এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • pi | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ২২:২৯400740
  • গোর্খা নিয়ে আমার আইডিয়া নেই, কিন্তু ওখানে আশেপাশের বাঙ্গালিরা গোর্খা জনেন বোঝেন?
  • অভি | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ২২:২৭400739
  • সাঁওতাল আর গোর্খা দুই কিন্তু মোটেই এক ব্র্যাকেটে পড়ে না। শক্তি, গুরুত্ব, চাহিদায় বিস্তর ফারাক। খালিস্তানী আর ছত্তিশগড় আন্দোলন যেমন এক না।
  • pi | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ২২:১১400737
  • গোর্খা বা সাঁওতালি ভাষী লোকের যত শতান্গ্শ বাংলা জানেন বা জানতে হয়, বাঙালীদের কত শতাম্গ্শ ( পুরো রাজ্যও বলছিনা, আশেপাশের এলাকার কথাই বলছি) ঐসব ভাষা জানেন বোঝেন শেখেন? ত্রিপুরাতেও একই দেখি। তারউপর পুরো শিক্ষাই বান্গ্লাতে। ককবরক একটা বিষয় মাত্র, তাও বহুজন নেন না। ইন্গ্লিশ মিডিয়ম হলে বিশেষ করে। ওদিকে আশেপাশের এলাকার বাঙ্গালিদের বলতে শুনি, অমুক জায়গার ট্রাইবালরা সভ্য হয়ে গেছে, কারণ বাংলা বলে, ককবরক বলেই না!
    আমি আর কী বলছি, নিজেই শিখে উঠতে পারলাম না, কিছু শব্দ ছাড়া। সেসব বললে ওঁরা আবার খুবই খুশি হন। আর আমি খুব খুশি হয়েছি মশারিকে ককবরকে গুণ্ডা বলে বলে। মশাকে বললে আরো খুশি হতাম।
  • S | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ২২:১১400738
  • আসলে হিন্দির সাথে একাত্ব হওয়ার মধ্যে মেইনস্ট্রিমে আসার একটা ব্যাপার আছে। বিশেষ করে এইসব প্রান্তিক এবং মুল কর্মকান্ডের থেকে দুরে থাকা জাতিগুলোর। তার উপরে আছে আর্থিক সুবিধে।
  • Ishan | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ২২:০৮400735
  • ওহ আমরা সবাই একই কথা লিখলাম। আমারটা না লিখলেও চলত। :-)
  • Ishan | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ২২:০৮400736
  • আরেকটা ব্যাপার প্রচন্ড ইন্টারেস্টিং। গোর্খা লোকজন বাংলা বুঝলেও বলেননা। সে খুব ভাল কথা, নিজেদের ভাষায় কথা বলবেন। কিন্তু মজা হল, তাঁরা সাগ্রহে হিন্দি বলেন। সাগ্রহে এবং আগ বাড়িয়ে। এটা শুধু পশ্চিমবঙ্গে নয়, পূর্ব এবং উতর-পূর্বের প্রতিটা বাঙালি-বিরোধিতা 'জাতীয়' এবং 'হিন্দুস্তানী' মূলধারায় ইদানিং সাবস্ক্রাইব করছে। আসামে, ত্রিপুরায়, সর্বত্র। হিন্দি-হিন্দু-হিন্দিস্তান একটি বাস্তবতা এখন।

    ছোটো চোটো জনজাতিরা বড়দা ধরে চোড়দা খেদাও করছে। জাতিয়তাবাদের কী প্রতাপ।
  • S | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ২২:০১400733
  • এক্ষেত্রে বাংলার হয়ে ব্যাট করতে নামলে একটা কথা বলতেই হয় তা হলো এইযেসকল ভাষা বাংলার আগ্রাসনে প্রান্তিক হয়ে পরছে বলে দাবী করা হচ্ছে (হয়তো প্রকৃতপক্ষে হচ্ছেও) সে ভাষার লোকজন কিন্তু হিন্দি ভাষাকে সাগ্রহে গ্রহন করছেন।

    হিন্দির আগ্রাসনটা একটা অন্য মাত্রায় চলে গেছে।
  • অভি | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ২২:০১400734
  • তবে রাজনীতির ঠেলা কিনা কে জানে, দার্জিলিঙের পাহাড়ে দুবছর আগে বা গত বছর ব্যবসায়ী বা গাড়ি চালক হিন্দি ব্যবহার করতেন সারাক্ষণ, বাংলায় বললে হিন্দিতে জবাব দিতেন, ইদানিং দেখি প্রথমেই বাংলায় যাচ্ছেন। স্যাম্পল অবশ্য খুব বেশি না, কিন্তু শেষ চার পাঁচ বারে লক্ষ্য করলাম এটা।
  • Ishan | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ২১:৫৯400732
  • শুধু "আমরা" কেন, গোটা রাজ্য প্রশাসনই তো গোর্খাদের প্রতি নরম ছিল। পুরো লিডারশিপকে কখনও গ্রেপ্তার করা হয়নি। হতে পারে এরকম কোনো লক্ষণও দেখা যায়নি। পাহাড় কার্যত জিএনএলএফ দখল করে রেখেছিল। বারবার আলোচনা হয়েছে। গোর্খালি অফিশিয়াল ভাষার মর্যাদা পেয়েছে। এর সবকটাই সদর্থক কাজ হয়েছে। আরও কিছু করণীয় থাকলে করে ফেলা উচিত।
  • Atoz | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ২১:৫৭400731
  • " হামি তুমাকে ভালোবাশে " ঃ-)
  • অভি | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ২১:৫৫400730
  • নিঃসন্দেহে। আর গর্গ চ্যাটার্জীর রাজনৈতিক মার্গ সম্বন্ধে কিছু না বললেও তার অনেকগুলো প্রশ্ন ও দাবীই যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়।
    এতোজদি, আমার ধারণা হিন্দুস্থানী জনতা অনেকেই জানে পাঞ্জাবি মানে ঐরকম হিন্দি প্লাস সোনি, তুসি, ইত্থে, উত্থে; গুজরাতি মানে হিন্দি প্লাস ছে; নেপালী মানে হিন্দি প্লাস ছ; দুদিন পরে বাংলা মানেও হিন্দি প্লাস হামি তুমাকে ভালুবাসে।
  • pi | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ২১:৫২400729
  • "আমরা সবাই" তো আর সবাই না।
  • Ishan | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ২১:৫০400728
  • কবীর হবার আগে, সুমন লিখেছিলেন, আমি চাই সাঁওতাল তার নিজের ভাষায় কথা বলবে রাষ্ট্রপুঞ্জে (প্যারাফ্রেজিত)। সে খুব ভালো কথা। কিন্তু রাষ্ট্রপুঞ্জ দূরে থাক, আমি চাই বাঙালি তার নিজের ভাষায় কথা বলবে লোকসভায় -- মিনিমাম এইটুকু বলতেও কাউকে শোনা যায়নি।
  • Ishan | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ২১:৪৭400726
  • বলেনা মানে? বাংলার আগ্রাসন নিয়ে তো সমানে শুনে যাই। গোর্খাল্যান্ড আন্দোলনের পর্বে আমরা সবাই গোর্খাদের ভাষার অধিকার নিয়ে বলেছি। কলকাতা শহরে মিছিল টিচিলও হয়েছে। এখনও এই এনারসি পর্বের আগে আসুর "বঙ্গাল খেদা" ইত্যাদি নিয়ে টানা শুনেছি, যুগযুগ ধরে বাঙালি বাবুরা কেমন অহমীয়াদের শোষণ করেছে।

    সাঁওতালিকে যে প্রান্তিক করে রাখা হয়েছে, এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু স্রেফ সাঁওতালি নিয়ে বলব, আর হিন্দি-ইংরিজির আগ্রাসন চলে এলে, 'ওরে বাবা আমি কি আমরা বাঙালি নাকি' মোডে চলে গিয়ে নিশ্চুপ হয়ে যাব, এ কোনো কাজের কথা নয়।
  • Atoz | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ২১:৪৭400727
  • অভি, অনেক আগে রেডিওতে আকাশবাণী কলকাতা ক তে একটি নির্দিষ্ট সময় জুড়ে সাঁওতালি ভাষায় সম্প্রচার হত। কোনো কোনো সপ্তাহে নিয়মিত সময়ের বাংলা নাটকের বদলে সাঁওতালি ভাষায় অনুষ্ঠান হত। মাঝে মাঝে শুনে দেখেছি, একেবারেই কিছু বুঝতে পারিনি। তার আগে ভাবতাম সাঁওতালি বাংলারই মতন বুঝি, শুধু একটু "তু কে বট্যা" টাইপের করে দিলেই হয়। কিন্তু তা নয়, রেডিওর ওই অনুষ্ঠানে কিছুই বুঝতে পারতাম না।
  • pi | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ২১:৪২400725
  • বান্গ্লার আগ্রাসন নিয়ে আর কে বলে! ইঙ্গ্রাজি নিয়েও আর বলেনা কেউ তেমন।

    আচ্ছা হানুদা, লেখা কই? আমি কিন্তু মোটেও তাড়া মারার দশায় নেই, বাকিরা এবিষয়ে এত ভালমানুষ যে ছিনেজোঁকগিরি করবেনা। আমি ভনভনও করতে পারছিনা, অতএব সত্বর লেখা দাও।
  • অভি | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ২১:৩২400724
  • বাংলার পশ্চিম অংশের এক মহকুমা শহর। এই অংশে সাঁওতাল, বাঙালী ও উৎকল লোকজন শিরা উপশিরায় মেশানো গ্রামে ছড়িয়ে আছেন। সবার লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কা বাংলা। মা ও ছেলে আমার কাছে এলেন। ছেলের চিকিৎসার জন্য, বয়স আন্দাজ বাইশ তেইশ। গত সপ্তাহ দুই তিন ধরে পাগলামি করছে, সামলানো যাচ্ছে না ইত্যাদি। মায়ের কাছে গল্প শুনে ছেলের সাথে কথা বলতে গেলাম। মা বললেন, এই অবস্থায় তো আপনাদের ভাষায় বলবে না কিছু, আপনি বলুন, আমি বুঝিয়ে দিচ্ছি। তার পরের কয়েক মিনিট মা দোভাষীর ভূমিকা নিয়ে গেলেন। আমি সে ভাষা মোটেই বুঝি না। 'আপনাদের ভাষা' ব্যাপারটা মাথায় ঘুরছিল। ছোটবেলা থেকে সাঁওতাল গ্রামে ঘুরে, তাদের সাথে খেলে, শিকারে থেকে, মাংস খেয়ে - তাদের ভাষা সম্পর্কে জাস্ট কিছু জানি না। বরাবর আমি থাকলে সবাই বাংলা বলে গেছে, সেই ছোটবেলা থেকেই।
    আমার জনা দুয়েক সাঁওতাল বন্ধু, এখন জেলা শহরে সুপ্রতিষ্ঠিত, নিয়মিত ফেসবুকে বাংলা ভাষার অধিকার রক্ষা ও হিন্দি আগ্রাসন নিয়ে লেখে, পোস্ট শেয়ার করে। সেদিন দেখলাম বিহারের ভোজপুরী, আঙ্গিকা, মৈথিলীর হিন্দিকরণ নিয়ে চমৎকার লিখেছে।
  • | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ২১:৩১400723
  • মানুষের ঘরেদোরে অনাহুত প্রাণীদের মধ্যে ব্যারাল আর চামচিকে - এই দুটো প্রাণীকেই দুচোক্ষে দেখতে পারি না। মাকড়শাও তেমন পছন্দ করি না অবশ্য।
  • pi | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ২১:২৯400720
  • টেনিদাতেই স্কিনমোল ছিল না!
  • Atoz | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ২১:২৯400721
  • নবনীতা ব্যাগে নিয়ে ঘুরতেন, দুই ছোট্টো ছোট্টো চামচিকে ছানা, দুধ খেতো তুলোর পলতে করে। খানিক পরপরই কাঁদতো, খিদে পেত ওদের। তখন ছোট্টো বাটিতে দুধ গুলে দিয়ে তুলোর পলতে দিয়ে দিতে হত, সরু পলতে মুখে নিয়ে ওরা চুষে খেতে পারতো দুধ। এত ছোটো মুখ, ওভাবে ছাড়া উপায় ছিল না।
  • | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ২১:২৯400722
  • অ্যাক! চামচিকে খুবই ইয়াক টাইপ। কেমন ল্যাতল্যাতে মত লাগে হাতে বা গায়ে লাগলে।
  • T | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ২১:২৮400719
  • 'চামচিকের আর্তনাদ' এতো টেনিদার গল্পের চ্যাপ্টারের নাম হয়ে গ্যালো!
  • r2h | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ২১:২২400718
  • হ্যাঁ, চামচিকের আর্তনাদ খুবই আপার্থিব টাইপ যা শুনলাম।
    এইবার আমারও কিছু করার ছিলনা, এমন আনক্যানি প্রাণীকে আদর করে হাতে তুলে গাছের ডালে বসিয়ে দিয়ে আসা একটা অসম্ভব ব্যাপার।
  • Atoz | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ২১:২১400717
  • নতুন ধর্মটার নাম যদি "এককেশ ধর্ম" হয়, তবে মাথার একটি চুল উৎসর্গ করে ওই ধর্ম গ্রহণ করতে হবে। ঃ-)
  • Atoz | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ২১:১৮400716
  • চামচিকা, বাদুড় এরা নাকি আল্ট্রাসোনিক রেঞ্জে আওয়াজ করে, তাই মানুষে শুনতে পায় না, ভাবে খুব আস্তে কীযেন আওয়াজ করছে। মানুষের অডিবল রেঞ্জে ওদের আওয়াজের খুব কমটুকু আসে, প্রান্তের আঁচলটুকু।
    ওরা নিজেরা নিজেরা নির্ঘাৎ বলাবলি করে, "এত চেঁচাই, দৈত্যগুলো কিচ্ছু শোনে না, এদের কান টান নেই নাকি? "
    ঃ-)
  • অভি | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ২১:১৬400715
  • ইহা এক ননআঁতেল উপলব্ধি। আজ একজনকে বললাম, চলুন ছুটির দিন গাজলডোবা ঘুরে আসি। তায় বললেন, ও তো সেদিন লাটাগুড়ি থেকে আসার পথে দেখে নিয়েছি একবার, আর যাব কেন? বাপস, ভাগ্যিস। এদের নিয়ে ঘুরতে গেলেই মাটিং চকার হয়ে যাবে সব।
  • dc | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ২১:১৫400714
  • ওদিকে লোকজন তিন জেনারেশান ধরে খুঁড়ে হীরে বার করে আনছে।
  • Atoz | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ২১:১৩400713
  • হুতো, ওঁরাও মানে ওই প্রিভিলেজ্ড মহিলারাও দলিত মানে দলিতা, " দলিতা ফণিনী" ঃ-)
  • | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ২১:০৮400711
  • ঃ-))))))))

    গুরু (সোমনাথ), রেডিও তে নাটক আছে, শুনেছি একজন ট্রান্সস্ক্রিপ্ট করে ছেপেছে হিন্দীতে। কিন্তু বহু খুঁজে পাইনি, কে একটা বল্লো ইলাহাবাদে পেয়ে যাবি ঃ-((((

    অমৃতসরের আমলের লেখা/অনুবাদ কিসু বেরিয়েছে কিনা জানি না, অনুবাদ গুলো, সেগুলো কোথায় কি ভাবে পাবা যাবে জানি ই না।

    সবেরা/মুসাবিরা/আদাব ই অতিফ পত্রিকা যদি কিসু পাওয়া যেত স্ক্যান করা যেত ভালো হত। এ সালা মন খারাপ করা ব্যাপার, কাগজে প্রথম যখন ধর লিহাফ বেরোলো, সেই কাগজ টা যদি একবার চোখের দেখা দেখা যেত। খ
  • r2h | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ২১:০৮400712
  • এহ, নন আঁতেলদের লিখতে ভয়ের কিছু নেই।

    কাল আমার ঘরে একটা চামচিকে ঢুকেছিল, কি করে তার একটা ডানা খোঁড়া হয়ে গেছে, ঝুলঝাড়ু দিয়ে সরাতে গেলে শুনি ভয়ানক মৃদু আস্তে শ্রিল আওয়াজ করছে।

    ওদিকে ত্রিপুরার, ভেবেছিলাম নাম বলবোনা, তারপর মনে হলো এ তো পাবলিক তথ্য, বলেই দিই, মানবী প্রকাশনী দলিত সাহিত্যের সঙ্কলন বের করেছিল। মুশকিল হলো যথেষ্ট দলিত সাহিত্যিক না পাওয়ায় সব মহিলাদের দলিত ব্র্যাকেটে ঢুকিয়ে দিয়েছিল, আর শহরের সব প্রিভিলেজড ভদ্রমহিলারা সেই সঙ্কলনে লিখেছিলেন।
    সেইসময় সাহিত্যে দলিত ট্যগ লাগালে অনিল সরকারের বদান্যতায় কিছু সরকারী সুবিধে পাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল হতো।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত