এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • sswarnendu | ১০ জুলাই ২০১৮ ২০:৫৩396661
  • আমার লিঙ্কটা থেকে কি প্রশ্নগুলো দেখে এইটা লিখছেন T?
    মানে বলতে চাইছেন জেলা

    1. Write notes of approximately 100 words each on any two of the following in Bangla or in English:
    (i) Poetry in the 21st century
    (ii) Virtual Reality
    (iii) Illustrations in story books
    (iv) Heroines in children's literature

    উচ্চমাধ্যমিকের পরে এর উত্তর লিখে আসতে পারবে কজন সেই নিরিখে ভবানীপুরদের থেকে বিশেষ পিছিয়ে নেই ? তা হবে।
    ( উপরেরটা গতবছরের প্রথম প্রশ্ন, কম্পারেটিভের )
  • T | ১০ জুলাই ২০১৮ ২০:৪১396659
  • উচ্চমাধ্যমিক স্তরে সাহিত্য সংস্কৃতি চর্চায় জেলার শিক্ষা প্রতিষ্টানগুলি বেশ ভালো কাজ কর্ম করে। চটকদার পেখম সমেত আবাপীয় গ্রন্থাদি প্রকাশের চাইতে এঁরা মূলতঃ ডকুমেন্টশনের দিকটাই আগে দেখেন। সম্প্রতি খেজুরি কলেজের বাংলা বিভাগের প্রকাশিত জার্নাল দেখছিলাম। বেশ ভালো উদ্যোগ। তো সেজন্য এই তুলনামূলক সাহিত্যচেতনার চর্চাস্থল এই সামান্য কিছু ভবানীপুরের ড্রয়িংরুম এইরকম ধরে নেওয়াটা ঠিক হবে না। অবশ্য ইন ইকোয়ালিটি যে এর মানে অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে তা নয়, তবে সেটা অন্য পাঁচটা সাবজেক্টের থেকে সেরকম আলাদা কিছু নয়
    একক যে লেভেলের নর্মালাইজেশন দাবী করছে, সেসব সমাজ বদলের ব্যাপার।
  • PT | ১০ জুলাই ২০১৮ ২০:৩৩396658
  • গ্রাম ও জেলার পোচ্চুর ছেলে মেয়ে কেমিস্ট্রি পড়তে আসে। এদের একটা মেধাবী অংশ বেলুড় বা নরেন্দ্রপুরের প্রবেশিকা দিব্য টপকে যায়। বিশেষতঃ মেদিনীপুরের ছেলেরা (মূলতঃ) ছড়িয়ে আছে বিভিন্ন জায়গায়। তবে এদের ক্ষেত্রে থাকার জায়গা, হস্টেল ইত্যাদি একটা জরুরী বিষয়।
    (আজকে একজন ডেবরার ছেলে PhD-তে জয়েন করল। পরিবারের জমিতে ধান রোয়া থেকে নিড়োন -সব কাজই করে এসেছে নিয়মিত এতদিন। কিন্তু ডিগ্রির পরে যে গ্রামে ফিরবে না সেটা জানিয়ে দিল। সিঙ্গুরে যারা চাষীর ছেলেকে চাষী করে রাখার ধান্দায় ছিল ও আছে তারা যেন বিষয়টি নজরে রাখে!!)
  • h | ১০ জুলাই ২০১৮ ২০:২৬396657
  • *বাড়াক

    বিটি ডাব্লিউ লাভ পুরে নাট্য চর্চা ১৯০৫ থেকে প্রায় টানা চলছে, জগদীশ গুপ্ত, ননী ভৌমিক, তারাশন্কর বীরভূমে এ থেকেছেন কাজ করেছেন ভুলবেন না। তারাশন্করের পরের কাজ নিয়ে যা রেফারেন্স চাইবেন দেওয়া যাবে। আমি পাচ ছয় জন লেখক কে নিয়ে পরের প্রবন্ধ টাই লিখেছি।

    সমস্যা আছে, তবে জেলা নিউজ মানেই ক্রাইম বুলেটিন না, প্রি মডার্ন মরালিটি চর্চা না।
  • sswarnendu | ১০ জুলাই ২০১৮ ২০:২৪396656
  • "গ্রামের লোকের আধুনিক সেকুলার তত্ত্ব চর্চায় আগ্রহ নেই" --- এমন কোন অ্যাজাম্পশন কেউ করেছে ধরে নেওয়াটা নিছকই আপন মনের মাধুরী। আগ্রহ নেই আর উচ্চমাধ্যমিক স্তরেই সে নিয়ে একটা পরিমাণ জ্ঞান ও চর্চার পরিমণ্ডল পাওয়ার সুযোগ নেই - এ দুইয়ে আকাশ পাতাল ফারাক। গ্রামের লোকের তাতে আগ্রহ থাকবে না কিম্বা তাঁদের এসব পড়ার দরকার নেইই মনে করলে আর তাঁদের পড়তে আসার পথ আটকে দেওয়া হচ্ছে নিয়ে কেন মাথা ঘামাবে কেউ?
  • h | ১০ জুলাই ২০১৮ ২০:১৬396655
  • সরকার উচ্চশিক্ষায় ইনভেস্টমেন্ট বাধা, সাইথিয়ায় তত্ত চর্চা সেন্টা গড়ে তুলুক, বিষয় কে স্বীকৃতি দিক পঠন পাঠন দাড়িয়ে থাকবে না।
  • T | ১০ জুলাই ২০১৮ ২০:১০396654
  • গত কয়েক দশকে জেলাগুলো থেকে প্রকাশিত যে পরিমাণ আলোকপ্রাপ্ত লিটল ম্যাগ বেরোয়, যে পরিমাণ বইমেলা এবং সাহিত্য উৎসব, নাট্যমেলা, সম্মেলন ইত্যাদি হয়, সেই সব ধরলে জেলা বা মফস্বল মানে এঁদো ব্যাপার, এইটে অতি সরলীকরণ হয়ে যাবে।

    জেইউ তে কতজন মফস্বলী জনতা পরীক্ষায় বসে সেই তথ্য পাওয়া গেলে কিচু হত।

    যদ্দুর জানি এই সব পরীক্ষার আগে ওই চত্ত্বরে দেদার নোটস কোচিন চলে। যেমন অনেকটা জয়েন্টের পরে আর্কিটেকচার এর জনতা কোচিং করে টুপাইস কামাত।
  • h | ১০ জুলাই ২০১৮ ২০:০৭396653
  • একেবারেই তর্ক করার জন্য তর্ক করছ। খুব ই পুত্রি কোয়ালিটি আরগুমেন্ট।
    কেউ একটা কোথাও কমেন্ট করেছে, পাই সম্ভবত দিল, বলেছে যে সাইথিয়ার লোক পোস্ট কলোনিয়ালিজম কিছু জানে না উত্তর দেবে কি করে। এই প্রসঙ্গ আলোচনা সময়ে তুমি জানতে চাইলে কম্পারেটিভ লিটেরেচার এর রুরাল পেনিট্রেশন কি, এই বিচিত্র প্রশ্নের প্রেক্ষিতে আমি যে গুলো বলেছি, মোটামুটি এই,
    - যদি ধরে নেওয়া হয় অর্থ নৈতিক ভাবে অনগ্রসর লোকের শ্রেণীর লোক পড়তে আসবে ইউটিলিটারিয়ান অবস্থান থেকে, মানে প্রশ্ন টা এবঙ্গ সাইথিয়া কমেন্টের মধ্যে এই অ্যাজাম্পশন রয়েছে, তাহলে চাকরি র প্রসঙ্গ আসবেই। আমি বলেছি দর্শন বা ইঙ্গ্রেজি ও বাঙ্গলা ভাষা সাহিত্যের যে জেনেরাল স্বীকৃতি রয়েছে উচ্চ শিক্ষিতের চাকুরির জগতে সেটা কম্পারেটিভ কে দেওয়া হয় নি এটা থেকে বোঝা যায় বাধা টা প্রবেশিকায় নয়, বিষয়ে স্বীকৃতি তে। অথচ এর কোন গ্রহণযোগ্য কারন নেই। এই স্বীকৃতি থাকলেই প্রচুর চাকরি করা প্রয়োজন যাদের তারা জেলা থেকে পড়তে আসতেন। রি প্রসঙ্গেই চাকরি র কথা আসছে

    - এর পরে এলিটিজম প্রসঙ্গ। এটা ন্যাকা অবস্থান, এই প্রসঙ্গে। প্রথমত ধরে নেওয়া হচ্ছে সাইন্স এবঙ্গ টেকে এলিটিজম নেই, এবঙ্গ জা জিনিসপত্র বানানো কাজে লাগে না তা সব ই শখের পড়াশুনা। আরেকটা অ্যাজাম্পশন আরো মারাত্মক, সেটা হল গ্রামের লোকের আধুনিক সেকুলার তত্ত্ব চর্চায় আগ্রহ নেই, তাদের জন্য সামাজিক লব্ধ গ্যান ই যথেষ্ট, এক্ষেত্রে কোন অবস্থান বেশি এলিটিস্ট সেটা সহজেই অনুমেয়
    - ঘটনা যেটা সেটা হল স্কুলের শিক্ষা আর ইউনি র শিক্ষার মধ্যে যে গ্যাপ সেটা প্রবেশিকা দিয়ে ম্যানেজ করা হচ্ছে, সবাই এক ই পদ্ধতি গ্রহন করছেন না সেখানেই ইসু টা স্বাধিকার এর।
    অতএব রসিকতা টা কম করলে ভালো হয়ে। এটা স্ট্রেট দখলের খেলা খেলছে কর্তৃপক্ষ।
  • Ekak | ১০ জুলাই ২০১৮ ১৯:৩০396652
  • চাকরির প্রশ্নো আসেই নি। রুরাল এর লোকজন তাদের এইচ এস ওবধি বিদ্যে দিয়ে গ্র্যাড এর এডমিশন ক্র্যাক কর্তে পার্ছে কি না এটা প্রশ্নো। ইনডাস্ট্রি ফিন্ডাস্ট্রি এখানে আস্ছেই না।

    একটা এডমিশনে প্রশ্ন আস্চে হাইকু নিয়ে শর্ট নোট্স লেখো। তো গ্রামের ছেলেটিকে ভর্তি নিয়ে তার্পর হাইকু পড়ালে সে কি বুঝবে না ? ভর্তির আগেই এই ফিল্টার টা কার স্বার্থে জরুরি ? চাকরি ফাকরি এখানে কোথায়, যদিও জারা পড়ে তাদের মধ্যে ভালো স্টুডেন্ট রা রিসর্চে যায়। বাকি রাও পোরে থাকে না। তবুও চাকরি টা এখানে অবান্তর টেনে আনা তাই বাদ রাখা হোলো।
  • pi | ১০ জুলাই ২০১৮ ১৯:২৮396651
  • আডমিশন টেস্ট হবে শুনলাম।
  • sswarnendu | ১০ জুলাই ২০১৮ ১৯:০৪396650
  • এককের ঐ সিম্পল প্রশ্ন আমারও। তাতে তিনো ভাজপা ইত্যাদির কোন প্রাসঙ্গিকতাই খুঁজে পাচ্ছিনা। অটোনমির জন্যে আন্দোলন করছে কিনা সে নিয়ে আমার একটুও মাথাব্যাথা নেই, যা জন্যেই করুক বেশ করছে, জিতবে হারবে কি হবে না হবে সেও দেখা যাবে। তার সাথে এই প্রশ্নটার কি?
  • sm | ১০ জুলাই ২০১৮ ১৮:৫৩396649
  • অনেকে মর্কট লেখে না, হুলো পার্থ লিখে দেয় অনায়াসে।
  • h | ১০ জুলাই ২০১৮ ১৮:৩৮396648
  • বিশ্বভারতীর বেলায় একটা কথা বলা হয় নি, কৃষি বিজ্ঞান বিভাগ আর কলাভবনে অবশ্য বরাবর ই সম্পূর্ণ প্রবেশিকার ভিত্তিতে ভর্তির ব্যবস্থা ছিল। তাতে কারো কোন অসুবিধে হয়েছে বলে শোনা যায় নি। এখন কি আছে জানি না। গত তিরিশ বছর যাবত প্রতিষ্ঠানের খবর বিশেষ রাখি না।
  • h | ১০ জুলাই ২০১৮ ১৮:৩৬396647
  • কমপেরাটিভ লিটারেচার জিনিসটা ডিসিপ্লিন এর স্বীকৃতির প্রশ্নে, চাকুরির ক্ষেত্রে, এখনো আটকে। বিশ্বভারতী তে একটা সময়ে কম্পারেটিভ রিলিজিয়ন শুরু করা হয়েছিল, মুজতবা আলি পড়াতেন। এখন ছাত্র পাওয়া যায় না, চাকরি র জন্য কাঁচামাল সাপ্লাই করা ছাড়াও মানুষের লেখা পড়ার বিশেষত উচ্চ শিক্ষা কেন্দ্রের কিছু প্রয়োজন আছে, এটা মনে করতেন এই দুটো বিষয়ের গবেষণা কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতারা। দর্শন এবং সাহিত্যের শিক্ষকতার পরীক্ষায় এই দুটি বিষয় স্বীকৃত হলেই বেশি লোক পড়বে। না হবার কিসু নেই ও।
  • h | ১০ জুলাই ২০১৮ ১৮:৩২396646
  • কারো মনে আছে কিনা জানি না, এস এফ আই অফ অল পিপল, সত্তরের দশকে যাদবপুরে, অ্যাডমিশন টেস্টের সপক্ষে আন্দোলন করেছিল, আমরা বিশ্বভারতীতে, এই আন্দোলন দাঁড় করাতে পারি নি, ছাত্র পরিষদ স্থানীয় বিশ্বভারতীর নিজের দুটি স্কুলের ছাত্র ছাত্রী দের আনডারগ্র্যাজুয়েটে প্রায় বাধাহীন অ্যাডমিসনের নীতি কে সমর্থন করে, এবং আমরা এই জনপ্রিয় নীতির সামনে পরাজিত হই। এখনো ব্যক্তিগত ধারণা, ন্যুনতমা মানের যে সমস্যা, সেটা প্রবেশিকা পরীক্ষাতেই কিছু টা অ্যাড্রেস করা সম্ভব। অবশ্য বীরভুমের বেকারিত্ত্ব ভয়াবহ, তাই সহজে উচ্চশিক্ষা র দাবী বেশি। এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ই অনেকাংশে বড় এমপ্লয়ার, এই সমস্যা ওখানে অনেকটা জটিল। এবং এই আলোচনার স্কোপের বাইরে।

    আমি যেটা কিছুতেই বুজছি না, সেটা হল, ভিসি কি এমন চাপ অনুভব করলেন, যে এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য বোধ করলেন, করেই দু দিন পরে আরো বিচিত্র স্টেটমেন্ট দিলেন।
  • Ekak | ১০ জুলাই ২০১৮ ১৭:৫৫396645
  • আমি তো খুব সাধারন কথা জিগ্যেস করলুম জে, এই যে কমপারেটিভ আদি স্পেশাল হিউম্যানিটিস এগুলো তে রুরাল অন্চলের ছেলে মেয়ে রা কেমন অাছে।

    যথেস্ট পরিমানে থাকলে কোনো অসুবিধে নেই, না থাকলে কেনো নেই ? তারা ছাগল বলে নাকি পড়াশোনার বাইরেও কিচু শহুরে আলোকপ্রাপ্তি সেখানে টেস্ট উতরোতে লাগে বলে।

    সিমপল প্রশ্নো। ডাক্তারি -ইন্জিনি তো গেয়ো মালে ভর্তি, এইগুলোতে নয় কেনো ?? ঃ)
  • h | ১০ জুলাই ২০১৮ ১৭:৪৯396644
  • সকালে প্যাঁক খেলাম এস এম এর কাছে, শান্তিনিকেতনের ছাত্র বলে। কয়েকটা কথা বলি।

    শান্তিনিকেতন এর বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় এর ছাত্র দের ন্যুনতম মান, অনেক বিভাগেই, সত্যি ই আরো ভালো হলে আরো ভালো হত। কিন্তু কয়েকটা ফ্যাক্ট এইঃ

    - বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের কতগুলো ঝাড় আছে, তার রোল টা, সংগ্রহশালা হবার, না শিক্ষাদানের একটা বিশেষ পদ্ধতির ধারক হয়ে থাকার, না সফল আধুনিক উচ্চ শিক্ষা কেন্দ্র হবার, না স্কুল চালানোর, না জেলার একমাত্র কেন্দ্রীয় সরকারী এমপ্লয়ার হবার এটা আপাতত পরিষ্কার না, এবার আবার মোদিজি গিয়ে বলে এসেছেন, তাকে ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি হিসেবেও কাজ করতে হবে। ইত্যাদি।
    -- ছাত্র ছাত্রীদের ন্যুনতম মান আরো ভালো হলে আরো ভালো হত, মানে এই নয়, সেখানে কিসু লেখা পড়া হয় নি। আমি এটা বলতে পারি, পদার্থ বিদ্যা বিভাগে আমার আগে পরের, মানে লেট এইটিজ, আর্লি নাইন্টিজ এর মধ্যে, চার পাঁচ টা ব্যাচ ধরলে, সাফল্যের নিরিখে, স্কুল/কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয়/বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়/ ইন্স্টিটিউট এর গবেষক অধ্যাপক শিক্ষক সাপ্লাই তো বটেই, সাকসেসফুল এন্টারপ্রিনিয়োর, দেশে ও বিদেশে, বড় আজকাল কার প্রাইভেট সেকটরের উপরের দিকে পৌছানোর গল্প কিসু কম না। আরো বেশি হলে আরো ভালো হত, তবে সকলেই শুধু স্থানীয় প্রোমোটার হন নি। আমরা সাধারণ ছাত্র রাও করে খাচ্ছি।
    কলাভবন, ইংরেজি বিভাগ, ইকোনোমিক্স, অংক, রসায়ন, প্রাণীবিদ্যা, উদ্ভিত বিদ্যা কৃষিবিদ্যা ধরলে বিষয়টা একই চিত্র থাকবে। ইন্ডিভিজুয়াল অ্যাচিভমেন্ত কিছু কম না। বিভাগ গুলি নিজেরাই উচ্চ মানের গবেষণার কেন্দ্র সব সময়ে হয়ে উঠতে পারে নি, কিন্তু হরে দরে খুব আলাদা হবে না,।
    যেটা মূল পার্থক্য যাদবপুর বা কলকাতার এগিয়ে থাকা ইন্স্টিটিউট এর সঙ্গে, সেটা হল, স্টেট এর ক্রিটিক এর চর্চা তেমন সেখানে হয় নি। হলেও অল্প হয়েছে। তাও খুব খারাপ হয় নি।
    আমি প্রবন্ধ লিখতে গিয়ে দেখেছি, শান্তিনিকেতনের মেমোয়ার এর একটা মজার দিক আছে, অনুষ্ঠান/রবীন্দ্রসান্নিধ্য/একটা খোল মেলা জীবনশৈলী, ইত্যাদির কথা পাচ্ছি, একটা স্বর্ণযুগের ধারণা পাচ্ছি, ৭০ দশকের শুরু অব্দি, এবং এটা প্রায় ১৯২০ এর দশক থী, প্রাতিষ্ঠানিকতার, চর্চার আনুষ্ঠানিকতার বিরুদ্ধে মতামত প্রধাণত আসছে, ৭০ এর দশকের শুরু র দিক থেকে, ৯০ জ এর পর থেকে আর পাঁচটা আর্বান সেন্টার এর মতই হয়ে উঠছে, নগরায়ন হচ্ছে প্রচুর।
    তো এই মোটামুটি সংক্ষিপ্ত ইতিহাস, হরে দরে, কলকাতা, ভারতবর্ষের উচ্চশিক্ষা কেন্দ্র গুলির অ্যালুমনি দের যা পারসোনাল অ্যাচিভমেন্ট, আমাদের জীবনে, খুব কম কিসু না, খুব স্বাভাবিক ভাবেই, গরু ও গো ভক্ত রা সরে দাঁড়ালে ভবিষ্যতে আরো ভালৈ হবে।
    কিন্তু এটা খুব স্বাভাবিক ভাবেই, এলাকার এলিট এডুকেশন এবং প্রাথমিক শিক্ষার ডিসকানেক্ট মেটায় নি, কিন্তু সেটা কোথায় মিটেছে, জানতে পারলে ভালো হত।
  • baa`Maal | ১০ জুলাই ২০১৮ ১৭:৪০396643
  • আর একটা গোদা ভুলও ঠিক করে দিই, না hকে নয় উনি এসব ভালই জানেন তবে অন্য অনেকের বদহজম আছে, না "উচ্চ শিক্ষায় এলিটিজম" নেই। ওটি দেখালে যে দু পয়সা বেশি পেটা যায় তার সাথে "ঊচ্চশিক্ষা"গুলিয়ে না ফেলাই ভাল। ওর দায় সমাজ ব্যবস্থার তথাকথিত ঊচ্চশিক্ষার সাথে জড়িত যারা তারা নেহাতই চুনোপুঁটি তাদের কাউরে এলিট করার বা না করার ক্ষমতাই নেই। কোন রকম এক্স্ক্লুসিভ ক্লাস তৈরির সামান্যতম বাসনাও তাদের আছে বলে মনে হয়না। তবে কিনা ইন্ফ্রাস্ট্রাকচারের সীমার বাইরে আর যাবেন কি করে অতএব এই বাছাবাছি।
  • baa`Maal | ১০ জুলাই ২০১৮ ১৭:৩২396642
  • শুধু এই প্রশ্নে কেন সব প্রশ্নেই তৃণমূল আর এবিভিপি এক জায়গায়, নেহাত সব সময় মুখে খুলে বলতে একটু নজ্জা নজ্জা করে তাই।
  • h | ১০ জুলাই ২০১৮ ১৭:২৮396641
  • নীচের কমেন্ট, ভুল টই তে চলে গেছে, ওটা ডিলিট করা যদি যেত ভালো হত।

    প্রশ্ন টা অটোনোমি র। সায়েন্স এর পোষায় না প্রবেশিকা করার করে না, ইঁজিনীয়ারিং এর জয়েন্ট দিয়ে ভরতি হচ্ছে, আর্টস এর কয়েকটা প্রবেশিকা পরীক্ষা করে, করে। যার বোর্ড অফ স্টাডিজ যা সিদ্ধান্ত নিয়েছে করছে। ইউনিফর্মিটির লজিক টা তো সরকারের পক্ষ থেকে আসছে।

    ক্যাট, জয়েন্ট, নেট, এগুলো তো প্রবেশিকা পরীক্ষা, এগুলো তুলে দেওআর কথা বলছে না কেন কেউ পরিষ্কার না, কারণ মোটামুটি আন্দাজ যা করা যাচ্ছে, সেটা হল, হিউম্যানিটিজ আন্ডার গ্র্যাজুয়েটে, এর স্পেশালাইজেশন এর দরকার নেই, তার জন্য ডেডিকেটেড রিসার্চের বিভাগের আবার স্বাধিকার কি, তার আবার স্ট্যান্ডার্ডের কি দরকার, ইত্যাদি মনে করা হচ্ছে বলে।

    কম্পারেটিভ এর রুরাল পেনিট্রেশন ইত্যাদি বোকা বোকা কথা হচ্ছিল সকালে। কম্পারেটিভ লিটারেচার জিনিসটা তৈরি ই হয়েছে, যাদের আগ্রহ আছে তারা পড়বে বলে, এই সাবজেক্ট এর ছেলে মেয়েরা অন্তত আর্লি নাইন্টিজ অব্দি স্কুল সারভিস কলেজ সার্ভিস কিছু ই দিতে পারতো না, নানা প্রদেশ/দেশের সাহিত্য শখ করে পড়ার অপরাধে তাদের সেই অধিকার দেওয়া হয় নি, কারণ আর কিছুই না, নলেজ বা ডিসিপ্লিন এর যে ক্যাটিগোরাইজেশন সেটা অকারণে প্রচন্ড কনজারভেটিভ।

    উচ্চ শিক্ষায় এলিটিজম আছে, সাবজেক্ট ক্যাটেগোরাইজেশন এর নানা ধরণের সমস্যা আছে, ইনটার ডিসিপ্লিনারি গবেষণা করা বেশ কঠিন, ফানডিং ই পাওয়া যায় না অনেক ক্ষেত্রে, উচ্চ শিক্ষায় সেন্টার অফ একসেলেন্স এর সংখ্যা আরো বাড়া উচিত, না এক জায়গাতেই আরো বেশি ইনভেস্টমেন্ট দরকার কিনা, নাকি এই বিষয় দুটো আদৌ কনফ্লিক্টিং কিনা, এসব বিষয়ে তর্ক থাকতে পারে, কিন্তু তাই বলে দিনের আলোয় এক ভিসি, পাতি সরকার কে খুশি করার জন্য হঠাৎ নিয়ম বদল করবেন, হিউম্যানিটিজ থেকে যেহেতু ক্রিটিকাল আলোচনা উঠে আসছে, কাজেই তাকে একটুঅ শিক্ষা দান করা হবে, এ ছাগলামো র সময়ে কোন আলোচনা কখন দরকার, তার পারম্পর্য্য আর কান্ড জ্ঞান থাকা দরকার আছে।

    এই প্রশ্নে যে তৃণমূল এবং এবিভিপি ভীষণ এক জায়গয় এটা বেশ মজার। তাদের ঐক্যের মূল কারণ তারা ইউনিভার্সিটির স্বাধিকারে বিশ্বাস করে না। উপাচার্যর নামে কাল একটা খবর বেরিয়েছিল, তিনি বলছেন তিনি স্বাধিকারে বিশ্বাস করেন, এবং পদত্যাগ করার ইঙ্গিত দিচ্ছেন। আজ কেসরীনাথ বলছেন, তিনি ভিসি কেই ক্ষমতা দিয়েছেন। তো এই নাটকে, বদলটা কার চাই বুঝতে অসুবিধে থাকার কথা না। যত আজে বাজে আলোচনায় দেশের অনেক সময় যাচ্ছে।
  • modi | ১০ জুলাই ২০১৮ ১৭:১১396640
  • আহা, শুধু উপাদান থাকলেই তো আর রিয়্যাকশন হবে না, অনুঘটক চাই। পার্থ আর মনোজিৎ হল অনুঘটক। ঃ-)

    কিন্তু সিরিয়াসলি, কিভাবে অ্যাডমিশন হবে সেটা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধিকারের প্রশ্ন। সেখানে এভাবে ক্রূডলি হাত দেওয়াটা খুবই কুৎসিত। সরকার চাইলে অনেক ট্যাক্টফুলি কাজটা করার চেষ্টা করতে পারে। অনিলবাবুর নাম বিখ্যাত হয়ে আছে, কিন্তু উনি অন্ততঃ ট্যাক্টফুল ছিলেন।

    আর একটা কথা, বর্তমানে যারা আছেন তাদের তো টাকা-পয়সার ব্যাপারে সুনাম নেই। প্রকাশ্য ভিডিওতে ঘুষ খাওয়া এবং তার পরেও ক্ষমতায় থেকে যাওয়া, এই দিন পশ্চিমবঙ্গে দেখতে হবে তা বহু ভদ্রলোকই কখনো ভাবেন নি। সেই সিপিআই বিধায়কের কথা মনে আসছে। শঙ্কুদেব দশ হাজার টাকা জোর করে হাতে গুঁজে দেবার ফলশ্রুতিতে যাকে বহিস্কৃত হতে হয়েছিল। বর্তমান শাসকেরা যখন কিছু নিয়ে ঝোলাঝুলি করেন তখন লোকের সন্দেহ হয়, টাকাটা কোথায় খাবে।
  • sswarnendu | ১০ জুলাই ২০১৮ ১৬:৩৬396639
  • যাদবপুর সায়েন্সে প্রবেশিকা নেই তো, তোলা তুলে ভর্তি হয় নাকি?
  • বাঙাল | ১০ জুলাই ২০১৮ ১৬:৩০396638
  • ইভ্যালুয়েশন পলিসি আছে? সেরকম অ্যালগরিদমিক ইভ্যালুয়েশন পলিসি থাকা সম্ভব? তাদের বাদ দিয়ে শুধু প্রশ্ন দেখে কিছু বোঝা সম্ভব?

    প্রবেশিকা তুলে একদিনেই তোলাবাজি শুরু যদি নাও হয় সেই লক্ষ্যে যাত্রাতো বটেই।
  • T | ১০ জুলাই ২০১৮ ১৬:১৫396637
  • খবরের কাগজে সাথীদের দুহাতে মুনাফা লুটতে দেখে মাথার ঠিক রাকতে পাচ্ছে না। আহা।
  • গজেশ্বর গাড়ুই | ১০ জুলাই ২০১৮ ১৬:১৩396636
  • প্রসঙ্গটা অনেক বেশি স্বাধিকারের। এনিওয়ে...
  • sswarnendu | ১০ জুলাই ২০১৮ ১৬:০৮396635
  • সাধারণভাবে প্রবেশিকা পরীক্ষা নিয়েই আলোচনা করতে গেলে সে অন্য আলোচনা, সে নিয়ে আমার ডেফিনিট পজিশন কিছু নেই। দুদিকেই নানান যুক্তি আছে, সে নিয়েই আগে পাই এর সাথে একবার আলোচনা হয়েছিল, তাই পাই আমার এ নিয়ে মত নিয়ে লিখেছে আগে।

    কিন্তু যাদবপুর একদম ডিফারেন্ট বল গেম। বাড়াবাড়িটা এমন পর্যায়ে যা বস্তুত ডিস্ক্রিমিনেটরি। প্রশ্ন না দেখলে বোঝা যাবে না ঠিক কেন বলছি।
    এখান থেকে ইংলিশ আর কম্পারেটিভের পুরনো প্রশ্নগুলো ডাউনলোড করে নিন, তারপর এসে বা শর্ট নোট এর বিষয় এগুলো একটু দেখুন।
    http://admissionas.jdvu.ac.in/juarts/jadavpur/qstn.html
  • | ১০ জুলাই ২০১৮ ১৬:০৪396634
  • 'মর্কট'!!
    আপনি কি জেনেরালি এরকম ইতর ভঙ্গীতেই কথাবার্তা বলেন এসেম?
  • গজেশ্বর গাড়ুই | ১০ জুলাই ২০১৮ ১৬:০০396633
  • বাঃ খাসা
    কী ...
  • sm | ১০ জুলাই ২০১৮ ১৫:৫৮396632
  • তাহলে, যদু পুরে সাইন্স এ ভর্তি হতে গেলে মুলো দের টাকা দিতে হয়, মর্কট?
  • গজেশ্বর গাড়ুই | ১০ জুলাই ২০১৮ ১৫:৫১396631
  • জিও সিম থাকলে ফ্রি অ্যাডমিশন। ৩৯৯ টাকার প্ল্যান আপগ্রেড করে ৬৯৯ করলে পিএইচডি ফ্রি।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত