এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Atoz | ২৭ এপ্রিল ২০১৮ ০৮:০৮393720
  • ইতিমধ্যেই নতুন টপিক এসে গ্যাছে তো! রেস্তরাঁর মাংসের আইটেমে নাকি কুকুর বেড়াল এসব- সেই নিয়ে চলবে কিছুদিন।
  • dd | ২৭ এপ্রিল ২০১৮ ০৭:৫১393719
  • অ্যাই, অ্যাই কথাটাই, মানে ঈশেনের বক্তব্যটাই আমিও লিখতে গেছিলাম। কিন্তু, ঐ যে ঠিক ঠাক ভাব সম্প্রসারণ করতে পারি নি।

    ধর্ষন তো সারা দেশ জুড়েই হয়ে থাকছে সম্বৎসর, হঠাৎ গত সপ্তাহেই খবরে, নিবন্ধে, সম্পাদকীয়তে এরকম অ্যাতোগুলো রিপোর্টিং হয়ে গেলো কী করে ?

    ঘটনা গুলো ফেক নয় কিন্তু রিপোর্টিং এডিটিং কোন পাতায় যাবে কতোটা গুরুত্ব দেওয়া হবে - এগুলো তো প্ল্যান করেই করা। আর দু তিনদিন বাদেই কি এরকম ভাবেই ধর্ষনের খবর পেতে থাকবেন ? আমার পেত্যয় হয় না।
  • @Pai | ২৭ এপ্রিল ২০১৮ ০৫:১৪393718
  • দাদাগিরির এই খেলাটা আমি জানি। ২০১৬তে আমাকে ডেকে ছিল আর যিনি আমার সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দিয়ে ছিলেন তিনি বলে দিয়েছিলেন ঐ সুপার সিক্স বা যাই হোক আপনাকে করিয়ে দেব। যাই হোক সময়াভাবে পাকে চক্রে যাওয়া হয় নি।
  • Ishan | ২৭ এপ্রিল ২০১৮ ০০:২১393717
  • এছাড়াও এই সাইকলে পলিটিকাল গেম থাকাও বিচিত্র না। এই ধরুন, শিশু ধর্ষণ। খবরগুলো কি আর বানানো? ওই মেটিয়াবুরুজের মতো এক আধটা সন্দেহজনক, কিন্তু বেশিরভাগই তা নয়। ইন্টারেস্টিং হল টাইমিংটা। বিজেপির লোকজন যখন ধর্ষণের জন্য বা ধর্ষককে সমর্থনের জন্য বা খুনের জন্য অভিযুক্ত হচ্ছেন, ঠিক তখনই এল 'সব ধর্ষণই সমান'। কথাটায় এমনিতে কোনো দোষ নাই, কিন্তু 'অল লাইভস ম্যাটার'এর গপ্পো তো আপ্নারা জানেনই। নতুন আর কী বলব। তারপর সব ধর্ষণই সমান প্রমাণ করার জন্য খবরের বন্যা শুরু হল। এবং মোদীবাবু নাবালিকা ধর্ষণে মৃত্যুদন্ডের ফতোয়া দিয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন। আপনিও 'অবশেষে সুবিচার এল' ভেবে হাঁফ ছেড়ে বাঁচলেন।

    নিশ্চিত করে অব্শ্যই কিছু বলা যায়না। কিন্তু ভারতবর্ষে প্রতি আধঘন্টায় একটা করে ধর্ষণ হয়, যা রিপোর্টেড। বারো মিনিটে একটা করে খুন হয়। সবকটার রিপোর্টিং অসম্ভব। কোনো একটা টাইমফ্রেমে যখন কিচু জিনিসকে রিপোর্তিংএর জন্য বেছে নেওয়া হচ্ছে, তখনই সেটা এডিটিং। আর এডিটিং মানেই এডিটরের দৃষ্টিভঙ্গীর প্রশ্ন এসে যায়। অতএব, একটু সন্দেহের চোখে তাকানো, প্রশ্ন তোলা, দোষের কিছু না।
  • Ishan | ২৬ এপ্রিল ২০১৮ ২৩:৫৯393716
  • আগেরদিন আর লেখা হয়নি। মানুষ চিরকালই সেনসেশন পছন্দ করে। মিডিয়া সেটা সাপ্লাই দেয়। এখন আউটলেট এত বেড়ে গেছে, আর এত কিছু এমনিই মানুষের হাতের নাগালে, যে, মূলধারার মিডিয়াকে দাঁতে দাঁত হেপে লড়তে হচ্ছে ক্রমাগত সেনসেশনাল খবর জোগান দেবার জন্য। দেখবেন, খবরের একটা সাইকল থাকে। আগেও থাকত, এখন সাইকলটা ছোটো হয়ে গেছে। হঠাৎ দেখবেন অনাহারে মৃত্যু হচ্ছে। তারপই গরুচোর সন্দেহে পিটিয়ে মৃত্যু। তারপরই খুব ধর্ষণ হয়। এখন লেটেস্ট চলছে ভোটে সন্ত্রাস। এই কীসে কখন ফোকাস দেওয়া হবে, কতটা সেনসেশনালাইজ করতে হবে, এগুলো মিডিয়া কেয়ারফুলি বেছে নেয়। যা ঘটছে তাই রিপোর্ট করছে, তা একেবারেই না। এর মধ্যে থেকে যা খব্র চুঁইয়ে পড়ে, সেটাই লাভ আর কী। কিন্তু প্রসেসটা সম্পর্কে সচেতন না থাকার কিছু নেই। ধরুন, আপনি সিপিএম সমর্থক। আজকে তৃণমূলের সন্ত্রাস নিয়ে মিডিয়া খুব লাফাচ্ছে, তার মানে এই ধরে নেবেন না, যে, এই খবরটা এই খেলার বাইরে। আপনি খুব বড়ো নারী অধিকারের প্রবক্তা, তা বলে ভাবার কোনো কারণ নেই, ধর্ষণের খবরগুলো এই চক্রের বাইরে। আহত হবারও কিছুই নেই। কারণ, খবর তো পণ্যই।
  • Atoz | ২৬ এপ্রিল ২০১৮ ২৩:২১393715
  • হুঁ, আমিও এই প্রথম জানতে পারলাম। সত্যিই ইন্সপায়ারিং।
  • Tim | ২৬ এপ্রিল ২০১৮ ২২:৩৫393714
  • আজকের গুগল থিম ফ্যানি ব্ল্যাঙ্কার্স কোয়েন। খুবই ইন্সপায়ারিং স্টোরি। এঁর নাম আগে জানতাম না।
  • Tim | ২৬ এপ্রিল ২০১৮ ২২:২৩393713
  • আচ্ছা তোমায় তাহলে রাষ্ট্রপতি বলা হবে।
  • Ishan | ২৬ এপ্রিল ২০১৮ ২২:১৭393712
  • না আমি অসামরিক ব্যক্তি।
  • Tim | ২৬ এপ্রিল ২০১৮ ২২:১৪393711
  • এটা বেশ ভালো আইডিয়া। সবার একটা করে র‌্যাঙ্ক থাকলে, তখন ব্রিগেডিয়ার টি, কর্নেল হুতো, এয়ার মার্শাল আকা, অ্যাডমিরাল ঈশান এইরকম সব সম্বোধন হবে।
  • T | ২৬ এপ্রিল ২০১৮ ২১:১৪393710
  • n মনে হয় এইটার কথা বলছেন। ঈশানদার লেখা,
    এটা হয়তো একটু পুনরাবৃত্তি হয়ে যাচ্ছে, কিন্তু তবুও করা দরকার। কারণ, জানলাম (দেখলামও, তবে আমিই সম্ভবত সবার শেষে) গত কয়েকমাস ধরে বাংলাভাগ এবং শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির ভূমিকা নিয়ে একটি ছোট্টো লেখা উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা ছড়িয়ে চলেছে। উগ্র হিন্দুত্ববাদী ফেসবুক পেজও ( দরকারে লিংক দেব), মহা উৎসাহে এটি বিতরণ করে চলেছে। লেখাটির মূল বক্তব্য হল, শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জিই একরকম করে পশ্চিমবঙ্গের জনক। লেখাটি জানাচ্ছে, স্বাধীনতার আগে মহম্মদ আলি জিন্না পাকিস্তানের অংশ হিসেবে গোটা বাংলাকে (বিশেষ করে কলকাতাকে) দাবী করেন। কমিউনিস্টরা এবং কংগ্রেস সে দাবী প্রায় মেনেই নিয়েছিল। উল্টোদিকে দাঁড়িয়ে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি কঠোর মেহনত করে বঙ্গীয় আইনসভাকে এমন করে প্রভাবিত করেন, যে তারা পাকিস্তানের কবল থেকে হিন্দুপ্রধান পশ্চিমবাংলাকে আলাদা করার সিদ্ধান্ত নেয়। কলকাতা সহ পশ্চিমবঙ্গ পাকিস্তানের (পড়ুন ইসলামী) আগ্রাসী থাবা থেকে রক্ষা পায়।
    বলাবাহুল্য, এর মধ্যে সত্যতা বিশেষ নেই, এবং ঘটনার গতিপ্রকৃতি সম্পূর্ণ অন্যরকম ছিল। উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের সমস্যা হল, তাঁরা ইতিহাস বিশেষ পড়েননা, এমনকি নিজেদের লোকেদের লেখা ইতিহাসও না। পড়লে জানতে পারতেন, এগুলো ওঁদের কল্পনামাত্র, যেমনটা হলে ওঁদের ভালো লাগত সেই স্বপ্নদৃশ্য।
    বাংলা তথা ভারত বিভাজনের ইতিহাসের একটা অংশ মোটামুটিভাবে সবাই জানেন, যে, ১৯৪৭ এ ভারতীয় উপমহাদেশ টুকরো হয়। কিন্তু এখন ভাবলে অবাক হতে হয়, এমনকি ১৯৪৬ সালেও এটা ধ্রুব সত্য ছিলনা। তখনও জানাই যায়নি, ভাগাভাগি কিছু হবে কিনা। স্বাধীনতা হস্তান্তরের ব্যাপারে ব্টিটিশ সরকার যে ক্যাবিনেট মিশন তৈরি করে, সেই কমিশন ১৯৪৬ সালের মে মাসে সবদিক খতিয়ে দেখে ভারতকে অবিভক্ত রাখারই প্রস্তাব দেয়। এই প্রস্তাবে কংগ্রেস এবং লিগ একমত হয়না। প্রস্তাব ভেস্তে যায়। অচলাবস্থা তৈরি হয়। তখন ১৯৪৬ সালেরই জুন মাসে ক্যাবিনেট মিশন দ্বিতীয় প্রস্তাব দেয়। সেখানে ভারতকে সরাসরি দু টুকরো করার করার কথা বলা হয়। কিন্তু তার পরেও ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়ার কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় অধৈর্য জিন্না ১৯৪৬ সালের ১৬ ই আগস্ট ডায়রেক্ট অ্যাকশন ডে'র ডাক দেন। প্রাথমিক পরিকল্পনা ছিল ধর্মঘটের। কিন্তু তা পরিণত হয় দাঙ্গায়। কলকাতা, নোয়াখালি তে ভয়ঙ্কর নরমেধ যজ্ঞ হয়। দাঙ্গা ছড়ায় অন্যত্রও। দেশভাগ একটা বাস্তবতা হিসেবে ক্রমশ চোখের সামনে আসতে শুরু করে। (১)
    পাঞ্জাবে এবং বাংলায়, দাঙ্গার ক্ষত সত্ত্বেও এই সম্ভাব্য বিভাগের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া হয়। বিশেষ করে বাংলায়। বাংলা ভাগ রোখার শেষ প্রচেষ্টা হিসেবে ১৯৪৭ সালের এপ্রিল মাসে কিরণ শংকর রায়, শরৎ বসু, সুরাবর্দী (যথাক্রমে কংগ্রেস ও মুসলিম লিগ প্রাদেশিক নেতা) একযোগে অবিভক্ত ও স্বাধীন বাংলার একটি প্রস্তাব আনেন। উদ্দেশ্যটা ছিল যেকোনো মূল্যে বাংলাকে ভাগ হতে না দেওয়া। এর আগেও ১৯০৫ সালে বাঙালি সাম্প্রদায়িক বঙ্গভঙ্গ রুখেছে, রবীন্দ্রনাথ ছিলেন যার পুরোধা। সে ইতিহাস বিসর্জন দেওয়া সহজ নয়।
    দলমতনির্বিশেষে নেতারা যখন বাংলা ভাগ আটকানোর চেষ্টা করছেন, বাংলা ভাগের মঞ্চে, এই সময় প্রবেশ শ্যামাপ্রসাদের। ১৯০৫ সালে কার্জনের পর, ১৯৪৭ সালের এপ্রিল মাসে(৪ থেকে ৬ এপ্রিল) তারকেশ্বরে হিন্দু মহাসভার সম্মেলন থেকে সর্বপ্রথম বঙ্গভঙ্গের ডাক দেওয়া হয়। শ্যামাপ্রসাদ বলেন, 'সাম্প্রদায়িক সমস্যার সমাধানে বাংলাকে দুই ভাগ করা ছাড়া আমি আর কোনো উপায় দেখছিনা।' (২)
    ফলে, শ্যামাপ্রসাদ জিন্নার বিরোধিতা করছিলেননা। ধর্ম ও দল নির্বিশেষে বাঙালি নেতারা তাঁদের যাবতীয় ত্রুটি ও সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও যখন ক্ষীণকণ্ঠে বাংলাকে জুড়ে রাখার চেষ্টা করছিলেন, শ্যামাপ্রসাদ তাঁদের বিরুদ্ধতা করছিলেন। স্ব্তঃপ্রণোদিত হয়ে বাংলা ভাঙার চেষ্টা করছিলেন।
    বস্তুত সে সময় জিন্না বাংলাকে পাকিস্তানে নেবার দাবী করেননই নি। কলকাতাকেও না। ওই এপ্রিল মাসেরই ২৬ তারিখ, মাউন্টব্যাটেন জিন্নাকে জিজ্ঞাসা করেন, বিভক্ত বাংলা পাকিস্তানে না গিয়ে যদি যদি আলাদা হয়ে থাকে, তাহলে তাঁর কী মত। জিন্না উত্তরে বলেন, 'কলকাতা ছাড়া বাংলার মানে কী। ওরা আলাদা হয়েই অনেক ভালো থাকবে। আমি নিশ্চিত ওদের সম্পর্কে আমাদের ভালো সম্পর্ক থাকবে।' (৩) এই উক্তিটিকেই অর্ধেক উদ্ধৃত করে, বিকৃত করে, উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা দাবী করে, জিন্না বলেছিলেন, 'কলকাতা ছাড়া বাংলার মানে কী।' অর্থাৎ, জিন্না কলকাতা চেয়েছিলেন। তার সঙ্গে আগামাথাহীন ভাবে যোগ করে দেওয়া হয় শরৎ বসু, কিরণশংকর রায়দের অবিভক্ত বাংলার দাবীকে। এবং তারপর দাবী করা হয়, শ্যামাপ্রসাদ বঙ্গের পাকিস্তানগমন আটকাতে আওয়াজ তুলেছিলেন।
    জিন্নার ওই উক্তি আরেকটি জিনিসও পরিষ্কার করে দেখিয়ে দেয়, যে, তখনই বাংলা কীভাবে ভাগ হবে, দিল্লির উপরমহলে মোটামুটি স্থির ছিল। 'কলকাতা ছাড়া বাংলার মানে কী' কথাটার একটাই মানে, যে, বাংলা ভাগ হচ্ছেই, এবং কলকাতা ভারতে থাকছে, ক্ষমতার অলিন্দে ১৯৪৭ সালের এপ্রিলে মোটামুটি নির্ধারিত (যেটা আটকাতে শরৎ বসুরা আওয়াজ তুলেছিলেন)। শরৎ বসু, কিরণশঙ্কর রায়দের প্রস্তাব কেন্দ্রীয় স্তরে নাকচ হয়, তাঁরাও বাধ্য বালকের মতো মেনে নেন। এবং বিভাজনের সিদ্ধান্ত সরকারিভাবে সামনে আসে, জুন মাসে, যখন মাউন্টব্যাটেন একটি প্রস্তাবে বাংলা এবং পাঞ্জাবের বিভাজনের ব্যাপারটা ওই রাজ্যের আইনসভার হাতে ছেড়ে দেবার প্রস্তাব করেন। ১৫ ই জুন সর্বভারতীয় কংগ্রেস কমিটি এই প্রস্তাবে সিলমোহর দেয়। (৪) সেই সিদ্ধান্তের সঙ্গে সাযুজ্য রেখে, ওই জুন মাসেই বাংলার আইনসভা বিভাজনের প্রস্তাব পাশ করে। এটা একটা জিনিসই দেখায়, যে, পশ্চিমবঙ্গের জনক হওয়া তো দূরস্থান, এই পুরো প্রক্রিয়ার মধ্যে শ্যামাপ্রসাদের বিশেষ জায়গা ছিলনা। হিন্দু মহাসভার সে প্রভাবও ছিলনা।
    তবে প্রভাব থাক বা না থাক, এ ব্যাপারে শ্যামাপ্রসাদ তথা হিন্দু মহাসভার অবস্থান নিয়ে বিশেষ সন্দেহের অবকাশ নেই। বাংলার নেতারা যখন নমো-নমো করে হলেও বাংলার বিভাজন রোখার প্রস্তাব দিচ্ছিলেন, তখন, শ্যামাপ্রসাদ 'ধর্মের ভিত্তিতে বাংলা ভাঙতেই হবে', এই অবস্থান নেন, যে অবস্থানের ফলশ্রুতিতে দুই বাংলারই মাজা ভেঙে যায়। লক্ষ লক্ষ উদ্বাস্তুদের ঢল নামে। মানুষের ভিটে-মাটি এমনকি জীবন হারানো হয়ে দাঁড়ায় খুব স্বাভাবিক ব্যাপার। অন্নদাশঙ্কর রায় যে ধেড়ে-খোকাদের কথা বলেছিলেন, শ্যামাপ্রসাদ নিঃসন্দেহে তাঁদের পুরোধা। আজ দেশবিভাগের স্মৃতি ফিকে, ভিটে-মাটি-হারানো প্রবীণরা বেশিরভাগই নেই আর। কিন্তু তাঁদের উত্তরাধিকারীরা আছেন। সেই উত্তরাধিকারীদের কাছে শ্যামাপ্রসাদের উচ্চকিত মতাদর্শগত উত্তরসূরীদের জবাবদিহি করা উচিত, লক্ষ কোটি মানুষের জীবন নিয়ে ধর্মের নামে এই তেলের-শিশি-ভাঙা পুতুলখেলার জন্য।
    - সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়

    সূত্রঃ
    ১ - India after Gandhi -- রামচন্দ্র গুহ
    ২- Land of Two Rivers: A History of Bengal from the Mahabharata to Mujib -- নীতীশ সেনগুপ্ত
    ৩ - Indian Summer: The Secret History of the End of an Empire -- Alex von Tunzelmann
    ৪- India from Curzon to Nehru and After -- Durga das
  • | ২৬ এপ্রিল ২০১৮ ২১:১২393709
  • ওইটে ভাটেই কিছু পেছনে আছে। আপনি গুগলে লিখে + guruchandali লিখে সার্চ দিন। পেয়ে যাবেন।
  • | ২৬ এপ্রিল ২০১৮ ২১:১১393708
  • ওইটে ভাটেই কিছু পেছনে আছে। আপনি গুগলে লিখে + guruchandali লিখে সার্চ দিন। পেয়ে যাবেন।
  • | ২৬ এপ্রিল ২০১৮ ২০:৫৬393707
  • কোন টই তো মনে পড়ছে না, এর জন্য আমাদের লেঃ জেনারেল পাই কিম্বা সিকির শরণাপন্ন হতে হবে মনে হয়।

    ন, ঈশানের ফেবু পোস্ট পাই ভাটে পোস্টিয়েছিল। ওইটের কথা বলছেন কী?
  • sm | ২৬ এপ্রিল ২০১৮ ২০:৫০393706
  • ডজন দর কতো গো,হাফপ্যান্ট।
  • T | ২৬ এপ্রিল ২০১৮ ২০:৩৮393705
  • মেজর দমদি, n এইটে শ্যামার কোন টইয়ের কথা বলছেন গো?
  • n | ২৬ এপ্রিল ২০১৮ ২০:১৯393704
  • @ টি, toi এর নাম মনে পড়ছেনা, যেখানে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর দেশ ভাগ এবং হিন্দু রক্ষণ এর চাড্ডি ফেক গুলো রয়েছে I আমার মনে হয়েছিল আপনার কিছু মতামত এবং তৎকালীন রেফারেন্স ছাপা হয় এবং আমি পড়েছিলাম I নামোল্লেখে ভুল হলে মার্জনা এবং সেই Toi টি তুলে দিলে ধন্যবাদ I
  • Ishan | ২৬ এপ্রিল ২০১৮ ১৯:২৬393703
  • ওহো মিঠুনের একটা খাওয়া দাওয়ার প্রোগ্রাম হত। সেইটায় রচু ছিল।
  • Ishan | ২৬ এপ্রিল ২০১৮ ১৯:২৫393702
  • রচনা ব্যানার্জিকে আমি চিনি। কোথায় যেন অনেকবার দেখেছি।
  • T | ২৬ এপ্রিল ২০১৮ ১৮:২৮393701
  • এইটে কোন টি? আমি কিছু লিখি নাই। ওঁকস।
  • n | ২৬ এপ্রিল ২০১৮ ১৭:৫৭393700
  • শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী 'র বাংলা ভাগ প্রসঙ্গে টি এর লেখা গুলো যদি কেউ তুলে দেন। ।।।।...................।ধন্যবাদ I
  • pi | ২৬ এপ্রিল ২০১৮ ১৩:৩৬393699
  • ওকে। থ্যাঙ্কু !!
  • S | ২৬ এপ্রিল ২০১৮ ১৩:২৫393698
  • যদুপুর সিভিলের ওয়েবসাইটে উনার ইমেইল আর ফোন নং দুটই আছে।
  • pi | ২৬ এপ্রিল ২০১৮ ১৩:২৩393697
  • বাহ, যোগাযোগ কীভাবে করা যায় ?
  • S | ২৬ এপ্রিল ২০১৮ ১৩:২১393696
  • যদুপুর সিভিলে প্রিতমদা আছেন। এই সাবজেক্টেই উনার পিএইচডি।
  • pi | ২৬ এপ্রিল ২০১৮ ১৩:১৫393695
  • দেশে কাজ করছেন, এখন, এমন কাউকে পেলে খুব ভাল হত।
  • S | ২৬ এপ্রিল ২০১৮ ১২:৫৮393694
  • শিখেছিলাম বহু বছর আগে।
  • pi | ২৬ এপ্রিল ২০১৮ ১২:৫৬393693
  • রিমোট সেন্সিঙ্গ, স্যাটেলাইট ম্যাপিঙ্গ এসব নিয়ে কেউ কাজ করেন?
  • S | ২৬ এপ্রিল ২০১৮ ১২:১৩393692
  • দিদি নম্বর ওয়ান। ইন্ডিয়ায় যতদিন থাকি রচনা ব্যানার্জি চেঁচিয়েই রোজ আমার সান্ধ্য ঘুমটা নস্ট করে। এতো জোড়ে চেঁচায় যে পাশের বাড়ির টিভি মনে হয় কানের পাশে বাজছে।

    যতগুলো রিয়েলিটি টিভি শো হয় তার মধ্যে এক আধটা ভালো গানের শো হয় - এক আধ বছর। কিন্তু যে শোটা সত্যিই বছর বছর ভালো ট্যালেন্ট দিয়ে গেছে সেটা হলো ডান্স ইন্ডিয়া ডান্স। ছেলেগুলো সত্যিই ভালো নাচতে পারে।
  • সিকি | ২৬ এপ্রিল ২০১৮ ১২:০৬393691
  • দিদিগিরিই নাম কিনা জানি না - এইটা একজন মেয়ে করেন। নাম জানি না, ঐ এক মিনিটে কতগুলো বেলুন ফাটাতে পারেন, এক মিনিটে কতগুলো প্রদীপ জ্বালাতে পারেন, এক মিনিটে ধুতি পরতে পারেন - ইত্যাকার চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে নয়াসা-র মিক্সার গ্রাইন্ডার কিংবা কোন কোম্পানির এলসিডি টিভি জিততে হয়।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত