এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • pi | ২২ এপ্রিল ২০১৮ ১০:৩১393570
  • এটা পড়ুন। তারপর জি নিউজের রিপোর্টিঙ্গ টা।

    'এতক্ষণে নিশ্চই সবাই দেখে নিয়েছেন একটা বীভৎস নারকীয় ছবি ফেসবুকে ঘুরছে, ছবিটা সুলতানার, মানে দেহটা।যাদের সন্দেহ আছে তারা পরীক্ষা করে নিতে পারেন বা সোনারপুর থানায় গিয়ে যাচাই করে নিতে পারেন (ইর নো।৫৪২)।মাত্র একশ টাকা রোজে সেই গড়িয়া থেকে রাজাবাজার প্রতিদিন ব্যাগের কারখানায় কাজ করতে যেত মেয়েটা।ছেলে জব্বারকে নিয়ে।বারো বছর বয়স।ওও মায়ের সঙ্গে যেত।বছর ৩৫ বয়স সুলতানার।স্বামী মারা গেছে বেশ কিছু বছর।চারটে ছোট ছোট ছেলেমেয়ে।তার ওপর শাশুড়ির ব্রেস্ট ক্যান্সার।নিজেও দুচোখে বেশ কিছুদিন হল কম দেখা শুরু করেছিল।গড়িয়া স্টেশন থেকে অটো ধরলে মিনিট পনেরো দূরে বাঁশতলা মসজিদ।সেখানেই চার ছেলেমেয়ে আর শাশুড়িকে
    নিয়ে একটা ভাড়ার ঘরে থাকতো সুলতানা।

    মায়ে আর ছেলেতে কাজ সেরে সেদিনও বাড়ী ফিরছিল।সতেরো তারিখ।গত মঙ্গলবার।ঝড়-জলে গোটা কলকাতা সেদিন অবরুদ্ধ হয়ে গেছে।বহুক্ষণ বন্ধ ছিল ট্রেন।শেষ ১১টা৪৫এর ট্রেনও ছেড়েছে বহু দেরী করে।স্থানীয়দের হিসাব অনুযায়ী যদি সেটা এক ঘন্টা দেরী করেও ছেড়ে থাকে তবে গড়িয়া স্টেশনে ঢুকতে দেড়টা হওয়ার কথা।সারাদিনের কাজের চাপ আর তার ওপর ঝড়-বৃষ্টির ধকল।স্টেশনে পৌঁছনোর পর মেয়েটা অসুস্থ হয়ে এক জায়গায় বসে পড়ে।ছেলেকে বলে ঠাকমাকে একটু ডেকে আন।শরীরটা ভালো লাগছে না।সুলতানার এলাকার মানুষদের বক্তব্য সেদিন গড়িয়া স্টেশন সংলগ্ন ভদ্রকালী মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের সামনেই সুলতানা বসে পড়েছিল।সেখান থেকে দুটো মিষ্টিও খেয়েছিল।যদিও আজ সোনারপুর এপিডিআর সহ আমরা যখন সেই মিষ্টির দোকানে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য যাই তখন সে সরাসরি সেদিনের এই ঘটনা অস্বীকার করে।হতে পারে ঝামেলায় না জড়াতে চাওয়ার কারণেই হয়তো।শাশুড়ি এবং নাতি দুজন যখন ফিরে আসে তখন তারা দেখে সুলতানা অকুস্থলে নেই।পাড়ার লোকেদের কাছে ছেলে যে বক্তব্য দিয়েছে তাতে সে বলে যে সে সময় মিষ্টির দোকানের সামনে দুজন বসে ছিলো এবং তাদের মায়ের কথা জিজ্ঞাসা করায় তারা দূরে হাত দিয়ে দেখায় যে ওখানে গেছে।বৃদ্ধা এবং বাচ্চা ছেলেটি তারপর এক ঘণ্টা স্টেশন চত্বরে,আশেপাশের এলাকায় তন্নতন্ন করে খোঁজার পরও সুলতানাকে পায় নি।নিরুপায় হয়ে তারা বাড়ী ফিরে যায় এই ভেবে যে মেয়ে হয়তো বাড়ী চলে আসতে পারে।কিন্তু সুলতানা ফেরে নি।ভোরের দিকে তারা খবর পায় যে সুলতানার খণ্ড-বিখণ্ড দেহ নৃশংসভাবে পড়ে আছে।ছবিতে যেভাবে দেখেছেন।গায়ে সুতোটুকু পর্যন্ত ছিল না।বডি যেখানে পড়ে ছিল তার থেকে কিছুটা দূরে সুলতানার সালোয়ার-কামিজ-চটি আবিষ্কার হয়।

    গতকাল বিকাল পাঁচটা থেকে আটটা পর্যন্ত প্রথম গড়িয়া স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় ও তারপর কন্দর্পপুর,বাঁশতলা যেখানে সুলতানার বাড়ী সেখানে আমরা একটি তদন্ত-অনুসন্ধান চালাই।ও তারপর সোনারপুর থানায়ও যাই।এলাকার বাসিন্দা সহ বহু মানুষের সাথে কথা বলি।উপরে যে তথ্য ও ঘটনা রাখলাম তা এর মধ্যে থেকেই উঠে এসেছে।কিছু সামান্য পরস্পরবিরোধিতা থাকলেও শতকরা ৯৯শতাংশ মানুষের মত যে এটি প্রথমে ধর্ষণ ও তারপর হত্যা ছাড়া আর কিছুই হতে পারে না।যেভাবে সকাল সাড়ে ন’টা অবধি প্রকাশ্য রাস্তায় চাপ চাপ রক্ত আর দলা দলা মাংসপিণ্ড পড়েছিল তাতে বহু মানুষ শিউরে উঠেছেন।এলাকার বৃদ্ধ-বয়স্করা পর্যন্ত মনে করতে পারছেন না তাঁরা তাঁদের জীবনে এমন নৃশংসতার সাক্ষী থেকেছেন কিনা।

    সুলতানার গ্রামের মানুষ,প্রতিবেশী ও গড়িয়া স্টেশন সংলগ্ন ছোট দোকানদার,ব্যবসায়ী,অটোচালক ও স্থানীয় রিকশাচালকদের বক্তব্য থেকে উঠে আসা কিছু তথ্যঃ
    ১) রাত প্রায় দুটো নাগাদ জব্বার,সুলতানার ছেলে ছুটতে ছুটতে বাড়ীতে আসে ও ঠাকুমাকে জানায় যে মায়ের শরীর খারাপ করেছে।মাকে আনতে যেতে হবে।
    ২)রাত সাড়ে তিনটে নাগাদ ওই এলাকায় একটি পুলিশ ভ্যান টহল দেয় ( সোনারপুর থানার ঈ ও যা োন্ফির্ম করেছেন)এবং তারা সেই সময়ে কোনো বডি দেখে নি।
    ৩) ভোর চারটে নাগাদ ট্রেন ধরেন এমন কয়েকজনের সাথে আমরা কথা বলেছি যারা ওই রাস্তা দিয়েই গেছেন এবং তাঁদেরও কোন কিছু চোখে পড়ে নি।
    ৪)গড়িয়া স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় এর আগে এত বড় ঘটনা আগে না ঘটলেও মেয়েদের টিটকারি,হাত ধরে টানা,চটুল রসিকতা ছুঁড়ে দেওয়া নিত্যদিনের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।
    ৫)বেশীরভাগেরই মত সাড়ে চারটে থেকে সাড়ে পাঁচটার মধ্যেই সুলতানার বডি ওখানে ফেলা হয়।হয় ট্রাক দিয়ে পিষে দেওয়া হয় আর নয়তো পরিকল্পনামাফিক ট্রাকের তলায় ফেলা হয়।
    ৬) পরিকল্পনামাফিক শরীরের নিম্নাংশ এমনভাবে পিষে ফেলা হয়েছে যাতে পোষ্ট -মর্টেমে ধর্ষণের চিহ্ণমাত্র না পাওয়া যায়।
    ৭)সমস্ত জামাকাপড় অবিকৃত অবস্থায় উদ্ধার হওয়া ধর্ষণের পক্ষেই প্রমাণ হিসেবে জোরালোভাবে হাজির হয়।
    ৮)রাত দেড়টার পরেই মেয়েটিকে সেখান থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হয় ও তারপর প্রমাণ লোপাটের জন্য খুন করা হয়।
    ৯)যে বা যারাই এই কাজ করে থাকুক না কেন স্থানীয় মুখ হওয়ার সম্ভাবনাই তাদের বেশী।

    এত বড় নারকীয় ঘটনা ঘটার পরেও এবং িুম্স্তন্তিঅল এভিদেেএ ধর্ষণের পক্ষে যথেষ্ট প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও পুলিশ এটিকে শুধুমাত্র অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা হিসাবেই রুজু করেছে।এমনকি সোনারপুর থানায় যখন এই নিয়ে আমরা কথা বলতে যাই তখন দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিক পরেশ রায় পোস্টমর্টেম ও মেডিক্যাল রিপোর্ট না আসার আগেই োন্ফিদেন্ত্ল্য বলে দেন যে এটা উন্নতুরল দেঅথ ছাড়া আর কিছু হতেই পারে না।পুলিশ কাকে/কাদের আড়াল করার চেষ্টা করছে?অদ্ভুত লাগে আরও আমরা চেপে ধরার পর উনি এফআইআর কপি যখন পড়ে শোনান, যে ভাষায় ও যে শব্দচয়নে তা লেখা হয়েছে সুলতানার বৃদ্ধ শ্বশুরের পক্ষে তা কোনভাবেই লেখা সম্ভব নয় বলে আমাদের ধারণা।গোটা এফআইআরে দুটো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নেই।জব্বার ও তার ঠাকুমা যখন সুলতানাকে খুঁজতে এসেছিল তখন যে দুজন তাদের সুলতানা অন্যদিকে গেছে বলে তথ্য দেয় সেটি এবং দ্বিতীয়ত ধর্ষণ যে হয়েছে সে সম্পর্কে তদন্তের কোনো দাবী এফআইআরে নেই।এলাকায় গিয়েও আমরা সুলতানার বাচ্চাদের ও তার শাশুড়িকে পাই নি।আমাদের আশঙ্কা কামদুনির ক্ষেত্রে যে ঘটনা ঘটেছে( পরিবারকে প্রভাবিত করা,তাদের ভয় দেখানো,বাধ্য করা)এখানেও তার পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে।
    সুলতানার পরিবারের সাথে যোগাযোগ তৈরি করার চেষ্টা আমরা চালাবো।কারণ এফআইআর শক্তিশালী না করলে গোটা আইনী লড়াইটাই ভঙ্গুর হয়ে পড়বে।সুলতানার গ্রামের মানুষ তার প্রতিবেশীরা আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন সরল,পরিশ্রমী এই মেয়েটির ইনসাফের জন্য যতদূর প্রয়োজন তাঁরা যাবেন।

    যখন ফিরছিলাম একটা প্রশ্ন মাথার মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছিলো।সোস্যাল মিডিয়ার চারপাশে ধর্ষণ আর নারীনিগ্রহের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ যত বাড়ছে ধর্ষণ ও বাড়ছে তার চতুর্গুণ হারে পাল্লা দিয়ে।এই প্রতিবাদগুলো কি আদৌ কার্যকর?কোনো ছাপ কি সত্যিই রাখা যাচ্ছে?
    গরীবের মেয়ে সুলতানার জন্য মোমবাতি মিছিলের প্রয়োজন নেই।
    কিভাবে রুখবো আসিফা-সুলতানাদের শেষ হয়ে যাওয়া?
    এই গণনারীমেধ?
    বাস্তবসম্মত ভাবে এই প্রশ্নটার উত্তর পাওয়া আজ সবচেয়ে জরুরী।পারলে উত্তর দেবেন।

    তথ্যানুসন্ধানী টিমে অংশগ্রহণ করে÷দেবুদা,সুজয়দা,সরোজদা,জগদীশ,প্রদীপ, জুবি,অভিজিত অভিষেক,শৌভিক,সুরজিত,উত্তম,সঞ্চিতা,আশা,দেব ও দেবজিত।
  • h | ২২ এপ্রিল ২০১৮ ০৯:১৬393569
  • ঈশান, সিকি, ভুলি নাই, পোবোন্দো র বাকি কারেক শান গুলি।
  • aranya | ২২ এপ্রিল ২০১৮ ০৪:০০393568
  • এই প্রতিবেদনে ইয়েলোস্টোনের নেকড়ে-দের কথা পড়ে কিঞ্চিৎ স্মৃতিমেদুর হলেম। ১৯৯৭-এ গিয়েছিলাম। এতই মন কেড়েছিল, নেকড়ে নিয়ে একটা তিন দিনের ওয়ার্কশপে নাম লিখিয়েছিলাম - পরের বছর যাব।
    তারপর যা হয়, যাওয়া আর হল না, 'কেউ কথা রাখে না' - দের দলে নাম লেখান
  • tapas | ২১ এপ্রিল ২০১৮ ২১:৫২393566
  • মেইল ভেজে দিয়েছি। ঠিক বানান কি না সময়ই বলবে
  • i | ২১ এপ্রিল ২০১৮ ১৭:০৯393565
  • তাপস,
    এই রে আমি আবার কী করলাম!!!
    যে কোনো বকেয়া ঝগড়া শেষ করতে যোগাযোগ করুন রক্তকরবী অ্যাট ইয়াহু ডট কমে। গুরুচন্ডালি মতে রক্তকরবী লিখবেন।
  • pi | ২১ এপ্রিল ২০১৮ ১৫:৪৬393564
  • চিন আর ভারতের দশা তো প্রায় একই! এই মেয়ে নিয়ে সমস্যা কি প্রাচ্যে বেশি? হলে রুটটা কবেকার?

    বলছে ক্রাইম বাড়ার একটা বড় কারণও এটা।

    https://www.washingtonpost.com/graphics/2018/world/too-many-men/?utm_term=.09992e4170c0
  • তাপস | ২১ এপ্রিল ২০১৮ ১৪:৫৫393563
  • থ্যাংকিউ। তিতাসের এই লেখাটা না। অন্য একটা লেখা। আমি নাম ভুলে যাই। ছোট হাতের আই কে খোলা পাতা ছাড়া অন্য কীভাবে যোগাযোগ করা যায়, সেচাও আমার কাছে একটা প্রশ্ন।
  • pi | ২১ এপ্রিল ২০১৮ ১৩:২০393562
  • আচ্ছা, ভুতোবাবুকে এখানেও হ্যাবাড্ডে জানিয়ে দি!
  • i | ২১ এপ্রিল ২০১৮ ১২:২২393560
  • তিতাসের কোন গল্প? অতলস্পর্শ?
  • tapas | ২১ এপ্রিল ২০১৮ ১১:৪৮393558
  • দুটো গল্পের হদিশ চাই। তিতাস বেরার গতবারের আগের বারের পুজোর লেখা। আর শাক্যজিতের টিক্টিকির গল্প। কেউ যদি লিংক দেন তাইলে খুব উপকার হয়।
  • T | ২১ এপ্রিল ২০১৮ ১১:৩৭393557
  • নাট্যকার বিভাস চক্কোত্তি নাকি বিজেপি হয়েছেন! মার্কেটে শোনা যাচ্ছে।
  • sm | ২১ এপ্রিল ২০১৮ ১১:০৩393556
  • প্রশ্ন টাও এভাবে করা যায়। ট্যাবলয়েড এর চাহিদা বেশি না ট্র্যাডিশনাল নিউজ পেপারের?
    ট্যাবলয়েড এর চাহিদা কি পাঠকের একান্ত, না কি এমন চাহিদা তৈরী করা হলো, কায়দা করে।
    অডিও ভিজ্যুয়াল মিডিয়া, এই ট্রেন্ডকেই ফলো করবে;এতে বিস্ময়ের কিছু নাই।
  • b | ২১ এপ্রিল ২০১৮ ১০:৫৯393555
  • দ ১০-১৬ঃ একমত।
    কিন্তু ঐ ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখানোটা ঠ্যাকাবো ক্যাডায়?
  • sm | ২১ এপ্রিল ২০১৮ ১০:৫৬393554
  • এটা মনে হয় ওয়েস্টার্ন মিডিয়া তথ্য ট্যাবলয়েড গুলোর অবদান।
    যেকোনো দিন ডেইলি মেইল পড়ুন --পুরো পড়তে পারবেন না।
    দুনিয়ার রকমারি পার্ভার্ষণ, বিকৃত কামের রিপোর্টিং এর ছড়া ছড়ি।
    আপনি স্কিপ করে যেতেই পারেন কিন্তু কাঁহাতক?
    একটা নিউজ দিলো শিশু নিগ্রহ, তো পরেরটা ড্রাগ এডিকশনের বিভৎসতা, তো তার পরের টা, একেবারে ক্যানিবলিজম!
    তবে পরিসংখ্যান ভিত্তিক বা গঠন মূলক সমালোচক এর ভূমিকাও পালন করে থাকে প্রায়শই। যেটা আমাদের দেশে বেশ কম।
  • S | ২১ এপ্রিল ২০১৮ ১০:৪৫393553
  • এসেম, অনেকটাই একমত। কিন্তু ডিমান্ড বেশি বলে মিডিয়া রিপোর্ট করছে, অতেব মিডিয়াই দায়ী - এই মন্তব্যে প্রচুর আপত্তি থাকলো। প্রথমতঃ ডিমান্ড বেশি কেন, সেই প্রশ্নের কোনও সদুত্তর নেই।

    আর মিডিয়ার চেঁচানোতে যদি পুলিশ-প্রশাসন-সমাজকে দিয়ে কিছু ভালো কাজ করানো যায়, তাহলে অন্তত আমার কোনও আপত্তি নেই।
  • sm | ২১ এপ্রিল ২০১৮ ১০:৪১393551
  • শিশুদের ওপর যে কোন রকম নিগ্রহের রিপোর্ট করতে গেলে মিডিয়া কে অনেক দায়িত্বশীল হতে হয়। আমাদের দেশে রিপোর্টিং করার সময় দুটো দিক বেশি রিপোর্টিং করা হয়। ঘটনার বীভৎসতা ও বিবরণ।
    এরপর, বাকি দায়িত্ব কাঁধে নেয়, ফেসবুক, হোয়া ইত্যাদি সোশ্যাল মিডিয়া। ঘুরিয়ে ফিরিয়ে প্রশ্ন চলতে থাকে, অমুক ইনসিডেন্ট টার কি হলো?
    এই ঘটনার বিবরণ অনেক ক্ষেত্রেই ভিক্টিমের পক্ষে ভবিষ্যতে স্কার সৃষ্টি করতে পারে।
    মিডিয়ার ভূমিকা হওয়া উচিত ঘটনার বিবরণ বার বার প্রচার না করে, পরিসংখ্যান ভিত্তিক রিপোর্টিং এ জোর দেওয়া।পুলিশ হোক বা বিচার ব্যবস্থা হোক, তাদের খামতি গুলো কে তুলে ধরা। এতেই সমাজের বেশি উপকার হবে বলে মনে হয়।
  • dc | ২১ এপ্রিল ২০১৮ ১০:৪১393552
  • দ এর সত্থে একমত।
  • pi | ২১ এপ্রিল ২০১৮ ১০:২৭393550
  • হাসি পাওয়াটা অডই লাগল, খারাপও।
  • pi | ২১ এপ্রিল ২০১৮ ১০:২৬393549
  • সিকি, যিনি লিখেছেন, তাঁর সেন্টারের বাচ্চা। খুবই স্ট্রেসড হয়ে আছেন। প্রচুর দৌড়াদৌড়ি। এছাড়া। ভুলও জানতেই পারেন। সেতো কত লোক এরকম কত ভুলই লেখে। কিন্তু এরকম একটা খবর থেকে এরকম নিটপিকিগ এ কুলকুলিয়ে হা
  • lcm | ২১ এপ্রিল ২০১৮ ১০:২৪393547
  • *বিশ বছরে
  • lcm | ২১ এপ্রিল ২০১৮ ১০:২৪393548
  • গত বোশ বছরে জার্নালিজ্‌ম্‌ পেশাটা বহুত ঝাঁকানি খেয়েছে, ভাল খারাপ ধাক্কার কথা বলছি না, স্রেফ ঝাঁকানি। KQED-টিভিতে এ নিয়ে একটা প্রোগ্রাম দেখেছিলাম। লিংক পেলে দেখছি।
  • S | ২১ এপ্রিল ২০১৮ ১০:২৩393546
  • এই চ্যানেল গুলো নাহয় নিউজ সাপ্লাই করে মহা দোষ করেছে।

    কিন্তু লোকের মধ্যে হঠাৎ ডিমান্ড তৈরী হলো কেন এই ধরনের নিউজের জন্য?
  • S | ২১ এপ্রিল ২০১৮ ১০:২২393545
  • সিএনেন যে গন্ডগোল করেছে সেটা হলো ট্রাম্পের অনেক র‌্যালি অযথা অনেক সময় ধরে কভার করেছে। ঘন্টার পর ঘন্টা। অনেক সময় ট্রাম্প তখনো আসেনি স্টেজে, তার পোডিয়াম দেখিয়ে গেছে।

    আর এগুলো তো প্রাইভেট মিডিয়া কোম্পানি। ব্যবসা করাটাই কাজ। আর সেই ব্যবসা করতে গিয়ে যদি কাজের জিনিস বেশি রিপোর্টিঙ্গ করে, তাহলে বাহবা দেব। মেলো ড্রামাটাইজেশন বা জুজু সেল করতে গেলে গালাগালিও দেবো।
  • lcm | ২১ এপ্রিল ২০১৮ ১০:২১393544
  • এ নিয়ে অনেক লেখাপত্র এদিক ওদিক আছে - দর্শকদের মনস্তত্ত্ব, মিডিয়া, মার্কেটং চ্যানেল - হ্যানা ত্যানা।

    নতুন কিছু না, আগেও ছিল।
  • lcm | ২১ এপ্রিল ২০১৮ ১০:১৮393543
  • সিএনএন ক্লোনো গন্ডগোল করে নি। ব্যব্সা করেছে। ফক্স করেছে, এনবিসি করেছে, সিএনএন ও করেছে।
  • S | ২১ এপ্রিল ২০১৮ ১০:১৭393542
  • লসাগুদা আপনার কথা আমিও ঠিক বুঝতে পারছিনা।

    টেররিজমের খবরে যে বেশি ইম্পর্ট্যান্স দেওয়া হবে সেটাই তো স্বাভাবিক।

    সিএনেন অনেক গন্ডগোল করেছে ট্রাম্পকে কভার করার সময়, সেকথা মানছি। কিন্তু ইলেকশন ইয়ারে লোকে বেশি পলিটিকাল নিউজ দেখবে আর চ্যানেল গুলো দেখাবে এটাই তো স্বাভাবিক। আর সে থেকে সিএনেন কেন সব চ্যানেলই বেশি টাকা কামিয়েছে সেটাও তো স্বাভাবিক। আর সেখানে যে ট্রাম্প সবথেকে বেশি সময় ধরে থাকবে, সেটাও স্বাভাবিক কারণ ট্রাম্প আনেক্সপেক্টেডলি রিপাব্লিকান নমিনেশন আর ইলেক্শন দুটই জেতে।
  • | ২১ এপ্রিল ২০১৮ ১০:১৬393541
  • যাগগে ডিডি মনে হয় আর নাই। কাজেই কাটি। তো কাটার আগে পরিস্কার গোটা গোটা করে লিখে দিয়ে যাই রিপোর্টিং হোক সবকটা কেসের রিপোর্টিং হোক এটা আমার বা আমাদের মত অনেকের দীর্ঘদিনের দাবী। সেটা হচ্ছে ভাল কথা, আরো হোক।
    রিপোর্টিঙের সাথে অতিরিক্ত মিডিয়া এক্সপোজারের দরকার নেই বলে মনে করি। একটি বাচ্চার কেস রিপোর্টেড হলেই সেই বাচ্চাটির সাথে কোনওরকমভাবে জড়িত যে কোনও বাচ্চার উপরে হামলে পড়ে অনবরত প্রশ্ন করা, ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখিয়ে চলা সেই বাচ্চাটিকে এবং অন্য বাচ্চাগুলিকেও অস্বাভাবিক জীবনের দিকে, ট্রমার দিকে ঠেলে দেয়। এটা যাঁরা কখনও মলেস্টেড বাচ্চাদের বা অন্যভাবে ট্রমাটাইজড বাচ্চাদের নিয়ে কাজ করেছেন তাঁরা জানবেন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত