভাষ চক্কোত্তিকে গাল দেওয়া?
  • dc | ১৬ জুন ২০১৬ ০৯:৩২715947
  • ঐসব জায়গায় যারা বসবাস করে তারা তো ছাগল! বিধান রায় আর সুভাষ চক্কোত্তিকে গাল দেওয়া ছাড়া ওরা আর কিছু করে, না আর কিছু বোঝে?
  • lcm | ১৬ জুন ২০১৬ ০৯:৩৭715958
  • ২৫ বছর পরে কোটির অংকে লাভের মুখ দেখছে তন্তুজ
  • gal | ১৬ জুন ২০১৬ ০৯:৩৮715969
  • গাল দিতে হলে দিদি কে দিন। বিধান সুভাষ কে দেওয়া যাবে না। কং বাম জোট বেধেছিল কি না। মনে দুক্ষু পাব। ভেউ ভেউ। :((
  • hay hay | ১৬ জুন ২০১৬ ০৯:৪২715980
  • শেষ মেষ তন্তুজ। কি বিশ্বাসঘাতক। :((
  • PT | ১৬ জুন ২০১৬ ১০:০৪715991
  • dc
    তারা থাকতে চায় বলেই তো বাড়িগুলো বানানো হচ্ছে। আপনারাই তো কিসব সাপ্লাই-ডিম্যান্ডের তত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। কাজেই যারা কেনে তাদের কোন দায় নেই এসব তো বলে লাভ নেই।

    ব্যাপারটা হচ্ছে যে বিধান রায়ের জলা বোঁজানোর জন্য একটা সমান্তরাল শহরের পত্তন হয়েছে আর বাম আমলে জলা ভরাট করে রাজারহাট-নিঊটাউন হয়েছে যেখানে প্রচুর মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। এই বিশাল মাপের কর্মকান্ডের সঙ্গে লোকাল মাস্তানের পুকুর ভরাট করাকে কেউ ইচ্ছে করে গুলিয়ে দিলে তাদের তো বোঝানোর কিছু নেই।

    যারা সাইড লাইন থেকে বক্রোক্তি করছে তাদের অনেকেই হয়ত সল্লেক-রাজারহাট-নিউটাউনের ওপরে কোন না কোন কারণে নির্ভরশীল।
  • lila | ১৬ জুন ২০১৬ ১০:০৭716002
  • কৃষ্ণ করলে লীলা অন্য রা করলে বিলা।
  • dc | ১৬ জুন ২০১৬ ১০:৪২716014
  • PT, সল্টলেক আর রাজারহাট নিয়ে আমি তো অন্তত কোন আপত্তি করিনি, এসব জায়গায় শহর হয়ে তো ভালোই হয়েছে! ইন ফ্যাক্ট পুকুর ইত্যাদি বুঁজিয়ে বাড়ি, ফ্ল্যাট হওয়া নিয়ে আমার তেমন কোন আপত্তিই নেই, সে বড়ো ছোট যে মাপেই হোক না কেন। আমি স্রেফ কিছু ফ্যাক্ট তুলে ধরেছি। ছোট মাপের লোকাল মাস্তানের পুকুর ভরাট করা নিয়ে বলছেন তো, তাই বলছি যে এসব ধারাবাহিকভাবে কলকাতা শহরে ঠাকুর্দার আমল থেকে হয়ে আসছে। সন্তোষপুর-যাদবপুর-বাঘা যতীন-গড়িয়া ইত্যাদি অঞ্চলে যে কতো ছোটবড়ো পুকুর বুজিয়ে ফ্ল্যাট উঠেছে তার কোন ইয়ত্তা নেই। এখন বোধায় সন্তোষপুরে চারটে বড়ো মাপের পুকুর বাকি আছে, আর যাদব্পুরে দুটো (যা মনে পড়ছে), এগুলোর প্রতিটাতে এলাকার লোকেরা মিলে বোজানো বন্ধ করতে এগিয়ে এসেছিল, নাহলে এগুলোও ভরাট করে বাড়ি উঠে যেত। বাকিগুলো সব গেছে।
  • ranjan roy | ১৬ জুন ২০১৬ ১১:২৭716025
  • একটি র‌্যাপ গণসংগীত ( গিটারের সঙ্গে ঝিনচ্যাক ঝিনচ্যাক কঙ্গো বিটে গাহিতে হইবে)
    =============
    মুখ ঢাকো লজ্জায়!
    জিভ কাটো লজ্জায়!
    ছাগোল এ জনগণ
    কী যে করে, হায় হায়!!

    সল্ট লেক কল্যাণী
    বিধু রায় বানালো।
    সিধু রায় মাটি খুঁড়ে
    মেট্রোকে শানালো।

    মাদার ডেয়ারি আর
    সাধের দুর্গাপুর,
    কে বানাল কংগ্রেস?
    --বাজে কথা, দূর দূর!

    আমরাও কম নই
    বানাই ফ্লাই ওভার,
    অন্য দলটা ছুঁলে
    ভেঙে পড়ে ধ্যার ধ্যার।

    শহীদ মিনার গড়ি,
    ও লেনিন সরণী,
    কার্ল মার্ক্সের স্ট্যাচু?
    নোটবই পড় নি?

    আমাদের বইমেলা,
    আমাদের নন্দন,
    দেখেছ সায়েন্স সিটি,
    দেখনি কি নলবন?

    গড়েছি শপিং মল
    গড়েছি রাজারহাট,
    তোরা কী করলি বল,
    - এঁটো কলাপাতা চাট!

    আমাদের প্রমোটার
    আমাদের সিন্ডিকেট,
    তোমরা নকল কর?
    লজ্জায় মাথা হেঁট!

    অনেক সয়েছি তোর
    যত রাজ্যের ঢপ,
    বেঁধেছি নতুন জোট,
    দেখবি মোচার চপ।

    আমাদের কংগ্রেস
    সে তো নয় ফ্যালনা।
    স্বাধীনতা কে এনেছে?
    সেটা শুধু খেলনা?

    আমাদের গান্ধীজি
    আমাদের নেতাজি,
    -- উনি তো কুইসলিং?
    -- ছাড়ো সব পেঁয়াজি।

    তারামন্ডল আর
    সায়েন্স মিউজিয়ম,
    প্রগতির জন্যে তো
    এরা সব প্রিমিয়াম।

    সেই মজবুত হাত
    জাপটিয়ে ধরেছি,
    রাহুলবাবার সাথে
    মণিহার পরেছি।

    বঙ্গের উন্নতি
    আমরাই করব,
    গিয়ে টাটা-বিড়লার
    হাতে পায়ে ধরব।

    রে ছাগল জনগণ
    বল তো কী করবি?
    বাম ছেড়ে কালীঘাটে
    হাঁড়িকাঠে চড়বি??

    জনগণ ব্যোম ভোলা
    গাঁজা খেয়ে জিগালে,
    --কংগ্রে যদি ভালো,
    ওকে কেন তাড়ালে??
    ----------------
  • PT | ১৬ জুন ২০১৬ ১৮:৩৪716036
  • "সন্তোষপুর-যাদবপুর-বাঘা যতীন-গড়িয়া ইত্যাদি অঞ্চলে যে কতো ছোটবড়ো পুকুর বুজিয়ে ফ্ল্যাট উঠেছে তার কোন ইয়ত্তা নেই।"

    এই ইতিহাসে না ঢোকাই ভাল। তাহলে আবার দেশভাগ, উদ্বাস্তু ইত্যাদি নিয়ে আলোচনায় ঢুকতে হবে। তখন ১৯৭৭-এ হবেনা। ১৭৫৭-তে গিয়ে ঠেকতে হবে।

    কিন্তু কোন কোন ব্যাপার "ঠাকুর্দার আমল থেকে হয়ে আসছে" বলে এখনো হয়ে যেতে হবে এতো বড় আশ্চর্যের কথা।
  • | ১৬ জুন ২০১৬ ১৮:৪০716047
  • ঃ))))
  • কল্লোল | ১৬ জুন ২০১৬ ১৮:৪৯716058
  • যতোদুর জানি, উদ্বাস্তু কলোনীগুলোকে ৯৯% ক্ষেত্রেই রাতারাতি গজাতে হয়েছিলো। ফলে বিল তো দূরস্থান, পুকুর ভরাট করার সময়-ও ছিলো না। বরং উদ্বস্তুরা তাদের এলাকার পুকুর ও বিলের রক্ষণাবেক্ষনই করেছেন নিজেদের স্বার্থেই।
  • PT | ১৬ জুন ২০১৬ ১৯:০০716069
  • কল্লোলদার এই কথাটা শুনতে বেশ সবুজ সবুজ সংরক্ষণের মত লাগল। দখল করার এক দেড় জেনারেশন পরে মাটি-টাকা টাকা মাটির কারণে ঐ স্থানীয়রাই খাল-বিল বুঁজিয়েছে। তিন জেনারেশন পরে গীতাঞ্জলী মেট্রো স্টেশনের কাছে মাটি এখন সোনা। আমার এক আত্মীয় তিন জেনরেশন পরে স্টেশন থেকে এক মিনিট দূরত্বে একটি ফ্ল্যাট ও দোকান পেয়েছে গোটা জমির বদলে।

    এখনকার পুকুর বোঁজানো আর ঐ সব জায়গার ৪০-এর দশকের দখল করা জমির গপ্পে একই রঙ লাগানো যাবেনা।
  • dc | ১৬ জুন ২০১৬ ২০:১১716080
  • চল্লিশের দশক তো অনেক আগের, ৮০-৯০-২০০০ এর দশক্গুলোতেও ব্যাপক হারে পুকুর ভরাট হয়েছে। এসবের তো লিংক হয়না, কিন্তু কখনো যদি কলকাতায় ঘুরতে গিয়ে যাদবপুর-সন্তোষপুরে দেখা করেন তো একেকটা এলাকা ঘুরে দেখিয়ে দিতে পারি কিভাবে পুকুর ভরাট হয়েছে। শক্তিগড়, বিজয়গড় এলাকায় একেকটা রাস্তায় তিন চারটে পুকুর পরপর বুজিয়ে ফ্ল্যাট কমপ্লেক্স উঠেছে। সন্তোষপুরে তো ভেতর দিকের রাস্তাগুলোয় র‌্যান্ডমলি পুকুর বোজানো হয়েছে। আর হ্যাঁ, সেই লালপাট্টির মধ্যগগনেই প্রোমোটারি, জমি ব্যাবসার, ফ্ল্যাট ওঠানোর রমরমা ছিল, যার আজকের পরিণতি সিন্ডিকেট।

    "ঠাকুর্দার আমল থেকে হয়ে আসছে" বলে এখনো হয়ে যেতে হবে এতো বড় আশ্চর্যের কথা" - একেবারেই ঠিক। কিন্তু এখন আবার অনেকে গোলগাল মুখ করে বলেন দেখেছো, পুকুর বুজিয়ে বাড়ি তুলছে কি অন্যায়, যেন এই প্রথম কেউ এসব হতে দেখলেন, এও বড় আশ্চর্যের কথা।
  • kc | ১৬ জুন ২০১৬ ২০:৩১716091
  • দ্যাখেন চাহিদা থাগলে, পুকুর কেন সমুদ্র বুজিয়েও বাড়ি হবে। হয়ও। শ্রীম'র স্মৃতিকথা পড়েন, সেযুগে সিমলে পাড়াতেও পুকুর বুজিয়ে বাড়ি হওয়ার জন্যি হাহুতাশ করেছেন। শহরের পুকুর বোজান না চাইলে শহরকে প্ল্যান করে এক্সপ্যান্ড করুন। যদি না পারেন তাইলে লোকে নিজের দরকারেই পুকুর বোজাবে। "গ্রাম দিয়ে শহর ঘিরে " নিতে গেলে এই হবে। বরঞ্চ প্ল্যান করে গ্রামকে শহর বানান।
  • aranya | ১৬ জুন ২০১৬ ২০:৫৮716102
  • 'সেই লালপাট্টির মধ্যগগনেই প্রোমোটারি, জমি ব্যাবসার, ফ্ল্যাট ওঠানোর রমরমা ছিল'
    - বিনয় চৌধুরী এই প্রসঙ্গেই বলেছিলেন - পার্টি-টা প্রমোটার, ঠিকাদারে ভরে গেছে। যার জবাবে জ্যোতি বসু বলেছিলেন - আপনি তবে মন্ত্রিত্বে আছেন কেন, ছেড়ে দিন
  • Arpan | ১৬ জুন ২০১৬ ২১:০৩716113
  • ঠিকই, বোজানোতে আগে চন্দ্রবিন্দু বসত না, এখন বসছে।

    সর্বতোভাবেই আলাদা।
  • kc | ১৬ জুন ২০১৬ ২১:০৬716125
  • অরণ্যদা, ফর এ চেঞ্জ, মাঝে মাঝে নিজের ট্রু লেভেলে উঠলেও তো পারেন। এইসব আকচা আকচি বাদ দিয়ে! তাতে করে ডিসকাসনের কোয়ালিটি তো বাড়ে। করুন না! প্লিজ।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। সুচিন্তিত প্রতিক্রিয়া দিন