এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • avi | ১৯ জুলাই ২০১৮ ১৬:২১397020
  • নীল খামের দৌলতে মোবাইলের নিচের দিকের এক ইঞ্চিমতো কাজ করছে না। হয় খাম খুলছে, বা কিছুই হচ্ছে না। যাকগে। আইদি, সাইটটা এখানে একবার শেয়ার করবেন?
    ওদিকে, মেডিক্যালে অনিকেতরা দুয়েকজন যাবে মনে হচ্ছে। নতুন প্রিন্সিপালও ইস্তফা দেবেন বলেছেন। যে হায়ার অথরিটি না বললে কিস্যু করা যাচ্ছে না, তিনি নাকি উত্তরবাংলায়।
  • i | ১৯ জুলাই ২০১৮ ১৪:৪৯397019
  • যাই হোক, যে কথা লিখব লিখব করে ভুলে যাই।
    রবাহুত সেই যে সিনেমার সাইটের সন্ধান দিয়েছিলেন, ক বছর আগে, তাকে আমি যত্নে তুলে রেখেছিলাম। ইদানিং মাঝেমধ্যেই তাতে প্রচুর সিনেমা দেখি। সেদিন আপনারা সাইরাতের কথা বলছিলেন। ওটিও এই সাইটেই সাব টাইটেল সহকারে দেখে নিয়েছিলাম।
    মোট কথা হ'ল- থ্যাঙ্ক ইউ, রবাহুত।
  • i | ১৯ জুলাই ২০১৮ ১৪:৪৪397018
  • এই যে মনের ক্লান্তি, রিল্যাক্সেশন মোডে থাকা, দ্রি যেটা লিখলেন, আমি নিজে ভাবতাম, যখন এই ব্যাপারগুলো আমার ছোটো গন্ডিতে হোয়াটসয়াপের কল্যাণে দেখতে শুরু করলাম, তখন ভাবলাম আমার বয়সীদেরই হয়ত ব্যাপারটা একচেটিয়া -সে শারীরবৃত্তীয় কারণই হোক, কি মানসিক, কি দুটো জুড়েই- এত বছরের রুটিন জীবন-সবেতেই একটা ক্লান্তি, আলস্য, অবসাদ-এই সব থেকে চিন্তা ভাবনা রহিত হয়ে যাওয়া।
    কিন্তু তা তো নয়।
  • i | ১৯ জুলাই ২০১৮ ১৪:২৯397017
  • কিন্তু ক্লেদ যাকে বলছি, সেখানে তো আমারই বন্ধু সহপাঠী আত্মীয়। তাদের আমি ত্যাগ তো করতে পারি না। আর ত্যাগ করলেও সমস্যা তো মিটছে না। আমার ছোটো জগত মেলামেশার, আগেই বলেছি-তার ভিত্তিতেই যা বলার বলছি আর কি। এরা আমার মতই সাধারণ মানুষ, এম এ বি এ পাশ, কর্মক্ষেত্রে দায়িত্বপালন করছেন ভালোভাবেই, সংসারেও দায়িত্বশীল, স্নেহময়। দেখুন মানুষের ভিন্ন মত থাকতেই পারে-বামপন্থী, ডানপন্থী যে পন্থীই হোন তাই নিয়ে দুটো বাজে তর্ক, ঝগড়াও ঠিক আছে। অসুবিধে কিছু নেই।কিন্তু স্রেফ খুব সাধারণ চিন্তাহীনতা/ বিবেচনাহীনতার র কারণে সাঙ্ঘাতিক ধ্বংসাত্মক কাজের অস্ত্র হয়ে যাচ্ছেন নিজেদেরই অজান্তে। যেখানে স্বাভাবিক বুদ্ধিবৃত্তিই বলে দেয়, এটা ভুল, এরকম হয় না, বা এই কথাটা হুহা শেয়ার করলে ভয়াবহ পরিণতি হতে পারে, সেইটাই প্রয়োগ হচ্ছে না। এইটা অসম্ভব কষ্টকর।
  • h | ১৯ জুলাই ২০১৮ ১৩:২১397016
  • এই নীল খাম এর কালো এক্স বিশেষ কাজের না। একে ছুঁলে কখনো, এখন কি চলছে বলে একটা লিস্ট মত খুলে যাচ্ছে, কখনো খামাপদ বিদায় হচ্ছে, কিন্তু পরমুহুর্তেই পুনরাবির্ভাব ঘটছে। আর ফোনে তো ক্রমাগত নড়ে চলে টা এখনো বন্ধো হয় নি। এটার কি সাংঘাতিক দরকার কিছু ছিল, বিশেষে করে টপ্পিক ইন্ডেক্সের সাইজ না বাড়া অবস্থায়? আর পেজ চেঞ্জ হলেই আবার আসছে।

    এমনিতেই লাইফে জয় হিন্দ গোছের অবস্থা তার মধ্যে হঠাত এক রহস্যময় নীল খাম।
  • cb | ১৯ জুলাই ২০১৮ ১১:৫৯397015
  • রৌরব নরকই বটে!!!

    ক্লেদ মালটা যে কি এক্স্যাক্টলি সেটা এতদিনে বোঝা যাচ্ছে
  • গজেশ্বর গাড়ুই | ১৯ জুলাই ২০১৮ ১১:০২397014
  • রিফ্রেশ করলেই ফের খাম এসে হাজির হচ্ছে যে।
  • i | ১৯ জুলাই ২০১৮ ১০:৫৮397013
  • একদম তাই। এটাই লিখতে যাচ্ছিলাম, দ্রি।
  • দ্রি | ১৯ জুলাই ২০১৮ ১০:৫০397012
  • ধরেই নিতে হবে ৮৯% মানুষ ভাববেন না। যাঁরা অন্যত্র কর্মক্ষেত্রে ভাবনাচিন্তা করেন, তাঁরাও ফেসবুক, হোয়াটস্যাপ ব্রাউজ করার সময় ভাবেন না, টিভি দেখার সময় ভাবেন না, বিজ্ঞাপণ দেখার সময় ভাবেন না। ওগুলো হল রিল্যাক্স করার সময়। হিপনোটাইজ্‌ড হওয়ার সময়। মন টায়ার্ড থাকলে মানুষ সেন্সেশানাল জিনিষ বিশ্বাস করে নিতে চায় যাচাই না করেই।

    দুজন, দুশো জন বা দুহাজার জন এর ব্যাতিক্রম হতেই পারেন। কিন্তু তাতে ওভারঅল স্ট্যাটিস্টিক্স কিছু বদলায় না। এবং 'প্রপাগ্যান্ডার' ইম্যাক্ট মোটামুটি একই থাকে।

    আরো একটা ব্যাপার আছে। যে যেটা অলরেডি বিশ্বাস করে, সেইধরণের নিউজ সে অনেক বেশী রেডিলি বিশ্বাস করে নেয় যাচাই না করে। একজন দক্ষিণপন্থী চট করে বিশ্বাস করে নেবে বেদে আলোর গতির হিসেব আছে। একজন বামপন্থী চট করে বিশ্বাস করে নেবে কালার রিভলিউশানগুলো স্বতঃস্ফুর্ত এবং ব্রডবেসড। একজন যুক্তিবাদী মানুষ খবরে একটু বিজ্ঞানের ফ্লেভার থাকলে সহজেই বিশ্বাস করে নেয়, এই যেমন নীডল দিয়ে এইচাভি ছড়ায়।
  • গজেশ্বর গাড়ুই | ১৯ জুলাই ২০১৮ ১০:৪৬397011
  • বাবা গো, এসব কী?
  • দ্রি | ১৯ জুলাই ২০১৮ ১০:২৯397010
  • পাও কিলো মাটনে নালগু টেবল স্পুন আয়েলু? ডক্টর গাড়ুই, টামিলু এক্সেস ফ্যাট উন্টুন্দি।
  • | ১৯ জুলাই ২০১৮ ১০:২৮397009
  • *ঘন্টার পর ঘন্টা চলছে
  • | ১৯ জুলাই ২০১৮ ১০:২৭397008
  • আর হোয়াটস্যাপ! সে যে কি পাপ! হোয়া আর ক্যাম্রাওলা ফোন সবার হাতে হাতে। এবার সবাই সব জায়গা থেকে স্ক্রিনশট নিচ্ছে আর চ-য়ে চুকলি কিম্বা ঘ-য়ে ঘোঁট টাইপের গ্রুপগুলোতে ঘন্টার পর ঘন্টা ধলছে চুকলিবাজি, পরচর্চা আর ঘোঁট পাকানো। আবার চুকলিতে যে মহান বাণী দিচ্ছে সে হয়ত ব্যক্তিগত মেসেজে কাউকে 'মোল্লাদের কেটে ফেলা' কিম বা 'হিজরাদের দূর করে দেওয়া' টাইপ কথা বলেছিল, সে আবার সেইসব স্ক্রিনশট নিয়ে অন্যদের সাথে ঐ ঐ ঐ।
    অনন্ত রৌরব নরক যাকে বলে।
  • T | ১৯ জুলাই ২০১৮ ১০:১৭397007
  • উপযুক্ত পাঁঠা না পেলে এইটা জমে না কিন্তু। একটু খোঁজে থেকো। :)
  • গজেশ্বর গাড়ুই | ১৯ জুলাই ২০১৮ ১০:১৪397006
  • একটা রেসিপি পেইচি। এর পরের উইকেন্ডে এইটা বানাবো।

  • | ১৯ জুলাই ২০১৮ ১০:১০397005
  • আর তুই কিনা আমারে কস স্পেস রাখতে! একটা গল্পে এক চিলতে ফাঁক ছিল তুই বেদম চ্যাঁচাইচিলি কেন দরজা জানলা নাই বলে, এদিকে লোকে বলে একি? এত বড় উপত্যকা কেন? এটা পেলে তো সিরিয়ালওয়ালারা পুরো ক্যারাভ্যান চালায়ে দেবে এখান দিয়ে!
    ইত্যাদি প্রভৃতি
  • T | ১৯ জুলাই ২০১৮ ১০:০৩397004
  • এই সেই যুগান্তকারী কেলো ;)
  • গজেশ্বর গাড়ুই | ১৯ জুলাই ২০১৮ ০৯:৪৮397003
  • sm | ১৯ জুলাই ২০১৮ ০৯:৪২397002
  • তুমি গিয়ে বুদ্ধ বাবুর এম্বাসেডর এর চাকা পরিষ্কার করো গিয়ে।অনেক কাদা লেগে আছে।
  • গজেশ্বর গাড়ুই | ১৯ জুলাই ২০১৮ ০৯:৩৭397001
  • আচ্ছা, ল্যাদোষদার কি গাড়ি চাপা পড়ার ভয় নাই? সেও আবার লঝঝরে অ্যাম্বাস্যাডর যদি তেড়ে আসে?
  • i | ১৯ জুলাই ২০১৮ ০৯:২৩397000
  • আমাদের চিন্তা করার ইচ্ছে টাই আর নেই, তলিয়ে কেন, সামান্য ভাবনা চিন্তা টুকুও কেউ করি না। মস্তিষ্ক, মনন কে কাজে লাগানোর কোনও ইচ্ছে নেই যেন।
    হোয়াটস্যাপে র নানা পোস্ট আসে-যাঁরা শেয়ার করেন কেউ শিক্ষক, অধ্যাপক। একটা পোস্ট পান আর আর শেয়ার করে দেন বিন্দুমাত্র চিন্তা না করে। দু বছর আগে মনে আছে, একটা পোস্ট শেয়ার করেছিলেন একজন যিনি স্কুলের ভাইস প্রিন্সিপাল- দুটি মেয়ের স্কেচ-তাঁরা নাকি ছেলেধরা-এই বার্তা দিকে দিকে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান। তাঁকে সারাসরি বলি-কিসের ভিত্তিতে তিনি এই বার্তা ছড়াচ্ছেন? এর কী ইম্প্যাক্ট হতে পারে তিনি ভেবেছেন? তিনি বললেন, সত্যি তো, এতো ভাবি নি।
    তলিয়ে ভাবা তো পরের কথা, স্বতঃস্ফূর্ত চিন্তাটুকুও থাকবে না কেন-এইটা ভাবি।
    আমি খুব মিশি তা নয়, স্যামপল সাইজ খুব ছোটো। কিন্তু প্রায় সর্বত্র চিন্তাহীনতা।
    দ গোলগাল গল্পের রমরমার কথা ;লিখলেন। আমার গল্পও খুব গোলগাল না হলেও ট্যারাব্যাঁকা নয়। সেই গল্প পড়েও লোকে যা প্রশ্ন করেন বা মন্তব্য- আমার চোখ কপালে উঠে যায়। মস্তিষ্ককে বিন্দুমাত্র খাটাতে কেউ রাজি নন। সেটাকেই কাজে লাগায় সুযোগসন্ধানীরা।
  • সিকি | ১৯ জুলাই ২০১৮ ০৮:৪৫396999
  • জোক অ্যাপার্ট - ১৯৪৮ সালটা দিয়েই ডিফেন্ড করা যায়। ভারত তখন সদ্যোজাত, তার সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ। তখন নেহরু যদি প্যারিসে জামাকাপড় ড্রাইক্লিনিংয়ের জন্য না-ও পাঠাতেন, তা হলে লোকে দুহাজার আঠেরো সালে এসে বলত, দেখেছো, উনি ব্রেকফাস্টে পরিজ খেতেন, অথচ অলিম্পিকে প্লেয়াররা খালিপায়ে খেলেছে। মানে, বলার দরকার হলে অজুহাতের কমতি কোনওমতেই হবে না। এসব কাউন্টার করা মানে সময়ের অপচয়।
  • সিকি | ১৯ জুলাই ২০১৮ ০৮:৪২396998
  • না না, রাইট উইঙ্গারদের জন্য মানে, ওদের ঢিট করার জন্য নয়, ওদের তরফে বলার জন্য - কেন যে বলে না কে জানে।

    বাষট্টির ইন্দো-চীন যুদ্ধের সময়ে ভারতীয় সেনা যে সব প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম নিয়ে লড়েছিল এবং ল্যাজে গোবরে হয়েছিল, সেগুলো দেখলে হাসি পায়। রাণা প্রতাপ স্টাইলের স্টিলের বর্ম ইত্যাদি দেখেছিলাম লাদাখের মিউজিয়ামে। যেগুলো গোলাগুলির সামনে কিসুই না। এর সঙ্গে জুড়ে দিন নেহরু তখন প্রধানমন্ত্রী, তাঁর কাপড় ড্রাই ক্লিন হয়ে আসত প্যারিস থেকে, ইত্যাদি, কোথায় লাগে বিশ্বকাপে খালিপায়ের ছবি।
  • pi | ১৯ জুলাই ২০১৮ ০৮:৩৮396997
  • নিজের পিঠ নিজে চুলকাবে বলে মনে হয়।
  • kumu | ১৯ জুলাই ২০১৮ ০৮:৩৬396996
  • খামের নিচে ল্যাজ ক্যানো?

    আর কমেন্টের জায়গায় দাঁড়ি কেন?এত দাঁড়ি?
  • Ishan | ১৯ জুলাই ২০১৮ ০৮:২৬396995
  • সিকি কী এমন বিশল্যকরণী জানে, সেটা আমি জানতে চাই। :-)
  • সিকি | ১৯ জুলাই ২০১৮ ০৭:৪০396994
  • বি, এর থেকেও বড় অস্ত্র আমি রাইট উইঙ্গারদের জন্য জানি। আপিসে গিয়ে লিখছি।
  • b | ১৯ জুলাই ২০১৮ ০৭:২৪396993
  • আমার এক দাদা, এখন বিজেপি-র খুব বড় হর্তকর্তা, সে এরকম একটা পোস্ট করেছে। কিছু খালি পায়ের ছবি। তারপরে লেখা ১৯৪৮-এর লন্ডন অলিম্পিকসে ভারতীয় ফুটবলারদের খালি পায়ের ছবি। এই আই এফ এফ নাকি বুট কেনার পয়সা দিতে পারে নি। নেহেরু পয়সা দেয় নি। সেই নেহেরু যার কাপড়গুলো ড্রাই ক্লিন হয়ে আসতো প্যারিস থেকে ইত্যাদি ইত্যাদি।
    এখন একে কাউন্টার করব কোথায়? কোন লেভেলে?
  • Ishan | ১৯ জুলাই ২০১৮ ০৭:১৬396992
  • প্রবন্ধ পরে হবে, আগে ডিডিদাকে কই। ফেবুতে "বক্তব্য রাখা" বা প্রচারের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা কিন্তু খুবই এফেক্টিভ। ফেবুর থেকেও বেশি ফলদায়ী হল হোয়াটস অ্যাপ। ভারতবর্ষে প্রায় সমস্ত পরিবারেই মোবাইল আছে (কিছুদিন আগেই সংখ্যাটা ৯০% পেরোলো বা ৯০% ছুঁই ছুঁই, এরকম কিছু একটা)। সংখ্যাটা টিভির চেয়েও অনেক বেশি। টিভিতে প্রচারে তার উপর বিপুল পয়সা লাগে। হোয়াটস অ্যাপ একেবারে বিনামূল্যে। সেনসেশনাল একটা ভিডিও বাজারে ছাড়তে পারলে এক লহমায় কোটি কোটি লোকের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে। এটাকে সর্বপ্রথম খুব এফেক্টিভলি ব্যবহার করেছেন নরেন্দ্র মোদী। এখনও করছেন। ঘটনা হল 'সেনসেশনাল' জিনিসপত্রের ভান্ডার ওঁদের এমনিই বেশি, তার উপর আছে সংগঠিত বাহিনী। হাজারে হাজারে ফেক প্রোফাইল তো আছেই, সে তো রোজই দেখি। তার উপরে সূক্ষ্ণ মতাদর্শগত প্রচারের বাহিনী তৈরি করতেও টাকা এবং উদ্যোগ ঢালাও ব্যয় করা হচ্ছে। যেমন এই কিছুদিন ধরেই দেখছি থ্রিলার, গোয়েন্দা-কাহিনী খুব পপুলার হচ্ছে, তার অনেকগুলোই অতীত নির্ভর। তাতে কোনো সমস্যা ছিলনা, কিন্তু এর মধ্যে অনেকগুলি প্রকাশনাই দেখি সঙ্ঘ-সমর্থকদের অনুগ্রহপুষ্ট। এবং ঘটনা চক্রে সেখান থেকেই খুব, খুব সূক্ষ্মভাবে 'ব্যাদে সব আছে' ইত্যাদি গৌরবগাথার প্রচার চলছে কাহিনীর মোড়কে। বঙ্কিম মোটাদাগে এই জিনিস করেছেন একদা, হিন্দু বিপ্লবীরাও করেছেন, কিন্তু সেগুলো সংগঠিত সাম্প্রদায়িকতা ছিলনা। এখন দিনকাল বদলেছে। বুদ্ধিজীবি বা শিক্ষিত মানুষদের মধ্যেও একটা পায়ের ছাপ ফেলার চেষ্টা হচ্ছে আন্দাজ করতে পারি।

    এইটা বাংলার কথা বললাম। সর্বভারতীয়ভাবে টিভি এবং জাতীয় মিডিয়ার ভূমিকা নিয়ে আর নাই বা বললাম। সবাই জানেন। বেশিরভাগই ভক্তি বা ভয়ে বা অন্য কারণে মোদীপক্ষে, বা চুপ। তেহেলকা ভোগে, ইপিডাব্লু থেকে পরঞ্জয় গুহ বিতাড়িত। টিমটিম করে হিন্দু আর এনডিটিভি কোনোক্রমে মধ্যপন্থা বজায় রেখে টিকে আছে। সর্বত্র অর্ণব গোস্বামী। তাঁরাই সমস্ত কিছুর বিচার করে ফেলছেন। থাকার মধ্যে আছে কটা অনলাইন কাগজ, সে আর কতজনেই বা পড়ে। টিভি খুললেই হয় রামদেব, নয় বাবা লোকনাথ, কিংবা অর্ণব গোস্বামী।

    সব মিলিয়ে পয়েন্টটা হল, এগুলো অটোমেটিক হচ্ছে এমন না। উদ্যোগ নিয়ে ঘটানো হচ্ছে। ইন্টারনেটের এবং প্রকাশনার ফেনোমেনন টা তো নিজের চোখেই দেখলাম। বাকিটাও আন্দাজ করতে অসুবিধে নেই। অ্যাটেনশন স্প্যান ছোটো করা বা সেনসেশনের চর্চা করা, এগুলো অবশ্য বিজেপির প্রত্যক্ষ প্রভাবে হচ্ছে এমন না, কিন্তু পুরোটাই নানারকম মিডিয়া স্ট্র্যাটেজির অংশ। এবং কনটেন্ট বানাতে, টার্গেট করতে কী পরিমান এনার্জি এরা দেয় সেটা অকল্পনীয়। এখন সব মিলিয়ে, নানা ইকুয়েশনে পুরোটাই বিজেপির দিকে যাচ্চে। আমি এক্বারেই অবাক হবনা যদি পরের বিধানস্সভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি জেতে এবং তৃণমূলের ৬০% আর সিপিএমের সিকিভাগ তাদের সঙ্গে যোগ দেয়।
  • Ishan | ১৯ জুলাই ২০১৮ ০৬:৩০396991
  • ন্যান আপনাদের জীবনের সমস্যা দূর হয়েছে কিনা দ্যাখেন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত