এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • aaro mushkil | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ০৬:৫৫400050
  • তবে কি ম ব্যা প্রধানমন্ত্রী হলে আফ্রিকায় দেব কল্কে পেতে পারে?
    (মনে হতেই পারে ছ্যাব্লামো করলাম, এক্তু করলামও, কিন্তু কোশ্চেন্টা প্রকৃত প্রস্তাব)
  • mushkil | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ০৬:৫১400049
  • আফ্রিকা আর সাবেকি রাশিয়া (বুঝলেন তো কি বল্লাম) তেও হিন্দি নাচা গানার চমত্কার চাষ!

    তবে কি ব্যাপার্টা এখন ডিম ও মুর্গিতে চলে যাচ্ছে!
  • Ishan | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ০৬:৪৭400048
  • সবকটা কারণই ঘুরে ফিরে দেখবেন সরকারি নীতির দিকেই যাচ্ছে। এনেসডি, পুনা, হিন্দিতে ভাবতে শেখা, বোম্বের স্টার সিটেম, সব। এনেসডি ইত্যাদি বোঝা সহজ। কিন্তু ধরুন "হিন্দিতে এমনিতেই দর্শক অনেক বেশি। তার উপরে সারা দুনিয়ার লোক দেখে"। এইটা কেন? আমাদের বলা হয়েছে, রাজকাপুর আর দেব আনন্দ ছিলেন মহানায়ক। তাঁদের জনপ্রিয়তা উত্তরে রাশিয়া থেকে দক্ষিণে মধ্যপ্রাচ্য হয়ে পশ্চিমে তুরস্ক পর্যন্ত বিস্তৃত। ততটাই বিস্তৃত বোম্বের বাজার (বাজার মানেই আবার প্রফিট এবং ক্যাপিটাল), সেই পঞ্চাশের দশক থেকেই। জনপ্রিয়তার কথাটা মিথ্যে নয়। কিন্তু কেন? বলেন তো।
  • S | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ০৪:৪৯400047
  • আর ইংরাজি বললে কেন স্মার্ট ভাববে এটার অনেক অনেক কারণ আছে। অতো লিখতে গেলে হাত ব্যাথা করবে।
  • S | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ০৪:৪৫400046
  • এরপরেও আরেকটা ব্যাপার আছে। তা হলো হাই ইনকাম বাঙালীর সংখ্যা অপেক্ষাকৃতভাবে কম। এবং তারা বেশিরভাগ অন্য রাজ্য/দেশে থাকে। ফলে কন্জিউমার বেস বড্ড ছোটো হয়ে গেছে।

    একটা উদাহরণ দিই। এক বিল্ডার জানালেন যে উনার যে উকিল তিনি নাকি কম্পিউটারে তুখোড়। পরে বুঝেছিলাম যে উনি ওয়ার্ড ডকুমেন্টে ভালো টাইপ করতে পারেন, আর ইন্টারনেট খুলে রেজিস্ট্রেশনের ফর্ম ফিলাপ করতে পারেন। পবের ক্রিম ডেলা ক্রিম বেশিরভাগ রাজ্য ছেড়ে চলে গেছে।
  • Ekak | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ০৪:৪৪400045
  • আর বিনোদোন কেন হিন্দি ঘেষা তার অনেক গোপ্পো। এই জে শারুখ থেকে তিগ্মাঙ্গশু এরা লাইন দিয়ে এনএসডির প্রোডাক্ট। সেটা হিন্দি সার্কল। ওদিকে দেখ পুনে ফিল্ম ইন্স্টি। সেও একি গল্প। এদেশের এন্টার্টেনমেন্ট দুনিয়ার সেরা ছত্রোরা ভাবতে শিখেছে হিন্দি তে। সাউথের হাতে গোনা পান্চ জন বাদ্দিলে।

    পাশাপশি বিচারে, আমাদের এসরেফ্টিআই এর বোয়েস নাবালক এবঙ্গ তারা অভিনয় শিক্খ কেন্দ্রিক নয়।

    কোলকাতা তাহলে কী প্রোডিউস কর্ছে ? টেক্নিশিয়ন আর কন্টেন্ট এর লোক, জারা কদিন বাদেই মুম্বাই সেটল্ড। তাদের কাছে ভাষা ব্যারিআর নয়।
  • S | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ০৪:৩৯400044
  • ঈশানদা না রেগে ব্যাপারটা বুঝুন। যদিও আমার বক্তব্য আপনার অ্যামাজন সংক্রান্ত সমস্যার সরাসরি উত্তরে ছিলোনা।

    চাহিদা কম আর চাহিদা নেই আলাদা। যেখানে চাহিদা যত কম সেখানে পুঁজিও তত কম আসবে, বিনোদনের যোগানের পরিমাণ ও কোয়ালিটি তত কম/খারাপ হবে। বাংলায় চাহিদা "কম"।

    বাংলা সিনেমা শুধুমাত্র পব আর বাংলাদেশের লোকেরাই দেখবে। সেখানেও আলাদা অ্যাকসেন্ট, রুচি, সংস্কৃতি আছে। ফলে এপাড় বাংলার লোক খুব যে ওপার বাংলার সিনেমা দেখছেন, তা নয়। উল্টোটাও নয়। আমি শেষ কবে বাংলাদেশের সিনেমা দেখেছি মনে করতে পারছিনা।

    তারপরে শুধু এপাড় বাংলায়ও আপনি দেবের সিনেমা দেখবেন না, নাক কোঁচকাবেন। সত্যজিত রায় আমাদের বড্ড পাকিয়ে দিয়ে গেছেন। বার্তুলোচি, ফেলিনি ছাড়া কোনও সিনেমার আলোচনা শেষও হয়্না।

    ফলে এমনিতেই ছোটো বেস। তার উপরে আবার গুচ্ছের সেগমেন্টেশন। তারপরে আবার যেসব সিনেমা টাকা তোলে (কমার্শিয়াল), সেগুলো ভদ্দরলোকে (যাদের কাছে টাকা আছে, অর্থাৎ কনজিউমার) দেখেনা। গতবছর নাকি বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি মোট ৭০ কোটি টাকা লস করেছে। ফলে ক্যাপিটাল তৈরীই হচ্ছে না। ইনভেস্টমেন্ট কেউ করবে কেন?

    দক্ষিনীদের মতন আমাদের সিনেমা দেখার অত বাতিকও নেই। হিন্দিতে এমনিতেই দর্শক অনেক বেশি। তার উপরে সারা দুনিয়ার লোক দেখে। বেশিরভাগ অহিন্দি ভাষি রাজ্যগুলোতেও রম রম করে চলে। খোদ বলিউডের বাসভুমি একটা অহিন্দি রাজ্যের রাজধানী। মহারাষ্ট্র, গুজরাট, পব, পান্জাব, উড়িষ্যা - এগুলোতে খুব ভালো চলে। ফলে রিজিওনাল রাজ্যের সিনেমাগুলোর বাজারে থাবা বসায় হিন্সি ইংরাজি সিনেমা। তারপরে আছে সাবকন্টিনেন্টের অন্যান্য দেশ এবং মধ্যপ্রাচ্য।

    এবারে হিন্দি কেন এতো জনপ্রিয় হলো তার অনেক অনেক কারণ আছে। এক, কেন্দ্রিয় সরকারের নীতি (আপনি এই নিয়ে অনেকবার বলেছেন)। দুই, অন্য রাজ্যগুলোর অর্থনৈতিক ভাবে দিল্লির উপরে নির্ভরতা। তিন, হিন্দি সিনেমাগুলো বানিজ্যিক কারণেই অনেক বেশি ইনক্লুসিভ (ভাষা, চরিত্র, লোকেশান, থিম, স্ক্রিপ্ট, গল্প)। চার, দেশের সবথেকে বড় ট্যালেন্টরা (বাজারের দিক থেকে) সব বলিউডে চলে যায়। টলিউডের নায়ক-নায়িকাদের জন্য বলিউড ড্রিম ডেস্টিনেশন। এছাড়াও আরো ভুড়ি ভুড়ি কারণ আছে।
  • Ekak | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ০৪:২৮400043
  • বিনোদনের দুনিয়াটা ভৌগলিক নয়, ভার্চুআল। দুই বাঙ্গলার বাঙ্গালি এবঙ্গ বাকি প্রিথিবি তে ছরিয়ে থাকা বাঙ্গালি এই টোটাল মাস কে মাথায় রেখে উদ্যোগ খুব কম হোয়েচে। সেই জে বিটিভিতে কত প্রোগ্রাম হত, সেগুলো একটা জায়্গায় এসে থেমে গ্যালো। তারপর দুই বাঙ্গলা নিয়ে কোন উদ্যোগ নেই। এই ভেরি রিসেন্টলি আবর বাঙ্গলাদেশি শিল্পিদের নিয়ে বাঙ্গলা রিয়ালিটি শো হচ্চে।

    মার্কেট স্ফীয়ার নেই নেই করে খুব কম না। আগ্রাসি উদ্যোগ কম।
  • Ekak | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ০৪:১৮400042
  • এই মিষ্টতম ভাষার ঢপটা লোকে টীভি ক্যামেরার সামনে ওবধি দিয়ে দিলো ঃ((
  • Ishan | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ০৪:০৯400041
  • “যেখানে সত্যিই ভ্স্শার ব্যবহার বেড়েছে, তা হলো বিনোদন। সেখানে বাংলার চাহিদা কম। বাণিজ্যিক কারণেই।” — আমি সিরিয়াসলি এই বাণিজ্যিক কারণটা জানতে চাই।
  • Ishan | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ০৩:৫৮400040
  • চাহিদা কম মানে কী? বাংলা ভাষায় বিনোদনের যোগান দেওয়া যায়না? বাংলায় সিনেমা করলে লোকে দেখবেনা? গান গাইলে লোকে শুনবেনা? ওদিকে বাংলা নাকি পৃথিবীর মিষ্টতম ভাষা?:-)

    খুবই অ্যাবসার্ড বক্তব্য। তবুও, যদি ধরেও নিই বাংলায় বিনোদন হয়না, তাতে করে অ্যামাজন কেন বাংলা ই-বুক করতে দিচ্ছেনা, তার কি ব্যাখ্যা হয় বুঝলাম না।

    আসলে ১৯৪৭ সাল থেকে এইটা খাওয়ানো হচ্ছে তো। বাংলা হল 'প্যানপ্যানে' আর হিন্দি হল 'নাচের গান'। বোম্বেকেও সেইভাবে প্রোমোট করা হয়েছে। শুনতে শুনতে ব্যপারটা রক্তে ঢুকে গেছে। এখন আমরাও বাবার ভাষাতেই কথা বলি। মগজ ধোলাই অবশ্যই শেষ হয়নি। এখন তো এফএম টেফএম এ বাংলা বলতেও বারন করা হয়। লোকে নাকি শুনবেনা। সেটাও একসময় অভ্যাস হয়ে যাবে। তখন বলা হবে বাংলায় কী আর স্মার্টনেস হয়? হিন্দি হল অনুষ্ঠানে বলার ভাষা, আর বাংলা বাড়িতে। সেটাও গ্লোবালাইজেশন হাবিজাবি বলে মেনে নেওয়া যাবে। খালি যেটা বোঝা যাবেনা, পৃথিবীর মিশ্টতম ভাহ্হায় কেন বিনোদন হবেনা, রেডিওতে কথা বলা যাবেনা। বোঝা না গেলেই বা কি। সার্টিফিকেটটা বাড়িতে জমিয়ে রাখা হবে, আর বেরিয়ে হিন্দি ইংরিজি বললেই চলবে। :-)
  • S | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ০২:২২400039
  • দুটো সমস্যা। এক, ভাষার শুদ্ধতা। দুই, ভাষার ব্যাপ্তি।

    এক, সব ভাষাতেই শুদ্ধতা কমছে। সেটাই স্বাভাবিক। যত বেশি মাইগ্রেশন হবে আর যত বেশি লোক সেই ভাষায় চর্চা করবে (ফেসবুক থেকে বাজার করা), তত শুদ্ধতা কমবে। অন্য ভাষার (এবং কখনও কখনও ভুল) শব্দ, বাক্য গঠন, উচ্চারণ ইত্যাদি আসবে। আবার এর ফলে ব্যাপ্তিও বাড়ছে। এটা সারা দুনিয়ার বেশিরভাগ বড় ভাষায় (যেসব ভাষা বেশি লোক বলে) হচ্ছে। বাংলা, হিন্দি, ইংরাজী, খোঁজ নিলে স্প্যানিশে, আরবীতেও হয়তো এই সমস্যা হচ্ছে। একাধিক ভাষায় কথা বলা লোকের সংখ্যা বাড়ছে বলেই তো মনে হয়।

    দুই, ভাষার ব্যাপ্তি অনেকটা ঠিক হবে তার বানিজ্যিক চাহিদাতে। কবিতা পড়ার মানসিকতা চলে গেছে এই মেটিরিয়ালিস্টিক/পণ্যবাদী দুনিয়াতে। ব্যস্ত লোকে আর লম্বা উপন্যাস, প্রবন্ধ পড়েনা। যেখানে সত্যিই ভ্স্শার ব্যবহার বেড়েছে, তা হলো বিনোদন। সেখানে বাংলার চাহিদা কম। বাণিজ্যিক কারণেই।
  • Ishan | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ০১:৪৯400038
  • উইকিপিডিয়াতে সংখ্যা দেখে এলাম ২০১১ সালের। হিন্দির ক্ষেত্রে সংখ্যাটা ১.৫ কোটি। বাংলার ক্ষেত্রে ১ কোটি। এই ফর্মুলায় ফেললে। এই দিয়ে ব্যাখ্যা হয়না কেন হিন্দিতে ই-বই বানানো যায়, বাংলায় যায়না। বই তো সিনেমার মতো না, যে শুনে শুনে ভাষাটা বুঝে ফেলা যায়। নেটিভ স্পিকার ছাড়া আর কারো পড়া মুশকিল।
  • Ishan | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ০১:৩৬400037
  • ভারতে গ্র্যাজুয়েটের সংখ্যা ১০% এর কম। ৪০ এর নিচের লোকের সংখ্যা ধরছি জনসংখ্যার ৫০% হবে (আরও বেশিই হবে, কিন্তু এখন ডেটা খুলে দেখতে ল্যাদ লাগছে)। তাহলে চল্লিশের নিচে গ্র্যাজুয়েট হল পুরো জনসংখ্যার ৫%। মোবাইলের কভারেজ ভারতে অত্যন্ত বেশি। জনসংহ্যার ৯০% মতো। ফলে এই ৫% এর সকলেরই মোবাইল এবং নেট কানেকশন আছে ধরে নেওয়া যায়। এই অন্তত ৫% হল কিন্ডলের পোটেনশিয়াল কাস্টমার। বাংলাভাষীর সংখ্যা অন্তত ২৫ কোটি। ভারত আর বাংলাদেশের গ্র্যাজুয়েটের ডিসট্রিবিউশন মোটামুটি এক আছে ধরলে পোটেনশিয়াল পাঠক ১কোটি+।

    এই হল বাজারের হিসেব। খুব কম করে ধরলে।
  • একক | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ০১:১৮400036
  • না আসলে এই নিয়ে বছর দুই আগে একটা ফোরামে কথা হয়েছিল। তো ইউএসের এক জনতা তেড়েমেড়ে প্রচুর ডেটা দিয়ে প্রমান কল্লে, জিডিপির কত পার্সেন্ট ইবুক রিডার সেইভাবে বাংলাদেশ কোনো সীনে আসেনা। তাই নাকি এমাজনের উত্সাহ নেই। মোদ্দা কথা, আজ নয় কাল আসবে। যেভাবে গুগলও এসেছে।
  • Ishan | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ০১:০২400035
  • পাঠক কত তো জানিনা। তবে মার্কেটকে আন্ডারকাট করতে পারি জানি। :-)
  • একক | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ০০:৪০400034
  • গুরুর যেরকম বই তাতে কিন্ডল রিডার কত? পিডিএফ রিডার অনেক, সে কথা হচ্চেনা। কিন্ডল হলে অবস্যই সুবিধে হয়। হলে সেটা বাংলাদেশের দিকে তাকিয়ে হবে।
  • Ishan | ০৪ অক্টোবর ২০১৮ ২৩:৩০400032
  • খ'ই বলুক না। কেন ইন্টারেস্ট নেই। খুবই নাকি সোজা কারণ বলল তো। উচ্চারণই করুক।
  • Ishan | ০৪ অক্টোবর ২০১৮ ২৩:৩০400033
  • এগোনো পিছোনোর ব্যাপারই নয়। বাঁচা মরার ব্যাপার। কত উদাহরণ দেব। অনেকদিন ধরে বইয়ের বাজারে ছ্যাঁদা করব বলে লেগে আছি। অনেকেই মাঝে মাঝে বলেন, বাঙালির দ্বারা কিছু হবেনা, কোনো প্রকাশক ই-বই বারই করলেন না ইত্যাদি। তা, গত তিন-চার বছর ধরে অ্যামাজনে কিন্ডল ভার্সানের বই বার করব বলে টার্গেট করে আছি। টেকনিকালি সবই তৈরি। কিন্তু অ্যামাজন বাংলা ই-বই বার করতে দেবেনা। হিন্দি দেবে কিন্তু বাংলা দেবেনা। টেকনিকালি ওদেরও কোনো সমস্যা থাকার কথা নয়, তবু দেয়না। মেল করেছি। যথারীতি "আমরা উপযুক্ত টিমের কাছে পাঠিয়ে দিচ্ছি" বলে উত্তর পেয়েছি। গত তিন চার বছর ধরে।
    ই-বইয়ের অন্য অপশন নিশ্চয়ই আছে। কিন্তু বৃহত্তম ভেন্ডরটি আমার ভাষার বই বার করতে দেবেনা বলে আমাকে প্রতিবন্ধী করে রেখেছে। কেন? জানা নেই নেটফ্লিক্সের মতো কোনো কারণই হবে নির্ঘাত।

    এটা কী কেস? বাঙালিকে জিজ্ঞাসা করুন, মার্কেটপন্থী থেকে বামপন্থী, সব্বাই চুপ। তারপর ঘুরে এসে দুদিন পরে আবার ফাটা রেকর্ড চালুঃ বাঙালির দ্বারা কিছু হবেনা। কোনো মার্কেটই ট্যাপ করতে পারেনা। ইত্যাদি। শুনে শুনে বিরক্ত হয়ে গেলাম। এত আত্মপ্রবঞ্চক একটা জাতির পক্ষে এটাই ঠিক আছে।
  • T | ০৪ অক্টোবর ২০১৮ ২৩:২৮400031
  • কিন্তু কারণটা কী? ক্যানো খ এর লেখা জনতা পড়বে না?
  • dc | ০৪ অক্টোবর ২০১৮ ২৩:০১400030
  • জয়রাজবাবুর নাম তো আগে শুনিনি, তবে এককের দেওয়া লিংকে ওনার বক্তব্য শুনতে ভারি ভাল্লাগলো।

    য়ুটুব ভিডিওর নীচে লেখা আছেঃ "Furthermore, the practice of rehearsing and performing for 12-14 hours by the ‘professionals’ is counterproductive not only to the very history of all sorts of labour movement but also disconnects one from the essential experience of politics and empathy."

    আমি তো যখন কাজ করি তখন দিনে যতোক্ষন পারি ততোক্ষন কাজ করি, পারলে ১৪ ঘন্টার বেশী কাজ করি। আমি যে সবরকম লেবার মুভমেন্টের একেবারে বিপরীতে, পলিটিক্সের থেকে দূরে আর খাঁটি ক্যাপিটালিস্ট পদ্ধতিতে অনুপ্রাণিত, তা জেনে খুব খুশী হলাম।
  • dc | ০৪ অক্টোবর ২০১৮ ২২:২১400029
  • আমি মাঝে মাঝে কলকাতা যাই, বেশী যাই না। বাংলা ভাষা এগোচ্ছে না পিছোচ্ছে জানিনা, তবে কিনা কলকাতার লোকজনেরা যে দিন দিন আরও বেশী করে ল্যাদখোর, ঝগড়ুটে আর বাতেলা সর্বস্ব হয়ে উঠছে তাতে কোন সন্দেহ নেই।
  • একক | ০৪ অক্টোবর ২০১৮ ২২:১৮400028
  • এটাও। এইযে দিনে দশটা নাটকে অভিনয় করা এবং তাকে কমার্শিয়াল বলে চালানো এটা কিন্তু কনজিউমার কে ঠকানো। জয়রাজ তাঁর আদর্শের জায়গা থেকে বলেছেন। কিন্তু আমি আদর্শের একদম উল্টোপ্রান্তে দাড়িয়েও ঐযে বলছে "তুমি এসেনশিয়ালি দুরে সরে যাচ্ছ " এটাকে কনজিউমারের জায়গা থেকে সমর্থন করছি। এই জাতীয় অভিনেতাদের টিপিকাল কাজ দেখতে দেখতে ক্লান্ত। কদ্দিন টিঁকবে এই হাইপ ? কোয়ালিটির কথা তোলা কী ভুল ??

  • Ishan | ০৪ অক্টোবর ২০১৮ ২২:০৯400027
  • ওহ ভিডিও। পরে দেখতে হবে।
  • একক | ০৪ অক্টোবর ২০১৮ ২১:৪৯400026
  • একটু আগে পরে আছে :

    ফিউডাল আর্ট প্র্যাকটিস


    কলকাতার থিয়েটার করাপ্ট
  • Ishan | ০৪ অক্টোবর ২০১৮ ২১:৪৮400025
  • গর্গরা? ওরা তো জেলায় প্রচুর কাজ করে। বাকি সবার থেকে বেশু্যি।
  • একক | ০৪ অক্টোবর ২০১৮ ২১:৪৫400024
  • "কলকাতার লোকজন " বলতে এখানে বাংলা ভাষা কেন্দ্র করে যারা জঙ্গী পদক্ষেপের ডাক দিচ্চেন রাস্তায় নেবে তারা।
  • Ishan | ০৪ অক্টোবর ২০১৮ ২১:৪৩400023
  • জয়রাজ আবার কি ইন্টারভিউ দিল? দেখিনি তো।
  • একক | ০৪ অক্টোবর ২০১৮ ২১:৪০400022
  • সাউথের ভাষা সচেতনতা আমি সমর্থন করি। কিন্তু মুশকিল হলো যে। কলকাতার লোকজন সামহাও ভাবে যে সাউথের ভাষা সচেতনতা মানে শুধুই বোধ হয় ওরাকল বা আইবিএম কে কান্নার বা তামিলে সাইনবোর্ড লিখতে বাধ্য করা। আদৌ তা নয়। এদের দলিত সাহিত্য থেকে শুরু করে আঞ্চলিক সস্কৃতির চর্চা অনেক রীচ, তাকে ঘিরে সরকারী উদ্যোগ ও আছে যেটা ওই ক্লাবে টাকা দেওয়া লেভেলের বালামো নয়। বা থিয়েটারের নামে কমার্শিয়াল যাত্রার ড্রয়িং রুম ভার্সন নয়। কলকাতার লোকজন তেড়ে এলেও এটা হার্ডট্রুথ যে, এখানে, এই চরম আত্মসুখী আইটিবাজ ব্যাঙ্গালোরের বুকেও কন্নর নাট্যপরিচালকদের প্রযোজনা, আমাদের ঢাক পিটিয়ে প্রচারিত একাডেমিকেন্দ্রিক নাট্যের চে এগিয়ে। এটা একটা ওভার অল এপ্রোচ। শুধু সাউথ এ নকল করে দোকান এর হোর্ডিং পাল্টে দিলুম এমন নয়।

    বাই দ্য ওয়ে, জয়রাজ এর কাহনে দেওয়া ইন্টারভিউ নিয়ে প্রচুর হাশ হাশ চাদ্দিকে, কিন্তু কেও লিখিত মাধ্যমে মুখ খুলছেনা। যদিও জয়রাজ ও কোনো দিশা দেখিয়েছেন এমন মনে হয়নি ; তবু অনেকগুলো পয়েন্ট সঠিক লেগেছে। কলকাতার বাইরের প্রযোজনা দেখার পর, আরো বেশি করে।
  • Ishan | ০৪ অক্টোবর ২০১৮ ২১:৩৭400021
  • কী কারণ?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত