এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • de | ২৩ অক্টোবর ২০১৮ ১৬:৪২401160
  • আচ্ছা, নরকনন্দিনী এগিয়েচে কি আর? টইটা খুঁজে পাচ্চি না -
  • de | ২৩ অক্টোবর ২০১৮ ১৬:২৮401159
  • কি স্পয়লারে ভরা রিভিউ -

    সিনেমাটা আমি দেখেছি - আমার ভালোই তো লাগলো -

    ভাওয়াল সন্ন্যাসীর কোর্ট কেস নিয়ে জানবো, এই ভেবেই দেখতে গেছিলাম - দুই উকিল আর রাজার কচি বৌ বাদ্দিয়ে বাকিরা সবাই ভালো অভিনয় করেছেন -
  • আরিব্বাস | ২৩ অক্টোবর ২০১৮ ১৬:২৭401158
  • আরিব্বাস উত্তমকুমারের "সন্ন্যাসী রাজা"-ও দেখেন নি, দারুণ আঁতেল ভদ্রলোক, আপনাদের সঙ্গে মিলবে ভালো। এখানে আসেন না কেন?
  • cb | ২৩ অক্টোবর ২০১৮ ১৪:৫৭401157
  • সুমন সরকারের রিভিউ

    অনেকেই বলেন সিনেমা দুরকম হয়, ভালো সিনেমা আর খারাপ সিনেমা। তবে এব্যাপারে আমার একটু ভিন্নমত আছে। কিছু সিনেমা হয় যাদের ভালো-খারাপ কোনো শ্রেণীতেই ফেলা যায় না। সেগুলি সবচেয়ে ডেঞ্জারাস। ভিকি জানেই না সে গু খাচ্ছে। মানে দর্শক বুঝতেই পারছে না সে জঘন্য একটি সিনেমা দেখছে। এইসব ছবির রিভিউ লেখা সবচেয়ে চাপ। মানে আমরা যারা ফেসবুকে লিখি। খবরের কাগজে রিভিউ হিসেবে যা লেখা হয় সেটা সিনেমা না দেখেও লিখে দেওয়া যায়। আগের বছর ইয়েতি অভিযান, অ্যামাজন অভিযান, ককপিট অসামান্য সব ছবি রিলিজ করেছিল। এবছর বাজার ভালো না। বেশ জমাটি রিভিউ লেখার খোরাক নাই। সেদিন ফেসবুকে দেখলাম কে যেন 'এক যে ছিল রাজা' ছবির পরিচালককে নিয়ে লিখেছেন যে উনি নাকি বাংলার নোলান। যীশু ( প্রভু, সেনগুপ্ত নন ) বলেছেন - 'ঈশ্বর তুমি এঁদের ক্ষমা কোরো, এরা নিজেরাও জানে না কি লিখছে, কি ভাবছে। '

    আজকাল ছবির ট্রেলর দেখে মনে হয়, আহা কি না কি হতে চলেছে। কিন্তু, রাংতায় মুড়ে গু আসছে কজনই বা বুঝলো ! 'এক যে ছিল রাজা'র ট্রেলর দেখে আমি ভাবলাম জাঙ্গিয়ার বিজ্ঞাপন নাকি ! এক বাবাজী জাঙ্গিয়া পরে ঘুরছেন। আমি ভুল ছিলাম, যাইহোক। ভাওয়াল সন্ন্যাসী নিয়ে আগেও একটি বাংলা সিনেমা হয়েছে। সেটি আমি দেখিনি, এবং দেখার বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই। হলে সিনেমা দেখতে গিয়ে প্রথমেই চাপ খেয়ে গেছিলাম। যারা টিকিট কেটে সিনেমা দেখতে এসেছেন তাঁদের জন্য বিশাল একটি বিজ্ঞপ্তি। সেখানে যা লেখা আছে তার কি মানে, কি বানান সবকিছুর মামাসিমানুষ করা হয়েছে। যেমন একটি পয়েন্ট – 'থিয়েটরের ভেতরে ধূমপান, থুতনি, এবং পান, গ্যুটকা, সিগারেট, সপারি, ও চুইংগাম বহন কঠোরভাবে নিষিদ্ধ'। সব দর্শককে 'থুতনি' বাইরে রেখে যেতে হবে ! গুটখাকে গ্যুটকা লেখা হয়তো সাহেবদের জন্য। সাহেবরা গু কে গ্যু বলে হয়তো ! যাইহোক সিনেমায় আসি।

    এক জমিদারকে ( যীশু ) দেখা যায়। জমিদারদের জীবন যেমন হয় মদ, বাইজী, শিকার, বেলাগাম জীবনযাপন। ওঁকে বাড়ির চাপে বিয়ে করতে হয়, যার একটাই কারণ, বংশবিস্তার। জমিদার যদিও বেশ্যাবাইজীদের নিয়েই মেতে আছেন দিব্য। স্বাভাবিকভাবেই প্রোটেকশন না নিয়ে করার ফলে ফিরঙ্গি রোগ ধরে, সিফিলিস। রাজা কেলিয়ে পড়েন। জমিদারের শালাটা ( অনির্বাণ ) হেবি ঢ্যামনা। ও প্ল্যান করে রাজাকে ভুলভাল চিকিৎসা করে রাজার পোঁদে একটা চন্দ্রবিন্দু গুঁজে দিতে পারলে গোটা সম্পত্তি হাতিয়ে নেওয়া যাবে। ডাক্তার ( রুদ্রনীল ) কে হাত করা হয়। রাজাকে দার্জিলিং নিয়ে আসা হয়। এইযুগ হলে কলকাতার বিশেষ কয়েকটা প্রাইভেট নার্সিংহোমে ভর্তি করলেই রাজা টেঁসে যেতো। রাজার পেছনে ভুলভাল ইঞ্জেকশন গুঁজে দেবার ফলে রাজা পটল তোলেন। ডাক্তার বলে ক্লিনিক্যালি ডেড। রাজাকে চিতায় তোলার পর হেবি ঝড় ওঠে। সবাই পালিয়ে যায়। রাজা চিতা থেকে উঠে বসে পড়েন, আর চিৎকার করতে থাকেন। পাশে একটা গাঁজার ঠেক ছিল। কিছু নাগা সন্ন্যাসী গাঁজা খেয়ে নোলানের নেক্সট বাংলা সিনেমার স্ক্রিপ্ট লিখছিল। তাঁরা রাজার চিৎকার শুনে ওঁকে উদ্ধার করে আনেন। ওঁরা পতঞ্জলির ওষুধ খাইয়ে রাজাকে বাঁচিয়ে তোলেন। পতঞ্জলির ওষুধ খেয়ে রাজা সুস্থ হলেও ওঁর স্মৃতি সম্পূর্ণ লাড্ডু। উনি রাজা ছিলেন নাকি বঙ্গদেশে চপ ভাজতেন, উনি কিছুই জানেন না। নাগারা ভাবলেন, ভালোই হল। এই চদুকে দলে নিলে জমে যাবে। ফলে রাজা হলেন নাগা। কি খাজা গপ্পো ভাই ! এদিকে এমন ঝড় হয়েছে যে চিতা থেকে মরা উড়ে গেছে, চাদর পড়ে আছে। রাজার শালা ডাক্তারকে হেবি খিস্তি করছে। ব্যাপমের ডাক্তার নাকি ! কি বালের ইঞ্জেকশন দিয়েছেন যে মানুষ মরেও চিতা থেকে উঠে কেটে পড়ছে !

    এই পৃথিবীতে সবাই কিছু না কিছু খুঁজছে। কেউ মাথায় উকুন খুঁজছে, কেউ চাকরী খুঁজছে, কেউ মেয়ে খুঁজছে, যারা বিয়ে করেছে তাঁরা শান্তি খুঁজছে। নাগা সাধুরা ভগবান খুঁজছে। তাই, তাঁরা এদিক ওদিক ঘুরে বেড়ায়, আর গাঁজা টেনে বম্ব ভোলে ! আজকাল নাকি নাগা সাধুরা ফেসবুক করছে। কে যেন তাঁদের নাচিয়েছে, ভগপান ফেসবুকমে মিলতা হে। নাগাবাবারা প্ল্যান করছে, কোথায় যাওয়া যায়। কেউ বলছে সাউথ, কেউ বলছে নর্থ। আমি ভাবলাম ব্যাংকক-পাটায়া না বলে বসে ! ভগপান কোথায় আছে কেউ জানে না। সাধুবাবাদের জাঙ্গিয়া রেজিমেন্ট গঙ্গারঘাট, মরুভূমি ঘুরতে শুরু করে। পেছনে বাজতে থাকে হিন্দি গান। বাংলা বইতে হিন্দি গান দেখে 'বাংলা পক্ষ' মার্কা বিপ-লবিরা ফেসবুকে জমাটি লাইভ নামাবেন আশা করি। যে সব ভুলে গিয়ে চিতা থেকে উঠে রাজা থেকে নাগাবাবা হয়েছে, সে হঠাৎ বলে আমি ঢাকা যাবো। বাকিরা ওঁকে বিদায় দেয়। নাগাবাবা ওঁর যেখানে জমিদারি ছিল সেই জায়গায় হাজির হন। একটা গাছতলায় ধ্যান করতে থাকেন। জমিদারবাড়ির লোকজন, জমিদারের বোন সবাই মনে হয় রাজা ফিরে এসেছেন। তাঁরা বাবাজীকে প্রাসাদে নিয়ে এসে রাজার সিংহাসনে বসান। সাধুবাবা অবাক চোখে চারিদিকটা দেখতে থাকেন। সবাই মিলে বাবাজীর ঝাঁট জ্বালাতে শুরু করেন। কেউ বলেন আপনি ছাই মাখবেন না, কেউ বলে বগলে ফগ স্প্রে করুন, কেউ বলেন ঘায়ে সুদল লাগান। এই সিচুয়েশন একটা গান ডিমান্ড করছিল। অনুপম রায়ের - 'আমাকে আমার মতো থাকতে দাও'। কিন্তু, এটা আগেই ইউজ হয়ে গেছে। কিমবা বসন্ত এসে গেছে না লিখে - 'সাধুবাবা এসে গেছে'। সাধুবাবা বাংলা জানেন না, হিন্দি বলেন। এদিকে গোরা চুতিয়ারা পোঁদে লেগেছে জমিদারি হাসিল করবে ওয়ারিশ না থাকলে। সকলের চাপে সাধুবাবা বললেন, উনিই রাজা।

    রাজার বউ এবং ঢ্যামনা শালা কোর্টে কেস ঠুকে বসলো। এই মাল জালি রাজা, পুরো ৪২০ মাল। এইবার কোর্টে যাত্রা শুরু হল ! রাজার পক্ষের ছেলে উকিল ( অঞ্জন দত্ত ), আর উলটো দিকে মেয়ে উকিল ( অপর্ণা সেন )। দুই পক্ষের উকিল লড়বেন স্বাভাবিক। কিন্তু, দুই উকিলের এককালে সম্পর্ক ছিল, এখন নেই। অঞ্জন দত্ত যেসব চরিত্র করেন, তাঁরা কেউই সংসার করতে পারেন না। হয় তিনি বউ ছেড়ে পালান, অথবা বউ ওঁকে ছেড়ে। এক্ষেত্রেও ব্যাতিক্রম হয়নি। ফলে কেস লড়তে লড়তে পারসোনাল পিঁয়াজি ঢুকে পড়ে। দুজনে আলাদা দেখা করেন। ভাবলাম এই না উনি বলে বসেন - 'রঞ্জনা আমি আর আসবো না'। ইতিমধ্যে হলের বেশ কিছু লোক ঘুমিয়ে পড়েছে। কেউ কেউ একঘুম দিয়ে উঠে আড় ভাংছে। আমার পাশে এক ঝাঁটু পাগল বসেছিল। ওঁর পাশে এক কাপেল পচপচ করে চিপস খাচ্ছে। আর চিপসের সঙ্গে একটা নুনঝাল-টমেটোসস মেশানো পাদপাদ গন্ধ আসছে। সেই পাগল ওই কাপেলকে বলে বসলো - 'আমাকে একটা চিপস দেবেন'। গোটা সিনেমায় একমাত্র অঞ্জন দত্ত হাততালি পেয়েছেন। মেয়ে উকিল যখন নারী নারী করে হেজিয়ে যাচ্ছেন, তখন অঞ্জন বলে ওঠেন - 'শুধু মেয়েদের সম্মান নিয়েই কেন কথা ওঠে, ছেলেদের সম্মান নিয়ে কেন ওঠে না'। গোটা হলে ছেলেরা হাততালি দেয়। রাজার যেসব মেয়েদের সঙ্গে ঝুংকুমুংকু করেছেন, তাঁদের কোর্টে আনা হয়। মেয়ে উকিল ভাবেন এরা ' ট’ আন্দোলনে সুড়সুড়ি দেবেন। যদিও ওঁরা রাজাকেই সাপোর্ট করেন। এসময় তীব্র হ্যাজানি চলতে থাকে। কোর্টরুম ড্রামা, কোর্টরুম যাত্রাপালায় পরিণত হয়েছে। সবাই ভাবছে কখন বই শেষ হবে ! শেষে ছেলে উকিল কেস জিতে যায়। ছেলে উকিল লম্পট জমিদারের কেস লড়ার সঙ্গে ক্ষুদিরাম, ভগত সিং, সূর্য সেনের ফাঁসিকে গুলিয়ে কি একটা ডায়লগ ঝাড়েন। যার মানে খুঁজে পাওয়া যায় না। হাততালির আশায় এসব করা, তবে হাততালি জোটেনি।

    তবে এই ছবি জুলফিকার, ইয়েতি অভিযানের মতন মহান ছবি হয়ে উঠতে পারেনি। ছবিতে ক্যামেরার কাজ বেশ ভালো লাগে। গানবাজনার বিশেষ দরকার ছিল না। তবে একটা রবীন্দ্রসঙ্গীত থাকলে বেশ কালচারাল ওজন বাড়ে। যীশু সেনগুপ্ত বেশ ভালো অভিনয় করেছেন। অঞ্জন দত্ত বা অপর্ণা সেন এর চেয়ে অনেক ভালো চরিত্রে আগে অভিনয় করেছেন ( একই সঙ্গে মুক্তি পাওয়া 'বোমকেশ গোত্র' তে অঞ্জন দত্তর ক্লাসিক অভিনয়, দুর্দান্ত স্ক্রিন প্রেসেন্স )। অনির্বাণ, রুদ্রনীল এঁদের বিশেষ কিছু করার ছিল না। জয়া এহেসান ভালোই। তবে সিনেমার গতি গরুর গাড়ির মতন। এই রদ্দি স্ক্রিপ্ট নিয়ে কাজ করার কি অর্থ বুঝলাম না। এতো ভালো ভালো গল্প আছে বাংলায় ! এরপর শুনলাম গুমনামী বাবাজীকে নিয়ে সিনেমা করছেন 'এক যে ছিল রাজা'র পরিচালক। ওটাও কি ঢপের চপ হতে চলেছে ভাবতেও কষ্ট হয়। তবে ওই ছবি তৈরি হলে নেতাজি নিজে ফেসবুকে ওই সিনেমার রিভিউ লিখবেন।
  • de | ২৩ অক্টোবর ২০১৮ ১২:৫০401156
  • সে অবিশ্যি ঠিকই -
  • Tim | ২৩ অক্টোবর ২০১৮ ১২:২৭401155
  • বলরাম মল্লিকের মিষ্টির দাম দেখলে হীরকরাজের ডাক মনে পড়ে - "বল রাম বল"!
  • de | ২৩ অক্টোবর ২০১৮ ১২:১২401154
  • কলকাতা থেকে ফিরলাম -

    সকলকে শুভ বিজয়া আর একবাক্স বলরাম মল্লিকের জলভরা -
  • সিকি | ২৩ অক্টোবর ২০১৮ ০৯:৫৪401153
  • আরে ধুর! কার্নিভালে ওসব হয় নাকি? একমাত্র শিপিয়েম মিছিল করলে কিংবা বাস অটো ট্যাক্সি ধর্মঘট করলে তবেই জ্যামপরিস্থিতি-টিতি হয়।
  • Du | ২৩ অক্টোবর ২০১৮ ০৯:১৪401152
  • আনন্দবাজার কার্নিভ্যাল নিয়ে গদগদ। অফিসের দিন,রাস্তায় জ্যামপরিস্থিতি ইত্যাদি প্রিয় ইস্যুগুলো তারা ভুলেই গেছে।
  • Atoz | ২৩ অক্টোবর ২০১৮ ০৮:১১401151
  • লক্ষ্মীপুজো কবে? সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে রাখি। ঃ-)
  • টুইষ্ট | ২৩ অক্টোবর ২০১৮ ০২:৫২401149
  • সৌমিত্রের টুইষ্ট না মনে পড়লে খুবি ধারাল পরিস্থিতি - ফের সেই শুরুর থেকে শুরু কত্তে হবে। কেননা উটি একটি দিংনির্দেশক নাচ বাংলা নাচ্যজগতে!
  • S | ২৩ অক্টোবর ২০১৮ ০২:৫২401150
  • গুনে দেখলাম ৩-৪ সেকেন্ড নেচেছিলেন বটে টুইস্ট।
  • অঞ্জন | ২৩ অক্টোবর ২০১৮ ০২:৪৯401148
  • অঞ্জন এখানে লিখলে তো আবার টই খুলতে হবেঃ চৌধুরি ভারসেস দত্ত - এক্টি নির্বিকল্প ব ও অঞ্জন
  • Tim | ২৩ অক্টোবর ২০১৮ ০২:৪৮401147
  • মহুয়া খেয়ে মাতাল হয়ে নাচ। রাতে। মনে পড়ছে? শর্মিলা অ্যান্ড কোং গাড়ি করে ফিরছিলো।
  • S | ২৩ অক্টোবর ২০১৮ ০২:৪৬401146
  • তিন ভুবনের পাড়েতে ছিলো অবশ্যি।
  • S | ২৩ অক্টোবর ২০১৮ ০২:৪৫401145
  • অরণ্যের দিনরাত্রিতে সৌমিত্রের নাচ? মনে পরছে নাতো।
  • Tim | ২৩ অক্টোবর ২০১৮ ০২:৪০401144
  • বন্দিনীই থাকুক ;-))
  • dc | ২৩ অক্টোবর ২০১৮ ০২:৩৯401142
  • :d
  • Ishan | ২৩ অক্টোবর ২০১৮ ০২:৩৯401143
  • আমার মা বেশ রিজনেবল মহিলা, কিন্তু অরণ্যের দিনরাত্রি সিনেমাটা একেবারেই পছন্দ করেননা। অনেকবার খুঁচিয়ে জানা গেল সৌমিত্র টুইস্ট নাচছেন, এই ব্যাপারটা উনি একেবারেই মেনে নিতে পারেননা। :-)
  • Ishan | ২৩ অক্টোবর ২০১৮ ০২:৩৭401141
  • ডিসিকে কেউ বাঁচাতে পারবেনা। পারলেও বাঁচাবেনা। ওনার ইন্টারনেট ফুটপ্রিন্ট বেড়েই চলেছে।
  • S | ২৩ অক্টোবর ২০১৮ ০২:২৬401140
  • বন্দিনীটা হেব্বি হয়েছে। ডিসিদা একটু সাবধানে। আপনি যা বলছেন তাতে আপনার নামে না একটা মিটু শুরু হয়ে যায়। ঃ))
  • Ishan | ২৩ অক্টোবর ২০১৮ ০২:২৫401139
  • বন্দিনী টা ভালোই ছিল। :-)
  • dc | ২৩ অক্টোবর ২০১৮ ০২:২৪401138
  • ধুত্তোর।

    কে তুমি নন্দিনী
  • dc | ২৩ অক্টোবর ২০১৮ ০২:২৩401137
  • কে তুমি বন্দিনীও মিটুর আওতায় আসবে।
  • Atoz | ২৩ অক্টোবর ২০১৮ ০১:২৪401136
  • "হারালো হারালো মন হা আ আ রালো" বলে একটা গান ছিল। এক ভদ্রলোক কেজানে কী কারণে গাইতেন, "হারালো হারলো গোরু হা আ আ রালো"
    ঃ-)
    তবে মন হারানোর চেয়ে গোরু হারানো অনেক বেশি গুরুতর ব্যাপার। ঃ-)
  • Atoz | ২৩ অক্টোবর ২০১৮ ০১:২০401135
  • আর অনুবাদক, যিনি অনুসরণ করতে করতে কর্তাল বাজান। ঃ-)
  • Atoz | ২৩ অক্টোবর ২০১৮ ০১:১৮401134
  • তর্জমার। মানে তর্জন করে' যিনি মারেন। ঃ-)
  • S | ২৩ অক্টোবর ২০১৮ ০১:১৭401131
  • ধুর তর্জমা। অনুবাদক।
  • Atoz | ২৩ অক্টোবর ২০১৮ ০১:১৭401132
  • তর্জমা কথাটা কিন্তু খুব ভালো। ঃ-)
  • S | ২৩ অক্টোবর ২০১৮ ০১:১৭401133
  • আচ্ছা কে একজন যেন ঐ ভয়েস টাইপিং বানিয়েছিলেন না বাংলার জন্য? চন্দ্রিলকে দিলে কি সব বোল্ডে আসবে?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত