এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০৮:২৪399541
  • ইন্দ্রাণী দি আবার মস্তান নাম লিখছ কেন? আমরা অনেকেই এখানে ঝগড়া করি খারাপ ব‍্যবহার ও অনেক সময় ক‍রি, সারকাস্টিক রিমার্ক করি, ইন্দ্রাণী দির তো সারাজীবন ইমপেকেবল ব‍্যবহার, কেউ কিছু যদি বলেও থী কিছু মনে কোর না। লেখা লিখি করো, ওটাই ইম্পরট্যান্ট।
  • aranya | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০৭:৫৮399539
  • ছ বছর পর মাকড়সার জাল পরিস্কার করে, ধুলো ঝেড়ে বুট জোড়া পায়ে গলিয়ে মাঠে নামলাম। কী প্যাথেটিক অবোস্তা, চিন্তার বাইরে :-(
    তাও দু একটা ডজ, টার্ন, কটা পাস - এই একটা খেলা - ফুটবল, নাথিং লাইক ইট
  • Du | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০৭:৩৭399538
  • ডিডিদা এইমাত্র রান্নায় উর্সেস্ট্শায়ার সস দিতে গিয়ে খেয়াল হল বহুদিন আপনি রান্না কিছু লেখেননি। ঐ সসটা আপনার রেসিপি দেখেই কিনেছিলাম।
  • i | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০৬:৫৮399537
  • সরি, ভ্ক্তবৃন্দ। রা হবে না। প্রচুর ভুলভাল লিখে ফেলি আজকাল।
  • i | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০৫:৪৭399536
  • আর সব টই ফেলে রবীন্দ্রনাথের টই তে 'বাইট খচ্চা' নিয়ে সবাই উঠে পড়ে লাগলেন কেন বুঝলাম না। ওখানে কেউ কাউকে কদর্য ভাষায় গালিও দেন নি কিম্বা...
    এরকম অজস্র টই বছরের পর বছর চলেছে -

    সে যাক গে। আরো তথ্য হাতে এলে, আবার লিখব ওখানে।

    ইতি
    ছোটাই মস্তান
  • i | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০৫:৪১399535
  • রবার্ট গলব্রেথের চতুর্থ বইটি প্রকাশিত। ভক্তবৃন্দরা নিশ্চই এতদিনে সংগ্রহ করে ফেলেছেন। কাল পড়তে শুরু করলাম।
  • Du | ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ২৩:৫০399534
  • ভুল স্বীকার বা অপরপক্ষকে সম্মান দেখানো এই ব্যপারটা উল্টোদিক থেকে হওয়া মুশকিল হি নেহি না মুমকিন হ্যয়
  • pi | ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ২৩:৪৯399533
  • নাগফল চেনেন কেউ?
    কালকে সবাইকে হার্ডড্রাইভ নিয়ে অনেক জ্বালিয়েছি। অনেকে স্ট্যাটাস আর মেসেজে, গুরুতে অনেক অনেক সাহায্য করেছেন, তাঁদের আর কত থ্যামকু দেব। কিন্ত মন খুব খারাপ ছিলই, সব গেল ভেবে। আর তার সাথে এক ছটাক বৃথা আশা মরিতে মরিতেও মরেনা। এখানে আর ক'টাই বা দোকান, নিয়ে গিয়ে দেখা গেল তার বদলেও কিছু হলনা, রেকোভা দিয়ও না, ( ওই শেষ আশা ছিল)... ডিসিরটা করতে পারিনি, এই ড্যাশের পোস্ট তখন পেলে কাজে দিত, এনিওয়ে থ্যানকু তবে সারাদিন ঘুরেঘারে অবশেষে কোথাও তো একটু আশার আলো দেখা গেল।এখনো জানিনা রিকভারি শেষে হারানো মানিক পাব না, জঞ্জাল উঠবে। সে ড্রাইভ ১৩ ঘণ্টা দেখাচ্ছে দেখে দোকানেই রেখে আসা। যে কম্প থেকে ওই ডিস্কে কাট পেস্ট মেরেছিলাম, তাতেও চালানো হচ্ছে চিরুনিতল্লাশ। আর ঘণ্টা দুই বাদে কী আসবে সেই নিয়ে টেনশন করে আর কী হবে,
    উদ্ধার না হলে আর কয়েক ঘণ্টা পর থেকে শোকপালনে বসব ( এ শোক শক দুইই মোক্ষম হবে, অলরেডি কাল থেকেই টের পাচ্ছি, যে পরিমাণে সাধেরডাটা আর ছবির ব্যাকাপ ছিল না! ইন ফ্যাক্ট কালই অনেকদিনের পর একটু ফুরসুত পেয়ে ব্যাকাপ নেব বলেই বসে দেখি এই অসৈরণ কাণ্ড!), আপাতত একটু আনন্দই করে নি বরং। এই আজ এসব না হলে থোড়াই শহর যেতাম, এতটা সময় ঘুরে ঘারে কাটাতে না হলে থোড়াই এই চানাভাজার সন্ধান পেতাম, যে আমি কিনা চানাচুর খাই মূলত নানা চুরের মধ্যে এই চানাগুলির সন্ধানে, সেগুলোই সব জড়ো করা পেয়ে গেলে আনন্দই হয় বটে( কৌটো শেষ হতে বেশি দেরি নেই বলে অর্ধেক শেষ হতেই তড়িঘড়ি ছবি তুলে রাখলাম!) আর এমন একটা নতুন ফলের সন্ধান পেলেও।দেখতে প্রায় নাসপাতির মত ( একই গোত্রের হবে নিশ্চিত), কিন্তু একটু ছোট, খোসা খসখসে না, আর তাই ছাড়ানোর ঝামেলাও নেই, আর খেতে? অনেক বেশি মিষ্টি, রসালো, স্বাদু! আমা হেন ফলউদাসী নেহাত নতুন রকম ভেবে কৌতূহলের বশেই কিনে ফেলে একটুও হাত কামড়াচ্ছে না, বরং একের পর এক ফলে কামড়!
    এই ফল আর চানার আহারে ভালই নৈশাহার ও হয়ে যাবে মনে হচ্ছে।
    ও, ফলটাকে এখানে ডাকে নাগফল। ত্রিপুরায় ও একবার দেখেছি মনে হচ্ছে এখন, কিন্তু কোলকাতা কি অন্যত্র দেখিনি মোটে। নাগফল। নাগফুল আর গাছের সন্ধানে রইলাম।
    হার্ডড্রাইভ ডেটা চিন্তা, আপাতত তোমায় আজকে দিলাম ছুটিইইই!!

    যাহোক। কেউ চেনেন নাকি নাগফল?
  • Du | ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ২৩:৩৯399532
  • কাল বেটো আর টেড ক্রুজের এস এম ইউ ডিবেট শুনছিলাম। শেষে দুজনকে দুজনের সম্বন্ধে ভালো কিছু বলতে বলায় বেটো শুরু করলো। তখনি ভেবেছি এই রে ক্রুজ তো বলবেনা ভালো। তাই হল। বেটো বললো সেন ক্রুজ নিজের মত করে আম্রিগার ভালো করতে চায় বিশ্বাস করি। সেইটা হেডলাইন হল। আর ক্রুজ বললো ও বার্নির মত আদর্শবাদী ও সোশ্যালিজম আনতে চায় যা বিশ্বাস করে তাই করে।
  • -- | ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ২২:৩৪399531
  • https://drive.google.com/open?id=0Bz-RYfLHhM5wS1lIUnNVWDlmRWM

    এখানে frw_en-1.exe ফাইলটা আছে। কম্পু বাওয়ালি ২ থ্রেডে হার্ড ডিস্ক রিকভারির পদ্ধতি লেখা আছে। প্রথমে একটি হার্ড ডিস্ক কিনতে হবে। তাতে কোরাপ্টেড হার্ড ডিস্ক রিকভারি করতে হবে। কোরাপ্টেড ডিস্ক এ কোনো কিছু রাইট করার চেষ্টাও করলে ডেটা পার্মানেন্ট লস হতে পারে।
  • pagla dashu | ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১৯:৫৪399529
  • এত লড়ই কেন? ছাড়ান দিন। এই প্রথম আর এখন থেকে আর সবাই জিতুক গে যাক @ sm
  • Tim | ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০০:১৪399527
  • কম্পু খারাপ মানেই তো বেঁচে গেলে। আর কীভাবে বাঁচাবে?
  • dc | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ২৩:৪২399526
  • বোধায় মেকানিকাল এরর না, কারন হার্ড ড্রাইভটা মাউন্ট করতে পারছে। কম্পু বা ল্যাপটপে একটা রিকভারি টুল ডাউনলোড করে, হার্ড ড্রাইভটা কানেক্ট করে, তারপর টুলটা চালিয়ে দেখুন।
  • pi | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ২৩:৩১399525
  • chkdsc এ এটা আসছে।

  • sm | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ২৩:১৮399524
  • খ,এই প্রথম কাউকে বললাম আপনি জিতে গেছেন।কারণ এরকম নিপাট অন্যের মুখে নিজের কথা বসাতে আগে দেখিনি।
    ব্যাংকিং সেক্টরে এন পি এ বাড়ার জন্য আমি মূলত শিল্পপতি, তাদের হয়ে চাপ সৃষ্টি কারি পলিটিশিয়ান ও কিছু উঁচু পদাধিকারী ব্যাংকার বা আধিকারিক দের কথা বলেছি। নিচু তলার কর্মী বা ইউনিয়ন এর কথা বলিনি। ক্লিয়ার?
    গত দশ বছরে ৫০হাজার কোটি থেকে এন পি এ বেড়ে দশ লাখ কোটি ছাড়িয়েছে।অর্থাৎ দুর্নীতি খুব দ্রুত গতিতে বেড়েছে।
    আপনি দীনেশ দুবের নাম শুনেছেন?
    আপনার বক্তব্য (যা আমি বুঝেছি) চাপ থাকে ও চাকরি হারানোর ভয় থাকে বলে, এনারা দেদার লোন দিয়ে থাকেন ও নিয়মের ধার ধারেন না।
    সেই জন্য ই একজন পি এস সি তে বসে থাকা ডাক্তার এর কথা বলে ছিলাম।উদাহরণ স্বরূপ চল্লিশ জন রাজনৈতিক নেতা ও গুন্ডা দের চাহিদা মত ডেথ সার্টিফিকেট দেন নি।
    এরকম অনেক কেই করতে হয়।
    অনেক সিভিল ইঞ্জিনিয়ার কেও করতে হয়। জাজ দের ও করতে হয়।
    অর্থাৎ চাপের কাছে মাথা না নুইয়ে কাজ করে যান।
    এক জন বোর্ড অফ ডিরেক্টর চাপের কাছে মাথা না নামানো টা
    বড় কিছু ব্যাপার না। বড় জোর সাসপেন্ড হবেন বা অন্যত্র বদলি হবেন।

    দ্বিতীয় অংশ ছিল ইউনিয়নের ভূমিকা নিয়ে।তিনটে ব্যাংক মার্জার হলে জব কমবেই। এর জন্য দায়ী কে?সেই এন পি এ।
    আর এনপিয়ের জন্য দায়ী কারা?
    মূলত,শিল্পপতি, পলিটিশিয়ান আর বোর্ড অফ ডিরেক্টরস গণ।
    তাহলে, ঘাপলার গন্ধ পেলেই ইউনিয়নের উচিত আন্দোলন করা এই দুষ্ট চক্রের বিরুদ্ধে বা নিচুতলার কর্মীদের সচেতন করা।
    এটাতে সফল হলে ই বলবো ইউনিয়ন দারুন কাজ করছে।
  • dc | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ২২:৫৯399523
  • পাই ম্যাডাম, এক্সটার্নাল ড্রাইভ থেকে ফাইল উদ্ধার করার কিছু ফ্রি বা ওপেন সোর্স টুল আছে।

    যেমন এইটাঃ

    http://kickassundelete.sourceforge.net/

    আরেকটাঃ

    https://www.cgsecurity.org/

    এরকম একটা দুটো টুল আমি নিজেও টুকটাক ব্যাবহার করি, অনেক সময়ে পেন ড্রাইভ থেকে ভুল করে একটা ফাইল ডিলিট করে দিলে এই টুলগুলো দিয়ে রিকভার করে নেওয়া যায়। তবে ডিস্ক রিকভারির কয়েকটা স্টেজ আছে। যদি হার্ড ড্রাইভে কোন মেকানিকাল প্রব্লেম হয়ে গিয়ে থাকে, কোন কারনে যদ আদৌ ডিস্ক অ্যাক্সেসই না হয়, তাহলে রিকভার করা মুশকিল। এই ওপেন সোর্স টুলগুলো চালিয়ে আগে দেখতে পারেন যে আদৌ ফাইল স্ট্রাকচার দেখতে পারছেন কিনা।
  • | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ২২:৪৯399522
  • পাই, ওটা এক্কেবারে গ্যাছে ভাই।
  • dc | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ২২:৪৭399521
  • যাকলা খ দা আবার এমবিএ র মধ্যে আমাকে টেনে আনেন কেন? এ নিয়ে আমর কুনো মতামত নেই - যার মনে হয় এমবিএ পড়লে দুপয়সা বেশী কামাতে পারবে সে পড়বে, যার মনে হয় এমবিএ করার দরকার নেই সে পড়বে না। আমার কিস্যু যায় আসে না।
  • aka | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ২২:১৯399520
  • দক্ষিণ পন্থা বলে বাজারে তখনই কিছু থাকা সম্ভব যখন বাজারে বামপন্থা বলে কিসু থাকবে।

    সারা পৃথিবীতে বামপন্থা বলতে যা রয়েছে তাহল গিয়ে দক্ষিণপন্থার রকমফের। অতএব প্রথমকথা হল বাজারে একটাই জিনিষ আছে তাহল বাজার নিজে।
  • aka | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ২২:০৮399519
  • এই মাইরি খনুর এমবিএ প্রীতি আর গেল না, ছেলেমেয়েদের এমবিয়ে পড়ার বয়স হয়ে গেল।
  • | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ২১:৫৪399518
  • খ - এস এম নিক এর কাছে আমার কয়েকটা এক্সপ্ল্যানেশন বাকি আছে। সকলে স্যারিডন খেয়ে বসেন ঃ-))

    আমার ১৯ তারিখে এর সন্ধে ৭ টা ইত্যাদি নাগাদ পোস্ট টা একটু বেশি কল্পিত পারম্পর্য্য অনুসরণ করেছিল। ক্ষমাপ্রার্থী।

    তো দক্ষিন পন্থা কে নব নব রূপে দেখা একটু মুশকিল বিশেশতঃ "
    প্রতিবাদ মানেই স্ট্রাইক নয়। আজ ও স্ট্রাইক ও ধর্নার বিপক্ষে, আগামীকালও তাই।" এরকম চিরায়ত বাণী এলে একটু ঘিসাপিটা লজিক এর আরোহন কএই আক্রমণ করতে ইচ্ছে করে এবং ঘিসাপিটা ভাবেই, কারণ এতে আর যাই হোক নতুনত্ত্ব নাই।

    কথাট শুরু হয়েছিল ব্যাংকিং নিয়ে। পাবলিক সেকটর ব্যাংকিং নিয়ে। বলা বাহুল্য কথাটা যে কোনো ইনডাস্ট্রি নিয়ে শুরু হলেও সিদ্ধান্ত এক হতঃ-) যে কোনো গণ আন্দোলন সম্পর্কে হলেও এক হতঃ-)) কারণ সংবিধান কে উন্নয়নের বাধা যে মত মনে করে, এই মত তার অনুসারী। এও খুব ই পুরোনো কথা, প্রায় সেকালের "ভালো" আনন্দমেলা বা দেশ পত্রিকার মত ঃ-)))

    পাবলিক সেকটর ব্যাংকিং এ আমাদের দেশে কতগুলি খেলা চলে। সেটা দেখে বুঝে ন্যাকা সেজে বসে থাকার কোন মানে হয় না।

    প্রথম খেলাটি এরকম, যথারীতি চক্রবৎ। পাব্লিক সেক্টর ব্যাংকের সোশাল রেসপন্সিবিলিটি র রোল টাকেই তার তথাকথিত 'এফিসিয়েন্সী' মডেল খুঁজে পাওয়ার বিষয়ে মূল বাধা হিসেবে দেখানো হয়, তুলনা করা হয় নতুন শহর গুলির নতুন প্রাইভেট ব্যাংক গুলি র সঙ্গে। এবং রিজার্ভ ব্যাংক, নিয়ন্ত্রক হিসেবে তার রোলে, যখন ই এন পি এ নিয়ে বা অপারেশনাল এফিসিয়েন্সী তে তথ্য গোপন করা কঠিন করে তোলে, তখন ই বিচিত্র নানা অজুহাত শোনা যায়। এটা বুঝতে পারার জন্য কোন পুরষ্কার নেই, ডিমনিটাইজেশন ও এরকম ই একটি উইংক উইংক গেমের ফল। রুরাল ব্যাংকিং ফেল করছে কারণ শয়ে শয়ে কোটি টাকার কাউন্টার ফিট মার্কেটে ঘুরে বেড়াচ্ছে, এই আজগুবি তত্ত্ব, আর এস এস এর অর্থনৈতিক চিন্তার হাত শক্ত করার জন্য যথেষ্ট ছিল। ২০১২-২০১৬ র মধ্যে এস বি আই এর একটি রিপোর্ট থেকে ডিমনি র ঘোষণা অব্দি এই তুষের আগুন পোশা হয়েছে।
    পাবলিক সেকটর ব্যাংকে যেহেতু আর টি আই করা যায়, তাই পরে এও দেখা গেছে, জিরো ব্যালান্স অ্যাকাউন্টে অল্প টাকা ভরে সারা দেশে অপারেশনাল এফিসিয়েন্সি প্রমাণ করার প্রচেষ্টা হয়েছে, যে সরকারের সোশাল রেসপন্সিবিলিটি প্রোগ্রাম ই ব্যাংক এর দুরবস্থার কারণ। এখন এটি কি ভীষণ গোপন চক্রান্ত কিছু, আমার সেটা মনে হয় না, আমার মনে হয়, প্রাইভেটাইজেশন এর লিঅয়্র এবং ইনএভিলিটির কাছে একটা মেরুদন্ডহীন আত্মসমর্পণ ব্যাংকের ম্যানেজমেন্ট গুলোর পক্ষ থেকে।

    বিষয় টাকে এই প্রেক্ষিতে দেখলে, দাদা আপুনি কি ইউনিয়নের পক্ষে, তার মানে আপনি উন্নয়নএর বিপক্ষে এই বাইনারী দিয়ে দেখতে হয় না।

    সাম্প্রতিক দেনা বিজয়া বি ও বি এর মার্জারের দাবী কি, দাবী হল, এই 'অ্যামালগামেশন' এ
    ভিষণ এফিসিয়েন্সী বেড়ে যাবে, আসল উদ্দেশ্য দুটি, রিজার্ভ ব্যাংকের যে এন পি এ সহ নানা প্যারামিটার তার থেকে উদ্ধার পেয়ে লোন দেওয়া আবার চালু করতে পারা, অথচ অন্য কোন রিকভারির প্ল্যান না রাখা, এবং এক ই ঢিলে কর্মী সংকোচন একটু বাড়িয়ে নেওয়া। রিজার্ভ ব্যাংকের রিপোর্টিং এর চোটে প্রাণ ওষ্ঠাগত সকলেই বলেন, কিন্তু রিজার্ভ ব্যাংক কে রিপোর্ট দিতে গিয়ে লোক বেশি দরকার হবে এ কথা বললেই লোকে ডিসরাপটিভ ইউনিয়ন নেতা হয়ে যাচ্ছে। পাই য়ের শেয়ার করা লিংক এর মধ্যেই আছে, একটা মজার জিনিস, ইউনিয়নের নেতা বলছেন, গত বছরে পাঁচটা ব্যাংকের সঙ্গে এস বি আই এর মার্জারে কারো এফিসিয়েন্সী বাড়ে নি। ঠিক এক কথা বলছেন এস বি আই এর বর্তমান চেয়ার ম্যান।

    https://www.firstpost.com/business/psu-bank-mergers-sbi-not-right-candidate-to-take-over-more-banks-says-chairman-rajnish-kumar-5227111.html

    বলছেন গত মার্জারের ধাক্কা সামলাতে পারতে সময় লাগবে, তাই এবার হয়তো ব্যাংক অফ বরোদা কে বেছে নেওয়া হয়েছে।

    ব্যাবসায় ক্রেডিটের সাপ্লাই টা, তার সহজলভ্যতা টা ভালো মন্দ, তার তাত্বিক আলোচনায় এখানে যাওয়া হচ্ছে না, একটি আশ্চর্য্য ফ্যক্ট এর দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করা যেতে পারে,

    দেখা যাচ্ছে, সারা দেশের সব এন পি এ র একটা সিংহভাগ মুষ্টিমেয় কোম্পানি বা তার অ্যাসোসিয়েট এর মধ্যে সীমাবধ্ধ।

    https://www.thehindu.com/business/finmin-to-psb-ceos-check-npa-frauds-or-face-action/article24754129.ece

    এর জন্য ইন্ডিভিজুআল ব্রান্চ এর নিচুতলার ইউনিয়নাইজ্ড কর্মী রা দায়ী আর বড় অ্যাকাউন্টের একস্পোজার বড় অ্যাপ্রুভার রা ম্যানেজমেন্ট এর লোকেরা দায়ী নন এই দাবী হাস্যকর।

    ব্যক্তি মানুষের দায়িত্ত্ব শীলতা র কথা দক্ষিন পন্থা ততক্ষন মনে করায়, যতক্ষন না কর্তৃত্ত্বের সঙ্গে ক্ষমতার সঙ্গে তা সম্পর্ক রহিত। এইটেই স্টেটাস কুও রক্ষার পদ্ধতি।

    এই সব নানা কারণেই, আমার উনিশ তারিখের পোস্টের প্রথম কয়েকটা লাইন বলা।

    এর পরের অংশটা একটু পারম্পর্য্য কেস হয়ে গেছে। মূল বক্তব্য এই, ক্যাপিটালিজম এর বিশেষতঃ ফিনানস ক্যাপিটালের আচরণের কোন বাঁধন থাকবে না, নিয়ম নীতি কিছু থাকবেনা সেল্ফ গভরনেন্স থাকবে শুধু সেটা ২০০৮ এর পরে বলাটা একটু লজ্জার হয়ে গেছে। তাই নিয়মের কথা সবাই বলছেন, মাঝে মাঝেই শোনা যাছে অর্থ মন্ত্রক কড়া ভাষায় সি ই ও দের বকে দিয়েছেন, কিন্তু আবার গুপি টাইপের ব্যাবসায়ী রা সেই রাজনীতি এবং আর্থিক সংস্থার ঘনিষ্ঠতা কাজে লাগাতে পারছে বার বার, এবং সেটা উপর মহলের ঘনিষ্ঠতা সে ব্যাপারে মোটামুটি বিজয় মাল্য আর এ স এম ছাড়া সকলেই নিশ্চিত।

    ইউনিয়নের এজেন্ডা বদলে, এন পি এ র জন্য দোষী কর্মী খুঁজে বেড়ানোর উইচ হান্ট শুরু করার পরামর্শ দেওআ আসলে দীর্ঘ দিনের অর্গানাইজ্ড বার্গেনিং এর স`বিধান স্বীকৃত পদ্ধতি কে আন্তরিক ভাবে ঘৃণা করার ফল। ব্যক্তিগত প্রতিবাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা আসলে লজ্জা নিবারণ মাত্র। এমনিতে এস এম নিকের নামে প্রকাশিত বক্তব্য এতটাই ট্র্যাডিশনাল দক্ষিন পন্থা যে একে এনগেজ করতে আর যাই হোক এম বি এ বা মেমে বিয়ে কোনোটাই হতে হয় নাঃ-))))

    এই এজেন্ড ববলানো কি ভাবে হবে, নাকি সাধারণ কর্মী দের স্বার্থে, এটা অনেকটা সেই দিন মজুর দের স্ট্রাইক করা উচিত না, কারণ তাতে এক দিনের দিন মজুরি পাওয়া যাবে না সেই যুক্তি। মজাটা হল, যাদের দিন মজুরি বা সাধারণ রোজগার কম, তাঁরাই রাস্তায় নামেন, বাকিরা নামেন না। গণতন্ত্রে তাঁরাই প্রগতি আনেন, কারণ তাঁরা বাধ্য না করলে যতটুকু তানাশাহী চ্যালেঞ্জ্ড হচ্ছে তাও হত না।

    ব্রিটিশ মিউজিয়াম (পুরোনো ব্রিটিশ লাইব্রীএর) কাছে, টি ইউ সি র আপিশ, ট্রেড ইউনিয়ন কঙ্গ্রেস এর আপিস, তার সামনে আওয়েনের একটা অতি কন্ডিসেন্ডিং মুর্তি আছে, তাতে দেখানো হচ্ছে একজন জেন্টলম্যান নীচুর হয়ে শ্রমিক দের দিকে হাত বাড়াচ্ছেন। এটাকে আওনিজম এর প্রতীক ধরা যেতে পারে। এস এম নিক যখন বলেন, "কারণ সাধারণ কর্মী দের স্বার্থ জড়িত" বা "প্রতিবাদ মানে স্ট্রাইক নয়" তখন যেটা সন্দেহ হয় সেটা হল, মানুষের অধিকারের থেকে স্বতঃপ্রণোদিত উপকারে বেশি আস্থা, একেবারেই ঊনবিংশ শতকীয়। শ্রমিকের কর্মচারীর অধিকার কে সরাসরি অস্বীকার করার ক্ষমতা আজ কোন সরকারের নেই, এমারজেন্সী ছাড়া। এবং এটাই এই রাজা রাজড়ার দেশে প্রগতি।

    হোয়াইট কলার কর্মচারী রা, বাবু মাত্র, পাটোয়ার মাত্র, তাঁরা প্রকৃত সাধারণ মানুষ নন, শ্রমিক গোত্রের নন, অতএব তাঁদের অধিকার দেওয়া যায় না, এটা হল দক্ষিনপন্থী পার্ম্পর্যের পরের ধাপ, তাই সে কথাটিও উল্লেখ করা হয়েছিল, আমার পোস্টে, একজন কর্মী যিনি যত মাইনেই পান বা তাঁর কাজের যা নেচার ই থাকুক না কেন, তার ওয়ার্ক কন্ডিশন কে অ্যাফেক্ট করে, এরকম যে কোনো ম্যানেজমেন্ট এর সিদ্ধান্ত কেই চ্যাএঞ্জ করার অধিকার তাদের রয়েছে, এবং এটা আছে বলেই এই সব এস ই জেড, এমারজেন্সি ওয়ার্ক ইত্যাদির কল করা হয়েছে, যাতে সাসপেন্সন অফ রাইট্স টা গুছিয়ে করা যায়।

    মজাটা হল, প্র্ঠিবীর সবচেয়ে বড় হোয়াইট কলার ইউনিয়ন গুলি স্বাভাবিক ভাবেই, সার্ভিস সেকটর বা ফিনানসিয়াল সার্ভিস সেকটর যেখানে সবচেয়ে শক্তিশালী সেখানেই আছে, যেখানে কম আছে সেখানে আইনি অধিকার অন্তত স্বীকৃত, লড়াই ব্যক্তিগত তে পর্যবসিত হলেও।

    অতএব প্রতি টা কথার ই অর্থ ছিল, সেটা তাড়াহুড়ো তে বোঝাতে পারিনি, এটা আমার অক্ষমতা হয়েছে, কিন্তু চিরায়ত একে বারেই শিল্প বিপ্লবের আদি যুগের দক্ষিন পন্থার সঙ্গে বিতর্ক খুব আকর্ষনীয় নতুন যুক্তি তথ্য দিয়ে সাজানো থাকবে আশা করা টা হাস্যকর।
  • pi | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ২১:৩৭399517
  • আমাকে আগে কেউ বাঁচাও! এক্স্টার্নাল হার্ড ড্রাইভ এ ক্লিক করলে the file or directory is corrupted and unreadable বলার মানে কী? জিন্দেগি সেশ না আশা আছে?
  • kumu | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ২০:৪০399516
  • ও কুমুদি, নেবু নন্কা কিন্তু আবার নতুন দিল্লির!

    তাই?????
  • | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ২০:২২399515
  • খ। আমার একটা প্রস্তাব ছিল সৈকত (প্রথম), ইপসিতা র কাছে।

    এম বি এ পড়া সংক্রান্ত বিষয়ে যদি নানা মত ছাপা যায় ঃ-) বড় এস, আর্যো, ডিসি, এস এম, তাঁদের অনুরোধ করলে যদি রাজি হন/হয় তাইলে তাদের মত পাবা গেল, আর আমি এম বি পড়ার কোন দর্কার চাকরি করতে গেলে অন্তত দরকার নেই, এই লাইনটা একটু ডেভেলপ করে সাবধানে লিখলাম। টোনে মজাটাও রাখা হল।

    এই টা যদি গুরু বই করে আমি আংশিক আর্থিক দায়িত্ত্ব গ্রহণ করতে রাজি। কারণ আর কিছুই না আমার বক্তব্য শুধু শুধু ছেপে গুরু লস করুক আমি চাই না। তাই আংশিক দায়িত্ত্ব নেওয়া যেতেই পারে। এম বি এ পড়ার পক্ষে যেগুলো ভালো যুক্তি সেগুলো তো কনসোলিডেটেড হয়ে রইলো ই। তবে একমাত্র গুরু করলেই আমি ইনভল্ভ থাকবো নতুবা নয়, নইলে মজা নাই।

    আমি লেখা লিখি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক কারণে করি, তো বিজনেস ম্যানেজমেন্ট বিষয়টা নিয়ে না হলেও তার ব্যবহার টা নিয়ে আমার কিছু মৃদু আপত্তি আছে ঃ-) ক্লিয়ারলি আমি যে সম্ভাব্য কন্ট্রিবিউটর দের কথা বললাম, তাঁরা রাজি হবেন কিনা তাঁদের ব্যাপার, আর এই প্রোজেক্টে গুরু হাত দেবে কিনা তাদের ব্যাপার। আমার কিরকম ধারণা এরকম একটা বিষয়ে পাবলিশার হিসেবে তরুন তরুণী দের একটা নতুন পাঠকদের মধ্যে গুরু যেতে পারবে। ক্লিয়ারলি আমার যুক্তি সম্পূর্ণ বোগাস প্রমাণিত হলে, এবং সেদিকেই সম্পাদকীয় বায়াস থাকলে, আমার অন্তত কোন আপত্তি নাই। কারণ এই বিতর্কর মূল উদ্দেশ্য হল, সামাজিক ট্রান্সফর্মেশনে যে নতুন স্কিল সেট উঠে আসে, যাকে ন্যুনতম বলে ধরা হয়, তার নেচার টা ধরার চেষ্টা করা, তাতে অবসারভেশন ভুল হলে ক্ষতি নাই, কারোর টা তো ঠিক হবে;-)
  • Ekak | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ২০:০২399514
  • অনেক খেত্রে প্রমানের অভাবে নিরপরাধ। উপযুক্ত প্রমান দাখিল করার ব্যাপারে থানার পুলিশ এর এপাথি সান্ঘাতিক। এরা চাপ দিয়ে স্টেটমেন্ট লেখায়, জা পরে আদালতে টেন্কে না। অপরাধি বার বার ছাড়া পেয়ে জায়।

    আর বেশ কিছু কেসে সত্তিই নিরপরাধ লোক কে নার্কোটিক কেস দেওআ হয়। ওমুক গ্রামের বেশি গান্জা বা হেরৈন পাওআ গেছে লিখে, জেগুলো থানা তেই থাকে।
  • S | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১৯:৩৭399513
  • আইন কমিশন বলছে বন্দিদের ৬৭% নিরপরাধ??? তাহলে তদন্ত বলে তো কিসুই হয়না। একজনকে ধরো, আর যেন তেন প্রকরণে তাকে দোষি বানিয়ে দাও। তার মানে বহু অপরাধি ঘুরে বেড়াচ্ছে আশে পাশে।
  • pi | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১৮:৩১399512
  • ও কুমুদি, নেবু নন্কা কিন্তু আবার নতুন দিল্লির!
  • pi | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১৮:৩০399510
  • ও কুমুদি, নেবু নন্কা কিন্তু আবার নতুন দিল্লির!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত