এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • T | ১০ জুলাই ২০১৮ ১৫:১৬396630
  • পরীক্ষা ফরীক্ষা রেখেই বা কী লাভ। সিট যখন এমনিতেই নিলাম হচ্চে। দলবেঁধে আসুন, মুলোদের পয়সা দিন, ডিগ্রী পান।
  • sm | ১০ জুলাই ২০১৮ ১৩:৩৫396629
  • প্রবেশিকা পরীক্ষা না নিলেই বা ক্ষতি কি? অন্তত খরচ কিছু বাঁচে আর অতিরিক্ত জ্ঞান বর্ষণ কারি প্রশ্ন ফেস করার হাত থেকে স্টুডেন্টরা বাঁচে।
  • বাবুরাম সাপুড়ে | ১০ জুলাই ২০১৮ ১৩:২৩396628
  • প্রবেশিকা ব্যাপারটা এলিটিস্ট সন্দেহ নেই। কিন্তু সে যুক্তিতে তো পরীক্ষা ব্যাপারটাই এলিটিস্ট। তাছাড়া পুরুলিয়া কিংবা পশ্চিম মেদিনীপুরের একটা গ্রামের কোন এক ক্ষেতমজুরের প্রথম প্রজন্মের শিক্ষার্থী ছেলে-মেয়ে আর ভবানীপুর কিংবা ঢাকুরিয়া উচ্চপদস্থ চাকুরে বাপ-মা'র ছেলে-মেয়ে'কে এক প্রশ্নপত্র এবং তিনঘণ্টা সময় দিয়ে বিচার করা সম্ভব নাকি?
    কিন্তু যতদিন না একটা ঠিকঠাক বিকল্প মডেল পাওয়া যাচ্ছে এটা ছাড়া উপায়ও নেই। তো এই পরীক্ষার মডেলটা হইহই করে চলছে যখন, তখন একটা বিশ্ববিদ্যালয় আলাদা প্রবেশিকা নিলেই বা অসুবিধে কি?
  • sswarnendu | ১০ জুলাই ২০১৮ ১৩:২১396627
  • ওপরে simple elight টা simple delight হবে।
  • sswarnendu | ১০ জুলাই ২০১৮ ১৩:১৮396626
  • আরও একটু, ওই আলোচনা থেকেই, একটু আগে লিখলাম।

    "The necessity does not register in the urban upper-class mind." ---exactly the point. You can also see it in a defence of this you posted above, claiming that studying English in our country in our time is anyway an exercise in elitism. So basically the content of the defence boils down to this---

    ' It is definitely ( by default, to borrow her own words) OURS. It belongs in our well-furnished ( with a touch of ethnic look) living rooms, not your old, damp houses, let alone your math and pukurpars with so many moshas in it [ Yes, trust me, this is exactly how they talk. Watch a Rituparna film or spend some time in Milanda and you would know 'the simple elight of cha with bnarer gondho' :P ]. So it belongs to US ( once again, by default ) and thus you with your background ( or the lack of it ) can not have any legitimate claim to it. You are destined to be the object of our assignments, where we would write about you and your subaltern self using languages which smells of old, aged fine wine. The notion that you could be a subject is downright obnoxious. '

    To me, this is not just elitism, This is brahminical casteism at its full glory.
  • pi | ১০ জুলাই ২০১৮ ১২:৩৬396625
  • বাঙ্গাল, এই যুক্তিটা ঠিক খাটে কি? যাদবপুরে বহু বিভাগে প্রবেশিকা নেই, তোলাও নেই। পব র বহু কলেজেই তোলা ছিলনা কিন্তু, প্রবেশিকাও না। আর এটা যুক্তি হলে, বাকি জায়গাতেও প্রবেশিকা চালুর দাবি করতে হয়।
  • sswarnendu | ১০ জুলাই ২০১৮ ১২:২৮396624
  • আরে ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ট্র্যান্সে ইঞ্জিনিয়ারিং ফার্স্ট ইয়ারের অঙ্ক দিলেও তবু একরকম, আমাদের উচ্চমাধ্যমিকের পরে সাহিত্যের এন্ট্র্যান্সে পোস্টকলোনিয়ালিজম নিয়ে প্রশ্ন এলে সেইটা বর্ডারলাইন ডিস্ক্রিমিনেটরি। আশা করছি হানুদা যাদবপুর কম্পারেটিভ বা ইংলিশের এন্ট্র্যান্সের প্রশ্ন দেখেনি কখনো, কারণ দেখে এইরকম "ছোট টাউনে ইন্টেলেকচুয়াল কোয়ারি থাকতে পারে না নাকি" যুক্তি দিয়ে এরকম ডাউনরাইট ডিস্ক্রিমিনেশন সমর্থন করছে ভাবতে কষ্ট হয়।

    পাই এখানে আমার বক্তব্যের খানিকটা দিয়েছে, আরও একটু আমি নিজেই দিয়ে যাই। sm লিখলেন, "প্রবেশিকা পরীক্ষায় প্রশ্ন সিলেবাসে যা পড়ানো হয়েছে, সেখান থেকেই করা উচিত। স্ট্রেচিং অফ ইম্যাজিনেশন, মেধা সেখান থেকেও জানা যায়।" --- কিছুটা সেইটার উদাহরণ হিসেবে লেখা গতকাল।

    " এই প্রশ্নগুলোর উত্তর লিখে সুযোগ পেতে প্রবল ক্রিটিকাল থিঙ্কার ইত্যাদি কিসস্যু হতে হয় না, একটা রকম কন্ডিশনিং লাগে, যেটার অস্তিত্ব বস্তুত উচ্চমাধ্যমিক স্তর অবধি পশ্চিমবঙ্গে কোথাও নেই- বাড়িতে বাবা-মা বা কাছের পরিচিত কেউ যাদবপুরে কম্পারেটিভ পড়েছে, সেরকম ছাত্রছাত্রীদের যাদবপুর কম্পারেটিভে চান্স পাওয়ার শতকরা হিসেব পাওয়া যায় কিনা জানিনা, দীর্ঘদিন যাদবপুরে থাকার সুবাদে বলতে পারি সেইটা বেশ বিসদৃশ রকম বেশী। কারণ যে কন্ডিশনিংটা লাগে সেইটা ওইভাবেই পাওয়া সম্ভব মাত্র, পাঠ্যসূচী, পাঠ্যবই এসব এ পাওয়া যায় না, যতই ক্রিটিকালি সেগুলো পড়ে থাকুক না কেন।

    এরকম প্রবল ডিস্ক্রিমিনেটরি না হয়েও নিজের মাথা কাজে লাগিয়ে চিন্তা করতে সক্ষম কিনা বুঝে নেওয়ার প্রশ্ন করাই যায়। একটা উদাহরণ দি, নরেন্দ্রপুরে মাধ্যমিকের পরে হায়ার সেকেন্ডারিতে ভর্তি হতে পরীক্ষা দিতে হত, মাধ্যমিকে র‍্যাঙ্ক না করলে।

    সেই পরীক্ষায় একটা প্রশ্ন এসেছিল --- ফেরাস নাইট্রেটের দ্রবণে অতিরিক্ত গাঢ় সালফিউরিক অ্যাসিড যোগ করলে কি হবে?
    প্রশ্নটা মনে আছে কারণ প্রশ্নটা দেখে আমি পরীক্ষার হলেই আপন মনে মুচকি হেসেছিলাম। ফেরাস নাইট্রেটের দ্রবণে আস্তে আস্তে গাঢ় সালফিউরিক অ্যাসিড যোগ করলে কি হবে এ ওই পরীক্ষার হলে অনেকেই জানত আমি নিশ্চিত, নাইট্রেটের বিখ্যাত রিং টেস্ট, মাধ্যমিক পরীক্ষাতেও তারামার্কা প্রশ্ন :) ফলত ওই হলে একগাদা পরীক্ষার্থী ব্রাউন রিং ফর্মেশন বিস্তারিত ভাবে লিখবে। খুব অল্প জনেরই মাথায় অতিরিক্ত কথাটার ইমপ্লিকেশনটা খটকাবে, আর মনে পড়বে যে সালফিউরিক অ্যাসিড যোগ করতেই থাকলে রিংটা আস্তে আস্তে হাওয়া হয়ে যায়। তাই প্রথমেই অতিরিক্ত দিয়ে দিলে রিংটা আদৌ দেখাই যাবে না। এতে পাঠ্য বিষয়টুকুই আত্মস্থ করতে লাগে অ-যান্ত্রিকভাবে, তার বাইরের কন্ডিশনিং দরকার হয় না।

    এরকম আরও একগাদা উদাহরণ দিতে পারি, কারণ সারাজীবনে বেশ কিছু ভীষণ ভাল প্রবেশিকা পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ ঘটেছে, যাদবপুরের পরীক্ষাগুলো আদৌ সেরকম নয় ( সেইটা আমাকে দিতে হয়নি কখনো, কিন্তু নিজের উৎসাহ ছিল বলে প্রতিবারে কি কি প্রশ্ন এসেছিল জিগ্যেস করতাম। একটা সময় খুব চমকপ্রদও লাগত, সাহিত্য এভাবেই পড়া ও পড়ানো উচিৎ মনে হত। সাহিত্য এভাবেই পড়া ও পড়ানো উচিৎ- সে কথাটা আজও মনে হয়, শুধু ওই প্রশ্নগুলোকে ভাল প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রশ্ন মনে হয় না আর। )"
  • বাঙাল | ১০ জুলাই ২০১৮ ১২:১৩396623
  • বলিহারি আপনাদের, দুপয়সা রোজগারের জন্য প্রবেশিকা তোলা হবে তাই নিয়ে জ্ঞান ফলিয়ে তক্কো চলছে!
  • sm | ১০ জুলাই ২০১৮ ১০:২৯396622
  • প্রবেশিকা পরীক্ষায় প্রশ্ন সিলেবাসে যা পড়ানো হয়েছে, সেখান থেকেই করা উচিত। স্ট্রেচিং অফ ইম্যাজিনেশন, মেধা সেখান থেকেও জানা যায়।
    ইঞ্জিনিয়ারিং প্রবেশিকা পরীক্ষায় জটিল ক্যালকুলাসের অঙ্ক বা এলজেব্রার অঙ্ক দেওয়াই যায়। জ্ঞান পরীক্ষা করার জন্য ইঞ্জিনি়ারিংয়ের ফার্স্ট ইয়ার এর টিমশেনকো এর বই থেকে মেকানিক্স এর অঙ্ক দেওয়ার দরকার নেই।
    ডাক্তারি প্রবেশিকা পরীক্ষার জন্য ও ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স এর ওপর কোশ্চেন দেবার দরকার পড়ে না।
    সাহিত্য এর ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।কেমিস্ট্রির ক্ষেত্রেও তাই।
    কিন্তু সব পোস্টেই হানু, দলিত এর প্রসঙ্গ আনে কেন?
    বক্তব্য জোরালো হয়?নাকি হোলিয়ার দ্যান এপ্রোচ?
  • pi | ১০ জুলাই ২০১৮ ১০:২৮396621
  • স্বর্ণেন্দু দেখলাম এটা লিখেছে কাল।

    'যাদবপুরের প্রবেশিকা পরীক্ষা নিয়ে এইটা লিখলে একটু মুশকিলেরই সেইটা। সাধারণভাবে তুমি যা লিখলে তাতে একমতই। কিন্তু তুমি আর্টসের প্রশ্ন দেখেছ কি? তাতে সাংস্কৃতিক পুঁজির বেশ বড়সড় সুবিধে আছে এই অভিযোগ একটুও মিথ্যে নয়। আর এই প্রশ্নে পরীক্ষা দিয়ে আসছে মানেই সম্ভাব্য ক্রিটিকাল থিঙ্কার এ মেনে নিতেও আমার বেশ আপত্তি আছে।

    এইটা আদৌ কাউকে কাউকে সুযোগ দেওয়া নয়। একটা অত্যন্ত ছোট্ট অংশের মৌরসীপাট্টা করে রাখা, বাকি বিশাল অংশকে বঞ্চিত করে। এইটা ইংলিশ বা কম্পারেটিভের কোর্সে পরীক্ষার প্রশ্ন হলে আমার একটুও আপত্তি নেই, প্রবেশিকা প্রশ্ন হওয়ায় খুবই আপত্তি আছে। কারণ এতে বহু ছাত্রছাত্রী কি লিখতে হবে কিভাবে লিখতে হবে কোন ধারণাই থাকবে না, তাঁদের কোন দোষ ছাড়াই। সেটাকেই সিস্টেমিক ইনইক্যুয়ালিটি বলে, এমনকি ডিস্ক্রিমিনেশনও বলে। বস্তুত বেশিরভাগ প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রশ্নই খানিকটা সুবিধেভোগী অংশের সুবিধে করে দিতে বাধ্য, সেইটুকু নিয়ে আমার আপত্তির কিছু নেই বিশেষ। কিন্তু যাদবপুর আর্টসের অন্তত কম্পারেটিভ বা ইংলিশের প্রশ্ন নিছক সামান্য এলিটিস্ট নয়, বর্ডারলাইন ডিস্ক্রিমিনেটরি।
  • একক | ১০ জুলাই ২০১৮ ১০:০৫396620
  • অঃ তাই বলুন, টেকনোলজির ধ্যামনামী টা আর্ট এও করতে দিতে হবে, এইত ? এহে এত প্রথম এ বললেই হয়ে যেত :))

    ন্যান, দেওয়া হলো। এবার শান্ত হন। উত্তর পেয়ে গেছি। রেস্ট মাই কেস।
  • একক | ১০ জুলাই ২০১৮ ১০:০৪396619
  • ধুর গোল গোল কথা। আরে মশাই আমি নিজেই ডিমক্রাসী না মেরিতক্রাসী তে বিশ্বাসী। আমি বোকাদের নিয়ে খিল্লি করি ও মফো দের খোঁচাই। কাজেই এক্সেলেন্স এর ভালো দিক নিয়ে আমাকে হেজিয়ে লাভ নেই। আপনেরা ইকুয়ালিটি ফিকুয়ালিতি দলিত ফলিত কতকিছু আওরান রাদ্দিন অথচ কার্যক্ষেত্রে একটা ডিফারেন্স কে প্রমোট করছেন এবং সেটা নিয়ে সরাসরি উত্তর না দিয়ে গোল গোল ঘুরছেন :)

    কম্পারেটিভ এ কিছু হয়না এরকম আদৌ বলেছি নাকি ? :) বুদ্ধবোস টা কমন মজা। বক্তব্য ছিল যে ওই ডিফারেন্স টা একটা আরবান ছেলেমেয়ে তার চারপাশ থেকে পুষিয়ে নিতে পারে, রুরাল পারেনা। তাহলে কেন এডুকেশন সিস্টেমে সেই ইনক্লুশন থাকবেনা যাতে রুরাল কে ডিফারেন্স এর জন্যে ভুগতে না হয় ??

    এর মধ্যে কম্পারেটিভ কত ভালো সেই খঞ্জনি বাজানোর কী মানে ? :)) পয়েনট এ আসুন।
  • h | ১০ জুলাই ২০১৮ ১০:০৩396618
  • প্রশ্ন পত্র সামনে রেখে স্যামপ্লিঙ্গ করে তার পরে থিয়োরাইজ করো। আর টিউটোরিয়াল এ না পর্থে আগে সাধারণ সাইথিয়া রা জয়েন্ট আই আইটি পাক তার পরে কথা বলো। স্পেশালাইজেশন সুদু টেকনোক্রাসি তে হবে, ঢ্যামনামোর একটা লিমিট আছে, স্পেশালাইজেশনের বিরুদ্ধে জেনেরাল বক্তব্য আছে ? বাজে এড়ে তর্ক
  • h | ১০ জুলাই ২০১৮ ০৯:৫৮396617
  • এটা পরিষ্কার করে জেনে রাখো, বাঙ্গলা ডিপারটমেন্ট গুলো যখন বাঙ্গালি উচ্চবর্ণ জাতীয়তাবাদের (অন্য রাজ্যের ক্ষেত্রে এটা স্থানীয় রম্জনের তি অনুযায়ী বদলে যায়), নিগড় থেকে বেরোতে পারছিল না, এটা আনফরচুনেট ট্রুথ, কম্পারেটিভ এবঙ্গ ইঙ্গ্রেজি র ডিসিপ্লিন এ প্রচুর নতুন ক্রিটিকাল অ্যানালিসিস এর, স্কোপ মডার্নাইজেশনের কাজ হয়, যেমন ধর দলিত সাহিত্য চর্চা বা ভারতীয় ভাষা চর্চা র সেকুলার ইনকোয়ারির এরাই শুরু করেছে, ভাষা চর্চা যে সৌন্দর্য্যের রূপ কি এই মান্ধাতা র আমলের সিলেবাস থেকে বেরোতে পেরেছে সেটা এদের প্রেসার
  • একক | ১০ জুলাই ২০১৮ ০৯:৫৬396616
  • আহা ৬ ইঞ্চি কেন হবা :) কিন্তু এতে আজব এর ও কিছু নেই।

    আপনি কোর্স এ যা ডিরেক্টলি পড়াচ্ছেন না তা যদি এডমিশন টেস্ট এ রাখেন তার মানেই একটা দেয়াল তুলছেন যার মধ্যে দিয়ে বিশেষ ব্যাকগ্রাউন্ড ও অর্থনীতির জনতাই শুধু আস্তে পারে। এই কারণেই সমস্ত কম্পিটিটিভ পরীক্ষাকে ঘিরে বিশাল এন্ট্রান্স এক্সামের বাজার তৈরী হয়েছে। সেইটা তৈরী করা কি উদ্দেশ্য ?

    ফিলোসোফিকাল কোয়ারির প্রশ্ন এখানে আসেনা, সে তার আগের যা পড়াশোনার পরিধি প্রোভাইড করা হয়েছে তাই দিয়ে জানবে -জানানো হবে তবে তো কোয়ারি, এ কি ডিম্ ফুটেই কোয়ারি হয় নাকি :) আমার যাদবপ্পুর নিয়ে কোনো বক্তব্য নেই আলাদা করে, কিন্তু কোর্স এর বাইরে এক্সট্রা নলেজ রিকোয়ার করে এরকম এডমিশন সিস্টেম নিয়ে আছে, যে অন দ্য লং রান সেই গ্যাপ টা কেন মূলধারার পড়াশোনা দিয়ে ফীল আপ করা যাচ্ছে না, কেন দিনের পর দিন এন্ট্রান্স এক্সাম রিলেটেড কালচারের জন্ম দিয়ে চলেছে। একদম টু দি পয়েন্ট আলোচনা পেলে ভালো হয়। এখন একটি মস্লোন্দপুরের ছেলেমেয়েকে আইআইটি তে পেতে কোটা কোচিং সেন্টারে গিয়ে রগ্রাতে হয়, হিউম্যানিটিজ এও সেইরকম কালচার হলে কি টাকেই আমরা এক্সেলেন্স বলব ?? আর যদি সত্যি সেরকম কিছু না হয় ( মানে যেরকম সবাই চারপাশে হাত উল্টে বলছেন যে আহা ও আর এমন কী এক্সাম অত একটু বুদ্ধির ভেতর টুকি দিয়ে দেখে ) তাহলে ওরকম নাম কা ওয়াস্তে রাখা কেন ?

    জেনেরাল কোয়ারি।
  • h | ১০ জুলাই ২০১৮ ০৯:৪৮396615
  • এই আক্রমণ টা যে সরাসরি লিবেরাল ক্রিটিকাল কোয়ারির উপরে আক্রমণ, এটা এই সরল গোলগাল অবস্থান থেকে পরিষ্কার।
  • h | ১০ জুলাই ২০১৮ ০৯:৪৪396614
  • সাবজেক্টের আবার পেনিট্রেশন কি এটা কি ছ ইণ্চি নাকি, ইউনি তে যা পড়ানো হয় তাই নিয়ে কি লোক সঙ্গীত হবে? আজব প্রশ্ন।
  • | ১০ জুলাই ২০১৮ ০৯:৪২396612
  • যাদবপুরে ছাত্রদের এত রাজনীতি যা নিয়ে এত্ত রোলারুলি আছড়ে পড়ে কান্না চলছে সেই যদবপুরে তো টাকা ঘুষ দিতে হয় নি এতকাল। তবে হুলোপার্থ যেভাবে মুন্ডু ঢোকাচ্ছে তাতে এরপরে যাদবপুরেও ঘুষ এবং ঘুষ দিতে না পেরে আত্মহত্যা দেখব আমরা।
  • h | ১০ জুলাই ২০১৮ ০৯:৪২396613
  • এই ছোটো জেলস টাউন মানেই আহা কি সারল্য, আমাদের সমাজতত্ত্ব দরকার কি আমাদের তো সুদু সমাজ হলেই চলবে এই পজিশন টা বেসিকালি চিন্তাশীলতার, মননচর্চার বিরুদ্ধে নেওয়া পজিশন, ডেলিবারেট, সাইথিয়ার লোক যখন আইনাই টি ত্র পড়তে যায় তাকে কি তালগাছ এক পায়ে দাড়িয়ে মুখ অস্থ লিখতে বলা হয় নাকি স্টেশনের লোকেরা সকলে অ্যাডমিসন টেস্টে ভালো কারবে, স্ট্রেট দু নম্বরী, ছোটো টাউনের লোকেদের যেন ফিলোসোফিকাল, ইনটেলেকচুয়াল কোয়ারি থাকতে পারে না
  • Ekak | ১০ জুলাই ২০১৮ ০৯:৩৯396611
  • একটা ছোট প্রশ্ন, এই বুদ্ধবসু মার্কা সাবজেক্ট গুলো তে রুরাল পেনিট্রেশন কি ? থাক্তেই পারে, জানি না, জাস্ট আস্কিঙ্গ।
  • Tim | ১০ জুলাই ২০১৮ ০৯:৩৮396610
  • চক্ষুলজ্জা যে নেই সেতো জানাই। গণতন্ত্র আছে কিনা শিওর না। যাগ্গে।
  • h | ১০ জুলাই ২০১৮ ০৯:৩২396609
  • নিত মানে কি, বাবার টাকা নাকি? সম্পূর্ণ দু নম্বরী, ফার্সিকাল সাইফনিঙ্গ করছে, সেটাকে ভবিতব্য বলার কি অর্থ ? গণতন্ত্র এবঙ্গ সভ্যতা ইন জেনেরাল ইজ অ্যাবাউট চক্ষুলজ্জা এবঙ্গ অ্যাকাউন্টেবিলিটি।
  • Tim | ১০ জুলাই ২০১৮ ০৯:২৪396608
  • আরে একটা লোকের ব্যক্তিগত জিনিশ। আমার জুতো মোছার কাপড়টা যদি কাল এমিনেন্স পায় তাহলে কি তুমি সন্দেহ করে তাকে ঢ্যামনামো বলবে? হ্যাঁ পয়সাটা ব্যক্তিগত না, তা সে যেভাবেই হোক নিতোই, সুযোগের অপেক্ষায় ছিলো।
  • pi | ১০ জুলাই ২০১৮ ০৯:২২396605
  • এদিকে একটা পোস্ট পড়লাম গ্রুপে।

    'জেইউ তে দেখলাম কম্পারেটিভে প্রবেশিকায় প্রশ্ন আসে পোস্ট কলোনিয়ালিজম নিয়ে।এইচএস পড়ার সময় আমি,আমার বাবা মা,সাঁিথিয়া স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকারা তাদের বাবা মা,স্টেশনের ভিখিরি হকার,তাদের বাবা মা ইত্যাদি কেউই শব্দটা জিন্দেগিতে শোনেনি।' (Alu Posto)

    কম্প লিটের কথা জানি না, কিন্তু দেখলাম JU English Dept. বলছে যে ওরা শুধু দেখে উত্তরপত্রে ক্যান্ডিডেট-টি প্রশ্নটাকে কীভাবে এপ্রোচ করেছে — চিন্তা করার সাবলীলতা দেখতে পেরেছে কিনা। তথ্য-জ্ঞান ওরা বলছে দেখে না আদৌ।

    তার মানে, ক্যান্ডিডেট-টি পোস্টকলোনিয়ালিজম না হয় শোনে নি কিন্তু কলোনিয়ালিজম কথাটা তো শুনেছে। ওরা চাইবে ক্যান্ডিডেট-টি খাতায় লিখুক, "আমি মফস্বলে বা গ্রামে পড়েছি, postcolonialism শব্দটি জানি না, কিন্তু "পোস্ট" কথাটি জানি, colonialism কথাটি জানি, তার থেকে আমার মনে হয় যে এই, এই, এই। ..."
  • Tim | ১০ জুলাই ২০১৮ ০৯:২২396606
  • ডিডিদা কয়েকটা কোবাল্টের খনি কিনে রেখেছেন? কোবাল্ট নিয়ে ভয়ানক আকচাআকচি চলছে। আরো হবে।
  • h | ১০ জুলাই ২০১৮ ০৯:২২396607
  • কে জানে মানে কি, প্রোপোজড ইনস্টিটিউট নিজেরাই বলছে। ঢ্যামনামো গুলো কে আর অন্য নামে না ডাকাই ভালো।
  • Tim | ১০ জুলাই ২০১৮ ০৯:১৯396604
  • মন্ডডোলটা খুব ভালো হয়েছে।

    জিও প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি। কে জানে হয়ত অনেকদিন ধরেই আছে, প্রাইভেটই তো।
  • pi | ১০ জুলাই ২০১৮ ০৯:১৪396603
  • ঃ))
  • h | ১০ জুলাই ২০১৮ ০৯:১৩396602
  • https://indianexpress.com/article/education/proposed-jio-institute-gets-eminence-status-with-iits-and-iisc-5252453/
    নিরাকার ব্রহ্মের উপাসনা জিনিস্টা খারাপ না, এমিনেন্স ফান্ডের এক হাজার কোটি টা অবশ্য সাকার, 'প্রোপোজড' ইনস্টিটিউট পাচ্ছে। যাদপুর উঠে গেলেই ১০০০ কোটি পাকা। ছেলে মেয়েরা বুজছে না।
  • pi | ১০ জুলাই ২০১৮ ০৯:১১396601
  • হ্যাঁ, এই জিও টা পুরো জ্জিও কেস হয়েছে ! রামের জন্মের আগেই রামায়ণ ! এক তো প্রাইভেট ইউনি, তারপর তাকে গুগলকাকুও খুঁজে পাননা ! মানে, খুল্লমখুল্লা এভাবে, জাস্ট ভাবা যায়না মার্কা ব্যাপারগুলো এখন সব চোখের সামনে হয়ে যাচ্ছে !
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত