এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • aka | ০৩ মে ২০১৯ ১৮:৩৪408780
  • এনজিও ফাণ্ড পাবে না।
  • | ০৩ মে ২০১৯ ১৮:১৪408779
  • হারতে
  • | ০৩ মে ২০১৯ ১৮:১৩408778
  • উফ টোটাল সি ই ও, জাস্ট এক লাইন প্রোফাউন্ড উইসডম
  • aka | ০৩ মে ২০১৯ ১৭:৫৫408777
  • ডেলিভারি না করলে সবাইকেই যেতে হবে।
  • | ০৩ মে ২০১৯ ১৭:২৩408776
  • কি আশ্চর্য্য ব্যক্তির ভূমিকা থাকবে না কেন, কিন্তু বড় লেভেলের কাজ গোটা দেশ উপকৃত হবে, একটা গোটা অঞ্চলের সবাই উপকৃত হবে, এটা তে তো অ্যাকাউন্টেবল ইনটারভেন্সন করাতে গেলে স্টেট এজেন্সি লাগবে। অধিকারের গল্প আর কোথাও নাই, এন জি ও কে ভোট দিয়ে হারানো যায় কি? দল কে তো যায়, যাচ্ছে। ডেলিভার না করলে বাংলা যেতে হবে। ঢপ অনেক দিন চলবে কিন্তু সব দিন চলবে কি, ওদিকে পার্মানেন্ট ঢপের এন জি ও কম নাই।

    শিক্ষিত ভালো লোক জন নানা চেষ্টা করবেন ও করছেন। সকলে এক ই ধরণের প্রসেসে বিশ্বাস রাখবেন না, তাতেই মংগল, কিন্তু আলোকিত দু চারজন দিয়ে বড় করে সোশাল ইনক্লুশন সাকসেস পাওয়া মুশকিল। তবু ধরো আমাদের দেশে উইপ্রো বেশ ভালো আউট রিচে টাকা দেয়, নতুন কোং গুলোর মধ্যে।
  • jj | ০৩ মে ২০১৯ ১৪:৫৭408775
  • গত কয়েক বছরের কেরিয়ারে ইন্ডাস্ট্রির কী কী খারাপ চোখে পড়ল? মুচকি হেসে সুমনের জবাব, ‘‘খারাপ তো দেখেছি অনেক কিছু। কিন্তু বলা যাবে না। কথায় আছে তো, ছায়া সব সময় সঙ্গে থাকে। কিন্তু অন্ধকার যখন আসে সেই ছায়াও সরে যায়। এর থেকে বড় সত্যি আর নেই। যতই বন্ধু হোক, খারাপ সময়ে ছেড়ে যাবেই।
    http://www.janomat.com/
  • সৈকত | ০৩ মে ২০১৯ ১৪:৫১408774
  • ইতিহাসে ব্যক্তির ভূমিকা আছেই, সে বামপন্থীরা যতই সে নিয়ে তক্কো করুক। ঃ-) এনজিও ব্যাপারটা কিছুটা সেখান থেকে আসে বলে মনে হয়। তারপর চারপাশের অবস্থা, সরকারের অক্ষমতা ইত্যাদি মিলেমিশে যাবে, সরকারও চাইবে যেখানে ফাঁকগুলো আছে, সেগুলো এরা ভর্তি করুক। তাহলে মানুষের গ্রিভান্স কিছুটা কম থাকবে, কিছুটা হলেও সামাজিক টেনশনটা কমবে। সংগঠনগুলোও সরকারের সাথে অবশ্যই সমঝোতা করে চলবে, ছোটদের তো করতেই হবে, বড়রাও তাদের ক্ষমতা ইত্যাদি বাড়াবার জন্য, সময়কালে সরকারের অনেক কাজই তারাই করতে থাকবে। হয়ত এই ব্যবস্থাটা এটাই নির্দেশ করে যে সরকার নামক 'ধারণা'টি সব সমস্যার সমাধান করতে পারে না, করতে হয়ত চায়ও না, ফলতঃ অন্যদের দরকার হয়ে পড়ে ? এখন অন্তত সেরকমই চলছে।

    ( লিখতে গিয়ে মনে পড়ল, কৌরব পত্রিকার কমল চক্রবর্তী, তিনিও তো পুরুলিয়ায়, বান্দোয়ানের কাছে ভালোপাহাড় নাম দিয়ে, সেই কবে থেকে কাজকর্ম করতেন। বছর পনেরো বা তারও আগে গেছিলাম, তখন প্রচুর গাছ পুঁতছিলেন, পরে শুনেছি স্কুল ইত্যাদি হয়েছে, স্থানীয় লোকজনদের নিয়ে আর তাদের জন্যই। ফান্ডিং ইত্যাদির ডিটেলস জানিনা, এখনও কমল চক্রবর্তী ভালোপাহাড়ের সাথে যুক্ত কিনা অথবা ফর্মাল এনজিও হিসেবে কাজ হত কিনা তাও জানি না। কিন্তু সেই সময়ে, কলকাতায় আসতেন, চেনাজানা লোকজনদের কাছ থেকে আর্থিক সাহায্যর জন্যই। হয়ত ব্যক্তিগত পাগলামি থেকেই এইসব কিছু, ওনার !! )
  • সৈকত | ০৩ মে ২০১৯ ১৪:২৭408773
  • @b, অক্ষয় পাত্র যে ইসকনের সেটা জানতাম না। ব্যাঙ্গালোরের ঠিকানা দেখি, সেই হিসেবে দক্ষিণী। কিন্তু দেখুন, এখানেও তো ইসকন আছে, সেই কবে থেকে মন্দির ইত্যাদি, ভোগটা নাকি খুব ভাল খাওয়ায় সেখানে, সেরকমই শুনেছি !! কিন্তু এ পোড়া বঙ্গে, তারা কিচেন খুলেছে বলে মনে হয়্না; সাইটের লিস্টে তো দেখলাম না।
  • | ০৩ মে ২০১৯ ১৪:১৭408772
  • বাংলাদেশ আর পাকিস্তানে বাই দ্য ওয়ে বহুদিন আগে থেকে এন জি ও র বাড় বাড়ন্ত, ওগুলো কেই বড় কর্পোরেট হিসেবে দেখে প্রফেসনাল রা। কারণ সরকার ডেলিভার করতে পারবে এ জাতীয় কু সংস্কার থেকে ওরা একটু আগে বেরিয়ে এসেছিল ঃ-) এখন অবশ্য বাংলা দেশ নানা কারণে হিউম্যান ডেভেলপমেন্টে নানা ইন্ডিকেটরে বেশ ভালো, তবে মাইক্রো ফাইনান্স মডেল কত টা ভালো সেই নিয়ে বিতর্ক আচ্চে, আর মাঝে একবার বাংলাদেশের এন জি ও রা সবাই মিলে বলে ছিল, ইলেকশনের দরকার নেই, গণতন্ত্র খুব বিপজ্জনক তখন চারটি হাসাহাসি হয়েছিল ঃ-)))

  • | ০৩ মে ২০১৯ ১৪:০৬408771
  • শোনো এখন সর্বত্র এন জি ও, কোথাও কর্পোরেটাইজ্ড, কোথাও রিলিজিয়াস, ফান্ডিং এর নানা ধরণ আছে। বেশির ভাগ টাই মিক্স্ড ফান্ডিং, আর ম্যানেজমেন্ট টা যথারীতি ম্যানেজমেন্ট এর আইডিওলোজি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। মাসুদ আজহার থেকে আমি সকলেই এন জি ও চাঁদা তুলে থাকি। একেবারে যাকে বলে প্যারালেল স্টেট এর প্রতিচ্ছবি, কোনোটা সিনিস্টার কোনোটা বিনাইন ঃ-))))

    তবে তামিল নাডু তে নিউক্লিয়ার প্লান্ট তৈরী তে বাধা তৈরীর সময় থেকে মন মোহন সিং রা খচে গিয়ে ফরেন ফান্ডিং এর উপরে কিছু বিধি নিষেধ আনে, সেগুলো বোধ হয় ফর্মাল আইনের ফর্ম নিয়েও ছে রিসেন্টলি, অডিটিং ইত্যাদি বেড়েছে, সাইফনিং ও আশাকরি আশানুপাতে বেড়েছে ঃ-)) তবে এটাও ঠিক, অ্যাট বেস্ট অফ টাইম্স, সোশাল সার্ভিসের ডেলিভারি তে কম্প্লিমেন্টারি সার্ভিস হিসেবে কাজ করে অনেকে। আমি যেটার সঙ্গে জড়িত সেটা ড্রপ আউট রেট কমানোর জন্য চেষ্টা করে। এবার ধরো আমার একটা দুঃখ ছিল, আমি সারাজীবন রবীন্দ্রনাথের স্কুলে পড়ে অলটারনেটিভ এডুকেশন এর কিসু করছি না, শুধু কোন মতে ফর্মাল এডুকেশন শেষ যাতে করে তার চেষ্টা করছি, এ পাপ কি সইবে, তো অনেক দুঃখে অনেক খারাপ কবিতা লেখার পরে, আমি এখন যাতে বাবা মা বেরিয়ে গেলে ও ছেলে মেয়েরা যাতে স্কুল টা শেষ করে এরকম দেখার চেষ্টা করছে এরকম একটা অর্গ এর সঙ্গে আছি, চাঁদা তুলে সাহাজ্য করি। এখনো চুরি বা পোলিটিকাল ইনটারভেন্শন এর অভিযোগ পাই নি, আর মেরে তাড়িয়ে দিচ্ছে গ্রাম থেকে এটাও হয় নি, হলে বন্ধ হবে কি আর করা যাবে। কিন্তু ব্যক্তি গত চাঁদায় চলে না, একটা কোং তাদের আউট রিচ প্রোগ্রামে টাকা না দিলে মাষ্টার দের মাইনে দেবা যেত না, অত্য ব্যক্তিগত উদ্যোগে ওঠে না। সর্বত্র আছে, অল্প কম বেশি হবে হয়্তো, বড় করে সোশাল চেঞ্জ ছাড়ো সোশাল ইনক্লুশন এ সার্ভিস ডেলিভারি করা সরকার ছাড়া কারো পক্ষে সম্ভব না। শিক্ষা টা একটু ইন্টারেস্টিং, কারণ ইউনেস্কো নানা অডিট করে টাইট দেয় সরকার আর এন জি ও দের। পাই হয়তো পান্চ হাজার অর্গ এর সব লোক কে চেনে, সার্ভিস ডেলিভারি মডেল হিসেবে কি দাঁড়াচ্ছে ও ইচ্চে করলে বলতে পারবে,বলবে কিনা জানি না।
  • S | ০৩ মে ২০১৯ ১৩:৫২408770
  • চ্যারিটি করে গরীব লোকের সেবা? রিপাব্লিকানরা এইরকমই কথা বলে বটে।
  • সৈকত | ০৩ মে ২০১৯ ১৩:৩৭408768
  • এখানে, সেক্টর ফাইভে তো এক দক্ষিণী এনজিও-র বিজ্ঞাপন দেখি, অক্ষয় জ্যোতি বা অক্ষয় পাত্র। স্কুলের বাচ্চাদের খাবারের ব্যবস্থা করে, জনগণ আর্থিক সাহায্য করলে সেই কাজে সুরাহা হয়, সমাজসেবাও হয়, এরকমই বক্তব্য বিজ্ঞাপনের। অসুবিধে বিশেষ কিছু নয়, কিন্তু সাধারণতঃ দক্ষিণে কি এনজিও ব্যাপারটর বেশী প্রসার ? লোকসেবা করার ইচ্ছে, ধর্ম-টর্মর দিক দিয়েও হয়ত আগে থেকে উৎসাহ ছিল, আর সবার ওপরে হয়ত, দক্ষিন প্রদেশগুলো আর্থিক দিক দিয়ে আর ব্যবসার দিক দিয়ে বেশী স্বচ্ছল, সব মিলিয়ে ব্যক্তিগত ভাবে হোক বা অনেকে মিলে, এনজিও, লোকের ভাল করা ইত্যাদি ? কিন্ত, আমি যে এনজিওটির কথা লিখলাম, সেটি কাজ করে কী করে ? বিশদে জানিনা, কিন্তু স্কুলপড়ুয়াদের খাবারের বন্দোবস্ত করে কী করে যখন মিড ডে মিল বলে একটা ব্যাপার প্রচলিত আছে ? ঐ প্রকল্পটির সাথেই কি এরা জড়িয়ে যায়, সরকারের সাহায্য নিয়ে ? অন্যদিকে আবার এনজিওদের ইচ্ছে-অনিচ্ছেও থাকবে, খাবারে হয়ত ডিম দেওয়া হবে না, কারণ সে ব্যাপারে ছুঁৎমার্গ আছে, অথছ ডিম খেলে খুব তাড়াতাড়ি প্রোটিন দেওয়া যাবে, বিশেষজ্ঞদের এই মত, তখন আবার কনফ্লিক্ট তৈরী হবে। কিন্তু এও ঠিক, যাদের জন্য এরা কাজ করছে, তাদের এইসব ব্যবস্থাপত্র সত্যিই দরকার,অন্তত বিজ্ঞাপন থেকে উঠে থাকা একটি গরীব ছেলের মুখ, আহা রে, অপদার্থ সরকার আর পলিটিক্যাল ক্লাসের বাঁদরামো পেরিয়ে যদি এদের জন্য কিছু করা যায়, কায়িক শ্রম বা আর্থিক সাহায্য তাহলে ক্ষতি কী, এরকম ভাবনা এসে যাবে।
  • | ০৩ মে ২০১৯ ১১:৫৫408766
  • এল সি এম, একটু সময় পেলে আদর্শ প্রবন্ধ লিখো না মাঝে মাঝে, পড়তে তো ভালৈ লাগে, আর আমি আবার ব্যস্ত ও না ঃ-))) আবহ তৈরী করতে চাইনি, করার দরকার নেই, এই টেই আজকাল যে কোনো সমাজ রাজনীতি সংক্রান্ত আলোচনার আবহ, তবে কথায় কথায় 'সাধারণ মানুষ' এর অবসারভেশন এলে, অবসারভার এর না হোক পর্যবেক্ষিত বিষয়্টির যে রাজনৈতিক ইতিহাস রয়েছে, সেটা খ্যাল করানোর মত পরোপকারেচ্ছ আমার বরাবরের। আই অ্যাম নট হিয়ার ফর ক্লেভার কুইপস, কান্ট কেয়ার লেস অ্যাবাউট দ্যাট ঃ-))

    দমু, প্রবন্ধ তো অল্প হলেও লিখি, নানা জায়গায় পাঠাই, কিন্তু গুরু র ব্যাপারে আমার ভালোবাসা একটু বেশি। আমার মনে হয় যত লেখা হয় এখানে তত আলোচনা হয় না, অথচ এইটেই বৈশিষ্ট ছিল। অথচ ক্লিয়ারলি লেখার বৈচিত্র ও সংখ্যা দুটৈ গত কয়েক বছরে সব সময়েই ঊর্ধমুখী। কিন্তু ব্লগ আর অবজেক্টিভ অ্যানালিসিসের তো পার্থক্য আছে, সেটা প্রবন্ধাকারে যেরকম দরকার, আলোচনা তে হলেও খারাপ না। তোমাকে কাল প্রবন্ধ লিখতে বলছিলাম একটা বিশেষ কারণে, এক্জন নারীবাদী হিসেবে, এবং যে কালেকটিভ বারগেন করে, কেউ কাজের কন্ডিশন এ উপকার পেলে যার বিশেষ আপত্তি আছে বলে মনে হয় না এরকম লোকের আমাদের পরিচিত ট্রেড ইউনিয়ন গুলো তে জয়েন করার সমস্যা নিয়ে লিখতে পারতে। এটা তো ঘটনা, শিল্পের সংকট যা ছোটো বেলায় কলকাতার সাবার্বে দেখেছো, মিলিটান্ট ট্রেড ইউনিয়নিজম দেখে বিরক্ত হয়েছো, কিন্তু তেমন ই নতুন শিল্পে চাট্টি ইমেল আর ইলেক্ট্রোনিক পেমেন্ট করা যায় বলেই সংকট এর নতুন চেহারা একেবারে পঞ্চভূতে বিলীন হয় নি, এটাও দেখছো, অথচ ট্রেড ইউনিয়ন কেন করছ না, সেটার তো একটা দার্শনিক অবস্থান আছে, সেটা ফার্স্ট হ্যান্ড শুনতে চাইছিলাম। ব্লগালে ব্লগাও আর কি। টাইম পেলে দেখে নেব, আমার আবার সময়াভাব খুব ই কম ঃ-))) খ
  • lcm | ০৩ মে ২০১৯ ১১:১৩408765
  • যা মনে হচ্ছে, খ-বাবু একটি তর্কের আবহ তৈরি করছেন - টপিকটা যেমন ...

    "ভারতের মধ্যবিত্ত সমাজের অরাজনৈতিকতা প্রীতির প্রেক্ষিত"
  • lcm | ০৩ মে ২০১৯ ১১:০৯408764
  • যাক! ঃ-)
  • | ০৩ মে ২০১৯ ১১:০৮408762
  • আপনি খাবারের কম কম লিস্ট ফলো করুন।

    এল সি এম, হ্যা এগুলো তর্ক করার জন্য পোস্ট, প্রবন্ধ না, প্রবন্ধ আরো রিগরাস হবে।
  • S | ০৩ মে ২০১৯ ১১:০৮408763
  • অ্যাপলিটিকাল থাকার অন্য সমস্যা আছে। আপনি নিজেকে অ্যাপলিটিকাল ডিক্লেয়ার করলে, আসে পাশে অনেক ক্ষতিকারক পলিটিকাল এন্টিটি ঘুর ঘুর করবে আপনাকে নিজের দলে নেওয়ার জন্য। ইফ ইউ ডুনট চুজ ইওর পলিটিক্স, পলিটিক্স উইল চুজ ইউ।
  • sm | ০৩ মে ২০১৯ ১১:০৫408761
  • আরো প্রবন্ধ আসবে?এগুলো একটু মানে বেশী বেশী হচ্চে না কি?
    ধরুন, একই পাতে কচুড়ি,পাঁঠার কালিয়া,মুড়িঘন্ট,দৈ কৈ,চিংড়িরমালাই কারী, রাবড়ি, সোহন হালুয়া,কাজু বরফি,চালালে হবে?বাঙালি পেট রোগা জাতি কি না?
    তাই বলছিলাম আর কি!
  • S | ০৩ মে ২০১৯ ১১:০২408760
  • এইসব অসব্য কথা কবে থেকে গুরুতে শুরু হলো?
  • অর্জুন অভিষেক | ০৩ মে ২০১৯ ১১:০১408757
  • আজ কারো বাড়ি থেকে বেরোবার দরকার নেই। Fani আঁচড়ে পড়েছে।
  • lcm | ০৩ মে ২০১৯ ১১:০১408758
  • এগুলো প্রবন্ধ !!! এদ্দিন তাহলে ভুল জানতাম
  • | ০৩ মে ২০১৯ ১১:০১408759
  • বাবাগোওও
    শুক্কুরের সকালে ক্কি বোম্বাস্টিক একখান লিখসে রে!

    গুরু আট্টু হাত চালিয়ে আরো বড় লেখো আর সেটা ডকে ভরে কর্তৃপক্ষরে পাঠায়ে দাও। সবাই খুশী হইব।
  • | ০৩ মে ২০১৯ ১০:৫১408756
  • ইগনোর করুন, টিভি দেখুন, বাবার পেসাদ টানুন, এ ব্যাপারে বিজেপির মানা নেই। ফণী নিয়ে ফ্যানান। শুক্রবার সকাল বেলা কাজ ডেলিভার হয়ে গেলে, অন্য কাজ না থাকলে পোবোন্দো হবে গুরু, এটুকু মানিয়ে নিতেই হবে ঃ-)
  • sm | ০৩ মে ২০১৯ ১০:৪৬408755
  • ওরে বাবারে!ওরে মেসোমশাই রে।
    এতো দেখি,আরো লম্বা আর কঠিন হচ্ছে!হৃদয় বিদারক,আক্ষরিক অর্থেই।
  • | ০৩ মে ২০১৯ ১০:৩৯408754
  • এই ভলান্টারি অর্গা নিয়ে একটু দু পয়সা দিয়েই দি, কনটেক্স্টহীন কথা বার্তার কোন অর্থ হয় না। এটা বুঝতে হবে ৮০ র দশকের মাঝা মাঝি থেকে সারা দেশে কনজিউমার ফোরাম এর নামে নানা ধরণের মিডলক্লাস অর্গানাইজেশন গড়ে ওঠে, এটা ইন্টারেস্টিং, কারণ অ্যাপোলিটিকাল অ্যাক্টিভিজম এ এটা একটা বড় পয়েন্টার। আম আদমী পার্টি তে এই ঐতিহ্য এখনো আছে, অ্যাপোলিটিকাল আর নেই। এছাড়া এন জি ও গুলোর যে চেহারা আমরা এখন দেখতে পারি, সেটা নব্বই দশকের সঙ্গে একেবারে সমসাময়িক। আমি নব্বই এর একেবারে শুরুর দিকে লুরু তে হোসুর রোডে কৃষ্ণমূর্তি ফাউন্ডেশন এ কাজ করতাম, শিক্ষক হিসেবে ওরিয়েন্টেশন করেছিলাম অনেকদিন, উত্তরকাশী র রিট্রিটে যাওয়ার আগে। তো আমারো এই ডিসি এবং ডিডি যেমন বল্লেন, মজাই লেগেছিল, অ্যাপোলিটিকাল অলটারনেটিভ এডুকেশন এর এই সংস্থা গুলোর সঙ্গে কাজ করতে, যেগুলো মিশন না যদিও চেন্নাই এর থিয়োসোফিকাল সোসাইটির ইনটেলেকচুয়াল ট্র্যাডিশন বহন করে। জোর্জ ফার্নান্ডেজ এর ভাই সম্ভবত পিটার ফার্নান্ডেজ আমার দেখা একজন আদর্শ ফিজিসিক্স অধ্যাপক স্কুলের, জিনি ছেলে মেয়েদের দিয়ে একটা আস্তো ল্যাব হাতে করে তৈরী করে ফেলেছেন, গোটা পড়ানো টাই হচ্ছে হাতে কলমে। তো ভদ্রলোকের আমি চেলা হলাম, ইনি প্রখ্যাত ইনস্ট্রুমেন্টেশন ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন, বিভিন্ন কোম্পানি তে কনসাল্টিং করতেন, আর অবসরে স্কুলের গাড়ি চালানো থেকে (কৃষ্ন মূর্তি না, আরেকটা স্কুল), নুফিল্ড সাইন্স ফাউন্ডেশন এর শিক্ষা দর্শ অনুযায়ী ল্যাব তৈরী করতেন। আমি তাঁর চেলা হয়ে গেলাম, কয়েকট অ্যাপারেটাস তৈরী তে সাহায্য করতে চাইলাম, যত টা পারব ভেবেছিলাম পারলাম না। তার পরে কৃষ্ণমূর্তি তেই, গোপালন বলে এক অ্যাকাউন্টান্ট এর সঙ্গে আলাপ হল, তিনি সব কিছুই খুলে সারিয়ে দেন, তাঁর স্ত্রী অধ্যাপনা করেন, আর এমনি তে শহরে কনসাল্টিং করেন। গোটা স্কুলের সমস্ত এস্টেট ম্যানেজমেন্ট টা ইনি দেখতেন, তো তাঁর সঙ্গে চেলা গিরি করলাম, একদিন বোধ হয় কল সারালাম আর ভীষণ ভাবলাম, এই তো বেশ মিডলক্লাস হওয়া সত্ত্বেও হাতে হাতে কাজ করছি, করতে করতে একটু জলের প্রেসার সংক্রান্ত কি যেন কিছু দেখালাম ও ছেলে মেয়েদের, বেশ কোয়ার্টার গান্ধী, কোয়ার্টার রবীন্দ্রনাথের গুরু শিষ্য আশ্রম ভাব, বেশ মে দিবস কলোনি যেখানে ডিগনিটি অফ লেবার ও রয়েছে, আবার বেশ আনার্কি ও রয়েছে, বড় ছেলে মেয়েরা আমাদের ক্লাস নিয়ে নিচ্ছে কোন কোনো বিষয়ে, সিম্পলি বেশি জানে বলে। তো ইন্ডিপেন্ডেন্ট প্রোফেসনাল রা একটা সীমিত অর্থে একটু অন্য ঘরনার সমাজ বানানোর লক্ষ্যে পার্টিসিপেটরি মডেল এ কাজ করছে, ভালো ই লাগলো। এর পরে গেলাম উত্তর কাশী, সেখানে দেখলাম এক স্প্যানিশ, এক পার্সি আর এক ব্রিটিশ থিয়েটার অ্যাক্টিভিস্ট এসে জুটেছে, দুজন পরিবেশ বিদ, রোজ নানা আলোচনা অল্প স্বল্প ক্লাস আর হাই থিংকিং ব্যাপার স্যাপার। বিকেলে পাহাড়ে পাহাড়ে হেঁটে বেড়ানো। তো সেই সুখের দিনে গোল লাগালো এক স্থানীয় নেতা, তখন উত্তরাখন্ডের আন্দোলন চলছে, সে স্কুলে এসে বল্লো আপনারা পতাকা উত্তোলোন করেন না ২৬ এ জানুয়ারি, আপনার উত্তর প্রদেশ সরকারের সিলেবাস মানেন কিনা বোঝা জায় না, এরকম করলে হবে না, তখন যেহেতু অন্য ছাত্র দের বাবা মা রা বাংগালোরের ছাত্র দের বা মা দের মত সমাজের বিরাত উঁচু তলা গুলো থেকে ছিলেন না, তখন স্কুলের কাজে কর্মে নানা সমস্যা তৈরী হল না, সমান্তরার পাল্টা প্রতিষ্ঠান তৈরী হওয়ায় বেশ কিছু অর্থনৈতিক মন্দা আর স্থানীয় জাতীয়তাবাদ সংক্রান্ত সমস্যা আছে দেখা গেল। তো আমার আর কি, আমি তখন খুশি ই হলাম, বিশ্বভারতীর ১৯৩০ কে চোখের সামনেই বিশ্বভারতীর ১৯৫১ হতে দেখলাম, যখন স্ত্যান্ডার্ডাইজ্ড হায়ার এডুকেশনের দায়, নিরীক্ষা কে খতম করলো, রয়ে গেল শুধু অনুষ্ঠান পর্ব।
    তো আমি বিশ্ব দর্শন করিনি, এঁগো কুঁয়োর বামপন্থী ব্যাং মাত্র, কিন্তু এই গল্পের অবতারণা হল কয়েকটা সমসাময়িকতা আর অর্গানাইজেশনাল সীমবদ্ধতা বোঝানোর জন্য। এন জিও জিনিস্টাই বাই ডেফিনিশন তৈরী হচ্ছে, সরকার গুলো যখন সোশাল ইন্ক্লুশনের রেগুলার কাজের দায়িত্ত্বের ইম্প্লিমেন্টেশন থেকে পিছিয়ে আসছে। ডোনর ফান্ডিং টা সে ভাবে ই পিছিয়ে আসহ্হে, যুক্তি টা থাকছে এই যে তৃতীয় বিশ্বে (হারারে কনফারেন্স) সরকার রিলায়েবল না, এন জি ও তৈরী করে তার মাধ্যে সোশাল ডেভেলপমেন্ট করতে হবে, কারণ একেবারে ডেভেলপমেন্ট না হওয়াটা আফটার অল ভালো দেখায় না, প্লাস সরকার সব কিছু করবেই বা কেন। তো এই জিনিস্টার নানা চেহারা এখন তৈরী হয়েছে, কেউ গেছে পলিসি প্ল্যানিং এর দিকে, আমেরিকান কোল্ড ওয়ারের আমলে আর বিজনেস লবির পুরোনো চেহারার থিংক ট্যান্ক এর যে অর্গানাইজেশনাল প্যাটার্নের ঐতিহ্যের দিকে, আজকের কোচ ফাউন্ডেশন আর ক্লিন্টন ফাউন্ডেশন এই ধরণের অর্গ এর উত্তর সূরী। আবার কেউ গেছে তৃতীয় বিশ্বে সেকুলার ভলান্টারিজম এর একটা আদর্শ গড়তে চাওআ অর্গ এর একটা টেম্প্লেট হয়ে উঠলো অক্সফ্যাম ইত্যাদি রা। পোর্তুগাল এর সাল্জার কে রেজিস্ট করতে গিয়ে গড়ে উঠেছিল হিউম্যান রাইট্স এর টেম্প্লেট অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, প্যালিস্টাইন সলিডারিটি মুভমেন্ট আর নিউক্লিয়ার ডিসারমামেম্ন্ট সেন্টার ইউরোপে নানা জায়্গায় সরকার বা পোলিটিকাল সিস্টেম এর বাইরে, সমাজ এবং পেশাদারী রাজ্নৈতিক জগতের মধ্যেখান টার স্পেস টা অ্যাড্রেস করতে শুরু করে, লিবার্টি অর্গ ও এসি সময় তেই গুরুত্ত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে কারণ বুঝতে হবে শুধু ইম্প্লিমেন্টেশন ই না, এমন কি সোশাল সেকটর এর চিন্তা ভাব্নাও সরকার গুলো আউট সোর্স করে, আবার অন্য দিকে বিষয় কেন্দ্রিক প্রফেসনাল স্কিল ও ডেভেলপ করে। কিন্তু অ্যাকাউন্টেবিলিটি নিয়ে সকলেই নিশ্চুপ থাকে, সে পিস কিপিং ফোর্স এর বেলাতেই হোক, বা ইউ এন ফান্ডিং এজেন্সী তেই হোক। ডেভেলোপমেন্ট স্টাডিজ নামক বিষয় টা ইকোনোমিক্স, পোলিটিকাল সায়েন্স এর বাইরে গড়ে ওঠে।
    মাইক্রোফাইনান্স এর মডেল শুরু হয় ম্যাক্রো ইকোনোমিক্স এর ফান্ডামেন্টাল স্টেটাস কুয়ো কে বা ইনটারভেন করার ক্ষমতা কে যাতে চ্যালেন্যে না পড়তে হয়।

    গোটা টাকে চক্রান্ত হিসেবে দেখার কিছু নেই, মুর্খ না হলে কেউ দেখবেও না, কিন্তু মতামতের ইতিহাসের ইন্টারেস্টিং দিক হল, সমসাময়িক ভাবনা চিন্তা নানা সময়েই সিমিং লি আনরিলেটেড এলাকায় স্নোবল করে, নতুন আইডিয়া যেমন আসে, নতুন সীমাবদ্ধতার কথা ভুললে চলে না।

    তামিল নাদু তে পার্টিকুলার্লি পিডিএস ডেলিভারি এবং অন্য সার্ভিস ডেলিভারি তে অভূতপূর্ব কাজ হয়েছে, এবং সেটা এন জি ও র জন্য না, অ্যাকাউন্টেবল সরকারি ইনটারভেনসন থাকার জন্যই হয়েছে। কেরালা তে মিজোরাম এ বেসিক এডুকেশনে সরকার এর কাজ ই প্রশংসা পেয়েছে। অন্যত্র ও হয়েছে, অতএব ব্যাপকতর সাফল্যের অনেকটাই পুরোটা অ্যাপোলিটিকাল সেট আপ থেকে আসে নি, আবার অন্য দিকে অনেক সময়েই থট লিডার শিপে বড় এন জি ও বেশ ভালো সাহায্য করেছে, আজ এমন অবস্থা, সরকারের জব্স ডেটার থেকে অক্সফ্যাম এর আনার্গনাইজ্ড সেক্টর এর সার্ভে বেশি গ্রহণযোগ্য। আবার অন্য দিকে গ্লোবালাইজেশনের পরে, একটা সমস্যা হয়েছে, সরকার গুলো ও স্কিম এর মাধ্যমে এটা ওটা ডেলিভার করছে বটে, কিন্তু তাতে জব্স জেনারেশন, বা পার্টিসিপেটরি ডেমোক্রাসি বাড়ছে কিনা বা বাড়লেও, তাকে শুধুই স্থানীয় পরিষেবাতেই সীমাবদ্ধ রেখে দেওয়া হহ্ছে কিনা, যাতে রাষ্ট্র পরিচালনায় স্টেটাস কুয়ো নষ্ট না হয়, সেটাও দেখা জরুরী। এবং এর পাওয়ার পয়েন্ট বা এম বি এ কোর্স হওয়াও কঠিন, পর্যবেক্ষন ভালো, একটু খোঁজ খবর ও করতে হবে।

    অ্যাপোলিটিকাল বিষয়ে মুগ্ধতা ভালো, কিন্তু সেটা কনটেকস্চুয়ালাইজ না করতে পারলে অবসারভেশন টাকে স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে প্লেস করা মুশকিল। এটা ক্লিয়ারলি আংশিক ছবি, কিন্তু শুধুই শহরের তুলনা, এমন কি আগ বাড়িয়ে মানসিকতার তুলনা বিষয় টা না।
  • sm | ০৩ মে ২০১৯ ১০:০৩408753
  • হে ভগবান!ফণীর চিন্তায় পাগোল হয়ে যাচ্ছি।এর মধ্যে এই প্রবল প্রবন্ধ ঝড়!
    দাদা রে,আমি বাঁচতে চাই।
  • | ০৩ মে ২০১৯ ০৯:৫৫408752
  • বিপ্লব না এলেও ক্ষতি নেই, কল্যানমূলক রাষ্ট্র হলেই হল, হিন্দু রাষ্ট্র এলেই ক্ষতি, এবং কনটেক্স্ট টা মোটামুটি সংক্ষেপে এই। একটু নিউজ পড়লেই দেখবে, কর্ণাটক এবং উড়িষ্যা এবং আসাম এই তিনটে হল, ট্র্যাডিশনাল হিন্দুত্ত্ববাদী বলয়ের বাইরে সংঘ পরিবারের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে গড়ে উঠেছে, সরকারে সব জায়্গায় না থাকলেও। ত্রিপুরা লেটেস্ট। কর্নাটকের খ্রিষ্টান এব`ক কন্ধমাল এ প্রচুর অত্যাচর ও করেছে এরা। কয়েক বছর আগে। অর্থাৎ কল্পনার ইম্পেরিয়াল ইন্ডিয়ার যেগুলো কল্পনার পেরিফেরি সেখানে হিন্দুত্ত্ববাদী দের স্থানীয় ইসু বা কনজারভেটিভ লিডারশিপ গুলোর সঙ্গে এজেন্ডা কো অপশনের গল্পটা সত্যি ভারতের পক্ষে দুশ্চিন্তার ছিল। তার উপরে লুরু তে ছিল নিও লিবেরাল জয় জয়াকার। নারায়ন মুর্তি ইত্যাদি দের মেসাইয়া বানানো হয়েছিল, আবার পাবে মাল খেতে গিয়ে মেয়েরা ক্যাল ও খাচ্ছিলো এই সব জায়্গাকার কনজারভেটিভ রিয়াকশনে। গৌরী লংকেশ এর হত্যার পরে এবং লিংগায়েত দের সঙ্গে নানা রকম নেগোশিয়েশন করার সময়, জেনেরালি ইংরেজি সংবাদ মাধ্যম পড়া লোক দের কনশাসনেসে দুটো জিনিস হিট করে, একটা হল, হিন্দুত্ত্ববাদী দের কো অপশন এজেন্ডা এখনো সম্পূর্ণ নয়, দুই যুক্তিবাদী দের একটা ট্র্যাডিশন আছে, তিন আমরা যারা লেফ্ট তারা একটু খুশি এবং অবাক হই, নতুন ইন্ডাস্ট্রি তে ট্রেড ইউনিয়ন তৈরী টায় কর্নাটক এবং তামিলনাদু একধরণের সাধারণ গ্রহণযোগ্যতার লোকেশন হয়ে দাঁড়ায়। নানা ধরনের ক্রাইসিস এর কারণেই হয়েছে। এবং আমরা যারা ট্রেড ইউনিয়ন প্রেস এর সঙ্গে পরিচিত, তারাও খুশি হয়েই লক্ষ্য করি, কয়েক্টা নির্বাচনে (পৌরসভা সম্ভবত), আর যুব বা মহিলা সমাবেশে লুরুতে বড় মিছিল টিছিল হচ্ছে। অবশ্যই আগেই যেরকম বলছিলাম, আরো বেশি হলে তবেই ন্যাশনাল প্রেস এ জায়্গা পাওয়া যাবে, যেরকম ভাবে বম্বের লং মার্চ পেরেছে। তো এই যে ন্যারেটিভ সব কিছুই ভীষণ অর্গানাইজ্ড আর ভালো, জেন্টীল লোক জনে পাবলিক স্ফিয়ার কানায় পরিপূর্ণ সেটা একধরণের দৃষ্টি সংক্রান্ত সমস্যা আর কিছু না। আপাতা এই। শিল্প থাকবে, তাতে শিল্প সম্পর্কের সমস্যা থাকবে না, ট্র্যাডিশনাল ডিসেন্টিং ফেল করছে বলেই সকলেই জেন্টীল হয়ে যাবে, নতুন ডিসেন্টিং থাকবে না, বা অন্য ধাঁচের ডিসেন্টিং থাকবে না, পোলিটিকাল মোবিলাইজেশন থাকবে না, গোটা জন জীবন আর সমাজের উপকার ভীষণ সুন্দর শব্দহীন ভাবে চলবে কোন ক্যাকোফোনি থাকবে না সেটা প্রিয় হলেও অবাস্তব কল্পনা। গণতন্ত্রে চেচামেচি থাকবে, খুব সাংঘাতিক সামাজিক অর্ডার এমনকি দেশের জন্য স্বেচ্ছায় প্রশ্নহীন উদ্বুদ্ধ সেবাদান আসলে অটোক্রাসি র লক্ষন।
  • lcm | ০৩ মে ২০১৯ ০৯:৩৯408751
  • চেন্নই গেছে নাকি? ওড়িশা দেখলাম যেন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত