এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • pi | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১২:৩৮399000
  • এখানে রাস্তাঘাটে গাড়ি খুব কম। অবরোধ হচ্ছে। আপিস প্রায় ফাঁকা, রেসিডেন্সিয়াল লোকজনই এসেছে কেবল। লোকজন অনেকে জানেও না, কাদের ডাকা বনধ, বলছে দাম বাড়া নিয়ে বনধ তো। ডাকাই উচিত। হযয়াই উচিত।
  • | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১২:৩২398999
  • ইঃ সাধে বেড়াল দুচক্ষে দেখতে পারি না!। যতই খাওয়াও চুরি করবেই করবে।
  • | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১২:৩০398998
  • (এই দেবাশীষ সাহা আবার এসেছে নোংরামি করতে। লজ্জাশরম, স্বাভাবিক সুস্থ বোধ কিছুই নেই। অদ্ভুত নিকৃষ্ট জীব)

    আচ্ছা ৫০ পরবর্তী গুরু্পূর্ণ রাজনৈতিক ঘটনা কভার করা নন ফিকশান বই, ওরাল হিস্ট্রি ইত্যাদির একটা তালিকা বানইয়ে দেবে সবাই হাতে হাতে?
  • Bhattacharya | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১২:২৯398997
  • মোবাইলের গ্যালারি থেকে এখানে ছবি পোষ্ট করব কি ভাবে?
  • | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১২:২১398996
  • ইশান মাইরি সারা জীবন আমাকে চল্লিশের দশকের মায়া নিয়ে প্যাঁক দিয়ে, ষাঠের দশক, সত্তরের দশক কে যথেষ্ট গুরুত্ত্ব না দেওয়ার অভিযোগ করে, বুড়ো বয়সে চল্লিশের দশক কে, বিশেষতঃ ৪৬ কে সম্ভাবনা র বছর বলছে ঃ-))) অমলেন্দু সেনগুপ্তর 'উত্তাল চল্লিশ অসমাপ্ত বিপ্লব' এর পরের সংস্করণের নাম হওয়া উচিত 'অসমাপ্ত ইশান .... ইত্যাদি' ঃ-))))) খ
  • r2h | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১২:০৪398995
  • ঝড়খালির লক্ষণবাবুর হোটেলে দুটি বেড়াল আছে, এমনিতে গম্ভীর ভাবে টেবিলের নীচে বসে থাকে, খাওয়া শুরু হলেই প্রবল ডাকাডাকি শুরু করে, যদিও মালিকপক্ষ তাদের ভালৈ যত্ন`আত্তি তোয়াজ করে। এবং ডাকাডাকি করতে করতে একসম বেঞ্চির ওপর এসে বসে ও থালা থেকে মাছ তুলে নিতে চায়।



    এই আমার বেড়ানোর ছবি।
  • Bhattacharya | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১১:৫০398994
  • বো*** শব্দ এখানে এলাউ খ বাবু?
  • | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১১:১৮398993
  • এবং ইতিহাস রচনার কাজে এটা না করলে, আমরা এই বোকাচোদা বাইনারি র ফাঁদে পড়ব আর তার মধ্যে আমাদের প্রগতিশীল ব্যালান্স রাখার কাজ করবো, যেটা তে কিছুক্ষণ পরেই, দেশের ভবিষ্যতের থেকেও, ফ্যাক্ট্স এর থেকেও, আমার ঐতিহাসিক নিরপেক্ষতা বড় হয়ে উঠবে, সে খুব বীভৎস হবে। ব্যক্তিগত নিরপেক্ষতা আসলে বেশ আনইম্পর্টান্ট এই কেস এ। খ
  • | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১১:১৩398992
  • কালকের প্রসঙ্গে, একটা ভাট অ্যাপ্রিসিয়েটেড হলে ভালৈ লাগে, কিন্তু এই টই খুঁজে ইমর্টালিটির লোভে ভাট রেখে দেওয়ার এমনিতে কোন মানে নেই, লজ্জার ব্যাপার খানিকটা খানিকটা, দিস প্লেস ওয়াজ নেভার অনলি অ্যাবাউট পাবলিকেশন অ্যান্ড সাইলেন্ট রিডারশিপ, ইট ওয়াজ অলসো অ্যাবাউট কনভারসেশন্স, ক্যাজুয়াল অবসারভেশন্স অ্যান্ড কুইপস, আমার সেই স্পিরিট টা ভালো লাগে।
  • | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১১:০৯398991
  • অর বলিস না, চোখে জল আসে, আমি আসাদ আর ইফতেখার এর কোন প্রশ্নের কোন জবাব কোনদিন দিতে পারি নি। ইফতেখার বেশিদিন বাঁচে নি। বিচিত্র লোক ছিল, বলতো অল্লাতালাহ নে আপকো বানায়া, মুঝে বনায়া, জ্যাক ডানিয়েল কো ভি বানায়া, থোরা পিজিয়ে শর্মিন্দা মত কিজিয়ে। বড় কার্টুনিস্ট ছিল। বিলাল ও নেই। দেশ ভাগের কষ্ট বোঝা ওদের বয়সে কুলায় না, কিন্তু পিপিপির রাইট ওয়ার্ড টার্ন অর জিয়া উল হকের উত্থান ওরা নিতে পারে নি, ওদের নিজেদের মার্কসিস্ট স্টাডি সারকল ছিল, প্রচুর মার খেয়েছে (ইন ফ্যাক্ট এখনো খায়) শুধু সেটা চালাতে গিয়ে, তাদের একটা সোজা প্রশ্নের জবাব, দেশ ভাগ হল হল, কমিউনিস্ট পার্টি কেন ভাগ হল, জবাব দিতে পারিনি, বলা বাহুল্য প্রশ্নটার জবাব আমার দেওয়ার কথা না, কিন্তু পূর্বপুরুষের পাপ, আর প্রশ্নটা ফ্রেম যাই হোক না কেন, আসল কথাটা হল, দেশ ভাগ ই বা হল কেন, সেটা কি শুধুই নেতাদের অ্যাসপিরেশন, এত আশ্চর্য্য সিনিকাল তারা হলেন কি করে?
    আমি জানি না, শুধু দুটো কথা বলতে পারি, উইথ হিউজ অ্যাডভান্টেজ অফ হাইন্ড সাইট, বড় দেশ দিয়ে রিজিয়ন এর প্রবলেম আদৌ সল্ভ হয় কিনা বলা কঠিন, দ্বিতীয়তঃ রিজিওনাল (কলকাতা/দিল্লী/বম্বে/মাদ্রাস - প্রেসিডেন্সি স্ট্রাকচার গুলোর বাইরে) সিপাহী বিদ্রোহের পরাজয়ের পরে, যে রিজিওনাল লিডারশিপ ছিল, তাদের আন্ডার রিপ্রেজেন্টেড হবার ভয় ছিল, আজকের ফেডেরালিজম এর অভাবের সমস্যা তার ই কন্টিনিউয়েশন, ধর্মের অ্যাংগল টা কেস টাকে বীভৎস করে দিল। দেবেশ রায়ের ওয়েল নোন থিসিস হল, নিম্নবর্গের রিপ্রেন্টেশন থাকলে এ জিনিস হত না, যোগেন মন্ডল উপন্যাসের সেটাই মেন বক্তব্য, আর অফ অল প্লেসেস পাকিস্তানের প্রগতিশীল ঐতিহাসিকদের অনেকের ই মত, যোগেন মন্ডল কে পাকিস্তান আইনসভা থেকে পদত্যাগ করতে না হলে, পাকিস্তানের স্বাধীনতা পরবর্তী ইসলামাইজেশন কিছুটা ঠ্যাকানো যেত (তাহির কামরান এর লেখা), আর আমার একটা ছোটো বক্তব্য হল, মৌলানা ভাসানি, কৃষক নেতা হিসেবে আসাব সিলেট এখনকার বাংলাদেশে বিরাট প্রভাব বিস্তার করেছিলেন, মিলেনারেনিয়ান ট্র্যাডিশন কে খুব গুরুত্ত্ব দেন নি, সরাসরি কৃষক রাজনীতির কথা বলেছেন, ইনি লাহোর আর অমৃতসরের কাছে কোথায় একটা যেন বক্তৃতা দিতে গেছিলেন, ৭১ এর ঠিক আগে, সেখানে পাকিস্তান এস্টাবলিশমেন্ট টোটাল ঘাবড়ে যায়, ভারতের এসটাবলিশমেন্ট ও ঘাবড়ে যায়, আসামে ঢোকার মুখে ওনাকে অ্যারেস্ট করে, তো এ হেন ভাসানির একটা ষাঠের দশকের পরবর্তী সময়ে, ফজলুল হকের গ্যাপ ভর্তি করার ক্ষমতা ছিল, কিন্তু এটা বাঙালি ন্যাশনালিজম দিয়ে বোঝা যাবে না, কারণ ভারতের জাতীয়তাবাদ কে ভাসানী সমর্থন করেন নি। যাই হোক, বাংলাদেশ পাকিস্তানের প্রগতিশীল সেকুলার দের কথাই আমাদের মেনে নিতে হবে, এবং আমার আন্দাজ ভুল হতেই পারে তাঁদের দেশ তাঁরাই ভালো বুঝবেন, আমি স্ট্রে রিডার হিসেবে বলতে পারি, রিফিউজি স্টাডিজ হোক কি পার্টিশন স্টাডিজ, কমিউনালিজম হোক কি ন্যাশনালিজম, এই বিষয় গুলোতে, প্রফেসনাল শুধু না অ্যামেচার লেখাকেও এখন সোর্স হিসেবে তিনটে দেশের প্রগতিশীল দের লেখাই সোর্স হিসেবে ইউজ করতে হবে, তিনটে দেশের ডেটাই নিতে হবে, পূর্বাঞ্চলের রাজ্যের ডেটা দেখতে হবে, শুধু পব দেখলে হবে না, গুজরাটের এর সিন্ধি মাইগ্রেশন এর ডেটাও দেখতে হবে, শুধু পাঞ্জাব দেখলে হবে না। শুধু বাঙালি মাইগ্রেশন / রিভার্স মাইগ্রেশন দেখলে হবে না, অন্য ভাষা এথনিসিটির লোকের এক্সপেরিয়েন্স ও দেখতে হবে। নইলে এন আর সি বোঝা যাবে না। এটাই এখনকার ভালো ঐতিহাসিকদের কাজ, এবং এই যে শিলচরের বড় আকাডেমিকরা এসব ই করছেন। আমার পারসোনাল ধারণা আয়েশা জালাল, সজল নাগ, জয়া চ্যাটার্জি, রিটা কোঠারি, শিলচর আর বাংলাদেশের ঐতিহাসিক রা, কিছুটা পুঁটির মা (অনেক অনেক জুনিয়র হলেও) এদের কাজ সেদিকে খানিকটা দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পেরেছে। এবং ৪০-৮০ এর ঐতিহাসিক রা এটা পারেন নি। প্রগতিশীল রাও পারেন নি প্রগতিশীল জাতীয়তাবাদী রা তো পারেন ই নি।
  • T | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১০:২১398990
  • ঐ আটানব্বই পার্সেন্ট স্যাম্পেল তো বোধহয় 'শিক্ষিত, এলিট' হিঁদু সমাজ যারা অ্যাওয়ার্ড না পেয়ে হাহুতাশ কত্তেন। টাউন হলে সভা ইত্যাদি হ'ল। এলিট কালচারের মাথারা উপস্থিত ছিলেন। মুসলীম লিগ আলাদা দেশ পেয়ে গেলে ওঁদের ক্ষমতা পাওয়ার পথ প্রশস্ত হয়।
  • | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১০:০৬398989
  • হুঁ বর্ডার ভোলাটাইল ছিল অনেকদিন। পাসপোর্ট ভিসাও চালু হয় ৫০ এর পর। মজা হচ্ছে অনেকেই নিজের নিজের বাসস্থানের অঞ্চলটিকে নিজ পছন্দমত দেশে ঢুকেই যাবে এমন আশা করতেন। লাহোরবাসী একজন বলছেন লাহোরে তো কত হিন্দু আর শিখ বাপ দাদা পরদাদারা সবাই এখানকার লোক। এইটা যে পাকিস্তানে যেতে পারে এ আমরা ভাগ হয়ে যাবার পরও বুঝতে পারিনি কী করে হয়। আরেকজন বলছেন দিল্লি তো পাকিস্তানে যাবেই এ আমরা ধরেই রেখেছিলাম। হুমায়ুনের সমাধি, লালকেল্লা পুরো মুঘল সাম্রাজ্যের উত্তরাধিকার কী করে হিন্দুস্তান পেল? আমরা এই জায়গা ছেড়ে কেন যাব?

    এইগুলো পড়লেই কেমন মনের ভিতরে ঝপাং করে অন্ধকার সুড়ঙ্গ তৈরী হয়ে যায়।
  • Ishan | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১০:০৩398988
  • অমৃতবাজার পত্রিকার তৎকালীন সমীক্ষার মতে ১৯৪৭ সালে ৯৮.৬ শতাংশ বাঙালি দেশভাগের পক্ষে ছিলেন। স্যাম্পলের কথা না বলাই ভালো। আমার ডিটেল খেয়াল পড়ছেনা, দেখে বলতে হবে। তবে মোদ্দা ব্যাপার হল ইহা ইন্টারনেট সমীক্ষার চেয়েও খারাপ ছিল।

    হিন্দু মহাসভা আর কংগ্রেস তখন মোটামুটি ইন্টারচেঞ্জেবলি কাজ করছিল। আর গণমাধ্যমকে ব্যবহার মোদীই প্রথম করে দেখাননি। :-)
  • pi | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০৯:৩৫398987
  • সার্ভের রিপোর্র্ট দেশভাগের পক্ষে ছিল? কারা স্যাম্প্ল ছিলেন?
  • Ishan | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০৯:৩১398986
  • ১৯৪৬ খুব ক্রিটিকাল সময় ছিল। এটলি তাড়াহুড়ো করছেন। একদিকে নেহেরু-প্যাটেল, অন্যদিকে বিড়লা খৈতান সমানে ভাগের পক্ষে বলে যাচ্ছেন। অমৃতবাজার পত্রিকা এমনকি দেশভাগের পক্ষে সার্ভেও ম্যানুফ্যাক্চার করছে। উল্টোদিকে নৌবিদ্রোহ হচ্ছে, আজাদ-হিন্দ-ফৌজের সেনাদের বিচার নিয়ে তুমুল গণজাগরণ। সুভাষ বসু যেকোনো মুহূর্তে ফিরে আসতে পারেন বলে খবর, তাতে নেহেরু-গান্ধির প্যালটিটেশন বাড়ছে। ঝপাঝপ ভাগ করে ফেলতে চাইছেন নেহেরু। জিন্নাও দিশেহারা। পাকিস্তান চাইছেন কিনা বোঝা যাচ্ছেনা।

    এই কনফিউশনের বাজারে একটিও সংগঠিত শক্তি দেশভাগের বিরুদ্ধে বলেনি। বললে কী হত স্পেকুলেট করা অসম্ভব। এখনও অসম্ভব তখনও অসম্ভব ছিল। দেশভাগের বিপক্ষে বহু মানুষ ছিলেন, কিন্তু তা দিয়ে কতটা অশ্বশক্তি উৎপন্ন হত আগে থেকে বলা মুশকিল। তবে এই সমস্ত ক্রিটিকাল সময়েই তো বাজিগুলো ধরতে হয়। সুভাষ ৪১ এ বাজি ধরেছিলেন। রাসবিহারি তারও আগে। দুটোই ফেল করেছিল। লেনিন ১৭ তে বাজি ধরেছিলেন, জিতেছিলেন। ঠিক কী বাজি ধরলে জেতা যাবে আগে থেকে বুঝে ফেলা, সেটাই তো প্রজ্ঞা। কিংবা যে জেতে তাকে আমরা প্রজ্ঞাবান বলি। :-) সে যাই হোক, ৪৬ সাল বাজি ধরার পক্ষে উপযুক্ত সময় ছিল, হারার জন্যও, জেতার জন্যও। 'পাকি এজেন্ট' ব্যাপারটা তখন ভাবা সম্ভব ছিলনা, কারণ পাকিস্তান শত্রু দেশ হবে, এমনটা কেউ ভাবেনি। ১৯৫০ পর্যন্ত সীমান্ত খোলাও ছিল, অত দাঙ্গার পরেও। একই ভাবে দেশভাগের বিরোধিতা করলে কী হত, সেটাও আন্দাজ করা অসম্ভব, এখন বা তখন।
  • একক | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০৯:১৬398985
  • লেফট তখন ভারত ভাগ মেনে না নিলে, ভারত ভাগের পর ওদের পাকি এজেন্ট বলে ধরে খালাস করে দেওয়া হতো। ওরা না মানলে যে ভাগ হয়ে যাওয়ার পর সারভাইভ করতে পারত এই বিষয়ে নিশ্চিত হচ্চ কীকরে ?
  • dd | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০৮:২৩398984
  • লুরুতে চমোৎকার বন্ধ চলছে।

    সব ট্রান্স্পোর্ট বন্ধ। না, মানে মেট্রো চলছে। আর নিজের গাড়ী ঘোড়া চালালেও আপত্তি নেই। পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ১০০% বন্ধ। দোকানপাট খোলা। ব্যাংক ও।

    বাইশ বছর হয়ে গেলো লুরুতে - সে কংরেসই হোক বা বিজেপি - নিজের দলের ডাকা বন্ধও পালন হতো না।এদানী সবই বদলে যাচ্ছে।
  • Ishan | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০৭:৪৪398983
  • এত জি পড়লে কী হবে, ওটা আমিই।
  • Ishangggggg | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০৭:৪১398982
  • হনুর লেখা পড়ে একটু রাগই হল। ওই পাকিস্তান বিষয়কটা। হনুর উপর নয়, লেফটদের উপর। মাইরি দ্বিজাতিতত্ত্বকে যাদের ফাইট দেবার কথা ছিল, তারা সোনা মুখ করে সেটা মেনে নিল। তারপর এমন হাবভাব, যেন দেশভাগ একটি প্রাকৃতিক ঘটনা, ও আর না মেনে উপায় কী ছিল বা আছে। পাপের ওখানেই শেষ নয়, ওই চিনযুদ্ধটা বাদ দিলে নিজেদের অখণ্ড 'ভারতীয়' প্রমাণে লেফটের চেষ্টার কোনো অন্ত নেই। জাতীয় সংহতি, বিচ্ছিন্নতাবাদ, বৈচিত্র‌্যের মধ্যে ঐক্য হ্যানো ত্যানো, যা রচনা বইতে পাওয়া যায়। তখন জিজ্ঞাসা করতে ইচ্ছে করে, এতই যদি বৈচিত্র‌্যের মধ্যে ঐক্য তা বাবারা ভাগটাকে জাস্টিফাই করলেন কীকরে, আর করলেনই যদি, তাহলে তারপরে ওই বাঁধা বুলিগুলি আর প্রযোজ্য কীকরে। এই প্রশ্নের কোনো উত্তর বাল্যকাল থেকে পাইনি। থাকা সম্ভবও নয় তো দেবে কে। আমার পরের প্রশ্নটা টিপিকালি হত এই, যে, ভাগটাগ করে যা দাঁড়াল সেটাও যদি একটা যুক্তরাষ্ট্র্র হয় তো বিচ্ছিন্নতাবাদ বস্তুটা কী, যুক্তরাষ্ট্রের জাতিগুলোই বা কী। যদি বাঙালি বা বা পাঞ্জাবি আলাদা জাতি হয় তো তারা এক যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে না থেকে দুটি আলাদা দেশে কী করছে? আর ওই দুটো বা তিনটি দেশই যদি দুটো বা তিনটে আলাদা জাতির হয় তো যুক্তরাষ্ট্রটা এক্স্যাক্টলি করে টা কী? মাথায় মাখে? দুটো আলাদা জাতির দুটো আলাদা দেশ হলে তো ঐক্যই ঐক্য, বৈচিত্রটা কোথায়? আর যুক্তরাষ্ট্র ই যদি হল সেখানে আস্ত বাঙালি জাতি নেই কেন?

    তা এসবের কোনো তাত্ত্বিক উত্তর নেই। এর চেয়ে ঢের কম কঠিন প্রশ্ন (যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় আসাম থেকে মনোমোহনকে রাজ্য সভায় পাঠানোর বিরোধিতা করেছিলাম, নিজেরা ইয়েচুরিকে পশ্চিমবঙ্গকে পাঠাবো কেন?) করেছিলেন অশোক মিত্র। উত্তর পাননি। আমি চাট্তি রেটোরিক পেয়েছি। জাতীয় সংহতি ইত্যাদি দিয়ে শুরু। এবং 'আমরা বাঙালি হোয়োনা বাবা' দিয়ে শেষ। রেটরিক ছাড়া উপায় নেই, কারণ দ্বিজাতিতত্ত্বের পুরো থিয়োরিটাই ভুল, সব্বাই জানে। সে স্তালিনও নেই, সে সোভিয়েতও নেই, কিন্তু এই ভুলটুকু কেউ স্বীকার করে উঠতে পারলেননা। এইটুকুই যাঁরা পারেননা, তাঁরা একে অপরকে ত্যাজ্য করে বালিতে মুখ গুঁজে যে সময় কাটাবেন, সে আর আশ্চর্য কী। সযত্নে গোড়াটাকে কেটে ফেলে 'আহারে কেন আর ফুল ফোটেনা' বলে বিলাপ করার কোনো মানে নেই।
  • Atoz | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০৪:০০398981
  • অভ্যুকে খুব মনে পড়ে এই গল্প উঠলেই। অভ্যু বারে বারে এই গল্পের কথা বলত।
    অভ্যু উ উ উ উ, শুনছেন? আপনি এসে দু লাইন লিখে যান।
  • Atoz | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০১:১৭398979
  • আমাদের বাড়িতেও সুতো দিয়ে কাটতো। তারপর হাফগুলোর উপরে ময়দার ঢাকনি দিয়ে লম্বাটে করে কাটা আলুর টুকরো সঙ্গে দিয়ে ঝাল ও মশলা সহযোগে ডিমের্ঝোল হত।
    সেদ্ধ ডিম সুতো দিয়ে কেন অর্ধেক করে কাটে, ছুরি দিয়ে কেন কাটে না - এই প্রশ্নের মীমাংসা করার জন্য একবার সেদ্ধ ডিম নিয়ে ছুরি দিয়ে কাটার চেষ্টা করেছিলাম, পিছলে যাচ্ছিল বটে, কিন্তু চেপে ধরে রেখেছিলাম থালার উপরে। দিব্যি অর্ধেক হল, কিন্তু কুসুম খানিক হারাতে হল ছুরিতে। সুতোর দ্বারা কাটার মতন অমন স্মুদ হল না।
  • Atoz | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০০:৫২398978
  • আরে সেই মানুষের বিবর্তনের টই টা কোথায় গেল? এই মাত্র ক'দিন আগেও ছিল।
  • Atoz | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০০:২২398977
  • ভাল্লুকের হিন্দিগান গাওয়ার গল্প ছিল যেখানে?
  • I | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০০:১১398976
  • ভালুকের টইটা পাওয়া যায় না?
  • I | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০০:০৬398975
  • হ্যাঁ গা খনুদা, দানিল খার্মস পড়েসো নাকি? রেকো করবা?
  • I | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ২৩:৫৬398974
  • খনুদা হেব্বি।বহুদিন বাদে ঝরঝরে হাল্কা, না-প্যাঁচানো, টাইপোহীন লেখা।ভিন্টেজ খনু।
  • aranya | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ২৩:৪৯398973
  • 'আমার যেটা সবচেয়ে মনে আছে, সেটা হল একটা বেলা কে ধরার ব্যাপার ভাষায়, দস্তয়েভস্কি পড়লে যেমন শীত বরফ এসব যেন অনুভব করা যায়, পামুকের স্নো যেরকম একটা ইমিগ্রান্ট এর অনুভবে জার্মানীর অদ্ভুত একলা শীতকাল, কম টবিন পড়লে যেমন মনে হয় ইউ ইয়র্কের রাস্তার শীত যেন অনুভব করা যায়, তারা শংকরের লেখায় যেমন পড়ন্ত বিকেল বার বার আসে, মার্কেজের লেখায় যেমন একটা প্রচন্ড গরমের দুপুর যেন পাওয়া যায়, ডিকেন্সের লেখায় যেমন স্মগে ভরা শহরের গরীব পাড়ার সকাল, তেমনি তারিক আলির লেখায় একটা ডাস্টি দুপুর ধরা দেবেই, একেবারে মনে হবে যেকোন সময় যেন লু বইবে, এবং ছেলেটা আরো একলা হবে বই পড়তে পড়তে তর্ক করতে করতে আর আরো এনগেজ করতে করতে'

    - অসাধারণ
  • Du | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ২৩:২০398972
  • গুরু থেকে পড়ে শেয়ার করার হ্যাবিটটা হয়নি হে হে।
  • Du | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ২৩:১৬398971
  • কিন্তু সত্যি ই গুরুর লেখা শেয়ার করা হয়্নি দেখলাম ঃ(
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত