এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • জনস্বার্থে | ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৬:৪৪418140
  • পার্থপ্রতিম মৈত্রের পোস্ট।

    "সতর্কবার্তা

    আমার এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু যিনি একজন উচ্চপদস্থ সরকারী আধিকারিকও বটে, এই তথ্য জানিয়েছেন। আমি পুরো বিষয়টা তাঁকে স্যোশাল মিডিয়ায লিখতে বলেছিলাম, কিন্তু তিনি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক। তাই তাঁর বকলমে আমিই বিষয়টা তাঁর অনুমতিক্রমে পোস্ট করলাম। ধন্যবাদ বন্ধু, সময়মতো সতর্ক করার জন্য।

    তিনি লিখেছেনঃ-

    "এনার্সি প্রক্রিয়া কি প্রাথমিকভাবে পশ্চিমবঙ্গেও চালু হয়ে গেল আজ থেকে? যাঁরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন, তাঁদের ভাবনা কি খুব ভুল? আজ থেকে নির্বাচন কমিশন সারা দেশে (১ সেপ্টেম্বর থেকে ১৫ অক্টোবর ২০১৯) পরবর্তী দেড় মাস ধরে ভোটারদের স্পেশাল যাচাইয়ে নামছে। এই কর্মযজ্ঞের নাম ইলেক্টোরাল ভেরিফিকেশন প্রোগ্রাম বা ইভিপি। না, এই ইভিপি কোনও সামারি রিভিশন নয়, ল্যাজা থেকে মুড়ো, গোটা হ্যাঁ গোটা ভোটার তালিকা যাচাই। সামারি রিভিশন তো প্রতিবছরই হয়, এই বছরও হবে নভেম্বরে। ইভিপি এই প্রথম হচ্ছে। সারা দেশে হলেও, পশ্চিমবঙ্গে এর ইমপ্লিকেশন আলাদা। কারণ অমিত শাহ ঘোষণা করে দিয়েছেন, ২০২১-এ ক্ষমতায় এলে তাঁরা বাংলাতেও এনার্সি নামক একুশে আইন আনবেন। তাঁরা ক্ষমতায় আসবেন কী আসবেন না, জানে কেবল নোট, ভোট আর ঘোঁট। তবে সাধু সাবধান। শাহঠাউরের আপনদেশে আইন-কানুন ক্রমাগত সব্বোনেশে।

    আগামী দেড়মাসের মধ্যে একজন বুথ লেভেল অফিসার বা বিএলও একটি স্মার্ট ফোন নিয়ে বাড়িতে এলে ব্যাপারাটা সিরিয়াসলি নিন। সমস্ত ডেটা ভেরিফাই করান। আপনি না-থাকলে, বাড়িতে যাঁরা থাকবেন তাঁদের হাতের কাছে সব ডেটা দিয়ে রাখুন। একবার ডি-ভোটার বা ডাউটফুল ভোটার ছাপ পড়ে গেলে, ওটা তুলতে জান্‌ কয়লা হয়ে যাবে। অনলাইন পরিবার ট্যাগিং হবে, তাই একজনকে হেড অব ফ্যামিলি করে তাঁর ফোন নাম্বার ও ইমেল আইডি বিএলওকে দিয়ে দিন। পরবর্তী কালে ওই ফোন বা ইমেলে নির্বাচন কমিশন সব তথ্য পাঠাবে। মনে রাখুন, এই প্রোগ্রামে আমার-আপনার বাড়ির লং-ল্যাট মানে অক্ষাংশ-দ্রাঘিমাংশ অর্থাৎ অবস্থান পর্যন্ত রেকর্ড করা হবে। আধারসহ অন্যান্য ডকুমেন্টস হাতের কাছে রাখবেন। আমার ধারণা ভোটার কার্ডের গুরুত্ব কমিয়ে আধার কার্ডকে সর্বেসর্বা করার প্রক্রিয়া এই শুরু হল।

    যাঁরা ভাবছেন, আমরা তো অষ্টমিতে অঞ্জলি দিই আর উঠতে-বসতে ‘ওদের’ খিস্তি করি, তাঁরা নিশ্চয়ই এতক্ষণে জেনে গেছেন, অসমের ১৯ লাখেরও বেশি বাদ-পড়া মানুষের মধ্যে ১২ লাখই হিন্দু। দিলু ঘোষের ‘মুসলমান অনুপ্রবেশকারী তাড়াব, হিন্দুদের চিন্তা নেই, শরণার্থী বানিয়ে রেখে দেব’ বাতেলায় মজবেন না। অসমের নেতারাও এমন বাতেলা দিয়েছিলেন, এখন দায় ঝেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যাঁরা ভাবছেন, আমরা তো এপার বাংলার লোক, ঘটি, এনার্সি মানে তো হিন্দু-বাঙাল আর মুসলমানের ব্যাপার, আমাদের কী! তাঁরাও জেনে ফেলেছেন আশা করি, ১৯ লাখের ‘চিহ্নিত বিদেশির’র মধ্যে ২ লাখ ‘ভূমিপুত্র’ অসমীয়া। যাঁরা ভাবছেন আমি তো মোদী-ভক্ত প্রকাশ্য বিজেপি, বা মনে-মনে বিজেপি বা হব-হব বিজেপি, ফলত এনার্সিতে আমাদের কিস্যু হবে না, তাঁরাও এতক্ষণে জেনে গেছেন অসমে পরিবারসহ বিজেপি এমেলের নামও বাদের খাতায়। তাহলে কী দাঁড়াল? ইলেক্টোরাল ভেরিফিকেশন প্রোগ্রাম বা ইভিপিকে সিরিয়াসলি নিয়ে নিজের ও পরিবারের ভোটারদের ডেটা ভেরিফাই করান। কে বলতে পারে, ইসিয়াইয়ের মাধ্যমে এটাই বাংলায় এনার্সির প্রাথমিক ধাপ নয়?"
  • এলেবেলে | ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৫:৪৯418138
  • শেষে পিটির মতো প্রাজ্ঞ ব্যক্তি ইতিহাসের রেফারেন্স দিচ্ছেন এবেলার!!!

    ৯ জুলাই সীমানা কমিশনের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হওয়ার আগেই সরকার কমিশনের প্রাথমিক কাজ চালানোর সুবিধার জন্য মুসলিম অধ্যুষিত ১৬টি জেলার তালিকা উল্লেখ করে ‘provisional boundary’ বা সাময়িক সীমানা নির্ধারণ করে দেয়। ওই সরকারি তালিকায় ১৬টি জেলা ছিল চট্টগ্রাম ডিভিশনের চট্টগ্রাম (মুসলিম ৭৩.৮%), নোয়াখালি (৭৮.৪৮%) ও ত্রিপুরা (৭৫.৪৮%); ঢাকা ডিভিশনের বাখরগঞ্জ (৭১.৬৩%), ঢাকা (৬৬.৮১%), ফরিদপুর (৬৩.৮%) ও ময়মনসিংহ (৭৬.৫৬%); প্রেসিডেন্সি ডিভিশনের যশোহর (৬১.১৬%), মুর্শিদাবাদ (৫৫.৫৬%) ও নদীয়া (৬১.৬৭%) এবং রাজশাহি ডিভিশনের বগুড়া (৮৩.৩৬%), দিনাজপুর (৫০.৫৭%), মালদহ (৫৪.২৮%), পাবনা (৭৬.৯%), রাজশাহি (৭৫.৭৯%) ও রংপুর (৭০.৭৯%)। তবে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলের এই হিসাবে উল্লেখিত ষোলোটি জেলাই যে পূর্ববঙ্গের ভাগে পড়বে, এমন কোনও নিশ্চয়তা দেওয়া হয়নি।

    র‍্যাডক্লিফ আশঙ্কা করেছিলেন যে কমিশনের সদস্যদের মধ্যে মতভেদ দেখা দিলে রোয়েদাদের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। এই অনিশ্চয়তার হাত থেকে রেহাই পেতে ‘ইন্ডিয়ান ইনডিপেনডেন্স বিল’-এর ৩ ও ৪ নম্বর ধারা সংশোধনের প্রস্তাব দেন তিনি। সরকার র‍্যাডক্লিফের এই যুক্তি মেনে নিয়ে ১০ই জুলাই সংশ্লিষ্ট আইনের উপযুক্ত সংশোধন করে চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্তকেই কমিশনের অ্যাওয়ার্ড হিসাবে গ্রহণ করার কথা বলে। কমিশন গঠনের সময়েই সেটির রায় দ্বিধাহীন ভাবে গ্রহণ করা হবে বলে কংগ্রেস ও মুসলিম লিগের পক্ষ থেকে সরকারকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল।

    বিভক্ত নদীয়ার মাথাভাঙা নদীর পশ্চিম তীরবর্তী সমস্ত থানা নিয়ে গোটা রানাঘাট ও কৃষ্ণনগর মহকুমা পশ্চিমবঙ্গের ও ১১টি থানা (খাকসা, কুমারখালি, মীরপুর, কুষ্টিয়া, আলমপুর, ভেড়ামারা, গাঙ্গীন, দামুরহুদা, চুয়াডাঙা, জীবননগর মেহেরপুর) নিয়ে মাথাভাঙা পূর্ব তীরবর্তী দৌলতপুরের অংশবিশেষ পূর্ববঙ্গের ভাগে বরাদ্দ করা হয়।

    র‍্যাডক্লিফ তাঁর রিপোর্টে নদিয়া জেলার যে সীমানা নির্ধারণ করেন তা এই রকম — From the point on the river Ganges where the channel of the river Mathabhanga takes off, the line shall run along the channel to the northernmost point where it meets the boundary between the thanas of Daulatpur and Karimpur. The middle line of the main channel shall constitute the actual boundary. From this point the boundary between East and West Bengal shall run along the boundaries between the thanas of Daulatpur and Karimpur; Gangani and Karimpur; Meherpur and Karimpur; Meherpur and Tehatta; Meherpur and Chapra; Damurhuda and Chapra; Damurhuda and Krishnaganj; Chuadanga and Krishnaganj; Jibannagar and Hanskhali; Maheshpur and Hanskhali; Maheshpur and Ranaghat; Maheshpur and Bongaon … to the point where the boundary between those thanas meets the boundary between the districts of Khulna and 24-Parganas.

    মাউন্টব্যাটেন এই রোয়েদাদের বিষয়বস্তু সম্পূর্ণ গোপন রাখতে চাইলেও রিপোর্টের সম্ভাব্য ফলাফল অনুমান করে নানা জায়গায় নতুন করে সাম্প্রদায়িক অশান্তি শুরু হয়। সেই পরিপ্রেক্ষিতে হাঙ্গামা এড়ানোর জন্য ১৪-১৫ অগস্টে ক্ষমতা হস্তান্তর পর্ব শান্তিপূর্ণ ভাবে মিটে যাওয়ার পর র‍্যাডক্লিফের রোয়েদাদ আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নেন খোদ মাউন্টব্যাটেন। সেই অনুযায়ী তিনি প্রদেশগুলিকে জানান যে ক্ষমতা হস্তান্তরের দিন পঞ্জাব ও বাংলায় provisional boundary-ই চালু রাখা হবে এবং ১৬ বা ১৭ই অগস্ট এই রায় জনগণকে জানানো হবে।

    সীমানা নির্ধারণের ঘোষণা স্বাধীনতার দিন না হওয়ায় তদানীন্তন নদীয়ার সংখ্যাগুরু মুসলমানদের অনেকে জেলাটির পকিস্তানভুক্তি ধরেই নিয়েছিলেন। আবার খুলনার হিন্দুরা তাঁদের জেলার পশ্চিমবঙ্গভুক্তি নিয়ে এতটাই নিশ্চিত ছিলেন যে ১৫ই অগস্ট সেখানে অনেক বাড়িতেই ভারতের ত্রিবর্ণরঞ্জিত পতাকা তোলা হয়েছিল। কিন্তু নদীয়ার পাকিস্তানপন্থী মুসলমান বা খুলনার ভারতপন্থী হিন্দুরা বুঝতে পারেননি যে তাঁরা ছিলেন ক্ষমতালোভী নেতাদের ক্ষমতা দখলের বোড়ে মাত্র।

    প্রসঙ্গত, র‍্যাডক্লিফের সীমানা নির্ধারণ সংক্রান্ত সমস্ত কাজ থেকেই মাউন্টব্যাটেন নিজেকে যথাসম্ভব দূরে সরিয়ে রেখেছিলেন। সীমানা কমিশনের চেয়ারম্যান কে হবেন, সদস্য হিসাবে কাদের গ্রহণ করা হবে, কর্মপদ্ধতি কী হবে ইত্যাদি নানা আনুষঙ্গিক বিষয়ে কোনও অবস্থাতেই তিনি তাঁর বক্তিগত মত বা সিদ্ধান্ত প্রকাশ করেননি। এমনকি কমিশনের রায় তাঁর কাছে জমা পড়ার পরেও তিনি এককভাবে সেটি খুলে দেখেননি। যাঁরা বলছেন, ১৬ বা ১৭ অগস্ট মাউন্টব্যাটেন র‍্যাডক্লিফকে পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত নদীয়া জেলার অংশ ভারতকে ফিরিয়ে দেওয়ার আদেশ জারি করেন, তাঁরা সম্ভবত এ কথা ভুলে গিয়েছেন যে স্বাধীন ভারতের গভর্নর জেনারেল হিসেবে মাউন্টব্যাটেন আরও কিছুদিন থাকলেও পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল হয়েছিলেন মহম্মদ আলি জিন্না। কাজেই ১৪ই অগস্টের পরে পাকিস্তানের ব্যাপারে নাক গলানোর কোনও রকম প্রশাসনিক অধিকার মাউন্টব্যাটেনের আদৌ ছিল না। আর র‍্যাডক্লিফ ১২ অগস্ট তাঁর রিপোর্ট জমা দেওয়ার পরে তাতে বিন্দুমাত্র পরিবর্তনও করেননি।

    কাজেই কোনও জেলার অংশ আদৌ পাকিস্তানে যায়নি, ভারতে ফিরেও আসেনি। প্রসঙ্গত, পিটি নদীয়ার কোন অঞ্চলের?
  • PT | ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৫:১৮418137
  • @এলেবেলে
    "১৯৪৭ সালে স্বাধীনতা লাভের সময় রানাঘাট, কৃষ্ণনগর-সহ নদিয়ার এক বিস্তীর্ণ অঞ্চল তৎকালীন পুর্ববঙ্গের মধ্যে পড়ে গিয়েছিল। যা নিয়ে আন্দোলন হয়। তিনদিন পরে ১৮ অগস্ট এই অঞ্চলগুলি ভারতীয় ভুখণ্ডে অন্তর্ভুক্ত হয়। সেই থেকেই প্রতি বছর ১৮ অগস্ট এই দিনটি রানাঘাটের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন কমিটির উদ্যোগে পালিত হয়। এই বছরেও ১৪ ১৮ অগস্ট এই উৎসব পালিত হল। ১৫ অগস্ট জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছিল। কিন্তু এই অঞ্চলের মানুষের কাছে ১৮ অগস্ট দিনটির তাৎপর্যই আলাদা। নিজের দেশে ফিরে আসার আনন্দই আলাদা।"
    https://ebela.in/state/different-kind-of-independence-day-celebrated-in-ranaghat-dgtl-1.459890
  • Amit | ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৪:৩০418135
  • Absolutely। আমরাই দেখে যেতে পারবো ফোরথ রাইখের রাইজ এন্ড ফল। এটাও অলরেডি দেখা যে ওটাই মেজরিটির ভারডিকট ছিল।
  • এলেবেলে | ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৪:২৭418134
  • @পিটি এবং @b

    নদীয়া একদিনের জন্যও পাকিস্তানে যায়নি। ওটা গল্প, ইতিহাস নয়। খুলনাও একদিনের জন্যও ভারতে আসেনি। ওটা একই গল্পের অন্য পিঠ এবং ইতিহাস নয়।

    @অর্জুন

    'সেটা যথেষ্ট ভাবেই আমাকে অধিকার দেয় এঁদের অ্যানালিসিসকে গ্রহণযোগ্য মনে করার' সবই তো বললেন, শুধু তাঁদের অ্যানালিসটাই যা জানালেন না! আমার পোষাবে কি পোষাবে না সেটা কথা নয়, স্রেফ অজুহাত।
  • dc | ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৪:০১418133
  • এরকম রিপ্রেশান দেশ জুড়ে নেমে আসবে, সত্যি ভাবতে পারিনি।
  • dc | ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৪:০০418132
  • সতেরো লক্ষ লোক এক রাতে দেশছাড়া হয়ে গেল! ভাবতেও কেমন লাগে। ওদিকে কাশ্মীরে আরও লাখ লাখ লোক ভুগছে। এদিকে ইকোনমি কোল্যাপ্স করে গেছে। আমাদের ছেলে মেয়েরা বড়ো হয়ে পরের জেনারেশানকে বলবে ভারতে ফোর্থ রাইখের রাইজ আর ফলের গল্প।
  • | ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৩:৩২418131
  • দূর ঘোড়াড্ডিম যা দিতে চাইছিলাম

  • | ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৩:৩০418130
  • San | ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৩:২৪418129
  • করোল বাগে কেউ কোনো হোটেল সাজেস্ট করবেন ? মোটামুটি হাজার দুই এর মধ্যে বাজেট।
  • b | ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১২:১০418128
  • খুলনা। তিন দিন ভারতে, তারপর পাকিস্তানে। মুর্শিদাবাদের বদলা হিসেবে। মুর্শিদাবাদের নবাব নাকি কোনোভাবেই পাকিস্তান যেতে চান নি।
  • PT | ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১১:২৮418127
  • দেশভাগের সময়ে নদীয়া জেলা নাকি একদিনের জন্য পাকিস্থানে চলে গিয়ে তারপরের দিন ভারতে ফিরে আসে। তাহলে আমার দাদু এদেশী না বিদেশী? তার ওপরে মা তো ওপারের.....আমার দেখছি হাতে হ্যারিকেন!!
  • sm | ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১০:২২418126
  • না,পরিষ্কার হলো না।১৯৭১ সাল এর উল্লেখ কিভাবে হচ্ছে?
    ১৯৩০ হলে আমার দাদুর বার্থ সার্টিফিকেট লাগবে।কোথায় পাবো?
  • অর্জুন | ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১০:১৭418125
  • আমরা কলকাতায় পাকাপাকি ভাবে আছি ১৯৩০ সাল থেলে। Is that enough?
  • sm | ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১০:১১418124
  • ভালো করে কেউ লিখুন তো,কি কি ডকুমেন্টস লাগে নিজেকে নাগরিক প্রমাণ করতে?
  • PT | ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৯:৪১418123
  • রোমিলা থাপারের খবরের শেষেঃ
    "আসন্ন ছাত্র-ভোটে এবিভিপি-র স্লোগান, ‘বামপন্থী মুক্ত জেএনইউ’।"
    What Bengal thinks today, India thinks tomorrow!!
  • b | ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৯:৩৯418122
  • বাংলাওয়ার্ড থেকে গুরুতে কপি পেস্ট করা যায় না। এর কোনো সল্যুশন?
  • অর্জুন | ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৯:৩৪418121
  • রমিলা থাপারের সিভি দেখতে চাইল জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের কতৃপক্ষ। দুদশকের ওপর পড়ানোর পরে ১৯৯৩ সাল থেকে উনি 'প্রেফেসর এমিরিটস' ছিলেন। এই পদ একবার কেউ পেলে আজীবন থাকে। কিন্তু জে. এন. ইউ. এবার তার সিভি দেখে তাঁকে উপযুক্ত মনে করলে তবেই এই পদে তিনি আসীন থাকতে পারবেন।
  • `` | ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৯:০৭418120
  • Between Ethics and Politics: Gandhi Today edited by Eva Pfostl of the Institute of Political Study in Rome (Routledge, 2014)
  • PT | ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৮:২৩418119
  • @অর্জুন
    আমি কি জানতে চেয়েছিলাম ভুলে গিয়েছি। আমার শেষ পোস্ট তো ছিল মাদারি প্রসঙ্গে!!
  • ন্যাড়া | ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০২:০২418118
  • বুমরাকে খেলতে গিয়ে একেবারে, যাকে বলে, হেগে-পেদে বড়া ভেজে ফেলল।
  • অর্জুন | ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০১:৫৬418117
  • @এলেবেলে, আপনার কাছে প্রথম থেকেই নামগুলি 'নেম ড্রপিং' ছাড়া আর কিছু নয়। একবার খুব বিনয় করে বলবেন আপনি কিছুটি জানেন না। তারপরেই বলবেন, আপনি একেবারে জানেন না তা নয় বরং অনেকতৈঁ জানেন। আমি আগেই বলেছি গান্ধী সম্পর্কিত এঁদের কাজ সমাদৃত এবং সেটা যথেষ্ট ভাবেই আমাকে অধিকার দেয় এঁদের অ্যানালিসিসকে গ্রহণযোগ্য মনে করার। আরেকজনের নামও বলতে পারি অনন্যা বাজপেয়ী।

    তবে এঁদের অধিকাংশের গান্ধী সম্পর্কে অ্যানালিসিস ইতিবাচক। আপনার পোষাবে না।
  • অর্জুন | ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০১:৪৯418116
  • লোকে দুর্দান্ত খাচ্ছে, এ ব্যাপারে সন্দেহ নেই!
  • Rouhin Banerjee | ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০১:৪০418115
  • ইশান্ত আর বুমরা যেন হল-গিলক্রিস্ট। কী দিনকাল এল!
  • S | ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০১:৩৫418114
  • বুমরা হ্যাটট্রিক করলো।
  • S | ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:৫৯418113
  • y-o-y জিডিপি গ্রোথ রেট কমে ৫% হয়ে গেছে। এখনও কারা মোদি সরকারের থেকে ডেভালাপমেন্টের স্বপ্ন দেখছে? এবারে দুনিয়াজোড়া রিসেশন এলে তো ইকনমি ডুবে যাবে। অবশ্যি ৩৭০ আছে। মন্দির আছে। এনারসি আছে। যুদ্ধু আছে। সিয়াচেন আছে। এখন তো আবার অ্যাটম বোমাও আছে। অতেব লোকে নিস্চই এইসব খেয়েই কাটিয়ে দেবে।
  • র২হ | ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:৫৭418112
  • আচ্ছা, এঁরা সব কোন বইয়ের ভূমিকা লিখছেন? একটু পিছিয়ে পড়েছি।
  • এলেবেলে | ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:৪৩418111
  • বেশ। তাহলে সে ব্যাপারে যোগেন্দ্র যাদব বা রামচন্দ্র গুহ কী লিখেছেন তা যদি জানান।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত