এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • X | ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৮:০১418380
  • আর এদের জন্য এতগুলি টইশ্রী খোলা রয়েছে, একই বিষয়ে সর্বোচ্চ, তবু সেখানে পোস্ট না করে ভাটে লিখতে থাকবেন। কেন? ভয় আছে টই খুঁজে ট্রাক করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করা সহজ আর ভাটে লেখা কদিন পরে হারিয়ে যাবে? নাকি জানা আছে সেসব টইতে ভদ্রলোকে আর ঢোকেই না, তাই মিনিমাম রিডারশিপের আশায় ভাটে পোস্টশ্রী? জ্বালিয়ে খেলে।
  • Atoz | ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৮:০০418379
  • সকালের রাগ ভালো তো। এই ধরণের একটা গান ছিল না, "সকালের রাগে রাগে এ ধরণী স্বপ্নের দেশ তো, বেশ তো বেশ তো " ঃ-)
  • Atoz | ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৭:৫০418378
  • দেখুন সুকুমার এও বলে গেছেন, "কলকেতা, ডায়মন্ডহারবার, রাণাঘাট, তিব্বত, ব্যস ! সিধে রাস্তা, সওয়া ঘন্টার পথ, গেলেই হল। " ঃ-)
  • PT | ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৭:৪৮418377
  • সক্কাল বেলায় রাগবেন না। শরীলের জন্য মোট্টে ভাল না। যা হওয়ার তাই হচ্ছে। আগে কে খাকি আর কে না-খাকি সেটা পোষ্কার বোঝা যেত। এখন মাখামাখি কেস। এসব তিনো-বিজেপির ঘরেলু ব্যাপার। আপ্নে কেন চাপ নিচ্ছেন?
  • ! | ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৭:৪৩418376
  • পিটিশ্রী সকালেই উঠেই বাজারী হাগজশ্রী থেকে কোট করতে শুরু করেছেন।
  • Atoz | ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৬:৪৭418374
  • শিশুপাল তো কৃষ্ণের কীরকম যেন পিসতুতো ভাই ছিল, কয়েক বছরের ছোটো। এর জন্ম হয়েছিল কতকগুলো বাড়তি হাত নিয়ে। কোন্‌ এক গণক বলেছিল যে কোলে নিলে বাড়তি হাতগুলো খসে যাবে, সেই লোকই এই ছেলেকে বধ করবে পরবর্তীকালে। কৃষ্ণ পিসির বাড়ি বেড়াতে গিয়ে ছোট্টো ভাইটাকে কোলে নিল(নিজেও তখন মনে হয় বালকমাত্র), নেওয়ামাত্র বাড়তি হাতগুলো ভ্যানিশ। পিসিমণি ধরে পড়লেন, "বাছা কানাই, আমার ছেলেটাকে তুমি প্রাণে মারবে না, কথা দাও।" এ কী কথা? কেন মারবো ভাইকে? তো পিসি সব খুলে কইলেন। তখন কৃষ্ণ কইলেন, "ঠিক আছে, শিশুপালের শত অপরাধ ক্ষমা করবো। কিন্তু তারপরে আর না। এই কথা দিতে পারি। " পিসি তাতেই সন্তুষ্ট হলেন।
    পরে তো রুক্মিনীর সঙ্গে বিয়ের সময় হুলুস্থুলু কান্ড। শিশুপালের সঙ্গে বিয়ের ঠিক ছিল, রুক্মিনী চিঠি লিখে পাঠালেন কৃষ্ণকে, "তুমি এসে আমায় হরণ করে নিয়ে যাও, নইলে বাপে মায়ে দাদায় মিলে জোর করে একটা শেয়ালের হাতে আমায় তুলে দিচ্ছে। আমি একটা সিংহী, আমার অন্তরের ভিতরে সিংহী গর্জন করে ঘুরে বেড়াচ্ছে, তোমার মতন সিংহ ছাড়া আমার তো চলবে না। "
    কৃষ্ণ এসে হরণ করে নিয়ে গিয়ে রুক্মিনীকে বিয়ে করলেন। শিশুপাল তো চটে রেগে ক্ষেপে চতুর্ভূর্জ। রুক্মিনীর দাদা রুক্মীও(ইনিই বোনকে শিশুপালের হাতে দিতে সবচেয়ে উদ্যোগী ছিলেন) খুব রেগে প্রতিজ্ঞা রাখতে রাজধানীতেই আর ঢুকলেন না, বাইরেই ভোজকট নগর( আমরা বলতাম ভজঘট নগর ঃ-) ) বানিয়ে সেখানে বাকী জীবন কাটালেন।
  • :( | ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৬:২৯418373
  • শিশুপাল বধ কী শিশুহত্যা ছিল?
  • ~ | ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৬:২৪418372
  • অর্জুন, চিত্রাংশু আর কমলকুমারের সম্পর্কটা আরেকটু ডিটেলে বলা যাবে?
  • Atoz | ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৫:০২418371
  • এই স্বঘোষিত নব কৃষ্ণার্জুন যা করে চলেছে, পিটি আর এসএম পর্যন্ত একমত হয়ে যাবেন কোন্‌ দিন!!!!!
  • Amit | ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৪:৪৪418370
  • সুকুমার রায় আমাদের ঘরের নস্ট্রাডামুস। এখন মোদী শাহ এক্কেবারে এই ভাবে পলিসি রূপায়ণ করে, এক জিনিস করতে যায়, তারপর যখন সেটা ছড়িয়ে লাট হয়, তখন সেটাকেই আবার অন্য জিনিস বানাতে চেষ্টা করে।

    ওই ২০১৬ তে ডিমনির সময় মনে আছে প্রতিদিন দু তিন বার করে এটিএম বা ব্যাঙ্কের টাকা তোলার রুল চেঞ্জ করতো। পাবলিকের কি হাঁড়ির হাল তখন। ঘর থেকে এক জিনিস জেনে বেরোলো, ব্যাংকে পৌঁছতে পৌঁছতে সেটা চেঞ্জ হয়ে গেলো।

    :) :) তবুও " ঘরমে ঘুষকে মারেঙ্গে " র জোশ ই আলাদা।
  • Atoz | ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৪:২৩418369
  • ছবি নিয়ে কথা হচ্ছিল। সুকুমার রায়ের অবিস্মরণীয় "কালাচাঁদের ছবি" গল্প থেকে একটু দেবার অদম্য বাসনা হল।
    "
    ...

    নিধিরাম বলিল, "কালাচাঁদ একটা ছবি এঁকেছে, ছবির নাম-- খাণ্ডব দাহন। সেই ছবিটা আমায় দেখিয়ে ও জিগ্‌‌গেস করল, 'কেমন হয়েছে?' আমি বললাম, 'এটা কি এঁকেছ? মন্দিরের সামনে শেয়াল ছুটছে?' কালাচাঁদ বলল, 'না, না, মন্দির কোথায়? ওটা হল রথ। আর এগুলো তো শেয়াল নয়-- রথের ঘোড়া।' আমি বললাম, 'সূর্যটাকে কালো করে এঁকেছ কেন? আর ঐ চামচিকেটা লাঠি নিয়ে ডিগবাজি খাচ্ছে কেন?' কালাচাঁদ বলল, 'আহা তা কেন? ওটা সূর্য নয়, সুদর্শন চক্র। দেখছ না কৃষ্ণের হাতে রয়েছে? আর তালগাছ কোথায় দেখলে? ওটা তো অর্জুনের পতাকা! আর ঐগুলোকে বুঝি পদ্মফুল বলছ? ওগুলো দেবতা-- খুব দূরে আছেন কিনা তাই ছোট ছোট দেখাচ্ছে। আর এই বুঝি চামচিকে হল, ওটা তো গরুড়পাখি!' 'আচ্ছা, ঐ কালো কাপড় পড়া মেয়েমানুষটি যে ওদের মারতে আসছে ওটি কে?' কালাচাঁদ বলল, 'তুমি তো আচ্ছা মুখ্যু হে! ওটা গাছে আগুন লেগে ধোঁয়া বেরুচ্ছে বুঝতে পারছ না? অবাক করলে যে!'"

    "তখন আমি বললাম, 'আচ্ছা এক কাজ কর না কেন ভাই, ওটাকে খাণ্ডব দাহন না করে সীতার অগ্নিপরীক্ষা কর না কেন? ঐ গাছটাকে শাড়ি পরিয়ে সীতা করে দাও। ঐ রথটার মাথায় জটা-টটা দিয়ে ওকে অগ্নিদেব বানাও, কৃষ্ণ অর্জুন আছেন তাঁরা হবেন রাম লক্ষ্মণ। আর ঐ সুদর্শন চক্রে নাক হাত পা জুড়ে দিলেই ঠিক বিভীষণ হয়ে যাবে। তারপর চামচিকের পিছনে একটা লম্বা ল্যাজ দিয়ে তার ডানা দুটো মুছে দাও-- ওটা হনুমান হবে এখন।' কালাচাঁদ বলল, 'হনুমানও হতে পারে, নিধিরামও হতে পারে।'"

    "আমি বললাম, 'তাহলে ভাই, আর এক কাজ কর। ওটাকে শিশুপাল-বধ করে দাও। তাহলে কৃষ্ণকে বদলাতে হবে না। চক্র তুলে শিশুপালকে মারতে যাচ্ছেন। অর্জুনের মুখে পাকা গোঁফ দাড়ি দিয়ে খুব সহজেই ভীষ্ম করে দেওয়া যাবে। আর রথটা হবে সিংহাসন, তার উপর যুধিষ্ঠিরকে বসিয়ে দিও। আর ঐ যে গরুড় আর সাপ, ঐটে একটু বদলিয়ে দিলেই গদা হাতে ভীষ্ম হয়ে যাবে। আর শিশুপাল তো আছেই-- ঐ গাছটাকে একটু নাক-মুখ ফুটিয়ে দিলেই হবে। তারপর রাজসূয় যজ্ঞের কয়েকটা রাজাকে দেখালেই বাস্‌‌!'"

    "কথাটা কালাচাঁদের পছন্দ হল না, তাই আমি অনেক ভেবেচিন্তে আবার বললাম, 'তাহলে জন্মেজয়ের সর্পযজ্ঞ কর না কেন? ঐ রথটা হবে জন্মেজয় আর কৃষ্ণকে জটা-দাড়ি দিয়ে পুরুতঠাকুর বানিয়ে দাও। সুদর্শন চক্রটা হবে ঘিয়ের ভাঁড়। যজ্ঞের আগুনের মধ্যে তিনি ঘি ঢালছেন। ঐ ধোঁয়াগুলো মনে কর যজ্ঞের ধোঁয়া ! একটা সাপ আছে, আরো কয়েকটা এঁকে দিও। আর অর্জুনকে কর আস্তীক, সে হাত তুলে তক্ষককে বলছে-- তিষ্ঠ, তিষ্ঠ। আর ঐ চামচিকেটা, মানে গরুড়টা, ওটাকে মুনি-টুনি কিছু একটা বানিয়ে দিও।' পতাকাটাকে কি রকম করতে হবে সেইটা বলতে যাচ্ছি, এমন সময় কালাচাঁদ আমায় ধাক্কা দিয়ে বলল, 'থাক, থাক, আর তোমার বিদ্যে করে কাজ নেই। সর দেখি।'"

    "আমি বললাম, 'অত রাগ কর কেন ভাই? আমি তো আর বলছি না যে আমার পরমর্শ মতো তোমাকে চলতে হবে। পছন্দ হয় কর, না হয়তো কোরো না, বাস্‌‌। এর মধ্যে আবার রাগারাগি কর কেন? আমার কথামতো না করে অন্য একটা কিছু কর না। মনে কর, ওটাকে সমুদ্র-মন্থন করে দিলেও তো হয়। ঐ ধোঁয়াওয়ালা বড় গাছটা মন্দার পর্বত, রথটা ধন্বন্তরী কিম্বা লক্ষ্মী-- মন্থন থেকে উঠে এসেছেন। ওদিকে সুদর্শন চক্রটা চাঁদ হতে পারবে, অর্জুনের পিছনে কতগুলো দেবতা এঁকে দাও আর এদিকে কৃষ্ণ আর চামচিকের দিকে কতগুলো অসুর'-- কথাটা ভালো করে বলতে না বলতেই কালাচাঁদ আমার কান ধরে মারতে লাগল। আচ্ছা, দেখ দেখি কি অন্যায়! আমি বন্ধুভাবে দুটো পরমর্শ দিতে গেলাম-- তা তোমার পছন্দ হয়নি বলেই আমায় মারবে? যা বলেছি সব শুনলে তো, এর মধ্যে এত রাগ করবার কি হল বাপু?"
    ...
    "

    তুলনাহীন একেবারে। ঃ-)
  • Atoz | ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৪:১২418368
  • কান্দাকচু জিনিসটা কী? মানকচু, ওলকচু, দুধকচু, ছড়িকচু জানি, কিন্তু মুখিকচু পানিকচু শঙ্খকচুই বা কী?
  • Atoz | ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০২:৪৭418367
  • আওরঙ্গজেবের চরিত্রচিত্রণ কর---এই প্রশ্নে একজন আওরঙ্গজেবের ছবি এঁকে এসেছিল পরীক্ষার খাতায়। চিত্রশিল্পী হবার একটা অদম্য বাসনা সম্ভবতঃ সেই ছাত্রের ছিল। ঃ-)
  • S | ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০২:২৪418366
  • ক্লাস নাইনের হাফ ইয়ার্লি পরীক্ষায় মানুষের পৌষ্টিক তন্ত্র আঁকতে দিয়েছে। আমি কনফি নিয়ে এঁকে এসেছি। খাতা বেড়তে দেখি শুণ্য দিয়েছেন মাস্টারমশাই। খুব রেগে মেগে স্যারকে দেখাতে গেলে তিনি আরো একবার লাল কালি দিয়ে কেঁটে "এটা কি হয়েছে?" বলে খাতা ছুঁড়ে ফেলে দিলেন। আমি আরো রেগে গেলাম, আমার মুল্যবাণ খাতা ছুঁড়ে ফেলে দিলো, এত সাহস। স্যারকে ভুল প্রমাণ করার জন্য বই খুলে দেখি। না মিলছে না। এদিকে মনে পড়ছে যে এরকমই কিছু একটা দেখেছি কোথাও। শেষে অনেক বিশ্লেষণ করে বের করলাম যে আমি মানুষের মুখের তলায় ব্যাঙের পৌষ্টিক তন্ত্র এঁকে দিয়েছি। বাড়ির লোকেদের ছেলে ডাক্তার হবে সেই আশায় সেদিনই জল ঢেলে দিলাম।
  • অর্জুন | ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:২৯418365
  • মাধ্যমিকে লাইফ সায়েন্সে একটা প্রজেক্ট জমা দিতে হত। সেখানে অজস্র ডায়াগ্রাম থাকত। আমার খুব কঠিন লেগেছিল ওই ডায়াগ্রামগুলো।
  • ন্যাড়া | ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:২৭418364
  • স্ট্যাটিসটিকসে কাই আঁকতে গিয়ে শিবের ত্রিশূল হয়ে যেত।
  • b | ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:২৩418363
  • ক্লাশ টু তে পরীক্ষায় ছবি আঁকতে দিয়েছিলো গরু চরছে। মশায়, যতই ইদিক উদিক দাগ কাটি, সে আর গরু হয় না, ডাইনোসর হয়ে যায়। তখনই বুঝেছিলাম এ অতি সাংঘাতিক জানোয়ার।
    তা পরীক্ষার শীট জমা দিতে গিয়ে স্যার আঁতকে উঠে বললেন, ওরে এ কি? একটা গরুর আটটা পা? বুঝিয়ে বললাম না স্যার ওটা চারটে বাঁট, আর ওখান থেকে আপনা আপনি দুধ পড়ছে (গোয়ালা আঁকা আরো শক্ত)। স্যার কিছুক্ষণ ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে হঠাৎ হিংস্র হয়ে, দাঁতে দাঁত ঘষতে ঘষতে লাল পেন্সিল দিয়ে পাতার উপরে চার বসিয়ে দিলেন, আউট অফ ফিফটি।
    সেই থেকে বিষণ বাবুর টই দেখলেই আমি মৃদু সুরে রাধে গো ব্রজসুন্দরী, পার করো, পার করো বলতে বলতে অন্য টই খুলি।

    তবে একটা কথা না বললে সত্যের অপলাপ হবে। উচ্চ মাধ্যমিকে অঙ্ক ছিলো। আমি খুব সুন্দর ইন্টিগ্রেশন সাইন আঁকতে পারতাম ( একটু এদিক ওদিক হলে, বা তাড়াহুড়ো করলে ঐ সাইন হয় থ্যাবড়ানো এস বা জিরাফের মত হয়ে যায়)। আমার বন্ধুরা, মাস্টারমশাইরা সবাই প্রশংসা করত।

    এই সব।
  • অর্জুন | ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০৭418362
  • চিত্রাংশুর স্মৃতি সততই সুখের। ওখানে ক্লাসগুলোর নাম হত রেড ওয়ান, ইয়েলো টু, গ্রীন থ্রি ইত্যাদি। ওই স্কুলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন কমলকুমার মজুমদার, নীরদ মজুমদার। আমরা যখন আঁকা শিখতাম তখন শানু লাহিড়ীকে দেখতাম। উনি আঁকা শেখাতেন না, গল্প বলার ক্লাস নিতেন। সেই গল্প বলার ক্লাসে এসেছেন গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উনি ওই পাড়াতেই থাকতেন।

    আমরা লাল মেঝেতে আসন করে, ডেস্ক নিয়ে আঁকতে বসতাম। আমাদের সাউথ পয়েন্ট স্কুলে যিনি আঁকা শেখাতেন শৈলেন বাবু, তিনিও ওখানে আঁকা শেখাতেন।

    একবার একটা কাণ্ড হয়েছিল। একটি মেয়ে নতুন ভর্তি হয়েছে, খুব সুন্দর একটা ল্যান্ডস্কেপ এঁকেছে। শৈলেন বাবু সব সময় আঁকায় বর্ডার দিতে বলতেন। মেয়েটিকে বললেন আঁকাটায় কালো বর্ডার দিয়ে আনতে। মেয়েটি কি বুঝেছিল কে জানে? পুরো আঁকাটা কালো রঙ করে নিয়ে এল। সারা ক্লাস হাসিতে ফেটে পড়েছে। মেয়েটি চোখ ছল ছল করে দাঁড়িয়ে রয়েছে।
  • /-( | ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০৬418361
  • ফেরদৌস লাবণ্য আর লেখেন্না, না? অথচ এই প্রজন্মের চিন্তাধারার একটা ছবি দিতেন উনি।
  • অর্জুন | ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০০418360
  • আমাদের পরিবারের ট্র্যাডিশন অনুযায়ী আমাকে খুব যত্ন করে আঁকা শেখানো হয়েছিল, কন্টিনিউ করেছিলাম ক্লাস নাইন অবধি। আমার প্রথম আঁকা শেখা বড়পিসির কাছে তাও চিঠিতে। বড়পিসি তখন থাকতেন ত্রিপুরার এক প্রত্যন্ত জেলা যতনবাড়িতে। পিসি শান্তিনিকেতনে কলাভবনের ছাত্রী (খোদ রামকিংকর ব্যেজের কাছে শিক্ষানবীশ করার অভিজ্ঞতা আরও অনেকে)। পিসি চিঠিতে ফিগার এঁকে পাঠিয়ে দিত, সঙ্গে সুন্দর ছড়া। আমি সেগুলো প্যাসটেলে রঙ করতাম। তারপর বসন্ত রায় রোডে 'চিত্রাংশু' তে তিন বছর। এর পর পাড়ায় মাধুদির কাছে। তিনিও গভর্নমেন্ট আর্ট কলেজের প্রাক্তনী। শেষে বিড়লা একাডেমী। কিন্তু পড়ার চাপে ছ মাসও চালাতে পারিনি।

    এখন আমার এত হাত কাঁপে পেন্সিল ধরলে যে আঁকতে ভয় করে।
  • Atoz | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২৩:৫০418359
  • এর উল্টোদিকে আছে সেই টুপি কেস। শিল্পী প্রাণপণে বোঝান আরে অজগর হাতী গিলেছে সেটাই এঁকেছি, লোকে বোঝে না, বলে ওটা তো টুপির ছবি। ঃ-)
  • একক | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২৩:৪৮418358
  • ইয়ে, আমার কি মুখ খোলা ঠিক হবা ?

    তো, বাইরের ঘরে দেয়ালে একটা আধখ্যাঁচড়া জলরং টাঙানো ছিল। মা এলে ওই ঘরেই ঘুমোন। ডেকে বললেন, এইটা দেখলে আমার কীরকম ভয় করে। সরিয়ে নাও। তুমি বাইরে গেলে আমি এটার নীচে ঘুমুতে ভয় পাই।

    জিগালুম, কীসের ভয় ? বললেন : সেইটাই তো বুঝতে পারি না। নাবিয়ে নাও।

    দেয়াল থেকে নাবিয়ে আমার খাটের তলায় চালান করে দিলুম। একটা কুকুর আরেকটা শুঁয়োপোকা মুখোমুখি গল্প করছে, এতে যে ভয়ের কী আছে কে জানে। হাতযশ :|
  • অর্জুন | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২৩:৪৭418357
  • ন্যাড়া বাবু উল্লেখ করে দিলেন। বলব ভাবছিলাম সুকুমারের জন্মশতবর্ষে লীলা মজুমদারের লেখা সুকুমারের জীবনীটি সুখপাঠ্য এবং সবচেয়ে বড় আকর্ষণ সুকুমারের চিঠিপত্র। ম্যানচেস্টারে প্রিন্টিং টেকনোলোজি পড়তে গেছিলেন যখন সেই সময়ে বাবা, মা ও বোনেদের লেখা চিঠি। সুকুমার রায়ের চিঠি আর কোথাও দেখিনি।
  • anandaB | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২৩:২৯418356
  • আঁকার ব্যাপারে আমার সহজাত প্রতিভা কে মোকাবিলা করা খুব মুশকিল

    ক্লাস সিক্সের হাফ ইয়ারলি পরীক্ষায় ব্যাঙ এর পৌষ্টিকতন্ত্র এমন এঁকেছিলাম যে গার্জেন কল হয়েছিল। তার পরেও বহুবার বহুভাবে আমার প্রতিভার সাক্ষর রেখে গেছি। শুধু লোকেই বুঝলো না এই যা
  • r2h | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২৩:২৫418355
  • একক সেদিন দেজাগু লিখলো, তবে এইটা জেনেশুনে, ডিসির শিল্পাচার্যের গল্প শুনে মনে পড়লো। এমনিতে এটা আমি শিক্ষকদিবসে পেস্ট করে থাকি, তবে অধিকন্তু ন দোষায়।
    ~~~
    IP Address : 149.72.158.28 (*) Date:01 Sep 2015 -- 02:33 AM

    আমার অক্ষরপরিচয় দায়িত্ব জলধরবাবুকে দেওয়া হয়েছিল। উদয়পুর টাউনে (রাজস্থানের উদয়পুর না কিন্তু, ত্রিপুরার),তা বোধয় ষাট সত্তর বছরের ঐটাই পুরনো দস্তুর ছিল, জলধরবাবুর কাছে হাতেখড়ি। পুরনো লোকেরা জলধরবাবুকে জল্লাদবাবু বলে উল্লেখ করতো বটে, তবে আমি কোনরকম জল্লাদ্সুলভ দোষ বা গুন তাঁর মধ্যে দেখিনি। তখন তিনি নবতিপর, মোটে কানে শোনেননা। আমার পড়াশুনোর সময় আবার টেবিল চেয়ার গুলো বের করে উঠোনে বেশ একটা আরামদায়ক কোণ দেখে পেতে দেওয়া হতো, সেখানে জলধরবাবু শ্লেটে অ আ ক খ লিখে দিয়ে হাল্কা রোদে আগেরদিনের আনন্দবাজারের হেডলাইন গুলো পড়তে পড়তে চা জলখাবার খেতেন আর আমি কাছে পিঠে গাবলু আর বাহাদুরের সঙ্গে খেলাধুলো করতাম (ওরা আমাদের পোষা কুকুর, নেড়ি হলে কি হবে, তোমরা একটু হাসো তো বললে হাসি হাসি মুখে দাঁত দেখাতে পারতো)। আর জলধরবাবু আমাকে মাঝে মাঝে বলতেন পড়ার সময় খাওয়ার জন্যে বায়না করা ঠিক নয়। কেন বলতেন কে জানে। তারপর একসময় অক্ষরজ্ঞান চমৎকারভাবে হয়ে গেছে বলে মা বাবার কাছে আমার অনেক প্রশংসা করে তিনি বিদায় নিলেন।

    তার বছরখানেকে পরে অবশ্য আমি সত্যিই অ আ কখ শিখতে শুরু করি, তবে সে অন্যগল্প। মোদ্দা কথা হচ্ছে জলধরবাবু আমার খুবই প্রিয় শিক্ষক, স্কুল কলেজের না হলেও।
  • ন্যাড়া | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২৩:১৩418354
  • আনন্দ থেকে সত্যজিৎ আর পার্থ বসু সম্পাদিত সুকুমার সাহিত্য সমগ্রয় সত্যজিতের যে ভূমিকা আছে, তার থেকে ভাল সুকুমার মূল্যায়ণ আর হয়না। সেখানে সত্যজিত সুকুমারের আর উপেন্দ্রকিশোরের ছবি আঁকার তুলনাও করেছেন। আর রয়েছে b-বাবু যেরকম বললেন সুকুমারের সঙ্গে পাশ্চাত্য ননসেন্স ছড়াকারদের তুলনা একই লাইনে। এমনকি রবীন্দ্রনাথের ছড়ারও। লীলা মজুমদারের 'সুকুমার রায়' নামক বইটাও খুবই ভাল, বিশেষতঃ সুকুমারের চিঠিপত্রগুলোর জন্যে।

    যদি এখনও না পড়ে থাকেন, অবশ্যই পড়ুন। দুটোই।
  • অর্জুন | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২৩:০৫418353
  • @Icm অবশেষে বাড়ি ফিরে শুনলাম সত্যজিৎ রায়ের রেডিও তে দেওয়া ইন্টার্ভিউ। আহা, ওই জায়গাটা শুনে বেশ মায়া লেগে গেল 'সুকুমার রায়কে আমি চিনেছি তাঁর আঁকা, লেখা আর আত্মীয় স্বজনের বর্ণনা থেকে।' সুকুমার রায় মারা গেছেন ৩৭ বছর পূর্ণ হবার দু সপ্তাহ আগে। আমার থেকেও ২ বছরের ছোট বয়েসে।
  • dc | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২২:৫৯418352
  • আমি ছোটবেলায় খুব ভালো আঁকতে পারতাম। মা আমার জন্য একজন আঁকার মাস্টারমশাই রেখেছিল, তিনি বাড়িতে এসে আমাকে আঁকা শেখাতেন। তা তিনি ছমাস ধরে আমাকে আম আঁকতে শেখালেন। তারপর বাবা একদিন তাঁকে জিগ্যেস করলো, ছেলে কেমন শিখছে? তিনি আমাকে বললেন বাবাকে দেখাও তোমার আঁকা। আমি তো উৎসাহ পেয়ে খুব ভালো করে আঁকলাম। তখন মাস্টারমশাই খাতাটা বাবাকে দিয়ে বললেন, দেখুন তো কেমন আম এঁকেছে! বাবা দেখে বললো ওটা আম? আমি ভাবলাম বুঝি পটোল। তারপর সেই মাস্টারমশাইকে ছাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল ঃ-(
  • PT | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২২:০৪418351
  • আমার প্রিয় নেতা? এটাও হতে পারে যে তিনি eventually বিজেপিতে যাবেন বলে আগে তিনোতে ঢুকলেন। এ তো খেলা ভাঙার খেলা।
    ইনি আমার প্রিয় নেতা হলে আপনার প্রিয় নেত্রী তো বিজেপিতে যাওয়ার জন্য ঝুলোঝুলি করছে। তাঁকে নাকি সাহায্য করছেন অরেক তিনো নেত্রী!!!
    "রাজনৈতিক শিবির চমকে গিয়েছে এই প্রক্রিয়ায় এক তৃণমূল সাংসদের ভূমিকার কথা শুনে। দেবশ্রী রায়কে দলে নেওয়ার বিষয়ে রাজ্য বিজেপির এক শীর্ষনেতাকে অনুরোধ করেছেন তৃণমূলেরই এক মহিলা সাংসদ। জানা গিয়েছে এমনও।"
    https://www.anandabazar.com/state/uncertainty-looms-large-over-debashree-roy-s-political-future-way-to-bjp-is-not-clear-yet-dgtlx-1.1041076
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত