এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • dc | ০১ মার্চ ২০১৯ ১১:৫১406200
  • ওবাবা! হাওলা টাওলার অন্য অনেক উপায় আছে তো! :d
  • dc | ০১ মার্চ ২০১৯ ১১:৫০406199
  • হ্যাঁ NEFT করতে হবে। গিফট ট্যাক্স বোধায় ট্র্যানসয়াকসনের সময়ে বসবে না, পরে রিটার্ন ফাইল করার সময়ে লাগবে (যদি কোন ট্র্যানস্যাকশানের বেসিসে না হয়)।
  • lcm | ০১ মার্চ ২০১৯ ১১:৪৯406198
  • বড়েস,
    থ্যাংকু। না এটা হচ্ছে, এখানে একজনের কাছে ইন্ডিয়ার ব্যাংকে টাকা আছে, সে ওটাকে ডলারে আনতে চাইছে, আর একজন এখান থেকে ডলার পাঠাতে চাইছে। বেসিক্যালি, হাওলা। কিন্তু ১৮% জিএসটি অনেকটা। আচ্ছা, গিফ্‌ট ট্যাক্সও কি ঐ ১৮%?
  • S | ০১ মার্চ ২০১৯ ১১:৪১406197
  • আমার কেন জানি মনে হচ্ছে ফেকু এবারে ইলেকশন হারবে। চাড্ডীরা খুব চটেছে। প্রথমে ডিমনির ফলে অনেকক্ষন রোদে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছিলো। জিএসটি এসে ব্যবসার বারোটা বাজিয়েছে। তারপরে মন্দিরও হলোনা। শেষে পাকিস্তানের কাছেও হারলো। এখন শোনা যাচ্ছে ইকনমিরও ইসে হয়ে গেছে। শুধু গরু দিয়ে আর কটা ইলেকশন পার করবে?
  • S | ০১ মার্চ ২০১৯ ১১:৩৬406196
  • লসাগুদা, আইসিআইতে ১০ লাখ NEFT করলে ২৫ টাকা চার্জ আর ২৫ টাকার উপরে ১৮% জিএসটি।
  • S | ০১ মার্চ ২০১৯ ১১:৩১406195
  • https://www.icicibank.com/Personal-Banking/onlineservice/online-services/FundsTransfer/neft-rtgs.page

    এতোগুলো টাকা কিসের জন্য দিচ্ছে? যদি এমনিই হয়, তাহলে এর উপরে গিফ্ট ট্যাক্স বসবে (আত্মীয়তার সম্পর্ক নয়)। বাড়ি-জমি বিক্কিরি ইত্যাদির ক্ষেত্রে লাগবে না।
  • de | ০১ মার্চ ২০১৯ ১১:৩০406194
  • আমাদের শুধু ফরেন পলিসি খারাপ নয়, শিক্ষিত মধ্যবিত্ত আমজনতার মানসিকতাতেও বিশাল ফারাক।

    কখনো ওয়াঘা বর্ডার গেছেন? মানসিকতার ফারাকটা এমনভাবে ধরা পড়বে যে লজ্জায় মাটিতে মিশে যেতে ইচ্ছে করবে। কুচকাওয়াজের সময়ে ভারতীয় জনতার বডি ল্যাঙ্গোয়েজ, যেন পারলে ওপারে গিয়ে এখনি পিষে দিয়ে আসবে কয়েকজনকে, ক্রমাগত "পাকিস্তান মুর্দাবাদ", পতাকা নিয়ে গ্যালারিতে দৌড় ইত্যাদীর বিপক্ষে ওপারের ক্রমাগত হাতনাড়া (আমিও হাত নেড়েছিলাম, কিন্তু ওই ভিড়ে আমায় দেখাই যায়নি সিওর!), হাসিমুখ, ইভন গুড লাক ইন্ডিয়া ইঃ পোস্টার। ভারতের শিক্ষিত মানুষকে আজকাল আমার আর শিক্ষিত বলে মনেই হয় না। কোথাও গুরুতর গলদ থেকে যাচ্ছে।

    পাকিস্তানী গায়করা না এলে বলিউডের গান আরো একঘেয়ে হবে - কেউ আর গান শুনবে না। আর ফাওয়াদ খান আসবে না? শুনলেই মরে যেতে ইচ্ছে করে!
  • lcm | ০১ মার্চ ২০১৯ ১১:২৫406193
  • আচ্ছা, একটা জিনিস জানার আছে --- ইন্ডিয়ার মধ্যে ব্যাংক-টু-ব্যাংক মানি ট্রান্সফার, ধরো ৫০ লাখ টাকার, এতে কি কোনো ট্যাক্স দিতে হয়? এই GST বা ইনকাম ট্যাক্স গোছের কিছু। অ্যাকাউন্ট হোল্ডার পরস্পরকে চেনে, কলিগ, কিন্তু আত্মীয়তার সম্পর্ক নয়।
  • dc | ০১ মার্চ ২০১৯ ১০:৪৮406192
  • "কিছু যুদ্ধবিমান বিক্রি চীনের মূল উদ্দেশ্য নয় (যদিও দাম পেলে অবশ্যই করবে), ওদের দীর্ঘেমেয়াদী প্রকল্প রয়েছে এইসব দেশগুলোর সঙ্গে"

    একদম একমত। এটাই বলছিলাম, চীন এখন এমার্জিং পাওয়ার, নিজেদের ইনফ্লুয়েন্স পুরো এশিয়া আর গ্লোবাল স্কেলে ছড়িয়ে দিতে চায়। অ্যামেরিকা ইরানের ওপর যে অয়েল এম্বার্গো চাপাতে চাইছে, সেটা ভারত আর চীন মিলে এড়াতে চাইছে। আর চীনের ইন্ডিয়া পলিসি যদ্দুর মনে হয় ব্যালেন্সিং অ্যাক্ট। ভারতের সাথে সরাসরি কনফ্লিক্টও চায়না কিন্তু কিছুটা ব্যতিব্যাস্তও রাখতে চায়।
  • lcm | ০১ মার্চ ২০১৯ ১০:৪২406189
  • শুধু পাকিস্তান না, চিন অনেক দেশেই ইনভেস্ট করছে। এই যেমন ধরো, কাজাকাস্তান - Kazakhstan and China are implementing 51 joint projects in industry, transport and logistics worth approximately $28 billion.

    কিছু যুদ্ধবিমান বিক্রি চীনের মূল উদ্দেশ্য নয় (যদিও দাম পেলে অবশ্যই করবে), ওদের দীর্ঘেমেয়াদী প্রকল্প রয়েছে এইসব দেশগুলোর সঙ্গে। ব্রিটিশরা ইন্ডিয়াতে ইনফ্রাস্ট্রাকাচারে ইনভেস্ট করত (রেলওয়ে, ব্রিজ, রাস্তাঘাট...) ব্যবসা পদ্ধতি উন্নত করার জন্য, আরও মুনাফার জন্য - - চিন এখন তাই করছে - উদ্দেশ্য অবশ্যই মুনাফা, কিন্তু আরও উদ্দেশ্য আছে। চীনের প্রধান শত্রু চীন নিজেই, প্রায় ১৪০ কোটি লোকের কর্মসংস্থান জোগানো কঠিন কাজ। আর আভ্যন্তরীন ঝামেলা লাগলে ৯৩ সালে যেভাবে তিয়ানেনেমেন স্কোয়ার ট্যাংক দিয়ে সামলে দেওয়া গেছিল, ২০২০ সালে এরকম করা যাবে না। সারা পৃথিবী জুড়ে মার্কেট তৈরি করতে হবে, যেখানের চিনের লেবার ফোর্স দিয়ে তৈরি উপকরণ দিয়ে তৈরি হবে রাস্তা, ব্রিজ, পাওয়ার প্লান্ট ইত্যাদি।
  • dc | ০১ মার্চ ২০১৯ ১০:৪২406190
  • অমিত, একমত। আর গত পাঁচ বছরে আমাদের ফরেন পলিসি আর কাশ্মীর পলিসির কথা না বলাই ভালো।
  • amit | ০১ মার্চ ২০১৯ ১০:৩৭406187
  • চীনের সাথে টক্করে গিয়ে তো লাভ নেই এই মুহূর্তে, তাই ডায়লগ বাড়াতে হবে। ইন্ডিয়ার ফরেন পলিসি এমন হাল করে দিচ্ছে ফেকুর আমলে, পুরোনো বন্ধুরা সরে যাচ্ছে, নতুন কেও এগিয়ে আসছে না। শুধু দোষ দিয়ে কিচ্ছু এচিভ করা যাবে না জাস্ট। নিজের রিচ বাড়াতে হবে। সেটা শুধু ছাতি দেখালে হবে না, হাত ও বাড়াতে হয়।

    আমরা নিজেরা মিলিরাটি দিয়ে কাশ্মীরের লোককে দাবিয়ে রাখবো, ইনক্লুসিভ কোনো এপ্রোচ নেবোনা, আর কিছু হলেই অন্যকে আঙ্গুল দেখাবো, এর তো কোনো শেষ নেই। গত ৭০ বছরে কি চেঞ্জ হয়েছে ? জাস্ট বডি কাউন্ট বেড়েছে। আর গত পাঁচ বছরে হিংসা পুরো দেশে ছড়িয়ে গেছে, এমন হাল যে সাধারণ আমাদের মতো ম্যাংগো লোকজন যত রেসিস্ট, কম্যুনাল পোস্ট অন্ধের মতো না বুঝে ফরওয়ার্ড করে যাচ্ছে। এর ফল কি হতে পারে, না বুঝেই।

    এই যে কদিন আগে একটা পাক বন্দিকে রাজস্থানে জেলে পিটিয়ে মারা হলো, একটা কোথাও কোনো সেনসিবল স্টেটমেন্ট বা প্রতিবাদ এসেছে যে কাজটা ঠিক হয়নি ? প্রতিবাদ করলেই আন্টি ন্যাশনাল। একটা অদ্ভুত ওয়ার মঙ্গেরিং স্টেট এ চলে যাচ্ছে সবাই।

    যে যা পারছে, মাইলেজ নেয়ার চেষ্টা করছে এই বাজারে, কেও কম যায়না। এই পাঞ্জাব এর সিম, অমরিনদের সিংহ, মোদিকে টুইট করছে যে ও নিজে বগাহ বর্ডার এ গিয়ে নিয়ে আসবে কিনা IAF এর ক্যাপ্টেন কে। আরে যেতে হলে যা, কারো পারমিশন লাগে না কি নিজের দেশে এক জায়গায় যেতে -? কিন্তু না, যাওয়াটা ইম্প নয়, যাচ্ছি সেটা পুরো দুনিয়াকে ব্যান্ড বাজিয়ে দেখানো টাই দরকার।
  • dc | ০১ মার্চ ২০১৯ ১০:৩২406186
  • টি, প্রক্সি ওয়ার চালিয়ে লাভ এটাই যে ইন্ডিয়া মিলিটারিতে ইনভেস্ট করতে বাধ্য থাকবে, তাছাড়া কাশ্মীর ভারতের পার্মানেন্ট মাথাব্যথা হয়ে থাকবে। কনফ্লিক্ট বজায় থাকলে চীনের লাভ।

    (এর মানে এই না যে কাশ্মীরে ভারতের কোন রোল নেই। ইন্ডিয়াও একইভাবে পাকিস্তানের আর চীনের কিছু কিছু অঞ্চলে কনফ্লিক্ট তৈরি করে রাখতে চায়, কিন্তু চীন এই কাজটা অনেক ভালো ভাবে করতে পারছে, আর ভারতের ব্যর্থতারও সুযোগ নিতে পারছে)
  • dc | ০১ মার্চ ২০১৯ ১০:২৮406185
  • এলসিএমদা ঠিক বলেছেন। পাকিস্তানে চীন বিরাট ইনভেস্ট করেছে, তার ওপর পাকিস্তান এখন চীনের গেটওয়ে টু অ্যারাবিয়ান সি। ফলে ভারত পাকিস্তানের বড়ো যুদ্ধ চীন কখনওই হতে দেবে না, পাকিস্তানে লো ইন্টেনসিটি কনফ্লিক্ট চালিয়ে যাবে।
  • T | ০১ মার্চ ২০১৯ ১০:২৭406184
  • কিন্তু কাশ্মীরে প্রক্সি ওয়ার চালিয়ে চীনের কী লাভ। অ্যাত ইনভেস্টমেন্ট করেছে এবং করছে সিল্ক রুট তৈরীতে। ঐসব পিওকে দিয়েই তো সেসব রাস্তা গ্যাচে। অ্যাত পয়সাকড়ি জলে যাক তা নিশ্চয়ই চাইবে না।
  • dc | ০১ মার্চ ২০১৯ ১০:২১406182
  • অমিত, নানা আমি স্পেসিফিকালি বা আলাদা ভাবে চীনকে দোষ দিতে চাইনি। জিওপলিটিক্সে কনফ্লিক্ট এর একটা বড়ো রোল আছে, আর প্রতিটা শক্তিশালী দেশই নানান সময়ে নানাভাবে নানান জায়গায় কনফ্লিক্ট জিয়ে রেখেছে বা রাখে যাতে নিজেরা একটা গ্লোবাল রোল রাখতে পারে। এবার চীনের ব্যপারে আলোচনা করতে হলে এখনকার জিওপলিটিকাল পরিস্থিতি দেখুন। চীন এই মহূর্তে রাইজিং পাওয়ার, আর ইন্টারেস্টিংলি আমেরিকা ট্রাম্পের আন্ডারে গ্লোবাল স্টেজে নিজেদের কিছুটা গুটিয়ে নিতে চাইছে। এর ফলে চীন পুরো সাউথ এশিয়াতে নিজেদের ইনফ্লুয়েন্স বিশাল ভাবে ছড়িয়ে দিচ্ছে, ম্যাসিভ ইনভেস্টমেন্ট করছে ইত্যাদি। এশিয়ার কোন দেশই চীনের সাথে টক্কর দেওয়ার জায়গায় আর নেই। ইন্ডিয়াও এশিয়াতে ইনফ্লুয়েন্স খাটাতে চায়, কিন্তু চীন ভারতের তুলনায় বহুগুন এগিয়ে গেছে। ফলে ইন্ডিয়া আর চীন দুজনেই পরষ্পরকে বিব্রত করতে চায়, কিন্তু চীন এই কাজটা অনেক ভালোভাবে করতে পারছে। চীন পাকিস্তানকে অ্যামেরিকান ইনফ্লুয়েন্স স্ফিয়ার থেকে অনেকটাই বার করে এনে নিজেদের স্ফিয়ারে ঢুকিয়ে নিয়েছে, ফলে কাশ্মীরের প্রক্সি ওয়ারটা এখন পাকিস্তানের পেছনে থেকে চীনই অনেকটা কন্ট্রোল করছে।

    ঈশান, শুধু চীনের লাভ তো অবশ্যই না, অ্যামেরিকা বা অন্যরা যারা অস্ত্র বেচে প্রক্সি ওয়ার চললে তাদের সকলেরই লাভ। এরা কেউই চাইবে না যে কাশ্মীরে স্থিরতা আসুক। তবে কাশ্মীরে প্রক্সি ওয়ার চালালে আপাতত চীনের লাভ বেশী কারন এশিয়াতে চীনের আধিপত্য বাড়ছে। ভারত কাশ্মীর নিয়ে ব্যস্ত থাকলে চীনের নিজেকে প্রোজেক্ট করতে সুবিধে হয়।
  • dc | ০১ মার্চ ২০১৯ ১০:২১406183
  • অমিত, নানা আমি স্পেসিফিকালি বা আলাদা ভাবে চীনকে দোষ দিতে চাইনি। জিওপলিটিক্সে কনফ্লিক্ট এর একটা বড়ো রোল আছে, আর প্রতিটা শক্তিশালী দেশই নানান সময়ে নানাভাবে নানান জায়গায় কনফ্লিক্ট জিয়ে রেখেছে বা রাখে যাতে নিজেরা একটা গ্লোবাল রোল রাখতে পারে। এবার চীনের ব্যপারে আলোচনা করতে হলে এখনকার জিওপলিটিকাল পরিস্থিতি দেখুন। চীন এই মহূর্তে রাইজিং পাওয়ার, আর ইন্টারেস্টিংলি আমেরিকা ট্রাম্পের আন্ডারে গ্লোবাল স্টেজে নিজেদের কিছুটা গুটিয়ে নিতে চাইছে। এর ফলে চীন পুরো সাউথ এশিয়াতে নিজেদের ইনফ্লুয়েন্স বিশাল ভাবে ছড়িয়ে দিচ্ছে, ম্যাসিভ ইনভেস্টমেন্ট করছে ইত্যাদি। এশিয়ার কোন দেশই চীনের সাথে টক্কর দেওয়ার জায়গায় আর নেই। ইন্ডিয়াও এশিয়াতে ইনফ্লুয়েন্স খাটাতে চায়, কিন্তু চীন ভারতের তুলনায় বহুগুন এগিয়ে গেছে। ফলে ইন্ডিয়া আর চীন দুজনেই পরষ্পরকে বিব্রত করতে চায়, কিন্তু চীন এই কাজটা অনেক ভালোভাবে করতে পারছে। চীন পাকিস্তানকে অ্যামেরিকান ইনফ্লুয়েন্স স্ফিয়ার থেকে অনেকটাই বার করে এনে নিজেদের স্ফিয়ারে ঢুকিয়ে নিয়েছে, ফলে কাশ্মীরের প্রক্সি ওয়ারটা এখন পাকিস্তানের পেছনে থেকে চীনই অনেকটা কন্ট্রোল করছে।

    ঈশান, শুধু চীনের লাভ তো অবশ্যই না, অ্যামেরিকা বা অন্যরা যারা অস্ত্র বেচে প্রক্সি ওয়ার চললে তাদের সকলেরই লাভ। এরা কেউই চাইবে না যে কাশ্মীরে স্থিরতা আসুক। তবে কাশ্মীরে প্রক্সি ওয়ার চালালে আপাতত চীনের লাভ বেশী কারন এশিয়াতে চীনের আধিপত্য বাড়ছে। ভারত কাশ্মীর নিয়ে ব্যস্ত থাকলে চীনের নিজেকে প্রোজেক্ট করতে সুবিধে হয়।
  • lcm | ০১ মার্চ ২০১৯ ১০:১৮406181
  • চীনের তো পাকিস্তানে ইনভেস্টমেন্ট আছে। CPEC - China Pakistan Economic Corridor প্রায় ৭০-৮০ বিলিয়ন ডলারের।

    Pakistan’s Khyber-Pakhtunkhwa province, not far from where Indian warplanes struck on Tuesday morning, is a major site of Chinese investment.

    The $1.3bn (£980m) 70-mile Thakot-Havelian road project passes through Mansehra, a district where the Indian air attacks took place. A major hydropower project is also under construction. Further military action in the area could jeopardise that investment.
  • S | ০১ মার্চ ২০১৯ ১০:০৯406180
  • ডিক চেনির কতা ভুলে গেলেন দাদা?
  • Ishan | ০১ মার্চ ২০১৯ ১০:০৫406179
  • প্রক্সি ওয়ার চললে শুধু চিনের লাভ কেন? চিন কি একা যে অস্ত্র বেচে?

    আমেরিকা সৌদির মতো একটা বর্বর দেশকে তোল্লাই দিয়ে রেখেছে। সৌদি দুনিয়ার সর্বত্র ইসলামি মৌলবাদ ছড়িয়ে চলেছে অবাধে, এ কি এমনি? পাকিস্তানের জেনারালদের একটা শত্রু চাই, ভারতের চাড্ডিদের একটা শত্রু চাই, আমেরিকারও নানারকম শত্রু চাই। জিওপলিটিকাল কথাবার্তায় আমেরিকার লম্বা হাত, মুজাহিদিনদের তৈরি, সৌদিকে ক্রমাগত তোল্লাই দেওয়া এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছি নামক একটা ঢপ দিয়ে ইরাক আক্রমণ করা, এইগুলো কখনই কেন আসেনা বুঝিনা। যেন ভারত পাকিস্তান আর চিনই শুধু যুদ্ধ করছে। কিন্তু আসলে এই কমপ্লিট ঢপ দিয়ে যুদ্ধ শুরু করা এবং মিডিয়াকে সেটা গেলানো এ তো ছোটো বুশের নিজস্ব কপিরাইট।
  • S | ০১ মার্চ ২০১৯ ০৯:৫৯406178
  • "শান্তি মানে ইন্ডিয়া বাকি সবকটা প্রতিবেশী দেশের ওপর যেমন ইচ্ছে দাদাগিরি করবে আর বাকিরা বাধ্য অধস্তনের এর মতো মাথা নিচু করে শুনবে। "

    চীনেরও ঐরকমই দাবী। কিন্তু চীন সেই জায়্গায় পৌঁছে গেছে। ইন্ডিয়া অনেক অনেক দুর। ইন্ডিয়ার গ্লোবাল/রিজিওনাল অ্যাম্বিশানের সঙ্গে চীনের বর্তমান স্টেটাসের কনফ্লিক্ট লাগছে। আরো লাগবে যদি না দুটো দেশই দুজনকে কিছুটা স্পেস দিতে রাজী না হয়।

    চীন যদি মনে করে ইন্ডিয়াকে কর্ণার করবে, তাহলে ইন্ডিয়াও হাত পা ছুঁড়বে। আর তাতে আম্রিগা/জাপান/কোরিয়া ইন্ডিয়াকে উসকাবে; প্রক্সি ওয়ারের ব্যবস্থা হবে। সেটাকে কাউন্টার করতে চীন আবার পাকিস্তানকে উসকাবে। আবার ইন্ডিয়া যদি কথায় কথায় চীনের সঙ্গে ঝামেলা লাগায় তাহলে চীনও উচিৎ শিক্ষা দেবে, পাকিস্তানকে দিয়ে ঝামেলা বাড়াবে। এইসব চলবে আরকি।

    আশা করি চীন ম্যাচিউরিটির পরিচয় দেবে। ইন্ডিয়াকে ইকনমিক ইন্সেন্টিভ দিয়ে শান্ত রাখবে। কনফ্লিক্ট ছাড়া বছর দশেক চললে আর দুদেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বাড়লে এমনিতেও ডিএসকালেট হয়ে যাবে। তখন বর্ডার ডিসপিউট গুলোকে রিজলভ করে শান্তি চুক্তি এমনকি মিলিটারি ব্লক তৈরী করা যাবে। এই লাস্টটার জন্য চীন আর রাশিয়া মরিয়া। এখন দেখতে হবে যে ইন্ডিয়া কি করে এইসব দিক একসঙ্গে সামলায়, ঝামেলায় না গিয়ে।
  • S | ০১ মার্চ ২০১৯ ০৯:৪৭406177
  • "চীন এর বর্ডার এ এতগুলো দেশ আছে, ওরা কি সবার সাথে দিন রাত্রি লড়ছে ?"

    Invasion of Tibet
    Korean war
    Indo-China war
    Sino-Soviet conflict
    Sino-Vietnam war
    Taiwan crises
  • amit | ০১ মার্চ ২০১৯ ০৯:৩৩406176
  • শুধু চীন কে বা অন্যদের দোষ দিয়ে কি লাভ আছে ? ওরা চাইছে না বলে শান্তি আসছে না, এসব ছেদো অজুহাত। চীন এর বর্ডার এ এতগুলো দেশ আছে, ওরা কি সবার সাথে দিন রাত্রি লড়ছে ? না প্লেন ওড়াচ্ছে বর্ডার পেরিয়ে ?

    আসল কথাটা এটাই যে আমরাও আদতে ও রকম শান্তি চাইনা যেখানে যে যার মতো মাথা উঁচু করে বেঁচে আছে। আমাদের বেশির ভাগ এর কাছে শান্তি মানে ইন্ডিয়া বাকি সবকটা প্রতিবেশী দেশের ওপর যেমন ইচ্ছে দাদাগিরি করবে আর বাকিরা বাধ্য অধস্তনের এর মতো মাথা নিচু করে শুনবে। অনেকটা কোল্ড ওয়ার এরা USA বা রাশিয়ার র মতো। সেই লেভেল এর ক্লাউট আমাদের নেই কোন দিকেই। তো সেটা হচ্ছে কোথায় ?

    আর চাড্ডিরা নিজেদের শত্রু ঠিক খুঁজে নেবে। আজকে পাকিস্তান, কালকে সেটা নাহলে মুসলিম, নাহলে মারাঠা বিহারি, অথবা আসামী-বাঙালি, নাহলে আরবান নক্সাল। সংঘাত আর শত্রু না থাকলে রাজনীতি টিকবে কি করে ?
  • xyz | ০১ মার্চ ২০১৯ ০৯:১৩406175
  • শ্রীপারাবত এর ছেলে একটা ওয়েবসাইট বানিয়ে বাবার সমস্ত বই বাবার ও অনেকের অটোগ্রাফ ইত্যাদি রেখেছেন। ওখান থেকেই জানতে পারবেন। একটু সার্চ করে নিতে হবে।
  • Atoz | ০১ মার্চ ২০১৯ ০৮:১৭406174
  • জাপানিরাই বা করে কী? পুবদিক থেকে চীনে ঢুকে পড়ে না কেন? লড়ে না কেন? কোরিয়ানরাই বা করছে কী? উত্তর দক্ষিণ দুই ভায়ে মিলে গিয়ে একযোগে ঝাঁপিয়ে পড়লেই তো পারে!
  • Atoz | ০১ মার্চ ২০১৯ ০৮:১৩406173
  • কিছু যুদ্ধ এদিক ওদিক দিয়ে চীনে পাচার করা যায় না? শুধু আমরাই লড়ে লড়ে ওদের লাভ কেন বাড়াই? ওদেরও কিছু খসিয়ে এদিকে লাভ আনি! উইঘু টুইঘুরা লড়ে না?
  • dc | ০১ মার্চ ২০১৯ ০৭:৪৩406172
  • ইমরান, সেনসিবল নেবার থাকলে ভারতের খুব সুবিধে। ভেবে দেখুন, ওদের পিএম আপনি আর আমাদের পি এম দাদা, তাহলে দু দেশের মধ্যে টক্করটা কেমন হবে ভাবতে পারছেন? ইকোনমিক, কালচারাল, আর স্পোর্টস এরিনায় তীব্র প্রতিযোগিতা হবে, কে কতো এক্সপোর্ট করবে সে নিয়ে লড়াই হবে।

    কিন্তু দুঃখের কথা সেসব হবেনা, কারন জিওপলিটিকাল হিসেব অন্যরকম। ভারত আর পাকিস্তানের মধ্যে লো ইনটেনসিটি বা প্রক্সি ওয়ার চললে ভারত কিছুটা ব্যতিব্যস্ত থাকবে, তাতে চীনের লাভ। কাজেই চীন চাইবে না যে কাশ্মীরে স্থিরতা আসুক।
  • Atoz | ০১ মার্চ ২০১৯ ০৭:০৩406171
  • শ্রীপারাবতের(ওই যে যিনি নানা ইতিহাসভিত্তিক উপন্যাস লিখেছেন, অশোক, তুতানখামেন, সিরাজউদ্দৌল্লা, শাহাজাহান ইত্যাদি প্রভৃতি কারুকেই বাদ্দেন নি ) আসল নাম কী? কেউ জানেন?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত