এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • h | ২৮ জুন ২০১৭ ১৬:৪৮379800
  • বেসিকালি মিউনিসিপালিটির থেকে বড় ক্ষমতা আছে কিনা সন্দেহ। ঘটনাটা যেটা, নেওয়ার দাবী প্রতিষ্ঠিত, ভ্যালু চেনে উঠতে গেলে সকলে দেওয়ার জায়গায় যেতে চায়, কারণ দিতে না পারলে পেট্রন হওয়া মুশকিল। মনে করুন একজন ফরেস্ট অফিসার কে বদলি করার ক্ষমতা কি গুরুং এর আছে, সম্ভবত নেই। তো ক্ষমতার লড়াই টা এতটাই রিডিকিউলাস, যে এগুলোকেই লোকে ক্ষমতা ভাবে। এবং প্রতিযোগিতা করে।
  • h | ২৮ জুন ২০১৭ ১৬:২২379799
  • এক সেকেন্ড, পাহাড়ের উন্নয়নের জন্য করা বলতে কি বোঝায়।

    যদি বোঝায় রাস্তা করা, সেটা করে বর্ডার অথরিটি। যদি বোঝায় পুলিল্শ, সেটা জিটিএ তে নেই, যদি বোঝায় ইলেকট্রিসিটি, সেটা করে একেকটা প্রকল্ক বা একেকটা ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী, স্কুল ও প্রাইমারি র বাইরে জিটি এ র হাতে নেই। রেশন আছে, মিড ডে মিল আছে হয়তো। কিন্তু রাজ্য সরকারের মার্কি প্রকল্প আছে কিনা লোয়ার লেভেল এ সন্দেহ আছে। লড়াই টা আসলে দুদল ক্ষমতাহীনের মধ্যে, কারণ কেন্দ্রের হাতেই মূল ক্ষমতা, এটা দেখনদারী করার প্রতিযোগিতা।

    গুরুং কোরাপ্ট হতেই পারেন, কিন্তু কেন্দ্র ও রাজ্যের সম্পর্কটা যেমন যে পলিসি নেওয়ার বা পলিসি প্রায়োঋটি বদলানোর কোন স্বাধীনতা রাজ্যের নেই, শুধুই ইম্প্লিমেন্টেশন এর অধিকার ও অ্যাকাউন্টেবিলিটি (বিশেষতঃ গ্লোবালাইজেশনের পরে), সেই সম্পর্ক টাও কিন্তু জিটি এ র সঙ্গে রাজ্য সরকারের নয়। আপনাদের মনে আছে কিনা জানি না, পাট্টা বিলি, স্কুলে ছাত্রী দের পুরষ্কার বিলিটাও মমতা করছিলেন বলে গুরুং আপত্তি করেছিলেন, তখন পাহাড়ে হাসির সময়। অতএব এটা বোঝা দরকার, দু দল ইম্প্লিমেন্টেশন বিশারদ, নিজেদের হাতে বেশি ইম্প্লিমেন্টেশন এর ক্ষমতার ভাগাভাগি করতে চাইছে মাত্র, আর ভাবছে এলাকাভিত্তিক ইম্প্লিমেন্টেশন এর অধিকার আমার হাতে থাকলে, অন্তত কয়েকটা দপ্তর বাড়বে, আর ভ্যালু চেন এ কিছুটা ওঠা যাবে। ইত্যাদি।
  • b | ২৮ জুন ২০১৭ ১৬:১৪379798
  • হ্যাঁ। কমন এরিয়াগুলোকে বললেই হবে, ছমাস তোমরা কামতাপুর স্টেট-এ, ছ মাস বোড়োল্যান্ডে। যাও নিজ নিজ কাজে।
  • j | ২৮ জুন ২০১৭ ১৬:০৪379797
  • তোয়ালে মুড়ে টাকা নিয়ে, ক্যমেরার সামনে হাত কচলে টাকা নেওয়া ঘুষখোর গুলো করবে আবার অন্যের অডিট !

    ওদের অডিট কোন ইয়ে করে তার ঠিক নেই
  • sm | ২৮ জুন ২০১৭ ১৫:১৭379796
  • পাহাড় ভাগ হলে দিদির ভোট কমবে কেন?জনতা দেখেছে দিদি নরমে গরমে চেষ্টা করেছিল। সিপুএম এর মতো ঘিসিং কে খালি তৈল মর্দন করে চলে নি।
    S, ঠিক পয়েন্ট ধরেছেন। ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ মেইন উদ্দেশ্য হলে রাজ্যভাগ করতে হবে কেন?
    গুরুং এবং তাঁর দল তো পাহাড়ের উন্নতির জন্য প্রায় কিছুই করেনি। শুধু অডিট করতে গেলেই যত বিড়ম্বনা!
    আমার মনে হয় পঞ্চায়েত সিস্টেম যখন ভালো কাজ করছে ;তখন প্রত্যেকটা পঞ্চায়েত কে আলাদা রাজ্য বানিয়ে দিলেই হয়।তখন চতুর্দিকে খালি মন্ত্রী মন্ডল!
    মন্ত্রী হওয়ার সাধ কারোর অপূর্ণ থাকবে না!
    দুখের, বড় সাধ ছিল মন্ত্রী হওয়ার।ওকে আর দেখা যায় না।
  • h | ২৮ জুন ২০১৭ ১৫:০৫379795
  • বেশি গণ তন্ত্র চাইবে বলে গণতন্ত্র না দেওয়াই ভালো এটা কোন দাবী হল মাইরি এ বয়সে?
  • h | ২৮ জুন ২০১৭ ১৫:০২379793
  • বাঙালি কলকেতে বিজেপি আর হিন্দু নেপালী দের বিজেপি র মধ্যে সংঘাত হওয়াও অসম্ভব না।
  • b | ২৮ জুন ২০১৭ ১৫:০২379794
  • তাপ্পরে ধরুন কেউ বল্লঃ এইত্ত গোর্খাল্যান্ড হয়ে গেছে, তবে আমার বোড়োল্যান্ড চাই। চাই-ই চাই। তক্ষুণি আরেকজন বল্লঃ আমার কামতাপুর চাই, নইলে এক্ষুণি অনশনে বসব। উদিকে বোড়োল্যান্ড কামতাপুর দুটোই বেশ কিছু ওভারল্যাপ করে। তখন? লোকে তো কনফ্যুশনের চোটে কনফুসিয়াস হয়ে যাবে রে বাপ।
  • h | ২৮ জুন ২০১৭ ১৫:০০379792
  • সিনার্জি যতটা প্রয়োজনীয় বলে মনে হয়, আসলে ততটা প্রয়োজনীয় কিনা সেটা মাপার কোন উপায় নেই। বড় ঘটনায় রিয়াকশন যাতে তাড়াতাড়ি হয়, সেটার নানা ব্যবস্থা থাকতেই পারে, সেটা ডিভোলিউশনের পরেও সম্ভব। সাংবাদিক সাগরিকা ঘোষ এখন মোদী বিরোধী বলে চাকরি খুইয়েছেন শোনা যায়, কিন্তু মাইরি বলছি, কমনওয়েল্থ এর সময়ে ওনার অনুষ্ঠানে বলা একটা কথা আমাকে হন্ট করে এখনো, কারণ শাসকের দৃষ্টিভঙ্গে, বড় ব্যাবসার দৃষ্টিভংঈর এর চেয়ে সংক্ষিপ্ত বিবরণ আর হয় না। কমনোয়েল্থ কে খুব গোলমাল হচ্ছে, ব্রীজ ভেঙ্গে পড়ে গেছে, মিলিটারি কে ব্রীজ বানাতে হচ্ছে, তো সাগরিকা বললেন, এত এজেন্সী থাকাটাই কি সমস্যা। করুণানিধি, মোদী, নীতিশ এরা হলেন আদর্শ, কারণ এঁদের কর্পোরেট এর মত সেন্ট্রালাইজড স্ট্রাকচার। এই যুক্তি তেই কিছু লোক ভারতে ইনভেস্ট না করে চীনে করে, মাইরি। গণতন্ত্র কে উন্নয়নএর বাধা হিসেবে দেখাটা একটা দৃষ্টিভংগী মাত্র, ফ্যাক্ট বিশেষ নাই, থাকলেও সেটা খুব গ্রহণযোগ্য না, কারণ এমারজেন্সী র সময়ে ট্রেন ভালো চলতো বলে কেউ যদি এমারজেন্সী চায় সেটা র মতই রিডিকিউলাস।
  • S | ২৮ জুন ২০১৭ ১৪:৩৯379791
  • @h, স্থানীয় ক্ষমতার জন্য আলাদা রাজ্যের সবসময় দরকার নেই। মানে আলাদা অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ বডি হলেই তো হয়। কিন্তু এতো মুখ্যমন্ত্রী, মন্ত্রীমন্ডল, সেক্রেটারিয়েট হলে তো সিনার্জির দফারফা।
  • S | ২৮ জুন ২০১৭ ১৪:৩২379790
  • পাহাড় ভাগ হয়ে আলাদা রাজ্য হলে দিদির ভোট কমবে সমতলে। আর সেই ভোট যাবে বিজেপির বাক্সে। অতেব।
  • h | ২৮ জুন ২০১৭ ১৪:০৫379789
  • দ্রি মানে কি অবয়বের দ্রি না অন্য কেউ? যাক গে যেই হোক, ক্ষমতার দ্বন্দে মধ্যে খান থেকে সালা বিজেপি পাওয়ার ফুল হয়ে যাচ্ছে, জাতি হিংসা বাড়ছে এইটা অশান্তি। দার্জিলিং কি এমন রিসোর্স রিচ গো? মানে সত্যি জানি না।
  • দ্রি | ২৮ জুন ২০১৭ ১৩:৫৭379788
  • আসলে কি হানুদাদা, রিসোর্স রীচ জায়্গা কেউ ছাড়তে চায় না। সিপিএমও ছাড়তে চায় নি, মমতাও চাইবে না। ওটা চলে গেলে কোষাগারে নেট লস।

    অন দা আদার হ্যান্ড, রিসোর্স রীচ জায়গা আলাদা হয়ে গেলে তাদের নেট লাভ। কারণ তারা যতটা জেনেরেট করে সেই প্রোপোর্শান তাদের কাছে ফিরে আসেনা।

    তো একটা টানাহ্যাঁচড়া হবেই।
  • হনুকে | ২৮ জুন ২০১৭ ১১:১১379787
  • h | ২৮ জুন ২০১৭ ১১:০৮379786
  • দার্জিলিং আলাদা রাজ্য হলে ক্ষতি টা কি? ইন ফ্যাক্ট উনিশ টা জেলাই রাজ্য হতে পারে। লিংগুইস্টিক আইডেন্টিটি র ভিত্তিতে যে স্টেট ফর্মেশন হয়েছিল, সেটা তো ভেঙ্গে গেছে বহুবার। উত্তর পূর্বে এবং সম্প্রতি তেলেঙ্গানায়। বিশুদ্ধ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ইউনিট হিসেবে রাজ্য হলে ক্ষতি টা কি? মুভমেন্ট অফ গুড্স অ্যান্ড পিপল এটা অবাধ হলেই তো চুকে যায়। পাহাড়ের আন্দোলন কে এমন ভাবে দেখা হচ্ছে যেন দেশ ভাঙতে চাইছে, তা তো চাইছে না রে বাবা। একটা স্থানীয় ক্ষমতা র চাহিদা হয়েছে। তবে নামে গোর্খাল্যান্ড এ আপত্তি আছে, উত্তর পূর্ব পার্বত্য রাজ্য গোছের নাম দেওয়া যেতেই পারে। বীর ভুম রাজ্য হলে অনুব্রত মুখ্যমন্ত্রী হবেন ঠিক ই, কিন্তু স্থানীয় ক্ষমতায়নের দাবী তো অস্বীকার করা যায় না। হ্যাঁ এবার খুব দামী কথা হল, ক্ষমতা দিয়ে লোকে করবে টা কি, ভেজে খাবে ছাড়া বড় কোন উত্তর নেই। দেশ স্বাধীন হওয়ার এত বসর পড়ে এতো স্থানীয় ক্ষমতার দাবী উঠছে, বোঝাই যাচ্ছে এটা ফেডেরালিজম এর ফেলিওর। অনেক মানুষের কিসু হয় নি, তারা ভারতীয় রাষ্ট্রের আত্মিক গঠনে যত কোনঠাসা হয়েছে তত রেগে গেছে, কেন্দ্রায়িত ক্ষমতা কোনো সমাধান না। তবে হ্যাঁ মানুষের প্রকৃত সমস্যার সমাধানের লড়াই শুধু রাজ্য গঠনে থামবে না, কিন্তু আমার বক্তব্য হল, রাজ্য হয়ে দপ্তর হয়ে যদি লোকের চাকরি বাড়ে, কোন রাস্তা কোথায় বেঁকবে, কোথায় জলের সাপ্লাই লাগবে, কি ভাবে কারখানা তৈরী হবে, কি ভাবে ফসল হবে বিক্রি হবে সেটা নিয়ে মানুষ নিজে সিদ্ধান্ত নিলে ক্ষতিটা কি, পঞ্চায়েত যাঁরা সমর্থন করেন, তাঁরা ছোটো রাজ্যের দাবী সমর্থন করতেই পারেন। বিজেপি র উদ্দেশ্য আলাদা, সে স্থানীয় ক্ষমতায়নে উৎসাহী না। ছোটো রাজ্যে তার আগ্রহ ছিল তদ্দিন যখন ভারত কংগ্রেস মুক্ত ছিল না, এখন তার আর সমান্তরাল নেতৃত্ত্ব গড়ার দায় কম, এখন সে সার্জিকাল স্ট্রাইকের সমর্থন সঙ্গ্রহে ব্যস্ত, ব্যক্তি কে অতিমানব করার কর্মসূচী তে ছোটো রাজ্যের স্থান কোথায়। এখানে মমতা বন্দ্যো পাধ্যায় কে উত্যক্ত করার জন্য হয়তো সমর্থন করছে, তাদের উদ্দেশ্য সর্বত্রই ডুবিয়াস।

    ;-)
  • রামরাহা | ২৮ জুন ২০১৭ ১০:৫০379785
  • আচ্ছা, আজকে এইটা ফের দিয়ে গেলাম - #ওয়ানাক্রাই হোক বা #পেতিয়া বা #গোল্ডেনআই...

  • pi | ২৮ জুন ২০১৭ ১০:১৪379784
  • এনিয়ে ভালই প্রতিবাদ হচ্ছে। আরো হত। এই বাঙালি বিরোধিতাটা মাঝে এভাবে চলে না এলে।
  • j | ২৮ জুন ২০১৭ ১০:০৩379783
  • এতো চিরকালই ছিল, উড়িষ্যা বা আসামে

    কিন্তু অন্যদিকটাও দেখা হোক, বাংলার পুলিশের গুলিতে দার্জিলিংয়ে চার জনের মৃত্যুটা কোথাও যেন চাপা পরে গেছে সংবেদনশীল কলকাতা এবং বাকি বাংলাতেও
  • রামরাহা | ২৮ জুন ২০১৭ ০৯:১৬379782
  • বাঙালী বিরোধী সেন্টিমেন্ট উসকানো হচ্ছে খুব হিসেব করে। ইদানিং দেখছি অরিজিনটা উড়িষ্যা। কজন বাঙালী স্বাধীনতা সংগ্রামে যোগ দিয়েছে, কজনই বা আজাদ হিন্দ ফৌজে ছিল ইত্যাদি। বক্তার ইতিহাস জ্ঞান নিয়ে খিল্লি করাই যায়, চাপ হল এই কথাগুলো আরটি হতে হতে ভালোই ছড়াচ্ছে।
  • pi | ২৮ জুন ২০১৭ ০৯:০১379781
  • কেন্দ্রীয় সরকারে থাকা দল তো শুনছি প্রচুর উস্কাচ্ছে। মানে বাঙালি বিরোধী সেন্টিমেন্টটায়।
  • sm | ২৮ জুন ২০১৭ ০৮:৪০379780
  • শিলিগুড়ি তে কদিন একটা বিরাট মিছিল হয়েছে দেখলাম-বাংলা ভাগ হতে দেবোনা। খুব ভালো লাগলো। পাহাড় বা সমতল কারো পৈতৃক সম্পত্তি নয়।
    কিছু বিদ্দ্বজন মাথা চুলকে ওরা পাহাড়ি আমরা বাঙালি এমন একটা ভাগ করার চেষ্টা চালাচ্ছে বটে।
    এই জিনিস টাই ভয়ের।
    দেখা যাক কেন্দ্রীয় সরকার কি করে।
  • b | ২৮ জুন ২০১৭ ০৮:১২379779
  • একটা নেপালী শব্দ আছে, ধমাস। মানে চোখ রাঙানী প্লাস হুব্রিস প্রদর্শন ইত্যাদি। পাহাড়িদের সবচেয়ে বড় রাগের কারণ কেউ এসে "ধমাস" দেখালে।

    জিজেএম এর মোকাবিলা যেভাবে মমতা রাজনৈতিক ভাবে করছিলো, একদম ঠিক রাস্তা ছিলো। কিন্তু সম্ভবতঃ সাফল্য মাথায় চড়ে যায়। এবং ভাবে যে, যেভাবে মেরে ধরে সমতলে বিরোধীপক্ষকে চুপ করিয়ে দিয়েছে, পাহাড়েও সেরকম হবে।

    পাহাড়ের তৃণমূল ইউনিট ভেঙে ছত্রখান। দ্যাখ ক্যামন লাগে।
  • pi | ২৮ জুন ২০১৭ ০৭:৩৪379778
  • আরে চকলেট কফিও খাবিনা এখন।
  • কান্তি | ২৮ জুন ২০১৭ ০৭:৩৩379777
  • আমার যত দূর মনে পড়ে, এক সময় গুরুর পাতায় রামকৃষ্ণ-সারদা-কথামৃত নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হোয়েছিল। সেখানে নির্ভর যোগ্য সূত্র তুলে কেউ দেখিয়েছিলেন যে রামকৃষ্ণ জাতিভেদ মানতেন, অন্য জাতের হাতের রান্না খেতেন না এবং এই সূত্রে আরো কিছু তথ্য এসেছিল। যদি ভুল না কোরে থাকি তবে কেউ যদি সেই আলোচনের জায়গাটা বার কোরে দিতে পারেন খুব উপকৃত হবো। আগাম ধন্যবাদ জানিয়ে রাখলাম। কান্তি
  • Ekak | ২৮ জুন ২০১৭ ০৭:২৩379776
  • ওদিকে দার্জিলিং এর খবর পাচ্ছি ছেঁড়া ছেঁড়া এলোমেলো। সিংমারির এক কিলোমিটার এর মধ্যে রামকৃষ্ণ মিশনের কালচারাল সেন্টার নিবেদিতা হাউস। মহারাজ এর সঙ্গে মেসেজ বিনিময় চলছিল। পরিস্থিতি বেশ ঘোরালো। জনতা পুলিশের ওপর ব্যোম খেপে। যেদিন গুলিগোলা চললো, আইসির ভার্সন অনুযায়ী, রেসিস্ট না করলে অনেক পুলিশ মরতো। সরকার ডিপ্লোম্যাসি ছেড়ে এরকম আক্রমণাত্মক হুব্বাগিরি কেন করলো সেটাই মূল প্রশ্ন। বাঙালি দেখলেই কেলাও এরকম কিছু নয় যেটা ইন্টারনেট এ প্রচার হচ্ছে। প্রশাসন বিরোধিতাটাই মুখ্য।

    এমনি আগেরবার ঝামেলার সময় তো ভুটান এ ছিলুম। তখন ও দেখেছি, প্রশাসনের শক্তি প্রদর্শনটা পাহাড়ি লোকজন একদম ভালো চোখে নেন না। বিমল গুরুং দেবতা এমন কিস্যু না। প্রশাসন খোঁচায়, আর খোঁচালে গুর্খা রক্ত গরম হবেই। এবার ঠেলা বুঝুক।
  • Ekak | ২৮ জুন ২০১৭ ০৭:১৬379775
  • পাই, বেটার আছি আগের চে। ভেপার -ভয়েস রেস্ট সব মিলে। স্মোকিং বন্ধ রেখেছি কিন্তু বেশ চাপের ব্যাপার আর কী :( ফাইভ ষ্টার খেয়ে খেয়ে মুখ এলে গ্যালো।
  • Ekak | ২৮ জুন ২০১৭ ০৭:১৪379774
  • ফের সবাই ঘুমুচ্ছে !!!
  • Ishan | ২৭ জুন ২০১৭ ২৩:৪২379773
  • অভি যা দেখছ, তার উপরেই একটা লেখা দাও। দার্জিলিং এ বা কাছাকা্ছি আছে, এরকম কেউ চেনা আছে?
  • avi | ২৭ জুন ২০১৭ ২৩:৩৫379772
  • নিজে বিশাল কিছু বুঝছি না। আমি তো এখানে পুরোই বহিরাগত। কিন্তু যা দেখছি আর শুনছি, সেটা ঘাঁটা। সমতলের বাঙালিরা রেগে আছে, শঙ্কিত, আবার ব্যবসাপত্র কমে যাওয়ায় বিমর্ষ। নেপালিদের ওপর জাতিবিদ্বেষ কিন্তু এখনো সাধারণভাবে শুনছি না। অবশ্যই ছোট স্যাম্পল। বরং বিজেপির উদ্দেশ্যে সবাই বিষ উগরে দিচ্ছে। মাস দুয়েক আগেও যাঁরা তর্ক করতেন, তাঁরা তেড়ে গালাগাল দিচ্ছেন। মাড়োয়ারি ও অন্য অবাঙালি ব্যবসায়ী শ্রেণীর মুখ বন্ধ।
  • dd | ২৭ জুন ২০১৭ ২৩:০৫379771
  • কিই যে সব গান বাজনা শোনান আপ্নারা।

    এইটা শুনুন তো মন দিয়ে, বুঝবেন সংগীত কাকে বলে।


    যদি লিংটা ঠিক না থাকে তো উ ট্যুবে গিয়ে খুঁজুনTravis A King'এর creation। যান, যান। এখোনি শুনুন। একেবারে পেগলে যাবেন। গ্রান্টি আছে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত