এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • সিঙ্গুর: কী ভাবছেন সবাই?

    Samik
    অন্যান্য | ০২ অক্টোবর ২০০৬ | ৮৫২৫২ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • S | ১২ মে ২০১৬ ০১:০২670146
  • রাইট ইন্ডিকা। ইন্ডিগো একটা ছিলোনা? ইন্ডিকার পিছনে বাক্স লাগিয়ে।
  • Ekak | ১২ মে ২০১৬ ০১:০২670145
  • টয়োটা কিছু ভালো গাড়ি আনছে হাই ট্রাফিক মেট্রোর জন্যে। ওদের আই-রোড এর তো বেশ প্রশংসা শুনছি। তবে ইলেকট্রিক কার ইন্ডিয়াতে চলা মুশকিল চার্জিং স্টেশন নেটওয়ার্ক যদ্দিন না তৈরী হচ্ছে।
  • Arpan | ১২ মে ২০১৬ ০১:০৫670147
  • হ্যাঁ, লাক্সারি সেডান হিসেবে প্রোজেক্ট করার চেষ্টা করেছিল। লোকে ওদিকে না তাকিয়ে ডিজায়ার কিনল।
  • S | ১২ মে ২০১৬ ০১:১২670148
  • তবে সবার আগে ইন্ডিয়ায় রাস্তাঘাট ভালো করা উচিত আর দুর্ধর্ষ পাবলিক ট্রান্সপোর্ট তৈরী করা উচিত। নইলে একদিন ঐ চীনের মতন ডজন মাইলের ট্রাফিক জ্যাম হবে।
  • Arpan | ১২ মে ২০১৬ ০১:১৫670149
  • এই হল ইন্ডিগো আর জেস্টের পারফর্ম্যান্স।

    জেস্ট শুনেছি ভালো গাড়ি, কিন্তু বিক্রিবাটায় তো বেশ পিছিয়ে। কিছু তো একটা সমস্যা আছে।

    http://autoportal.com/newcars/tata/indigo-ecs/sales-statistics/
  • ঈশান | ১২ মে ২০১৬ ০১:৪৩670150
  • রঞ্জনদার লিস্টি থেকে দেশভাগ টা বাদ গেছে।

    দেশভাগের কারণে পাটশিল্প আংশিকভাবে ভোগে গেছে। চলচ্চিত্রশিল্প সম্পূর্ণভাবে। সবচেয়ে বেশি যেটা ভোগে গেছে, সেটা হল পূর্বাঞ্চলের মেরুদন্ড। কেন্দ্রের সঙ্গে দরাদরি করার ক্ষমতা একেবারে টোটাল ভোগে।
    পাটশিল্প ভোগে যাবার আরেকটা কারণ, লোকে বলে, বিকল্প পণ্য উঠে আসা। বিশ্বাস হয়না, কারণ, পাটের চাষ কমেনি, আর চটের বস্তার দাম সিন্থেটিক বস্তার সঙ্গে অ্যাট পার। এছাড়া চটের ফ্যান্সি জিনিসপত্তরে বাজার ভর্তি।

    বাকি সব ভোগে গেছে মূলত মাশুল সমীকরণ নীতির জন্য। কয়লা আর লোহার একটা অবস্থানগত সুবিধে পশ্চিমবঙ্গের ছিল। যেজন্য ইঞ্জিনিয়ারিং সহ নানা শিল্প গঙ্গার দুপারে ভিড় করে ছিল। কেন্দ্রীয় সরকারের নীতি অনুসারে এগুলি একই দরে সারা ভারতে সরবরাহ করা শুরু হয়। ফলে অবস্থানগত সুবিধেটি ভোগে যায়। এটা না করা হলে ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প এই তল্লাট থেকে যেতনা। এই নীতির ফলে ব্যাপারটা এরকম দাঁড়ায়, যে, ভারতবর্ষের অন্যান্য অণ্চলগুলি অবস্থানগত সুবিধে পাবে (যেমন গুজরাট বস্ত্রশিল্পের, কারণ তুলো স্থানীয় ফসল), কিন্তু পূর্বাঞ্চল পাবেনা।

    ফলে এখানে আমরা একটা তৃতীয় কারণ পাই, সরকারি নীতি। সরকারি নীতি, ভারতের উত্তর এবং পশ্চিমাঞ্চলে শিল্পকে প্রোমোট করার জন্য তৈরি করা হয়েছিল। শুধু মাশুল সমীকরণ নয়, যোজনা থেকে শুরু করে সর্বত্র। নতুন দিল্লি এবং মুম্বাই এর সমৃদ্ধি আকাশ থেকে পড়েনি। অশোক মিত্রই একবার লিখেছিলেন, পূর্বাঞ্চল থেকে দিল্লি এসে মনে হয় শহরে এলাম, এরকম কিছু একটা। তিনি পয়েন্টটা ঠিকই ধরেছিলেন এবং তা নিয়ে ভোকালও ছিলেন।

    বাঙলির নিজের কি কোনো দায় নেই? আছে। বাঙালি পূর্বাঞ্চলের বঞ্চনাকে ইসু করতে পারেনি। সিপিএম প্রচুর স্লোগান দিয়েছে, কিন্তু নিজেদের অ্যাজেন্ডার জন্যই বিষয়টাকে চাগিয়ে তুলে দরকষাকষির দিকে নিয়ে যায়নি। আর তার আগের কংগ্রেস সরকার চক্ষু মুদে ছিল। জাতি হিসেবে বাঙালি ব্যাপারটায় আলোড়িত হলে এরকমটা করা যেতনা।

    তবে বাঙালি ব্যবসামুখী না, এটা একটা গুল। সেই স্বদেশী আন্দোলনের সময় থেকে এই গপ্পোটা চলে আসছে। তখন এটার কিঞ্চিৎ ভ্যালিডিটি ছিল। দেশভাগের পর একেবারেই নেই। পাড়ার দোকানপত্তর সবই বাঙালিরা চালায়। কিছু হিন্দিভাষী আছেন, কিন্তু কম। আরামবাগ থেকে শুরু করে ভজহরি মান্না, বোস থেকে শুরু করে চ্যাটার্জি গ্রুপ, গাদা ব্যবসা বাঙালির। এমনকি সারদাও বাঙালিরই ব্যবসাবুদ্ধি। বড়বাজারে অবশ্যই কিছু ধনী মারোয়াড়ি আছেন, কিন্তু সে সারা ভারতেই আছে। এবং, বললে বিশ্বাস করবেননা, গুজরাত বা মহারাষ্ট্রেও প্রচুর ছেলেপুলে পড়ে-টড়ে চাকরি করবে এবং কেরিয়ার বানাবেই ভাবে। আবার ব্যবসায়ী বাঙালি ছেলেও কম না। কিন্তু একটা ইকনমি যেখানে টাকাই কম রোল করে সেখানে প্রচুর লোক ব্যবসা করতে শুরু করে দেবে, এবং তাতেই ইকনমির অবস্থা ফিরে যাবে, এটা অবাস্তব আইডিয়া।
  • S | ১২ মে ২০১৬ ০২:২৯670151
  • "তবে বাঙালি ব্যবসামুখী না, এটা একটা গুল।"

    এটা ঈশান্দা কি কয়? আচ্ছা পাড়ার দোকানের কথাই দেখি। কজন বাঙালীকে আপনি অন্য রাজ্যে দোকান চালাতে দেখেছেন, আর কজন আন্য রাজ্যের লোককে পবে দোকান চালাতে দেখেছেন? আর তুলনাটা একটা ভজহরী বা আরামবাগ নিয়ে নয়, তুলনাটা হচ্ছে কারণ বাঙালীর দ্বারা বিগত ৫০ বছরে একটা রিলায়েন্স বা ইনফোসিস বা পাটনী বা অম্বুজা বা এমনকি হিরানন্দানিও বেরোয়নি। টাটা বিড়লা মিত্তালদের তো ছেড়েই দিলাম। একমাত্র ছিলো সাহারা গ্রুপ।

    এই হলো ইন্ডিয়ার ১০০ টি সবথেকে বেশি মার্কেট ক্যাপ ওয়ালা কোম্পানী। সরকারী গুলো বাদ দিয়ে বলুন কতগুলোর প্রোমোটার বাঙালী।

    http://www.bseindia.com/markets/equity/EQReports/TopMarketCapitalization.aspx?expandable=3
  • ঈশান | ১২ মে ২০১৬ ০৮:০৫670152
  • ধুর। আমি কোনো তামিল তেলেগু আসামী ওড়িয়া কাউকেই অন্যরাজ্যে দোকান চালাতে দেখিনি। কিন্তু বাংলাদেশীদের বিদেশে দোকান চালাতে দেখেছি গাদা। আর গুজরাটিদের। ও দিয়ে কী বোঝা যায়? গুজরাটি আর বাংলাদেশীরা সমান মাপের ব্যবসামুখী? আর পবর বাঙালি কম?

    মাঝারি মাপের ব্যবসা, ম্যাক্রো স্কেলে বাজার আর ক্যাপিটালের খেলা। যেখানে আছে এমনিই হবে। নেচার টেচার আপসে বদলে যাবে।
  • কল্লোল | ১২ মে ২০১৬ ০৮:০৭670153
  • সিঙ্গুরে ফেরা যাক।
    এটা পরিস্কার যে এই সময় আর আবাপ আলাদা আলাদা অ্যাজেন্ডা নিয়ে চলেছে।
    এই সময় বামেদের বিপক্ষে, টাটার বিপক্ষে, আবাপ প্রত্যাশিতভাবেই বামেদের পক্ষে, টাটার পক্ষে।
    এই সময়ের এই খবরে শিরোনাম - সিপিএমকে বামপন্থার পাঠ দিলো সুপ্রিম কোর্ট। http://www.epaper.eisamay.com/Details.aspx?id=23030&boxid=173611466
    এই খবরেই আছে বর্তমান রাজ্য সরকারকে সিঙ্গুর সংক্রান্ত সব নথি জমা দিতে বললো কোর্ট। স্রেফ একটা খবর।
    সেই একই খবর আবাপতে শিরোনাম হলো - দুদিনেই সিঙ্গুরের নথি দেওয়ার নির্দেশ রাজ্যকে। খবর শুরু হচ্ছে - শেষ দিনেও শেষ রক্ষা হলো না রাজ্য সরকারের। এই সময়ের শিরোনামের খবরটি এসেছে এই ভাবে -
    পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে এ দিন আদালতের প্রশ্নের মুখেও পড়তে হয়েছে। শীর্ষ আদালত পর্যবেক্ষণে জানায়, জমি অধিগ্রহণ করে শিল্প স্থাপন হলে কমর্সংস্থান হবে— এটা ভাল উদ্যোগ। কিন্তু সে সময়ে ইচ্ছুক ও অনিচ্ছুক চাষিদের দু’ধরনের আর্থিক প্যাকেজ দেওয়া হয়েছিল। কেন এই বৈষম্য করা হয়েছিল, তা রাজ্যের আইনজীবীদের কাছে জানতে চায় আদালত। একই সঙ্গে আদালত পর্যবেক্ষণে জানায়, সে সময়ে গরিব লোকের স্বার্থ দেখা হয়নি। এক লক্ষ টাকার গাড়ি তৈরির জন্য এক শ্রেণির মানুষের কথা ভাবাই হয়নি। যাদের এক বেলার খাবার জোটে না, তাদের জন্য ওই নীতি আদৌও সঠিক ছিল কিনা, তা নিয়েও প্রশ্ন
    তুলেছে আদালত।
    http://www.anandabazar.com/state/court-asks-for-all-the-documents-related-to-singur-from-state-government-1.384443
    কেস জমে গেছে।
  • PT | ১২ মে ২০১৬ ০৮:১৯670155
  • "এই সময় বামেদের বিপক্ষে, টাটার বিপক্ষে, আবাপ প্রত্যাশিতভাবেই বামেদের পক্ষে, টাটার পক্ষে।"
    যাক এবারে নিশ্চিন্ত হওয়া গেল........
  • sm | ১২ মে ২০১৬ ০৮:২২670156
  • যাক, শেষ পর্য্যন্ত নিশ্চিত হলেন? আবার পালটি খাবেন না তো?
  • কল্লোল | ১২ মে ২০১৬ ০৮:২৭670157
  • ঈশানের সাথে পুরোপুরি একমত নই।
    আর ইয়ে, আসামী না লেখাই ভালো।
    গোটা পূর্বাঞ্চলে বিশেষ করে মুদীর দোকান চালায় প্রচুর বিহারী আর মাড়োয়াড়ী। মনিহারি দোকানে কিছু স্থানীয় আছে। খাতা, পেন, পেন্সিল, কাগজ, আঁকার রং ও এই সম্পর্কিত দোকান চালায় স্থানীয়রা। পাড়ার সেলুন (সালোঁ নয়) চালায় স্থানীয়রা। খাবার দোকান, টুকটাক থেকে দুপুর/রাতের খাবার চালায় স্থানীয়রা - এটার কারন বোধহয় রান্নার কৃৎকৌশল ও আমিষ। সারা পব জুড়ে কিছু "কাটরা" আছে। সেগুলো কাপড়ের দোকানের সমষ্টি। এগুলো চালায় পূর্ববঙ্গ থেকে আসা উদ্বাস্তুরা। এদের বেশীরভাগই সাহা। আর বিলাতি মদের দোকান চালায় স্থানীয়, পার্সী ও মাড়ওয়াড়ীরা। ডিস্ট্রিবিউটার বেশীরভাগই মাড়োয়াড়ী বা পার্সি। সোনা-রূপোর দোকান চালায় স্থানীয়রা।

    কিন্তু ব্যবসা বলতে আমি তো ভেবেছিলাম বড় ম্যানুফ্যাকচারিং ও হোলসেল ট্রেডিং। তাতে বাঙ্গালী কোথায়?
  • amit | ১২ মে ২০১৬ ০৮:২৯670159
  • দেখুন আবাপ র আরো, আরো লাগাতার conspiracy বাংলার খেটে খাওয়া, সচেতন, শিক্ষিত, সংবেদনশীল কোটি কোটি নিরীহ মানুষের বিরুদ্ধে। তারা নাকি বাংলায় কাজ না পেয়ে কেরল না অন্য কোথায় গিয়ে কাজ করছেন। ছি ছি।

    এর ঘৃণ্য চক্রান্তের বিরুদ্ধে গর্জে উঠুন, অবপ কেনা আর লিংক দেওয়া বন্ধ করুন, আর পাচ বছর অন্তর ভোটের বাক্সে NOTA-তে ছাপ মেরে আসুন, আর বিপ্লবের অপেক্ষা করুন, এই এলো বলে। আর সিঙ্গুর-? সিমেন্ট খুড়ে কিভাবে সোনা ফলাতে হয়, সেটা বাংলার এবার কৃষক দেখিয়ে দেবে, সারা দুনিয়া সিঙ্গুর এর আলুর জন্য হন্যে হয়ে বসে আছে।

    http://www.anandabazar.com/national/people-moving-to-kerala-for-better-living-1.384405
  • sm | ১২ মে ২০১৬ ০৮:২৯670158
  • কোর্ট এখনো মূল প্রশ্ন টা কড়া ভাবে করেনি। তারা কেন দুম করে কারখানা গুটিয়ে চলে এলো?
    কারণ, অবশ্যই; আইন শৃঙ্খলার অবনতি। কিন্তু টাটারা কি প্রশাসনের কাছ থেকে কোনো লিখিত জবাব পেয়েছিল; যে প্রশাসন যথাযোগ্য প্রটেকশন দিতে পারবেনা।তারা কোর্টের কাছেও দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য আবেদন করতে পারতো.
    মনে রাখতে হবে; হাজার একর উর্বর কৃষি জমি, হেলা ফেলার বস্তু নয়।বহু হাজার মানুষের জীবিকা জড়িয়ে।
  • sm | ১২ মে ২০১৬ ০৮:৩৮670160
  • কল্লোল বাবু, আমি কিন্তু ইশানের সঙ্গে সহমত।একটু আধটু কালচারাল ঘাটি ছাড়া, বাঙালি ও মারওয়ারী, গুজু দের মধ্যে বিশেষ পার্থক্য নেই। যেমন পুরীর সিংহভাগ হোটেল চালায় বাঙালিরা।অসম, ত্রিপুরার সব রকম ব্যবসা কিছুদিন আগে পর্য্যন্ত, বাঙালিদের কব্জায় ছিল। বিহার, ঝাড়খনদ, ওড়িশা তে বেশ কিছু স্মল ইন্দাস্ত্রী বাঙালি মালিকানাধীন।
    মুশকিল হলো, বাঙালিদের গুজু বা মারওয়ারিদের মতো স্ট্রং সোসাইটি নেই।হোলসেল মার্কেট বা বড় কারখানা চালাতে, ভারতে প্রচুর খেলা আছে,যেটাতে প্রবেশ করা বেশ চাপের।
  • কল্লোল | ১২ মে ২০১৬ ০৮:৩৯670161
  • অমিতবাবু। আপনি অমিতবিক্রমে যা বলার চেষ্টা করছেন, সেটা সব রাজ্যেই ঘটে। ঐ যে কেরালায় আমাদের সোনার বাংলার সোনার ছেলেমেয়েরা বেশী রোজগারের আশায় যাচ্ছে, সেখানকার ছেলেমেয়েরা যাচ্ছে দুবাই - ঐ বেশী রোজগারের আশায়। ক্ষী ক্ষারাপ!! তাই তো?
    সেই কেরলায় কিছুকাল আগেও বিহারী মজদুরদের ভিড় ছিলো - নারকেল পাড়ার জন্য। এখন নীতিশ বিহারে (না, শিল্পের বান ডাকায় নি) ১০০ দিনের কqজ ইঃ প্রকল্পে দুর্নীতি হঠিয়েছে। টাকা পুরোটাই যে কাজ করে তার হাতে যাচ্ছে। সেটা না বামেরা না তিনোরা কেউই করতে পারেনি এবঙ্গে। তাই বাঙ্গালী মজদুর কেরালায়।
  • T | ১২ মে ২০১৬ ০৮:৪৯670162
  • @ কল্লোলদা,

    কেস তো জমেছেই। :) কারণ সুপ্রীমকোর্টের যে বিচারপতিদের মন্তব্য নিয়ে আপনি অ্যাত নাপাচ্ছেন, সেই তাঁদের মন্তব্য থেকে কি পাওয়া যাচ্ছে দেকুন-- সিঙ্গুরে তিনফসলি চারফসলি জমি নিয়ে সরকার খুব অন্যায় করেচে, কারণ কৃষি হেলাফেলা করার ব্যাপার নয়, এবং একই সাথে "যাদের এক বেলার খাবার জোটে না, তাদের জন্য ওই নীতি আদৌও সঠিক ছিল কিনা, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে আদালত"
    :)
    তো, সুপ্রীম কোর্ট কি ঘুরিয়ে মেনে নিচ্ছে যে, তথাকথিত তিন-চার ফসলি জমি থেকে কৃষিকাজ করে অ্যাতটাই বেশী, মানে অ্যাতটাই বেশী আয় হত যে স্রেফ একবেলার খাওয়া জুটত?

    উত্তর দেবেন কিন্তু :)
  • Ekak | ১২ মে ২০১৬ ০৮:৫৩670163
  • বাঙালিরা কোনো বড় উদ্যোগে নেই। বাঙালিদের ব্যবসায়ী উদ্যোগ আগে ছিল না কি ? ছিল। প্রথম প্রজন্ম খেটেখুটে ব্যবসা করে জমি -বাড়ি কেনে। তারা হলো কেনারাম। পরের প্রজন্ম সেই তাকে বসে খায়। সে সুখিরাম। তার পরের প্রজন্ম সব বাড়ি ঘর দোর্ বেছে দেয়। সে বেচারাম। তারপর থেকে সব দুখিরাম। এই হলো অধিকাংশ বাঙালির ব্যবসা। এরা বড় উদ্যোগে যায়না। যা রেভেনিউ আসে সেটা ঘুরিয়ে ব্যবসায় না ঢেলে প্রথমেই এসেটে বিনিযোগ করে। অন্য রাজ্যে ব্যবসা ছড়াবার কোনো ইচ্ছে নেই। ব্যবসাদার থাকবে না ক্যানো, আমার কলকাতার বন্ধুদের একটা বড় অংশ ব্যবসাদার। তাদের মধ্যে মাত্র দুজন রাজ্যের বাইরে বেরিয়েছে। তার মধ্যে আবার একজন বাঙালি হলেও আগারয়াল। তিন চার পুরুষের কলকাতার আগরওয়াল দের তো আমরা বাঙালিই বলি। এমনিতে আমরা বেচ্লেই বলি ব্যবসাদার কিন্তু সেটা তো কাউন্তেবল নয়। প্রচুর বাঙালি সাপ্লায়ার আছেন। এদের ঠিক ব্যবসাদার বলা যায় না। ব্যবসা শুরু হচ্ছে ট্রেডিং দিয়ে। সেখানে সামান্য বাঙালি। এরপর আসছেঃ ম্যানুফ্যাকচারিং। সেখানে সবভারতিও ক্ষেত্রে বাঙালি নেই। দত্ত রা মাঝখানে ওঠার চেষ্টা করেছিল আফ্রিকাতে বোরোলীন বেচে। কিন্তু তিন্কতে পারেনি।
  • কল্লোল | ১২ মে ২০১৬ ০৮:৫৬670164
  • এসএম। পুরীর কথাটা এখানে খাটে না। ওটা অনেক আগে থেকেই বাঙ্গালীদের কব্জায়। পুরী তো আর পুরো উড়িষ্যা নয়, আর হোটেল ব্যবসাই একমাত্র ব্যবসা নয়। ত্রিপুরার কিছু শহর ছাড়া এ চিত্র বিরল না হলেও কম। মনে রাখবেন ত্রিপুরায় বাঙ্গালী উদ্বাস্তুদের প্রভাব পবর চেয়ে ১০০গুণ বেশি।
    হোলসেল নিয়ে স্বীকার করছেন, বাঙ্গালী নেই, যে কারনেই হোক।
    শুধু অসমের উদাহরন দেই - গানটা শুনেছেন হয়তো - চল মিনি আসাম যাবো/দেশে বড় দুখ রে - ছোটনাগপুরের আদিবাসীদের আড়কাঠিরা ভুলিয়ে অসমের চা বাগানে কাজ করতে নিয়ে যাওয়ার গান। সে গানের একটা লাইন - এক পয়সার পুঁটি মাছ / কেয়াগুলার ত্যাল গো..... কিছুদিন আগেই গুরুতেই কোন গানের টইয়ে লিখেছিলাম "কেয়াগুলা"র কথা। কেয়াগুলা মনে কেয়াগোলা। গোল অসমীয়া উচ্চারণে গুলা হয়। কেয়া গোলা মানে হিন্দিভাষীদের গোলা বা দোকান/গুদাম, সেই গোলার তেল। হিন্দিভাষীদের - কেয়া চাহিয়ে, কেয়া ভাও ইঃ থেকে ঐ দোকান/গুদাম্গুলোর নাম হয়ে গেছিলো কেয়াগোলা। আজও অসমের বহু শহরে কেয়াপাড়া আছে। সেগুলো সবই হিন্দিভাষীদের এলাকা। এই গল্পটা আসামে চাবাগান পত্তনের মতো-ই পুরোনো।
    এবঙ্গে প্রায় প্রতি পাড়াতেই লালার দোকান খুবই পুরাতন ও আজও আছে।
  • sm | ১২ মে ২০১৬ ০৮:৫৬670166
  • পব তে একসময় প্রচুর ইন্দাস্ত্রী ছিল।জুট, কটন,ইঞ্জিনিয়ারিং, লৌহ- ইস্পাত। কিন্তু দেখুন কারা কাজ করতো বা করে।শ্রমিক শ্রেনীর সত্তর ভাগ ভিনরাজ্যের।কুনো, অসুবিধে নেই তো।টাটার কারখানা হলেও একই চিত্র হয়তো দেখতে পেতাম।
    আবার জামশেদপুর, রৌরকেল্লা যান, দেখুন প্রচুর বাঙালি; মিডল গ্রেড ও উচ্চ পদে কাজ করছে।
    সুরাট, মুম্বাই, দিল্লিতে প্রচুর বাঙালি শ্রমিক, রিয়েল এস্টেট,সোনা রুপো, জরির কাজ করছে।এরকম মিক্সড মাইগ্রেশনে অসুবিধে কোথায়?
    টাটা ন্যানো হলে কিছু বাঙালি ইঞ্জিনিয়ার হয়তো চাকরি পেতো বা নাও পেতে পারতো . তার জন্য এত হা হুতাশ !
  • কল্লোল | ১২ মে ২০১৬ ০৯:০২670167
  • টি।
    হ্যাঁ, সেতো ঠিকই। কিন্তু কোর্ট কাদের কথা বলেছে? জমির মালিকদের কথা নয়। এমনকি ভাগচাষীদের কথাও নয়। কোর্ট ক্ষেতমজুরদের কথা বলেছে যাদের ক্ষতিপূরণ প্রা দেওয়া হয়নি বললেই চলে। তাদের কথা সরকার ভাবে নি।
    এটাও ভাবুন ৩৪ বছরেও গরীবের সরকার এদের জন্য কিছু করে উঠতে পল্লো না?
    খুশী?
  • কল্লোল | ১২ মে ২০১৬ ০৯:০৩670168
  • এসএমকে Date:12 May 2016 -- 08:56 AM প্স্টের জন্য ক্ক।
  • dc | ১২ মে ২০১৬ ০৯:০৪670169
  • মুদি দোকান, পাইকারি ইত্যাদি ছোট ব্যাবসায়ে অনেক বাঙালি আছে, কিন্তু মিডিয়াম থেকে লার্জ স্কেলে বাঙালি ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট তেমন কেউ নেই। এমন কি এখন যে স্টার্টাপ হাইপ চলছে তাতেই বা কজন বাঙালির নাম শোনা যায় যারা বেশ কিছুদুর টানতে পেরেছে? তার কারন মানসিকতা বা "কালচার" এর দিক দিয়ে অ্যাভারেজ বাঙালির সাথে এখনো গুজরাতি, মাড়োয়ারি, পার্সি ইত্যাদিদের সাথে আকাশপাতাল তফাত। পুরো ওয়ার্ল্ডভিউটাই অন্যরকম। পোলার অপোজিট বলা যায়।
  • sm | ১২ মে ২০১৬ ০৯:০৭670170
  • আরে, ব্যবসা চালাতে পারবেনা কেন? কোনো হাতি ঘোড়া জিনিস নয়। বাংলাদেশের বড় বড় ব্যবসা আগে মারওয়ারি রা নিয়ন্ত্রণ করতো; এখন বাংলাদেশিয়া নিজেরাই করে।
    ভারতে হোলসেল ও মান্যুফাক্চাড়িং এ বড় বড় খেলা আছে। অন্য লোকেদের ঢোকাই মুশকিল।
    ধরুন,স্বাধীনতার আগে থেকে, খনির লিজ, পেট্রল পাম্প লাইসেন্স,অধুনা ৩ জি,সেজ; সবটাই টাকা ও কানেকশনের খেলা। আপনার ঘুষ দেবার জন্য প্রচুর অর্থ ও কানেকশন না থাকলে ঢুকবেন কেমন করে?
  • T | ১২ মে ২০১৬ ০৯:১৩670172
  • ই বাবা, আরো কেস খেলেন।
    যে কৃষি ব্যবস্থা জমির মালিকদের সবচেয়ে বেশী সুবিধে দেয় এবং খেত মজুরদের একবেলার আহার, তার বিলোপ তো সবচেয়ে আগে আপনাদের চাওয়া উচিত। শিল্প লেলিয়ে দিলেই তো হেবি হচ্ছে তাহলে।

    সিপিএম খুব খ্রাপ, ও আর রিপিট করে লাভ নেই।
  • dc | ১২ মে ২০১৬ ০৯:১৩670171
  • কল্লোলবাবু যেটা কালকে লিখেছিলেন, বাঙালির রবীন্দ্রনাথ আছে, জগদীশ বোস আছে, প্রতিবাদ আছে, বিপ্লব আছে, হ্যান ত্যান কতো কি আছে। এটা কিন্তু সত্যিই এখনো অ্যাভারেজ বাঙালির মনোভাব - আমরা ভাই পোতিবাদি জাতি, ঠাকুর্দার আমল থেকে বিপ্লব করে আসছি, ওসব বেওসা ফেওসার মতো ছোট কাজ আমরা করতে পারিনা। আমরা চাকরি করি। আর অন্যদিকে মহারাষ্ট্র, গুজরাট ইত্যাদিতে গিয়ে দেখুন, অ্যাভারেজ লোকেরা ছোট ব্যাবসা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে পারেনা, সেটা বাড়ানোর চেষ্টা করতে থাকে। আর মুনাফা ওদের কাছে ফোর লেটার ওয়ার্ড না। এই মেন্টাল ব্লকের জন্য বেশীর ভাগ বাঙালি ছোট ব্যাবসার মধ্যে আটকে থাকে (যারা ব্যাবসা করে), বাড়তে পারে না। অন্যদিকে চাকরিতে দেখুন, বাঙালিরা টপাটপ জুনিয়র থেকে লাইন ম্যানেজার, তার পরে সিনিয়ার ম্যানেজার হয়ে যায়।
  • Ekak | ১২ মে ২০১৬ ০৯:১৪670173
  • টাকা -কানেকশন নেই ক্যানো ?????????? কেও কি আপামর বাঙালির পাছু তে স্ট্যাম্প মেরে ছেড়ে দিয়েছে যে নে তোরা বংশানুক্রমে ভিখিরি হবি !! পাঞ্জাবি -সিন্ধ্রী -পার্সি -গুজরাটি -মাল্লু -মারোয়ারী সবার হাতে টাকা আর কানেকশন। বাঙালির হাতে নেই ক্যানো :)))
  • sm | ১২ মে ২০১৬ ০৯:২০670174
  • dc, আপনার দেখা জগতের বাইরেও অনেকে বাঙালি আছেন। যারা সিরিয়াসলি, ব্যবসা করতে চান ও পারিবারিক ছ্যুত মার্গ নেই। অভাব ক্যাপিটাল ও কানেকশনের। যেটায়, মারওয়ারী ও গুজুরা অনেক এগিয়ে।
    দক্ষিন উড়িষ্যা, ও অন্ধ্র তে কুমুঠি বলে এক জনগোষ্ঠী আছে। এরা ব্যবসা পাতি অনেকটা কন্ট্রোল করে।এখানে ভিন রাজ্যের লোক বেশি দাঁত ফোটাতে পারেনি।
  • Ekak | ১২ মে ২০১৬ ০৯:২২670177
  • আর চাকরিতে উন্নতি তামিল রাও করে, মাল্লু রা করে। মহারাস্ত্রিয়ান রাও করে। তারা বিগ বিসনেস এও আছে। প্রচুর বড় কোম্পানির সেলস এর টপ পোস্ট এ গুজ্জু। তারপর এই যে সিভিল সার্ভিস, বাঙালি নাকি এত চাকরি পারদর্শী। আই এস এস ক্যাডারে বাঙালির সংখায় তো কবেই অতস্কাঁচ দিয়ে দেখতে হয়। বিভিন্ন ক্যাডারে নিজেদের লোক ছড়িয়ে না থাকলে ক্ষমতা কানেকশন আসবে কোদ্দিয়ে ? কোর্ ইন্দাস্ত্রী তে কতজন সী ই ও / ভিপি বাঙালি একটু শুনি ? এই আইটি তে গুচ্ছ গুচ্ছ বাঙালি আর একাদেমিক্স এ বাঙালি বলে বাঙালি ভাবে সে চাকরি তে বোধহয় বিশাল জায়গায় বসে আছে। সত্যি যদি কর্পোরেট এর টপ রানক এ বাঙালি প্রাধান্য থাকত তাহলে বাঙালির ব্যবসাও হত। এগুলো কানেক্তেদ।
  • কল্লোল | ১২ মে ২০১৬ ০৯:২২670175
  • টি। কেস খাচ্ছি? কি জানি। মাথা ব্যাথার নিরাময় মাথা কেটে ফেলা!! কে যে কোথায় কেস খায় কে জানে!!!!

    একক। ঠিক, নেই ক্ষ্যানো? জবাব চাই জবাব দাও।

    বংশানুক্রমে ভীখারী হওয়ার রাস্তা তো ইংরাজ থেকে নেহেরুবাবু হগলেই সহানুভুতির সাথে তৈরী করে দিয়েছেন।

    ভারতের আর কোন জাতি শাসকের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অবিচারের শিকার হয়েছে?

    বাংলা ভাগ না হলে, মানে, অখন্ড বাংল পাকিস্তানে গেলেও অন্য ছবি হতো।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা খুশি প্রতিক্রিয়া দিন