এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • S | ১৮ মে ২০১৮ ০২:২০394590
  • খেমেনি ক্যাপিটালিজম আর কমিউনিজম দুটই খারিজ করেছিলো না?
  • aka | ১৮ মে ২০১৮ ০২:০৯394589
  • ওমা পার্সিপোলিস? ১৯৭৯ বোধহয়।
  • I | ১৮ মে ২০১৮ ০১:১২394588
  • ইরানে আবার কবে বামপন্থীরা ক্ষমতায় এলো?
  • aka | ১৭ মে ২০১৮ ২৩:৩৪394586
  • কিংবা আফগানিস্তানে।
  • aka | ১৭ মে ২০১৮ ২৩:৩৪394587
  • ইরাণে বামপন্থীরা ক্ষমতায় আসার পরে কি হয়েছিল সেসব তো আমরা জানিই।
  • pi | ১৭ মে ২০১৮ ২০:২৮394584
  • অভি ঃ(

    ওদিকে টইতে ক্লিইক করলে প্রথম পাতা আসছে কেন?
  • dc | ১৭ মে ২০১৮ ১৯:৫১394583
  • গোয়া সত্যি খুব সুন্দর জায়গা, আর তেমনি ভালো খাবার দাবার। এমনকি গোয়ার এয়ারপোর্টটা অবধি ছবির মতো। বারবার যেতে ইচ্ছে করে।
  • aka | ১৭ মে ২০১৮ ১৯:৩২394582
  • মোনার সোনা নিয়ে, মাইকেল সাইকেল চড়ে পালাল।
  • avi | ১৭ মে ২০১৮ ১৭:৪৯394581
  • এই এল বলে। :))
  • | ১৭ মে ২০১৮ ১৭:৪৪394580
  • অ্যাই অভি, সাইকেলের গপ্পগুলো কই??
  • avi | ১৭ মে ২০১৮ ১৭:৩১394579
  • শিলিগুড়িতে হিন্দিভাষী কারো সাথে কথা বলার সময় স্বচ্ছন্দে বাংলায় বাক্যালাপ করা যায়। সবাই বাংলা বোঝেন, এবং বেশিরভাগ খুব ভালো বাংলা বলেন। একজন বাংলায় বলে যাচ্ছেন, অন্যজন হিন্দিতে, কারো কোনো অভিযোগ বা অসুবিধে ছাড়াই - এও দিব্যি দেখি। তো আজ একজন মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভ ভদ্রলোক এসে হিন্দিতে বাক্যালাপ শুরু করলেন। আমি বাংলায়, তিনি হিন্দিতে। কিছুক্ষণ চললো। একটু পরে কার্ড দিলেন। পদবী ঘোষ। যাব্বাবা, হিন্দি চালাচ্ছিলেন ক্যানো তাহলে! এবার বাংলায় বললেন, আসলে অফিশিয়াল মিট করলাম তো, তাই। তো, এই হলো অফিশিয়াল ভাষার মহিমা।
  • de | ১৭ মে ২০১৮ ১৬:১০394578
  • কাজু ফেনি খেলাম - খুবি সস্তা - চল্লিশ টাকা করে - বড় হোটেলেও -

    গোয়ায় তেল, বিয়ার কি অন্য হার্ড ড্রিং সবই অনেক সস্তা - মাহার থেকে -
  • de | ১৭ মে ২০১৮ ১৬:০৬394577
  • তরকারলিও খুব সুন্দর -

    আমরা এবার পথ ভুলেও অনেক নতুন বিচে এসে উপস্থিত হয়েচি - সে সব জায়গা এতোই সুন্দর -

    বাবার তো গোয়া এতো পছন্দ হয়েচে যে আমাকে ডোনা পাওলাতে গোয়া ইউনিতেই অ্যাপ্লাই করিয়ে দিচ্ছিলো অরেকটু হলে! আর ডোনা পাওলা থেকে পান্জিম যেতে গিয়ে আমি কতোবার করে যে কেলোদাদার ইনস্টিট্যুটে ঢুকে পড়ছিলাম ভুল করে - পাঁচ মাথার মোড়ে টার্ন নিয়ে -

    গণ্পতপুলের এমটিডিসি আরো সুন্দর জায়গায় এক্ষটেন্ড করেচে পাই - ওদের ডিলাক্স স্যুট এবার আমি বুক করলাম ফেরার পথে - খুবই ভালো ব্যবস্থা -

    আর কিছু আম খেলাম আর কিনলাম -
  • | ১৭ মে ২০১৮ ১৫:৫৩394576
  • তারকরলিও বড় ভাল
  • pi | ১৭ মে ২০১৮ ১৫:৪৯394575
  • আহ গণপতিফুলে যে কী সুন্দর, আর এমটিডিসির স্টে তে দুটো বারান্দা পাশাপাশি জোড়া, আর সেখানে জ্যোত্স্নারাতের জোয়ারে ঢেউ এসে প্রায় ধাক্কা দিয়ে যেত!
    ওখান থেকেই দেবগিরি নাঅ কী যেন, দু তিনটে আরো বিচে গেছিলাম, সবকটাই, বিশেষ করে তাতে যাবার রাস্তাগুলো এত্ত সুন্দর!

    তরকারলির ছবি দেখে আমিও ফিদা, খুব আফশোস, ওটা প্ল্যান করেও হলনা।

    দেদি লিখো।

    তবে আমার লংতরাই পাহাড়ও বড় সুন্দর। আর যখন সেখানে জুমচাষ হয়। সমবায় কৃষি কাকে বলে, এই প্রিমিটিভ চাষে কেউ দেখে যাক।

    আধা পাহাড় বেড় দিয়ে সবাই বসে ধান রোয়া, কিছুটা জায়গায় কচি ধান কি মকাই, তার কচি সবুজ, সার দিয়ে আর তেমনি সার দিয়ে লাল নীল সবুজ হলুদ পাসরাপরিহিতারা।
    গল্পে উপন্যাসে পড়ি, জুম চাষের গানের কথা। একটা দুটো শিখেওছিলাম। কবে যে শুনব?

    তবে আমার এখন এই গল্প উপন্যাস, এই গানগুলো যে কী ভাল লাগে। সবে সে অর্থে সাহিত্যগুণ ব্যাপক না হলেও ভাল্লাগে। ত্রিপ্য়্রী রিয়াং দের রূপকথার গল্পও।
  • dc | ১৭ মে ২০১৮ ১৪:২৪394574
  • শেষটা আমারও পছন্দ হলো না, মানুষ জাতির ভবিষ্যতটাও তো ভাবতে হবে, নাকি?
  • b | ১৭ মে ২০১৮ ১৪:২১394573
  • শেষের বাক্যটায় কেমন য্যান হিনী।
  • h | ১৭ মে ২০১৮ ১৪:০৯394572
  • কোন কীর্তিগাথা নেই, এগুলো ইতিহাস, মধ্যপ্রাচ্যে আবার কাস্তে হাতুড়ি তারা কোত্থেকে এলো বল্লে দু কথা বলতে হয়। ১৬০ তা ওয়ার্কার, কমিউনিস্ট সোশালিস্ট পার্টির কনফারেন্স হয়েছিল বোধ হয় আল জিয়ার্সে, অশোক মিত্র রা গেসলেন এখান থেকে। কলোনী ভাঙার পরে বামপন্থা পপুলার হয়েছিল, বড় বিপ্লবে সাকসেসফুল দেশ ছাড়াও। এখন তাদের বাজার খারাপ। কি আর করা যাবে। তারা একাধারে মুর্খ বনেছে ও মুর্খামি ক্রিমিনাল অপরাধ ইত্যাদি করেছে। এখন নতুন কোয়ালিশন হচ্ছে এতে অবাক হবার কি হল। মুসলমান আইডেন্টিটির পার্টির সঙ্গে বাম দের অ্যালায়েন্স যেখানে দু দলের পিঠ ঠেকে গেছে হবে। যেখানে কোন একটা বেশি স্ট্রং হবে না। সোজা কোন মডেল নাই। ভালো বামাপন্থী দের কাজ হল নানা লোকের সঙ্গে অ্যালায়েন্স গড়ে সরকারের কাঠি করা। শ্যাডো ওয়ার গোছের হলে কেস টা একটু ঘেঁটে যায়। আর বাজে বামপন্থী দের কাজ হল, ক্ষমতায় এসে অন্যদের কাঠি করা আর সেক্টারিয়ান বিশুদ্ধতা করা। এ মানে চলছে। বামপন্থী দের সারা জীবন কড়া অপোসিশন হওয়া ছাড়া কোন কাজ ই থাকা হওয়া উচিত না। ডাউন উইথ এভরিথিং দ্যাট ইজ আপ ঃ-)))
  • | ১৭ মে ২০১৮ ১৪:০৩394571
  • এহ তারকরলি'র বিচে যেতে ইচ্ছে করছে। ভারী সুন্দর নির্জন।
  • T | ১৭ মে ২০১৮ ১৩:৪৬394570
  • কী আবার এম্ব্যারাসিং! বড় প্রবন্ধ নামাও না। প্রবল পরাজয়ের দিনে কীর্তিগাথা শ্রবণই ভরসা। রাহুল দ্রাবিড় বলতেন। :)
  • T | ১৭ মে ২০১৮ ১৩:৪৩394569
  • 'ফলস্বরূপ' শব্দটা আদতে মাইক নিয়ে সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী চীৎকারের লেজুড়। সিংহ তার পায়ের ছাপ রাকবে না? অ্যাঁ! এ কেমন কথা। :))
  • h | ১৭ মে ২০১৮ ১৩:৪০394568
  • ঃ-))))))))))))))))))))))))))))
  • h | ১৭ মে ২০১৮ ১৩:৩৯394566
  • 'ফলস্বরুপ' টা ভুল হয়েছে, বলতে চেয়েছিলাম যে এই অ্যালায়েন্সটাই ফল, সেটা তিনটে কারণেই হতে পারে। কিন্তু আবার পরিশ্রম করিশ না খুব ই এমব্যারাসিং হয়েছে এমনিতেই।
  • T | ১৭ মে ২০১৮ ১৩:৩৯394567
  • হ্যাঁ, জানি মানে বদলেছে। কিন্তু মাক্কালী গুরু আমার দোষ নেই। :))
  • h | ১৭ মে ২০১৮ ১৩:৩৪394565
  • বাবা ডিসি প্রকৃত ম্যানেজার। আমি খেটে খেটে টাইপ করলাম। ট অনুবাদ করলো, ডিসি সুদু সামারি। তিতাস এই পরিশ্রম টা কেন করলি বুঝতে পারছি না, কিন্তু থ্যাংক ইউ, কিন্তু লজ্জা পাওয়া সত্ত্বেও বলতে বাধ্য হচ্ছি, যে কয়েকটা জায়গায় ফ্যামিলিয়ার টোন করতে গিয়ে মানে টা স্লাইট বদলে গেছে। সেটা বড় কিছু না। যাক গে, বেশ লজ্জা পেয়েছি। নিজের সময় নষ্ট করে এসব কেউ করে নাকি। কি ছেলে রে বাবা।
  • de | ১৭ মে ২০১৮ ১৩:৩০394564
  • বাঃ - এই টি ফিল্টারে ফেলে তো দারুণ লেখা-
    অবিশ্যি ডিসির সামারিও ভালো -
  • PM | ১৭ মে ২০১৮ ১৩:২৬394563
  • হনু বাবুর লেখা কোনো টইতে সংরক্ষন করা হোক
  • dc | ১৭ মে ২০১৮ ১৩:১৭394562
  • আর সামারিঃ দেখুন মধ্যপ্রাচ্যে আর অন্যত্রও নানা রংএর বামপন্থীরা আছে, কাজেই ইরাকে বামপন্থীদের জয়ে অবাক হওয়ার কিছু নেই।
  • T | ১৭ মে ২০১৮ ১২:৫৪394561
  • h এর লেখার অনুবাদ,
    -------------------------------------------------------------------------
    মোঠলমান আর বিশেষতঃ মিডল ইস্ট এর মোঠলমান মানেই, আইডেন্টিটি পলিটিক্স করবে অথবা অ্যাট বেস্ট আরাফত ইত্যাদি ন্যাশনালিস্ট গেরিলা হবে, এটা ভাবার বিশেষ কোন কারণ নেই। সারা পৃথিবী তে যখন বামপন্থা নানা কারণে একটা পপুলার অপশন ছিল তার আগে তো বটেই পরেও নানা জায়গায় বাম আন্দোলন নানারকম মিউটেশনের মধ্যে দিয়ে গেছে। যেমন
    ক্ষমতা শেয়ার, অ্যালায়েন্স ভাঙ্গা, নতুন অ্যালায়েন্স গড়া ইত্যাদি।

    যে বামপন্থী মানুষজন এই জীবনের ওঠাপড়ার মধ্যে দিয়ে গ্যাছেন তাঁরা ছিলেন কোথায়? ইরাক সিরিয়াতে বাথিস্ট পার্টিগুলোর সেকুলার প্যান আরবিজম এর ন্যারেটিভের মধ্যে খুঁজলে এঁদের পাওয়া যেতে পারে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর যখন অটোমান এম্পায়ার ভেঙে গেল এবং তেল ও সুয়েজ ক্যানাল জনিত ব্যবসার সুবিধার্থে ইম্পিরিয়াল ইন্টারেস্ট এর বিরুদ্ধ ন্যারেটিভে এঁদের পাওয়া যেতে পারে। হালের ইরাক ওয়ার, টার্কিশ বা কার্দিশ অপোজিশন ফোর্সের মধ্যেও পাওয়া যেতে পারে। নারীবাদীদের জেনেরালি লেফ্ট হিসেবে ধরলে তাঁরাও নানা ভাবে মিশে রয়েছেন।

    সুতরাং এসবের অ্যানালিসিস খুবই জটিল। সময় নিয়ে করেই বা কে? এই দেকুন না, কালকের ছোঁড়া দের তো বটেই আমাদের জেনারেশনেও, আগের মত সেই আরামটা নেই যে এক টা দেশ মানেই একটাই কমিউনিস্ট আর একটা বড় সোশালিস্ট পারটি। আগে যেমন মোটামুটি এইসব বড়ো পার্টির আপিশিয়াল স্টেটমেন্ট টুকে গণশক্তির বিদেশ কলামের পাতা ভরিয়ে অ্যানালিসিসের মালমশলা সরবরাহ করা যেত। এখন আর সেরম নেই, এর কারণ হচ্চে আপনাদের প্রজন্মের সেকটারিয়ান বিশুদ্ধাচরণ। বিবিধ ভাঙাগড়া ও নতুন অ্যালায়েন্স গুচ্ছ রেটে হচ্ছে। আগে যেমন কোনো কমিউনিস্ট পার্টি বা সোশালিস্ট পার্টি বা নিদেন পক্ষে
    ওয়ার্কার'স পার্টির অ্যানালিসিস কে সমর্থন করা উচিত কি উচিত না, বিশ্ব বিপ্লব এগোচ্ছে না পিছোচ্চে, :)) সেটা বুঝতে আমরা নানা দেশের খবরের কাগজের অ্যাকসেস পাওয়ার আগে এট্টু টাইম নিতাম। দেখতেই পাচ্ছেন যে আজকালকার ছোঁড়ারা চটজলদি দুনিয়াদারির লোভে সেসবের ধারকাছ দিয়ে যাচ্ছে না।

    তবে টার্কিশ আর কার্দিশ ওয়ার্কার্স পার্টি গুলো বেশ পুরোনো। টারকিশ রেজিমের বিরুদ্ধে তাদের লড়াই ও পুরোনো। বিভিন্ন টারকিশ রেজিমের কাছে, মানে সেকুলার মিলিটারি ঘেঁষা রেজিম বা এই আর্দোগান এর ইসলামিস্ট রেজিম দুজনের হাতে কারদিশ আর টার্কিশ বামপন্থীরা প্রচুর ঝাড় খেয়েচে। এখন তো আর্দোগান মিলিটারি র একটা অংশকেও নিজের লয়ালিস্ট বানিয়ে ফেলেছে, ইসলামিজম এর নাম দিয়ে।

    এছাড়া জানবেন, কার্দিশ ন্যাশনালিস্ট মুভমেন্টে বহু ধরনের বামপন্থী আছে। পশ্চিমের বড় শহরে, মাল্টিকালচারালিজম নামের একটা লেফ্ট অফ সেন্টার আইডিওলোজির গ্রহণযোগ্যতা যখন বেশ তৈরী হয়েছিল তখন আমি আমি ব্যক্তিগত ভাবে, সেই সময়টায়, নানবিধ এক্সপেরিয়েন্সের মধ্যে দিয়ে গেছিলাম। জীবনের প্রথম মাইনরিটি এক্সপেরিয়েন্স খানিকটা মজার ই ছিল।

    কিরম শুনুন। বেশ চমকে ছিলাম আর্সেনাল এর খেলা দেখতে গিয়ে। হ্যারিঙ্গে হাইবেরি অঞ্চলে মাইরি কত কাস্তে হাতুড়ি তারা। হলুদের উপরে কাস্তে হাতুড়ি গিয়ার গোছের একটা যন্ত্রের ছবি। প্রথমে ভেবেছি নির্ঘাত আলবেনিয়ান গুন্ডা। ভাবছি এরা আজকাল এইসব করে নাকি, পরে দেখি, না এরা কার্দিশ আরসেনাল সাপোরটার। মে দিবসে বিশাল মিছিল করত, সেটা অফিসিয়াল সোশালিস্ট পার্টির মিছিলের থেকে আলাদা। আমরা অনেকেই দুটো মিছিলেই যেটাম, কারণ পল্লব গ্রাহী হওয়ার এই অ্যাডভান্টেজ টুকু নিতেই হয়। আমাদের এক জার্মান ঐতিহাসিক বন্ধু ছিল, তার শালা এবং শালার বৌ, টার্কিশ বামপন্থী হিসেবে, আর্মেনিয়ান জেনোসাইডের উপরে টার্কিশ অবস্থান এর সমালোচনা করে জেলে ছিল। এই জার্মান ছেলেটা মাঝে মাঝে জেলে ওদের সঙ্গে দেখা করতে ইস্টানবুল যেত। আমরা সে মিছিলে যেতাম, গল্প করতাম। সকাল সকাল ব্যস্ততা, সকালের দিকে কার্দিশ ওয়ার্কার পার্টির মিছিলে হেঁটে, দুপুরের দিকে ইয়াঁগ কমিউনিস্ট লিগ আর সোশালিস্ট পার্টির মে দিবসের মিছিলে যেতাম। তার পরে অ্যানার্কিস্ট রা এসে কাচ ফাচ ভেঙ্গে একটা মধুর সমাপন করলে, সকলে মিলে মাল খেতে যাওয়া হত। সুতরাং দেখতেই পাচ্চেন কত ধরণের বামপন্থী।

    তবে এইরম পল্লব গ্রাহী লেপ্ট লিবেরেল এক্সপেরিয়েন্স এর একটা ইন্টারেস্টিং ফল আউট ছিল। যেহেতু সব গোত্রের ভেন ডায়াগ্রামেই আছি, তো, ইরাক যুদ্ধের বিরুদ্ধে যখন স্টপ দ্য ওয়ার কোয়ালিশন তৈরী হল, তখন ইরাকি কমিউনিস্ট, ইরানিয়ান ফেমিনিস্ট, লেবানিজ প্রাক্তন মার্কসিস্ট গেরিলা ইত্যাদিদের কিছু চাক্ষুষ, কিছু গুল, কিছু মিথ ইত্যাদি যাকে বলে মরমে পশিল।

    যাক গে, ফ্যাক্ট হল, ইরাকে যুদ্ধের পরে মালিকি বলে লোকটার র অ্যাড্মিনিস্ট্রেশন যখন বসে গেছে, তখন কার্দিশ ন্যাশনালিস্ট আর বামপন্থীদের আশা ছিল কুর্দিস্তান হয়ে যাবে, কারন অকুপায়ার ন্যারেটিভেও কারকুকে সাদ্দামের অত্যাচার এর কথা ছিল। আর মুক্তাদা আল সাদর বরাবরই অকুপায়ার বিরোধী ন্যারেটিভ দিত, এইটে আপনি রাগে উমর এর মেমোয়ারে পাবেন। এই অকুপায়ার বিরোধী ন্যারেটিভ নাজাফ শহরে আশ্চর্য্য কিছু না। ইতিহাস দেখুন, এ শহর বহুদিনের শিয়া লার্নিঙ্গ সেন্টার। লাইব্রেরি আল আঝার বিশ্ববিদ্যালয়ের মত বা কর্ডোবার মতই পুরোনো।

    পশ্চিমের এই বড় শহরগুলোতে ইরাকি ফেমিনিস্ট রা, ইরানী ফেমিণিস্ট রা, (ইশপাহান অঞ্চলে এরা খুব স্ট্রঙ্গ) এবং ইরাকি ওয়ারকার আর কমিউনিস্ট সোশালিস্ট পার্টি দের ছোটো গ্রুপ যুদ্ধ বিরোধী মিছিলে আসতেন। কিন্তু ভাষা না জানাতে, বা মেনস্ট্রীম পেসিফিস্ট হোয়াইট লিবেরাল দের সঙ্গে মিছিলে থাকায় আমরা এই ইমিগ্রেশন পলিটিক্স এর ডিটেল এর খবর রাখতাম না। শুধু প্যাট্রিক কোবার্ন দের রিপোর্টে মাঝে মাঝে পড়তাম। এটা আমাদের দোষ না। আপনাকে বুঝতে হবে, বিবিসি তে তখন এম্বেডেড জার্নালিজম চলছে, সি এন এন তো বরাবরি তাই, আল জাজিরা র অ্যাকসেস সবার নেই। আমরা তাই যুদ্ধবিরোধী পজিশন থেকে যুদ্ধের খবর খুঁজতাম, ইরাক যুদ্ধের সময়টা। চ্যানেল ফোর এর জন স্নো, লিন্ডসে হিসলাম, ইন্ডিপেন্ডেন্ট এর লেজেন্ডারি রবার্ট ফিস্ক ছাড়াও, প্যাট্রিক কোবার্নের লেখা আমর ফলো করতাম, অন গ্রাউন্ড থেকে রিপোর্ট হত।

    তো, যেটা বলার চেষ্টা করছি যে নাজাফ শহরে এর মুক্তাদা আল সাদ্ র এর সঙ্গে বাম অ্যালায়েন্স হওয়া আশ্চর্য্যের কিছু না। কারন এখন যুদ্ধ পরবর্তী রিকন্স্ট্রাকশন চলছে। তবে সিরিয়ায় পরিস্থিতি অনেক বেশি জটিল। বাথিস্ট ডিকটেটর দের বিরুদ্ধে বহুদিন বামপন্থীরা ফাইট করছে। আইসিস, আল কায়েদা এলিমেন্ট গুলি ইরাক যুদ্ধ পরবর্তী ঘোলা করা জলে বসানো মাল। আমি অবশ্য জানতাম না ইলেকশনে অ্যালায়েন্স হয়েছে। হতেই পারে, তবে কয়েকটা বিষয়ে অবাক হবার কিছু নেই। শুধু কার্দিশ বা টার্কিশ পপুলেশনে না, লেবানন এবঙ্গ প্যালেস্তিনের প্রচুর ভাঙা সোশালিস্ট কমিউনিস্ট গ্রুপ আছে, প্লাস আবার বাথিস্ট পার্টি সমর্থক দের মধ্যেও আছে। বিনে পয়সায় মস্কো তে পড়তে গিয়ে পাল্টি খেয়ে যাওয়া মার্কসিস্ট লেনিনিস্ট আছে, সংখ্যায় কম হলেও।
    কলোনিয়াল ইন্টারেস্ট ছিল এদের বাড়তে না দেওয়া। তাই বাড়েও নি, যেখানে বেড়েছে সেখানে আবার ভেঙেও গেছে। কমিউনিটি ফ্র্যাগমেন্টেশন টাই অকুপায়ার দের মডেল ছিল সেকুলার ডিকটেটরশিপের বিরুদ্ধে। এবং যত ছোটো ই হোক না কেন শিক্ষিত ওয়ারকার্স ডেমোক্রাটিক কোয়ালিশনের বিরুদ্ধেও। এটা ইরান বা ইরাক শুধু না, বিভিন্ন জায়গায় ফলো করা মডেল। সুতরাং রামধনুর রেঞ্জটা দেখতে পাচ্চেন তো।

    এছাড়া অন্যান্য দেশগুলো যেমন লেবানন এবং প্যালেস্তাইনে সত্তর দশকের এর গেরিলা থেকে শুরু করে ট্রেড ইউনিয়নিস্ট, ওয়ারকার্স পার্টির লোক প্রচুর ছিল। ফিস্ক এর লেখায় কুড়ির উপরে পি এল ও ফ্যাকশনের গল্প আছে। এছাড়া বাথিস্ট রা সিরিয়া এবং ইরাকে বরাবরি বিচিত্র কারনে রাশিয়ার সঙ্গে দীর্ঘ দিন ধরে ক্লোজ, তাই লেফ্ট ফোর্স গুলোর দেশপ্রেমী গ্রুপ গুলোতে রাশিয়া বিরোধী নকুপন্থী প্রচুর লোক আছে। ঃ))) এইবার দেখুন অকুপায়ার ন্যারেটিভে যুদ্ধের খবর পাওয়া যায়, কিন্তু হোয়াটঅ্যাবাউটারি প্রতিরোধে আরো এটা ওটা সোর্স আপনাকে দেকতেই হবে। বাঙালি ভদ্দর্লোক হিসেবে যদি ইজরায়েলি পত্রিকা পসন্দ হয়, হারিত্জ পড়তে পারেন। এই বিচিত্র বামপন্থী রেঞ্জকে তাইলে অসম্ভব মনে হবে না, পছন্দ না হলেও।

    লাস্টে কিসু উদাহরণ। প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ইলিয়াস খৌরী মার্কসিস্ট লেনিণিস্ট ছিলেন, এ তো আপনি জানেনই। যার গেট অফ দ্য সান আধুনিক আর বিকে অন্যতম স্রেষ্ঠ উপন্যাস আবার প্যালেস্তিনের প্রখ্যাত কবি দারউইশ জাতীয়তাবাদী ফাতা পন্থী আরাফত অনুগামী ন্যাশনালিস্ট ছিলেন। এবং সোভিয়েত বিরোধী বলা না গেলেও, ঘরের কাছের কমৌনিস্ট সোশালিস্ট দের পছন্দ করতেন বলা যায় না।

    আসলে কী জানেন, আমেরিকানরা ভেবেছিল, সাদ্দামের পরে বিভিন্ন কমিউনিটির মধ্যে একটা আফগানিস্তান মডেলে আনস্টেবল অথচ পাপেট অথচ ন্যাশলিস্ট না কিন্তু আবার পুরোনো রেজিম বিরোধী ইত্যাদি লোকের একটা কোয়ালিশন প্ল্যান করে আসচে শতাব্দী কাটিয়ে দেবে। কিন্তু এখন নিজেরাই বলে যে তাদের পোস্ট ওয়ার প্ল্যান বাজে ছিল। এতই বাজে ছিল যে পরের যুদ্ধটায় মাড়িয়ে গেল, সিরিয়া তে।

    সুতরাং যেটা বলতে চাইছি যে, আরব দেশে মধ্য প্রাচ্য মানেই 'আইডেন্টিটি পলিটিক্স এর খেলা' বা বামপন্থী দের 'সেকুলার ডেমোক্রাটিক মডেল এর কোন গ্রহণযোগ্যতা নেই' বা 'পপুলাঅর রিলিজিয়াস টেন্ডেন্সি টাই একমাত্র সেকুলার ডিক্টেটর
    এর সঙ্গে যুঝতে পারা মডেল', এটা ভাবার কোন কারণ নেই। যদি ও এটা মেনে নিতে অসুবিধে নেই যে মিশরে খানিকটা তাই হয়েছে। মুসলিম ব্রাদরহুড ই মেন অপোজিশন ছিল।

    এই যে দেখছেন ইরাকে এখন বামপন্থী রা জোর পেল। যে কারণেই পাক, ফলস্বরূপ আরেকটি শ্যাডো ওয়ার হতে পারে। সিরিয়ার এক্সপেরিয়েন্স মানুষ কে ডেমোক্রাটিক ওয়েলফেয়ার ইনক্লুসিভ দেশ তৈরীর দিকে ঝোঁক বাড়াতে পারে, যেটা পরে সিরিয়ার মডেল হতে পারে, বা স্রেফ পশ্চিম বিরোধী দেশপ্রেমিক কোয়ালিশন ও হতে পারে। শান্তিপূর্ণ হর্স ট্রেডিং ছাড়াও রাজনীতি আছে, মোঠলমানদের মধ্য প্রাচ্যেও আছে। এত ভয়ানক ভায়োলেন্স এর সঙ্গে সঙ্গে যে যেমন পারে ডিসেন্ট লাইফ কাটানোর চেষ্টা তো আছেই। কী আর করা যাবে, তেল জিনিসটা না থাগলে গন্ডোগোল কম হত। ঃ-))))))
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত