এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • de | ২২ জানুয়ারি ২০১৯ ১০:৫৮404340
  • ঘরজামাইয়ে এতো ছি ছির আছেটা কী? ঘরবধূ তো বরাবরই হয় -

    সেই সময়কার মানুষগুলোর এতো আংশিক দর্শন কাম্য নয় - সেই সময়্টাকে ছেড়ে দিয়ে তো মানুষগুলো নন - সময়ের বিচার না করে শুধু মানুষের বিচার ঠিক নয় -
  • অর্জুন অভিষেক | ২২ জানুয়ারি ২০১৯ ১০:১৯404339
  • @ন্যাড়া

    খুব সহজ, প্রথমটা unofficial (ডাকনাম) দ্বিতীয়টা official।

    বিখ্যাতদের নামের ইতিহাসের সঙ্গে আমার দুই নাম পাশাপাশি রাখার কোনো সম্পর্ক নেই।
  • ন্যাড়া | ২২ জানুয়ারি ২০১৯ ১০:১০404338
  • ইতস্ততঃ করে জিগেস করেই ফেলি - এই "অর্জুন অভিষেক" নাম বাবুল-সুপ্রিয় মাফিক নাকি লক্ষ্মীকান্ত-পেয়ারেলাল মাফিক?
  • অর্জুন অভিষেক | ২২ জানুয়ারি ২০১৯ ০৯:১৩404337
  • সত্যেন ঠাকুর খাসা লোক ছিলেন। ঐ পরিবারে একমাত্র চাকুরে, তাও আবার সিভিল সার্ভিসে। প্রথম আই সি এস। সোজা কথা নয়! কর্নাটকে কারোয়ারে (ওখানে অনেককাল পোস্টেড ছিলেন) ওর নামে একটা বীচ আছে।

    সেকি! আতজ, আপনি প্রজ্ঞাসুন্দরী দেবীর 'আমিষ ও নিরামিষ আহার' র কথা জানেন না!
  • Atoz | ২২ জানুয়ারি ২০১৯ ০৬:৫২404336
  • "ভাই জ্ঞেনু -
    আমার সঙ্গে কথা কও না কেনু?"
    ঃ-)
    লিটারেলি এরকম পরিস্থিতির কথা আছে গল্পটায়। ঃ-)
  • | ২২ জানুয়ারি ২০১৯ ০৬:৩৫404335
  • ভাই জ্ঞেনুঃ-)
  • Atoz | ২২ জানুয়ারি ২০১৯ ০২:৪৮404334
  • আর ঠাকুরবাড়ির রান্নাঘর! ওরেব্বাবা ! সেই খাবার নাকি বাজে হোস্টেলের খাবারের মতন। ঃ-)
    ঠাকুর চাকরে রান্না করত। একবার জমিদারির আয় গেল কমে। দেবেন ঠাকুর স্ত্রীকে বললেন, "বৌমাদের রান্না করা শেখাও"। ঃ-)
  • Atoz | ২২ জানুয়ারি ২০১৯ ০২:২৯404333
  • মনে হয় রোমুলাসের মতন একটা নিজস্ব রোমান সাম্রাজ্য করতে চেয়েছিলেন দেবেন্দ্রনাথ। পিরালি সংসর্গের জন্য সামাজিকভাবে তাঁরা অনেকখানেই সম্পর্ক করতে পারতেন না, তাই যাদের যাদের সুবিধায় পেতেন, খপ করে ধরে খাঁচায় পুরে ফেলতেন। একবার পিরালি বামুনের মেয়ে বিয়ে করলেই সামাজিকভাবে সেই ছেলে পরিত্যক্ত, তখন শ্বশুরের বৃত্তিভোগী হয়ে থাকা ছাড়া আর অন্য অপশন নেই। আর উনি কাজ করিয়ে নিতেও জানতেন, অত বড় জমিদারি রক্ষায় কাজ তো কিছু কম না! প্রজা শাসন, খাজনা আদায়, দই খই, হিসাবপত্তর ----হাজার কাজ।
  • Atoz | ২২ জানুয়ারি ২০১৯ ০২:২০404332
  • প্রধানতঃ এইটা জানার জন্যই গল্পটা পড়েছিলাম। ঃ-) সত্যেন্দ্রনাথ জ্ঞানদাকে জ্ঞেনি ডাকতেন। ঃ-)
  • অর্জুন অভিষেক | ২২ জানুয়ারি ২০১৯ ০২:০১404331
  • @আতজ, সত্যেন্দ্রনাথ জ্ঞানদানন্দিনীকে কি নামে ডাকতেন ? 'জ্ঞানদা'? না নন্দিনী?' নাকি মূল নামে একসঙ্গে? ঃ-)ঃ-)ঃ-)

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় 'রানু ও ভানু' তে লিখেছেন উইলিয়াম এলেমহার্স্ট জ্ঞানদানন্দিনীর উচ্চারণ করেছিলেন 'গ্যানড্যানড্যান' ঃ-) ঃ-) ঃ-)
  • অর্জুন অভিষেক | ২২ জানুয়ারি ২০১৯ ০১:৪৭404330
  • দেবেন্দ্রনাথের কথা যত কম বলা যায় ততই ভাল। ২০১৭ তে তার দুশো বছর পূর্ণ হল, কোষে গালাগাল দিয়ে কাউকে ভূত ছাড়াতে দেখলাম না। আমি একটা পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত, সেখানে দেখলাম দেবেন ঠাকুরকে নিয়ে বেশ গদগদ একটা লেখা বের করল। বয়স্ক সম্পাদককে বেশ ঝাড়লাম 'ওই লেখাটা আপনি কি ভাবে অ্যাপ্রুভ করলেন?' আর দেবেন ঠাকুরের দুশো বছরে আমাদের কি?

    দেবেন্দ্রনাথ তার বড়জামাই সারদাপ্রসাদ গঙ্গোপাধ্যায়কে ম্যানেজার করে রেখেছিলেন। শুনেছি বেচারার পিতৃ বিয়োগের খবর শোনার পরেও দেবেন্দ্রনাথের অনুমতি ছাড়া বাড়ি যেতে পারেননি। জামাইয়ের কাছে নাকি নির্দেশ ছিল শ্রাদ্ধ শান্তি চোকার পরে কাল বিলম্ব না করে কাজে ফেরার। এই তো ইতিহাস।
  • Atoz | ২২ জানুয়ারি ২০১৯ ০০:৫৮404329
  • কাহিনী থেকে সবচেয়ে প্রকট হয় তখন মেয়েরা জাস্ট বস্তু ছিল, পুরুষেরা যা ঠিক করতেন তাই ঘটতো তাদের। মেয়ের মায়ের মতামতের দাম শূন্য।
    ভাবুন, এই মেয়ে সারাজীবন নিজের সমস্ত তিক্ততা, অনিচ্ছা লুকিয়ে রাখতে বাধ্য হয়ে এক বনেদী বাড়ির বৌ হিসেবে প্রায় বছর-বিয়ানি হয়ে জীবন কাটালেন। বহু সন্তান জন্ম দিলেন, তারপর একসময় মারা গেলেন। খেল খতম।
  • Atoz | ২২ জানুয়ারি ২০১৯ ০০:৫৩404328
  • কেঁদে অন্ধ হয়ে যাওয়া হয়তো আলঙ্কারিক। হয়তো ভদ্রমহিলা প্রায়োপবেশনে মারা যান, অর্থাৎ অনশনে। অথবা এমনিই অন্য কোনো অসুখে। তবে মানসিক আঘাত তো একটা ছিলই।
  • Ekak | ২২ জানুয়ারি ২০১৯ ০০:৫১404327
  • এই গপ্পোটা বাঙালিদের মধ্যে খুব চলে। কিন্তু সাবকনজাঙ্কটিভাল হেমোরেজ কী এরকম জলভাত নাকি ?? যেখানেই বাংলা রূপকথা পড়ি, ল্যাখে অমুক ঘুঁটেকুড়ুনি তমুকের দুঃখে কেঁদে কেঁদে অন্ধ হয়ে গেলেন। ইল্লি নাকি ! হাইপারবলের হারকারী আর কাকে বলে !
  • Atoz | ২২ জানুয়ারি ২০১৯ ০০:৪৬404326
  • আরে জ্ঞানদানন্দিনী দেবীর একটা গল্প পড়লাম এক সংকলনে। "সেকালের শ্বশুরবাড়ী"। সে সাংঘাতিক কেস। ছ বছর বয়সে জ্ঞানদাকে বিয়ে দিয়ে ঠাকুরবাড়ি পাঠিয়ে দিল। ওঁর শাশুড়ীর(রবীন্দ্রদের মা সারদাসুন্দরী) কেস আরো সাংঘাতিক, মেয়েটির কাকা তাকে গ্রাম থেকে এনে দেবেন্দ্রনাথের সঙ্গে বিয়ে দিয়ে দিল, মেয়েটির মাকে না জানিয়ে। মেয়েটির মা কোথায় যেন গিয়েছিলেন, বাড়ি ফিরে যখন শুনলেন এইভাবে মেয়ে নিয়ে গিয়েছে দেওর, গাছতলায় পড়ে কেঁদে কেঁদে অন্ধ হয়ে মারা গেলেন। এইরকমই লিখেছেন জ্ঞানদানন্দিনী, মানে উনি এরকমই শুনেছিলেন।
    দেবেন্দ্রনাথ নিজের মেয়েদের সঙ্গে যেসব ছেলেদের বিয়ে দিতেন তাঁদের ঘরজামাই রাখতেন, কারণ এসব ছেলেরা আর নিজের সমাজে ফিরতে পারত না, পিরালি সংসর্গের কারণে। কী অবস্থা!!!!!
  • অর্জুন অভিষেক | ২২ জানুয়ারি ২০১৯ ০০:২৯404325
  • @আতজ ঃ-) ঃ-)

    হ্যাঁ, ব্রেম্ম্ররা তখন সর্বত্র। দেবেন্দ্রমোহন সম্ভবত ডাঃ নীলরতন সরকারের জামাই। কাজেই।।।।।।
  • Atoz | ২২ জানুয়ারি ২০১৯ ০০:০১404324
  • ওরে বাবা, দূরসম্পর্কের আত্মীয় তো! তার উপরে কড়া হেরম্বটাইপ ব্রাহ্মসন্তান! ঃ-) (বেসিক্যালি বোঝা যাচ্ছে ঐ বিজ্ঞানমন্দির ব্রাহ্মদেরই একচেটে ছিল। বিভা একে জমিদারের মেয়ে, তায় দূরসম্পর্কীয়া আত্মীয়া বসুদের, সেইসব চেক করেই নিয়েছে। নইলে বাইরের মেয়ে নিলে যদি প্রেমে ট্রেম হয়ে যায়, তাইলে তো হেরম্ব কেস! "মশাই, ও মশাই, সিনেমাহল কোথায় জানেন? " হেরম্ব গম্ভীর গলায়, "জানি কিন্তু বলবো না" ঃ-) )
  • অর্জুন অভিষেক | ২১ জানুয়ারি ২০১৯ ২৩:৪৫404323
  • আমার অনেকবার মনে হয়েছে দার্জিলিঙে মাসের পর মাস (বোধহয়) বেশ কয়েক বছর ধরে দেবেন্দ্রমোহন বসু ও বিভা চৌধুরীর গবেষণা করেছেন। ওদের মধ্যে যদি প্রেম টেম হয়ে বেশ একটা ইন্টারেস্টিং ঘটনা ঘটত তাহলে দুজনে ইনস্ট্যান্টলি ফ্যামাস হয়ে যেতেন। অর্থাৎ যাকে লোকে স্ক্যাণ্ডেল বলে।

    দুজনেই নির্মল বিজ্ঞানী ছিলেন। কঠোর গবেষণা করেছেন, সাক্সেস পাননি, ব্যাক টু ওয়ার্ক অ্যাগেন। এদের কে মনে রাখবে!
  • Atoz | ২১ জানুয়ারি ২০১৯ ২৩:৪৩404322
  • "কিশোর জ্ঞান বিজ্ঞান" এর কোনো একটা পুজোসংখ্যায় (আশির দশকের শেষ দিকে) কসমিক রে বিষয়ক একটা প্রবন্ধে প্রথম পাই বিভা চৌধুরীর কথা। হ্যাঁ, দেবেন্দ্রমোহন বসুর সঙ্গে কসমিক রে বিষয়ে গবেষণার সূত্রেই। ওঁরা যে ইমালশন প্লেট ব্যবহার করে কসমিক রে পার্টিকল ট্র্যাক করতেন, সেই প্লেটগুলো আসা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল যুদ্ধের জন্য, তাই গবেষণাও স্থগিত হয়ে গিয়েছিল। নইলে আর একটু এগোলেই মেসন ডিটেক্ট করতে পারতেন। পরে অন্যেরা সেই কাজ করেই নোবেল পান।
  • অর্জুন অভিষেক | ২১ জানুয়ারি ২০১৯ ২৩:৩৮404321
  • ডঃ বিভা চৌধুরীকে নিয়ে আমার কৌতূহল স্কুল জীবন থেকে। সেটা '৯৫ কি '৯৬ সাল। শারদীয়া আনন্দমেলায় প্রকাশ পেয়েছিল সম্ভবত পথিক গুহ' র দার্জিলিঙে মায়াপুরীর বসু বিজ্ঞান মন্দিরে ডঃ দেবেন্দ্রমোহন বসু ও ডঃ বিভা চৌধুরীর গবেষণা নিয়ে। লেখাটা এত মনে ধরেছিল কি বলব! দেবেন্দ্রমোহন বসুর কথা জানা যায় কিন্তু কে এই বিভা চৌধুরী ? কত বয়েস ছিল তার গবেষণার সময়? পরবর্তীকালে কি কাজ করেছিলেন তিনি? এবং কোথায় ? কয়েকজনকে জিজ্ঞাসা করেও গালে হাত দিয়ে চোখ ওপরে তোলা মুখভঙ্গী ছাড়া কোনো জবাব পাইনি।

    গত বছর গুরুচন্ডা৯ ক্যালেন্ডার প্রজেক্টে ইপ্সিতা পাল যে পোস্ট দিয়েছিলেন তাতে এটা আমি বারবার উল্লেখ করেছিলাম। কয়েকজন বলেছিলেন খোঁজ নেবেন। তথ্য পেয়েছিলাম টি। আই। এফ। আর এ ছিলেন। আমার ভগ্নীপতি (এক্স টি। আর। এফ আর।আইট) কাছেও জানতে চেয়েছিলাম।

    সেদিন একটা ব্লগে একজনের পোস্ট থেকে জানতে পারলাম।

    খুব প্রয়োজনীয় ভাল কাজ।
  • Atoz | ২১ জানুয়ারি ২০১৯ ২৩:২৭404320
  • হ্যাঁ অর্জুন, চোখে পড়েছে। আপনার হয়তো মনে আছে মাসকয়েক আগেও বিভা চৌধুরীকে নিয়ে কথা হচ্ছিল, পিটি তখন লিংক দিয়েছিলেন। ইন ফ্যাক্ট, পিটি ই প্রথম বলছিলেন বি চৌধুরীর কথা, ডি এম বোসের সঙ্গে কাজ করতেন সেই কত আগে, কলকাতার মহিলা বিজ্ঞানী, অথচ কলকাতায় টিঁকতেই পারলেন না।
  • অর্জুন অভিষেক | ২১ জানুয়ারি ২০১৯ ২৩:২৩404319
  • টইয়ের 'সিভি রমন ও নোবেল পুরস্কার' এ সেদিন লিখলাম তো ডঃ বিভা চৌধুরীর জীবনী গ্রন্থ নিয়ে।
  • Atoz | ২১ জানুয়ারি ২০১৯ ২৩:২০404318
  • হ্যাঁ, বিভা চৌধুরীর এই খবরটা মাস দুই আগেও ফেসবুকে শেয়ার করছিলেন অনেকে। ওঁর সম্পর্কে জীবনীমূলক একটা নতুন বইয়ের প্রকাশই হয়তো এর কারণ।
  • Atoz | ২১ জানুয়ারি ২০১৯ ০১:০২404314
  • অনেককিছু শেখার আছে। এই যেমন টইতে গিয়ে একটা দারুণ কাব্যিক কথা শিখলাম, "সত্যে অবগাহন" অর্থাৎ কিনা সত্যে ডুব দিয়ে সাঁতার কেটে স্নান। ঃ-)
  • j | ২০ জানুয়ারি ২০১৯ ২২:৩২404313
  • টলিউড নিয়ে রকম লিখলে শুধু উন্নয়নের মার নয়, পুলুশ আগ বাড়িয়ে জামিন অযোগ্য পরোয়ানা ধরিয়ে দেবে। টালিগঞ্জ মালদা বালুরঘাটের সদ্য কেস গুলো সাংবাদিক্গণ হাড়ে হাড়ে জানেন
  • pi | ২০ জানুয়ারি ২০১৯ ১৯:০৯404312
  • হ্যাঁ, লিখতে যাচ্ছিলাম, এই লেখা জাগরী বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই শেয়ার করেছেন, সেখানে পেলাম।
  • sm | ২০ জানুয়ারি ২০১৯ ১৯:০১404311
  • তবে এম আর এফ কেও ধন্যবাদ দিতে হয়।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত