এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • dc | ০২ জুন ২০১৮ ০৮:৪৮395430
  • পাই ম্যাডামের লেখাটা খুব ভাল্লাগলো। আমি ছোটবেলায় যে বাড়িতে থাকতাম তার ধারে একটা বড়ো পুকুর ছিল, আর গাছগাছালিতে ভর্তি ছিল। সেখানে সারা দুপুর কুবো পাখি ডাকত, আরাও হাজার রকম পাখি দেখা যেত। বর্ষাকালে ব্যাংএর গ্যাঙর গ্যাঙ আর কুবো পাখির কুব কুব এখনও মনে আছে। আর একটা বড়ো পেয়ারা গাছ ছিল, সেটায় ঝাঁকে ঝাঁকে টিয়াপাখি এসে বসতো আর নিজেদের মধ্যে মহা আড্ডা দিতো।
  • T | ০২ জুন ২০১৮ ০৭:৫৩395429
  • লসাগুদা, বহুদিন আগে অ্যাড ইত্যাদির ঝামেলা ছাড়াই আবাপ পড়ার একটা লিংক দিয়েছিলেন না! সেইটে যদি আরেকবার দ্যান। থ্যাংকু।
  • lcm | ০২ জুন ২০১৮ ০৬:৫৬395428
  • বড়েস,
    আচ্ছা, এখন বামপন্থী দেশ কোনটা?
  • lcm | ০২ জুন ২০১৮ ০৬:৫৩395427
  • এসব তো দুপুরবেলায় হয় না, সন্ধের দিকে হবার কথা -- রবীন্দ্র-নজরুল সন্ধ্যা
  • Atoz | ০২ জুন ২০১৮ ০৬:৫০395426
  • এই রবীন্দ্র নজরুল কোস্তাকুস্তি --এইটা কি নতুন ফ্যাশন হয়েছে আজকাল? ফেবুতে গ্রুপে গ্রুপে দেখি এই জিনিস। একদল বলছে নজরুল "আমাদের", রবীন্দ্র "তোমাদের"। সেই নিয়ে চব্বিশ ঘন্টা সার্কাস। ঃ-)
  • S | ০২ জুন ২০১৮ ০৬:২৬395425
  • কাউকে মনে হচ্ছে এম্বিএরা খুব দাগা দিয়েছে। সব পোস্টেই একবার করে এম্বিএ মেনশন করে যাচ্ছে। শিল্পপতিদের লোন ফেরত না দেয়ার থেকে সবকিছুর জন্যই এম্বিএদের গালি দিয়ে যাচ্ছে। প্যারানয়া বোধয় একেই বলে।

    আরেকটা জিনিসও বেশ ভালো লাগে। ক্যাপিটালিজম থেকে সারা জীবনের সবকিছু আসলো, সারাজীবন ক্যাপিটালিজমের পুরো ক্ষীর খেয়ে এখন বাম বাম করছে। যেকোনও সিস্টেমই ততক্ষন ভালো, যতক্ষন আমি তার থেকে লাভবান হচ্ছি। নইলেই আর ভালো লাগছে না এই খেলা খেলতে। যারা ওয়েস্টার্ন ইয়োরোপ বা আম্রিগাকে বামপন্থী দেশ ভাবে (বা ভাবছে যে এই হলো বলে), তাদের জন্য পোচ্চুর সহানুভুতি।
  • Ekak | ০২ জুন ২০১৮ ০৩:০৭395424
  • সুকুমারের এই লেখাটা পড়েই প্রথম জানতেপারি ধনেশের আরেক নাম কুচিলাখাই। কুচিলা বলে রাস্নার ফল কে বোধ হয়।
  • r2h | ০২ জুন ২০১৮ ০১:৩৬395423
  • "এত বড় ঠোঁট তার উপর এমনধারা শিং, এই বিষম বোঝা বয়ে বয়ে পাখিটার মাথাও কি ধরে না? চলতে ফিরতে উড়তে গিয়ে সে কি উলটেও পড়ে না? " - এইজন্যেই কী এত চ্যাঁচামেচি?

    "এক সাহেবের এক পোষা ধনঞ্জয় ছিল— সে আমাদের দেশে নয়, বোর্নিও দ্বীপে। সে দেশে এই পাখি অনেকেই পুষে থাকে। সাহেব বলেন, এমন সর্বনেশে পেটুক জীব আর কোথাও মেলে না। সেই এতটুকু বাচ্চা বয়স থেকেই তাকে খাইয়ে খাইয়েও মানুষে ঠাণ্ডা রাখতে পারত না। এইমাত্র খাইয়ে গেলে, আবার পাঁচ মিনিট পরেই দেখবে হতভাগা ল্যাজের উপর ভর দিয়ে পা মুড়ে বসে বসে প্রকাণ্ড হাঁ করে ক্যাঁচ ক্যাঁচ শব্দে বিকট কান্না লাগিয়েছে। তারপর একটু বয়স হলে তখন তার অত্যাচারে বাড়িতে টেকা দায় হয়ে উঠল। খাবার সময় তার ঠ্যাঙে দড়ি বেঁধে তাকে আটকে রাখতে হত, তা নইলে সে পাতের খাবারে, ভাতের হাঁড়িতে, ব্যঞ্জনের বাটিতে, দুধের কড়ায় যেখানে সেখানে মুখ দিয়ে সকলকে অস্থির করে তুলত। মাছমাংস, ডালভাত, রুটিবিস্‌কুট, ময়দার ডেলা, যা দাও তাতেই সে খুশী, কিন্তু পেট ভরে দেওয়া চাই। পেটটি ভরলেই সে উড়ে গিয়ে গাছের আগায় বিশ্রাম করবে, রোদ পোহাবে আর প্রাণপণে চেঁচিয়ে চেঁচিয়ে নতুন করে সাংঘাতিক খিদে ডেকে আনবে।"

    উফঃ)
  • r2h | ০২ জুন ২০১৮ ০১:৩৩395421
  • হ্যাঁ, ধনেশই তো;

    "এ পাখির ইংরাজি নাম হর্নবিল্‌ (Hornbill) অর্থাৎ শৃঙ্গচঞ্চু কিন্তু তার আসল বাংলা নামটি যে কি, তা আর খুঁজে পেলাম না। লোকে তাকে ধনঞ্জয় বা ধনেশ পাখি বলে কিন্তু অভিধান খুঁজতে গিয়ে দেখি, ও নামে কোন পাখিই নেই। ওর কাছাকাছি একটা আছে, তার নাম ধনচ্চু— 'হাড়গিলার আকার-বিশিষ্ট পক্ষীবিশেষ, করেটু পক্ষী'। 'করেটু' মানে 'কর্করেটু পক্ষী'— 'কর্করটু' মানে 'করটিয়া পক্ষী'। আর 'করটিয়া'র মানে দেখতে গেলে আরও কত নাম বেরুতে পারে, সেই ভয়ে আর দেখা হল না। যা হোক, নাম দিয়ে যদি কেউ চিনতে না পারে, তবে চেহারাটা দেখলে তার পরিচয় পেতে বোধহয় দেরি হবে না— কারণ, এ চেহারা একবার দেখলে আর সহজে ভুলবার যো নেই।"

    http://sukumarray.freehostia.com/view.php?cat_id=5&article_id=258
  • Du | ০২ জুন ২০১৮ ০১:৩৩395422
  • এখন যেন আগেকার লোকের বডি ল্যাংগুয়েজ অভিনেতাদের হাতের বাইরে চলে যচ্চে। কন্কনা একেবারে সেরা অভিনেতাদের একজন কিন্তু তাতেও কাদম্বরী দেবী বড় মডার্ন হয়ে গেছেন। গান শোনা হল না অফিস বলে পরে শুনতে হবে।
  • Du | ০২ জুন ২০১৮ ০১:০৬395420
  • আমরা ওদের ধনেশ পাখি বলে জানতাম।
  • λ - Lambda | ০২ জুন ২০১৮ ০০:৪৬395419
  • ইউটিউব ঘাঁঁটতে ঘাঁঁটতে রশিদ খানের গলায় এইটা পেলাম। সেই থেকে শুনেই যাচ্ছি লুপে
  • কান্তবাবু | ০১ জুন ২০১৮ ২২:৫৯395418
  • নজরুলের কতগুলি রাতের গান আর কতগুলি বর্ষার গান খুব প্রিয়। চোখগেল পড়ে মনে হলো আবার। রাগ রাগিনীর ব্যাপার আছে নিশ্চয় কিছু, সেসব তো চিনি না।
  • কান্তবাবু | ০১ জুন ২০১৮ ২২:৫৬395417
  • এই লেখাটা খুব ভালো লাগলো। চমৎকার লাগলো।
  • π | ০১ জুন ২০১৮ ২২:৪৩395416
  • আমাদের পড়শি হর্নবিল দম্পতি হম দো থেকে হমারা দো হয়েছেন।
    কার্বি আন্গ্লঙ্গ এ সেই ভোররাতে ঘন জঙ্গলে প্রথম দেখে সে কী উত্তেজনা, আর এখন ল্যাবের বাইরের কার্নিশেই বসে থাকে মাঝেসাঝে।
    তবে বড় বাজে চে`চায়। হাঁড়িচচ্থেকে অনেক বাজে। বেচারার কেন এমন বাজে নাম কেজানে। সত্যিকারের বাজে ক্যাঁচোড়ম্যাচোড় ক্যালোরব্যালোর করা পাখিদেরও এর থেকে ভাল নাম জুটেছে। ছাতারে নাম অন্ততঃ হাঁড়িচাচার চেয়ে ভাল। এমনকি আমার এত বাজে ডাকনামও এর থেকে ভাল।

    । কুব কুব করে গরমের দুপুরে ঝিম ধরিয়ে রাখে, কুবো পাখি নামই তো ভাল! আমার ছোটবেলার বাগানের সেই কুবোপাখি দেখি এই বুড়োবেলার বাগানে হাজির, কোল্কাতা থেকে সেই ত্রিপুরা। হেঁটে বেড়াচ্ছে আবার মাচার উপরে। মাচার উপরে কী হাঁটার দরকার বুঝিনি যদিও, আছে তো কিছু শিম আর ঝিঙ্গে পাতা। বারান্দা থেকে দেখি, বুলবুলি খালি পেঁপের ছাতার মত মাথায় ছোঁ মারে আর পালায়। এমনি ছোঁ তো আমার ছোটবেলার কচুরিপানার পুকুরে মাছরাঙ্গারা মারতো। পরে বুঝলাম বাসা বানাচ্চে। পেঁপে গাছে বুলবুলি বাসা বানবে মাথাতেও আসেনি। কেউ লিখেই যায়নি। লিখে গেছে বলেই বেগুনগাছ হয়া ইস্তক টুনটুনির বাসা খুঁজতাম, আর এত বাঁটকুল গাছ, যাতে কিনা বেগুন ধরলেই মাটিতে ঠেকে যাওয়ার ভয় ধরত, তাতে বাসা হবে কীকরে বুঝতাম না। আর ওতে বাসা করলে বেড়ালের ও পোয়াবারো। নাকি বেড়াল কাঁটা বেছে চড়ে? কাঁটা টুনটুনিকে ফোটে না? আমার তো বাসা হয়েছে কিনা দেখতে আর বেগুনকে মাটি থেকে ওঠাতে গিয়েই কাঁটায় কেটে একসা।
    তবে গোটবেগুন গাছ হওয়ার পরে, আর তাকে বিশাল লম্বা চওড়া হতে দেখে মনে হয় কবি গোটবেগুন গাছেই টুনটুনির বাসার কথা বলে গেছিলেন। গোট বেগুন চিনল না কেউ তো? আমিও চিনতাম না। নিউট্রিশনের ডায়েটারি রিকল সার্ভে করতে গিয়ে দেববর্মা ত্রিপুরী মলসম গ্রামে সিদলের সাথে গুটবেগুন শুনে সে আর বুঝিনা কী। এদিকে সে কেমন, তার ইউনিট ওজন কেমন, সে আসলে কে, এক চামচ সিদল খেলে কত গোট বেগুন গিয়ে শরীরে কোন কোন পুহ্টি কোন কোন ভিটামিন খনিজ কতটা ঢুকবে সে ক্যালকুলেশনই বা কী করে ঠিক হবে? তাই মাপার ঘটি বাটি ফেলে ওঁদের
    বাগানে গোটবেগুন দেখতে যাই। সবুজ সবুজ গুলি বল দেখে কে বলবে বেগুন, যদি না পাতা দেখে! সে পাতাও আব্বার বেগুন পাতার শেপে হলে কী হবে, হাতির কানের মত, কুলোর মত একেবারে। তারপর তো ছবি দিয়ে মিলিয়ে আর ট্রাইবাল খাবারদাবারের বই খুঁজে তাকে বের করা গেল, আফ্রিকার পেপার খুঁজে তার দারুণ সব খাদ্যগুণও। অঙ্গনওয়ারি সাবসেন্টারের পোস্টারের জন্য এখন গোটবেগুনের ছবি দিয়ে এসেছি, আয়রন বড়ি কিছুতে না খেলে এই গোটবেগুন তো খাক!
    কিন্তু কথা হল, সেই যে গোটবেগুন নিয়ে এলাম, কটা স্যাম্পল, তারপরেই বাগানে গোটবেগুন গাছ জন্মে গেল। এসব কেউ বিশ্বাস করুক কি না করুক, আমার জঙ্গলে আমার ইচ্ছেমতন গাছ জন্মেই থাকে আর তারপর তারা নিজেদের ইচ্ছেমত জায়গায় চলেও যায়, এক হপ্তায় এক জায়গায় এক গাছ দেখে আসি তো একমাস পরে গিয়ে তাকে অন্য়্ত্র আবিষ্কার করি, বা একগাছের চারা অন্য প্রান্তে। সে যাগ্গে। এ নিয়ে তর্ক করব না। গাছেরা পছন্দমতন পাড়াপ্রতিবেশী নেইবারহুড লোকালিটি বাছে এ নিয়ে আমার স্থিরবিশ্বাস কোন তর্কেই টলবে না।
    কিন্তু কথা হল, সেই যে হল, ঐ হাতির মত পাতার গোটবেগুন আমার বাগান জুড়ে। আর আমি জগত জোড়া লোককে এই খেতে উত্সাহিত করার চেষ্টা করছি। ত্রিপুরা গেলে এ দিয়েই নিরামিষ গোদক খেয়ে যাই রোজ। কিলো কিলো কোলকাতায় নিয়ে গেলাম। শাশুড়ি এটা বেটে চিংড়ির ভর্তার রেসিপি বানিয়েছে, সে নাকি অমৃত হয়।

    তো, কথা হল, এই এত বড় বেগুন গাছে, হাতির মত পাতার তলায়, ও মজা হল, আসামে এই ফল দেখানোর পর যাঁরা চিনলেন, বললেন অসমিয়াতে বলে হাথিভাখোরি। এর মানে হাতির কানের মত পাতাই হবে নিশ্চিত, আমি আর জিগেশ করিনি।
    তো এই হাতির কানের মত পাতার গাছে টুনটুনি তো আসতেই পারে। আসেনা কেন? খুব চাইলে আর সেরকম করলে এসে যাবে তাও জানি।

    যেমন, এই ত্রিপুরায়, পাখি কী কম কম লাগত। এত জঙ্গলে। কত জঙ্গলে ঘুরিও
    তাও তুলনায় পাখি কম। বলে লোকজন সব খেয়েই নেন। কিন্তু শহর কি আমাদের ওখানে তো আরো আসতে পারত। শীতে সাইবেরিয়ার অতিথিরা লেক ভরিয়ে দেন যদিও। তবে আমার জঙ্গলাটা হওয়ার পর থেকে অনেক পাখি আসছে মনে হয়। তাও। অসমের ক্যাম্পাসের মত না, সে তো ভরপুর পাখিতে। সারারাত কোকিলের চিৎকারে ঘুম ভেংগে যাওয়ার কানপুর বম্বের স্মৃতি এখানে ফিরে আসে, সারা রাত চোখ গেল চোখ গেল শুনে শুনে। গেল গেল দশা, ঘুম গিয়ে। সারা রাতই চোখ গেল আর গেল। সেদিন কোথায় যেন চোখ গেল নাম কেন তাই নিয়ে ভারি সুন্দর কী এক রূপকথা পড়ে খুব সুন্দর ছাড়া প্রায় পুরো গল্পটাই ভুলে গেছি দেখি, মনে করতে গিয়ে মনে হল আসলে নিঘ্ঘাত এও বেগুন গাছে বাসা করতে গিয়ে চোখে খোঁচা খেয়েছিল! তারপরেই মনে হল, আমার ত্রিপুরার গোট বেগুন জঙ্গলে চোখ গেল বাসা বাঁধতে পারে তো। চোখ যখন গেছেই তো অন্ধের আর কী বা ভয়। ওমা, নেট ঘেঁটে চোখ গেল খুঁজে দেখি, সেও কিনা কোকিলের মত পরভৃত, উফ, ত না খণ্ড ত, গুলিয়ে গেছিল, গুগল করতে হল। সেঈ পরভৃত আর পরভৃৎ এর পার্থক্য কর, মাধ্যমিকে যেন কত নং এর প্রশ্ন থাকত। গুগলসহায় জীবনে আবার মাধ্যমিকের পড়াশুনা করতে কেমন লাগত জানতে ইচ্ছে করে। না, উচ্চমাধ্যমিক কখনো না, ও পরীক্ষা আর জন্মে দিতে চাইনা। কী চাপের জীবন, অনেক চাপ ছাঁটকাট করেও যা পড়েছিল, তা আর চাইনা।
    যাহোক, তাহলে তো বাসা বাঁধার চান্সই নেই, পরভৃৎ এর বাসায় ডিম পেড়ে যাবেন, সে সুযোগ ও কম। কারণ আশ্চর্যভাবে ত্রিপুরায় কাক বড় কম, আমাদের এলাকা তো বায়সশূন্য! তবে গুগল করার আরেলটা সুফল পেলাম। চোখ গেল কে কেন জানি আমি পাপিয়া ভাবতাম। ও হ্যাঁ, মনে পড়েছে। নজরুলের জন্য। গুগল করে কনফার্মড ও হলাম, চোখ গেল চোখ গেল কেন ডাকিস রে তে জুড়ে দিয়েছেন, তার চোখের জ্বালা বুঝি নিশি রাতে বুকে লাগে,
    চোখ গেল ভুলে রে, পিউ কঁহা পিউ কঁহা বলে তাই ডাকিস অনুরাগে রে। উফ্হ, ঐ লাইনটা গাইতে আবার গায়ে কেমন কাঁটা দিত। কথা নাকি সুরের জন্য। গাইতে গেলে অনুরাগ আপনি আপ ঘাই মারত। এখন গুগল কাকু বলছেন, চোখ গেল আর পিউ কঁহা আলাদা। কাছাকাছি হলেও আলাদা। বোঝো। আগে জানলে নজরুলের জন্মদিনে এত অনুরাগ ঢেলে নজরুলগীতি নিয়ে লেখার সময় নজরুলকে একটু ঝেড়েও দিতাম। চোখ গেল চোখ গেলর সাথে পিউ পিউ বিরহী পাপিয়াকে এই একই আত্মায় ঢুকিয়ে দেওয়ার জন্য।

    কিন্তু কী সব বকছি। যা বলার ছিল, এবার ত্রিপুরায় সেদিন, অনেক ঝড়বাদলের পর মাঝরাতে ঘুম ভেঙ্গে শুনি, হুম, বুঝতেই তো পারা যাচ্ছে, চোখ গেল, চোখ গেল। কিন্তু শুধু কি তাই?
    চোখ গেল চোখ গেলর পরে পষ্ট শুনেছি, পিউ কঁহা, পিউ কঁহা।

    গুগল বিলকুল ভুল। বেঁচে থাকুন আমার পিউ পিউ বিরহী পাপিয়া কবি, রাতভোরের ললিতে।
  • avi | ০১ জুন ২০১৮ ২২:০১395415
  • নাহ, এই গুরুতেই লেখা দেখি শুধু। আমি এখনও কিস্যু জানি না। একটি দুটি চিনছি। তবে কিনা আগের জ্ঞান শূন্য ছিল বলে গ্রোথ হচ্ছে জব্বর।
    নেওড়া উপত্যকা দারুণ জায়গা। গেল মাসে গেসলাম। ফেরার সময় রাস্তার ওপর গাড়ির সামনে একটা কাকর হরিণ দাঁড়িয়ে গেল। সন্ধ্যে হয়ে গেছে, হেডলাইটের আলোয় চোখদুটো জ্বলতে লাগলো। কোথাও কোনো শব্দ নেই, ঘন জঙ্গল, নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের 'টোপ' গল্পের রাতের শিকারের অভিজ্ঞতার একটি খণ্ডমুহূর্ত।
    ফলে এই নেওড়া পেরিয়ে কোলাখাম হয়ে যখন চাঙ্গি জলপ্রপাত দেখতে গেলাম, আর গিন্নী একদম নিচ অব্দি না নেমে একটা পয়েন্টে দাঁড়িয়ে গেল, আর আমি তলায় গিয়ে প্রপাত দেখে ফেরার পথে একটা বড় বেড়ালজাতীয় জিনিস লাফিয়ে পার হতে দেখলাম, আর দেখে পাঁইপাঁই করে শখানেক সিঁড়ি এই আশি কেজি লাশ নিয়ে দৌড়ে উঠলাম, তখন টোপের অন্তিম দৃশ্যের খাদের তলায় বাঘের দোকান মনের কোথাও নির্ঘাত উঁকি দিয়েছিল। প্রসঙ্গত ওখানে তখন আর কোনো জনমানুষ ছিল না।
  • h | ০১ জুন ২০১৮ ২১:২১395414
  • অভি কি ব্ল্যাংকি কে চেনো নাকি। ও এখন যদিও কোস্টা রিকা চলে গেছে, ওর এরকম বেড়ানোর শখ।
  • h | ০১ জুন ২০১৮ ২১:০৭395413
  • হ্যাঁ, ও পাগলের মত হাঁটতে পারে। নেওড়া ভ্যালি, তাগদা, মাঙ্গওয়া, বোরোং এই জায়গা গুলোয় আমাদের পাগল করে দিয়েছে। হারিয়ে যায় মাঝে মাঝে তখন চাপ হয়, দুপুরে, অনেক সময়ে সন্ধে তে, হয়তো হোম স্টে থেকে বেরিয়ে গম্ভীর হাঁটা দিল, ভ্যালিতে নেমে গেল। এসব। জঙ্গলে গিয়ে গিয়ে (ছোটোখাটো ই, সিরিয়াস কিসু না) আমার মাজা মানে টোটাল আক্রান্তঃ।
  • π | ০১ জুন ২০১৮ ২০:৫৯395412
  • তিব্বত হয়ে?
  • dc | ০১ জুন ২০১৮ ২০:৪৬395411
  • এখন তো শহরে আর পাখি দেখা যায়না। ছোটবেলায় বেশ কিছু পাখির ডাক জানতাম, সেসব শুনলে হয়তো এখনও মনে পড়বে।
  • h | ০১ জুন ২০১৮ ২০:৪২395410
  • পাখির ডাক চিনতে পারো নাকি, কি সাংঘাতিক, বাবা রে বাবা। অসা লাগলো। এ মানে প্রচন্ড কান আর ধৈর্য্যের ব্যাপার কোথায় কি কি দেখ্কলে, শুনলে? পুঁটির একমাত্র শখ, সে একা একা(অর্থাৎ তার মা পাঁচ পা পেছনে হাঁটবে) অরুণাচল থেকে পাহাড় দিয়ে হেঁটে হেঁটে পাকিস্তান যাবে আর পাখি পশু চিনবে। সালিম আলি আর অ্যাটেন বরো তার একমাত্র ধ্যান জ্ঞান। অ্যাটেনবরো একটা ফ্যান মেল এর উত্তর দেওয়ায়, তার মানে কি খুশি সে মানে ঘুমোচ্ছে খাচ্ছে চিঠি হাতে।
  • avi | ০১ জুন ২০১৮ ২০:৩২395409
  • রোজাভা দেখে মনে পড়ল, দারুণ দারুণ সব পাখি দেখলাম কদিন হিমালয়ের আনাচে কানাচে। এদের আওয়াজ চিনতে শিখছি আস্তে আস্তে।
    এদিকে শিলিগুড়ির একান্তে একদম তেপান্তরের মাঠের মাঝখানে শ্রী শ্রী রভিশঙ্কর এক পেল্লায় তিনতলার ধ্যানকেন্দ্র বানিয়েছেন দেখছি। রাতারাতি গজিয়ে গেছে। আর দলে দলে আপ্লুত জনতার দৌড় বাড়ছে। বাপস।
  • dc | ০১ জুন ২০১৮ ২০:২৮395408
  • ওদিকে নীপাতে মৃত্যুর হার ক্রমে বাড়ছে। চেন্নাইতে না ছড়ায়, সেই ভয়ে আছি।
  • h | ০১ জুন ২০১৮ ২০:১৮395407
  • ও আই সি ঃ-)))))))))) হ্যাঁ নলেজ স্ট্রাকচার এবং একেকটা বিষয়ের দর্শন বা সীমা বা তার মূল ডিবেট গুলো তো একটা বিষয়। যে কোনো ধরণের অলটারনেটিভ এর চর্চা শুধু না, দার্শনিক চিন্তায় এটাকে অ্যাড্রেস করতেই হবে। আজকালকার এম বি এ মার্কা টেকনোক্রাসি এবং ওভার স্পেশালাইজেশনের সমস্যা হল, সিলেবাস পড়ায়, সিলেবাসের কেন টা পড়ায় না। অথচ মজা হল বিষয় গুলো যাদের হাতে তৈরী, তারা কিন্তু ক্লিয়ার কেন বিষয়টা তৈরী করছেন। সবচেয়ে মজার উদাহরণ শাম্পেটার। 'ডিসরাপশনের' তত্ত্ব টাই এসেছে ইনডাস্ট্রিয়াল রিভোলিউশন কে হিস্টরি অফ আইডিয়াজ এর দৃষ্টি তে দেখতে গিয়ে। তো যারা আজকাল অ্যাপ বেচে বা চারটি কনসালটেন্সী করে ভাবে বিসাল ডিসরাপ্ট করলাম, তারা খুব স্বাভাবিক ভাবেই, এই দিকটা সম্পর্কে ওয়াকিব হাল না। যে কোন চর্চাতেই কেন টা হারিয়ে গেলে নানা সমস্যা হয়, সেই কাফকার গল্পটার মতন, ইন দ্য পিনাল কলোনী, অসম্ভব যত্ন নিয়ে মৃত্যু দন্ডের কল বানানো হচ্ছে, তার ইঞ্জিনীয়ারিং/পারফেকশন এবং বাজেটের জন্য আকুতি টা যেকোন খেটে খাওয়া লোক সিম্প্যাথাইজ করবে, সেখানেও ট্রাভেলিং সুপারভাইসর বাধা, ওদিকে মালটা তৈরী যেটা হচ্ছে সেটা কিলিং মেশিন ঃ-))))

    নানা অত গুরুত্ত্ব দেবার কিছু নেই। তোর নিজের লেখাপড়ার আলাদা ট্র্যাজেকটরি থাকবে সেটাই স্বাভাবিক। প্রত্যেকের ই থাকে।
  • dc | ০১ জুন ২০১৮ ২০:০৯395406
  • রোজাভা আন্দোলন নিয়ে একটা টইতে অনেক কিছু পড়েছিলাম বটে, মনে পড়লো।
  • sm | ০১ জুন ২০১৮ ২০:০৬395405
  • পি কে দে সরকার!প্রভাত কুমার সরকার। ঢাকার এক স্কুলের হেড মাস্টার ছিলেন যদ্দুর মনে পড়ছে।
    নেস্ফিল্ডের ইন্ডিয়ান ভার্সন।
    এক কথায় মুগ্ধ করার মতন পাণ্ডিত্য।
  • aka | ০১ জুন ২০১৮ ১৯:৫৮395404
  • পিকে দত্ত নামে একটা গ্রামার বই ছিল না?
  • T | ০১ জুন ২০১৮ ১৯:৫১395403
  • না গুরু, পিকেটি সংক্রান্ত তোমার বক্তব্য মন দিয়ে পড়েছি। এখন দুইখান কতা। তোমার লেখায় অ্যাতো রেফারেন্স থাকে সেসব যত্ন করে সরিয়ে ডকুমেন্ট করে রাখি। এক এক করে দেখব বলে। এতে করে সময় লাগে। কিন্তু গুচ্ছ কাজ হয়।

    আর অন্য কথাটি হচ্ছে যে, সেদিন টেকনোক্র্যাসির প্রতি আহাউহু এবং পুঁজিবাদ ইত্যাদি নিয়ে কথা হচ্ছিল। তো, সেই সময় বলছিলে যে পুঁজিবাদ এবং সেইসংক্রান্ত টেকনোক্রাটিক ট্রেন্ড্স এবং সেনটার অফ একসেলেন্স এর ধারণা জ্ঞান চর্চার পার্টিসিপেটরি দিক কে ডিসকারেজ করছে, কারণ সে নিয়ন্ত্রক হতে চায়। এই প্রসঙ্গে আমার মনে পড়েছিল, গুরুতেই বোধহয় পড়েছিলাম, রোজাভা আন্দোলনের কথা, মানে সোশ্যালিস্ট সেটিংস এ, যেখানে ওঁরা জ্ঞানচর্চার টেকনোক্র্যাটিক ট্রেন্ডস এর বদলে হিউম্যানিটিজ চর্চায় (যা আদ্যন্ত পার্টিসিপেটরি) জোর দিচ্ছেন যা কিনা নিয়ন্ত্রক কিছু নয়।

    তো এই প্রসঙ্গে 'পিকেকে' র কথা বলেছিলাম। তুমি গুরু সেটাকে 'পিকেটি' ভেবে অ্যাতো কিছু বলে গেলে যে সেই নিয়ে লজ্জায় মরমে মরে আছি। ঃ)))
  • Munia | ০১ জুন ২০১৮ ১৯:৩৫395402
  • আচ্ছা, বোজোর সাথে কারুর যোগাযোগ আছে? কেমন আছে ছেলেটা খুব জানতে ইচ্ছে করে।
  • h | ০১ জুন ২০১৮ ১৯:৩২395401
  • এটা কি কলিম খানঃ-))))। উনি বলেছেন বডি ল্যানউয়েজে, চৈতন্য আর মমতা কাছা কাছি। মাক্কালি। কিন্তু যে ভাবে যুক্তি সাজিয়েছিএন আমার ভালো লেগেছিল। সৈকত ইপসিতা রা বোধ হয় ছেপেও ছিল এইখানে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত