এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • T | ২৪ মে ২০১৮ ১২:০২394890
  • :))) কেন ছোটো করে দ্যাকে তা জাতিকে জানানো হউক। :))
  • S | ২৪ মে ২০১৮ ১১:৫৭394889
  • এক্জটিক ফাইনান্সিয়াল প্রোডাক্ট মোটেও এম্বিএরা তৈরী করেনি/করেনা। আইটি আর ইন্জিনিয়ারিঙ্গের বাইরেও অনেক কোম্পানি আছে যেগুলোতে এম্বিয়েদেরই দরকার হয়। মাইক্রো ইকোনমিক্স, ম্যাক্রো ইকনমিক্স, ইকনোমেট্রিক্স, ফাইনান্স, অ্যাকাউন্টেন্সি এগুলোর মধ্যে প্রচুর পার্থক্য আছে (জনগন এটা জানেনা দেখে খুব অবাক হলাম)। এম্বিএ ফাইনান্সদের পাবলিক অ্যাকাউন্টিঙ্গ পড়তে হয়্না। আরো ভুল ধরতে পারি। কম্পিউটার জন্মানোর পড় থেকেই লোকে কম্পিউটার ইন্জিনিয়ারিঙ্গ পড়ছে।

    হিউম্যানিটিজ পড়া ছেলেপিলেদের লোকে কেন ছোটো করে দেখে আজ বুঝেছি।

    আলোচনাটা একেবারেই ফালতু। তবু চলুক। দেখি আর কি কি মনিমুক্ত বেড়োয়।
  • T | ২৪ মে ২০১৮ ১১:৪৯394888
  • এই অ্যাঙ্গেল পছন্দ হইয়াছে। পুঁজিবাদ এবং সেইসংক্রান্ত টেকনোক্রাটিক ট্রেন্ড্স এবং সেনটার অফ একসেলেন্স এর ধারণা জ্ঞান চর্চার পার্টিসিপেটরি দিক কে ডিসকারেজ করছে, কারণ সে নিয়ন্ত্রক হতে চায়। গণতন্ত্র এবং সেই সংক্রান্ত পার্টিসিপেটরি জ্ঞানচর্চার নিরিখে পিকেকের কার্যক্রম আরেকবার পড়তে মুঞ্চায়।
  • dc | ২৪ মে ২০১৮ ১১:৩৪394887
  • *রহস্য

    brahmanical, বাংলা ফন্টে লিখতে পারিনি।
  • dc | ২৪ মে ২০১৮ ১১:৩১394886
  • h দার পোস্ট এই প্রথম খুব একটা অসুবিধে ছাড়াই পড়ে ফেল্লাম ঃ)

    প্রথমেই বলে নি যে এমবিএ কোর্স নিয়ে আমার নিজেরও খুব সন্দেহ আছে, এর প্রয়োজনীয়তা নিয়েও সন্দেহ আছে। এমনকি একটা তর্ক আছে যে এমবিএ কোর্সের বাড়বাড়ন্ত শুরু হয়েছে বিশেষ করে আশির দশকের থেকে (বা হয়তো সত্তরের শেষ থেকে), যখন আমেরিকানরা জাপানি ম্যানেজমেন্ট স্টাইলের কাছে ল্যাজে গোবরে হচ্ছিল আর ডেমিং সহ অনেকে হুমড়ি খেয়ে পড়েছিলেন জাপানি কোয়ালিটি কন্ট্রোল আর প্রোডাক্টিভিটির সহস্য বুঝতে।

    কিন্তু এমবিএর বিরুদ্ধে আমি কিছু বলবোনা, এক অতি গোপন কারনে আমি S এর বিরুদ্ধেও তর্ক করবোন, h দা যাই বলুন না কেন ঃ)

    আউটসাইডার এনকুয়ারি নিয়ে আপনি যা বলেছেন তার সাথে অবশ্যই একমত, আর এর প্রয়োজনীয়তাও অবশ্যই আছে। তাছাড়া ফাইনম্যান নিজে যদি বঙ্গো বাজিয়ে সময় নষ্ট করে থাকতে ভালোবাসেন তো আর কে কি বলতে পারে। রেজিমেন্টেড চিন্তাধারা ভাঙ্গার জন্য আউটসাইড এনকুঅ্যারি অবশ্য দরকার।

    তবে একটা কথা মনে হলো, আজকে যে এই ওভার স্পেশালাইজেশান বা হায়ারার্কি বা রেজিমেন্টেশান, তার একটা ছোট কারন এও হতে পারে যে প্রায় প্রত্যেকটা নলেজ এর ব্র্যাঞ্চ ধরেই আমরা অনেক দূর এগিয়েছি। প্রতিটা ক্ষেত্রেই, "এমনকি" সোশ্যাল সায়েন্সগুলোতেও, এতো এতো কনট্রিবিউশান হয়েছে, সাব ফিল্ড তৈরি হয়েছে, ক্রস কাল্টিভেশান হয়েছে, যে কিছুটা হায়ারার্কি বা স্পেশালাইজেশান না করলে বোধায় কোন একজনের পক্ষে এগনোই মুশকিল হয়ে গেছে। তবে অবশ্যই এটা একটা টেকনিকাল যুক্তি, আপনি যে ওভারল ব্রাম্হিনিকাল হায়ারার্কির কথা লিখলেন তার সাথে একমত।
  • S | ২৪ মে ২০১৮ ১১:২৮394885
  • তবে তার থেকেও হাস্যকর হলো কিচ্ছু না জেনে লম্বা প্রবন্ধ লেখার অসুখ।
  • S | ২৪ মে ২০১৮ ১১:২৫394884
  • আমি মুম্বাইতে থাকতে কোলকাতা থেকে সবজি, মাছ নিয়ে যেতাম। আবার মুম্বাইয়ের ফ্রিজে যেসব সবজি এক্সট্রা থাকতো সেগুলো কোলকাতা আসার সময় নিয়ে আসতাম।
  • h | ২৪ মে ২০১৮ ১১:১৬394883
  • নাগো ডিসি, আমি হয়তো ঠিক মত বোঝাতে পারিনি। আমি মাইক্রো ইকোনোমিক্স কে ধুর বলিনি, এম বি এ প্যাকেজটা প্যাঁক দিয়েছি মাত্র। বলেছি এটা ম্যানেজমেন্টের দৃষ্টিভংগী প্রচার/প্রসার/মানুষ কে নিয়ন্ত্রনের কাজে ব্যবহারের একটা টুল মাত্র। এবং সিরিয়াস ডিস্পিলিন হিসেবে এটা কে দেখা কঠিন, যখন তার প্রতিটি নলেজ সিস্টেম ই ধারের। কোন অরিজিনালিটি বিশেষ নাই। চালু রসিকতা হল, একটা পাবলিক অ্যাকাউন্টিং কোর্স বা একটা ইকোনোমিক্স এ মাস্টার্স প্লাস একটা গল্ফ সেশন হল একটা এম বি এ ফাইনান্স।
    আর কয়েকটা কথা বলেছি, বলেছি যে হিস্টরি অফ আইডিয়াজ চলন মেনেই, কনটেম্পোরারিটি এক ব্যাপার। ধরো অ্যানথ্রোপোলজি, এর অনেকটা বাড় বাড়ন্ত কলোনী প্রসারের আমলে, তাই প্রচুর ধুর রেসিস্ট পজিশনিং বিষয়টার পরতে পরতে বহুদিন ছিল। আবার ধরো ঊনবিংশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ বৈজ্ঞানিকেরা বা এমনকি বিংশ শতকের শুরুতেও ন্যাচারাল ফিলোসোফি বলে যে বস্তুটা পড়তেন, কলেজে বা 'জিমন্যসিয়াম' গুলোতে, সেটা বিশ্বযুদ্ধের পরেকার অতিরিক্ত স্পেশালাইজ্ড ডিসিপ্লিন গুলোর চেহারা দেখলে বোঝা কঠিন। অলমোস্ট মিলিটারির রেজিমেন্টেশন এখন। এবং হায়ারার্কি টাও কন্টেম্পোরারিটির বিষয়, এই যে আমাদের সময়ে হঠাত হল ইঞ্জীনিয়ার মানে বুদ্ধিমান, আর সায়েন্সের লোক মানে বুদ্ধি মান, আর আর্ট্স এর লোক মানে ধূর। দেশীয় ভাষার পন্ডিত মানে ধুর। এই যে পপুলার আর টেক্সট এই নিয়ে বিতর্ক সেটাও অকারণ ক্লাসিফিকেশন এর সঙ্গে জড়িত, এবং শিক্ষার গণতন্ত্রীকরণের বিরোধী। ট্রেনিং লাগে, অবশ্যই লাগে, কিন্তু সাসটেন্ড অ্যামেচার ইনটারেস্ট এর ব্যাপারে হায়ারার্কির মজাটা এই, যে টেকনোক্রাট বা বৈজ্ঞানিক এবং আজকাল হয়েছে এম বি এ রা প্র্যাকটিকালি পৃথিবীর যে কোন বিষয় নিয়ে কথা বলতে পারে, কিন্তু বাংলা হনার্স বললেই বিপদ, কারণ সে বাংলা হনার্স বা অন্য কিছু, পাতে দেওয়ার অযোগ্য। এই সম্পর্কে মজাঅর গল্প বলি শোনো, টেরি ইগলটন এর রসিকতা। রিচার্ড ডকিন্স যখন চ্রিসচিয়ান স্কুলের বিরুদ্ধে ক্যাম্পেনে নামেন, সম্ভবত ক্রিস্টোফার হিচেন্স এর শুভেচ্ছা আশীরবাদ ছিল, তখন ইগলটন একটা দুর্দান্ত মজার প্রবন্ধ লেখেন। তাতে উইনি মেডিয়েভাল ক্রিশ্চিয়ান টেক্সট এবং কিছু আর্লি ক্রিশ্চিয়ানিটির টেক্সট নিয়ে এসে এভিডেন্স দেন, জ্ঞানের চর্চা টা ই যখন চার্চের পরিধি তে হচ্ছে, তখন, সেখানে অপ্রেসিভ সিস্টেমের মধ্যেই মানুষের ইনকোয়ারি কে ঠেকিয়ে রাখা মুশকিল, এবং এগুলো রিচার্ড ডকিন্স পড়েছেন কিনা প্রশ্ন করেন। এবং এটাও বলেন, উনি নিজে ব্রিটিশ বুক অফ বার্ড্স পর্যন্ত বিজ্ঞান পড়েছেন, তাতে কি উনি বৈজ্ঞানিক অব্দি স্বীকৃতি পাবেন? সাসটেন্ড আউটসাইডার'স ইনকোয়ারি র তো প্রমাণ লাগবে কিছু। ধর্ম এবং মধ্যযুগীয় সংস্কৃতি চর্চার ক্ষেত্রে, সেটা ডকিন্স এর ছিল না। প্রবন্ধটা পড়লে মজা পেতে পারো। ২০০০ এর ফার্স্ট হাফ হবে। লোকাল হিস্টরি চর্চায় এটা খুব কমন, ইতিহাসে প্রচন্ড মূল্যবান সোর্স কনট্রিবিউট করছেন, যাঁরা কনটেকস্চুআলাইজ করছেন, থিয়োরাইজ ও করছেন, তারা অনেকেই প্রশিক্ষিত হিস্টরিয়ান ই নন। টেকনোক্রাটিক ট্রেন্ড্স এবং সেনটার অফ একসেলেন্স এর ধারণা জ্ঞান চর্চার এই পার্টিসিপেটরি দিক টা কে ডিসকারেজ করেছে।
    এই হায়ারার্কি বোধ থেকেই, লোকে সাহিত্য নিয়ে বা সোশাল সায়েন্স নিয়ে প্রচুর কথা বলে, কিন্তু হিউম্যানিটিজ এর লোকেরা সাইন্স বা ম্যাথ বা টেকনোলোজি বা ফাইনান্স নিয়ে যদি সাসটেন্ড লেখাপড়া করেও কিসু বলে ভিষন রেগে যায়, কারণ আর কিছুই না, শুধুই টারমিনোলোজি না হায়ারার্কি। এই হায়ারার্কি, পোলিটিকাল আডিওলোজির ওঠা নামা ক্ষমতায় কে তার উপরে নির্ভর করে।
    এবার কনটেম্পোরারিটি র দিকটা আরেকটু বলি। আমাদের এক বন্ধু ছিল, জার্মান ছেলে। একদম গরীব, হাসিমুখে সন্ধে বেলা দেখা করতে আসা মানে খিদে পেয়েছে। পকেট মহাশূন্য। হঠাৎ সাংঘাতিক অবাক হয়ে যায়, সারা জীবন পেসিফিস্ট, ইরাক যুদ্ধের সময়ে তার অনেক গ্রান্ট বেড়ে যায়, কারণ তার পি এইচ ডি চিল বাথিস্ট পার্টি গুলোর উপরে, মধ্যপ্রাচ্যে, আরবিক জানতঃ-) পলিটিক্স, বিজনেস ও যুদ্ধ বিষয়ের গুরুত্ত্ব বাড়ায় কমায়। কিন্তু বিজনেস ম্যানেজমেন্ট র ডিসিপ্লিন হিসেবে মূল গুরুত্ত্ব ম্যানেজমেন্টের চিন্তার প্রসার। এর সঙ্গে জ্ঞানচর্চার, এমনকি ক্যাপিটালিজম কে বোঝার চেষ্টার সম্পর্ক কম।

    ডিসিপ্লিন হিসেবে এম বি এর বোল বোলাও টা শুরু হচ্ছে, মারকেট ইকোনোমির জয় জয়াকার এর পরে, ৮০স ৯০স এ। ফ্র্যাংক ডড রুল রেগান আমলে শিথিল হবার পরে। এই সময় তেই ডুবিয়াস ফাইনানশিয়াল প্রোডাক্ট ইঞ্জীনিয়ারিং শুরু হচ্ছে। এই সময় তেই ডুবিয়াস ফাইনানশিয়াল প্রোডাক্ট ইঞ্জীনিয়ারিং শুরু হচ্ছে। ইসু টা পোলিটিকাল কন্টেম্পোরারিটির। মাই ক্রৈকোনোমিক্স ক্যাপিটাল মার্কেট্স কে মডেল করার চেষ্টা করছে, ভালো কথা, কিন্তু তুমি ই বলো, ২০০৮ এর ক্রাইসিস এর পরে, ল্যামফালুসি স্ট্রেস টেস্ট এলো, ইউনিভারসিটি অফ ভিয়েনা থেকে প্রস্তাব এলো, যে ফাইনান্সিয়াল রিস্ক কে, ফাইনান্সের বড় নেটওয়ার্ক্ড নেচার টা ধরা উচিত, মডেল ও করলো, অন্তত অ্যাটেম্পট ও করলো, রেফারেন্স টা খুঁজে দিয়ে দেব, আমি নানা দায়ে পড়ে ২০০৮ এর অল্প পরে এই পেপার পড়তে বাধ্য হই মাইরি। বা গ্রীক ক্রাইসিসের সময় ইয়ানিস ভারুফাকিস এর বিখ্যাত বক্তৃতা ও প্রবন্ধ গুলির পরে, বা জার্মান প্রেসার এর পরে দেখা গেল নানা নেগোশিয়েশনে দেখা গেল, একটা দেশের ইকোনোমি র্যাশনাল মার্কেট বিহেভিয়োর কয়েকটা ইর্যাশনাল নেগোশিয়েশনের ফল মাত্র এবং তার আগে সেটা সম্পূর্ণ ডজি বেটিং এর যে প্রোডাক্ট গুলো পাবলিক মানি কে প্রাইভেট ওয়েলথ এ ট্রান্সফার করেছে মাত্র, গ্রীসের পূর্বাপর সুদিনে। ঃ-) কিন্তু এই যে উপলব্ধি গুলো এগুলোর একটাও কি এম বি এ ডিসিপ্লিন থেকে এসেছে? ইনফ্যাক্ট এম বি এ ডিসিপ্লিন এর সিরিয়াস লোকদের কাজ ই হল, ম্যানেজমেন্ট না করে ট্র্যাডিশনাল কনস্টিটুয়েন্ট বিষয় গুলোতে মনোসংযোগ করা, এবং করে ডিসিপ্লিন টা কে অতিক্রম করা ঃ-))) হ্যাঁ অবশ্য ই বড় কর্পোরেশন জিনিসটা যখন এসেছে, তখন নানা স্ট্যান্ডার্ডাইজেশনের কাজ হয়েছে, কিন্তু অধিকাংশই ফলিতর ফলিত, প্রায় নাসিরুদ্দিনের সুরুয়ার সুরুয়ার মত, অরিজিনালিটি আশা না করাই ভালো।
    আমি জানি অনেকেই হাঁ হাঁ করবেন। বলবেন কি বলে রে চোদু মাল, এত এত ফাইনান্সিয়াল প্রোডাক্ট কি তাহলে বাংলা হনার্স বানাচ্ছে না, ইকোনোমিক্স হনার্স বানাচ্ছ, এত আমরা এম বি এ রাই বানাছি, বেচছি। প্রথমত ফাইনানসিয়াল প্রোডাক্ট গুলো যতই স্পেকুলেটিভ বা ডজি হোক না কেন, সেটা শুধুই এম বি এ রা বানান না, এমনকি সেখানেও কোয়ান্ট্স দের বাড় বাড়ন্ত, সেই ট্র্যাদিশনাল নলেজের ধার, এবং সবচেয়ে দুঃখের হল, ভালো ভালো একটু অ্যাসপিরেশন ওয়ালা ছেলে মেয়েদের এম বি এ পড়তে গিয়ে স্বপ্ন দেখানো হচ্ছে উচ্চতম ক্ষমতা সম্পন্ন ম্যানেজমেন্ট স্তরে সকলেই পৌছবে, এবং খুব স্বাভাবিক নিয়মেই সেটা হচ্চে না, কিন্তু তারা একটা পারপাস সলভ করে ফেলছে, সিস্টেমিক সমস্যা গুলি কে ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও প্রতিভার অভাব বলে ভাবতে শিখছে। অবশ্যই এটা কে একটা কেন্দ্রীয় বা সংহত চক্রান্ত হিসেবে দেখার কোন কারণ নেই, এভিডেন্স নেই সেরকম, কিন্তু ঘটনা এটা কে অন্তত যথেষ্ট চিন্তা প্রসূত পলিসি শিফ্ট এর ফল হিসেবে দেখতে অন্তত অসুবিধা হবার কথা না।

    আরেকটা দিক ও আছে, সেটা তে এটার ড্যামেজটা পরিষ্কার হবে। উল্ফগ্যাং স্ট্রীক, পপুলারে আপত্তি থাকলে, ইনি অক্ষ ল্ক ঈন্স্তিতুতে ফোর থে তুদ্য ওফ ওিএতিএস এর এক সময়কার মেমবার এখন বোধ হয় এমেরিটাস ডিরেকটর। এনার একটা বই আছে, টেস্ট ও না, পপুলার না, ভদ্রলোক ঠিক আমার মত চোদু ও নন, বইটার নাম, মজা করে প্রোভোকেটিভ, কি করিয়া ক্যাপিটালিজম পটল তুলিবে, হো িল্ল পিতলিস্ম এন্দ। এই প্রবন্ধ গুলো নিউ লেফ্ট রিভিউ তে বেরিয়েছিল কয়েকটা তার পরে বই হয়ে বেরিয়েছে কয়েক বছর আগে। তো এনার পজিশন হল, পিকেটি দ্বারা ইনস্পায়ার্ড বা সমসাময়িক, যে ইকোনোমিক্স এর চর্চায়, সোশাল স্টাডিজ এর অ্যাংগল আসা উচিত। এর পরে উনি যেটা করছেন, হিস্টরিকাল ডেটা অ্যানালিসিস করে দেখাচ্ছেন, যেটা বহুদিন পরে পিকেটি পপুআরাইজ করেছেন এতটাই, যে ইকোনোমিস্ট পত্রিকা, পিকেটি ফর বিজনেজ ম্যানেজার্স হিসেবে চটি বের করেছে, স্ট্রীক যেটা করেছেন, দেখিয়েছেন যে ১৯৭৪ থেকেই, ক্যাপিটালিজম এর ট্রেন্ড হল নিয়ন্ত্রক হতে চাওয়া এবং গণতন্ত্র কে প্রচার ও প্রসারে একটা বাধা মনে করা, এটা ৮০র দশকে বাড়ছে, ৯০ এর দশকে ধ্বংসাত্মক চেহারা নিচ্ছে। এটা বুঝে নেওয়ার জন্য কোন পুরশকার নেই, কেন এই যে এম বি এ কোর্স গুলোর মধ্যে নিয়ে নিয়ন্ত্রন এর বার্তা ছড়ানো, এটা একটা কনটেম্পোরারিরিটি, চীন কেন কম্প্রাদর দের স্বপ্নের জায়গা, ভারতে কেন নন্দী গ্রামের পরেও, পস্কো, তুতিকোরিন হয়, সেটা আকাশ থেকে পড়ছে না।
    তো আমার কথা ছিল যে মাইক্রো ইকোনোমিক্স চোদু না, প্রোডাকশন ম্যানেজমেন্ট ও আলাদা বিষয় হিসেবে ধুর না, কিন্তু তারা সীমিত উদ্দেশ্য নিয়ে তৈরী হয়েছে, অবশ্যই সাবজেক্ট তার নিজের প্রবলেম সমাধান নিজেরা করছে, কিন্তু এম বি এ কোর্স গুলি অ্যাগ্রিগেটর মাত্র, এবং এর মূল উদ্দেশ্য পরিচলনা ও নিয়ন্ত্রন, বিজনেসেও। জ্ঞানচর্চা না। ব্যক্তিগত উদ্যোগে জ্ঞানচর্চা কে একটা খিল্লি হিসেবে দেখাটাও এটার একটা ফল। এবং এটা একটা মতাদর্শএর সমসময়িক প্রচলনের ফল। গোটাটাই ব্যক্তি আগ্রহীর / ছাত্রের চয়েস ঠিক আর নেই, কারণ এই ধারণার ব্যাপ্তি আইডিয়ার জগতে আপাতত ক্ষমতাশালী।
  • dc | ২৪ মে ২০১৮ ১১:১৪394882
  • জানি কেউ বিশ্বাস করবেন না, কিন্তু তাও লিখে রাখলাম। অমাদের বাড়িতে কেউ যখন কলকাতা থেকে চেন্নাই আসে তখন প্রতিবার বেশ কিছুটা সব্জি আনা হয়, বিশেষ করে যেসব সব্জি চেন্নাইতে পাওয়া যায়না। আমি গন্ধরাজ লেবু, ভালো বেগুন ইত্যাদি খেতে ভালোবাসি বলে মা পাঠিয়ে দেয়, নাতো সাথে করে নিয়ে আসে। আগের মাসে আমার মা, মেয়ে আর স্ত্রী এসেছিল, সাথে করে একগাদা সব্জি এনেছে, তার মধ্যে এক কিলো পটোলও ছিল (এগুলো তাজা সব্জি চেন্নাইতে পাওয়া খুব মুশকিল), কাসুন্দির বোতলও ছিল। ভাবছি এখন এলে কি হতো :d
  • Ekak | ২৪ মে ২০১৮ ০৯:৪২394880
  • অত্তেন্দ্রিত্য খুপই ভালো নাম হয়েছে :) একটা ছোটপটে হ্যামস্টার পুষে তার নাম রাখবো : অত্তেন্দ্রিত্য ঝম্পমল্লিক।
  • i | ২৪ মে ২০১৮ ০৯:৩৫394879
  • অত্যন্ত দুঃখিত। টাইপো হয়েছে। অতীন্দ্রিয় হবে।
  • aranya | ২৪ মে ২০১৮ ০৯:৩৪394878
  • দেখেছি, থ্যাংকু ছোটাই
  • i | ২৪ মে ২০১৮ ০৯:২৮394877
  • অরণ্যর জন্য কিছু সুতো তুলে দিয়েছি। এছাড়াও অত্তেন্দ্রিত্য চক্রবর্তীর আর পার্থসারথি রায়ের লেখা বুলবুলভাজা মনে পড়ছে। খুঁজলেই পেয়ে যাবেন।

    তুতিকোরিন, ইফ এনি লিখলেন কি হেতু, জানা যায়?
  • sm | ২৩ মে ২০১৮ ২০:৪৭394876
  • অনিল আগরওয়াল বিরাট ঝানু লোক। খামোকা পকেট থেকে পয়সা বার করে দূষণ নিয়ন্ত্রণ করনে ওয়ালা বান্দাই নয়।
    নিজেকে আবার ফিলান্থ্রপিস্ট বলে জোর প্রচার করেছে।
  • Tutikorin | ২৩ মে ২০১৮ ২০:৪১394875
  • কিন্তু ক্রিশ্চিয়ান এঙ্গল না আসারই বা কি আছে, আবাপ তো লিখেছে চার্চের সামনে জমায়েত হয়ে ছিল।

    যাকগে, সবাইকে করেকম্মে খেতে হবে, এই সব চার্চ, এনজিওর পয়সায় তো জীবন চলবে না! কারখানা বন্ধ না করে দূষণ নিয়ন্ত্রণে (if any) শক্ত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবী জানালাম।
  • সিকি | ২৩ মে ২০১৮ ২০:১১394874
  • না, বোতিন নয়।
  • বঙ্গসন্তান | ২৩ মে ২০১৮ ১৯:৪০394873
  • একি অবস্হা, ক্রিস লিন আউট।
  • dc | ২৩ মে ২০১৮ ১৯:২৮394872
  • আরে ব্যাঙ্গালোরে কেজরিওয়ালও গেছে! ভালো।
  • | ২৩ মে ২০১৮ ১৯:২৪394871
  • আহা ব্রতীনবাবু নাকি?
    আসুন বসুন।
    না হলেও ঐ ঐ
  • বঙ্গসন্তান | ২৩ মে ২০১৮ ১৯:১৫394870
  • আজ রবীন উথাপ্পা বলেছে দুটো খেলা জিতে ফাইনালে যাবে। রবীন তো নিজে ৩ রানে আউট।
  • বঙ্গসন্তান | ২৩ মে ২০১৮ ১৯:১২394869
  • সুনীল নারিন আউট।
  • dc | ২৩ মে ২০১৮ ১৩:৪৬394868
  • লোকাল নিউজে কাল রাতে বলেছিল ১৫।
  • বঙ্গসন্তান | ২৩ মে ২০১৮ ১৩:৩৮394867
  • কাল চেন্নাই অভূতপূর্ব ভাবে জিতলো। আজ কলকাতার চান্স আছে?
  • h | ২৩ মে ২০১৮ ১৩:৩২394866
  • তুতিকোরিন এ মৃতের সংখ্যা টা কি বাড়ছে? সি এম বললেন ৯, রাজ্যপাল বললেন ১১, আজ সকালে গণশক্তি তে দেখলাম ১৬, আবাপ বাছে ৯, এনডিটিভি বলছে ১১, ইনডিয়ান এক্সপ্রেস ও তাই বলছে, হিন্দু বলছে ১০, ডেকান হেরাল্ড বলছে ৯ (সবচেয়ে সাবডিউড পজিশনিং অফ দ্য নিউজ/হেডলাইন)। গণশক্তি কোন নিউজ এজেন্সী কে উল্লেখ করেছে সেটা ভুলে গেছি। এই সময় বলছে ১২।

    আনবিলিভেবল ঘটনা, তিন চার মাশ ধরে প্রোটেস্ট চলছে। আই অ্যাম সিওর, একটা ক্রিশ্চিয়ান বহিরাগত অ্যাংগল আনা হবে, যেরকম নিউক্লিয়ার প্লান্টের বেলায় করা হয়েছিল।
  • h | ২৩ মে ২০১৮ ১৩:১৮394865
  • ফিলিপ রথ মারা গেছেন।
  • S | ২৩ মে ২০১৮ ১২:৫৫394864
  • থার্টিন রিজনস হোয়াই এর সেকেন্ড সিজন এসে গেছে নেটফ্লিক্সে।
  • Ekak | ২৩ মে ২০১৮ ১২:৩৪394863
  • বোকা বোকা এটেম্প্ট, রাদর শুল্ক দপ্তরের বোকা বোকা ব্যখ্যা। এই সামান্য টাকার সোনা পাচারের জোন্যে তো একজন মহিলা কে কিছু ঝুটো সোনার গয়না পরিয়ে, এয়র্পোর্ত এ ডিক্ল্যেয়র করে, আবার ফেরার সময় আসোল সোনার গয়্ন পরিয়ে ফেরালেই হয়। ডিক্লারেশনের সময় নর্মালি সোনা কতোটা খান্টি চেক হয়্না।

    এদের নিস্চই অন্য কারন।
  • | ২৩ মে ২০১৮ ১১:৪৯394862
  • এই যে ডিডি পটল অপছন্দ করতেন, দ্যাহেন দেহি পটল হো তো অ্যায়সা

  • dc | ২৩ মে ২০১৮ ১১:০৭394861
  • আমি এই আন্দোলন নিয়ে আগে কিছু জানতাম না, লাস্ট এক দুদিন ধরে পড়ছি। দূষণের বিরুদ্ধে তো অবশ্যই প্রতিবাদ হওয়া উচিত। প্ল্যান্টটা বন্ধ না করে অ্যান্টি পলিউশান সবরকম মেজার নেওয়া উচিত। তবে প্ল্যান্টের মালিক বোধায় লোকাল অ্যাডমিনিস্ট্রেশান আর পলিউশান কন্ট্রোল বোর্ডকে ঘুষ খাইয়ে চুপ করিয়ে দিয়েছে। এর প্রতিবাদ নিশ্চয়ই হওয়া উচিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত