এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  সিনেমা

  • কহানি

    pi
    সিনেমা | ১১ মার্চ ২০১২ | ২৩৪৫৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Tim | ১৫ মার্চ ২০১২ ০১:১৩535774
  • জন অরণ্যতে সোমনাথের বন্ধু হয়েছিলেন।
  • aka | ১৫ মার্চ ২০১২ ০১:৩৭535775
  • এই গল্পের স্কোপ হল ভিদ্যা এবং সাত্যকিকে ঘিরে। বাদবাকি যাকিছু সব তা আসলে গল্পের বাইরে অন্য কোন গল্প যা কিনা এই কহানিতে ধরা হয় নি। যেমন অ্যাগ্নেসের মৃত্যু নিয়ে পুলিশ কি তদন্ত করল, মিডিয়া কি করল, কেন করল না ইত্যাদি খুবই ইম্পর্ট্যান্ট যখন অ্যাগ্নেসের মৃত্যুরহস্য নিয়ে গল্প লেখা হবে। এক্ষেত্রে এটাই ইম্পর্ট্যান্ট যে মিলিন্দ দামজীকে নিয়ে কথা বলছে সেই খুন হচ্ছে। সাত্যকি এবং ভিদ্যার পার্স্পেক্টিভ থেকে এটাই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ গল্প এগিয়ে নিয়ে যেতে ওর থেকে বেশি লাগে না। লাগতেই পারত, লাগে নি কারণ গল্পকার চায় নি। এতে কি গল্পের মূল স্রোতে কোন অসুবিধা হয়েছে? গল্প এগিয়ে চলেছে ভিদ্যা এবং সাত্যকির হাত ধরে।

    গল্প বলায় অসংগতি ধরতে গিয়ে অনেকেই কথা বলেছে পুলিশ কেন এই করল না, পুলিশ কেন সেই করল না। আচ্ছা সাত্যকি নামক পুলিশ নিজের ডিউটি ছেড়ে সারাদিন ধরে একজনকে গাড়ি নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে তাও সরকারী ঊর্দিতে। ইঙ্গিতপূর্ণ কথা বলছেন কেন কখন ভিদ্যার কি শাড়ি পরা উচিত ইত্যাদি নিয়ে। এখানে আমার মনে হয়েছে লেখক ইচ্ছে করে সাত্যকি আসলে কি সেটা ব্লারড রাখতে চেয়েছেন। কেউ মনে করবে সাত্যকি আসলে প্রেমে পড়া পুলিশ। তাহলে সব ছেড়ে তার শুধুই একজনকে হেল্প করাটা যাস্টিফায়েড হয় না। আমার মনে হয়েছে এটা স্বেচ্ছাকৃত ধোঁয়াশা, যা গল্পটিকে একটা অন্য মাত্রা দিয়েছে, নতুন প্রশ্ন তুলেছে, যা দেখার পরেও লোকে ঠিক কনক্লুসিভলি কনক্লুড করতে পারে না। লাভ একটাই সিনেমার টিআরপি বাড়ানো।
  • S | ১৫ মার্চ ২০১২ ০১:৩৯535776
  • এই সিনেমাটা অত্যন্ত মধ্যমানের সিনেমা।

    ভিদ্যা বালানের অভিনয় মোটামুটির বেশি নয়। সব সিনেমায় ঠিক যেভাবে হাসে, কান্দে, কথা বলে - এখানেও ঠিক সেইভাবেই করলো। এটা বোধয় বলিউডের একটা প্রব্লেম - সবাই খুব ইউনি ডাইমেন্সানাল। মানে আমির খানকেও দেখি সব সিনেমাতে একি ভাবে ফিচ করে একটু মিচকে হাসি হেসে দেয়, একি ভাবে সব সিনেমাতে ডায়লগ ছোড়ে। একি ধরনের অভিনয় থাকে সব রকম সিনেমাতে।

    সিনেমাটা স্পাই অ্যাকসন থ্রিলার হিসেবে খুবই স্লো, অনেক জায়গাতেই হলিউড থেকে টোকা। আরো অনেক কোস্নো থেকেই যায়। এর থেকে আমার ওয়েডনেসডে অনেক ভালো লেগেছিলো। দুটোতেই টেরর অ্যাটাক ছিলো, আর তার প্যাঙ্গটা খুব ভালো ভাবে দেখিয়েছিলো ওয়েডনেসডেতে, যেটা এখানে মিসিঙ্গ। আর ঐ সিনেমাটাতে পেসটা অনেক বেটার ছিলো, নতুনত্ব ছিলো, আর অভিনয় তো অসাধারন - বিশেষ করে অনুপম খেরের।

    তবে দুটো কারনে তারিফ দেওয়া যায় - ১) কহানি একটা ভলো প্রয়াস। এই নিয়ে আগে তেমন কোনো সিনেমা হয়নি বলিউডে। ২) বলিউড সিনেমাতে কোলকাতা সেরকম দেখা যায়না। অন্তত কোলকাতার গন্দেগী দেখিয়ে নন বাঙ্গালী দর্শকদের মন জয় করতে চায়নি পরিচালক।

    এই নিয়ে ষোলো পাতা টই?
  • aka | ১৫ মার্চ ২০১২ ০১:৪৫535777
  • নইলে কপুর সাধারণ এসাই ইন্টেলিজেন্সের কোড ব্রেক করছে? রেফ, ভাস্করণের টেলিফোন নাম্বার ব্রেক করা। হয়ত করা কিছুই না, কিন্তু গিভেন আমাদের দেশে পুলিশের রেপুটেশন - হয় ভাঁড়, নয় শয়তান - এবং ইন্টেলিজেন্সের ইমপ্রেশন ঐ দৃশ্যটা খানিকটা ইঙ্গিতপূর্ণ যেমন শাড়ি পরতে বলার সিনটা।

    খুব কথা হয়েছে মেট্রোতে ধাক্কা দেওয়ার সিনটার কথা। আবার বলি খেয়াল রাখুন আপনি দর্শক হিসেবে শুধু দেখছেন ভিদ্যাকে আর তার সাথে কি হচ্ছে। একজন খুব ভিড়ের মধ্যে কাউকে ছোট্ট টোকা দিলে সেটা কারুর লক্ষ্য করা কি খুব সহজ? নয় বোধহয়। একটা টোকা পকেট থেকে ওয়ালেট তোলার থেকে বেশি দৃশ্যমান হতে পারে কি? এরপরে ক¾ট্রাক্ট কিলার যা বলেছে তা শুধু ভিদ্যাকে। কে একজন কাকে কি বলছে সে কথা কজনই বা দাঁড়িয়ে শুনি। বাপি সেনকে কলকাতায় সবার সামনে পিটিয়ে মারা হয়েছিল। এইসব ইত্যাদি আর কি।
  • aka | ১৫ মার্চ ২০১২ ০১:৪৮535778
  • তো যাইহোক এই করে গল্প এগোয় শুধু ভিদ্যা এবং সাত্যকির ওপর ফোকাস করে - পরতে পরতে চিত্তাকর্ষক মুহূর্ত যা দর্শককে এনগেজ করে রাখে, আনন্দ দেয়। পরিচালক বা গল্পকার দর্শককে মিথ্যা জিনিষ দেখিয়েছেন কিনা? দেখিয়েছেন, তাতে কি গল্পের সূত্রে ঘাঁটা পড়ল না।

    সব মিলিয়ে আনন্দদায়ক কিছু মুহূর্ত।

    তা এসব নিয়ে লেখারই বা কি আছে? আরে মশয় সময় থাকলে লোকে কাতলা মাছের ফুড হ্যাবিট নিয়েও ভাটাতে পারে। :)
  • S | ১৫ মার্চ ২০১২ ০১:৫৫535779
  • তাইলে বাইশে শ্রাবন নিয়ে তো এতো বড় টই হয়নি - কেন? ওখানে মহানায়ক পোসেনজিত ছিলো বলে, নাকি বাঙ্গলা সিনেমা বলে। আর সত্যি কাতলা মাছের ফুড হ্যাবিট নিয়ে টই হলে ভালো হোতো।
  • aka | ১৫ মার্চ ২০১২ ০৫:৫০535780
  • তো এই সিনেমার দূর্বল দৃশ্য কোনটি?

    ক¾ট্রাক্ট কিলার (শুভেন্দুর ছেলে) ভিদ্যা কে যখন পিচকিরির মতন দেখতে বন্দুক (পড়ুন সাইলেন্সর লাগানো) নিয়ে মারতে ছুটেছে তখন হঠাত সত্যকির সাথে ভিদ্যার ধাক্কা এবঙ্গ শুভেন্দু র ছেলের অ্যাবাউট টার্ন এবঙ্গ একটি লোমের সাথে ধাক্কা। এই অবধি তো ঠিক ছিল। কিন্তু মুশকিল হল সেই লোকটির পেটে গুলি চালিয়ে দিতেই। ক¾ট্রাক্ট কিলাররা অহেতুক মানুষ মারে কি? বিশেষত ঐ লোকটিকে মারলে লাভ তো নেই বরঙ্গ উল্টে ক্ষতি হল ধরা পড়ে যাবার চান্স। মনে হয়েছিল শুধুমাত্র ওর মোবাইলটা হাতে পেতেই এই ঘটনাগুলো ঘটানো হয়েছিল।

    অবশ্য এটা ঐ ঋতুপর্ণার চোখে পড়ে নি। ওনার বক্তব্য চিন্তা করাবেন না তাতে বড় মাথা ধরে। মাথা ধরলে আর এসব চোখে পড়বে কিক্করে?
  • aka | ১৫ মার্চ ২০১২ ০৫:৫১535781
  • ইসে লোম নয় লোক।
  • riddhi | ১৫ মার্চ ২০১২ ০৬:১৭535782
  • পরেশ পাল হল কল্যান। সাগিনা মাহাতো, আপনজন পচুর বই এ পার্ট করেছে। এখন শুধু বুড়ো আর চাকরের রোল করে।
  • i | ১৫ মার্চ ২০১২ ০৬:২৫535784
  • " বৈষ্ণবী গেলে স্ত্রীলোকেরা অনেকক্ষণ কেবল বৈষ্ণবী প্রসঙ্গ লইয়াই রহিল।প্রথমে তাহার সুখ্যাতি আরম্ভ হইল। পরে ক্রমে একটু খুঁত বাহির হইতে লাগিল।বিরাজ বলিল-তা হৌক, নাকটা কিন্তু একটু চাপা। তখন বামা বলিল, রংটা বাপু বড় ফেকাশে।চন্দ্রমুখী বলিল, চুলগুলো যেন শণের দড়ি।তখন চাঁপা বলিল-.... এই রূপে সুন্দরী বৈষ্ণবী শীঘ্রই অদ্বিতীয়া কুৎসিত বলিয়া প্রতিপন্না হইল। তখন ললিতা বলিল, তা দেখিতে যেমন হউক, মাগী গায় ভালো। ... চন্দ্রমুখী বলিল- ঠিক বলেছ, মাগী যেন ষাঁড় ডাকে। অনঙ্গ বলিল-মাগী গান জানে না, একটাও দাশু রায় গাহিতে পারিল না।কনক বলিল-মাগীর তালবোধ নাই। ক্রমে প্রতিপন্ন হইল, হরিদাসী বৈষ্ণবী কেবল যে, যার পর নাই কুৎসিত, এমত নহে। তাহার গানও যার পর নাই মন্দ।"

    [বিষবৃক্ষ, নবম পরিচ্ছেদ]
  • S | ১৫ মার্চ ২০১২ ০৬:৪২535785
  • কহানির ক্ষেত্রে ক্রমে নয়, একবারে দেখেই বলা যায় ইহা নেহাতই মধ্যমানের।
  • rupankar sarkar | ১৫ মার্চ ২০১২ ০৭:৪৪535786
  • কল্যান চ্যাটার্জীকে অনেকে চিনেছেন দেখে ভাল লাগল। উনি প্রত অভিনেতা অনিল চ্যাটার্জীর ভাইপো। পুনে ফিল্ম ইন্সটিটিউটে 'অ্যাক্টিং' ডিসিপ্লিনে প্রথম স্থান পাওয়া লোক। অসাধারাণ ভাল অভিনেতা কিন্তু জীবনে কোনওদিন 'সাইডকিক' ছাড়া রোল পেলেননা। যাক, আমার কথাটা কেউ ভাবলেন? ঐ মেট্রোরেলে দুধের বোতল পড়ে যাওয়াটা ? যদি বাচ্চাটার মা-ই ক্যারিয়ার হবেন, তাহলেতো দুধ খাওয়ানোর অছিলায় বোতল বের করে নিজেই ভাঙতে পারতেন। তা ছাড়া এই ভাস্করণ, শ্রীধর এবং মিলিন্দ কার হয়ে বা কোন দেশের হয়ে কাজ করছিল তাও জানতে পারলাম না। তার ওপর যতদূর জানতাম, আই বি তে লোকজন পুলিশ থেকেই ডেপুটেশনে যায়। এখন তো আবার কেউ যেতেই চায়না। লোকাল পুলিশের প্রমোশন ইত্যাদির সুবিধে বেশি বলে। একরকম জোর করেই পাঠানো হয়। তাহলে অরূপ বসু আর্মি থেকে কি করে গেল ওখানে ? বাজপেয়ীও 'কর্নেল' কি করে হলেন ? কেউ বলুন না প্লীজ।
  • Nina | ১৫ মার্চ ২০১২ ০৮:১৬535788
  • ছোটাই
    :-))))
  • S | ১৫ মার্চ ২০১২ ০৮:১৬535787
  • ঐ ব্যাপারটা গুলিয়েছে। আইবিতে পুলিশ থেকেই লোক যায়। আর্মি থেকে সাধারনত গুপ্তচর সংস্থায় কাজ মেলে, যেটা হামেশাই হলিউডে দেখায়। একটু গন্ডগোল হয়ে গেছে।
  • rupankar sarkar | ১৫ মার্চ ২০১২ ১০:১১535789
  • আমার বাকি প্রশ্নগুলোর সঙ্গে একমত হবার জন্য ধন্যবাদ। এইবার মূল প্রশ্নটা কেউ বলবেন? মেট্রোর ঘটনাটা অ্যাক্সিডেন্ট না ডেলিবারেট? আইদার ওয়ে, কি ভাবে বোঝা যাবে? ভাস্করণ, শ্রীধর এবং মিলিন্দ কোনও সংস্থা বা দেশের হয়ে কাজ করছিল? না এমনি এমনি কিছু মানুষ মারার মজা করছিল? তা ছাড়া মিলিন্দ(ইন্দ্রনীল) ল্যাবে ইঁদুরের ওপর কাজ করছিল কেন? সে কি কোয়ালিফায়েড? এতবড় মারন গ্যাস তৈরী করে ফেলল? ( সায়ানাইড গ্যাস অবশ্য বহুদিন আগে থেকেই ছিল)। একটা কথা, বাই দ ওয়ে, সিনেমাটা কিন্তু দারুন লেগেছে আমার, টানা তিনবার দেখেছি লাগাতার, যা কোনওদিন করিনি আগে।
  • Tim | ১৫ মার্চ ২০১২ ১০:৪৫535790
  • কল্যাণ চ্যাটার্জি পুরোনো সিনেমায় খুবই চেনা মুখ। আপনজনের কথা রিদ্ধি বললো। আরো কিছু নাম মনে পড়ছে। ইন ফ্যাক্ট এত সিনেমায় ওঁকে দেখেছি যে লিস্টি করলে মহাভারত হবে।
    বাংলা সিনেমায় ( অন্যত্রও খানিকটা) পার্শচরিত্ররা চিরকালই বড়ো অবহেলিত। কল্যানবাবুরও কোন ফিল্মোগ্রাফি পাওয়া যাবেনা, আমি নিশ্চিত।
  • ppn | ১৫ মার্চ ২০১২ ১০:৪৯535791
  • ওফ, অবশেষে কাল আমিও দেখে ফেললাম। কিছু জিনিস বলার আছে। তবে হয়ত চর্বিত চর্বণ হয়ে যাবে। তাও লিখি সময় করে।
  • Tim | ১৫ মার্চ ২০১২ ১০:৫০535792
  • মূল প্রশ্নের কোন উত্তর নেই। পরিচালক পোতিভাবান, দর্শককে ধাঁধায় ফেলতে চেয়েছিলেন, এটা ছাড়া। মানে নাশককতা না অ্যাক্সিডেন্ট, ইঁদুর মোলো না স্বপ্ন দেখছেন, গ্যাস মুখোস পড়া ওটা বিজ্ঞানী না সাইকো কিলার না ফ্রিলান্স আতঙ্কবাদী, সব পোশ্নের উত্তরই হলো "" গুলিয়ে দিতে চেয়েছিলেন""।
    সেটা যে পেরেছেন, তাতে সন্দেহ নাই। লোকে সব গুলিয়ে ফেলে সিনিমাটাই হিট করিয়ে দিলো। :-)
  • saikat | ১৫ মার্চ ২০১২ ১১:৩৩535793
  • - নাশকতা না অ্যাক্সিডেন্ট?

    - নাশকতা।

    - নাশকতা? কী করে?

    - কেন ঐ মহিলাটি তো বোতলটা নিয়ে যাচ্ছিলেন।

    - কিন্তু উনি তো বোতলটা ভাঙেননি।

    - হ্যাঁ, ব্যাগটা রেখে পালাবার চেষ্টা করছিলেন।

    - কিন্তু ব্যাগটা শুধু রেখে গেলে কী বোতলটা ভাঙত? ধাক্কাধাক্কি হল বলেই না বোতলটা ভাঙল। মানে শুধু ব্যাগটা রেখে গেলে কিছু হত না? অর্ণব ব্যাগটা পেয়ে যেত আর তাহলে সিনেমাটাই হত না?

    - আঁ, তা হলেও হতে পারত।

    - মানে অ্যাক্সিডেন্ট?

    - না, না আমি কিছু বলছি না।

    - কী পরিচালক রে বাবা ! গোয়েন্দাগুলো তো ভুলভাল, টেরারিস্টগুলোও তথৈবচ। আরও প্রশ্ন, ঐ মহিলাটিও কি টেররিস্ট?

    - হতেই পারে।

    - হতে পারে মানে? স্পষ্ট করে বলা থাকবে না? আর হয়ই যদি, সে কে? দামজীর বাঙালী বউ? ট্রেনিং পেল কোথায়?

    - আঁ, নাও হতে পারে। হয়ত মহিলাটার ব্যাগে দামজী বোতলতা ঢুকিয়ে দিয়েছিল।

    - মামার বাড়ী। ব্যাগে বোতল ঢুকিয়ে দিয়েছিল আর সে কিছু জানল না।

    - না, না, আমার মনে হয় ঐ মহিলাটা ভাল। আসল বোতলটা ছিল ঐ স্কুলবালকের ব্যাগে। অন্য ছেলেগুলো টানাটানি করতে গিয়েই তো ভেঙে ফেলল।

    - এ কী রী ভাই। বউ, বাচ্চা, বর। পরিচালক ভেবেছেটা কী? যা খুশি দেখিয়ে যাবে আর আমরা কোন প্রশ্ন করতে পারব না?

    - অ্যাঁ, মানে ...

    -
  • siki | ১৫ মার্চ ২০১২ ১১:৪৪535795
  • :)
  • lcm | ১৫ মার্চ ২০১২ ১১:৫৭535796
  • ৮ কোটি টাকায় তৈরী সিনেমা রিলিজের প্রথম ইউকএন্ডে-ই ১৪ কোটি টাকার ব্যবসা করেছে।
    সুজয়ের পরের সিনেমার স্টক কিনব ভাবছি।
  • S | ১৫ মার্চ ২০১২ ১৩:১৫535798
  • আমি দাবাঙ্গের নেক্সট ১০ টা সিকুয়েলে ইনভেস্ট করতে চাই।
  • rupankar sarkar | ১৫ মার্চ ২০১২ ১৩:৪৪535799
  • আমার একটা ব্যাপার মনে হচ্ছে। ২২শে স্রাবণের গাঁজাখুরি গুলো সঙ্গে সঙ্গে বোঝা যাচ্ছিল বলে বিরক্তি উৎপন্ন হচ্ছিল (অন্তত: আমার, অনেকের ভাল লেগেছে)। এদিকে 'কহানী'র গোঁজামিলগুলো পরে ভাবলে মাথায় আসছে, তাই দেখবার সময়ে খুব ভাল লেগেছে(অন্তত: আমার, অন্যদের নাও লাগতে পারে)। তাছাড়া পরিচালকের কিছু মুন্সীয়ানা দেখা গেছে,বিদ্যাকে বাদ দিয়েও সিদ্দিকি, শাশ্বত, খরাজ প্রমুখদের অভিনয় ভাল লেগেছে। সিদ্দিকির চাক্লিং, নাক টানা, ইত্যাদি পরিচালকের কথার বাইরেই মনে হল। আর পরম দেখলাম এখানে খুব গালি খাচ্ছে, তবে ওকে যা করতে বলা হয়েছে, সেটা তো নিখুঁতভাবেই করে গেল। ভাল ছাড়া কি বলব।
  • siki | ১৫ মার্চ ২০১২ ১৪:২৪535800
  • পরম স্ক্রিপ্ট অনুযায়ী খুব ভালোই অ্যাক্টিং করেছে। যথাযথ। আমার ভালো লেগেছে।
  • ppn | ১৫ মার্চ ২০১২ ১৪:৪২535801
  • অবশেষে দেখেই ফেললাম। আপাতত দুটি নিবেদন -

    ১। ওই বিশেষ দৃশ্য -
    বউ গোয়েন্দা হলে হেব্বি নাম করত। মাইরি কাল প্রথমে আবীরকে মেট্রোর দৃশ্যে দেখে তারপরে ইন্দ্রনীলরূপী অর্ণব বাগচিকে ভিদ্যার থেকে বিদায় নিতে দেখে বলে বসল, এ কী! আবীর কোথায় গেল?

    বিশ্বাস করুন তখন থেকে আর ভিদ্যার উদ্দেশ্য-বিধেয় ইত্যাদি বুঝতে কষ্ট হল না। মুভির পরে এসে টইয়ের ন্যাজামুড়ো পড়ে মাথাটা বোঁ করে ঘুরে গেল। :)

    ২। সাত্যকি -

    আগে থেকেই সাত্যকি ভিদ্যার অভিসন্ধি ইত্যাদি হার্গিস জানত। সেও মনে হয় কর্ণেলের বোনা এই প্লটে সেও একটা ঘুঁটি। কপুর মধ্যে থেকে ভিদ্যাকে আড়াল করবে বলে সে ছ'মাস আগে পুলিশে যোগ দেয়। কিন্তু ভিদ্যাকে সামনাসামনি হয়ত দেখল এই প্রথমবার। কাজেই একটা রোমান্টিক সম্পর্কের কথা তো সে ভাবতেই পারে।

    সাত্যকি যে অভিসন্ধি জানত তা অনেকগুলো ক্লু দিয়েই বেরিয়ে পড়ে। ভিদ্যার এয়ারপোর্ট থেকে নেমেই কালীঘাট থানাতেই যাওয়া। অক্ষরের কোড থেকে মোবাইল নং সহজেই ডিকোড করে ফেলা। এমনকী লাস্টে সে যখন খানকে বলতে থাকে ভিদ্যাকে কেন খুঁজে পাওয়া যাবে না, সেগুলি দৈব নির্দেশের মতই যেন তার মাথায় হঠাৎ এসে যায়। সে কার্যত প্রস্তুতই ছিল খানকে ভিদ্যাকে খোঁজা থেকে নিরস্ত করতে।

    ৩। একটাই খটকা। ন্যাশনাল ডেটা সেন্টারের সেই যে বুড়ো মতন এক এমপ্লয়িকে মাঝে মাঝে দেখাত, যে একবার রিসেপসনিস্ট স্বপ্নাকে জিগ্যেস করে মিলিন্দ দামজির হার্ডকপি কোন রেকর্ড কোথাও পাওয়া যাবে কিনা, সে কোথায় গেল? তাঁর কোন পরিণতি তো শেষ অব্দি দেখাল না, নাকি মিস করে গেলাম?

    সবশেষ, এইটা একটা অসাম শালা মুভি হয়েছে। থ্রিলারের মত টানটান হতেই বা হবে কেন গল্পকে। পরিচালক যেন দাবার খেলার চালে দর্শকদের সাথে কমুনিকেট করেন পুরো সিনেমাটা জুড়ে। পারলে বস আমার পরের মুভটা গেস করে আমাকে মাত কর। আর কে না জানে দাবা খেলা সময় নিয়ে রয়েসয়েই করে।
  • aka | ১৫ মার্চ ২০১২ ১৬:১৩535802
  • জ্জিও পাগলা, বড় হয়ে যখন গোয়েন্দা হব তখন কমরেড প্পনকে অ্যাসিস্ট্যান্ট নেব। লেখার হাতও ভালো পরবর্তীকালে রহস্য রোমানে্‌চা সিরিজ বের করতেও অসুবিধা নেই। :)))

    এনডিসির ঐ দাড়িওয়ালা লোকটা আসলে চিফ টেকনলজি অফিসারের অ্যাসিস্ট্যান্ট টাইপ। কাজের কেউ না।
  • ppn | ১৫ মার্চ ২০১২ ১৬:২৪535803
  • শালা, ঘুরিয়ে হেস্টিংস টাইপের মাথামোটা বলল। :(
  • aka | ১৫ মার্চ ২০১২ ১৬:২৫535804
  • মাইরি না। মাক্কালির দিব্যি না।
  • ppn | ১৫ মার্চ ২০১২ ১৬:২৯535806
  • আরে স্যার, সেটা বুয়েছি। অভিনয় কচ্ছিলাম। ;-)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। মন শক্ত করে প্রতিক্রিয়া দিন