এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • sm | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ১০:৫৪405510
  • পুরো সাক্ষাৎকার টি তুলে দিলাম। একজন সমাজবিজ্ঞানীর দৃষ্টি তে দেখা।যারা সরকারি স্কুলে খালি রিজিওনাল মিডিয়ামের পক্ষে সওয়াল করেন, তারা আখেরে কাদের ক্ষতি বা লাভ করছেন?
    ভেবে দেখার মতন জিনিস।
  • sm | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ১০:৫০405509
  • http://www.epaper.eisamay.com/Details.aspx?id=46407&boxid=38039
    শূদ্ররা ইংরেজি শেখেনি, নাগালে আসেনি ক্ষমতাও

    শূদ্রদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য গুজ্জর, জাঠ, কুর্মি, মারাঠা, রেড্ডি, কাম্মা। আছেন পশ্চিমবঙ্গের নমঃশূদ্ররাও। তাঁদের কারওরই বেসরকারি, ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে সন্তানদের পড়ানোর সামর্থ্য নেই। তাঁরা সবাই সরকারি স্কুলে আঞ্চলিক ভাষায় পড়তে বাধ্য হন।

    কৃষ্ণেন্দু চাকী

    ‘ফ্রম আ শেপার্ড বয় টু অ্যান ইন্টেলেকচুয়াল’, ইংরেজিতে প্রথম এক শূদ্রের আত্মজীবনী। শূদ্র জনগোষ্ঠীর স্মৃতি-সত্তা-ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে কাঞ্চা ইলাইয়া শেপার্ড। আলাপে অভিজিৎ সেন

    অভিজিৎ সেন: এক সাম্প্রতিক নিবন্ধে আপনি বলেছেন, ইংরেজি ও দর্শনশিক্ষার প্রতি আগ্রহের অভাবের জন্যই ভারতের শূদ্ররা পিছিয়ে পড়ছেন। এই কারণেই এই সমাজ থেকে কোনও বলার মতো বুদ্ধিজীবী নেতাও উঠে আসছেন না।

    কাঞ্চা ইলাইয়া শেপার্ড: একেবারেই তাই। ঊনবিংশ শতাব্দীতে মহারাষ্ট্রের জ্যোতিরাও ফুলে এবং বিংশ শতাব্দীতে তামিলনাড়ুতে পেরিয়ারের পর আর কোনও বড় মাপের শূদ্র নেতা উঠে আসেননি। অথচ আমাদের জনসংখ্যার ৭০ শতাংশই শূদ্র। আমার অবাক লাগে, দু’শো বছর আগে বাংলায় রাজা রামমোহন রায় এবং উইলিয়াম কেরির উদ্যোগে ইংরেজি শিক্ষা চালু হলেও সেখান থেকেও বলার মতো কোনও শূদ্র লেখককে আমরা পাইনি।

    কেন, মনোরঞ্জন ব্যাপারীকে আমরা পেয়েছি।

    সেটা তো সাম্প্রতিক কালে। মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু, অবিভক্ত অন্ধ্রপ্রদেশে শূদ্র লেখকেরা অনেক আগে আত্মপ্রকাশ করেন। আমার আশ্চর্য লাগে যখন দেখি কংগ্রেসের ‘বিগ থ্রি’র মধ্যে মহাত্মা গান্ধী এবং জওহরলাল নেহরুর যেখানে অজস্র বই রয়েছে, সেখানে শূদ্র নেতা বল্লভভাই প্যাটেলের কোনও বই-ই নেই। ফুলে বা পেরিয়ার, কেউই আত্মজীবনী লিখে যাননি। সে দিক থেকে বলতে পারেন, আমার ‘ফ্রম আ শেপার্ড বয় টু অ্যান ইন্টেলেকচুয়াল’ কোনও শূদ্রের ইংরেজিতে লেখা প্রথম আত্মজীবনী। আঞ্চলিক ভাষায় কোনও শূদ্র লেখকের আত্মজীবনী আছে কি না আমার জানা নেই।

    শূদ্র সমাজ থেকে ভালো লেখক উঠে না আসার আর কী কারণ থাকতে পারে?

    আমাদের মনে রাখতে হবে, শূদ্ররা হলেন মূলত কৃষিপণ্য বা শস্যের উৎপাদক। তাঁদের অন্যান্য কাজের মধ্যে রয়েছে গবাদি পশুপালন, হলকর্ষণ, হস্তশিল্প, মাছ ধরা, মৃৎশিল্প, কাঠের কাজ, ইত্যাদি। আমার মতে, উৎপাদকরা লেখক না হলে সেই অভিজ্ঞতা, সেই জ্ঞান কখনওই দেশের সাহিত্যের অঙ্গ হয়ে উঠবে না। আর সেটা না হলে আমাদের স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মানও কখনও উন্নত হবে না। তাই সরকারি, বেসরকারি স্কুল নির্বিশেষে পাঠ্যক্রমে ৫০ শতাংশ ইংরেজি ও ৫০ শতাংশ আঞ্চলিক ভাষায় শিক্ষাদানের ব্যবস্থা থাকা উচিত।

    পরাধীন ভারতে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের কথাই ভাবুন। সেই সময় প্রাচীন মহাকাব্য ও বেদ-পুরাণ-উপনিষদের উপর টীকা ও ভাষ্য রচিত হল। বাংলায় বঙ্কিম, মহারাষ্ট্রে তিলক। অথচ কাদের গুণগান করা হল? ব্রাহ্মণদের। যাঁদের সঙ্গে প্রকৃতির কোনও যোগই গড়ে ওঠেনি। যাঁরা কোনওদিন কোনও পশুর সঙ্গে লড়েননি, আবার কোনও পশুকে পোষও মানাননি। জীবন থেকে কোনও অভিজ্ঞতাই সঞ্চয় করেননি। ঠিক এইখানেই শূদ্ররা ইতিবাচক ভূমিকা নিতে পারেন।

    একটু বিস্তারিত ভাবে বলি। শুধু বই পড়ে জ্ঞান আহরণ হয় না। শূদ্ররা নিজে তাঁদের উৎপাদনশীলতা, পেশার কথা লিখলে এবং সে কথা জানলে মানুষ আরও বিজ্ঞানমনস্কহয়ে উঠবে।

    বিভিন্ন যুগে, ভারতে তিনটি ভাষার পরাক্রম দেখা গিয়েছে। এগুলি হল সংস্কৃত, পার্শি এবং ইংরেজি। সংস্কৃত সীমাবদ্ধ ছিল ব্রাহ্মণ সমাজের মধ্যে। এই ব্যবস্থার কিছুটা সুফল পেয়েছিল ক্ষত্রিয় এবং বৈশ্য বা বানিয়ারাও। মুঘল যুগে পার্শি এবং ব্রিটিশ শাসনের সময় ইংরেজি, কোনও ভাষা শিক্ষারই সুযোগ পাননি শূদ্ররা। সেই কারণেই সিভিল সার্ভিস বলুন, র‍াজ্যপাল বা রাষ্ট্রদূত পদ বলুন, সব জায়গাতেই শূদ্রদের সংখ্যা নগণ্য।

    কিন্তু বর্তমান রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ?

    উনি দলিত সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি। শূদ্ররা আলাদা। একটা সময় দলিতদের অচ্ছুৎ বলে দূরে সরিয়ে রাখা হত। গ্রামের মধ্যে বাস করাতেও বিধিনিষেধ ছিল। তারপরেও তাঁরা ঘুরে দাঁড়ান। আমাদের দেশে দলিত উত্থানের মূলে রয়েছে বৌদ্ধধর্ম এবং খ্রিস্টধর্মের প্রভাব। অনেকেই হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে অন্য ধর্মে দীক্ষিত হন, মিশনারি স্কুলে পড়াশোনা করে নিজেরা পায়ের নীচে মাটি খুঁজে পান। শূদ্ররা কিন্তু ধর্মত্যাগ করেননি। তাঁরা হিন্দু ধর্মের অংশ হয়েই বেঁচে থাকতে চেয়েছেন।

    আমায় অবাক করে শূদ্রদের জড়তা বা ইমমোবিলিটি। দেশের জনসংখ্যার একটা বিশাল অংশ হয়েও তাঁরা ব্রাহ্মণ এবং দলিতদের মধ্যে যোগসূত্র হতে পারলেন না। যদি তাঁরা সঠিক শিক্ষা পেয়ে আলোকপ্রাপ্ত হতেন, তা হলে দেশের শিক্ষা ও দর্শনে তাঁদের বিরাট প্রভাব থাকত। সেটা হয়নি বলেই আজও তাঁরা সব থেকে পিছিয়ে পড়া সামাজিক গোষ্ঠী।

    অথচ দেখুন প্রাচীন যুগে হরপ্পার সভ্যতা গড়েছিলেন শূদ্ররাই। বৈদিক যুগে সেই শহর সভ্যতা ধ্বংস হয়। আসে রাখালিয়া অর্থনীতি (প্যাস্টোরাল ইকনমি)। বৈদিক যুগে অবশ্য যুদ্ধ প্রযুক্তির উন্নতি হয়। ঘোড়া এ দেশের জন্তু না হলেও, তার উপরেই নজর পড়ল বেশি। ভুলে যাওয়া হল পশু হিসাবে সব থেকে বড় সম্পদ মোষকে যাকে সিন্ধু সভ্যতার মানুষই প্রথম পোষ মানিয়েছিল। গবাদি পশুর মধ্যে গরু, ছাগল আসে অনেক পরে। বৌদ্ধ যুগে শূদ্রদের অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়। এর পরের হাজার বছর অন্ধকারময়। অথচ এই সময়ই ইউরোপ ও চিন অনেকটা এগিয়ে যায়।

    প্রাচীন যুগ থেকে সাম্প্রতিক ভারতে ফেরা যাক। ১৯৮৯ সালে মণ্ডল কমিশনের প্রস্তাবকে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ভি পি সিংয়ের রূপায়ণ করাকে সিদ্ধান্তকে যুগান্তকারী হিসেবে ধরা হয়। তফসিলি জাতি ও উপজাতির সঙ্গে সংরক্ষণের আওতায় চলে আসে অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি বা ওবিসি।

    মণ্ডল কমিশনের প্রস্তাব রূপায়ণের ফলেই শূদ্র ও অনগ্রসর শ্রেণি থেকেও উঠে আসে এক নতুন বুদ্ধিজীবী শ্রেণি যার অন্যতম সদস্য আমিও। তার আগে আমাদের কারও ইংরেজিতে লেখার আগ্রহও তৈরি হয়নি। শূদ্ররা ছড়িয়ে আছেন বহু রাজ্যের অসংখ্য গ্রামে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য গুজ্জর, জাঠ, কুর্মি, মারাঠা, রেড্ডি, কাম্মা। আছেন পশ্চিমবঙ্গের নমঃশূদ্ররাও। তাঁদের মিল এক জায়গায়। তাঁদের কারওরই বেসরকারি, ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে সন্তানদের পড়ানোর সামর্থ্য নেই। তাঁরা সবাই সরকারি স্কুলে আঞ্চলিক ভাষায় পড়তে বাধ্য হন। কিন্তু এর ফলে যেটা হল, সরকারি স্কুলে পড়েই বেশ কিছু আঞ্চলিক নেতা ময়দানে অবতীর্ণ হলেন। রাজ্য স্তরে যথেষ্ট ক্ষমতাবান হলেও দিল্লিতে ক্ষমতার অলিন্দে আসতে তাঁরা সক্ষম হননি। লালু, নীতীশ, মুলায়ম সবাই এই গোত্রের নেতা। অন্য দিকে নেহরু-গান্ধী পরিবার, তাঁদের বহুদিনের অর্জিত ইংরেজি শিক্ষার সুবাদেই এতদিন ভারত শাসন করতে পেরেছিলেন।

    কিন্তু বিজেপি-আরএসএসের নেতৃত্বে হিন্দু জাতীয়তাবাদ মাথা চাড়া দিতেই সরকারি স্কুলে শিক্ষাপ্রাপ্ত এই সব শূদ্র নেতারা ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়লেন। আজ উত্তরপ্রদেশ এবং হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রীরা ক্ষত্রিয়, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একজন ব্রাহ্মণ। বাংলা ও ওডিশায় বহু দিন ধরেই মুখ্যমন্ত্রীরা হয় ব্রাহ্মণ বা অন্য কোনও উচ্চবর্ণের। অন্ধ্রতে অবশ্য ৩৫ বছর ধরে শূদ্ররাই মুখ্যমন্ত্রীর গদিতে বসছেন। কিন্তু তা হলেও এই নেতৃত্বে দার্শনিক চিন্তাধারার একান্ত অভাব।

    আমি আবার জোর দিয়ে বলতে চাই যদি কোনও দেশ উৎপাদক শ্রেণি থেকে দার্শনিক দিতে না পারে তা হলে সে দেশের বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং ম্যানেজমেন্ট কখনওই ইউরোপ, আমেরিকা বা চিনের পর্যায় যেতে পারবে না।

    প্রথমেই আপনার যে নিবন্ধের উল্লেখ করেছিলাম তাতে আপনি বলেছিলেন হিন্দু জাতীয়তাবাদের নেতৃত্ব ব্রাহ্মণ-বানিয়াদের হাতে থাকলেও তার প্রসারে বড় ভূমিকা আছে শূদ্রদেরও। কী ভাবে এর ব্যাখ্যা করবেন?

    একটা কারণ আগেই বলেছি। ধর্মান্তরিত হওয়ার ক্ষেত্রে শূদ্রদের প্রবল অনীহা। অন্য দিকে হিন্দু জাতীয়তাবাদের প্রবক্তাদের পেশি শক্তির জোগান দেন শূদ্ররাই। জয় শ্রীরামই বলুন আর বোলো দুগ্গা মাঈকিই বলুন, তাঁদেরই গলার জোর সব থেকে বেশি। যে কোনও পুজোর সংগঠনে তাঁরাই সব থেকে বেশি খাটেন। কিন্তু ভগবানকে নিয়ে তাঁদের কোনও দার্শনিক চিন্তাধারা গড়েই ওঠেনি। তাঁরা ভগবানকে জড়, পৌত্তলিকতার বাইরে ভাবতেই পারেন না।

    কয়েকদিন আগে কেন্দ্র চাকরির ক্ষেত্রে সাধারণ শ্রেণির মধ্যে আর্থিক ভাবে দুর্বলদের জন্য ১০ শতাংশ সংরক্ষণ ঘোষণা করেছে। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে এর কতটা প্রভাব পড়বে বলে মনে হয়?

    বিষয়টি নিয়ে তো আদালতে মামলা হয়েছে। তবে এর জন্য যা শর্ত রাখা হয়েছে তা অনেকেই পূরণ করবেন। তবে আমার মনে হয় ইংরেজিতে শিক্ষিত ব্রাহ্মণ-বানিয়া, কায়স্থ ও ক্ষত্রীরাই এই চাকরির সিংহভাগ দখল করবে। কেন্দ্রীয় স্তরে এই সব চাকরি থেকে শূদ্ররা আবার বঞ্চিত হবেন। অন্য দিক থেকেও চ্যালেঞ্জ আসছে। একদিকে ব্রাহ্মণরা এবং আরএসএস যখন সংরক্ষণের বিরোধিতা করছে তখন সংরক্ষণের দাবিতে এখন সরব শূদ্রদের মধ্যে উচ্চ গোত্রের প্যাটেল, গুজ্জর, জাঠ ও মারাঠারা।

    আপনার নামের পিছনে শেপার্ড লেখার কারণ কী?

    বছর কয়েক আগে হায়দরাবাদে ব্রাহ্মণদের একটা অংশ আমার পরিবার, আমার পদবি নিয়ে কদর্য ভাবে আক্রমণে নামে। তারই প্রতিবাদে আমার নামের সঙ্গে শেপার্ড জুড়ে দিয়েছি। সবাই জানুক, এক সাধারণ মেষপালক পরিবার থেকে আমি উঠে এসেছি।

    কাঞ্চা ইলাইয়া শেপার্ড দলিত সমাজবিজ্ঞানী
  • T | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ১০:৪৪405508
  • তা, অর্জুনবাবু যখন আছেন তখন একটু খোলসা করেই দিই। প্রিন্স দ্বারকানাথের মাতুলালয়ের দিকের এক মামা, একটু দূরের সম্পর্ক যদিও, নাম বোধহয় জীমূতবাহন, এক বন্ধুর সঙ্গে (নাম দাশরথি বা ঐরম, ঠিক মনে পড়ছে না) মিলে মাছের ব্যবসা শুরু করেন। মোস্ট প্রবাবলি জাহাজের ব্যবসা থেকেই আইডিয়াটা এসেছিল। তাছাড়া, হোয়াই নট ফিশ? তো সে ব্যবসা বিবিধ ঘাটে ধাক্কা খেতে খেতে স্বাধীনতার পরবর্ত্তীতে বিধানবাবুর গোচরে আসে। উনি যেহেতু মেছো ব্যাপার খুব বেশী পছন্দ করতেন না, তাই একদিন চা য়ের আসরে রামলাল রায়কে (জমিদার) এই ব্যবসার দায়িত্ব নিতে বলেন। রামলাল বাবুরও সেরম ইচ্ছে ছিল না, ভদ্রলোক কবিতা ভালবাসতেন, শোনা যায় দার্জিলিং এ ম্যালে গিয়ে কার একটা গলায় ক্যাসাবিয়াংকা শুনে মুগ্ধ হয়েছিলেন। তা সে যাহোক, অনিচ্ছাসত্ত্বেও মাছের ব্যবসায় নামার পর ধীরে ধীরে রপ্ত করে ফেলেন পুরো ব্যাপারটা। কারণ, দিস ইজ ফিশ আফটার অল। এরপর এক বন্ধুর সঙ্গে মিলে গোড়াপত্তন করেন বেঙ্গল ফিশ এর। এই অন্য বন্ধুটি ছিলেন আমাদের সিগনেট প্রেসের দিলীপবাবু। বেঙ্গল ফিশের বিস্তারকল্যাণে উনি সারা বাংলাদেশ চষে বেড়াচ্চেন তখন। কিন্তু ইম্পোর্ট এক্সপোর্টে সমস্যার কারণে ভদ্রলোক ব্যবসা ছেড়ে দেন এবং শোনা যায় এই মাছের সূত্রেই ওঁর সঙ্গে জীবনানন্দের আলাপ ফলে বিগ ফিশ ট্র্যাপে পড়ে। এই সিগনিফিক্যান্ট ডিসকভারিতে বুদ্ধিজীবী মহলে বেঙ্গল ফিশের খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে এবং সারস্বত কানেকশনের শুরুও বলা যায় এ থেকেই। যদিও বাম সরকার ক্ষমতায় আসার পর বেঙ্গল ফিশকে সন্দেহের চোখে দেখা হ'ত, খাড়ি বেয়ে মাছের পেটে সিয়ার ডলার চালান হচ্ছে বলে। ফিশি বিজনেস কিনা। তারপরের ব্যাপার স্যাপার তো জানেনই। কুপনের ব্যাপারটা জানি না। তবে আমার মনে হয় ডিরোজিওর ভক্ত রাধিকারমণই প্রথম কুপন ব্যাপারটা চালু করেন, ওটা একটু সংবাদ প্রভাকর দেখে বলতে হবে।
  • অর্জুন অভিষেক | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ১০:০৫405507
  • @আতজ

    ৩৫০ কেজি বিস্ফোরকের আতঙ্কবাদী হামলা, মৃত্যু এখনও অবধি ৪৪।

    পাকিস্তানের জইশ-ই-মহম্মদ এই ঘটনার দায় নিয়েছে।
  • aranya | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ০৭:১৭405505
  • ৪৪ জন সিআরপিএফ জওয়ান মারা গেছে :-((
  • b | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ০৭:০৯405503
  • ফার্শ্টো ফ্লাশ পোসায় নি। বাদামী জল না চা বুইতে পারি নাই।
  • দু | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ০৭:০২405502
  • এখন সন্ত্রাসী কারখানা চালু হয়ে যাবে। মেরে ধরে জুতো দিয়ে চেপে আরো কত জনকে ঠেলে দেবে হননের পথে।
  • Atoz | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ০৩:০৮405501
  • পহেলা ফাল্গুন এসে চলেও গেল কি? বসন্তের প্রথম দিনের শুভেচ্ছা সবাইকে যদিও এখনও অনেক জায়্গাতেই অনেক শীত। কিন্তু কবি বলেছেন, শীত আছে তো কী হয়েছে, বসন্তও কাছিয়ে আসছে। যাবে কোথায়? ঃ-)
  • Atoz | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ০১:৫৬405500
  • বড়াই, সেই চায়ের্বইটা কি ডবল ডিমাই অক্টাভো পাবলিশড বাই ভবদুলাল? ঃ-)
  • Atoz | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ০১:৫৪405499
  • দু দি, তাই দেখলাম। মাধ্যমিক পরীক্ষা নিয়ে মিডিয়ার কোনো হেলদোল নেই। প্রশ্ন ফাঁস হয়ে যাচ্ছে এইভাবে পর পর, মিডিয়া না রাম, না গঙ্গা। শিক্ষাদীক্ষার চেয়ে ফুর্তিফার্তা, যুদ্ধটুদ্ধ, দাঙ্গাহাঙ্গামা এসব নিয়ে ব্যস্ত থাকাই তো অনেক বেশি লাভের।
  • I | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ০১:৫২405498
  • আরে ! এ ছোঁড়া চায়ের ওপর আমার সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন পড়ে নি মনে হচ্ছে।চা না কফি -টইতে আছে। পড়োগে যাও।

    বুড়োবয়সে চা নিয়ে বই লিখব।চীন, শ্রীলঙ্কা, কেনিয়া,আসাম,দাজ্জিলিং ঘুরে এসে লিখবো। জমজমাট বই।চায়ের সব আস্পেক্ট থাকবে।হিসরি, জোগ্রাফি,সাহিত্য,রকের গপ্পো,প্রস্তুতপ্রণালী সব।
  • Atoz | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ০১:৪৭405496
  • পেয়েছি। পুলওয়ামায় হয়েছে।
  • r2h | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ০১:৪৭405497
  • হ্যাঁ, ঐটাই ইন্দোদা! ভুলে গেছিলাম ডিটেল।
  • I | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ০১:৪৫405495
  • হুতোকে বল্লাম।
  • I | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ০১:৪৪405494
  • কাকা।সুবিনয় রায়।বৈষ্ণবভোগ্য, হাবিলদারভোগ্য ইত্যাদি।
  • Atoz | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ০১:৪৩405493
  • কোথায় জানি অ্যাটাক হয়েছে। এখনও কোনো ফেবু গ্রুপে কিছু দেখিনি। একজনের একটা প্রতিবাদী পোস্ট দেখলাম কেবল। তাতেও নাম ধাম বলা নেই।
  • I | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ০১:৪২405492
  • আপনি তালে মর্মপীড়ের দেখা পেয়ে গেছেন।জাগতিক ব্যাদনা আর আপনাকে স্পর্শ কর্বে না।
  • Atoz | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ০১:৪১405490
  • বড়াই, তোমায় মালাই চা দেয় ওরা। ঃ-)
  • I | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ০১:৪১405491
  • আমি বেস্পতিবার যেখানে ইকো করি, সেখানে মোটকা সর-পড়া দুধের চা দেয়।চুমুক দিলেই ঠোঁটে সর আটকে যায়।আঠালো সর।
  • Atoz | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ০১:৪০405488
  • আমি বাপু দারচিনি এলাচ দেওয়া মশলা চা খাই। দুধ চিনি তো থাকেই।
  • র২হ | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ০১:৪০405489
  • ‘পলুশন অন্য অন্য সোর্স থেকে হয়’, না ‘পলুশন অন্য অন্য সোর্স থেকে”ও” হয়’?

    সত্যজিৎ রায়ের কোন আত্মীয়র একটা বেশ চায়ের শ্রেনীবিভাগ ছিল।
  • র২হ | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ০১:৩৮405487
  • ভালো কেন, আমি মন্দ চাও দুধ চিনি ছাড়া খাই।
  • I | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ০১:৩৭405486
  • তাতে দুধ চিনি দিয়েছেন কি ঘ্যাচাং ফু।মুন্ডুটাই হাওয়া।মুন্ডুছাড়া চা খাওয়া সে কী বিড়ম্বনা!
  • I | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ০১:৩৫405484
  • সাধে কি আর রাণীর পানীয়! শ্যাম্পেন অফ টী মশাই!
  • Atoz | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ০১:৩৫405485
  • তার মানে মেলার ঘাড়ে পলুশনের দোষ চাপিয়ে ময়দান থেকে মেলা হটিয়েছে, এদিকে পলুশন অন্য অন্য সোর্স থেকে হয়। সেসবের কোনো সমাধান করে না।
  • Atoz | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ০১:২৯405483
  • ১০০ গ্রাম ৪৫০০ টাকা? এ কি চা না এনরিচড ইউরেনিয়াম?????
  • I | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ০১:২৬405482
  • মার্গারেট হোপের স্প্রিং মুনলাইট ফার্স্ট ফ্লাশ তো কেউ ডেকে আদর করে খাওয়াতে পারেন,আপনেরা এত বড়নোক ও চায়ের কনয়শার সব।১০০ গ্রাম ৪৫০০ টেকা। রাণী ঐ চায়ের বিশেষ ভক্ত।শোনা কথা অবিশ্যি।

    হোয়াইট টী চেখে দেখার বড় সাধ মশাই।
  • অর্জুন অভিষেক | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ০১:২০405481
  • একদমই তাই @Icm

    দেখে নিচ্ছি @আতজ ঃ-)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত