এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ishan | ৩০ জুন ২০১৭ ২০:১৬379860
  • অন্য একটা প্রসঙ্গ। মাটিতে মাইল চারেক নিচে পর্যন্ত ড্রিল করতে কীরকম খচ্চা পড়বে? তেলের ড্রিল নয়, কিন্তু তেল কোম্পানিতে কাজ করা লোকেরা বা সিভিল ইঞ্জিনিয়াররা বলতে পারেন কিছু?
  • sm | ৩০ জুন ২০১৭ ১৯:৪৮379859
  • যুক্তি আছে কিন্তু দুর্বলতা প্রকট। বাঙালি ও গোর্খা দুজনেই শিলিগুড়ি ও ডুয়ার্স চায়। কোনোরকম শেয়ার্ড বিজনেস এ যেতে চায় না। তখন কি হবে?সব কিছুই চন্ডিগড় দিয়ে কিন্তু মাপা যাবে না।
    ঝাড় খন্ড, তেলেঙ্গালা কয়েক বছর হলো তৈরী হয়েচ্ছে। আরো কয়েক বছর গেলে বোঝা যাবে কেমন পারফর্মেন্স।
    স্বাধীন ভারতে কয়েকটি অঙ্গরাজ্য রয়েছে উত্তর পূর্বে। আজ ও তারা বঞ্চিত অবহেলিত এবং চিনকি বলে তাচ্ছিল্যের স্বীকার।
    দার্জিলিং নতুন রাজ্য হয়ে কোনসা তীর মারবে যে অবহেলা বঞ্চনা দূর হয়ে যাবে?
    বরঞ্চ বৈরিতা সৃষ্টি হলে ট্যুরিজম ধাক্কা খাবে।বহু গোর্খা কর্মহীন হতে পারে।
    আলাদা রাজ্য হলে কিভাবে পাঞ্জাবি আর হিন্দি কালচারের আগ্রাসন থেকে বাঁচবে?
    যেখানে কেন্দ্র সরকার এটাকে প্রমোট করে।গোর্খারাও হিন্দিতে কমিউনিকেট করছে আর হিন্দি সিনেমা দেখছে।
    বাংলা আলাদা রাজ্য হলেও কি হিন্দি আগ্রাসন থেকে বেরিয়ে আস্তে পেরেছে?লোকে তো বাংলা সিনেমা দেখেনা আর বাংলায় কথা বলতে লজ্জা বোধ করে।
  • h | ৩০ জুন ২০১৭ ১৮:৫২379858
  • "হ, ইচ্ছে করেই কিছুটা অন্য লাইন হয়ে পড়েছেন। প্রশ্ন ছিল ধরুন, গোর্খা দের দাবি আছে শিলিগুড়ি ও ডুয়ার্স। যেখানে বাঙালি সংখ্যা গরিষ্ঠ। দু পক্ষই ছেড়ে দেবে কেন?"

    -- শিলিগুড়ি বা তরাই শেয়ার্ড রিসোর্স হতেই পারে। চন্ডীগড় এর উদা আগে দিয়েছে। আপাততত হায়েদ্রাবাদ এই সেটা চলছে। শিলিগুড়ি যখন এ টাইপ সিটি হয়ে যাবে, কাউকেই পাত্তা দেবে না, হুইচ শুড বি ফাইন।

    তাহলে শিলিগুড়ি, ডুয়ার্স এর ভবিষ্যৎ কি?মারামারি করে যে জিতবে তার? স্পষ্ট কোশ্নো-কোনো মার্ প্যাঁচ নেই।

    --উত্তরে মার প্যাঁচ আছে ভাবলে আছে না ভাবলে নাই।

    ধরা যাক, ত্রিপুরার বাঙালিরা ঠিক করলো পব সঙ্গে জুড়ে যাবে।
    ---তাহলে পর্টিশান কে আনডু করতে হয়। আগে সেটার দাবী উঠুক। জুড়ে যাওয়ার দাবী, লিইংগুইস্টিক মিল থাকা সত্ত্বেও কোন রাজ্য ই কখনো চায় নি, এটা হিস্টরিকাল ফ্যাক্ট, কারণ দাবীটা স্থানীয় উন্নয়নের প্রশ্নে নীতি প্রনয়োনের অধিকারের দাবী ও বটে। লড়াই টা শুধু পাওয়ার না, দেওয়ার জায়গায় পৌছনোর। মানিক সরকার বা মুকুল রায় আমি বেঞ্গল হবো বল্লে ওখানে খুব সুবিধে হলেও বলবেন না, কারণ স্বাতন্ত্র্য টাই সম্মানের এই রাজনীতিত্তে।

    আলাদা রাজ্য নয়। ওদিকে উপজাতি সংখ্সলঘু জনগোষ্ঠী দাবি জানালো আলাদা দেশ। কারণ ঐতিহাসিক ভাবে ওটি পরে ভারতের সঙ্গে যুক্ত হয়।
    কার দাবি মানা হবে? সংখ্যা লঘু দের দাবি অগ্রাহ্য করা হবে?
    তাহলে গণতন্ত্র কোথায়?কিভাবে মাইনোরিটির অধিকার কে রক্ষা করতে পারছে?

    --এটা একেবারেই 'ইচ্ছে করে' বলা, কারণ এটা দেশের দাবী না রাজ্যের দাবী এটাই তার মূল স্ট্রেংথ। বৃহত্তর গোর্খাল্যান্ড এর ম্যাপ অবশ্য ভগবান কে ভয় পাওয়া কাগজ মাঝে মাঝে বের করেন। ঃ-)))))))))

    যদি বৃহত্তর স্বার্থে কোনো জাতি সত্তার অধিকার লংঘিত হয় সেটাকে কিভাবে দেখবেন?
    স্বাধীনতার ৭০ বছর পরেও কেন ভারতীয় পরিচয়ের উর্ধে উঠে আসছে জাতিসত্তা?

    --কেন উঠে আসছে কারণ ডমিনান্ট জাতিগুলি তাদের জাতিসত্ত্বা আদৌ ছাড়ার কোন লক্ষন দেখাচ্ছে না। আর এই প্রশ্নটা সত্যি ইচ্ছে করে ভিলেজ ইডিঅট সাজার প্রচেষ্টা। আভ্যন্তরীন রেসিজম এর শিকার দের কে বলা হচ্ছে তোমরা শিকার হচ্ছা কেন? আমরা পপুলার কালচারে হিন্দুস্থানী কে মেরে নুক্কড় মারাঠি আর পাঞ্জাব দ পুত্তর দের
    মাথায় তুলে নাচবো, এন্রারাই দের জন্য আস্তো সাবকালচার করে ফেলবো, জাতীয় ভারতীয়ত্ত্বের চিহ্নে সরকারী অনুষ্ঠান ছাড়া কোথাও উত্তর পূর্বের কাউকে পাওয়া যাবে না, আর এঁদের ভারতীয় হয়ে উঠতে হবে, প্রচুর উন্নয়নের তারতম্য থাকা সত্ত্বেও।

    কামতাপুর বা অলিচিকি রাজ্য সম্পর্কে কি মত? মনে রাখবেন ভারতে ৫০০ এর ওপর ভাষা ও জাতি গোষ্ঠী আছে।
    দার্জিলিং যদি পব রাজ্যের মানচিত্রে থাকে আর গুরুং সায়ত্ব শাসন পায় তো এতো গন্ডগোল হচ্ছে কেন?গুরুঙ্গের ঠিক কোন জায়গায় আপত্তি? একমাত্র আপত্তির কারণ তো দেখছি বাঙালি ও বাংলা ভাষা কে সহ্য করতে না পারা।

    --বাঙালী রা একটু আমরা বঞ্চিত কম করুন, তার পরে গুরুং কে সবক তমিজ ইত্যাদি শেখাবেন ঃ-)))))
    --ঝাড়খন্ড এ ও ছত্তিসগড়ে আদিবাসী দের হোম স্টেট তৈরী হওয়ার একটা ব্যবস্থা হয়েছিল। ঘটনা হল দুটো অঞ্চলেও ওয়েলফেয়ারে এবং জব গ্রোথ কে কিছু সুবিধে হয়েছে, বড় ঘোটালা সত্ত্বেও।
    আগেই বলেছি, প্রতি টি জেলাই পিয়োর অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ইউনিট হিসেবে গড়ে উঠলেও আমার বড় কোন আপত্তি নেই। বড় ইম্পর্টান্ট শহর, রাজ্যকে পাত্তা না দিয়েই এগোবে এটাই রীতি, প্রতিটি জেলাতে বড় শহর গড়ে উঠলে, সেটা খারাপ হবে না।
    এবং এটাও ঘটনা রিজিওনাল বায়াস কমলে, মানুষের সম্মান এমনিতেই বাড়লে, আইনের শাসন শুরু হলে, মানুষের সম্মান প্রতিষ্ঠিত হলে, এইসব দাবী অধুভুত ব্যাপার হল এমনিতেই কম উঠবে। ডেভেলপমেন্ট রিজিওনাল বায়াস কমলেই এস্ব সমস্যা এমনিতেও কমে যাবে। বা না উঠলে বুঝতে হবে যথেষ্ট উন্নয়ন হয় নি। যাথেষ্ট সম্মান স্থানীয় মানুষ পান নি।
  • sm | ৩০ জুন ২০১৭ ১৮:২৭379857
  • তবে গণতন্ত্রে কোনো কিছুই ধ্রুবক নয়।লিঙ্গুইস্টিক ভিত্তিতে ভাগ হয়ে ছিল বলে আজ ও সেটা ফলো করতে হবে এমনটি কে বললো?বরঞ্চ চৌকো বাক্সের খোপে ভাগ করেদিক। আর নাম রাখুক A1, A2 -A3-এমনি।
    এই অযথা বাঙালি -গোর্খা চালবাজিটা বন্ধ হোক।
  • sm | ৩০ জুন ২০১৭ ১৮:২১379856
  • বঙ্গালী বললে রাগ হয় না?বেশ তাহলে বং! ডাকের কি শেষ আছে রে ভাই?শিব কে কেউ ডাকছে নীল কণ্ঠ, কেউ ভুতেশ্বর। কি করা যাবে?
    ইউরোপে পাকি তো বাবা মা কাকা জেঠুর পরই বাচ্চা শিখে ফেলে। নতুন রাজ্য করে কি বাহাদুর ডাক বন্ধ হবে?
    এর দাওয়াই একটাই ইগনোর করা।
    এই রিসন দিয়ে অন্তত রাজ্যভাগ জাস্টিফাই করা যায় না।
  • h | ৩০ জুন ২০১৭ ১৮:০১379855
  • শ্বশুর বাড়ি র জোক টা গুড ঃ-)))))))))))))))))
  • h | ৩০ জুন ২০১৭ ১৭:৫৯379854
  • ঃ-)))

    এই পোস্ট টা নিয়ে কতটা নিন্দে করলে যথেষ্ট হবে সেটা ঠিক বুঝতে পারছি না। "আর এই বাহাদুর ডাক ও তাচ্ছিল্য নিয়ে প্রচার টা আরো বালখিল্য লাগে।
    সারা ভারতে বাঙালিদের মোছলিখোর বঙ্গালী বলে তাচ্ছিল্য করে। বাঙালিরা গুজু /মেরো বলে তাচ্ছিল্য করে। তা বলে গুজু বস মাড়োয়ারি রা কলকাতা ছেড়ে চলে গেছে নাকি ?"

    এটা আসলে মাইনরিটি হিসেবে শুধু না, ঘৃণিত মাইনরিটি হিসেবে থাকার অভিজ্ঞতার অঙ্গ। চিংকি বল্লে রাগ করার কি আছে, মিজো কে ন্যাপালি বললেই বা কি, নেপালীভাষী দের বাহাদুর বলাটা তেমন কিছু না, বাঙালীদের পাকি বলে গালাগাল দিলেই বা আর তেমন কি, হিন্দু দের মুসলমান ভেবে গুলি করে দিলে বিরাট অপরাধ তো বটেই, কিন্তু মুসলমান হলেই মারাটা লেজিটিমেট হত কিনা সব সময়ে আমাদের ন্যারেটিভ এ পরিষ্কার হয় না।

    দেশে ধর্মের ক্যাটিগোরি র ভিত্তিতে যাতে অঞ্চল না গড়ে ওঠে তাই লিংগুইস্টিক বেসিস আনা স্টেট ফর্মেশন এর সময়ে, তার সঙ্গে প্রিন্সস্লি স্টেট গুলো বা অন্যান্য একে তাকে জুড়ে নিয়ে একটা ইন্ডিয়ান রিপাবলিক তৈরী হয়েছে, কিন্তু দেশের যত কালচারাল আইডেন্টিটি তৈরী হয়েছে, ইনক্লুডিং ইন পপুলার কালচার সেখানে লোকাল অয়সপিরেশন এর জায়গা বেশ কম, এখন ও যা হচ্ছে বেছে, বেছে, দেশের মধ্যে থাকতে চেয়ে কেউ রাজ্য দাবী করলে সেটা যথেষ্ট লেজিটিমেট।
  • sm | ৩০ জুন ২০১৭ ১৭:৫৬379853
  • প্রসঙ্গত, দার্জিলিং নিয়ে আমার কোনো আলাদা মোহ নেই। এমন কি হুগলি, মানে আমার শ্বশুর বাড়ির জেলা আলাদা দেশ হলেও ঠিক আছে। ভিসার বাহানা দেখিয়ে কম যেতে হবে।
  • sm | ৩০ জুন ২০১৭ ১৭:৫২379852
  • h, ইচ্ছে করেই কিছুটা অন্য লাইন হয়ে পড়েছেন। প্রশ্ন ছিল ধরুন, গোর্খা দের দাবি আছে শিলিগুড়ি ও ডুয়ার্স। যেখানে বাঙালি সংখ্যা গরিষ্ঠ। দু পক্ষই ছেড়ে দেবে কেন?
    তাহলে শিলিগুড়ি, ডুয়ার্স এর ভবিষ্যৎ কি?মারামারি করে যে জিতবে তার? স্পষ্ট কোশ্নো-কোনো মার্ প্যাঁচ নেই।
    ধরা যাক, ত্রিপুরার বাঙালিরা ঠিক করলো পব সঙ্গে জুড়ে যাবে।আলাদা রাজ্য নয়। ওদিকে উপজাতি সংখ্সলঘু জনগোষ্ঠী দাবি জানালো আলাদা দেশ। কারণ ঐতিহাসিক ভাবে ওটি পরে ভারতের সঙ্গে যুক্ত হয়।
    কার দাবি মানা হবে? সংখ্যা লঘু দের দাবি অগ্রাহ্য করা হবে?
    তাহলে গণতন্ত্র কোথায়?কিভাবে মাইনোরিটির অধিকার কে রক্ষা করতে পারছে?
    যদি বৃহত্তর স্বার্থে কোনো জাতি সত্তার অধিকার লংঘিত হয় সেটাকে কিভাবে দেখবেন?
    স্বাধীনতার ৭০ বছর পরেও কেন ভারতীয় পরিচয়ের উর্ধে উঠে আসছে জাতিসত্তা?
    কামতাপুর বা অলিচিকি রাজ্য সম্পর্কে কি মত? মনে রাখবেন ভারতে ৫০০ এর ওপর ভাষা ও জাতি গোষ্ঠী আছে।
    দার্জিলিং যদি পব রাজ্যের মানচিত্রে থাকে আর গুরুং সায়ত্ব শাসন পায় তো এতো গন্ডগোল হচ্ছে কেন?গুরুঙ্গের ঠিক কোন জায়গায় আপত্তি? একমাত্র আপত্তির কারণ তো দেখছি বাঙালি ও বাংলা ভাষা কে সহ্য করতে না পারা।
  • T | ৩০ জুন ২০১৭ ১৭:৪৪379851
  • হাঃ

  • h | ৩০ জুন ২০১৭ ১৬:৪০379850
  • বাঙালী মহারাষ্ট্রে ক্যালানি খেলেও তার পশ্চিম বঙ্গ আছে। সেটা তো দার্জিলিং এর ছেলে মেয়েদের নেই।

    আলাদা রাজ্য দাবী র বিরুদ্ধে যে দাবী গুলো আসছে সত্যি ই হাস্যকর।

    --স্বায়ত্ব শাসন দেবেন না সবাই চাইবে ঃ-))))
    --ওরা লোক বেশি না, একটা ডিস্ট্রিক্ট ও পুরো না। তো তাতে কি হয়েছে, ছোটো অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ইউনিট হলে শাসন ভালো হবে এই লজিক তো এরিয়া অথরিটি র স্ট্রাকচারে স্বীকার করেই নেওয়া হয়েছে।
    --ওটা সেন্সিটিভ জায়গা, আন্তর্জাতিক বর্ডার। ওখানে নেপালী ভাষী দের বিশ্বাস করা যায় না। যদিও গোর্খা ইউনিট আর্মি তে রাখা যায় ঃ-))))))))গোটা বাংআ আন্তর্জাতিক বর্ডার, পূর্বে 'পাকিস্তান' ও আছে ঃ-))))))
    --শিলিগুড়ি র কি হবে, কি আবার কিছুই হবে না, একটা নতুন রাজধানী শহর গড়ে উঠবে, চন্ডীগড়/হায়্দ্রাবাদ এর মত শেয়ার্ড ও হতেই পারে।
    --ওরা অন্য জনজাতি দের উপরে অত্যাচার করবে। অ্যাজ ইফ সর্বত্র সংখ্যালঘুরা খুব ভালো আছেন ঃ-))))))))
    --টাকা মেরেছে, অ্যাজ ইফ যেসব লিঙ্গুইস্টিক গ্রুপ এর রাজ্য আছে তারা টাকা মারে নি ঃ-)))))))))
    --আমাদের বাঙালীরা শিলচরে মরেছে, ঝাড়খন্ডে আন্দোলন করেছে, মহারাষ্ট্রে বাংলাদেশে মার খাচ্ছে, বাঙালীরা আক্রান্ত। এটা আলাদা না, জেনেরাল সংখ্যালঘু এক্সপেরিয়েন্স।
    --আমাদের ব্যাবসা নিয়েছে মারোয়াড়ী রা, গুজরাটীরা, আমাদের কিছু নেই হায় হায়, আমাদের গ্লেনারিজ নিয়ে নেবেন না। অঞ্জন দত্তর গান নিয়ে নেবেন না হায়।
    --বাঙালী সংস্কৃতির অংগ দার্জ্লিং, ঠিকাচ্ছে, দার্জ্লিং সংস্কৃতির অঙ্গ হোক না কলকাতা ক্ষতি টা কি।

    পশ্চিম বঙ্গ সরকারের দৃষ্টিভঙ্গী টা সাধারণ মানুষের দৃষ্টিভঙ্গী কেন হবে সেটা আমার কাহ্হে ক্লিয়ার না, আপত্তি গুলো জাস্ট ন্যাকামো বা জাতক্রোধ মনে হচ্ছে।
  • জিওগেসার | ৩০ জুন ২০১৭ ১৬:৩৪379849
  • স্কোর --
  • sm | ৩০ জুন ২০১৭ ১৫:১৮379848
  • আর এই বাহাদুর ডাক ও তাচ্ছিল্য নিয়ে প্রচার টা আরো বালখিল্য লাগে।
    সারা ভারতে বাঙালিদের মোছলিখোর বঙ্গালী বলে তাচ্ছিল্য করে। বাঙালিরা গুজু /মেরো বলে তাচ্ছিল্য করে। তা বলে গুজু বস মাড়োয়ারি রা কলকাতা ছেড়ে চলে গেছে নাকি ?
  • b | ৩০ জুন ২০১৭ ১৫:১৬379847
  • পশ্চিমবঙ্গের নাম পরিবর্তন করে (বৃহত্তর) গোর্খাল্যান্ড করে দিন। গুরুং খুশ, দিদিও খুশ। রাজ্যও হল, রাজ্যভাগও হল না।
  • sm | ৩০ জুন ২০১৭ ১৫:১২379846
  • একটা দেশ স্বাধীন হবার কত বছর পর পর্যন্ত এই জাতিসত্বা ও আত্মনিয়ন্ত্রণ নামক ঢপ চলবে?গুরুং কোন গোর্খাল্যান্ডের কথা বলছে এবং কতটা অবধি এ রাজ্য হবে?
    আজ বলছে লেপ্চা, ভুটিয়া সব্বাই গোর্খা জাতিসত্বার অংশ।
    আমি পাহাড়ের বাপ। এখন লেপ্চা, ভুটিয়ারা কিছুদিন পর তাঁদের জাতিসত্বার গপ্পো আনতে পারে। তখন কি নতুন গোর্খাল্যান্ড রাজ্যের আরো কয়েকটি টুকরো করতে হবে?
    একদম স্পেসিফিক উত্তর দিলে ভালো হয়।
    গুরুং বলছে ডুয়ার্স, শিলিগুড়ি এর মধ্যে ঢোকাতে হবে।
    তো ওই অঞ্চলের বাঙালি দের জাতিসত্বার কি হবে?
    তারা কি ভূমি পুত্র নয়?তাদের কি কোনো দাবি থাকতে পারে না?
    এর পর আসবে জাতিগত বৈরিতা।
    তুমি গোরখস্ল্যান্ড নিয়েছো তুমি ওখানে গিয়ে থাকো।আর গোর্খাল্যান্ডের লোকজন বলবে -তুমি বাঙালি তুমি সমতলে থাকো।এরকম হতেই পারে।
    আসামে বাঙালি খেদাও হয়েছে। দুদিন পর বেঙ্গালুরু তেওঁ হতে পারে।
    স্বাধীন ভারতে জাতিসত্বার নামে তো হানাহানি চলছে ;যা আরো বাড়তে পারে।
    এরপর আরো ছোট রাজ্যের দাবি আসবে। কামতাপুর রাজ্য,অলিচিকি রাজ্য ইত্যাদি।এখানে বাঙালি সংখ্যা গরিষ্ট। তো, তারা নিজভূমি ছেড়ে দেবে কেন?
    ভারত একটা সার্বভৌম রাষ্ট্র।এখানে স্বাধীনতার ৭০ বছর পর ও কেন লোকে ভারতীয় পরিচয়ের আগে নিজেকে মারাঠি,বাঙালি গোর্খা ইত্যাদি পরিচয় দিয়ে আত্মনিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে।
    একটি রাজ্যের ছেলে অন্য রাজ্যের বোর্ডে পরীক্ষা দিতে গেলে কেন ডোমিসাইল সার্টিফিকেট লাগবে?
    স্কটল্যান্ডের ছেলে ইংল্যান্ডে পড়তে গেলে কিছু দাখিল করতে হয় না তো!এসব কিছুই ভেবে দেখার সময় এসেছে।
  • h | ৩০ জুন ২০১৭ ১৪:৩৭379845
  • তাইলে বলতে হয় মোহনাদাস করম্চাঁদ লিল্টেরালি নেতা হবেন বলে সুট ছেড়ে কৌপীন পড়েছিলেন, তাঁর ভারতবর্ষের স্বাধীনতায় কোনো ইন্টারেস্ট ছিল না। পোলিটিকাল অ্যাসপিরেশন এবং স্বায়ত্ত শাসনের ইচ্ছা টা কবে ভীষণ অন্যয় হল।

    জাতিসত্ত্বা না বাল ইত্যাদি আকা বলছে কোন মানে হয় না মাইরি। জাতিসত্ত্ব বাল, সেল্ফ মেড চয়েস ভিত্তিক জীবন, মেরিটোক্রাসি ই সব, এটা তারাই বলতে পারে যারা মেরিট দেখানোর সুযোগ পেয়েছে। যাদের কে শিলিগুরি অনওয়ার্ড্স বাহাদুর বলে ডাকা হয় তাদের অ্যাসপিরেশন হবে নাই বা কেন।
  • দ্রি | ৩০ জুন ২০১৭ ১১:০০379844
  • পপুলেশানের ২% যদি মোট জিডিপির ২.৮% জেনারেট করে তবে সেটা বেশী হল। অনেকটাই বেশী হল। বরাদ্দ সেরকম আশা করলেই যে পাওয়া যাবে তা নয়। মোট অ্যালোকেশানের ২% (পপুলেশানের প্রোপোর্শানে) যদি তারা পায় তাহলেও তারা অসন্তুষ্ট হতে পারে। তাদের মনে হতে পারে তারা আলাদা হয়ে গেলে পুরো ২.৮%ই পেতে পারত।

    ফান্ড অ্যালোকেশান ব্যাপারটা বেশ ঘাঁটা প্রসেস। সেখানে নেপটিজ্‌ম এবং অন্যান্য জোর খাটানো চলে। তার মধ্যেও রাজ্য চেষ্টা করে ডিস্ট্রিবিউশান ইভেন আউট করার।

    সো, হোয়াট এন্ডস আপ হ্যাপেনিং যাদের পা ক্যাপিটা জিডিপি কম তারা তুলনায় বেশী অ্যালোকেশান পায় (অ্যালোকেশানের পার্সেন্টেজ কম্পেয়ার্ড টু পপুলেশানের পার্সেন্টেজ)। সেটা যারা পায় তাদের ছেড়ে যাওয়ার গরজ থাকে না। থাকে অন্য গ্রুপের।

    ছেড়ে গেলে এখন যা অবস্থা তার চেয়ে বেটার হবে কিনা সেটা সবাই হিসেব করে।
  • pi | ৩০ জুন ২০১৭ ০৮:২০379843
  • পেলাম। আর কিছুই বলা সম্ভব না।

    'রঘুনাথগঞ্জ ২ ব্লকের সেকেন্দ্রা অঞ্চলের কিছু অশুভ লোক মর্মান্তিক ভাবে হত্যা করল বছর ৪০ এর ওতেরা বিবিকে। এদিন মেয়েটি ঈদ উপলক্ষে শ্বশুর বাড়ি (কেষ্ট সাইল) থেকে মায়ের রাড়ি (মিঠিপুর অঞ্চলের পানানগর গ্রাম)আসছিল। মানসিক ভারসাম্যহীন ঐ মহিলা টি ভূল করে সেকেন্দ্রা অঞ্চলে ঢুকে পরলে তাকে ছেলে ধরা অপবাদ দিয়ে তাকে ট্রাকটারের সাথে বেঁধে গণপিটুনি শুরু করে। কয়েকজন বাঁশের বারি সজোরে আঘাত করে। ৪গাড়ী পুলিশ তখন ঘটনা স্থলে উপস্থিত। পুলিশের চোখের সামনে তাকে তিল তিল করে মরতে হল।নিরাপরাধ মহিলা কোন সুবিচার পেল না।৯৮% মৃত্যুর কোলে ঠলে পরা মহিলা টিকে পুলিশ হসপিটাল নিয়ে গেল ডাক্তারা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। একজন অসহায় মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলা কে এই ভাবে পিটিয়ে মর্মান্তিক ভাবে হত্যা করল সেকেন্দ্রার অধিবাসীরা। এর বিচার চাই। সেকেন্দ্রার (সন্ত্রাসের আতুর ঘর)। জগতের যেখানেই যে জাতি নারীর অসম্মান করবে,সেই জাতিরই পতন নিশ্চিত।।।লজ্জা পাওয়া উচিত পুলিশ প্রশাসন কেও কারণ সমস্ত কর্মকান্ড তাদের সামনেই ঘটেছে উদ্ধার করতে পারেনি নির্দোশ মহিলা টি কে। এখানে গণপিটুনি, মারা যাওয়ার ও পোস্ট মর্টাম (ময়না তদন্ত) নিয়ে যাওয়ার কিছু আপলোড করলাম।'
  • i | ৩০ জুন ২০১৭ ০৬:৫০379842
  • এটু জেড,
    সময়ের বড় অভাব। তবু তার মধ্যে ফরমায়েসি কিছু টিখেছি স্থানীয় ছোটো পত্রিকার জন্য। পত্রিকা প্রকাশিত হলে, এখানে পোস্ট করে দেব।
    ছোটাই।
  • Atoz | ৩০ জুন ২০১৭ ০৪:৩৪379841
  • ছোটাই, ভালো আছো? তোমার নতুন লেখা পড়তে ইচ্ছে করে।
  • i | ৩০ জুন ২০১৭ ০৪:২৪379840
  • প্রিয় টি,
    খুব ভালো স্কোর হইছে।
    ছোটাইদি।
  • π | ২৯ জুন ২০১৭ ২২:৪৬379839
  • কী কঠিন খেলা রে ভাই ! আমার তো সব গাছ দেখেই নর্থ ইস্ট মনে হল। সিরিয়াসলি, সব রকমই এদিকে দেখেছি, কোথাও না কোথাও।
  • T | ২৯ জুন ২০১৭ ১৫:২৩379838
  • ছোটাইদি, আমার স্কোর হল ১২৪১৯
    দুটো ইউএসএর জায়গা আরেকটা নরওয়ের জায়গা খুব কাছাকাছি মিলিয়েছি।
    ঃ)
  • S | ২৯ জুন ২০১৭ ১৫:০২379837
  • "প্রবলেম হল, জিডিপি জেনারেট করলেও, রাজ্য সরকার সেই প্রোপোর্শানে সরকারী খাতে ব্যায় দার্জিলিংএ করে না।"

    "এই আলোচনায় পপুলেশানের সাথে মাল্টিপ্লাই করার দরকার নেই। কারণ যেই ২% এর কথা হচ্ছে, তাদের জিডিপির শেয়ার যথেষ্ট ভালো। তারা আলাদা হয়ে যাওয়ার মুরোদ রাখে।"

    দুটো কথা লিখেছেন দুটো পারপাসে। তারপরে গুলিয়ে দিয়েছেন।

    আপনার প্রথম কথায় লিখেছেন যে জিডিপি পার ক্যাপিটা বেশি হওয়া সত্ত্বেও পব সরকারের বরাদ্দ কম। সেই প্রসঙ্গে বলেছি যে যদি ধরে নিই যে বরাদ্দ নির্ভর করে ট্যাক্স রেভিনিউর উপরে (ধরে নিচ্ছি যে রেভিনিউ আর জিডিপি কোরিলেটেড), তাহলে জিডিপি পার ক্যাপিটা দিয়ে সেটা হবে না, পুরো জিডিপি দেখতে হবে। জেলা হিসেবে দার্জিলিঙ্গের কন্ট্রিবিউশন পবের জিডিপিতে ৩% এর কম। অতেব সেরকমই বরাদ্দ আশা করা যায়। নইলে বাকি রাজ্যগুলো (যেগুলো আরো গরীব) বন্চিত হবে।

    ২০১৭-১৮ পুরো রাজ্যের বাজেটে প্ল্যান্ড এক্সপেন্ডিচার ৬৪৭৩৩ কোটি টাকা। আর জিটিএর বাজেটের খবর এইখানে http://indianexpress.com/article/cities/kolkata/rs-654-crore-gta-budget-approved/

    আর আলাদা রাজ্য হওয়ার মুরোদ আছে কিনা জানিনা। জিডিপি পার ক্যাপিটা বেশি হলেই রাজ্য হওয়া যায় এইটা ইন্টারেস্টিঙ্গ।
  • sm | ২৯ জুন ২০১৭ ১৩:০৬379835
  • কিন্তু দৃ,একটা কথা বুঝলুম না। দার্জিলিং তো আলাদা রাজ্য হতে চাইছে-রাষ্ট্র নয়। জিডিপি কিভাবে ম্যাটার করে?
    এটি ভারত রাষ্ট্রের অন্তর্গত একটি অঙ্গরাজ্য হবে। ভারত সরকারের দায়িত্ব তার দেখভাল করা।
    বাঁকুড়া, পুরুলিয়া আলাদা রাজ্য হলেও দেখ ভাল এর দায়িত্ব ভারত সরকার এর। এনাফ রেভিনিউ জেনারেট না করতে পারলে পিছিয়ে পড়া রাজ্য হিসাবে কেন্দ্রের থেকে বিশেষ অনুদান পাবে।
  • দ্রি | ২৯ জুন ২০১৭ ১১:১৮379834
  • "জিডিপি পার ক্যাপিটার সাথে পপুলেশনকে মাল্টিপ্লাই করতে হবে। দার্জিলিঙ্গের পপুলেশন পস্চিমবঙ্গের ২ শতাংশ।"

    এই আলোচনায় পপুলেশানের সাথে মাল্টিপ্লাই করার দরকার নেই। কারণ যেই ২% এর কথা হচ্ছে, তাদের জিডিপির শেয়ার যথেষ্ট ভালো। বনজ সম্পদ আছে। তারা আলাদা হয়ে যাওয়ার মুরোদ রাখে। সেটা পুরুলিয়া বা বাঁকুড়ার নেই, কারণ তাদের পার ক্যাপিটা জিডিপি নীচের দিকে।
  • pi | ২৯ জুন ২০১৭ ১০:৩৩379832
  • হুম, এই শুনলাম।

    অনেকগুলো গানই পছন্দের ছিল।
  • কল্লোল | ২৯ জুন ২০১৭ ১০:১৮379831
  • সবিতা চৌধুরী আর নেই।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত