এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • pi | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ২১:০০400710
  • হ্যাঁ, র‌্যান্ডম না, লেখা ধরে আলাদাই হয়। সেদিন পার্থসারথি গিরিও চমকে গিয়ে জিগেশ করছিলেন, তখন ১০০০ মত ছিল, এখম প্রায় ১৮০০!
    http://www.guruchandali.com/blog/2018/10/02/1538469157667.html

    আমি লেখা শেয়ার করেও দেখেছি, হয়ত ১৪-১৫ টা গ্রুপ কি ওয়াল আর হয়াতে শেয়ার করলম ( সেই হয়া কাউন্ট দেখায় না), কিন্তু তারপর এর মধ্যেই বহু লেখা ১০০-২০০-৩০০-৫০০ বারও শেয়ার হয়ে যেতে দেখেছি। তাও এই শেয়ার কাউন্ট দেখায় একমাত্র পেজের ঐ শেয়ার বাটন দিয়ে করলে। কপি পেস্ট করলে না। এই শেয়ার কাউন্টের আরো ভাল প্লাগিন পাওয়া গেলে ভাল হত।,
  • Atoz | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ২০:৫৭400709
  • এইবারে নতুন নাটক, " খাপ খুলেছেন খননেন্দ্র" ঃ-) খ এর ক্যামোন অনুপ্রাস দেখুন। ঃ-)
  • | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ২০:৫৩400708
  • হ্যাঁ মানে খুললেই প্রথম পাতায় নাম্বার এরম বাড়তে দেখে ভাবলাম গুগলের মত ক্রলার কিছু আসে মাঝে মাঝে তাতে হয়ত কাউন্ট বাড়ছে। কিন্তু তাতে সবকটাই বাড়ত। কাজেই খানিক ব্যোমকেই গেলাম। @পাই
  • ~°~ | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ২০:৪৬400707
  • সাদত হাসান মান্টোর নাম উর্দু হরফে উইকি থেকে কপি করে সার্চ দিলে সাইট পাবেন যেখানে মান্টোর সমস্ত রচনা উর্দুতে রয়েছে। ফুল টেকস্ট। ক্রোমে পেজ ট্রান্সলেটের অপশন দিয়ে মূল ভাববস্তু ইংরেজি বা বাংলায় বুঝে নিতে পারবেন। অথেনটিক অনুবাদের জন্য উর্দু জানা ভালো বাংলা লেখা লোক নীলাঞ্জন হাজরা ছাড়া কাউকে জানিনা। বাংলায় অনূদিত মান্টোর একটা লিস্ট আমার করা আছে। সেগুলো বাদে বাকি লেখাগুলো বাংলায় অনুবাদ করানো গেলে ভালো বই হয়।
  • dc | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ২০:৪৫400706
  • একদম ঠিক বলেন। এই আমারই লিখতে ভয় লাগে, আমি জীবনে জীবনান্দও পড়িনি আর মান্টো তো গুগল করে জানতে হলো। অথচ কি গম্ভীর আলোচনা হচ্ছে। আমাদের মতো নন-আঁতেলদের লিখতে তো ভয় লাগবেই।
  • | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ২০:৩১400705
  • প্রতি দু তিন বছরে এরকম করলে কিন্তু অনেক অনেক ভালো ভালো লোকজন পাবা যাবে। আমি একজন নীপা কে চিনি, দাঁড়া তাকে ধরছি, বলছি মশায় আর যা পরবেন পরে থাকুন, কিন্তু খাপ খুলুন। খ
  • | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ২০:২৯400704
  • কিন্তু লাজুক হলে কি করে চলবে। একটা কাজ করা যাক, এটা জেনুইন প্রস্তাব, আমরা যারা এখানে রাজা উজির মেরে উদ্ধার করি, তারা অ্যাবাউট এক বছর চেপে যাই, তাতে কিন্তু অনেক নতুন রেগুলার কনট্রিবিউটর বেরিয়ে আসতে পারে সত্যি। এবার যেই কিনা কটা নতুন লোক এসেছে, অমনি আবার ব্যাক টু ফুল ভাট, সবাই কে একটু ভালোবেসে কথা বললেই হবে। আর পুরোনো দের একটু ধরে ব্যাক করাতে পারলে ভালো হয়, সামান্য অপমান করলেই যদি সবাই গোঁসা করে তাইলে লিখে লিখে অপমান করার বড় ঐতিহ্যটা নষ্ট হয়ে যাবে, মুদ্রন সংস্কৃতির ক্ষতি হয়ে যাবে ;-) খ
  • pi | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ২০:২০400703
  • দমদি, সব লেখা ধরলে এঁদের সন্গ্খ্যা আরো বেশি। বইমেলায় এইসব নীপাদের অনেকের দেখা পাওয়া যায়। একেবারে নিয়মিত পাঠক। কেন মন্তব্য করেননা জানতে চাইলে বেশিরভাগই বলে ওঠেন, সাহসে কুলায় না, আমি তো পাঠক, বোদ্ধা নই, ওখানে সবাই কত ভাল লেখেন, কত জানেন, সেখানে লিখতে অস্বস্তি হয়, এক্কেবারে এই বাক্যগুলো। কিছু লোক্জন কীভাবে লিখতে হবে বুঝে পান না। গুচ্ছ মেসেজ আছে ঃ(
  • | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ২০:০৪400702
  • এই রে উর্দু কে বাদ দিয়ে বলল, এখন আবার আমায় কারেকশন করতে হবে, এই মাইনেতে এত হয় ? ;-) খ

    জীবনানন্দ কেন আমাদের গোটা ভাষার বড় কাজের ক্ষেত্রেই র ব্যাপারে ভাষার রাজনীতিতে জেনেরালি একমত, সলিড করে শনিবারের চিঠি-কল্লোল-কবিতা ভববন - পরিচয়-৬৭ র পরে এবং ৭১ এর পরের সাহিত্য জগতে নাটকীয়তা কিসু কম নাই, সিনেমা বানানো ই যেতে পারে। তবে আমি সিনেমায় কাঁচা মনে রাখবেন আর ট্যালেন্টলেস মনে রাখবেন আর সিনেমাটা অন্য কেউ না বানানোর পর্যন্ত আমাকে প্যাঁক দেবেন না, থ্যাংক ইউ। উফ্ফ ঃ-)))))))

  • | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ২০:০০400701
  • কিন্তু কিন্তু ইসে হয়েছে, এই রহস্যময় হাজার জন কারা? বা ৯৫০+? চুপচাপ পড়ে চলে যান কিচ্ছুটি রা কাড়েন না?
  • | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ১৯:৫৯400700
  • ট, তোকে আমার পয়েন টা ঠিক বোঝাতে পারছি না। আসলে কোন একটা অবসারভেশনে তো এত ভাস্ট জিনিস বোঝানো সম্ভব না, আর অসংখ্য একসেপ্শন ও আছে। আমি যেটা বলছি, আর্বান সেকুলার মিলিউ তে ফিরতে গেলেই হিন্দী বা উর্দু সাহিত্য কে 40s এ ফিরতে হচ্ছে, এবং এই ট্রেন্ডে স্বাধীনত উত্তর পর্বে নিজের মত করে ফিল্ম কালচারে বম্বে ইত্যাদি আসছে, সেটা আবার হিন্দু ন্যাশনালিস্ট টার্ন নিচ্ছে শিব সেনার উত্থানের পরে, মানে বম্বের আর্বান দলিত সাহিত্যও, দলিত প্যান্থার ইত্যাদি, ও কিন্তু পরে ন্যাশনালিস্ট টার্ন নিচ্ছে, মারাঠি আইডেন্টিটির দিক থেকে যেটা এই একেবারে হালে এক্সপোজ্ড হচ্ছে, মারাঠি আইডেন্টিটি আর দলিত আইডেন্টিটি ক্ল্যাশ করছে। অথচ সেটা বাংলায় হচ্ছে না। বাংলায় প্রোগ্রেসিভ সাহিত্যের একটা অংশ সঠিক ভাবেই তুই বলেছিশ, নোটেবলি ঋত্বিক এবং অন্যরা অনেকে তেভাগা ইত্যাদি নানা কারণে রুরাল হিউম্যান কন্ডিশন কে আনছেন লেখাতে। ছবিতে। একটা কথা ভেবে দেখ, টাক ডুম টাক ডুম বাজে বাংলা দেশের ঢোল এটা দেশ হারানোর স্মৃতি, যেটা কিন্তু ধর যোগেন মন্ডল দের রিয়ালিটি কে রিপ্রেজেন্ট করে না। আমাদের পার্টিশন অভিজ্ঞতা একেবারে হালের আগে নিম্নবর্গের অভিজ্ঞতা পায় নি, আর রিভারস মাইগ্রেশন বা এখানকার মুসলমান ডিসপ্লেসমেন্ট এগুলো একেবারে হালে বেরোচ্ছে। আর নগর কে স্খলন বলা শুরু হচ্ছে রেয়ারলি, তাও রিফিউজি অভিজ্ঞতা থেকে আসা শহরতলীর সাহিত্যিকেরা বা কলকাতায় আসা সাহিত্যিকেরা বলছেন, নাগরিক সহাবস্থান বা অন্ত্যজর কন্ডিশনের অনুসন্ধান তাঁদের কাছে অতটা গুরুত্ত্ব পাচ্ছে না। কারণ পার্টিশন দুঃসহ।

    এছাড়া স্মল টাউন আসছে। কিন্তু তাই বলে নাগরিক ধারাটা বাংলা সাহিত্য তে শুকিয়ে যাচ্ছে না, যে যত গ্রামীন মিলিউ লিখুক। স্মৃতি জর্জরিত হোক। আরেকটা কি হয়েছে, রেয়ার কেস ছাড়া বাংলায় তারাশংকর বা অমিয়ভূষণ ছাড়া গ্রামের লোক বা কলকাতার বাইরের লোক বাংলা সাহিত্যে প্রভাব কম ফেলছেন, কলকাতা কেন্দ্রিকতা একটা সমস্যা তৈরী করছে। গ্রামে চাগরি করতে গিয়ে সরকারী কাজ করতে গিয়ে একটা দেখা হচ্ছে, তাতে একটা লেখা হচ্ছে, কিন্তু তাতে অথেন্টিসিটি র প্রশ্ন টা থাকছে।

    যাই হোক, আমার মনে হয়েছে ওভারল ইশান বেশ কিছুদিন ধরে অন্য ভারতীয় ভাষায় তেমন আধুনিকতা নেই বলে অভিহিত করছে, ওর কথাটা তে সময় না বসালে একটু অসুবিধে হচ্ছ আমার কারণ তা না হলে মনে হচ্ছে, ভারতীয় অন্যান্য ভাষায় আধুনিকতার ছোঁয়া কখনো আসে নি বলে মনে হচ্ছে, সেটা প্রোগ্রেসিভ রাইটিং, বা অন্য আর্বান রাইটিং এর ইতিহাস কে খানিকটা খানিকটা অস্বীকার করছে। খ
  • Ishan | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ১৯:৪৯400699
  • ১। সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে 'আধুনিক' ব্যাপার স্যাপার তেমন হয়নি, এইটা বলার সময় আমি উর্দুকে বাদ দিই। কারণ 'সর্বভারতীয়' প্রেক্ষিতে উর্দু আর তেমন গুরুত্বপূর্ণ নেই। ওটা এখন আনফরচুনেটলি, পাকিস্তানের সম্পত্তি। একই ভাবে মারাঠি বা দক্ষিণী ভাষাগুলোও বাদ দিই। কারণ তাদের সম্পর্কে কোনো খবরই রাখিনা। বাকিদের নিয়েও প্রচণ্ড খবর রেখে উল্টে দিই এমন না, তবে একটা জেনারাল ইমপ্রেশন আছে, তার ভিত্তিতে লেখা।

    ২। মান্টো এত পড়া হয়, জীবনানদ হয়না, তার কারণ তো ভাষা রাজনীতি বটেই। পাকিস্তানের প্রোমোট করা ভাষা হল উর্দু। ইংরিজিতে ডন ফনে মান্টো নিয়ে মাঝে মধ্যেই লেখা হয়। একটা মিথ তৈরি করে ফেলা গেছে আন্তর্জাতিক স্তরে। মান্টো তো হিট হবেনই। এরকম বাঙালিদের ক্ষেত্রেও হয়েছিল রবীন্দ্রনাথের লেখা নিয়ে। কিন্তু এখন জীবনানন্দ অনুবাদ করলেও কেউ ছাপবেনা। ছাপলেও কেউ পড়বেনা। সবই ভাষার গুরুত্বের প্রশ্ন। নইলে মাল্যবান কি কারুবাসনা স্প্যানিশে লেখা হলে জে-এন-ইউ কি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকরা একদিনে দুলে দুলে মুখস্থ করে ফেলতেন।
  • b | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ১৯:৩০400698
  • ঢোঁড়াই? জাগরী?
  • T | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ১৭:৫৮400697
  • সত্তরের আগে থেকেই তো। অমিয়ভূষণের 'গড় শ্রীখন্ড' কবে? পঞ্চাশ ষাঠ দশকেই তো।
  • | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ১৭:৩৪400696
  • সৈকত ঃ-))))))))))))))))))))))) এগ্রিড। খ
  • | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ১৭:৩১400695
  • ট - এইবার বুজেছি। ব্যাপ্তি কে কম বলে নি। বাঙলা সাহিত্য ছাড়া বাংলায় আছে টা কি? আর এগুলো ঠিক প্রতিযোগিতার ব্যাপার না। কোন ডোমেইন কেন কখন অ্যাড্রেসড হচ্ছে, কে কখন কেন সাহিত্যের সাবজেক্ট ম্যাটার হচ্ছে, এটা অ্যাপ্রিসিয়েশন তথা ক্রিটিকাল থিয়োরীর পার্ট, এই আলোচনা তো তুই না চাইলেও হবে, ভালো বনাম খারাপ বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে না, তাছাড়া এখন আমরা দেশ আনন্দমেলা পত্রিকা নিয়ে আলোচনায় বসিনি ;-)

    আমি দুটো জিনিস ভেবে দেখতে বলছি, ধর বিজন ভট্টাচার্য্য, রাইট, নবান্নর বিজন ভট্টাচার্য্য ইয়ার্কি না, তার ব্যাটা, রুরাল মিলিউ তে গেলেন ই না, বুড়া কাহারের গল্প ১৯৭৯ নাগাদ একটা গল্প ছাড়া সেরকম কিসু নাই, অথচ সিপিএম বিরোধিতার জন্য গ্রাম বাংলায় পঞ্চায়েতের অত্যাচার চলছে এটা বললে আনন্দ পুরশ্কার বাঁধা ছিল, বলা যায় না, আনন্দ মেলায় ছোটোদের ফ্যাতাড়ু লেখার আহ্বান পেতেন হয়তো ;-) কিন্তু এটা শুধুই এস্টাবলিশমেন্ট কে অ্যাভয়েড করছেন তা না, নগর কে এনগেজ করছেন এবং নিজের মত করে করছেন। ফ্যাতাড়ু বল হার্বার্ট বল খেলনা নগর বল অনেক পরের গল্প, যে গল্প তাঁকে রেকগনিশন দিয়েছে, কিন্তু একেবারে শুরুতে ১৯৭২ নাগা সপ্তাহ পত্রিকায় লেখা গল্প গুলো আর একেবারে ২০১০ এর কাছাকাছি সময়ে বাংলাঅর বাইরের স্টীল অ্যান্ড গ্লাস সিটি গুলো ধরছেন, শহর বোঝার চেষ্টা করহ্হেন। গান্ধীর উত্থানের পরে শহহর কে স্খলন এর জায়গা হিসেবেই দেখা হয়েছে মূলতঃ এটা অস্বীকার করা কঠিন। গান্ধী ইংরেজের আধুনিকতা কে রিজেক্ট করতে গিয়ে ভক্তি মুভমেন্টের মিলিউ দ্বারা পরিবৃত একটা সেল্ফ সাফিশিয়েন্ট গ্রামের ধারণা আনেন, চরখা / খাদি তে সেটা এম্ফাসাইজ্ড হয়, সেটা শহর কে ক্রিমিনালাইজ করেছে খানিকটা, মানে মেটাফরিকালি। অথচ ঘেটো আইজেশন সত্ত্বেও একধরণের সহাবস্থান পাওয়া যাচ্ছে, যার ডিরেক্ট ফল বম্বের মান্তো, জিনি তৈরী হচ্ছেন গালিব দের ভাষার ঐতিহ্যে, যেটা ইন্সিডেন্টালি প্রি কলোনিয়াল আর্বানিটির মিলিউ তে তৈরী। এটা ভেবে দেখতে বলছি। না ভাবলে তোর কচু অবশ্য। এবং আমার ঘেঁচুঃ-))) খ
  • সৈকত | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ১৭:২৯400694
  • তবে বোধি শর্টে মেরে দিয়েছে। অফ অল পিওপল, বোধি দলিত সাহিত্যের প্রসঙ্গে রাজনীতির কথা আনল না, এ মানে অসম্ভব একটা ব্যপার। ঃ-)
  • সৈকত | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ১৭:২৭400693
  • ৭০ পরবর্তীতে বাংলা লেখায় আর্বানিটির ফলে দলিত সাহিত্যটা তৈরী হল না, বোধির এই বক্তব্যটা বুঝিনি। মোটামুটি ষাট আর সত্তরের দশকে, মহারাষ্ট্রে যখন দলিত রাজনীতি আর দলিত সাহিত্যের বেড়ে ওঠা, এখানে তখন বামপন্থী আন্দোলন হয়ে নকশাল আন্দোলন। ফলে লেখালেখি যা তার একটা অংশ এইসব নিয়ে। কিন্তু নকশাল আন্দোলন শেষ হয়ে যাওয়ারও পরে, সত্তরের মাঝামাঝি বা শেষ থেকে যার লিখতে শুরু করলেন তার অনেকেই কর্মসূত্রে গ্রামে গেলেন, সেখানকার মানুষকে লেখায় নিয়ে এলেন। এদের কাছে কিছুটা মডেল হিসেবে হয়ত মহাশ্বেতা দেবীর লেখাপত্রভ ছিল, বাকিটা তারা যা দেখছেন, সেখান থেকে লেখা উঠে আসছে। আমার কাছে তো বরং উল্টোটা, সত্তর আর আশির দশকের বাংলায় লেখালেখি মূলতঃ নন-আর্বান, আমি দেশ-আনন্দর কথা বলছি না। দেবেশ রায়ের তিস্তাপাড়ও তো সত্তরের শেষ থেকে আশির দশকের প্রথম অবধি বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হতে থাকল কিন্তু সেটা দলিত সাহিত্য না হলেও, আর্বান সাহিত্য নয়।
  • অর্জুন অভিষেক | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ১৭:২৫400692
  • @খ' র সুচিন্তিত মতামত খুবই ভাল লেগেছে। আশা করব এ নিয়ে বিস্তারিত লিখবেন। আফটর ওল এটা কমেন্ট।

    গালিব গজলের জন্যে সবসময়ে সর্ব ভারতীয়। মান্টো বম্বে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির লোক। কাজেই তাদের কাজ নিয়ে উৎসাহ খুব স্বাভাবিক। সেটা যে ভাষাতেই করুন।

    জীবনানন্দ ঐ ভাবে সর্ব ভারতীয় বাজার কখনোই পাবেন না।
  • অর্জুন অভিষেক | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ১৭:২১400691
  • অরুন্ধতী রায় নিজেকে আলাদা করে 'ভারতীয় সাহিত্যের প্রতিনিধি বলে নিজেদের ঘোষণা' না করলেও বিশিষ্ট ভাবে Indian English authors সম্প্রদায় ভুক্ত। বলা ভাল Quota ভুক্ত। অরুন্ধতীর অবস্থানটা আমার অন্যদের থেকে একটু স্ট্রেঞ্জ লাগে। 'গড অব স্মল থিংস' থেকে এই তিন বছর আগে Kindle পত্রিকায় ইন্টার্ভিউ পর্যন্ত প্রায় সব জায়গায় তিনি বলেছেন যে সাহিত্যের ছাত্রী বা শিক্ষক না হবার দরুন তার ইংরেজি সাহিত্যের ক্লাসিক্স ইত্যাদি স্কুল জীবনের পরে আর পড়া নেই। I'm not a well read person এ কথা তিনি সব জায়গায় বলেন এবং 'আমার সাহিত্যের পড়াশোনা তো সব কেরলের সাহিত্য নিয়ে' এ কথাও প্রায়ই শোনা যেত। কিন্তু তার লেখালেখির মডেলটা একদম Urban চোখ দিয়ে। 'কেরলের সাহিত্য' র প্রভাব তার লেখার মধ্যে কতটা পাওয়া গেছে?

    এই নিজেকে 'ভারতীয় সাহিত্যের প্রতিনিধি' ও বলব না, আবার একদম ভারতীয় ইংরেজি সাহিত্য চর্চার কেন্দ্রে থাকব গোছের 'ধরুই মাছ না ছুঁই পানি' র একটা জ্বলন্ত উদাহরণ তিনি।

    ওর সোশ্যাল ইস্যুস নিয়ে লেখাগুলোয় 'নিজের ভ্যান্টেজ পজিশন সব সময় অথরিটির বিরুদ্ধে ব্যবহার' করলেও সেটা অত্যন্ত safe custody থেকে করেন। তাই ঐ ইস্যুস গুলো নিয়ে কাজ করতে যাদের জেলে যেতে হয় (ভারাভারা রাও, সুধা ভরদ্বাজ, গনসালভেজ, ফেরিয়েরা, নভলাখা) তাদের থেকে তার অবস্থান অনেক সুরক্ষিত।

    তাদের রাজনীতি থেকেও তিনি দূরে।

    বরং প্রচণ্ড আত্মকেন্দ্রিক এবং নিজের ল্যাজে পা পড়লেই ফোঁস করা রুশদির এ সব ক্ষেত্রে যখন কিছু বলেছেন, সেটার ক্ল্যারিটি অনেক বেশী মনে হয়েছে।
  • | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ১৭:০৫400690
  • ট তোর কথাটা ভালো বুঝলাম না, তাই কিসু কইস নাই ধরে নিয়ে একটা ট্রিভিয়া দিচ্চি, ফকির মোহন সেনাপতি থেকে মনোজ দাস প্রচুর গল্পে উপন্যাসে একেবারে নিম্নবর্গ ক্ষেত মজুর হিরো। ফকির মোহন, বঙ্কিমের থেকে অল্প ছোটো। তাইলে এবার বল, ১৮৫৭ র পরে মুসলমানের হাত থেকে রক্ষা পাবা গেছে, ইংরেজ দের একটু শিখিয়ে পড়িয়ে নিলেই হবে গোছের প্রোজেক্ট যখন বংকিম পারসু করছেন, তখন ভারতীয় সাহিত্যে অন্যত্র অন্যরকম কাজ ও হচ্ছে। একেবারে নেই তা না। এবর এতে রিজিওনালিজম করে লাভ নেই। খ
  • | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ১৭:০৪400689
  • বেচারা পপস। কেমিস্ট্রির কাদের নামে কিসব বলে ক্ল্যান থেকে এমন ধমক খেয়েছিলেন যে পুরো মুখে কুলুপ এঁটে নিরুদ্দেশ হয়ে গেছেন।
  • de | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ১৬:৫০400688
  • উদিকে এক ডনকো নোবেল টইমে লাকে টই স্টপ কর দিয়া -- মু হা হা হা!
  • de | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ১৬:৪৯400687
  • স্মরণজিৎ রাত্তিরে শোবার আগে পড়লে সুন্দর ঘুম আসে, যে কোন একটা বই কিনে রাখলে আশেপাশে পাড়া-প্রতিবেশী মিলিয়ে নামকরণের কাজ সারা হয়ে থাকে -কত্তো ইউটিলেটারিয়ান লেখক -
  • T | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ১৬:৪৩400686
  • পুরো নিম্নবর্গকেই ধচ্চি।
  • T | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ১৬:৩৮400685
  • হ্যার! বাকী আদখানা কুমীরে নেওয়ার আগেই মেজোমামাময় করে ফ্যালো। :))

    বিশুদ্ধতার খোঁজে গ্রামে যাওয়ার ব্যাপারটার পেছনে তৎকালীন সংগ্রাম পরিস্থিতি ( তেভাগা ইত্যাদি ) অন্যতম একটা ব্যাপার। গ্রামীণ কনফ্লিক্টের রিপ্রেজেন্টেশন ঘটনাকালীন ঐটেই মেন্সট্রীম হয়েছে, ক্লাসিকস গুলির একরকম টেক্সট হিসেবে মান্যতাপ্রদান ইত্যাদি। বাট হামারা এক ছোটা বক্তব্য হ্যায়। সেটি হচ্ছে যে, সরাসরি লিখিত সাহিত্য বাদে অন্যান্য লোকসাংস্কৃতিক কাজকর্ম যেমন লোকশ্রুতি, উপকথাগুলি, যেমন পল্লীগীতি, পদাবলী কীর্তন, এই যেমন ধরো হাজারো রকমের গান, চটকা, তরীকত, টুসু, জাগ ইত্যাদিকেও লিখিত টেক্সটের যে ডোমেইন তার মধ্যে ফেলা হোক। দলিত সাহিত্যের মান্যতা প্রদান এবং ইন্সটিট্যুশন হয়তো সেরকম তৈরী হয় নি (মতুয়া কিছু ক্ষেত্র ছাড়া) কিন্তু আদারওয়াইজ এই যে ব্যাপ্তি, ইহা কম কী! সাহিত্য পরিসর কখনো ড্রইংরুম খুঁজে নেবে কখনো বা মাঠ-ঘাট। এবং এক হিসেবে এই দলিত সাহিত্যের (মানে বিগার সাংস্কৃতিক অর্থে) দূরে সরে থাকা হয়তো এক অর্থে ভালোই হয়েছে। মোল্লা নাসিরুদ্দিনের ঐ গল্পের মতন। মোল্লা যেমন আলোর নীচে চাবি খুঁজছিলেন :) ফলে অন্ধকার তার নিজস্ব সাহিত্য পরিসর অটুট রাখার পন্থা বেছে নিয়েছে। মানে বীরভূমের ছত্রে ছত্রে স্মরণজিৎ তৈরী হ'লে...ওরে বাবা :))
  • | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ১৬:৩৫400684
  • আমাদের কুল্টুরের এক্কেরে ফুটুর ডুম হই গ্যাসে
  • de | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ১৬:৩৩400683
  • বুঝলাম - ধন্যযোগ!

    ভারতের অন্যান্য প্রাদেশিক ভাষায় দলিত সাহিত্যিকদের কোন পরিসংখ্যান পাবা যাবে?
  • | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ১৬:১৯400682
  • না, দলিত দের লেখা। মনোরঞ্জন ব্যাপারি একটা উদা, একেবারে হালের আলপনা মন্ডল বিরাট ব্রাইট উদা। খ
  • | ১০ অক্টোবর ২০১৮ ১৬:১৮400681
  • ট, আমি বা* অত জানি না। জেনেরালি লোক জন বলে যে (কিন্তু কোন ফর্মাল লেখা পড়েছি মনে করতে পারছি না, অন্তত বড় কারো পড়িনি এই লাইনটা সমর্থন করে, বা হয়তো খ্যাল করিনি বা জানি ই না মাথাতেই আসে নি পড়ার সময়ে) চৈতন্য এবং মুসলমান ধর্মের প্রভাবে সমাজের নীচুস্তরে এতটাই বেশি হয়েছে গত পাঁচশো বছরে, এবং বাউল ফকির দের ফ্রি থিংকার জঁর টা এত স্ট্রং, যে আলাদা করে দলিত আইডেন্টিটি তৈরী হতে সময় লেগেছে। তবে এটা কিন্তু কিন্তু করে বাঙালি ইনটেলেকচুয়াল রা বলেন, কিন্তু অন্য অনেকেই বলেন, যে না বাঙালি ভদ্রলোক হেজেমনি অন কালচার একটু বেশি, তাই আম্বেদকরাইট মুভমেন্ট সংস্কৃতির জগতে গড়ে ওঠে নি। দ্য ট্রুথ ক্লিয়ারলি ইজ সামহোয়ার ইন বিটুইন, অ্যাজ ডিডি দা সেজ, আইডেন্টিটি পলিটিক্স বাংলায় হয় নি তা না, প্রচুর হয়েছে, তিতুমির নিজে ওয়াহাবী ছিলেন, যোগেন মন্ডল বাঙালি, কিন্তু কুল্টুর এ এটা প্রতিফলন কম হয়েছে, সবাই ঘুরে ফিরে শরচ্চন্দ্র বা হাহা সংস্কৃতি অবলম্বন করে কান্নাকাটি করেছেন ;-) অথবা আমরা অহংকারে পরিপূর্ণ গন্ডমুর্খ, হয়তো প্রি মডার্ন ছেড়ে দেয়, আধুনিক সময়েও নিম্নবর্গের লোকেরা এত এমন লিখেছেন, আমরা তেমন খবর রাখি না। অ-প্রধান ভাষা গুলির ব্যাপারে তো তাই হয়েইছে। এই ক্যাটিগোরি গুলো আলাদা আলাদা, এবং মেনস্ট্রীম বাংলা বনাম যুদ্ধটা একমাত্রিক কিসু না। খ
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত