এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Atoz | ১১ অক্টোবর ২০১৮ ০৭:৫০400770
  • ঈশ কী ভালো কী ভালো!
    অনেক থ্যাংকু টিম।
    অনেক থ্যাংকু হ্ম্ম।
  • Hmm | ১১ অক্টোবর ২০১৮ ০৭:৪৭400769
  • মির্জা গালিব সিরিয়াল ইউটিউবে দেখে নিন, নাসিরুদ্দিন শাহ এর মুখে গালিব শুনতে পাবেন।
  • Tim | ১১ অক্টোবর ২০১৮ ০৭:৪৩400768
  • এতজ,

    ইউটিউবে The dream journey দিয়ে সার্চ করলে একটা সিরিজ পাবে। ওটা একটা প্রোজেক্ট, যেখানে একদল প্রবীণ মানুষ পাকিস্তানের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ঘুরে গায়কদের খুঁজে বের করে তাদের রেকর্ড করেছেন। সম্ভবত কাজ এখনও চলছে, তবে ইতিমধ্যেই প্রচুর ভালো ভালো রেকর্ডিং মজুত। ফরীদ আয়াজ আবু মহম্মদের মত নামকরা কাওয়াল যেমন আছেন ঐ তালিকায়, তেমনি নিজামী ভাইদের গানও আছে, যাঁদের কথা তেমন করে লোকে জানেনা। এঁরা সব স্বনামধন্য গানের বংশের লোকজন, কারো বাবা কারো ঠাকুর্দা বিখ্যাত ওস্তাদ ছিলেন। এঁদের নিজেদের ট্রেনিং ও বেজায় ভালো। "ইশ্‌ক মে তেরে কোহ-এ গাম" ক্লিপটা পারলে শুনো, ওখানে জায়গায় জায়গায় গালিব জুড়ে দিয়েছেন গায়ক। ফরীদ আয়াজের গাওয়া গালিবও আছে। মোদ্দা কথা ঘন্টার পর ঘন্টা শুনে যাওয়া গানের খনি। বিশেষতঃ এই গায়কেরা অনেকেই গাইতে গাইতে গানের ব্যাখ্যা দেন, সেখান থেকে মূল শব্দের উচ্চারণ, অর্থ এইসবের হদিস মেলে। এছাড়া মীর তাকি মীর আর গালিব তো মেহদি হাসান গেয়েইছেন, পুরোনো বলিউডের (সাদা-কালোর সময়) গানেও আছে। এগুলো একরকম করে সামনে বসে শোনার মতই।

    এ বাদে, ক্যাম্পাসে আরবি/ফারসি/উর্দূ জানা বন্দুক থাকলে তারাও পড়ে দিতে পারে। ঃ-)
  • সিকি | ১১ অক্টোবর ২০১৮ ০৭:৩৭400767
  • রবিশংকর বলের সম্পাদনায় মান্টোর গল্পসংগ্রহ কিনেছি, পড়ছি। দেজ-এর প্রকাশনী। খুব একটা দাগ কাটতে পারছে না, সেটা অনুবাদের সমস্যা না আমার সমস্যা, জানি না।
  • Atoz | ১১ অক্টোবর ২০১৮ ০৭:১৫400766
  • টিম,
    পড়তে পড়তে মনে হয় ঐ প্রত্যেক অধ্যায়ের শুরুতে দেওয়া পংক্তিগুলো যদি শোনা যেত কারুর মুখে ! বন্ধনীতে যার অর্থ দেওয়া থাকলেও মন ভরে না, ধ্বনির সুষমা সরাসরি জানতে ইচ্ছে করে।
  • pi | ১১ অক্টোবর ২০১৮ ০৬:৫২400765
  • দোজখনামা চমত্কর।
    আর মান্টোর গল্পসংগ্রহ কিছুদিন আগেওকারা বের করল, দিবারাত্রির কাব্য বোধহয় অণুগল্প নিয়ে কাজ করেছিল। বাড়ি গিয়ে দেঝতে হবে। সন্চারী সেন ঊর্র্বী প্রকাশনী না?
  • Tim | ১১ অক্টোবর ২০১৮ ০৬:৪৬400764
  • ছোটাই দি আর এতজকে অনেক থ্যাঙ্কু দোজখনামার উল্লেখের জন্য। বইটা পড়া হয়নি (এত বড়ো লেখা, কবে হবে জানিনা), তবে সচলে একটা চমৎকার রিভিউ ছিলো, মনে পড়লো। বইটা পড়তে শুরুর করেই দেখি গালিবের সেই চমৎকার পংক্তিদ্বয় "মেহেরবাঁ হো কে..." দোজখনামায় ব্যবহার হয়েছে আরো আরো অন্যান্য গজলের সাথে। তবে রবিশংকরবাবু যেভাবে ফোনেটিকালি লিখেছেন গজলগুলো, উচ্চারণ সেরকম না অনেক সময়। যাই হোক ভারি ভালো লেখা। দেজের সংকলনের কথাটাও মনে রাখবো।
  • Atoz | ১১ অক্টোবর ২০১৮ ০৬:০৬400763
  • শুধু ইকোনোমিই কি? মার্কেজ, মুরাকামি, বোর্হেস, মান্টো, আচেবে, পামুক ইত্যাদি ইত্যাদি যাঁদের লেখাপত্র আলোচিত হয়, সেও তো প্রায় সবই ইংরেজী অনুবাদেই পড়েন আলোচকরা। অবিশ্যি এও ইকোনোমিরই আরেক খেলা। ঃ-)
  • Atoz | ১১ অক্টোবর ২০১৮ ০৫:৩২400762
  • বিশ্বের বড়দা ভাষা।
  • S | ১১ অক্টোবর ২০১৮ ০৫:১৮400761
  • In April 2011 English instruction became compulsory starting in the 5th grade of elementary school (age 10)

    যাহ শেষে জাপানও? এই বিশ্বে ইংরাজি না জানলে গ্লোবাল ইকনমিতে জায়্গা পাওয়া যাবে না।

    ইমিগ্রেশনও একটা কারণ কেন ইংরাজি একমাত্র ভাষা হিসাবে এতোটা প্রভাব বিস্তার করতে পেরেছে বিগত কয়েক দশকে। আমেরিকা, ইউকে, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, এবং তার সাথে ইন্ডিয়ার মতন দেশগুলো বেশ ডিভিডেন্ড তুলেছে। চীনকে একটা কেস স্টাডি হিসাবে দেখা যেতে পারে। অর্থনীতি খুলে দেওয়ার পরে ওরা যেকোনও বিদেশি ভাষায় মনোযোগ দিতে পারতো। ওদের কলোনিয়াল পাস্ট খুব সীমিত। কিন্তু বুঝে শুনে ইংরাজিটাই বেশি করে শিখছে।
  • lcm | ১১ অক্টোবর ২০১৮ ০৪:৫১400760
  • জাপানের কেসটা ইন্টারেস্টিং, ওরা ইংরেজি বলতে চায় না, কালচারটা নেই, কিন্তু শেখে, মানে একেবারে শেখে না তা নয়। সেকেন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ হিসেবে ইংলিশ আছে, কিন্তু কালচারাল হেজেমনি নেই। উইকি বলছে,

    English-language education in Japan began as early as 1600 with the initial contacts between the Japanese and Europeans. Almost all students graduating from high school in Japan have had several years of English language education; however, many still do not have fluent English conversation abilities.
    ...
    ...
    In April 2011 English instruction became compulsory starting in the 5th grade of elementary school (age 10)
    ...
  • S | ১১ অক্টোবর ২০১৮ ০৪:২৫400759
  • কিছু ফ্র্যান্কোফোন দেশ আছে বটে। কিন্তু সেটা ইংরেজি হেজেমনির থেকে বেটার কেন তা বুঝিনা। তাছাড়া সেখানেও বেশিরভাগ লোক ইংরেজি শিখতে চায়। উল্টোটা কম।

    ইংরেজির হেজেমনি শুধু কলোনির জন্য নয়। সেকেন্ড ওয়ার্ল্ড ওয়ারের পর কি হলো তার জন্যও। আমেরিকা, ডলার, গ্লোবালাইজেশন, ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড, হলিঊড, ইন্টারনেট।

    যতগুলো বড়লোক দেশের লোক দেখেছি (ছোটও স্যাম্পেল আর পার্সোনাল), একমাত্র জাপানের ক্ষেত্রেই দেখেছি যে ওখানকার লোকেরা সত্যিই ইংরেজি না জেনেও দিব্যি আছে এবং বড় একটা ইকনমি চালাচ্ছে। জার্মানির লোকজন কিন্তু দিব্যি ইংরেজি জানে। ফ্রান্সের লোকেরাও।
  • i | ১১ অক্টোবর ২০১৮ ০৪:০৩400758
  • হ্যাঁ এটুজেড। তাই।
  • Atoz | ১১ অক্টোবর ২০১৮ ০২:৫৮400757
  • রবিশঙ্কর বলের "দোজখনামা" উপন্যাসও মীর্জা গ্বালিব আর মান্টোকে নিয়ে না?
  • i | ১১ অক্টোবর ২০১৮ ০২:৫৪400756
  • আর বলার ছিল...
    রবিশংকর বলের সম্পাদনায় দে'জ থেকে মান্টোর রচনাসংগ্রহ বেরিয়েছিল। টিমের লিস্টে যোগ করা যেতে পারে।

    বেশ ক বছর আগে মান্টোকে নিয়ে দিবারাত্রির কাব্য একটি বিশেষ সংখ্যা বের করেছিল মনে হয়-তাতে বাংলায় মান্টোকে নিয়ে কাজকর্মের একটা হদিশ পাওয়া যায়-তাই মনে হচ্ছে এই মুহূর্তে। সম্পূর্ণ ভুল বলছি-এমনও হতে পারে।
  • i | ১১ অক্টোবর ২০১৮ ০২:৫১400755
  • নন্দিতা দাস গত বছর একটি শর্ট ফিল্ম বানান মান্টোকে নিয়ে- 'ইন ডিফেন্স অফ ফ্রীডম'। সেইটা দেখেছেন?
  • Ishan | ১১ অক্টোবর ২০১৮ ০২:৪২400754
  • পুরো লাতিন আমেরিকা ইংরিজি ছাড়াই টিকে আছে। আফ্রিকার যে সমস্ত দেশে ফ্রেঞ্চ কলোনি ছিল, তারা ইংরিজি শেখেনা, ফ্রেঞ্চ শেখে। আমাদের যেহেতু ব্রিটিশ কলোনি ছিল তাই ইংরিজি পড়ানো হয়। ভাবা যায়, একটা সম্পূর্ণ বাংলাভাষী দেশে কলেজে কলেজে ইংরিজি অনার্স?
  • Atoz | ১১ অক্টোবর ২০১৮ ০২:২০400753
  • বড়দার পাঠশালা।
  • S | ১১ অক্টোবর ২০১৮ ০২:০৮400752
  • পুরো দুনিয়ার উপরে কয়েক শতাব্দি ধরে অ্যাঙ্গলো-স্যাক্সন হেজেমনি। কিস্যু করার নেই।
  • lcm | ১১ অক্টোবর ২০১৮ ০১:৫৩400750
  • হ্যাঁ, এটা একটা সাবজেক্ট, মানে এই লিঙ্গুইস্টিক হেজেমনি -
    Typically, on a broader scale education system remains monolingual, even though socities are multilingual.
  • অর্জুন অভিষেক | ১১ অক্টোবর ২০১৮ ০১:৫৩400751
  • 'Manto was an Urdu-failed person। His vocabulary was rich with words from other languages।'

    বললেন 'মান্টো'র পরিচালক নন্দিতা দাস।

  • Ishan | ১১ অক্টোবর ২০১৮ ০১:১৮400749
  • দার্জিলিং এ প্রচুর বাঙালির বাস তো। যেমন আসামে, সেইরকমই। দুটো ভাষাই স্থানীয় লোকেরা উভয় পক্ষই বোঝে। সাঁওতালির ক্ষেত্রে অবশ্যই তেমন না।
  • Atoz | ১১ অক্টোবর ২০১৮ ০১:১৫400748
  • হিন্দির চেয়েও বড় বড়দা হলেন ইংরেজিদা। এতই বড় যে সেই ব্যাপারে সবাই সহমত। ঃ-)
  • S | ১১ অক্টোবর ২০১৮ ০০:৫২400746
  • বলিউডে যে ভাষাটা চলে তার নাম হলো হিন্দুস্তানি, নট হিন্দি।
  • অর্জুন অভিষেক | ১১ অক্টোবর ২০১৮ ০০:২৬400745
  • হমম।

    @খ আপনি এত সুন্দর লেখেন কিন্তু পরিচিত জন ছাড়া আর অন্য কারো মেসেজ অ্যাকনলেজই করেন না।

    (কিছু মনে করবেন না আবার)
  • sm | ১১ অক্টোবর ২০১৮ ০০:০৮400744
  • উত্তরবঙ্গে বাঙালিরা অনেকেই নেপালি ভাষা জানে।বলতেও পারে।
    নেপালি তথা গোর্খারাই বাঙালি টুরিস্ট দেখলে হিন্দি শুরু করে। যেটা তাদের মাতৃ ভাষা নয়।
    বাঙালিরা অন্যের ভাষায় নিজেকে প্রকাশ করা কে কৃতিত্ব ভাবে। দক্ষিণীরা স্রেফ উল্টো!
    --
    হিন্দি ভাষা কেন ভারতে প্রাধান্য পেয়েছে?
    তার মূলে রয়েছে হিন্দি মুভি তথা বলিউড আর ভারত সরকারের বদান্যতা!
    মনে রাখবেন, সারা ভারত যে হিন্দু ভাষা গ্রহণ করেছে, সেটা মূলত বলিউডি হিন্দি।
    এর পিছনে আর একটা কারণ হলো, বলিউড বিভিন্ন রাজ্যের ভাষা ও সংস্কৃতি কে খুব আপন করে নিয়েছে।
    যেমন প্রথম দিকে বলিউড হিন্দি মুভিতে বাঙ্গালী, পাঞ্জাবীদের আধিপত্য ছিল। ওই সময় অনেক মুভি তাই বাঙালি ঘেঁসা। ধরুন চুপকে চুপকে, মিলি, অভিমান,আরাধনা, অমরপ্রেম ইত্যাদি। এর থেকেই,সারা ভারত বাঙালি কালচার কিরকম, মুভির মাধ্যমে জানছে আবার কিছু কিছু বাংলা শব্দ গ্রহণও করে নিচ্ছে।
    ওদিকে পঞ্জাবিরাও তাদের কালচার কে পুরো বলিউডে পাঞ্চ করে ঢুকিয়ে দিয়েছে।
    এরপর আসে, উর্দু লেখক ও কবি রা। তাঁরা গুণী মানুষ।
    পুরো গানগুলোই উর্দুতে মুড়ে দিয়েছে।
    ভাবুন হিন্দি গানে কি বিপুল পরিমাণে মহব্বত, পেয়ার, ইলজাম, খুদা ঢুকে পড়ছে। মানে গান গাইছে হিন্দু পরিবারের নায়ক (সিনেমা অনুযায়ী) কিন্তু গানের কলি তে খুদা, বা রব চলে আসছে। আরো বেশি হিন্দি গানের গ্রহণ যোগ্যতা বাড়ছে।
    এখানেই থেমে নেই। এরপর হু হু করে ভোজপুরি ও ঢুকছে। আঙ্গনামে বাবা, বা কায়সে বনি, কায়সে বনি, ইত্যাদি।
    এখন তো সাউথ এর রিমেক চলছে।
    অর্থাৎ হিন্দি মুভি বা গান অন্য ভাষা কে বেশি আপন করেছে ভারতের যেকোন ভাষার চাইতে।
    বাংলা বা তামিল অতটা লিবেরাল হতে পারে নি।
    এক ভাষা অন্য ভাষাকে আপন করে সমৃদ্ধ ও হতে পারে বা বিলুপ্ত ও হতে পারে।
    বাঙালি লোকের কি দায় পড়েছে নেপালি বা সাঁওতালি বা মাড়োয়ারি ভাষা শিখতে যাবে?
    কাজের প্রয়োজন হলে নিশ্চয় শিখবে।
    খালি গর্ব করবো বলে, অন্য ভাষা শেখার কোন মানে হয় না।
  • pi | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ২৩:৫২400743
  • ওঁরা কীকরে বান্গ্লা জানেন?
  • Ishan | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ২৩:২৬400742
  • বাঙালিরা গোর্খালি ককরবক সাওঁতালি কিচ্ছু বোঝেন না। কিন্তু হিন্দি বোঝেন। কোনোটাই বাঙালিরা ইশকুলে পড়েননি। কিন্তু হিন্দি সিনেমা আর বিশেষত টিভি সিরিয়াল দেখে হিন্দিটা শিখে নিয়েছেন। টিভি রেডিওতে হিন্দি কাটিয়ে এইগুলো চালু করলে আপসে সেগুলোই শিখবেন।
  • Tim | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ২৩:০০400741
  • মান্টো নিয়ে টই ছিলো কোন? এই আলোচনাগুলো টুকে রাখলে ভালো হতো। কাল এই অনুবাদ নিয়ে খোঁজখবর করার মাঝপথে মনে পড়ল মোল্লা নাসিরুদ্দিনের কথা। বুঝ লোক ইত্যাদি।
    যেগুলো পেলাম লিস্টি করে দিই। মডার্ন কলাম বাদে সবকটাই বাংলাদেশের প্রকাশনা।

    বইয়ের নাম--পাবলিশার-অনুবাদক--সাল এইভাবে দেওয়া হলো।
    ১। গল্প লেখক ও অশ্লীলতা---মুক্তধারা---জাফর আলম---১৯৭১
    ২। শ্রেষ্ঠ গল্প --মডার্ন কলাম--অনুঃ কমলেশ সেন --১৯৬০
    ৩। প্রেম আমার প্রেম ----বুক সোসাইটি---আখতার উন নবী--১৯৮০
    ৪। গাঞ্জে ফেরেশতে ---মুক্তধারা --- মুস্তাফা হারুণ---১৯৭৭
    ৫। লাউড স্পিকার ----স্টুদেন্ট ওয়েজ ---মুস্তাফা হারুণ ---১৯৭৮
    ৬। লাইসেন্স ----নিবেদিতা প্রকাশনী ----সমীর কুমার দাস---১৯৮৪
    ৭। কোকো জান ---বুক সোসাইটি---এ বি এম কামালউদ্দীন শামীম---১৯৮০
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত