এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • S | ০৭ মার্চ ২০১৮ ০৫:১৫391230
  • মোদির কেসটা নিয়ে আমার একটা থিয়োরি আছে।
  • S | ০৭ মার্চ ২০১৮ ০৫:১৪391229
  • এককের সাথে এখানে একটু দ্বিমত আছে। কোরাপশান মারাত্মক লেভেলে যেতে পারে। কেউ ধরে না দিলে এরকম অনেক টেন্ডার এদিক ওদিক পাশ করিয়ে নেওয়া হয়।

    যেমন পোর্টো রিকোর রিকনস্ট্রাকশানের একটা বিশাল বড় অর্ডার সেক্রেটারি অব ইন্টেরিয়র তার নিজের স্টেটের একটা পুঁচকে কোম্পানিকে পাইয়ে দিয়েছিলো। এই কোম্পানিতে উনার ছেলে ইন্টার্নশিপ করেছিলো। পরে লোকে চেঁচামেচি করায় সে অর্ডার উইথড্র করা হয়। অতেব ধরাই যায় যে অনেক অর্ডার টেন্ডার ইত্যাদি এদিক ওদিক দেওয়া হয়ে থাকে। আমরা জানতেও পারিনা।
  • একক | ০৭ মার্চ ২০১৮ ০৫:০৯391228
  • আরেকটা বড় ব্যাপার ধান্দায় থেকে যাওয়া। যে ক্ষমতা এদের আছে। আমরা বলি অমুক লোক মোদির বন্ধু তমুক লোককে মমতা পাইয়ে দিয়েছে। এগুলো অর্ধসত্য। মোদী কেন স্বয়ং ট্রাম্প এলেও আমাকে একটা বড় সরকারি টেন্ডার পাইয়ে দিতে পারেনা। জাস্ট পারেনা। কারণ ওই লেভেলের লোকের সাহায্য গ্রহণ করতেও ওই অবধি একটা জার্নি কমপ্লিট করতে হয়। এই টাটা -বিড়লারা সেটা মাটিতে মুখ ঘষে করেছে একটা সময়।

    খুব কাছের এক্সাম্পল এইযে ভাইপোকে খিস্তি করি, ওর ও একটা ব্যবসা থেকে রিটার্ন ছিল, সেটা দাখিল করে তার ওপর দিদির ভাইপো বলে ওপরে উঠে গ্যাছে। এগুলো আম লোক আমরা দূর থেকে মেপে উঠতে পারিনা আর মনে হয় এই বোধহয় হরিলুট হলো আর ফাঁকতালে কেও বড়োলোক হয়ে গেলো। অমন না।
  • S | ০৭ মার্চ ২০১৮ ০৫:০৮391227
  • টেক্সটাইল খুব বড় ব্যাপার ছিলো এই কয়েকদিন আগে অবধিও। কারণ ঐটাই একমাত্র ম্যানুফ্যাকচার্ড প্রোডাক্ট যেটা ইন্ডিয়া থেকে বাইরে এক্সপোর্ট হতো। বাকি সব ফার্ম প্রোডাক্ট বা মিনারেলস।
  • Atoz | ০৭ মার্চ ২০১৮ ০৫:০৩391226
  • সে ঠিকই। টাকাওয়ালা ডাকাত ছাড়া দুনিয়ায় কোথায় বা কী হয়েছে? বেশিরভাগই দেশেই তো ডাকাতদলই শাসক। স্বদেশী বা বিদেশী।
  • Ekak | ০৭ মার্চ ২০১৮ ০৫:০১391225
  • টাকাওয়ালা ডাকাত ছাড়া পোস্ট ইন্ডিপিডেন্স দেশ এগোতো না। এরা অসম্ভব কষ্টসহিষ্ণু ও ধৈর্য্যশীল সম্প্রদায়। বাঙালির মতো ল্যাদোশ বা বিহারীর মতো আওতালা না। দুনিয়ায় সবাই নিজের কাজের ফল পায়, ফাঁকতালে কেও কিছু করে নিলো এমন নয়। অমন দূর থেকে মনে হয়। তাই বলে এরা আমাদের পেছনে বাঁশ দিলে মেনে নেবো তা নয় কিন্তু খামোখা চাট্টি অসূয়া পোষণ করে লাভ নাই :)
  • Atoz | ০৭ মার্চ ২০১৮ ০৪:৫৪391224
  • হুঁ, "ভারত আমার ভারতবর্ষ স্বদেশ আমার স্বপ্ন গো" এইসব রূপকথা দিয়ে অনেকদিনই ভোলানো হয়েছে আমাদের। ছোটোবেলার স্কুলের ইতিহাসে আর কীই বা করা যেতে পারত? কিন্তু আকাশ থেকে আপেল পড়ার মতন নিউটনের মহাকর্ষতত্ত্ব তো পড়ে না। ও জিনিস অনেক কায়্দা করে ঝঞ্ঝাট ঝামেলা করে হাসিল করতে হয়। ভারতের স্বাধীনতালাভের পেছনে নানারকম ফ্যাকটর খুঁজে বের করাও দরকার।
    এতদিন পরে তো খোলাখুলিই দেখা যাচ্ছে টাকাওয়ালা ডাকাতদলের হাতেই পড়েছে দেশ। প্রথম থেকেই পড়েছিল, কিন্তু তবু একটা ঘোমটা টাইপ কিছু ছিল। এখন তো খোলাখুলি বেচাকেনা চলছে।
  • S | ০৭ মার্চ ২০১৮ ০৪:৪৭391223
  • ঐজন্যই তো বললাম প্রথম কারণটা। ততদিনে ইন্ডিয়া দুইয়ে নিয়েছে। আর এতো বড় দেশ চালাতে প্রচুর হ্যাপা। ততদিনে অনেকরকমের ঝামেলা শুরু হয়েছে। তাছাড়া সেকেন্ড ওয়ার্ল্ড ওয়ারে ইংলন্ড খুব ঝাড় খেয়েছিলো।
  • একক | ০৭ মার্চ ২০১৮ ০৪:৪৬391222
  • এই দিকটা নিয়ে একবার লিখেছিলুম যদ্দুর মনে পড়ছে। জাতীয় কংগ্রেসের পেছনে টাটা বিড়লাদের বড় ফান্ডিং ছিল যা তারা বিভিন্ন লাইসেন্স নামক জমিদারি বন্দোবস্তের মধ্যে দিয়ে উসুল করে নিয়েছে। আমাদের সমস্যা হলো যখন চোখের সামনে কোনো বিরোধীদের মিটিং হয় মিছিল হয় আমরা প্রশ্ন করি কে টাকা ঢাললো ? নিজের দল হলে করিনা। আর "স্বাধীনতা সংগ্রাম " ব্যাপারটা এমন হোলি গ্রেইল করে রেখেছি যেন সেখানে ফান্ডিং ছাড়াই সারাদিন ধরে বাপুর ধর্না আর রামধুন চলেছে আর মাইকের পয়সা গদির পয়সা উঠে গ্যাছে :):) তা নয়, টাটা বিড়লার ওই সময় বুদ্ধি করে ঢেলেছে এবং এস যেমন বললেন তেমনভাবে পরবর্তীকালে উসুল করে নিয়েছে।

    তবে তাইবলে এটাকে "স্বাধীনতার কারণ " বলা যায় না। সেটা মূলত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর বাধ্যবাধকতা ও কলোনি চালিয়ে আগের মতো রিটার্ন না আসা।

    আপনিও চাইলে, খুঁজে দেখুন আফ্রিকা ফাফ্রিকার কোনো একটা দেশ হয়ত স্বাধীনতা চাইছে এই মুহুর্তে, তাদের নেতাকে ধরুন আর খাসোগি লেভেলের কোনো অস্ত্র ব্যবসায়ীর মধ্যে লীঅজো করুন, ফান্ড করুন আন্দোলনকে, শর্ত থাক বাজারে একচেটিয়া ১০ বছরের আধিপত্য। উসুল হয়ে যাবে। যতটা সোজা শুনতে লাগছে এতটা না হলেও, হাইলি এসানিন এর খপ্পরে পড়ে টসকেও যেতে পারেন, বাট অযর্থ গিভিং আ ট্রাই :):)
  • Atoz | ০৭ মার্চ ২০১৮ ০৪:৪২391221
  • আইন অমান্য, অহিংস সত্যাগ্রহ, বয়কট ইত্যাদি সব ব্যাপারেই বেনিয়া কৌশল দেখতে পাই। মনে হয় না রে রে রে রে করে ব্যবসা চালাতে পারলে এত সহজে এই দুধেল গাইটিকে ছেড়ে দিত ব্রিটিশ বেনিয়ারা। একে আরো দুইতো। এত সহজে এ কলোনি ওরা ছাড়তো না। কুট করে বললাম "কুইট ইন্ডিয়া" আর সুট সুট করে ব্যাটারা কেটে পড়ল, এরকম তো নয়।
  • Atoz | ০৭ মার্চ ২০১৮ ০৪:৩৬391220
  • ওদিকের কাপড়ের কলগুলো বিশেষরকম সুবিধে পেয়েছিল মনে হয়। বিলেতী কাপড় বয়কটের আন্দোলনের জন্য। মহাস্থবির জাতকের একটা পর্বে পড়লাম, অতি নিম্নমানের প্রায় চটের মতন ধুতি গুজরাতী কাপড়ের কল থেকে রীতিমতন বেশি দামে বাঙালি কিনতো। অথচ ওরা ঝরিয়া কয়লা খনির কয়লা না কিনে সাউথ আফ্রিকা থেকে কয়লা আমদানি করত।
    মহান মহাত্মা গান্ধীও চরকা ফরকা গছিয়ে এদিককে ভুলিয়ে রাখলেন, ওদিকে তেনার জাতভাইরা কাপড়ের কলে চট বুনে বুনে দেশবাসীকে ভালো দামে বেচে বেচে লাল হয়ে গেলেন।
  • S | ০৭ মার্চ ২০১৮ ০৪:২৭391219
  • তবে স্বাধীনতার পরে ১৯৯০ অবধি যে ক্লোজড ইকনমি মেইনটেইন করা হয়েছিলো তার জন্য অনেকে নেহেরু-কঙ্গ্রেস-সোশালিজম- রাশিয়া অনেককেই দায়ী করেন। সেটা আংশিক সত্যি।

    আসলে টাটা আর বিড়লারাই ওরকম লাইসেন্স রাজ চেয়েছিলো যাতে নিজেদের মনোপলি রাখতে পারে আর দেশে বা বিদেশ থেকে কেউ এসে এদের প্রিভিলেজ্ড পজিশন খারাপ না করতে পারে।

    এইটাকে বোম্বে প্ল্যান বা অনেকে টাটা-বিড়লা প্ল্যান বলেন। মজার কথা হলো এই প্ল্যানটা ভারত স্বাধীন হওয়ার আগেই ড্রাফ্ট করা হয়। অতেব সেক্ষেত্রে আপনি যেটা বললেন সেটা আংশিক সত্যি হতেই পারে।
  • S | ০৭ মার্চ ২০১৮ ০৪:২২391218
  • এরকম কিছু হয়েছিলো বলে তো কোথায় শুনিনি। তবে অনেক কিছুই তো জানিনা। কেউ জানালে ভালই হবে।

    দুটো কারণ আমার মনে হয়েছে। ১) ভারত চালানোর মার্জিনাল নেট বেনিফিট কমে আসছিলো। মানে নিংড়ে নেওয়া হয়ে গেছে; আর ঝামেলা প্রচুর বাড়ছিলো। ২) সেকেন্ড ওয়ার্ল্ড ওয়ারের সময় মনে হয় প্রমিস করা হয়েছিলো যে ইন্ডিয়ানরা বৃটিশদের হয়ে লড়লে যুদ্ধের শেষে স্বাধীনতা দেওয়া হবে। রুজভেল্টের সাথে চার্চিলের মনে হয় এই নিয়ে কিছু মতবিরোধও হয়েছিলো ইত্যাদি।
  • Atoz | ০৭ মার্চ ২০১৮ ০৩:৫০391217
  • একক, আপনাকেই জিজ্ঞেস করি। S কে ও। ভারতের স্বাধীনতা পাবার পেছনে বিজনেসের নানা কৌশল ছিল কি? শেষ পর্যন্ত একদল বিদেশী বেনিয়ার হাত থেকে আর একদল স্বদেশী বেনিয়ার হাতেই কি গিয়েছিল দেশ?
  • Atoz | ০৭ মার্চ ২০১৮ ০২:৩৬391216
  • রুকু, সেই বিদ্যাতীর্থ বিদ্যারত্ন, বিদ্যাসাগর ইত্যাদি উপাধি নিয়ে আর কিছু জানা গেল? এই উপাধিগুলো কি এখনও দেওয়া হয়? নাকি আর প্রচলিত নেই?
  • রুকু | ০৬ মার্চ ২০১৮ ১৯:৩৩391215
  • এটা একটা পরীক্ষামূলক বার্তা।
  • রুকু | ০৬ মার্চ ২০১৮ ১৭:৫৮391214


  • আপিসে ঝড়তিপড়তি অ্যাডের বাক্স ঘেঁটে পেলাম :-D
  • Hmm | ০৬ মার্চ ২০১৮ ১৭:৫৫391213
  • sm,
    বাচ্চাদের কোন আলাদা করে ইনভেস্টমেন্ট করে বিশেষ লাভ নেই (সুকন্যা সমৃদ্ধি ছাড়া)।

    আম্রা বাচ্চার জন্মের সাথে সাথে এসবিআই লাইফ, আইসিআইসি-প্রুডেন্সিয়াল হ্যানা ত্যানা অনেক কিছুতে ইন্ভেস্ট করেছি, সব তার আঠারো বছর বয়সের পর ম্যাচিওর হবে, কিন্তু ওগুলোর চেয়ে SIP তে বেশী লাভ করেছি।
  • সিকি | ০৬ মার্চ ২০১৮ ১৬:২৩391212
  • :)))))
  • T | ০৬ মার্চ ২০১৮ ১৫:০৫391211
  • একক যে উচ্চতা থেকে মনুষ্যসমাজকে দেকছে তাতে এরপর এই প্রশ্ন আসবেই যে সে কদ্দিনে পৃথিবীকে পাক খায়। এই প্রশ্ন অথবা এর বিপ্রতীপে কেসিপালীয় দর্শন। ;)
  • h | ০৬ মার্চ ২০১৮ ১৫:০১391210
  • মদ্যে খান থেকে কিছু মুসলমান আর দলিত আর কেরেস্তান আর যুক্তিবাদী প্ল্যান ছাড়াই এসকেপ করে যাবে। এই যা। নতুন নতুন কথা কইবা তো একটু প্ল্যান কইরা কও। নতুন প্ল্যান হলেই ভালো।
  • একক | ০৬ মার্চ ২০১৮ ১৪:১৮391209
  • এরা কি রাজা দশরথ নাকি যে এখন তখন হিসেব করে রাজত্ব করবে :) আজকের দিনে একটা পার্টি ক্ষমতায় আসার আগে এস্কেপ প্ল্যান ঠিক হয়, যাস্ট এস ইন বিজনেস। বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে কিছু ব্যবসায়ী গোষ্টির টাকায় ও কিছু ধর্মীয় গোষ্টির সাপোর্টে। এদের একটা এস্কেপ প্ল্যান আছে এর মধ্যে কিছু গোছাবে -কিছু ইনভেস্টর কে সেফ প্যাসেজ দেবে -তারপর নিজেরাও গুটিয়ে যাবে। লোকে আনন্দ করবে হেরে গ্যালো। আবার যে আসবে তার কিছু ইনভেস্টর এবং এসকেপ প্ল্যান থাকবে।
  • h | ০৬ মার্চ ২০১৮ ১৪:১৩391208
  • তুমি পড়ো আর তুমি ই লেখো না, কি চাপ মাইরি। আমি এখন সম্পূর্ণ অন্য জিনিস পড়ছি। বীরভূমের নানা লোকের লেখা, জোগাড় করতে, আলোচনা করে আইডিয়া টা পেতে প্রচন্ড সময় লাগছে। শেষ বয়সে বীরভূম ই যে বিদেশি সাহিত্য রূপে দেখা দেবে নানা কারণে এটা আগে ভাবি নি ;-)
  • | ০৬ মার্চ ২০১৮ ১৩:৪৭391207
  • বেশ তো পড়াশুনো করে একটা প্রবন্ধ লিখে ফেলো। তোমারও জানা হল, আমাদেরও।
  • h | ০৬ মার্চ ২০১৮ ১৩:৪৫391206
  • *ক্ষমতা তার আছে?
  • h | ০৬ মার্চ ২০১৮ ১৩:৪৩391204
  • পড়ি ও নি নাম ও শুনি নি। তাই কি করে বলবো কিসুই জানি না।
  • h | ০৬ মার্চ ২০১৮ ১৩:৪৩391205
  • আরে খচে যাচ্ছিস কেনো, ব্যক্তিগত ভাবে আমি আসলে দেখি না, এই ধর মোদিজির উপরে পার্সোনাল কোন রাগ নাই, তবে ওনার জেলে যাওয়া উচিত এই টা মনে করি, তাই বলে কি আমি আর মোদি মানুষ দুইটা খারাপ ? আজ্জো কে আমি যেটা বলছিলাম, এই সব ফালতু উপর উপর কথা, বামপন্থা প্রাইভেট সেকটর রেগুলেশন চায় বলে, পাবলিক সেকটর চায় বলে সে অচল, দেখা যাচ্ছে, পীযুশ গোয়াল পাবলিক সেকটার চায়, আবার কর্পোরেট অ্যাকাউন্টেবিলিটি ও চায়ঃ-))) ঘটনা টা হল আক্রমণ টা দ্বিমুখী। সরকারের ভূমিকা কমানো শুধু না, সরকারের অ্যাকাউন্টেবিলিটিও কমানো সেই জন্যেই ন্যাশনাল ইনশিয়োরেন্স না করে কি করে হেল্থ স্কীম আনা যায় তার গল্প দেওয়া হচ্ছে, এক ই সঙ্গে অধিকারের, প্রতিনিধিত্ত্ব অর্থে এজেন্সী র স্পেস কমিয়ে, কো অপশন মডেলে যেতে চেষ্টা করা হচ্ছে, যেখানে মানুষ কি করা হয় নি সরকার পক্ষ থেকে তার হিসেব না রেখে মাথা নেড়ে বলবে, এরি মধ্যে কত্ত করেছে। ইত্যাদি। দুইটা লোকসভা সিট সত্ত্বেও, এত আয়োজনের এইটাই মূল কারণ। এনটাইটেলমেন্ট দেব না, তাই দরিদ্রের উপকার করবো না, চাকরি দেবো না, ন্যাশনাল ইনশিয়োরেন্স মানে ডাক্তার দের স্লেভারি, ডিসকোর্সের এই নির্লজ্জ তার মাত্রা আমেরিকা র দক্ষিন পন্থা এখনো এগিয়ে। আমাদের দক্ষিন পন্থা একটু মুসলমান আর দলিত কে দ্যাখত্তে ফারে না তাই, ধর গরীব হিন্দু বা গরীব ব্রাহ্মণের কত কষ্ট ইত্যাদি ন্যারেটিভ অস্বীকার করার ক্ষমতা তার আছে। দ্য ডিবেট ইজ বিটুঈন এজেন্সি/রাইটফুল রিপ্রেজেন্টেশন/আইডিয়া অফ রাইট্স অ্যান্ড নর্মালাইজিং ম্যানেজেবল কো অপশন। যে চীন এত শত্রু, সেখানকার মোবাইল নবজাগরিত জনতা চায় কেন, এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার ইচ্ছা বা ক্ষমতা শুধু বামেদের না, আমাদের ডানেদের ও প্রকাশ্যে অন্তত নেই। বামরা ফেটিশ বোঝে কিন্তু অ্যাসপিরেশন বোঝে না এই নিন্দে অনেকদিন শুনছি, তো দক্ষিনপন্থা র বিশুদ্ধ অংশ অ্যাসপিরেশন বোঝে এরকম খবর নেই। তারা এই নির্বাচনে কনফ্লিক্ট ভালো ম্যানেজ করেছে, পরে কতটা পারবে সন্দেহ আছে, যাদের অ্যালাই করেছে, এখন বিরোধী শূন্য দেশ চাইছে, কিছুদিন পরে, বন্ধু শূন্য শ্মশান চাইতে হবে। এই সব আর্যোকে বলছিলাম।
  • | ০৬ মার্চ ২০১৮ ১৩:৪১391203
  • এই যে হনুবাবু, এই বইটা সম্বন্ধে ক'পয়সা দাও দিকি
    Gunter's Winter। এ বই না পড়া মানে নাকি বেশ অনেক কিছু লস। বন্ধু জয়া এটা স্প্যানিশ থেকে সরাসরি বাংলা করেছে। এবার বইমেলায় কেনার ধান্ধায় ছিলাম। কিন্তু ১ দিনের বেশী যেতে না পারায় সেসব প্ল্যান চৌপাট হয়ে গেছে। আপাতত তুমিই ভরসা। লেখক এবং বই সম্পর্কে ক'পয়সা দাও।

    বাকীরা কেউ বললেও হবে।
  • pi | ০৬ মার্চ ২০১৮ ১৩:১৪391202
  • এই যে হানুদা, মানিক সরকারকে এখন বলেনা, অনেক দিনই পছন্দ করি। বিশেষ করে ওনাকে সামনাসামনি কয়েকবার শোনার পর থেকে।

    আর ত্রিপুরার সিপিএম ও সরকারের বেশ কিছু কাজ পছন্দও করি, কাছ থেকে দেখার পর। কিছু ব্যাপারে আপত্তি আ্ছে। এইসব আর কি।
  • sm | ০৬ মার্চ ২০১৮ ১২:১৬391201
  • চট করে বলে ফেলুন তো, ১২ বছরের ওপরে শিশুদের জন্য ইনভেস্টমেন্ট অপশন কি কি আছে? সুকন্যা সমৃদ্ধি স্কিম বাদ দিয়ে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত