এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • নির্বাচন ২০১৬ - ফলাফল

    a
    অন্যান্য | ১৯ মে ২০১৬ | ২৫৩৬৯ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • | ২০ মে ২০১৬ ১৭:৫৪706277
  • আচ্ছা,যারা এখানে ঐ 'ভিক্ষার' চাল ইত্যাদি নিয়ে কথা বলছেন, তাদের একজনও কি ঐ দুটাকা দামের চালটা খেয়ে দেখেছেন? পোকায় কাটা, বাজেগন্ধওলা রেশানের চাল না।রীতিমত ভালো চাল- মাসে দুবার পাওয়া যায়। এটাও শুনলাম, 'অধিকাংশ' মানুষ পায়, দল নির্বিশেষে। আগের সরকার বিরোধীদের একঘরে করতো,এখনকার সরকার চাল দিয়ে নিজেদের ভোট্সুরক্ষিত করে। দিনের শেষে খেতে পাওয়া সকলের জন্যেই জরুরী। যাবতীয় ফুল,কাস্তে,হাত কেউই যেন বাদ না যায়।

    ভালো কথা, আমাদের কেন্দ্রে মন্ত্রীকে ধরাশায়ী করে বামপ্রার্থী জয়ী হয়েছেন। সন্ধ্যের পরেই কিছু কিছু ঘোষিত বামবাড়িতে শাসানি-হুমকি ইত্যাদি দেওয়া হয়েছে। কাদের ঠ্যাং ভাঙতে হবে জাতীয় তালিকাও তৈরি হয়েছে আশা করি।বেশি রাতে একদল আনন্দিত যুবক জয়ের আনন্দ সেলিব্রেট করতে দুটো শহীদবেদি 'ভুল' করে ভেঙে ফেলেছে। মাতলামি করে লক্ষ্যে অবিচল থাকার এই প্রয়াস খুবই প্রতীকি, আগামী পাঁচ বছরের আনন্দ আর কোন কোন উপায়ে দরজায় কড়া নাড়বে কে জানে!
  • | ২০ মে ২০১৬ ১৭:৫৯706279
  • 'রাস্তায় বাঁদর নাচ নেচে বামেদের ক্ষমতায় আসার কোন প্রয়োজন নেই'

    বাহঃ
    হাত্তালি হাত্তালি
  • dc | ২০ মে ২০১৬ ১৮:০৪706280
  • "লাগাতার আন্দোলন করুন না"

    নাঃ এই সিপিএমের দ্বারা লাগাতার আন্দোলন করা আর সম্ভব না। নেতাদের মধ্যে সেই আগুনই নেই। লাগাতার আন্দোলন করতে পারলে আগেই করতো, ইস্যু তো আর কিছু কম পড়েনি।
  • d | ২০ মে ২০১৬ ১৮:০৭706281
  • কনফিউশান যাতে না হয়, 5:53 র পোস্টটা কিন্তু আমি নই।
  • Janata | ২০ মে ২০১৬ ১৮:০৯706282
  • এই লোকজন এমন লিখছে যেন এরা সব জানত আর পিটি একাই ভুল বুঝিয়ে গেছে, অথচ রঞ্জন নিজে ১৬০ জোট জিতবে লিখেছিলেন সেটা ভুলে গেলেন।।এই পপিচু আর কতদিন?
  • PT | ২০ মে ২০১৬ ১৮:১৭706283
  • কল্লোলদা
    আমার বেশীর ভাগ সময় যে বয়সের আর যে যে ধরণের শিক্ষিত ছেলে মেয়েদের সঙ্গে কাটে তারা কেউই পব-র জন্য কোন সময় ব্যয় করে ভাবতেও রাজী নয়। তাদের বিশেষ বাম প্রীতি নেই কিন্তু তারা পব-র বর্তমান অব্স্থায় অত্যন্ত বিরক্ত ও সম্পুর্ণ প্রত্যাশাহীন।

    এদের অনেকের পরিবার ২ টাকা কিলোর চাল পায়। কিন্তু সেই ভিক্ষান্নের ওপরে নির্ভর করে তারা বাঁচতে চায় না। তারা কাজ চায়-আর গত ৫ বছরে (এবং আগামী ৫ বছরেও) তাদের জন্য কাজ তৈরির কোন আশা তারা দেখতে পাচ্ছে না। স্কুল, কলেজ, ইউনি কোথাও রিক্রুটমেন্টের বিশেষ ব্যাপার নেই, ইন্ডাস্ট্রির কোনো নাম-গন্ধ নেই। আগামী কাল কিছু শুরু হলে সেসব হতে আরো ৫ বছর কেটে যাবে।

    তাই তারা পব পরিত্যাগের জন্য মানসিক ভাবে সম্পুর্ণ প্রস্তুত আর তাদের মা-বাবারাও প্রস্তুত। এদের অনেকেই ঘোর বাম বিরোধী, অনেকেই তিনোদের ভোট দেয়। অবস্থাটা মোট্টে ভাল নয়........ মোট্টে ভাল নয়........
  • a | ২০ মে ২০১৬ ১৮:১৯706284
  • রঞ্জন তো ঢপ ছেরে ছিলেন।
  • চিরু | ২০ মে ২০১৬ ১৮:২০706285
  • ফেসবুক হোয়াটস্যাপে বন্ধুবান্ধবদের যা দেখলাম তাতে লেফট আর ভাজপা ন্যাচারাল অ্যালাই। ২০২১-এ ঐ জোটটা অনেক বেটার হবে। দুটোরই মূল অডিয়েন্স হচ্ছে হিন্দু আর্বান মিডল/আপার ক্লাস/কাস্ট হোয়াইট কলার পাব্লিক, যারা এইসব পাইয়ে দেবার রাজনীতি পছন্দ করে না। যারা বিশ্বাস করে যে মানুষকে ভাত ডাল রাস্তা সাইকেল বিনেপয়সার ওষুধ নয়, বরং কেএফসি ন্যানো বোটক্স কেনানোই একটা সরকারের লক্ষ্য হওয়া উচিত।

    খালি ভাজপাকে ঝিলপাড়ে চুম্মাচাটি কিংবা অলিপাবে বিফস্টেকটা একটু বরদাস্ত করে নিতে হবে।

    অবিশ্যি এসেফাই এখন এবিভিপির বিরুদ্ধে 'সংগ্রাম' করছে। তা হোক, শত্রুতা তো পুজোরই আরেক নাম। যখন মেয়ের পিছনে ঘোরার পর মেয়ে এক চাঁটা মেরে বলে "দুষ্টু" তখন বুঝতে হবে সে মেয়ের সঙ্গে প্রেম জমে ক্ষীর।

    ডিসক্লেমার - লাস্টেরটা এই বিষয়ে অভিজ্ঞদের কাছে শোনা কথা। আমি কোন মেয়ের সঙ্গে লাইন মারি নি ( একজন বাদে এবং সেটাও ছড়িয়েছি )।
  • ranjan roy | ২০ মে ২০১৬ ১৮:২৫706286
  • হ্যাঁ,
    এই রঞ্জন অবশ্যই আশা করেছিল --রুটি পালটাবে। হয় নি, ফলে দুঃখ পেয়েছে। কিন্তু এই রঞ্জন কখনই গত পাঁচবছর ধরে জনগণকে ছাগল বলে নি। জনগণের প্রতি শ্রদ্ধা তো বামরাজনীতির বেসিক।
    তাই হাতড়ে খুঁড়ে দেখার চেষ্টা করছে যে এত লোক লাইন লাগিয়ে ভোট দিল, কিন্তু পরিবর্তনের বদলে স্থিতাবস্থা কেন বজায় রইল? কী সেই রসায়ন? ও সবজান্তা বা জ্যোতিষ নয়, তাই ভুল প্রমাণিত হওয়ায় কান ধরে্ছে।
    অন্যদিকে পিটি শুরু থেকে আজও বঙ্গের জনগণ ছাগল এই সরলীকৃত এলিটিস্ট তত্ত্বের প্রতিপাদক। এটাই তফাৎ!
  • FB | ২০ মে ২০১৬ ১৮:২৯706288
  • Sohan Ram Das, এখনো সম্পূর্ণ ভুল করছ ভাই। টিএমসি এমনি জেতেনি। জ্ঞান না দিয়ে বুদ্ধি করে কাজ করেছে তাই জিতেছে। খায় দায় মারধোর করে সবাই। কিন্তু বাড়িতে মেয়েটার বয়স আঠারো হলেই পঁচিশ হাজার টাকা দেওয়ার বন্দোবস্ত করা হলে, এইট পাশ করলেই একটা করে সাইকেল দিলে, সবাইকে ২ টাকা দরে সাত কেজি করে মোটা চাল দিলে, সরকারি হাসপাতালগুলোর হাল ফিরিয়ে ফ্রি করে দিলে, ব্লকে ব্লকে হাসপাতাল তৈরি করে দিলে, বাড়ির কাছাকাছি সরকারি কলেজ আর ইউনিভার্সিটি তৈরি করে দিয়ে বিএ এমএ পড়ার বন্দোবস্ত করে দিলে, ৩৬৫ দিনের মধ্যে অন্তত ২৮-২৯ দিন কাজের বন্দোবস্ত করে দিলে, সিভিক ভলান্টারিয়ারের নামে অন্তত মাসে হাজার পাঁচেকের বন্দোবস্ত করে দিলে, কারেন্ট অফ হওয়া প্রায় তুলে দিলে, গলিরাস্তা গুলো বাঁধিয়ে দিলে, টোটো কিনে/ভাড়া নিয়ে চালিয়ে দিনে ৩০০-৫০০ টাকা রোজগারে বাগড়া না দিলে, ইঁট বালি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে স্থানীয় বেকারদের কিছু রোজকারের বন্দোবস্তে বাগড়া না দিলে, খরার এলাকায় স্কুলে বাজারে পাড়ায় খাবার জলের টিউবওয়েলটা/ট্যাপ কলটা ঠিকঠাক করে দিলে, বাজারে সব্জিটা আলুটার দাম খুব বাড়তে অথবা খুব কমতে না দিলে, মন্দির মসজিদ ইন্ডাস্ট্রিকে বাগড়া না দিলে, কৃষিঋণ শোধ নিয়ে ব্যাঙ্কগুলোর অতিসক্রিয়তায় বাগড়া দিলে, ধর্ষণের দায়ে ধৃতদের লোয়ার কোর্টগুলোতে ফাঁসির সাজা করিয়ে নিলে ...... ...... আহামরি কিছু বৈপ্লবিক সমাজ বদল হয় না বটে, কখনও কখনও হয়ত প্রগতিশীলদের ক্রোধের উদ্রেকও হতে পারে, আকাঙ্খিত আমূল পরিবর্তন মন্দীভূতও হতে পারে; কিন্তু বামপন্থীরা যাদের 'গরীব মানুষ' ডাকতে অভ্যস্ত, সেই সাধারণ মানুষের দৈনন্দিনে কিছু লাভ হয়। ওইটুকু সরকারি সহায়তা পেলে সাধারণ মানুষ বাকিটুকু নিজেরাই লড়ে নিতে পারে, এই মাগ্যিগণ্ডার বাজারে টিঁকে যেতে পারে, উন্নতিও করতে পারে। ...এরাই আমাদের সমাজের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ। এরাই সাধারণ মানুষ। 'গরীব মানুষ' না। বরং তুমি আমি 'বাবু'। সাধারণ মানুষের চোখে।
  • quark | ২০ মে ২০১৬ ১৮:৩১706289
  • সত্যি কথা বলতে কি মানুষ ভোট দিয়েছে, কোন দ্বিমতের প্রশ্নই নেই। মারপিট হচ্ছে, আরো হবে, এও সত্যি।

    যাকে ভালো বুঝেছে দিয়েছে। ভুল করেছে না ব'লে কেন দিয়েছে বা, কেন দেয় নি এইটে ভাবা প্র্যাক্টিস করাই কাজের কথা।
  • PT | ২০ মে ২০১৬ ১৮:৩৪706290
  • RR
    যারা কামারহাটিতে মম-র পক্ষে ভোট দিয়েছে, আমার মতে রাজনৈতিক চিন্তার দিক থেকে তারা ছাগল ছাড়া অন্য কিছু নয়। যারা "শ্রীরাম" লেখা ইঁট মাথায় করে বাবরি ভাঙ্গতে গিয়েছিল তারাও ছাগল। আর সিপিএমের যারা নেতাদের আদেশে বা নিজের ইচ্ছেয় কং-কে ভোট দেওয়ার জন্য লোকের হাত কেটে দিয়েছিল (বা ঐ জাতীয় কাজ করেছিল) তারাও ছাগল।
    অনের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে নিজের অস্তিত্ব রক্ষার দিন নেই আর।
  • একক | ২০ মে ২০১৬ ১৮:৩৬706291
  • মারপিটে রাজনৈতিক কর্মী ছাড়া কেও ভুগছে কী ? এর মানে এই না যে রাজনৈতিক কর্মী দের ধরে ক্যালান। জানতে চাইছি জাস্ট বোঝার জন্যে যে এটা আদৌ ইস্যু হতে পারে কিনা।
  • quark | ২০ মে ২০১৬ ১৮:৩৭706293
  • ২১১ র মধ্যে কেবল একটা (তাও হেরে যাওয়া) আসনে ছাগল পাওয়া গেল?
  • ঢপ | ২০ মে ২০১৬ ১৮:৩৭706292
  • শুধু রঞ্জন ? আর অরিজিত তো গ্রাউন্ড রিপোর্ট পাঠাত -
    Name: প্রলয়নাথ গুন্ডাস্বামী

    IP Address : 92.145.222.119 (*) Date:21 Apr 2016 -- 07:54 AM

    আজ ঠেকিয়ে দিতে পারলে মাজা ভেঙে যাবে।
  • a | ২০ মে ২০১৬ ১৮:৫০706294
  • মাজা তো লোকে সারা বছর আম এর season এর জন্য খায়। আর রঞ্জন তো গোপন রিপোর্ট আছে বলে কদিন ফুটেজ খেল। অত প্রেডিকশন থাকলে খোলা পাতায় লিখত। না একে মেইল করেছি ১৯ তারিখ পাসওয়ার্ড দেব যত সব তা না না।
    সুজ্জি বাবু তো আরেক কাটি। ৬ মেরেছে মেরেছে করতে গিয়ে কখন হিট উইকেট হয়েছে জানতেও পারেনি। এখন ইনিয়ে বিনিয়ে গপ্প ফাঁদছে।
  • Gaanola | ২০ মে ২০১৬ ১৮:৫৬706295
  • সি পি আই এম হেরে গেছে। খুবই খারাপভাবে। কংগ্রেসও। হেরোদের বিরুদ্ধে কিছু বলা, এবং হেরে যাওয়ার পরপরই বলা আমার স্বভাব নয়। সি পি আই এমের পক্ষ থেকে অকথ্য খিস্তি ও কুৎসা এবং তৃণমুল নেতৃত্ব আমায় একটি বুথেও সি আর পি (অথচ নেতা আমায় বারবার কথা দিয়েছিলেন - "তোমার প্রতিটি বুথে সি আর পি থাকবে) না দেওয়া সত্ত্বেও আমি যখন ২০০৯ এর ভোটে জিতেছিলাম তার পর আমি সি পি আই এম সম্পর্কে প্রতিহিংসামূলক কিছু বলিনি। আমাদের পাড়ায় সি পি আই এম খুবই খারাপ আচরণ করেছিল। আমি কিন্তু বদলা নিইনি। ইচ্ছে করলেই, চাইলেই নিতে পারতাম। নিইনি।

    আজ আমি জানতে পারছি নানান উৎস থেকে - গতকালের গণনায় হেরে যাওয়া সি পি আই এম এখন বলতে শুরু করেছে - জনগণ গাধা, ছাগল, তাদের বুদ্ধি আর মেধা তাদের হাঁটুতে। গ্রুপ থিয়েটারের এক কর্মী, যাঁর ব্যাকগ্রাউণ্ডটা বামপন্থী, আমায় এইমাত্র জানালেন। সেই সঙ্গে মন্তব্য - সঠিক মন্তব্য - "এরা নাকি সর্বহারাদের পার্টি ছিল।"

    বাড়িতে খবর পেলাম - আমাদের পাড়ায় দু'একটা জায়গায় আজ হঠাৎ অনেক ময়লা। এঁটোকাটা। নোংরা পড়ে আছে। কাল অবধি ছিল না। তার মানে কেউ কেউ পুরসভার জমাদার চলে যাওয়ার পর ইচ্ছে করে নোংরা ফেলে রাখছে। এটা কাদের কাজ হতে পারে? এই পাড়ায় তো সব শিক্ষিত, সংস্কৃতিবান, মোটামুটি অবস্থাপন্ন বর্ণহিন্দু মধ্যবিত্তের বাস। কারা করছেন এটা। কারা শুরু করলেন। -

    আমি বলতে বাধ্য হচ্ছি - এবারে একটু চড়াম চড়ামই দরকার। রাম-ক্যালানি। আমি এরকম লোক না। কোনওদিন ছিলাম না। স্রেফ বাঙালি মাকু বাম নকুদের দেখে দেখে, sikkhito songskritibaan বাঙালি মধ্যবিত্ত বাম-মাকু-নকু দেখে দেখে হয়ে গেলাম। আমার দলবল নেই। থাকলে আমি শালা শুরু করে দিতাম।

    কমিউনিজম। কমিউনিস্ট মতবাদ। এই এক মতবাদ আর মতবাদভিত্তিক শাসনব্যবস্থা যা উঠিয়ে দিয়েছে মানুষ। কত দেশে ছিল ব্যবস্থাটা। জনগণ তুলে দিয়েছে। একটা street fight`ও হয়নি। জনগণ স্বস্তি পেয়েছেন দেশে দেশে। চীনে তো নামেই একটা কমিউনিস্ট পার্টি। আসলে তো ভোল পালটে ফেলেছে চীন।

    এখানে, জনগণ এক সময়ে খুশি মনে বাম ফ্রন্টকে এনেছিল। তারপর, কালক্রমে জনগণ বুঝে নিয়েছে। সক্কলে গোরুছাগল আর সি পি আই এম আর তাদের স্যাঙাতরা সব মানুষ। এইবারে শালা তদন্ত হওয়া দরকার সব কটা মাকু নেতার soন্তান প্রেসিডেন্সিতে চান্স পেয়েছিল কী করে, ভাল সরকারি চাকরি পেয়েছিল কী করে।

    কাল যা হওয়ার হয়ে গিয়েছে। রাজনীতি বিষয়টাতে ঘেন্না ধরে গিয়েছে। আর মাথা ঘামবো না। কিন্তু যাসব খবর পাচ্ছি তাতে রাজনীতিটিতি না এমনিই এই হেরো মালগুলোর কিছু একটা করতে ইচ্ছে করছে। সেই শালা মানুষকে অপমান করভবে মাকুগুলো।

    ধুত্তেরিকা। ভাল্লাগে না। মাকুগুলোর মধ্যে, বামগুলোর মধ্যে একটাও স্ট্যাণ্ডার্ড লোক নেই। সবকটা ইতর আর নোংরা। ধুৎ...
  • ranjan roy | ২০ মে ২০১৬ ১৮:৫৭706296
  • "সত্যি কথা বলতে কি মানুষ ভোট দিয়েছে, কোন দ্বিমতের প্রশ্নই নেই। মারপিট হচ্ছে, আরো হবে, এও সত্যি।
    যাকে ভালো বুঝেছে দিয়েছে। ভুল করেছে না ব'লে কেন দিয়েছে বা, কেন দেয় নি এইটে ভাবা প্র্যাক্টিস করাই কাজের কথা।"

    -----কোয়ার্কের মূল বক্তব্যের সঙ্গে একমত।
  • | ২০ মে ২০১৬ ১৯:০২706297
  • এ কোন ম ম- কামারহাটিতে দুজনই মম- একজন ম মি অন্যজন মা মুঃ) মা মু জিতেছেন।
    আমাদের কেন্দ্রে চন্দ্রিমাকে হারিয়ে তন্ময় ভট্টাচার্য জিতেছেন। উত্তর দমদমে তন্ময় ভালো প্রচার ইত্যাদি করেছেন বলে শুনেছি।
  • কল্লোল | ২০ মে ২০১৬ ১৯:০৮706299
  • পিটি। অবশ্যই ২টাকা চাল খাওয়া অধিকাংশ মানুষ আরও ভালো থাকতে চায়। কিন্তু ভালো থাকার রাস্তা না বাম না তিনো কেউ দেখাতে পারেনি। সিঙ্গুরে ন্যানো হলেই যদি রূপকথার সোনার কাঠি রূপোর কাঠির মতো সব পাল্টে যেতো তবে গুজরাট আর গরীব থাকতো না। ওটা ভুল রাস্তা। কৃষি আমাদের ভিত্তি - এটা মুখে বল্লেই হয় না, করে দেখাতে হয়। আপারেশন বর্গা দিয়ে যা শুরু হয়েছিলো, কিন্তু পরিণতি পায় নি। কৃষিকে লাভজনক করে তুলতে পারলেই অর্ধেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেতো। আগের কাজ আগে পরের কাজ পরে। এভাবেই হতে হয়। আগের কাজ ফেলে রেখে পরের কাজ আগে করতে গেলে যা হবার তাই হয় ও হয়েছে। কৃষিকে লাভজনক করতে গেলে ছোট জোত ভেঙ্গে বড় জোত করতে হতো।, যেটা একমাত্র সম্ভব ছিলো ৭৭ পরবর্তি বামেদের পক্ষেই। কিন্তু ভোটে জেতার আত্মতুষ্টি গ্রাস করেছিলো বামেদের। আর বামেদের কেউ কেউ ভেবেছিলো এগুলো পাতি রিফর্মিজম হচ্ছে, বিপ্লব ছাড়া মুক্তি নেই। তারা মনে করেছিলো এ দুঃসময়। বামেদের কাল হয়েছিলো পর পর ভোটে জিতে আসা। ভেবেছিলো - এই বেশ আছি। তার উপর চেপেছিলো শিল্পপতিদের মস্কা মারা কথাবর্তা। মুখে উদারীকরণের বিরোধীতা, কাজে উদারীকরণকে মেনে নেওয়া এই দুমুখো নীতি ধীরে ধীরে জন্ম দিয়েছে চটজলদি কিছু করে অবস্থা "পাল্টে" দিতে চাওয়ার দর্শন। এর সাথে বাধ্যতার জায়গা থেকে মার্কসবাদকে মেলানোর চেষ্টা। এ বাবদে চীন পথ প্রদর্শক। কিন্তু সযতনে ভুলে যাওয়া হলো চীন আর পবর বাস্তব অবস্থার ফারাক।
    যাগ্গে। তোমার আবার তাত্ত্বিকতা পোষায় না। আমিও যে কেন এসব তোমায় লিখতে যাই কে জানে!! কাটিয়ে দাও। এখন এসব বকবকে কি লাভ।
  • SS | ২০ মে ২০১৬ ১৯:১৫706300
  • এককের একটা কথা চোখে পড়ল - "Date:20 May 2016 -- 04:20 PM - "উচ্চমন্যতা আর জনসংযোগ একসঙ্গে যায়না।" সাধারণত কথাটা ঠিক। একটাই ব্যতিক্রম দেখছি এখনো পর্যন্ত। বারাক ওবামার ২০০৮ এর ক্যাম্পেন।
  • PT | ২০ মে ২০১৬ ১৯:১৭706301
  • আরে ধুর মশাই। মানুষ ভাবছে তাদের বামেদের দরকার নেই। মোদী-মমতাই তাদের প্রত্যাশা পূরণ করবে। তাই তারা বামেদের পরিত্যাগ করেছে। আমার রিক্সা চালক বোঝালো আমাকে আজকেঃ কোথা থেকে চাল-সাইকেল আসছে সে জানতেও চায় না। যতদিন পাবে সে নিয়ে যাবে। কন্যাশ্রীর চকচকে ২৫০০০ টাকাকে সে মেয়ের বিয়ের পণ হিসেবেই ভাবে।

    মমতার রেল মন্ত্রীত্বের কালে রেলের জমিতে জবর-দখল করে থাকা কম বয়সীরা সম্ভাব্য রেলে চাকরীর ঢপের টোপে তিনোদের দিকে জুটেছিল। আমি একদিন তাদের কারো কারো সঙ্গে তক্কে জড়িয়ে গিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করেছিলাম যে রেলে ঐ ভাবে চাকরী হয়না। শেষে ঠেঙানি খাওয়ার ভয়ে চেপে যাই।

    তাদের সে খোয়াব এখন গিয়েছে। এখন অচ্ছে দিনের খোয়াবে দিলীপ ঘোষকে ভোট দিয়েছে। কোন স্বপ্ন আর সত্যি যে সামনে নেই সেটা তারা মায়াপাতার তার্কিক দের থেকে বেশী ভাল বোঝে। তাই তারা ঠিক করেছে ডান হাতে চাল-কলা নেবে বাঁ হাতে তিনো-পদ্মে বোতাম টিপবে।

    এই সহজ সরল ঘটনাটাকে মেনে না নিয়ে বাম দলের ভুল-ভ্রান্তি ইত্যাদি নিয়ে এত ঘ্যান-ঘ্যানানি কেন?
  • PT | ২০ মে ২০১৬ ১৯:২৬706302
  • "কৃষিকে লাভজনক করে তুলতে পারলেই অর্ধেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেতো। "
    দ্যাখো কল্লোলদা, তুমি ছাড়া সারা ভারতে কেউ এটা বুঝত না সেটা মেনে নিতে আমার খুব অসুবিধে হচ্ছে।
  • রামকৃষ্ণ | ২০ মে ২০১৬ ১৯:২৮706303
  • হৃদু আবার আমায় বলত, মামা তোমার সব বুলিগুলো একবারে সব বলে দিও না, তাহলে আর লোক আসবে না।

    আমি বললুম শালা, আমার সব বুলি আমি একবার বলব,দশবার বলব, লক্ষবার বলব, তোর তাতে কি?
  • priyabrata | ২০ মে ২০১৬ ১৯:৪৯706304
  • তবে একটা জিনিস তৃণমূলের স্ট্রাটেজি সফল, চেয়েছিল সাধারণ লোককে হাত করতে কারণ তারাই মেজরিটি আর তাদের ভোটেই কোনো পার্টি যেতে, ইন্টেলেকচুয়ালদের তারা টার্গেট করতে গিয়ে ছড়িয়ে ছেড়ে দিয়েছে (কিছু স্বার্থান্বেষী ছাড়া), এই ছোট ছোট ডিসিশন সস্তার চাল, ইত্যাদি তাদের স্ট্রাটেজি তে ১০০% সফল।
    আমি তবে একটা জিনিস মানি বেনভলেন্ট dictatorship আর স্ট্রাটেজিক, কন্ট্রোল্ড এন্ড planned করাপশন ছাড়া কোনো জাতি উন্নতি করতে পারে না।
    তৃনমূল একদম ঠিক চলেছে ওদের রাস্তায় আর বাকিরা সিম্পলি ছিড়েছে।
    তবে তাতে ওয়েস্ট বেঙ্গলের কি হলো সে প্রশ্ন না তোলা ভালো, নেক্সট ফাইভ ইয়ার্স এ অবস্থা বিহার উত্তর প্রদেশের চেয়েও অনেক খারাপ হবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই।
  • sm | ২০ মে ২০১৬ ২০:০৬706305
  • মমতার রেল মন্ত্রীত্বের কালে রেলের জমিতে জবর-দখল করে থাকা কম বয়সীরা সম্ভাব্য রেলে চাকরীর ঢপের টোপে তিনোদের দিকে জুটেছিল। আমি একদিন তাদের কারো কারো সঙ্গে তক্কে জড়িয়ে গিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করেছিলাম যে রেলে ঐ ভাবে চাকরী হয়না। শেষে ঠেঙানি খাওয়ার ভয়ে চেপে যাই।
    --
    এভাবে চাকরি হয় তো । গনি খানের আমলে হয়েছে। বাম আমলে ইন্টারভিউর মাধ্যমে শিক্ষক, ওয়াক ইন ইন্টারভিউ তে ডাক্তার পর্য্যন্ত নিয়োগ হয়েছে। একেবারে পার্মানেন্ট পোস্টে।
    সরকার চাইলে সব হয়। আপনে ভুল বুঝাচ্ছিলেন।
  • Ekak | ২০ মে ২০১৬ ২০:০৭706306
  • ভবিষ্যত বলা এত সহজ না। আম্মা যাদেরকে রেশন দিয়েছিল তাদের পরের প্রজন্ম চাকিরেতে গেছে চাষে আসেনি। ফলত এখন সুপুরি বাগান ঝাড়া দেবার লেবার পাওয়া যায়না। জমি অধিগ্রহণ করতে হচ্ছেনা, স্বেচ্ছায় বিক্রি হচ্ছে। কে বলতে পারে, পশ্চিমবঙ্গ সেদিকে যাবেনা ? ভবিষ্যত একমাত্র ভবিষ্যতেই বোঝা সম্ভব।
  • ... | ২০ মে ২০১৬ ২০:৩০706307
  • FB theke
    ++++++++

    বামপন্থায় বিশ্বাস করলে তুমি ইন্টালেকচুয়াল। না করলে তুমি অশিক্ষিত। এটা দেখতে শুরু করেছি অনেকদিনই। আর তুমি তৃণমূল করো মানে তোমাকে আমি যা ইচ্ছে বলতে পারি। তুমি মধ্যমেধার, তুমি অশিক্ষিত। যে সমস্ত এলিটিস্ট মানুষরা আজ বুঝতে পারছেন না যে বাংলার এই রায় কেন, তারা বুঝতে পারছেন না কারণ তারা সমগ্র পশ্চিমবঙ্গকে চিনতে চাননি কোনোদিন। তাঁরা শুধু দেখতে পেরেছিলেন, কবিতা আর ছবির মজা। কিছু ভুল্ভাল স্টেট্মেন্ট। কিছু ভুল ইংরিজি, কিছু ভুল উচ্চারণ। কিন্তু বুঝতে পারেননি যে পশ্চিম বঙ্গের পুরোটা শহর নয়। অধিকাংশ মানুষেরই ইংরিজি উচ্চারণ খারাপ, ভুল ইংরিজি বলেন। আর এত এত দিন ধরে তাঁরা এই শহুরে এলিটদের কাছ থেকে কোণঠাসা হয়ে এসছেন। তাই তাদের কাছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লজ্জার নয়, বরং তাদের প্রতিনিধি। এই পশ্চিমবঙ্গের বুকে ছেড়ে দিলেও, ফেসবুক দেখলেও কি বোঝা যায় না ? যে সব বাঙালির কবিতা লেখার ও ছবি আঁকার ইচ্ছে ছিল ? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাদের প্রতিনিধি, আমরা চোখ বন্ধ করে যাদের পাতে দেওয়ার অযোগ্য মনে করেছি। এমনকী আমার পরিচিত খুব নিকটদের মধ্যেও দেখেছি খারাপ ইংরিজি বলা, কিংবা শিল্প চর্চার প্রচেষ্টা করা (না পারা) মানুষদের প্রায় মানুষ বলেই গণ্য করেন না তারা। আসলে ধর্মের যেমন এক আধিপত্য আছে, রাজনীতির আছে তেমনই ইন্টালেকচুয়ালিজমেরও আছে।
    আমি যাদবপুরের ছাত্রী, তাও বলতে দ্বিধা করি না, যাদবপুরের মধ্যেও বাসা করে আছে এই ইন্টালেকচুয়ালিজমের আধিপত্য। কিন্তু সে তো ভালো কথা হওয়া উচিত ছিল। হয়নি, কারণ সেই ইন্টালেকট কারা সেটা আমরাই নির্ধারণ করে দিতে চেয়েছি। এবং তার বাইরে থাকার মানুষদের নিচে বসাতে শিখেছি। যেন আমরাই এসেছি সমাজ সংস্কারের জন্য আর বাকিরা সেই সাহায্য পাবে বলে বসে আছে। সেই যে টিনটিন পড়তে গিয়ে যেমন দেখতাম চারটে কালো মানুষ যা পারল না টিনটিন একাই তা পেরে গেল, কারণ সে সাদা। আমাদের মধ্যে এইরকম একটা 'সাদা' মন আছে যারা 'অন্য' রকম কাউকে 'কালো' বলে ভাবে, নিচু বলে ভাবে। বাংলায় এই রায় হল কারণ, পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে শেষ বিরোধীর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরের পাঁচ বছরে কোনো দল নিজেদের যোগ্য বিরোধী করতে পারলেন কই ?বিরোধিতা মানে আমরা কী বুঝলাম ? বুঝলাম টিপ্পনি কাটা। বুঝলাম কবিতার আসরে,পার্টিতে, নাটকের রিহার্সালে ."গভার্নমেন্ট " না বলে "গরমেন্ট" বলা। আমরা বুঝলাম না, আমাদের বাড়ির সামনে যে রিক্সা স্ট্যান্ড সেখানে সকলেই 'গভার্নমেন্ট' বলতে গেলে 'গরমেন্ট' বলে। তাই যখন শুরু হল এই নিয়ে হাসি মজা, আর এই মজার জন্য আমরা বিখ্যাত হলাম, ক্ষোভ জমতে শুরু করল সেই শ্রেণীটার...তাঁরা আরো বেশি করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থক হলেন। তারপর একটা সময় আমরা বুঝে গেলাম, আধুনিক যুক্তিসম্পন্ন বুদ্ধিজীবি হতে গেলে এই হাসাহাসিটা, এই টিপ্পনিটা আমার ধর্ম। আমার কর্ম। নইলে আমি বাতিল হয়ে যাব এই বুদ্ধিদীপ্ত সমাজের থেকে। আমি কিচ্ছু তোয়াক্কা করলাম না। এবং ভাবলাম এইরকম কেউ একবার ভুল করে জিতে যেতে পারে, আরে চাল, সাইকেল, কন্যাশ্রী চায় কে? আমরা বুঝতে পারলাম না,চায়...অনেক অনেক মানুষ চায়, যাদের আমরা 'মানুষ' ভাবার গন্ডির বাইরেই রেখে দিয়েছি বহুদিন।
    আগে মা'রা রান্না করতে করতে ন্যাতা একটা শাড়ি পড়ে আমাদের স্কুলবাসে তুলে দিয়ে যেত। বাড়িতে যারা কাজ করেন তাদের অনেকেই হাওয়াই চটি পড়ে কাজ করতে আসতেন। কিনতু বর্তমান শহুরে সভ্যতায় পোশাক, চটি হয়ে উঠল বুদ্ধির, মেধারও পরিচয়। তোমার কোনো স্টাইল স্টেটমেন্ট না থাকলে তুমি বাতিল। বাড়িতে তাই যারা কাজ করতে আসেন তাঁরাও আস্তে আস্তে সেটা বুঝে গেলেন। যত সস্তাই হোক তাঁরাও কায়দায় চটি ছাড়া পড়ার সাহস করলেন না। কিনতু এরই সামনে এমন একজন মুখ্যমন্ত্রী হয়ে গেলেন, যিনি হাওয়াই চটি পড়েন, ন্যাতা শাড়ি পড়েন। এই নিয়ে শুরু হল নতুন হাসি ঠাট্টা। আরে টাকা তো আছে, সব নাটক! আমরা বুঝলাম না, যদি নাটকও হয়, তাহলে সেটাই রাজনীতি। আমরা তো আজ গান্ধীর পোশাককেও যা ইচ্ছে বলতে ছাড়িনা। আর তাই এত বড় ইতিহাস ভুলে যাই, ভারতের মানুষ গান্ধীর সঙ্গে নিজেদের কানেক্ট করেছিলেন তার একটা কারণ পোশাকও ছিল বইকি!
    ৩৪ বছর ধরে একটা দল থাকায়, আমরা ভেবেছিলাম যে সমাজের এক বৃহৎ শ্রেণি বামপন্থায় বিশ্বাস করে। মমতাই কিন্তু ভাঙলেন সেটা আর দেখিয়ে দিলেন বেশি ভাগ মানুষ শুধু এবং শুধু ক্ষমতায় বিশ্বাস করে। কোনো পন্থাই তাদের মধ্যে নেই।
    বিরোধিতা করতে করতে আমরা কোনো কাজকেও স্বীকার করলাম না। এই যে পুরো একটা শহর নীল সাদা হওয়া নিয়ে এত হাসাহাসি হল, অথচ এ কথাকে অগ্রাহ্য করব কীভাবে যে শহরটা অপূর্ব দেখায়। বাইরে থেকে প্রতি বছর বিদেশীরা এসে বলে যাচ্ছে এই সৌন্দর্যের কথা, কিনতু আমরা স্বীকার করছি না। আমরা স্বীকার করছি না এত এত সুলভ শৌচালয় হওয়া, কম্প্যাক্টর ভ্যাট হওয়ার মত কাজগুলোকে। স্বীকার করছি না কারণ কম শিক্ষিত, ইংরিজি বলতে না পারা কারো কাজকে স্বীকার করলে, আমরা ছোট হয়ে যাব।
    অসুবিধে ঠিক এই জায়গাটাতেই। স্বীকার করা হচ্ছে না বলেই বিরোধীও তৈরি হচ্ছে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে একজন যোগ্য 'রাজনৈতিক' নেত্রী এ কথা অস্বীকার করার কোনো জায়গাই নেই, অন্তত পশ্চিমবঙ্গের বুকে। এই কথাটা যতদিন না মানা হবে কোনো দলের পক্ষেই বিরোধী হয়ে ওঠা মুশকিলের। বিরোধিতা করতে গেলে, বিপক্ষে যে আছে তার দুর্বলতাগুলো যেমন জানতে হবে, শক্তিগুলোও তো জানতে হবে। নাহলে বাংলার বুকে এই রায়ই হবে। ঠিক যে কারণে ৩৪ বছর ধরে একটিই দল থেকে গিয়েছিল, কারণ কংগ্রেস শুধু তাদের দুর্বলতাগুলো দেখেছিল, শক্তিটুকু দেখেনি। মমতা দেখেছিলেন। তাই একটুও দেরি না করে একের পর এক ইন্টালেক্টদের নিয়ে এসছিলেন।
    কে কোন দলের পক্ষে সেটা তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। পছন্দ। সেটা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে না। প্রশ্ন উঠতে পারে ঠিক,ভুল নিয়ে। কিন্তু সেটুকু করতে গিয়ে একটা দল দু দুবার এভাবে জেতার পরেও যখন আমরা তার রাজনৈতিক পোটেনসিয়ালকে মেনে নিতে নারাজ, এবং এবার মানুষের সিদ্ধান্তের ওপরই দায় চাপাতে শুরু করা হচ্ছে, তখন জেনে রাখা ভাল, একই ভুল আবার হচ্ছে!!
    কেউ তৃণমূল করে জানলেই যখন তার পরিবারের সামনে আরও বেশি বেশি করে বলা হয়..."তৃণমূল্গুলো অশিক্ষিত"...তখন কিনতু অন্য পক্ষের শিক্ষার পরিচয় পাওয়া যায়। আর সেইখান থেকেই শুরু হয় দুর্বলতা। অপরকে সম্মান না করলে যে নিজের সাজান বাগান আস্তে আস্তে শুকিয়ে যাবেই।

    রাজনীতির খেলাটা কবিতা, গান, নাটক, আঁকা, কিংবা ভাষা দিয়ে হবে না। কমিউনিকেট করাটা জরুরি। কে কীভাবে করছে সেটা কিনতু তার ব্যাপার। কমিউনিকেটেড যে হচ্ছে সেটা কিনতু স্বীকার করতেই হবে। স্বীকার করলেই একমাত্র নতুন প্রস্তুতি সম্ভব। কোনো নতুন প্রোডাক্ট লঞ্চ করার আগে মার্কেট সার্ভে করা হয়। দেখা হয় অন্য প্রোডাক্টগুলোর কম্পোজিসন, স্ট্রেন্থ...! যদি আগেই ধরে নেওয়া হয়, মার্কেটে সব খারাপ, আমি যা আনতে চলেছি সেটাই শ্রেষ্ঠ, তাহলে কিনতু মুশকিল... ! আর যদি মন দিয়ে পড়া যায়, জানা যায়, স্বীকার করা যায়, মানুষের সাইকলজি বোঝা যায় তা হলে যেটা হয় সেটার নাম 'পতঞ্জলি'। চাই বা না চাই, পাড়ায় পাড়ায় দোকান!

    আর পাঁচটা জিনিসের মতই, রাজনীতিও একটা শিল্প, সেটা ধৈর্য, অপরের প্রতি সম্মান, বিচার বোধ, মানুষকে মানুষ মনে করা...এমনই কিছু কিছু জিনিস দাবী করে, নইলে আস্তে আস্তে বুদ্ধির ধার কমে আসে...

    অনুব্রত মন্ডল আর মদন মিত্রকে নিয়ে হাসতে হাসতে আমরা ভুলে যাই, মিডিয়া কেন দেখাইয় এঁদের এত ? কারণ মানুষ দেখে। এঁরা টি আর পি দেন। আর এঁরা থেকে যান কেন রাজনীতিতে ? কারণ কিছু মানুষই চান তাই। এই সত্যিগুলোকে না বুঝলে, না স্বীকার করলে...হাসতে হাসতে অবলুপ্ত হয়ে যাবে সব...! থেকে যাবেন এঁরাই। বিবর্তনবাদ অন্তত সেই কথাই বলে।
  • কল্লোল | ২০ মে ২০১৬ ২০:৫৩706308
  • পিটি। লিখছো - "এখন অচ্ছে দিনের খোয়াবে দিলীপ ঘোষকে ভোট দিয়েছে। কোন স্বপ্ন আর সত্যি যে সামনে নেই সেটা তারা মায়াপাতার তার্কিক দের থেকে বেশী ভাল বোঝে। তাই তারা ঠিক করেছে ডান হাতে চাল-কলা নেবে বাঁ হাতে তিনো-পদ্মে বোতাম টিপবে।"
    বামেরাও তো ভোট পেয়েছে - সেগুলো কাদের ভোট? ভিন গ্রহের মানুষদের?
    ক্ষমতায় আসতে না পারলে লোকজনকে ছাগল বলে দেওয়া কোন কাজের কথা নয়।
  • IPGGKBK | ২০ মে ২০১৬ ২১:২৩706310
  • নির্ব্বাচন কমিশনের নির্দ্দেশ আজ রাত আটটা অবধি বলবৎ ছিল। তা শেষ হয়ে যাওয়ার পর প্রথম কোপ কমিশনার সৌমেন মিত্রর উপর।

    ফের আসছেন 'সারদা'র প্রমাণ লোপ করে দেওয়া রাজীবকুমার।

    ওদিকে হাইকোর্ট ১ লক্ষ সিভিক ভলাণ্টিয়ারের নিয়োগ বাতিল করল।

    - সূত্র কলকাতা টিভির এইমাত্র প্রচারিত খবর।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঝপাঝপ মতামত দিন