এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১১:০৫398670
  • নানা প্রীতম বসু পড়তে হবে। সম্ভবত দমু এবং আরেকটা কেউ পার্সোনালি রেকো করেছে। না পড়ে কিছু বলা যাবে না, এ তো দেশ পত্রিকা না
  • | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১১:০৪398669
  • ইন ফ্যাক্ট প্রদোষে প্রাকৃতজন, রিভার অব ফায়ার, গ্রহণকাল এই সব বইগুলোই বহু লোকই পড়ে ফরে নি। পড়লে ইসলামোফোবিয়ার টেমপ্লেটে ফেলতেই পারত।
  • সিকি | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১০:৫৯398668
  • রাখিগড়ি পড়লাম। অ্যাজ ইউজুয়াল, খানিকটা শিশিবোতল লাগল। তবে ইন্টারেস্টিং।
  • | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১০:৫১398667
  • আমি মানি নি তো। ব্ল্যাঙ্কিও মানে নি।

    একজন কৈবর্ত মেয়ে প্রোটাগনিস্ট - এটা স্মরণকালের মধ্যে এঁর লেখায়ই দেখলাম। আর ইসলামোফোবিয়া বলে যা বলা হচ্ছে তাতে আমার ধারণা 'প্রদোষে প্রাকৃতজন' এর লেখকের নাম হাইড করে মার্কেটে ছাড়লে সে বইকেও ইসলামোফোব বলা হবে।
  • gorba chop | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১০:১১398666
  • তাহলে প্রাথমিকভাবে প্রীতম বসুর মার্কেট মুভারস গুলিকে জনগন ইসলামোফোবিক বলে মেনে নিল?
  • pi | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০৯:১২398665
  • কী অবস্থা রে ভাই! বইয়ের গ্রুপে মোদিকেয়ার নিয়ে জানাতে থ্রেট দিচ্ছে, বলে পুলিশে রিপোর্র্ট করবে!

    এর আগে স্বাস্থ্য(অ)ব্যবস্থা নিয়ে অবশ্য দিদির ভাইয়েরা থ্রেট দিয়েছিল, বোম মারবে।
  • dd | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০৮:৪৩398663
  • আর b'র গনেশ জ্যাঠা তো গুচর পাতায় অমর হয়ে গ্যালেন।

    সেরম পারিবারিক তক্কাতক্কির স্বর্ণযুগ বোধ হয় শেষ। সেই চার পাঁচ ভাইএর পরিবারও নেই, আর লোকে তেমন আর পলিটিক্স নিয়ে তক্কোও করে না।

    হায়, সেই মায়াঘেরা সন্ধ্যা.....
  • dd | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০৮:৪০398662
  • 4500-year-old DNA from Rakhigarhi reveals evidence that will unsettle Hindutva nationalists ...... lcm লিখলেন পরশু।

    রাখিগড়ি'র কংকাল নিয়ে আমারো খুব কৌতূহল ছিলো। একবার ভেবেছিলেম স্বর্ণেন্দুকে জিগাবো - সে তো এ সব ব্যাপারে খপর টপর রাখে। যাহোক, লসাগু জানিয়ে দিলো।

    এটা বেশ decisive ঘটনা। ওয়াকিবহাল কেউ বিশদে লিখলে ভালো।

    কে আছো যোয়ান ?
  • | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০৭:৫৩398661
  • বি র গল্প উচ্চৈস্বরে বাড়িতে বার কয়েক শুনিয়ে, বাজার যাওয়া ব‍্যাপার টা কাটান গেল মনে হয়, এর পরে আশ্চর্য ব‍্যস্ত মুখ করে আপিসে বেরোতে হবে, তাইলেই মুন্ডু গেলে ও অন্তত ফোঙে যাবে, হাতে না, এই জন্যই বঢ় বড় সাইকোলজিস্ট আর সিরিয়াল অভিনেতা রা সম্পর্কে স্পেসের কথা বলেছেন, ☺
  • Atoz | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০৩:৩৯398660
  • b এর এই লাইনগুলো একেবারে অমূল্য,
    "বড় ভাই, গনেশ জ্যাঠা বলতাম আমরা, এরকম তর্কে হারবার উপস্থিতি হলেই একটা অসম্ভব কথা বলতেন, যেমন তগো জ্যোতি বসু আইলে গঙ্গার জল শুকাইয়া খট খট করতো। তখন প্রতিপক্ষ যদি হতভম্ব হয়ে বলতো অ্যার মানে কি? গণেশ জ্যাঠা আঙুল তুলে বলতেন, অ্যার মানে বোজো না? তুই একখান ছাগল। এই বলে গট্গট করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতেন।"
    ঃ-) ঃ-) ঃ-) ঃ-)
  • Ekak | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০৩:১৮398659
  • এই বাড়ির সবাই মিলে তক্কাতক্কির পরিবেশ এবং তাদের প্রচন্ডরকমের ভিন্নমত এটা দাদুদের ক্ষেত্রে দেখেছি। তারপর কেমং বাড়িশুদ্ধু কংগ্রেস বাড়িশুদ্ধু সিপুএম শুরু হলো। "সায়েন্টিফিক" ভোটিং প্রসেস ও তার বাড়িভিত্তিক রেজিমেন্টেশন এই ব্যাপারে কতটা দায়ী বা পরোক্ষ চাপ তৈরী করেছিল তা যাঁরা গবেষণা করেন বলতে পারবেন।
  • Atoz | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০১:৪৩398658
  • খননেন্দ্রনাথ ও চমৎকার নাম। ঃ-)
  • ন্যাড়া | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০০:৫৩398657
  • খনুর এই গপ্পগুলো একেবারে ফাটাফাটি। সব বুঝতেও পারি।
  • | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ২৩:৩০398656
  • নেহাত বাংলা সিরিয়াল না, তাই মুখ‍্যমন্ত্রী বা তাঁর অনুপ্রেরণা কাউকে ই হস্তক্ষেপ করতে হলনা।
  • | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ২৩:২৫398655
  • যা দাঁড়াল, তাতে সেনেটর ম‍্যাক কেন লুঙ্গি না পরা অব্দি, বা ছাগল ....ফ‍্যাং তথা পাঁড়েজিকে দত্তক না নেওয়া অব্দি এতগুলো থ্রেড গোটা বে না
  • গুরুচণ্ডা৯ | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ২২:৫৯398654
  • এখানে যদিও সবাই মোটামুটি জানেন, তবু নতুন পাঠকের সুবিধার্থে গুরুচণ্ডা৯ প্রকাশনার 'দত্তক মডেল' সম্পর্কে দু-একটা কথা (একটি পুরোনো লেখার অংশবিশেষ) আর একবার লিখে রাখা হল।

    "গুরুর বইয়ের দত্তক,কী কেন ?
    ---------------------------
    আমরা বইয়ের দাম কম, খুবই কম রাখি। নীতিগতভাবেই। ফলে বইয়ের বিক্রি খুবই ভালো হলেও, আমাদের মেরেকেটে টাকাটা উঠে আসে। কখনও সামান্য কিছু লসও হয়, কিন্তু সেটা অ্যাবসর্ব করে নেওয়া যায়। এগুলোর কোনোটাই কোনো সমস্যা না, কারণ আমরা প্রফিটের জন্য এই খেলায় নামিনি। সমস্যা এই, যে, এইভাবে চললে আমাদের টাইটেলের সংখ্যা প্রত্যাশিতভাবে বাড়ছেনা। প্রাথমিক বিনিয়োগ কম থাকায়, যেটুকু রোল করছে, সেটা থেকেই পরের বই ছাপতে হচ্ছে, এবং আমরা বছরে চার-পাঁচ-ছয় এর বেশি বই ছেপে উঠতে পারছিনা। শুরুর দিকে, এটা কোনো সমস্যা ছিলনা। ছাপার জন্য অত বই ছিলনা। কিন্তু এখন তো ঠিক শুরুর ফেজ না। প্রকাশযোগ্য বইয়ের সংখ্যা দেখি ভালই। কিন্তু অত বই ছেপে উঠতে পারিনা। ফলে ক্ষতিটা পাঠকেরই হয়। এই হচ্ছে সমস্যা।
    সমস্যা সমাধানের একটা উপায় হতে পারে, ঝট করে বইয়ের দাম বাড়ানো। সেটা করতে চাইনা একেবারেই। নীতিগতভাবে চটি বই শুরু করার লক্ষ্য একটাই ছিল, কম দামে সস্তা বই পাঠকের কাছে পৌঁছনো। সেটা থেকে সরে ‘দামী’ প্রকাশক হবার কোনো মানে নেই। সেটা ভাবাও হচ্ছেনা। পরিবর্তে আরেকটা উপায় ভাবা হচ্ছে। যদি বইয়ের স্পনসরশিপ নেওয়া যায়। ব্যক্তি করুন বা প্রতিষ্ঠান( যদিও কেন কোনো প্রতিষ্ঠান এটা করবেন, জানা নেই, কিন্তু তবুও, বলা তো যায়না)। অফিশিয়ালি সেটার নাম দেওয়া যায় "বই দত্তক নেওয়া"। মডেলটা এরকমঃ যাঁরা প্রোজেক্টটায় আগ্রহী, হাত তুললেন। আমরা সম্ভাব্য বইয়ের নাম বা তালিকা তাঁদের কাছে উপস্থিত করলাম। এবার সেখান থেকে বেছে নিয়ে (যদি পছন্দ হয়)একটি বইয়ের আংশিক বা সম্পূর্ণ খরচ আগ্রহীদের মধ্যে থেকে কেউ বা কোনো প্রতিষ্ঠান বহন করলেন। বইতে তাঁদের নাম দেওয়া হল। লেখকও কিছু টাকা পেলেন, বইয়ের দামও সস্তা রাখা হল। বলাবাহুল্য টাকাটা দত্তকদাতা ফেরত পাবেননা। ওটা বইয়ের পরবর্তী সংস্করণে রোল করবে।" - সংক্ষেপে এই হল মডেল।

    এই মডেলটা শুধুমাত্র আর্থিক সাসটেনেবিলিটির জন্য নয়। গুরুর যেটা মূল লক্ষ্য, অর্থাৎ একটা বড় আকারের লেখক-পাঠক-প্রকাশক সমবায় গড়ে তোলা, এই তিন ক্যাটেগরির মধ্যেকার বিভেদ প্রাচীর যতটা সম্ভব মুছে ফেলা - সেই যাত্রাপথের একটা অঙ্গ এই দত্তক মডেল - এরকম বলা যায়। যাই হোক, মডেলটা নিয়ে আলোচনা এই টইতে চলুক। কিন্তু তার আগে আমাদের খুব শিগ্গিরই প্রকাশিত হতে চলা বইগুলোর সম্বন্ধে দুচার কথা -

    এখনও পর্যন্ত এ বছরের নতুন যে বইগুলি ফাইনাল করা হয়েছে তার তালিকাটি এরকমঃ

    ১) কুরবানি অথবা কার্নিভ্যাল -- শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য

    শাক্যর নব্বইয়ের কলকাতার উপাখ্যান যাঁরা পড়েছেন, তাঁরা শাক্যর গদ্যের কথা জানেন। শাক্য এবার লিখছেন একটি চমৎকার থ্রিলার। বিষয়বস্তু অব্ধারিতভাবে ছুঁয়ে গেছে রাজনীতি, সাম্প্রতিকতা, এবং বহু আলোচিত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসকে। থ্রিলারের নামে কিছু বাঁধাগতের চোর-পুলিশ-ষড়যন্ত্র খেলা নয়, আক্ষরিক অর্থে রুদ্ধশ্বাস একটি রাজনৈতিক ও সামাজিক আখ্যান।

    ২) মোদিকেয়ার -- সম্পাদনা ডাঃ পুণ্যব্রত গুণ ও সত্য শিবরামন

    ২০১৮ র ফেব্রুয়ারিতে প্রধান্মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভারত সরকর বিশ্বের সর্ববৃহৎ (এমনটাই দাবী) স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্প ঘোষণা করেছে, যার লক্ষ্য ভারতের জনসংখ্যার অর্ধেককে বিমার আওতায় নিয়ে আসা। কিন্তু এই প্রকল্পটি কি বাস্তব? নাকি মোদির বাকি সমস্ত ঘোষণার মতই শুধুই চমক, যাতে লাভ কেবলমাত্র কর্পোরেটের? স্রেফ রাজনৈতিক স্লোগান নয়, তথ্য ও বিশ্লেষণ সহ লিখছেন স্বনামধন্য চিকিৎসক, স্বাস্থ্য ও সমাজকর্মীরা।

    ৩) সেইসব মেয়েরা - ফেমিনিজম ডট কম সংকলন

    মেয়েরা নাকি কর্মীবাহিনী থেকে ক্রমশ পিছিয়ে পড়ছেন। সরে যাচ্ছেন অগ্রহবাহিনী থেকে। এর পিছনে কোনো সরাসরি চাপ জড়িত, নাকি স্লোগান-মুখরতায় চোখের আড়ালে চলে যাওয়া কোনো বিশেষ সামাজিক চলনের কারণে এমনটা ঘটছে, এ নিয়ে দ্বিমত থাকতে পারে। সেই তর্কের জন্য এই বই নয়। ইচ্ছাশক্তি এবং উদ্যম দিয়ে যে 'অনধিগম্য' এলাকাগুলিতেও মেয়েরা পা ফেলতে পারেন, এ বই তারই ধারাবিবরণী। থাকছে কিছু জীবিকায় (যার অনেকগুলিই মেয়েদের জন্য 'অদ্ভুত' বলে পরিগণিত হয়), মেয়েদের সফল্য অর্জনের কিছু কাহিনী, মেয়েদের নিজেদেরই ভাষায়। এই বইয়ে। পড়লে বোঝা যাবে, সাফল্য, কর্মবাহিনীতে অংশগ্রহণ ঠিক ততটা জগদ্দল পাথরের আড়ালে চাপা পড়ে নেই এই সহস্রাব্দে।

    ৪) তোমার সঙ্গে খেলা -- বিপুল দাস

    বিপুল দাসের মায়াগদ্যে গুরুর পাঠকরা সবাই পরিচিত। গুরুচণ্ডালি প্রকাশিত 'কামান বেবি' বহুল প্রশংসিত ও আলোচিত। এবার আমরা নিয়ে আসছি এই নতুন উপন্যাসটি।

    ৫) এ ছাড়াও রিপ্রিন্ট হতে চলেছে একগুচ্ছ বই। সেরকম কোনও সংগঠিত প্রচার উদ্যোগ ছাড়াই যাদের একটা, দুটো, তিনটে সংস্করণ চুপি চুপি শেষ হয়ে যায়, যাচ্ছে। আর্থিক কারণেই সবগুলো একসাথে রিপ্রিন্ট করা সম্ভব নয়। যেগুলো আগামী এক-দু মাসের মধ্যেই করা হবে বলে ঠিক হয়েছে সেগুলোর নামই কেবল এখানে দেওয়া হল।

    ক) অ(ন)ন্য মহীন - সংকলন

    বইটার প্রথম দুটো সংস্করণ নিঃশেষ হয়ে যাওয়ার পরেও ক্রমাগতঃ খোঁজ করে চলেছেন বহু লোক। তাই পুনঃপ্রকাশের তালিকায় এই বই রয়েছে এক নম্বরে।

    খ) হাম্বা - সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়

    'পরিশীলন নামক গরু রচনার বিরুদ্ধে গরুদের এক নিজস্ব বিদ্রোহের বুলি' হিসেবে 'হাম্বা' কিন্তু তার অভীষ্ট অন্তর্ঘাত ঘটিয়ে চলেছে সবার নজরের আড়ালে। গত বইমেলায় শেষ হয়ে গেছে চতুর্থ সংস্করণ। এবার আসতে চলেছে পঞ্চম। 'হাম্বা সর্বশক্তিমান, কারণ ইহা হাম্বা।'

    গ) লা জবাব দিল্লি - শমীক মুখোপাধ্যায়

    শমীকের এই বইটার দ্বিতীয় সংস্করণ শেষ হতে বাকী আর মোটে ১টা বই। সেটা লুকিয়ে রাখা আছে। যদি দত্তক টত্তক বিশেষ না পাওয়া যায় তাহলে নিলাম করে যাতে ছাপার খরচ কিছুটা তোলা যায়। ;-) এরকমই জনপ্রিয়তা। কিন্তু সেটা ব্যাক আপ প্ল্যান। আপাততঃ তিন নম্বর সংস্করণ করার লক্ষ্যেই এগোনো হচ্ছে।

    ঘ) এছাড়াও আরও তিনটে বইএর প্রথম সংস্করণ শেষ হয়ে গেছে। সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা 'খাণ্ডবদাহন' আর 'বৃহৎ ন্যানোপুরান', সোমনাথ রায়ের লেখা কবিতার বই 'ঘেন্নাপিত্তি'। এগুলোরও দ্বিতীয় সংস্করণ আসতে চলেছে খুব শিগগিরই।

    বলাবাহুল্য তালিকা সম্পূর্ণ নয়। বই প্রকাশ চলতেই থাকবে। যখন যেমন তৈরি হব, আপডেট দেওয়া যাবে। আপাতত এই কটিই। লেখক পাঠক ও বন্ধুরা আস্তিন গুটিয়ে তৈরি হোন। আর এই সমবায়ে যারা অংশগ্রহণ করতে চান, আংশিক বা সম্পূর্ণ দত্তক নিতে চান, বা ব্যাপারটা কী জানতে চান, এখানে লিখুন, বা অন্যভাবে যোগাযোগ করুন। কীভাবে করবেন, সে তো আপনারা জানেনই। [email protected] এ মেল করতে পারেন। অথবা গুরুর সাথে যুক্ত যাঁদের ব্যক্তিগতভাবে চেনেন তাঁদের মেসেজ করতে পারেন। উপরের তালিকার বইগুলির মধ্যে 'মোদীকেয়ার' এবং 'অ(ন)ন্য মহীন' প্রকাশিত হবে সামনের দু সপ্তাহের মধ্যে। কাজেই আগ্রহীরা একটু দ্রুত যোগাযোগ করলে ভালো হয়।

    জ্জয় গুরু।
  • Tim | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ২২:৪৬398653
  • "এইসব ছেলে অন্তত আমার হাতে জেলে যায়নি"। ঃ-)))
  • T | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ২২:৩৩398652
  • অবশ্যই ফোন করা উচিত। দড়ির রাশ আলগা হ'ল কি করে তার জবাবদিহি চাই।
  • ফ্যা চাং | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ২২:৩১398651
  • পাঁড়েজীকে একবার ফোন করার চেষ্টা করে দেখা যেতে পারে?
  • I | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ২১:২০398650
  • b এর পিসেমশাই নির্ঘাত খাস বরিশাইল্যা।

    খ এর পোস্ট একটা বাজেমত নস্টালজি ছড়িয়ে দিল।কিন্তু সইত্যের খাতিরে এইটা বলা খুবি জরুরী,যে মিতাদি তোমার লুঙ্গিসংক্রান্ত গল্প পড়ে বাজেরকম উলুতপ্লুত হয়ে পড়েছিল,সেই অবদান ভুইল্যা যাওন মানুষের প্রতি বিশ্বাস হারানোর মতই পাপ,যদিও তহনো ফ্যাসিবাদ আসে নাই ও গুরুচণ্ডালীর ঠেকে আমিও ক্কচিত কদাচিত আইয়া পড়তাম।আর এ কথা বলা নিতান্তই বাহুল্য যে কাবলিদার রিপাবলিকান-প্রীতি একটি হনুসৃষ্ট আর্বান মিথ।
  • পাই | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১৯:৪৯398649
  • লুরুতে পৌর নির্বাচনে নাকি বিজেপি হেরে ভূত?
  • পাই | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১৯:৪১398648
  • ঃ))
  • | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১৬:৪২398647
  • হাহাহাহাহাহাহা ঃ-))) এরকম অনেক বাড়ি ই ছিল। একডম ডিকেড ধরে।

    আমার এক পরিচিত বাড়িটি এরকম। বড় ভাই অনুশীলন, এবং এনটারটেনমেন্ট জগতের সাংবাদিকতার আড়ালে চিঠি চালাচালির লোক, মেজভাই অরবিন্দ, সেজ ভাই উচ্চ শিক্ষা এবং পরবর্তী কালে নেহরুপন্থী, ন ভাই জেল খাটা সিপিআই এবং পরবর্তী কালে বস্তি বাসীর ন্যুনতম নাগরিক সুবিধার স্ট্যান্ডার্ডাইজেশনে বিখ্যাত আরবান অ্যান্থ্রোপোলোজিস্ট, এর পরের ভাই ফরোয়ার্ড ব্লক এবং নেতাজি ফিরবেন পন্থী অন্যদিকে বেশ ভালো মাইক্রোবায়োলোজিস্ট, তার পরের ভাই সবরমতী আশ্রমে জীবনের মানে খুঁজতে গিয়ে থেকে যাওয়া, দাঙ্গার প্রত্যক্ষ দর্শনে সারাজীবনের জন্য মানসিক ভাবে ওভার অ্যালার্ট হয়ে পড়া মার্কসবাদী এবং সরকারী প্রকাশনা জগতের সম্পাদক, এঁদের ছোটো বোন জামাই সকলেই জেল খাটা নকশাল বা নকশাল পন্থী সংস্কৃতিকর্মী। এঁদের বাবা স্টেটসম্যানের কোন এক রেবেল সাংবাদিক, যিনি হিজলী ফায়ারিং এর নিন্দে করে ছিলেন, এবং পুলিশের কাছে প্রচুর হেনস্থা হয়েহ্হিলেন, তাঁর কাছে ইংরেজি শিখে, একটি বন্দুক একটি অ্যালসেশিয়ান সহযোগে পূর্ব কলকাতায় খাঁটি কান্ট্রি এসকোয়ারের ন্যায় একটি বাড়ি করে এসে ছিলেন, হাঁস শিকারে সুবিধে হবে বলে, আর ছেলেরা পড়াশুনয় ভালো হলেও আই সি এস দেয় নি বলে। এবং হাইট হল, পুলিশ এলে কোন এক আত্ম গোপন কারী কে ৪৯ সাল নাগাদ তাঁকে মিথ্যা কথা বলে উদ্ধার করতে হয়েছিল, ছেলেদের রাজনীতি করা কমিউনিস্ট হওয়া সহ্য করেছিলেন কিন্তু বন্ধু পুলিশ অফিসারকে মিথ্যে কথা বলানো সহ্য করতে পারেন নি, সারাজীবন ই কথা বন্ধ ই রেখেছিলেন বলা যায়, তবে, তাঁর ৯৪ বছর বয়সে কানাডা থেকে কোন নাতি মোজা এনে দেওয়ায় শুধু বলেছিলেন, এতো বুড়ো রা পরে ঃ-)))
    তো এদের মধ্যে 'আলোচনা' শুরু হলে, বাড়ির কুকুর পাড়ার কুকুরের মধ্যে বন্ধুত্ত্ব হয়ে যেত, জামাই রা শান্ত হয়ে আর কি করবে ভেবে না পেয়ে, ঘর ঝার পোছ করত, এবং রিটায়ার্ড পুলিশ অফিসার দুঃখ জাগিয়ে দিয়ে দাদুর ঘর থেকে বলতেন, এই সব ছেলে অন্তত আমার হাতে জেলে যায় নি, দেশের ক্ষতি হয়ে যেত, কিন্তু এ ব্যাপারে ওয়ার্ল্ড অপিনিয়ন ওয়াজ ডিভাইডেড, নিডলেস টু সে, বেশির ভাগ ই পৃথিবির কোন কাজে লাগেন নি, ইন ফ্যাক্ট একজন ছাড়া সকলেই পৃথিবীর আশ্চর্য্য প্রগতি তে উড়ে যাওয়া কুটো মাত্র প্রমাণিত হয়েছেন, কিন্তু উচ্চস্বরে আলোচনার একটা ঐতিহ্য ইন দ্য মিডল অফ লাস্ট সেঞ্চুরি তাঁদের ছিল ;-) খ।
  • b | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১৬:০৯398646
  • খ এর শেষ বাক্যটা পড়ে আমার পিসেমশাইয়ের বাড়ির কথা মনে পড়ে গেলো। ওনারা ছয় ভাই ছিলেন, এবং একজন বাদে সবাই কমবেশী অপ্রকৃতিস্থ। এই পাঁচ ভাইয়ের পলিটিক্যাল লিনিং আবার পাঁচ রকম ছিলো, যথা কংগ্রেস, সি পি আই, সি পি আই এম, নির্দল এবং বিপ্লবী বাংলা কংগ্রেস। ফলে প্রত্যহ সন্ধ্যেবেলায় ঝগড়ার চোটে ওনাদের বেলেঘাটার কাদাপাড়ার বাড়ি কেঁপে উঠতো। বড় ভাই, গনেশ জ্যাঠা বলতাম আমরা, এরকম তর্কে হারবার উপস্থিতি হলেই একটা অসম্ভব কথা বলতেন, যেমন তগো জ্যোতি বসু আইলে গঙ্গার জল শুকাইয়া খট খট করতো। তখন প্রতিপক্ষ যদি হতভম্ব হয়ে বলতো অ্যার মানে কি? গণেশ জ্যাঠা আঙুল তুলে বলতেন, অ্যার মানে বোজো না? তুই একখান ছাগল। এই বলে গট্গট করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতেন।
  • খঃ | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১৫:৫১398645
  • এবং বলা বাহুল্য এতে যাঁরা ঐতিহাসিক সত্য খুঁজবেন তাঁরা ছাগল। খঃ
  • | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১৫:৩৮398644
  • * ইঐ - জি ও পি রিপাবলিকান পার্টি খ
  • | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১৫:৩৬398643
  • গুরু র প্রাচীন কালের লোকদের মনে থাকবে, মিতাদি ম্যাককেনের খুব ভক্ত ছিলেন। আমরা ওবামার শুরুতে যাকে বলে আমেরিকান প্রোগ্রেসিভ দের কে প্রায় আয় তোদের প্রগতি শেখাই করে পোস্ট দিচ্ছি গুরুতে, আমি বোধ হয় জুয়ান রুলফো র একটা রিভিউ লিখেছি, সুসান সোনটাগ প্রসঙ্গ এসেছে, যেহেতু ভূমিকাটা ওনার লেখা, মিতাদি ফোন করে এক্সাইটেড হয়ে আমাকে সুসান সোনতাগ পড়ার কথা শোনালো, আমরা রেপারেন্সের অতলান্তিক স্বীকৃতিতে গদগদ, এমন সময় পূর্বাকাশ কালো মেঘে ঢেকে মিতাদি কোথায় লিখে দিলেন, "ম্যাককেন কে আমার ভাল্লাগে"। তো তখন বিশ্বায়ন ঘটে গ্যাছে, আমাদের পুরোনো প্রেমিকারা শান্তিনিকেতনের পৌষমেলায় দেখা হল, ছেলে বা মেয়েকে টাক ও ভুঁড়ির পরিমাণ অনুযায়ী, মামা বা জেঠু বলতে শেখাচ্ছে, এবং অবধারিত ভাবে কোন ন কোন কংগ্রেসী দাদাকে ডেকে বলছে, ওকে চিনতে পারছো তো, সেই যে বোধি দা, এবং সেই যে বলার সময়ে র হাসিটা পেছন ফেরা পর্যন্তও গোপন করছে না, আমরা ততদিনে জেনে গেছি, বিপ্লবী কবিদের বদলে ফুচকা ওয়ালা, প্রাবন্ধিক দের বদলে পিকো ফল শাল রিপেয়ারিং ওয়ালা রা ঢের প্রতিভাবান, তবু ইনটারনেট মায়া তখন সবে তৈরী হয়েছে, আমরা ভাবছি এবার লেখালিহির জন্য প্রতিষ্ঠন লাগবে না, পাঠক আমাদের খুঁজে নেবে, বিনয় মজুমদার এর আলোয়ানে মুহ ঢেকে উদয়ন ঘোষ দেবর্শী সারোগী দের আর বসে থাকতে হবে না, ইন্দো দস্তিদারের চোখে গঙ্গাপারের হ্যারিকেন কারখানার মৃদু আলো অন্তত মাঝে মাঝে ঝলক দেবে, ওবামার সিভিল রাইট্স আর গাঁজাখোর পাস্টের মধ্যে আমরা আন্তর্জাতিক রাজনীতির প্রগতিশীল সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছি, এমন সময়ে মিতাদির এই ম্যাক কেন মুগ্ধতা, তাও কি একটা জেন একেবারেই একেবারে কারণে, আমি আর বৈজয়ন্ত ভেঙ্গে পড়লাম। ইশান খচ্চর ছেলে, মুড বুঝে লিখে দিলো, সে হিলারির দলে, আমরা ভাবলাম, কেউ নিশ্চয়ি নর্থ আমেরিকা বেঙ্গলি অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বকে দিয়েছে, তাই সে অবস্থায় যতটা পারে করছেঃ-))) এই ইম্প্লোশন ভুলবার না ঃ-))) মিতাদির পয়সায় প্রচুর বার্বিকিউ নেশনে খেয়েছি, কিন্তু এ দুঃখ যায় নি ঃ-))))))))))))))))

    তবে আমার মরার আগে আমি আমার শ্রেষ্ঠ পোবোন্দো টা লিখে যাবো কাবলি দাকে নিয়ে। ম্যাককেন না, বাংলা ইনটারনেটের জগতে প্রকৃত আমেরিকান ভেটেরান যাকে বলে একটু বিচিত্র অর্থে আজব বাইপার্টিজানিজম এর স্থপতি, ইন গডস বিউটিফুল ইউনিভার্স, একমাত্র রিপাবলিকান লিটল ম্যাগাজিন প্রেমী সেনেটর কাবলে কে আমি ই অমর করব, অনিল আচার্য্য ঈর্ষায় নীল হয়ে যাবেনঃ-))))))))))))))))))))))))))))

    বলা বাহুল্য দ্রির টই ছাড়া আর কোথাও বাংলা ইনটারনেট লেখালিখি র সঙ্গে ই ও ই র কোন সম্পর্ক নাই, তবে এক জায়গায় অনেক দিন ধরে একই লোক অনেক কথা লিখলে, এবং সঙ্গে খপরের কাগচ পড়লে যা হয় তাই হয়েছে, এগুলা সিরিয়াস কিসু না, কাজ নাই তাই লেখা হল। খ।
  • | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১৪:৫৬398642
  • জন ম্যাককেন এর এত খাতির কেন? ওয়ার হিরো তো বুঝলাম, বাকি পলিটিক্স এ তো শান্তি গোপাল টাইপের আমেরিকান গ্রেটনেস আর হনার ইত্যাদির বক্তৃতা ছাড়া বিশেষ কিসু পেলাম না, এক পোবোন্দো হো যায়ে এনারাই গণ? খ
  • pi | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১৩:৫৩398641
  • ডিফিটিং হিটলারের একটা রিভ্যু লিখুন না, ডিডিদা।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত