এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • | ৩০ আগস্ট ২০১৮ ২১:৪২398460
  • বিজেপির জন্য দুশ্চিন্তা হচ্ছে না
  • T | ৩০ আগস্ট ২০১৮ ২১:৪০398459
  • মুকুল দিদিরই ডিপ্লয় করা মোল নয়তো। :)
  • | ৩০ আগস্ট ২০১৮ ২০:৩৩398457
  • ইদিকে মুকুল যে আবার ঝরে দিদির কোলে ফেরত এলো সে খ্যাল আছে? খালি এয়ার্কি!

    (তবে কি সারদার সব ফাইল ক্লোজ হল?)
  • dc | ৩০ আগস্ট ২০১৮ ২০:৩১398456
  • আমি কোথায়, এ তো লেখক ঝাড়ছেন! যেখানে যতো তেজস্ক্রিয় পদার্থ আছে, সব কাজে লাগে গভীর কুয়ো খুঁড়বার জন্য :d

    আমি দেখতে পাচ্ছি, দুই ইঞ্জিনিয়ার কথা বলছেঃ

    সিনিয়র ইঞ্জিনিয়ারঃ আচ্ছা শোন, এখানে আমাদের একটা গভীর কুয়ো খুঁড়তে হবে।
    জুনিয়রঃ কিন্তু তাতে তো অনেক খরচ! কি করা যায় স্যার?
    সিনিয়রঃ আঃ! কি পড়াশুনো করেছো? কিলোখানেক তেজস্ক্রিয় পদার্থ এনে ফেলে দাও, দেখবে গভীর কুয়ো হয়ে গেছে।
  • T | ৩০ আগস্ট ২০১৮ ২০:১৮398455
  • ডিসি মাইরি এক্সমেন অরিজিন, উলভেরিন থেকে ঝেড়ে দিচ্ছেন।
  • T | ৩০ আগস্ট ২০১৮ ২০:১৩398454
  • দুই 'জনস্বাস্থ্য' বিজ্ঞানী ব্ল্যানকেট বলেও দিলেন আম্রিগার নাকি পরমাণু হামলা রোখার ব্যবস্থা নেই। :))) যত্তসব।
  • Ishan | ৩০ আগস্ট ২০১৮ ১৯:৪৩398453
  • কোন দেশ আবার বড় পরমানু হামলার জন্য তৈরি থাকে?
  • T | ৩০ আগস্ট ২০১৮ ১৯:১৪398452
  • এইটেই তো সেই সুজয় যিনি আসল খবর আর নকল খবরের পার্থক্য কত্তে পারেন না।
  • dc | ৩০ আগস্ট ২০১৮ ১৮:৪০398451
  • এবার বুঝতে পেরেছি। ওই যিনি পিঠে করে অ্যাটোম বোম নিয়ে ঘুরে বেড়ান তিনি বিপাকে পড়লেই ওটাকে দড়াম করে মাটিতে আছড়ে ফেলেন আর গভীর কুয়ো খুঁড়ে ফেলেন। কুয়োর ঘেতরে ঘাপটি মেরে বসে থাকেন, শত্রুরা চলে গেলে আবার বেরিয়ে আসেন।
  • ABP | ৩০ আগস্ট ২০১৮ ১৭:৫৫398450
  • বড় পরমাণু হামলার জন্য আদৌ তৈরি নয় আমেরিকা, রিপোর্ট বিজ্ঞানীদের
    সুজয় চক্রবর্তী
    ৩০ অগস্ট, ২০১৮, ১৫:৪০:৩৭
    শেষ আপডেট: ৩০ অগস্ট, ২০১৮, ১৬:০২:২৪
    atom bomb

    বড় ধরনের পরমাণু হামলার জন্য আদৌ প্রস্তুত নয় আমেরিকা।

    উত্তর কোরিয়া বা পরমাণু অস্ত্রে শক্তিশালী অন্য কোনও দেশ আচমকা হাইড্রোজেন বা পরমাণু বোমা ফেললে পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যেতে পারে আমেরিকার একটি বড় অংশ। মৃত্যু হতে পারে লক্ষ লক্ষ মানুষের। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে পঙ্গু হয়ে যেতে পারেন ওয়াশিংটন, ডিস্ট্রিক্ট অফ কলম্বিয়া, মেরিল্যান্ড, ভার্জিনিয়া ও আলেকজান্দ্রিয়ার লক্ষ লক্ষ মানুষ।

    বড় ধরনের পরমাণু হামলা ঠেকানো তো দূর অস্তই, বিস্ফোরণের পর পর্যাপ্ত চিকিৎসা ব্যবস্থা, প্রশিক্ষিত চিকিৎসক, নার্সও যথেষ্টই অপ্রতুল মার্কিন মুলুকে।

    আমেরিকার ন্যাশনাল অ্যাকাডেমিজ অফ সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড মেডিসিন ও মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিওরিটি (অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা) দফতরের এক বিশেষ বৈঠকে ওয়াশিংটনে গত সপ্তাহে এই রিপোর্ট দিয়েছেন মার্কিন জনস্বাস্থ্য বিজ্ঞানী, বিশেষজ্ঞরা। এ ব্যাপারে কী কী করণীয়, তা জানিয়ে আগামী ডিসেম্বরে তাঁরা ট্রাম্প প্রশাসনকে সবিস্তার রিপোর্ট দেবেন বলে জানিয়েছেন।

    ‘নিউজ অ্যান্ড টেররিজম’ শীর্ষক সেই ফ্যাক্ট শিটে (রিপোর্ট) বলা হয়েছে, সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর বড় ধরনের পরমাণু হামলা ঠেকানোর আর কোনও প্রস্তুতি নেয়নি আমেরিকা। তার জন্য মার্কিন বাজেটে অর্থবরাদ্দ করা তো দূরের কথা, তা ৫০ শতাংশেরও বেশি কাটছাঁট করা হয়েছে।

    মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিওরিটি দফতরের আয়োজনে ওই বৈঠকে আমন্ত্রিত বক্তা জন্স হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই জনস্বাস্থ্য বিজ্ঞানী অমর্ত্য চট্টোপাধ্যায় ও অরুণ শ্রীবাস্তব বলেছেন, ‘‘আমেরিকার নজর এখন সন্ত্রাসবাদীদের মোকাবিলায়। যারা বড়জোর ১ কিলো টন (১ হাজার টন) ওজনের পরমাণু বোমা বানাতে পারে। কিন্তু উত্তর কোরিয়ার মতো দেশের হাতে যে ধরনের পরমাণু বোমা বানানোর প্রযুক্তি রয়েছে, তাদের প্রত্যেকটির ওজন খুব কম হলে, হতে পারে ১৮০ কিলো টন। সেগুলি ফেলা হলে, তার জেরে যে ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে, তা সামলানোর মতো পর্যাপ্ত ব্যবস্থা এখনও পর্যন্ত আমেরিকার হাতে নেই।’’

    গত সপ্তাহের বৈঠকে পেশ করা হয়েছে যে ফ্যাক্ট শিট

    বৈঠকে প্রায় একই সুরে কথা বলেছেন জন্স হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ টেনের ভিনিমা ও আথেন্সের জর্জিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জনস্বাস্থ্য বিজ্ঞানী কাম ডালাস।

    অমর্ত্য জানাচ্ছেন, যে ধরনের পরমাণু বোমার হামলা ঠেকানোর ব্যবস্থা রয়েছে এখন মার্কিন মুলুকে, তা ওজনে খুবই হাল্কা। ওই বোমাগুলিকে বিজ্ঞানের পরিভাষায় পরমাণু বোমা বলাও যায় না। আদতে এদের নাম- ‘ডার্টি বম্ব’ বা, ‘রেডিওলজিক্যাল ডিজপার্সাল ডিভাইস’ (আরডিডি)। এগুলি আকাশ থেকে কয়েকটি প্রচলিত (কনভেনশনাল) তেজস্ক্রিয় পদার্থ ছড়িয়ে দিতে পারে। তার বেশি ক্ষমতা নেই ওই ডার্টি বম্বের।

    আরও পড়ুন- হিরোশিমায় বোমা পড়েছে, ছুটিতে বসে শুনলেন আইনস্টাইন​

    অরুণ শ্রীবাস্তবের কথায়, ‘‘উত্তর কোরিয়ার মতো পরমাণু অস্ত্রে শক্তিশালী দেশগুলির হাতে যে বোমাগুলি রয়েছে সেগুলি হাইড্রোজেন বা খুব শক্তিশালী পরমাণু বোমা। তা পড়লে ক্ষয়ক্ষতি হবে অনেক বেশি পরিমাণে। আর তার ক্ষত থেকে যাবে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে। সেই ক্ষয়ক্ষতি সামলানোর মতো পর্যাপ্ত চিকিৎসা ব্যবস্থা নেই আমেরিকার।’’

    খুব শক্তিশালী পরমাণু বোমা পড়লে কী কী হয়?

    প্রথমত, আকাশেই তৈরি হয় অগ্নিগোলক (ফায়ারবল)। যার তাপমাত্রা পৌঁছয় কয়েক লক্ষ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

    দ্বিতীয়ত, বায়ুমণ্ডল ও ভূপৃষ্ঠে হয় সুতীব্র আলোড়ন (শক ওয়েভস)। তৈরি হয় এক ধরনের মেঘ। মাশরুম ক্লাউড। অগ্নিগোলকের ভেতরে থাকা পদার্থ বাষ্পীভূত হলেই জন্মায় ওই মেঘ। মেঘ ক্রমশ ওপরে উঠতে থাকে। পরে নিউক্লিয়ার ডিভাইস থেকে সেই মেঘে ঢুকে পড়ে তেজস্ক্রিয় পদার্থ। সেই বাষ্পীভূত তেজস্ক্রিয় পদার্থ ঠান্ডা হলে কঠিন হয়। আর মাটিতে নামতে শুরু করে। অত্যন্ত দ্রুত গতিতে। হাওয়ার জোরে তা মাটিতে অনেক দূর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে।

    তৃতীয়ত, বাতাসে আধানযুক্ত কণা (চার্জড পার্টিক্‌ল বা আয়ন)-র প্রাচুর্যে মাটির গভীর পর্যন্ত শক্তিশালী বিদ্যুৎ (ইলেকট্রিক কারেন্ট) প্রবাহ হয়। ফলে, তড়িদাহত হয়ে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটে।

    আর ‘ডার্টি বম্ব’ পড়লে কী কী হয়?

    এক, যে এলাকার ওপর ডার্টি বম্ব পড়ে, সেখানে ছড়িয়ে পড়ে প্রচুর পরিমাণে তেজস্ক্রিয় পদার্থ।

    দুই, সেই তেজস্ক্রিয় পদার্থগুলি ভেঙে যায় গামা ও এক্স-রে’তে। তার সঙ্গে হয় আলফা ও বিটা রশ্মির বিকিরণ।

    তিন, গামা ও এক্স-রে বাতাসে দ্রুত পৌঁছয় অনেক দূরে। শরীরের ভেতর বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গে সহজে ঢুকে যেতে পারে গামা ও এক্স-রে। খাবার, শ্বাসের সঙ্গে শরীরে ঢুকলেও তা অত্যন্ত ক্ষতিকারক হয়।

    চার, বিটা রশ্মির বিকিরণ বাতাসে কয়েক গজের বেশি দূর যেতে না পারলেও, চামড়ার খুব ক্ষতি করে।

    পাঁচ, আলফা রশ্মির বিকিরণ বাতাসে দু’-এক ইঞ্চির বেশি দূরে যেতে পারে না। আলফা রশ্মির বিকিরণ চামড়ার ভেতরেও ঢুকতে পারে না। তবে শ্বাস, খাবারের সঙ্গে মিশে গেলে অত্যন্ত ক্ষতিকারক হতে পারে আলফা রশ্মির বিকিরণ।

    বৈঠকে কী কী বলছেন দুই ভারতীয় বংশোদ্ভুত বিজ্ঞানী অমর্ত্য ও অরুণ?

    দু’জনেই জানিয়েছেন, বোমার ওজন এক কিলো টন বা তার কিছু বেশি হলে শকওয়েভের মাত্রা হতে পারে ০.২ রিখটার। তাপ ও আকাশে প্রাথমিক বিকিরণের পরিমাণ হতে পারে যথাক্রমে ০.৪ এবং ০.৫ র‌্যাড। আর মাটিতে নেমে আসার পর সেই বিকিরণের মাত্রা পৌঁছতে পারে ৩.৪ র‌্যাড পর্যন্ত।

    আরও পড়ুন- ইরানের সঙ্গে ছয় দেশের চুক্তি নিয়ে জল্পনা​

    কিন্তু বোমার ওজন যদি ১০ কিলো টন বা তার বেশি হয়, তা হলে শকওয়েভের মাত্রা হতে পারে ০.৪ রিখটার। সে ক্ষেত্রে তাপ ও আকাশে প্রাথমিক বিকিরণের পরিমাণ হতে পারে যথাক্রমে ১.১ এবং ০.৮ র‌্যাড। মাটিতে নেমে আসার পর সেই বিকিরণের মাত্রা পৌঁছে যেতে পারে ৬ র‌্যাড পর্যন্ত।

    কতটা এলাকা জুড়ে ছড়ায় মাশরুম ক্লাউড?

    অমর্ত্য বলছেন, ‘‘খুব শক্তিশালী বোমা পড়লে আকাশেই তার মাশরুম ক্লাউড ছড়িয়ে পড়ে যতটা এলাকা জুড়ে, তার ব্যাসার্ধ (এয়ার-ব্লাস্ট রেডিয়াস) হয় ৩.৭ কিলোমিটারেরও বেশি। যে অগ্নিগোলকটা তৈরি হয় তার ব্যাসার্ধ হয় ৪৫০ মিটার। আর সেই অগ্নিগোলক থেকে যে বিকিরণ বেরিয়ে আসে তার ব্যাসার্ধ হয় এক কিলোমিটার। আর তার ফলে বাতাস ও ভূপৃষ্ঠে তাপ-বিকিরণ ছড়িয়ে পড়ে যতটা এলাকা জুড়ে, তার ব্যাসার্ধ হয় ৫.২৬ কিলোমিটারের কিছু বেশি।’’

    পরমাণু হামলার পর চিকিৎসার হালহকিকৎ মার্কিন মুলুকে

    অরুণের কথায়, ‘‘বৈঠকে বলেছি, অবস্থা এতটাই সঙ্গীন যে তেজস্ক্রিয় পদার্থের বিকিরণ থেকে বাঁচানোর ওষুধের ব্যবহারও জানেন না আমেরিকার ৫০ শতাংশেরও বেশি চিকিৎসক ও নার্স। এ ব্যাপারে তাঁদের কোনও প্রশিক্ষণই দেওয়া হয়নি। একই অবস্থা জাপানেও।’’

    অমর্ত্য বলছেন, ‘‘যাঁরা সেই চিকিৎসা জানেন, তাঁদের প্রায় কেউই যেতে চান না পরমাণু বোমা পড়ার জায়গা বা তার আশপাশের এলাকাগুলিতে, প্রাণের ভয়ে! একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে প্রশিক্ষিত চিকিৎসকদের ৩৩ শতাংশই বলছেন, তাঁরা যেতে চান না ওই সব এলাকায়।’’

    নেই পোড়ার পর্যাপ্ত চিকিৎসা, চামড়া প্রতিস্থাপন ব্যবস্থাও

    আনন্দবাজারের প্রশ্নের জবাবে জন্স হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ টেনের ভিনিমা ও আথেন্সের জর্জিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জনস্বাস্থ্য বিজ্ঞানী কাম ডালাস ই-মেলে জানিয়েছেন, ‘‘গোটা আমেরিকায় বার্ন সার্জেনের সংখ্যা ৩০০-র বেশি নয়। পরমাণু বোমা পড়ার পর আহতদের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন পড়ে চামড়া প্রতিস্থাপনের। ডোনার স্কিন খুবই দুর্লভ। চামড়া প্রতিস্থাপনের পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও চিকিৎসা ব্যবস্থা নেই আমেরিকায়।’’

    কোন কোন কাজে ব্যবহৃত হয় তেজস্ক্রিয় পদার্থগুলি?

    অরুণ ও অমর্ত্য জানাচ্ছেন, যেগুলি গামা রশ্মি বিকিরণ করে সেই কোবাল্ট-৬০ কাজে লাগে ক্যানসার চিকিৎসা, শিল্পে রেডিওগ্রাফি ও খাদ্যকে তেজস্ক্রিয়তা মুক্ত করতে। সিজিয়াম-১৩৭ দিয়েও কোবাল্ট-৬০-র কাজ করানো যায়। লাগে গভীর কুয়ো খুঁড়তেও। ইরিডিয়াম-১৯২ কাজে লাগে শিল্পে রেডিওগ্রাফি ও ক্যানসার চিকিৎসায় অঙ্গ প্রতিস্থাপনে।

    আর যেগুলি বিটা রশ্মি বিকিরণ করে সেই স্ট্রনশিয়াম-৯০ কাজে লাগে রেডিও আইসোটোপ দিয়ে চালানো থার্মো-ইলেকট্রিক জেনারেটরে। যা প্রত্যন্ত এলাকায় বিদ্যুতের চাহিদা মেটায়।

    যেগুলি আলফা রশ্মি বিকিরণ করে সেই প্লুটোনিয়াম-২৩৮ কাজে লাগে গবেষণা, গভীর কুয়ো খনন ও থার্মো-ইলেকট্রিক জেনারেটরে। আমেরিসিয়াম-২৪১ কাজে লাগে ভারী শিল্পে, গভীর কুয়ো খননে।

    গ্রাফিক: শৌভিক দেবনাথ

    গ্রাফিক-তথ্য সৌজন্যে: আমেরিকার ন্যাশনাল অ্যাকাডেমিজ অফ সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড মেডিসিন ও মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিওরিটি দফতর

    ছবি সৌজন্যে: আমেরিকার ন্যাশনাল অ্যাকাডেমিজ অফ সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড মেডিসিন
  • | ৩০ আগস্ট ২০১৮ ১৭:৫৪398449
  • এই আইসোটোপ অনুপ্রাণিত হতে পারে। খ
  • | ৩০ আগস্ট ২০১৮ ১৭:৫০398448
  • গভীর কুয়ো খননে লাগে??
    ওরে মা'রে এরা এগুলা কী লেখে?
  • anirban | ৩০ আগস্ট ২০১৮ ১৭:৪১398446
  • আবাপর হোম পেজে দেখি এইটা লিখেছে। আমেরিকার জন্যে চিন্তায় ঘুম নেই।

    "অরুণ ও অমর্ত্য জানাচ্ছেন, যেগুলি গামা রশ্মি বিকিরণ করে সেই কোবাল্ট-৬০ কাজে লাগে ক্যানসার চিকিৎসা, শিল্পে রেডিওগ্রাফি ও খাদ্যকে তেজস্ক্রিয়তা মুক্ত করতে। সিজিয়াম-১৩৭ দিয়েও কোবাল্ট-৬০-র কাজ করানো যায়। লাগে গভীর কুয়ো খুঁড়তেও। ইরিডিয়াম-১৯২ কাজে লাগে শিল্পে রেডিওগ্রাফি ও ক্যানসার চিকিৎসায় অঙ্গ প্রতিস্থাপনে।

    আর যেগুলি বিটা রশ্মি বিকিরণ করে সেই স্ট্রনশিয়াম-৯০ কাজে লাগে রেডিও আইসোটোপ দিয়ে চালানো থার্মো-ইলেকট্রিক জেনারেটরে। যা প্রত্যন্ত এলাকায় বিদ্যুতের চাহিদা মেটায়।

    যেগুলি আলফা রশ্মি বিকিরণ করে সেই প্লুটোনিয়াম-২৩৮ কাজে লাগে গবেষণা, গভীর কুয়ো খনন ও থার্মো-ইলেকট্রিক জেনারেটরে। আমেরিসিয়াম-২৪১ কাজে লাগে ভারী শিল্পে, গভীর কুয়ো খননে।"

    এই সব রেডিওঅ্যাকটিভ আইসোটোপ দিয়ে গভীর কুয়ো খনন হচ্ছে। কী সব ভয়ানক ব্যাপার।

    এই সেই সুজয়বাবু, যিনি CERN এর এপ্রিল ফুলের পোস্ট দেখে সিরিয়াস খবর করেছিলেন।
  • | ৩০ আগস্ট ২০১৮ ১৭:৪১398447
  • এদিকে স্বপ্না'র মা একজন চা-শ্রমিক আর বাবা বোধহয় রিকশাওয়ালা।
  • sm | ৩০ আগস্ট ২০১৮ ১৭:৩৭398444
  • সাঁওতালরা তো অলিচিকি ভাষায় পরীক্ষা দিচ্ছে। কোথায় কে কাকে গিলে খাচ্ছে? পব তে, লোকজন উর্দূ, নেপালি তেও পরীক্ষা দিতে পারে।
    লোকজন হিন্দি, বাংলা, নেপালি, রাজবংশী, বরিশালী, সিলেটি, সব ভাষায় কথা বলতে পারে। কে কাকে গিলে নিতে চাইছে?
    এতো তো গোর্খা ল্যান্ড নিয়ে আলোচনা শুনি। তা, সিকিম এ তো নেপালি ভাষীদের দাপট প্রচুর। পঞ্চাশ শতাংশের ওপর নেপালী।
    তাহলে, আবার আলাদা গোর্খাল্যান্ড নিয়ে এতো চাহিদা কেন?
  • একক | ৩০ আগস্ট ২০১৮ ১৭:২৪398443
  • না বাংলা নয়। গোয়ালপাড়া আর রংপুর এক ভাষা, রাজবংশী। ওনারা সেই সম্মান পান নি। উত্তরবঙ্গ থেকে আসাম, সর্বত্র শহুরে বাংলা তার থাবা বসিয়েচে, নিজের "সংস্কৃতির " মধ্যে গিলে নিয়েচে। কেন্দ্রের ধর্মই হাঁ করে সব গিলে নেওয়া, এইটে, যাঁরা হিনদীবিরোধী আন্দোলে ধোও দিচ্চেন, তা দিন, তবে খ্যাল রাকলে ভালো। ভাষা দাপাদাপির সেরা উদা তো পাশের রাষ্ট্রেই রয়েচে জেকেনে ভাষা দিবসের ভেউভেউ গায়ে মেকে একজন আদিবাসী তাঁর ভাষা লিকতে বাধ্য হন :বাংলা।
  • | ৩০ আগস্ট ২০১৮ ১৭:১৯398442
  • রাজবংশী একটা আলাদা ভাষা আছে হুতো। খুব আবছা মনে পড়ছে ওঁদের বোধহয় কিছু আন্দোলনও শুরু হয়েছিল ভাষার অধিকারের দাবীতে।
  • | ৩০ আগস্ট ২০১৮ ১৭:১৭398441
  • রাজবংশী ভাষার লোক শিলিগুড়িতে দেখেছিলাম। ওখানে ঐ ভাষার ছবির শুটিং দেখেছি।
  • r2h | ৩০ আগস্ট ২০১৮ ১৭:১৩398440
  • রাজবংশীদের ভাষা কি বাংলা? মানে, আমি সত্যি জানিনা। পশ্চিমবঙ্গবাসী হিসেবে পুরস্কার, এমন হয়তো বলা যেতে পারে।
    পশ্চিমবঙ্গবাসী সাঁওতালদের বাঙালী বা ত্রিপুরাবাসী বাঙালীদের ত্রিপুরী বললে কি ঠিক হয় ব্যাপারটা?
  • | ৩০ আগস্ট ২০১৮ ১৭:১০398439
  • ধুর এইসব বস্তাভরা প্রতিশ্রুতির কয়টা রাখে? প্রচুর জুতোর শুকতলা খুইয়ে কিছু টাকা পায়। চাকরি ফাকরি সবই হয় ফক্কা নয় এগারোমাসের চুক্তি কিছু সে আর রিনিউ হয় কিনা সন্দেহ।

    কোনও একটা কাগজে এরকম ফাঁকা প্রতিশ্রুতির একটা লিস্ট বের করেছিল।
  • | ৩০ আগস্ট ২০১৮ ১৭:০৫398438
  • সিকি দেবী,
    বাংলাদেশের হুমায়ুন আহমেদ আমার প্রিয় লেখক। উনার অনেক সিনেমা দেখেছি। বেশ ভালো। কদিন আগে দেখলাম ওনার " আমার আছে জল "। ছবিটা দেখার পর থেকে ভাবছি "জল" নামক বস্তুটি সবার কাছে আছে। শুধু আমার কাছে নেই।
  • sm | ৩০ আগস্ট ২০১৮ ১৭:০২398437
  • মুখ্যমন্ত্রী বাঙালি হিসাবেই বোধ হয় পুরষ্কার দিচ্ছে। এখন ও রাজবংশী বলে আলাদা রাজনীতি তার মাথায় আসে নি। যেটা 'খ' এনে ফেলাইসে।
    খ এর দাঁড়ি আছে?
    মাঝে, মাঝে একটু -- ))
  • | ৩০ আগস্ট ২০১৮ ১৫:৫৮398436
  • মুখ্যমন্ত্রী রাজবংশী ক্রীড়াবিদ দের উৎসাহ প্রদান ও উন্নয়নে অনেক কিছু করলেন। তাঁকে ধন্যবাদ। খ
  • sm | ৩০ আগস্ট ২০১৮ ১৩:৩৫398432
  • আজ পর্যন্ত কোন কর্পোরেট শর্ত পালন করেছে?
    সরকারের কাছে, মেট্রো শহরে জমি পেয়ে হাসপাতাল করে, একটা ফ্রিবেড ও রাখে না।
    দশ পার্সেন্ট মিনিমাম ফ্রি বেড রাখা মাস্ট যেখানে। বেসরকারি হাসপাতালে গেলে নিশ্চয় টের পান কি খরচা করেন আর কতো টুকু সার্ভিস রিটার্ন পান।
    ঝিলমিল থেকে নিক্কো পার্ক হওয়ার সুবিধা হলো, পকেট থেকে মিনিমাম ৫০০-১০০০টাকা খসবে, জন প্রতি।
    আর ফেসিলিটি!ওগুলো স্রেফ গাল গপ্প ইন্ডিয়াতে।
    বাগডোগরা থেকে দমদম ফিরলাম স্পাইস জেটে। ভাড়া, জন প্রতি ৮০০০টাকা পার হেড!
    খাবার পর্যন্ত কিনতে হবে।
    যে লেসার শো একশ টাকায় দেখা যেতো,কর্পোরেট ৫০০টাকা নেবে।
    কর্পোরেট না থাকলে, জীবন শূন্য হয়ে যাবে;ওটা হলো আবাপিয় বালখিল্যতা।
  • | ৩০ আগস্ট ২০১৮ ১৩:২৩398431
  • *বাজে
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত