এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • | ১৩ জুলাই ২০১৭ ১২:২৫380130
  • এটা সেদিন ভাটে লিখলেন না ঋক? নাকি আমি গুলাচ্ছি?
    লেখাটা ভারী সুন্দর। অঞ্চলটাও ভারী চেনা আমার। কখনও নিউ টাউন ডিপিএসের রাস্তাটায় ঢুকে ডিপিএস ছাড়িয়ে কালুর মোড় অবধি হাঁটবেন। ভারী চমৎকার লাগে। মাঝে একজায়গায় ঝুপসি বাঁশবন, সন্ধ্যের পর হেব্বি মজা।
  • ঋক আর কিছুনা | ১৩ জুলাই ২০১৭ ১২:২০380129
  • বাউন্ডুলের দিন রাত
    একটা লোকের সাথে কাজ ছিলো ডিএলেফে, ছুটির দিন ল্যাদ কাটিয়ে বেরিয়ে মাঝরাস্তায় টেক্সট এলো আমার শরীর খারাপ স্যার আজ হবে না প্লিজ পার্ডন মি। হতভাগাকে ইচ্ছে করছিলো জিওর এক জিবির পরের অবস্থায় উবের বুক করার দায়িত্ব দিতে।
    ইকো পার্কের কাছে ঝপাং করে নেমে গেলুম আহা ভাড়া দিয়েই রে ভাই।
    হাঁটতে আমি খুব পারি আর একা একা হেঁটে চষে বেড়ানো আমার নেশা। রোদ আছে ভালোই, এদিকে ফাঁকা মাঠ অনেক এখোনো। মন মেজাজ ঝরঝরে হয়ে যাচ্ছে। একটা ক্রেন কাদায় দাঁড়িয়ে মজাসে কাদা তুলছে হাতল দিয়ে দিয়ে। আমায় একটু চালাতে দেবেনা না? রাস্তা ঘাট কি ঝকঝকে এদিক্টায় রে, কেউ হিসি করে পিক ফেলে প্লাস্টিক ফেলে নোংরা করে রাখেনি। গাছে ছাওয়া মসৃন ফুটপাথ। তাঁবু খাঁটিয়ে রাস্তা বানাবার লোকজন রয়েছে, রান্না চলছে। এরকম তাঁবুর মধ্যে থাকতে কেমন লাগে? এর চেয়ে গাছের নীচে থাকলে তো আরামে থাকা যেত। কাশফুল ফোটা শুরু হয়েছে। একজন লোক দেখি গাছের নীচে ঘাসের আসনে আরাম করে বসে টিফিন ক্যারিয়ার থেকে ঝোল মাখা ভাত খাচ্ছে। সকাল এগারোটায় ঝোল ভাত খেতে আমার খুব খারাপ লাগলেও এরকম ঘাসে বসে খেতে হয়ত খারাপ লাগবে না।
    সোজা না গিয়ে বাঁ দিকের ফাঁকা রাস্তাটায় ঢুকলাম। বাস যায় না এ রাস্তায় গাড়ি, টোটো এক দুটো সাইকেল। ছুটির দিন বেজায় ফাঁকা সব। এমনকি ঝিঁঝিঁ্র ডাক শোনা যায় কান পাতলে। পুকুর পারে খেজুর গাছের তলায় ঝিম হয়ে বসে আছি। একটা বউ দূরে কলাবাগানের পাশ দিয়ে গরু নিয়ে যাচ্ছে।
    কিচ কিচ করে চড়াই ডাকছে, সাদা ফুলে ভোমরা উড়ছে। একটু এগিয়ে জলা আছে। হাফপ্যান্টুল পড়ে টেরি আর গোঁফ বাগিয়ে মাছ ধরছে। কি।মাছ ধরলে ভাই? শোল ল্যাটা?
    - হ্যাঁহ বড় মাছ নাই।
    পার্থেনিয়ামের ভয় অগ্রাহ্য করে প্রাণ ভরে বুনো গন্ধ নিচ্ছি, আকাশে গোঁত খেয়ে একটা শালিক আর একটা এরোপ্লেন উড়ছে। আরে একটা বাদামি ঠোঁটের, সাদা ডানার কি পাখি এটা? বেজায় রোদ্দুর। গরমেদেশে ভদ্দরলোক সেজে থাকা দায়। এই পুকুরে একটা ডাইভ মারার দম আমার নেই।কিচিরমিচির শব্দ নিয়ে, কলকে ফুলে ভোমরার ওড়াউড়ি, পাগলা কোকিলের ডাক, মাছরাঙার ডাইভ দেখতে দেখতে তেতে ওঠার রাস্তা ধরে এগিয়ে যাচ্ছি.....
    হঠাৎ দেখি ফাঁকা মাঠের মাঝে একফালি একটা চা এর দোকান। ভারী হতশ্রী চা এর দোকান। আর্ধেক বিস্কুটের কৌটো খালি। উনুন অব্দি নেই চা বানানোর, ফ্লাস্কে ভরা চা। একটা নুয়ে পড়া বুড়ো মানুষ দোকানে বসে আছে আনমনে। 'কাকা চা দেবে নাকি'?
    -কেন দেবোনা বাবা, বোসো।
    অজস্র বার ফোটা গুড় মিষ্টি গুঁড়ো চা। খেতে খেতে গল্প হলো বলেই খাওয়া যায় সে চা।
    -বাস ধরবে?
    -না না হেঁটে যাবো।
    -তাহলে বেরিয়ে পড়ো। মেঘ করেছে খুব বৃষ্টি এলো বলে।
    সত্যিই তাই। এগোতে এগোতে আকাশের রঙ বদলে গেলো। হাওয়া দিলো দমকা। সিটি সেন্টারের উলটো দিকের বাসস স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়েছি বৃষ্টি এলো। বাস স্ট্যান্ডটা টিনের চালের। মুড়ি ভাজার আওয়াজের মতো বৃষ্টির শব্দ, হু হু বাতাস শুনছি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে। হঠাৎ একটা ছাগল দেখি গুটিশুটি মেরে আমার জিন্সের কোন ঘেঁসে দাঁড়িয়েছে। ভাগ বলতে গিয়েও সামলে নিলাম, বেচারা এ বৃষ্টিতে যাবেই বা কোথায়।
    বৃষ্টি একটু কমতে ফের এগোচ্ছি। গাড়ির প্যাঁ পোঁ আওয়াজ, চিনার পার্কের কাছটা গোবরের গন্ধে ম ম করছে, জলে গোবরে মিশে গেছে। একজন ভ্যানে করে মাছ বিক্রি করতে করতে যাচ্ছে।
    পরের অটোতে আর না উঠে আমি ফের হাঁটা লাগালাম। চুপ্পুস বৃষ্টি নেমেছে আবার। হাঁ করে করে বৃষ্টি খাচ্ছি দেখে তুমুল বৃষ্টিতে রাস্তার মাঝে দেখে লোকজন তাকাচ্ছে। আমার কিছুই যায় আসে না তাতে... গান গাইতে গাইতে অঝোর বৃষ্টিতে ফাঁকা রাস্তা ধরে হাঁটছি.....

    রাত্তিরবেলা রাস্তা ঘাট গুলো ভয়ানক অন্য রকম হয়ে যায়। আমি বিশ্বাস করি এ জগৎ প্রপঞ্চময়। রাস্তা বৃষ্টিতে ভিজলে রাতেরবেলা জেগে ওঠে, জ্যোৎস্নায় রাতের বেলা রাস্তারা নদী হয়ে যায়। সে নদীতে ডুব দিলে আর পারে ওঠা যায় না। পরীরা নেমে আসে তখন। অনেক রাতে আমি অফিস থেকে ফিরি যখন, সকালবেলার ভীষণ চেনা রাস্তাটুকু কিরকম অচেনা ভঙ্গীতে তাকায়।ঝিলের পারে গাছগুলো ফিসফিস করে, 'এ যাবে কখন? এখানে দাঁড়িয়ে আছে কেন?' যেদিন চাঁদ ওঠে সেদিন সব্বার উৎসব, সে উৎসবে জ্যোৎস্না দিয়ে পোশাক তৈরী হয় গাছেদের জন্য ঝিলের জলের জন্য, নদীর জন্য সমুদ্রের জন্য। একগাদা বাজে আলো দিয়ে বিরক্ত করা মানুষগুলো ছুঁতেই পারেনা সে পোশাক।
    রাতের শহরও ভারী আনমনা হয়। সাঁই সাঁই করে গাড়ি চলে যায় তীরের মতো, হর্ন দেয়না। লরির খালাসি রেডিও শোনে পেট্রলপাম্প এর আগে দাঁড়িয়ে। নেড়িগুলো বাঘের মতো পাড়া দাপায়। ক্যাবের ড্রাইভার কথা শুরু করে। কোনো ঘরের ফিসফিস হাসি, কোনো ঘরের চাপা আর্তস্বর, কোনো ঘরের নিঃশব্দ চোখের জল ছিটকে আসে গলিতে রাস্তায়। তারপর হয় তুমুল বৃষ্টি বা উত্তাল জ্যোৎস্না টেনে নেয় সব। ঝুপ্সের শেষ দোকানটাও বন্ধ হয়ে যায়, ভ্যান গাড়ি গুলো ক্রমে শান্ত হয়ে রাস্তার পাশে চুপটি করে দাঁড়িয়ে পরে। রাত বাড়ে...নিস্তব্ধতা আরাম করে পা মেলে বসে ফাঁকা মাঠে পুকুর পাড়ে।
    সেই সময়টা যদি সব কিছু সব মানে সব, অহং ভয় লজ্জা রাগ ঘেন্না সব ভুলে ওই মাঠের ধারে ঘাসে বসে থাকা যেত গাছেদের কথা শোনা যেত বোধহয়, নিজের বুকের একদম ভিতরে লুকিয়ে আছে যে কথা নিজেও সঠিক জানিনা তার হদিশ পাওয়া যেত। ঝিলের জলের কোন গভীর অন্তঃস্থল আর মস্তিষ্ক এর অচেনা ঝিল পাড়া মিলে যেত এক সাথে।
    শান্ত হয়ে বুঝতে পারতাম নিস্তব্ধতা, অনুচ্চারিত ভালোবাসা। সব ক্লেদ জ্যোৎস্নায় ধুয়ে যেত।
  • পাই | ১৩ জুলাই ২০১৭ ১১:৩৩380128
  • পরিমলদার পোস্টটা।
    '
    'The world must be all fucked up when men travel first class and literature goes as freight.'

    একথা বলেছিল সেই ক্যাটালোনিয়ান, মাকোন্ডোর একমাত্র বইয়ের দোকানের মালিক, যখন এক ট্রেন যাত্রায় রেল ইন্সপেক্টার তাঁর তিন বাক্স ভর্তি সাহিত্যকর্ম লাগেজভ্যানে পাঠাতে চেয়েছিল।

    'Remove the temporary on ontology with the wrench screw...'
    'In order to the screw on screw easy for positive...'
    'Has yawns side (medially) on electronic watch side wrapped up...'

    নীচের ছবিটি একটি এক্সসারসাইজ বাইকের ইন্সটলেশান ম্যানুয়াল থেকে।

    আজ ফেসবুক খুলতেই চোখে পড়ল কুৎসিত বাংলায় লেখা এয়ারটেলের একটি বিজ্ঞাপন নিয়ে অনেকগুলি পোস্ট। বাংলা ভাষার এই অসহ্য বিকৃতি নিয়ে এই ধিক্কারটা এয়ারটেলের অবশ্যই প্রাপ্য। হয়তো এই সংবাদপত্রগুলিরও (যদিও এয়ারতেল হোক বা জাপানিটেল, বিজ্ঞাপনের পাতায় কী যাচ্ছে তা নিয়ে ওরা আদৌ মাথা ঘামায় বলে মনে হয় না, কেন না টাকা দিলে তাঁদের প্রমিস হল প্রমিস রক্ষিত করা)।

    কিন্তু মনে রাখা দরকার, এইসব 'কন্টেন্ট'গুলি কিন্তু তৈরি বা অনুবাদ করে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ দেওয়া আমাদের ঘরের ছেলেমেয়েরা। যদি ভাবেন তাঁদের কেবল 'বাংলাটা ঠিক আসে না', তাহলে প্লীজ remove the temporary on ontology with the wrench screw। তাদের ইংরেজিটাও ঠিক আসে না।

    ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার-এমবিএ বানাতে চাওয়া বাবা-মায়েদের কাছে সন্তানের ভাষাশিক্ষা আজ একটি অপ্রয়োজনীয় লেজুড়। আজকাল কিন্তু বিপুল সংখ্যক ছেলেমেয়ে উচ্চমাধ্যমিকে আবশ্যিক পাঁচটি বিষয়ের মধ্যে দুটি ভাষা না শিখেও দিব্যি পাশ দেয়, কলেজে ভর্তি হয়। স্নাতকস্তরে পঞ্চাশ নম্বরের দুটি আবশ্যিক ভাষার পরীক্ষা দিতে হয় বটে, তবে তা প্রহসন মাত্র। সে সেই দমফাটা হাসি/ দুঃখের গল্প নিয়ে পরে কখনো লিখব। তবে স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বত্রই ভাষা সাহিত্যের বিভাগগুলি প্রান্তিক রুগ্ন পরিত্যাজ্য হয়ে পড়ছে।

    'The world must be all fucked up when men travel first class and literature goes as freight.'

    তবে এক্সারসাইজ বাইকের ওই ম্যানুয়াল দিয়েও কিন্তু শেষপর্যন্ত আলাদা যন্ত্রাংশগুলি থেকে বাইকটি খাড়া করা গিয়েছিল। তার কারণ ওই ছবিগুলি। গুহাচিত্রের যুগে আদিম মানবমানবীরাও এভাবেই জীবন ধারণ করত। তার কারণ yawns side (medially) on electronic watch side wrapped up। অর্থাৎ, এ হল আধুনিক কালের সঙ্গে একটা সম্পর্কতা শুরু করার প্রমিস।
  • pi | ১৩ জুলাই ২০১৭ ১১:৩০380127
  • ei niye parimaladaar posTe sourabha bale ekajaner bistaarit byaakhyaa parhalaam.

    'Though translation algorithms might have stepped in, these translations are mostly done in Mumbai / Delhi advertising agencies by translators hired on contract who come in for a short shift and translate quickly and with very little supervision (sometimes there is no supervision at all, responsible advertising executives get it double-checked by the client or a copywriter who speaks or writes the native language).

    Often the translators only know one language well enough, but they learn rudimentaries of others to enhance their employability (the package is generally Bengali, Tamil, Hindi). They fill the gaps with online dictionaries and phone-a-friend-s. They have to wrap it up quickly and visit the next agency office.

    So equally atrocious translations of all regional languages (depending on if the said translator is a native speaker of Bengali translating Tamil or a Marathi translating Bengali) have been printed for years.

    Primarily because, in the bigger scheme of things, these advertisements are few and far between and all parties concerned, client, agency and translator don't know the language well enough to realise how poor the translation is.

    Only if the client knows it well, the subordinates are extra careful. If the agency knows it well, the translator is careful. Often the translator knows it well and does a good job only to be 'corrected' by his superiors who often have an inflated sense of their knowledge of the language.

    Now it must be noted here, that a single mistake in the English counterpart of the advertisement is liable to huge uproar (if noticed), lakhs of rupees loss (often the agency has to re-print it at their own cost) and sackings (if a Junior writer is involved in proofchecking, not paying his salary even for years won't be enough to compensate).

    Because the unsaid (and often said out loud in meetings of media planners to justify a regional language print ad) logic goes thus, only the English-speaking/reading have enough disposable income to be considered important by the brand, even if they speak / read other regional languages, they don't know it well enough / care enough for it (just like the executive who is providing this logic). People who know only the regional language and read the entire advertisement to spot the mistakes are too poor and too jobless anyway to be worthy of being targeted by the brand.

    These are supposed to be goodwill gestures like 'Nomoshkar Kolkata' hurriedly learned on the flight by a Bollywood star in order to 'charm' the local press at the airport. Or 'Kasakaye Mumbai' learnt by a white pop star to charm the local concert crowd. The accent is supposed to be wrong, just like the spelling mistakes in the airtel ad, but the poor dear, the rich bitch, the great panjandrum has cared enough for us little people to learn a few words of our lowly tongue. Full marks for that, yes?'
  • Atoz | ১৩ জুলাই ২০১৭ ০৭:৫৪380126
  • মাঝখান থেকে বিপুল প্রচার হয়ে গেল। ঃ-)
  • Atoz | ১৩ জুলাই ২০১৭ ০৭:১৪380125
  • মজার ব্যাপারটা দেখুন, যেখানে টাকাপয়্সার ব্যাপারে কথা হচ্ছে, সেখানে কিন্তু টনটনে ঠিক ব্যাকরণ। হুঁ হুঁ, স্যায়না লোক এরা। ঃ-)
  • Atoz | ১৩ জুলাই ২০১৭ ০৭:১১380124
  • ওহ্হ্হ্হ, হি হি হি। ঃ-)
  • Atoz | ১৩ জুলাই ২০১৭ ০৬:১৪380122
  • সম্পর্কতা ওয়ালা বাংলা কোথায় দেখা গ্যাছে? ফেবু ভেসে যাচ্ছে এই নিয়ে। ঃ-) কেউ সম্পর্কে তা দিতে বলছেন, কেউ চাকরি চাইছেন। ঃ-)
  • Ishan | ১২ জুলাই ২০১৭ ২২:৪৯380121
  • সে কী? এরকম হবে জানলে তো বইপত্তর ডাউনলোড করে রাখতাম।
  • archive.org | ১২ জুলাই ২০১৭ ২২:২৭380119
  • ডি এল আই পুরো ডেটবেস আর্কাইভ ডট অর্গ এ তুলে দিয়ে বিদায় নিয়েছে।
  • Ishan | ১২ জুলাই ২০১৭ ২০:২৫380118
  • হাঃ বাংলা। মানে বাংলা ভাষা। গ্রুপে একটা লেখা লিখলাম আজ, আরেকবার টাইপ করতে পারিনা। কপি করে দেব খানিক পরে।
  • Rajashri Sarkar | ১২ জুলাই ২০১৭ ১৯:০০380117
  • ঝুমুর - পলাশ

    #প্রতিভা সরকার #

    খড়দার রহড়া অঞ্চলে বহু প্রাচীন প্রায় একশো দেড়শো বছরের পুরোন একটি মন্দির আছে। মা ওলাই চণ্ডীর মন্দির। পাশে একটি পুকুর আছে তাকে দীঘিও বলা যায়, তবে সেটা হাড়ি - পুকুর নামে পরিচিত। সেই মন্দিরের আরাধ্য দেবী চণ্ডীর পুজোর নিমিত্ত প্রতি বছর 2 রা বৈশাখ একটি মেলা বসে। বহু প্রাচীন সেই মেলা পূর্বে জাঁক জমকে ভরা ছিলো। দূর, দূরান্ত থেকেও ভক্তরা আসত। চৈত্র সংক্রান্তির শেষ থেকে আয়োজন শুরু হয়। 2রা বৈশাখ সেখানে মেলা বসে প্রতি বছর নির্দিষ্ট দিনে।
    মেলায় খুঁজে পাওয়া যায় লোক সংস্কৃতির নানা উপাদান। যা আমাদের প্রজন্ম কে পরিচিত করে দেয় নিজ বাংলার সত্ত্বা ও সংস্কৃতির সাথে। সেই মেলায় একটি ছোট মেয়েকে কোলে নিয়ে এক মা মাথায় ঝুড়িতে করে নিজের হাতে মাটির পুতুল বানিয়ে বিক্রি করতে আসে প্রতি বছর। সারা বছর ধরে তার প্রস্তুতি নিতে হয়। সংসারের কাজ শেষ করে মাটি চেনে রং দিয়ে তৈরি করেন অনেক রকম পুতুল। কুমোর বাড়ির বৌ বলে এই কাজ সে অত্যন্ত যত্নের সঙ্গে করতো। ছোট মেয়েটিকে পাশে বসিয়ে রেখে খদ্দের সামলাত। ক্রমে তার মেয়েটি বড় হলো, সে ও শিখছে পুতুল বানাতে। মা র থেকেও ভালো। এখন সেই আসে মেলায় মাকে ধরে নিয়ে। মা কে পাশে বসিয়ে রেখে সে পুতুল বিক্রি করে। এখন সে যৌবনবতী। এক মাথা চুল উঁচু করে খোপা করা তাতে একটা শিমুল ফুল গোঁজা, বড় বড় চোখ ঢল ঢলে মুখ। গ্রাম্য সরলতায় ভরা দেহ খানি রঙিন ছাপা শাড়িতে আচ্ছা দিত। মেলা যেখানে বসে তার ঠিক পাশে একটি দোতলা বাড়ির বাসিন্দা এক বয়স্ক ভদ্রলোক প্রায় ৮০, ৮৫ বছর বয়েস তিনি এই ঘটনার সাক্ষী। প্রতি বছর এদের দেখতে পান। তিনি মেয়েটিকে মেলা শেষে ডেকে বললেন - তোমার বাবা কি করেন ? তিনি কোথায় ? তোমার নাম কি ? মেয়েটি তখন বলে আমি ঝুমুর, বাবা নদীর পারে গিয়েছিলেন জোয়ারের জলে ভেসে গেছেন। মা ই আমাকে মানুষ করেছেন। পরের বছর সেই মেলা আরও ছোট আকার নিয়েছে। কিন্তু ঝুমুর ঠিক এসেছে মাটির পুতুল নিয়ে মাথায় সিঁদুর হাতে শাখা পলা পায়ে নূপুর। পাশে মার বদলে একটি কালো লম্বা মতন ছেলে। প্রতুল বাবু মানে সেই বৃদ্ধ ভদ্রলোক আর নেই কিন্তু ওনার স্ত্রী ঝুমুর কে ডেকে জিজ্ঞাসা করলেন - কে এসেছে সাথে ?ঝুমুর বলল ওই যে গো গাছতলায় বসে একজন কাঠের জিনিস বিক্রি করতো তার ছেলে। আমার সাথে মিলিয়ে দিলো যে আমরা এখন স্বামী - স্ত্রী। ওর নাম পলাশ বাঁশি বানায়, কাঠের বাঁশি। ওর মা নেই তাই আমরা একসাথেই থাকি। এই মেলাই আমায় সব দিয়েছে !ছোট হয়ে গেলেও তাই আসি। মেলা কিন্তু শুধু ঝুমুরের মিলন ঘটিয়েছে এমন নয়। মেলা বহু প্রাচীন এক মিলনের মেল - বন্ধন। এখানে সওদা করতে সব ধর্মের লোকই আসে। নদীর এপার - ওপার এক হয়ে যায়। মানুষের হৃদয়ের মিলন ঘটে। অনেক মেয়েই জীবন সঙ্গী খুঁজে পায়।
  • Digital Library India | ১২ জুলাই ২০১৭ ১৮:৫১380116
  • ডিএলআই থেকে কী কেউ এখন বই ডাউনলোড করতে পারছেন?
  • ঘচাং ফুঃ | ১২ জুলাই ২০১৭ ১৩:১২380115
  • এরা কোনো ট্রান্সলেটর ব্যবহার করে। তবে গুগুল নয়। গুগুলও বাজে যদিও।

    যখন আপনি আমাদের সাথে একটি সম্পর্ক শুরু করার প্রতিশ্রুতি তৈরি করেন, তখনই কেবল আমাদের ন্যায্যতা বজায় রাখা হয়। কারণ একটি প্রতিশ্রুতি দেওয়া একটি প্রতিশ্রুতি রাখা হয়। - গুগুল ট্রান্সলেট
  • রাজর্ষি বসু | ১২ জুলাই ২০১৭ ১২:২৭380114
  • আজ সকালে দেখি বাংলা ও ইংরাজি সংবাদপত্রে পাতা জোড়া প্রচার চালিয়েছে মোবাইল পরিষেবা সংস্থা এয়ারটেল। মূল শীর্ষক,"প্রতিশ্রুতি "। এর সৃজন করেছেন "ট্যাপরুট"। আসুন দেখে নি,ইংরাজি ও বাংলার প্রথম কিছু লাইন।
    PROMISE
    When you make a promise to start a relationship with us,it is only fair that we keep ours.Because a promise made is a promise kept.

    প্রমিস
    যখন আপনি আমাদের সংগে একটা সম্পর্কতা শুরু করায় একটা প্রমিস বানান,তখন এটা শুধুমাত্র আমরা আমাদের রাখায় ন্যায্য হয়। কেননা, একটা তৈরী করা প্রমিস হল প্রমিস রক্ষিত করা।

    বাঙলা ভাষায় আমার বিরাট দখল, দাবী করছি না, কিন্তু এটা ইংরাজি কপির বাংলা হল? এতো পড়াই যায় না, এতটাই খারাপ। ছোট বেলায় দিল্লী থেকে দূরদর্শনে প্রচারিত অশুদ্ধ বাঙলা শুনতাম, লোকে বলত হিন্দিভাষী বাঙালীর কাজ।কিন্তু পেশাদারী সংস্থার এই হাল কেন? এই লাইনে বাঙালী তো কম নেই! আসলে, আগে বড় সংস্থা গুলি কলকাতা অফিসে, কপির পরিমার্জনা
    করে নিত। ফুল সার্ভিস এজেন্সির দিন এখন শেষ, এখন শুধু ক্রিয়েটিভ হটস্পট।
    কিন্ত,এই প্রচারের ভাষা কিন্তু সবার ঘরে ঘরে পৌঁছে যাচ্ছে, এবং বহু মানুষ একেই শুদ্ধ ভাববেন। ভয় টা সেখানেই।একেই বাংলা ভাষার এই টিমটিম অবস্থা।তার
    ওপর, এই অনুবাদ ..
    বাতাসে বহে উত্তর।
  • Du | ১২ জুলাই ২০১৭ ১০:১৩380113
  • ২০১৪ র টার্ম ডিপোজিট এর জন্য ইনকাম ট্যাক্স ফাইল করা হয় নি কেন জিজ্ঞেস করে চিঠি পাঠিয়েছে মোদীজী আমার শাশুড়িমাকে। ডিপোজিট ছিল ২ লাখ টাকার।
  • রোবু | ১১ জুলাই ২০১৭ ১৫:৫২380112
  • একদমই।
  • avi | ১১ জুলাই ২০১৭ ১৫:২৫380111
  • রবি ঠাকুরের বলাই গল্পটার মতো।
  • nilanjan sayed | ১১ জুলাই ২০১৭ ১১:৫৬380110
  • প্রথম খবর টা আল্লারাখাই দিল।
    "স্যার আমাদের একটা গরু ছিল না,তার আজ বাচ্চা হয়েছে।
    চোখে মুখে উৎফুল্ল ভাব।
    স্যার জিজ্ঞেস করলেন, "কখন হয়েছে?"
    আল্লারাখা বলল,'ভোর বেলা।আব্বুই খবর দিল।আমি তখন ঘুমিয়ে ছিলাম।"
    আবার ও বলল,"স্যার গরুর বাচ্চা রা অদ্ভুত ধরনের।"
    স্যার -কেন?
    আল্লারাখার চোখে মুখে শিশুর সারল্য মাখা বিস্ময়।বলল,'জন্মাবার কিছুক্ষন পরে টলমল করে উঠতে যাচ্ছে।তার এক ঘন্টা পরে হাঁটছে।
    আর স্যার অ্যা টা গোবরের মত নয়, মানুষের মত।"
    বলেই চুপ করে গেল।ব্যাপার টা বাজে জায়গায় পৌঁছে গেল।স্যার কে বোধহয় হাগুর ব্যাপার টা বলা ঠিক হল না।সে দুলে দুলে পড়তে শুরু করল।
    এটা হল হল গিয়ে সকাল আট টার কথা।
    দশ টায় খেয়ে দেয়ে আল্লারাখা স্কুল চলে গেল।বিকেল বেলা ছুটতে ছুটতে এসে বই গুলো টেবিলে ছুড়ে দিয়ে গোয়াল ঘরে হাজির।দেখে বাছুর টা নেই।
    মা কে জিজ্ঞেস করল,"মা বাছুর টা কই?"
    মা বললেন,"তোর আব্বু বাগানে নিয়ে গেছে।"
    বাগানে গিয়ে দেখে বাছুর টা ছুটে বেড়াচ্ছে।অবাক হয়ে গেল দেখে।সে হাত তালি দিয়ে উঠল।আব্বু মৃদু হাসলেন।
    বাছুর টার মুখ টা একেবারে শিশুর মত।কি সুন্দর।
    আব্বু কে বলে, 'আব্বু আমি পুশবো।
    আব্বু বললেন,"ঠিক আছে।"
    আল্লারাখা একমাত্র সন্তান।খুবই আদরের।ও একটু অসুস্থ। প্রতি মাসে নিয়মিত ডাক্তারের কাছে যেতে হয়।ওর একেবারে মরে যাবার কথা ছিল।
    ডাক্তারের অসম্ভব দক্ষতার সঙ্গে চিকিৎসা করায় ও বেঁচে গেছে।কলকাতার ডাক্তার ওকে বাঁচিয়েছিল।
    নামটা ওর মনে আছে অর্জুন চৌধুরী।
    ডাক্তার বাবুর সঙ্গে এত বন্ধুত্ব হয়ে গেছিল যে এখনও মাঝে মাঝে ওকে ফোন করেন।
    আল্লারাখার বেশি দৈহিক পরিশ্রম, ওকে প্রহার একেবারেই করা যাবে না।পার্থ কাকু বলে দিয়েছেন।
    সেই কারণে আব্বু ওকে বলে দিয়েছেন,"তুমি আদর করবে।কিন্তু বাছুর খাওয়ানো,ওর দেখাশুনোর কাজ কালু করবে।তুমি সাথে যাবে, দেখবে ব্যাস।
    আল্লারাখা শুনে খুব খুশি হল না।বলল,"আমি মাঠ থেকে ঘাস কেটে নিয়ে আসব।খাওয়াব।"
    আব্বু হাসলেন,"একটু বড় হোক তারপরে।এখন ও মায়ের দুধ খাবে।"
    বাছুর কে যেভাবে দুধ খাওয়ায় সে টা পছন্দ করে না।
    গোয়ালা দুধ দুইতে আসে তখন বাছুর কে দড়ি দিয়ে টেনে ধরে রাখা হয়,যেতে দেওয়া হয়না ওর মার কাছে।গোয়ালা বাঁটের নীচে বসে দুই জাংয়ে পাত্রটা ধরে রাখে।হাত দিয়ে বাঁট টানে।দুধ পাত্রে পড়ে।
    আল্লারাখার বাচ্চাটার জন্য কষ্ট হয়।আহা দুধ খাওয়ার জন্য ছটপট করছে আর কালু বদমাস দড়ি দিয়ে টেনে ধরে রাখে,যেতে দেয় না।
    গোয়ালার দুধ দোয়ানোর পর কালু ছেড়ে দেয় বাছুর কে। ও ছুটে গিয়ে মায়ের কাছে গিয়ে দুধ টানতে থাকে। মাঝে মাঝে খেতে খেতে ঢুঁসো মারে।মা নির্বিকার।
    আল্লারাখার মনে হয় গোরুর মুখে শরীরে স্নেহ ভাল বাসা ঝরে পড়ছে।

    বাছুর টা একটু বড় হল।কালু ওকে মাঠে ঘাস খাওয়াতে নিয়ে যায়।আল্লারাখা সঙ্গে যায়।
    একদিন বিকেলে বাছুর এবং ওর মাও গেছে।ঘাস খাচ্ছে।ওর মাকে দড়ি দিয়ে বাঁধা,বাছুর টা খোলা আছে।সেদিন কি হল বাছুর টা ছুট লাগাল মাঠ দিয়ে। ঊর্ধশ্বাসে ছুট।কালুও ছোটে পিছন পিছন।
    আল্লারাখার মজা লাগে। সেও খোলা মাঠে মুক্তির স্বাদ অনুভব করে।সেও কালুর পিছন পিছন ছোটে।দেখতে কালু কাঁদছে ছুটতে ছুটতে।ধরতে পারছে না।
    কালু আল্লারাখার চেয়ে কিছু টা বড়।বারো তের বছর বয়স।
    একদিন সকালের দিকে মাস্টার মশাই বারান্দায় পড়াচ্ছেন। আল্লারাখা বলল,"স্যার ঐ দেখুন শুভ্রকে। কত বড় হয়ে গেছে।"মাস্টার মশাই চমকে বাইরে তাকান,দেখেন একটা ধপধপে সাদা গরু চরছে।ঘাস খাচ্ছে।
    মাস্টার মশাই বললেন,"আরে এতো একেবারে গরু হয়ে গেছে।"
    আল্লারাখা বলল,'স্যার ওকে গরু বলবেন না,ও হল শুভ্র।"
    মাস্টার মশাই বুঝলেন গরু বলাতে আল্লারাখার খারাপ লেগেছে।
    আল্লারাখা ওকে ঘাস, খোল খাওয়ায়।এগুলো করার অনুমতি দিয়েছেন আব্বু।
    আর গরু টা কেমন দিন কে দিন আল্লারাখার বাধ্য হয়ে উঠেছে।
    আল্লারাখা বলে,"শুভ্র কাম হেয়ার। "শুভ্র চলে আসে। ওর গলা জড়িয়ে ধরে আদর করে, মাথায় হাত বুলিয়ে দেয়। শুভ্র চুপ চাপ থাকে।

    একদিন রাতে আল্লারাখার বাবা ওর মাকে বলছেন,"একটা ভাল খদ্দের পেয়েছি।শুভ্রকে বিক্রি করে দেব।"
    মা বললেন,"আল্লারাখার কথা ভেবেছ, ও মেনে নেবে?
    -মেনে নেবে না কেন।ও তো আর ছোট নয়।ঠিক বুঝবে।"

    পরের দিন স্কুল থেকে ফিরে ছুটে গোয়াল ঘরে যায়। ও আজ ভেবেছে নিজে খাওয়াবে শুভ্রকে।
    গিয়ে দেখে শুভ্র নেই।
    মাকে চেঁচিয়ে জিজ্ঞেস করে, "মা।শুভ্র কোথায়?"
    মা রান্না করতে করতে বলেন,"তোর আব্বু বিক্রি করে দিয়েছে।"
    কথাটা বুকে ধক করে লাগে।আল্লারাখা ফের বলে,"মা তুমি কি বললে?"
    মারও খুব কষ্ট হচ্ছে বলতে,"তোর আব্বু বিক্রি করে দিয়েছে।বলেছে চিন্তা করতে বারণ করবে। আরেক টা কিনে আনবে।"
    কোন কথা কানে যায় না আল্লারাখার।সে কাঁপতে আরম্ভ করে।তারপর দড়াম করে পড়ে গেল মেঝেতে।মা ছুটে আসেন।মুখে চোখে জল দেন।ওকে বারান্দার চৌকিতে বসান।আল্লারাখার চোখ মুখ অস্বাভাবিক, কেবল একটি কথা মুখ থেকে বেরোল"আমার ভাই চলে গেল, আমার আর কিছু থাকল না।"
    তারপর কিছুক্ষণ পরে আবার পুনরাবৃত্তি,"আমার ভাই চলে গেল আমার আর কিছু থাকল না।"
    তখন চারিদিকে অন্ধকার নেমে এসেছে....
  • Atoz | ১১ জুলাই ২০১৭ ০৫:৫৩380109
  • অরণ্যদা,
    সখী নিপাত্তা বহুদিন। খবর পাই নে আর ওর।
    আপনার কি কোনো অরণ্য ভ্রমণ হল?
  • aranya | ১১ জুলাই ২০১৭ ০৪:১১380108
  • তোমার সখী এবার পুজোয় কোথায় লিখছে?
  • aranya | ১১ জুলাই ২০১৭ ০৪:১০380107
  • :-)
  • Atoz | ১১ জুলাই ২০১৭ ০৩:৫৪380106
  • অরণ্যদা, ছোটোবেলা নেমন্তন্নের কার্ডে মদীয় শব্দটা দেখে অবাক হতাম, এর মানে তো জানতাম না। ভাবতাম মদ সম্পর্কিত কিছু। মদীয় বাসভবনে দেখে ভাবতাম মদ-পরিপূর্ণ বাড়িতে। ঃ-)
  • aranya | ১১ জুলাই ২০১৭ ০৩:৪৩380105
  • খুবই ভাল খবর, থ্যাংকু পাই। আমি তেমন ভাবে ফলো করছিলাম না, একটু আধটু দেখছিলাম, যেমন স্বপ্না বর্মণ হেপ্টাথেলনে সোনা পেয়েছেন জানতাম, দ্যুতি চাঁদের ব্রোঞ্জ, শটপাটে সোনা (নামটা ভুলে গেছি ) ইঃ
  • aranya | ১১ জুলাই ২০১৭ ০৩:৩৯380104
  • হুতো-কে ক। মদীয় উপলব্ধি একই প্রকার
  • Atoz | ১১ জুলাই ২০১৭ ০১:৩২380103
  • আচ্ছা, জীবনানন্দের মাল্যবান উপন্যাস নিয়ে কোনো আলোচনা কি গুর্চতে ছিল? থাকলে কোথায় ছিল?
    কেউ খুঁজে পেলে প্লীজ দেবেন। আগাম ধন্যবাদ।
  • Rabaahuta | ১০ জুলাই ২০১৭ ১৬:৪৬380102
  • হিন্দুত্ববাদ বা তার কাছাকাছি জিনিসগুলির কাউন্টারগুলিও অনেক সময় অস্বস্তিকর হয়ে যাচ্ছে। মানে, নানারকম লোক তো আছে, কেউ হয়তো মোদীকে পছন্দ করে গোরুকে নয়, কেউ হয়তো ডিমানিতে খুশি কিন্তু তোগাড়িয়াতে বিরাগ, কেউ হয়তো গোরু ভালোবাসে কিন্তু খুনোখুনি দেখলে মূর্ছা যায়, কেউ হয়তো বাংলাদেশের হিন্দু নিয়ে চিন্তিত কিন্তু জিএসটি নিয়ে গলদঘর্ম। তো অন্যদিকে যেমন ঘোলাজলে মাছশিকারী বাড়ছে, তেমনই 'চাড্ডি' বলে দাগিয়ে দেওয়ার টেন্ডেন্সিও বাড়ছে। সত্যি বলতে কি অনেক লোকজনের পোস্ট পত্র দেখি, হয়তো পরপর পোস্টে বাদুড়িয়ার উস্কানি আবার আইটিসেল ধরা পড়ায় আনন্দ - তো চাড্ডি স্ট্যাম্পে বেরাদরী নির্দিষ্ট করে দিয়ে মোক্ষলাভ তো হয়ই না, বরং উল্টোটাই হয়।
    আবার নির্দিষ্ট রাজনৈতিক মতামত আছে এমন লোকও দেখেছি, হয়তো খুব আর্মিভক্ত কিন্তু ব্র্যান্ড হিন্দুত্ববিরোধী। একজনের সংগে এখানকার কেউ কেউ ও ইন্টার‌্যাক্ট করেছে, একজনকে আর্মিতে ধরিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়েছিল, এখন মোদী অর্থনীতির সমালোচনায় মুখর।

    কিন্তু সবপক্ষ ক্রমেই দূরে সরে যাচ্ছে, এই এলিয়েনেশনে জল আরো ঘোলা-ই হচ্ছে বলে মনে হয়।
  • h | ১০ জুলাই ২০১৭ ১৫:৪৫380101
  • আর বোলো না, চারিদিকে হিন্দু আস্ফালন শুনে শুনে পাগোল হোয়ে গেলাম।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত