এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ishan | ২৭ জুন ২০১৭ ২২:৫২379770
  • বাঙালি বনাম। বাক্যটা ভুল লিখেছি।
  • pi | ২৭ জুন ২০১৭ ২২:২৫379769
  • অভি তো ওখানে। একটী লেখ না, কী দেখছিস, বুঝছিস।
  • avi | ২৭ জুন ২০১৭ ২২:১৮379768
  • বিদঘুটে ব্যাপার চলছে। শিলিগুড়িতে পরিবেশটাই রাতারাতি পাল্টে গেছে।
  • পাই | ২৭ জুন ২০১৭ ২২:০৪379767
  • বাঙালি-বিরোধিতা বনাম ভারতীয়-জাতিয়তাবাদী-মূলধারার একটা দ্বন্দ্ব? নাকি বাঙালি বনাম?
  • Ishan | ২৭ জুন ২০১৭ ২১:৪৩379766
  • একদিকে পাহাড়ে ভারতীয় জাতীয় পতাকা নিয়ে আন্দোলন চলছে। অন্যদিকে রবিবারে শুনলাম শিলিগুড়িতে বাঙলিদের বিরাট মিছিল হয়েছে। সংগঠনের ব্যানার ছাড়া। পুরোটাই সোশাল মিডিয়া উদ্যোগ। এবং পরের শুক্রবার আরেকটি মহামিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছে দেখলাম। সেটাও অরাজনৈতিক।

    বেশ অদ্ভুত লাগছে। গোর্খাল্যান্ড আন্দোলন দীর্ঘদিন ধরে চলছে। আমরা অনেকে তার মূল দাবীকে সমর্থন করেছি, অনেকে করিনি। সেটা ছিল জাতিসত্ত্বা বিষয়ক আন্দোলন। সাধারণভাবে বাঙালি-বনাম-গোর্খা -- এই জাতীয় দ্বিত্বের কোনো অস্তিত্ব দেখিনি। কিন্তু এই গোর্খাল্যান্ড ৩.০ আন্দোলনে বাঙালি-বিরোধিতা বনাম ভারতীয়-জাতিয়তাবাদী-মূলধারার একটা দ্বন্দ্ব দেখতে পা্ছি। গোর্খা আন্দোলন সম্পর্কে বিশদ খোঁজখবর রাখিনা বলে নিশ্চিত নই, সেটা কোথা থেকে কীভাবে জন্মালো। কিন্তু দেখতে যে পাচ্ছি, সে নিয়ে সন্দেহ নেই।

    জাতিসত্ত্বা এবং ভাষাভিত্তিক রাজ্যের ক্থাই যখন হচ্ছে, কানাঘুষোয় শোনা যাচ্ছে দার্জিলিং ভেঙে সিকিমে ঢুকে যাবে, এমনটাও ভাবা হচ্ছে, তখন এটা নিয়ে সিরিয়াস কথাবার্তা হওয়া দরকার। ভাষার ভিত্তিকে রাজ্য পুনর্বন্টন হলে, অসম ভেঙে একটি পৃথক বাঙালি রাজ্য গড়া প্রয়োজন। ঝাড়খন্ডের বাঙালি অধ্যিষিত এলাকাকে পশ্চিমবঙ্গে জোড়া প্রয়োজন। গোর্খাদের নিজেদের রাজ্য থাকুক, বা তারা চাইলে সিকিমে যাক। হলে পুরোটাই হোক।
  • :) | ২৭ জুন ২০১৭ ১৪:৩০379765
  • ট্রাম্প খুঁজতে গিয়ে ট্রাম্পেট পেয়ে গেলাম। :) বাখ একটা কনশার্টো শেষে চলে এল হান্ডেল-পার্সেল এই কাজটা। জাস্ট ডিভাইন।

  • pi | ২৭ জুন ২০১৭ ১০:৫৩379764
  • দ্য হিন্দুর শুভজিত বাগচির একটা মন্তব্য পড়লাম। হানুদা বা আর কেউ এ নিয়ে লিখবে?

    Can find out. But between 1967-1972, Jukto Front also acquired & distributed good portion of land, according to Debabrata Bandopadhyay. He has the data in his book 'Land & Governance.' Not a small amount, if I remember correctly. Harekrishna Konar initiated it - interestingly - being influenced by an American Economist Wolf Ladejinsky, who adopted similar policies for World Bank in Japan to protect it from China & Communism. I heard somewhere that Mr Konar did meet Ladejinsky, but that is not confirmed. Ladejinsky, however, wrote extensively on Land Reform in India & his Japan experience. It is a matter of study on if/how an anti-Communist land policy influenced the Communists in Bengal.
  • (রাম)-সীতাফল | ২৬ জুন ২০১৭ ১০:২৩379763
  • যদিও অম্বুবাচী নিবৃত্তি গতকাল বিকেলেই হয়ে গেছে, তবুও ঐরকম 'কম শোনা কম দেখা' লিস্টিতে এই ফলটার নামও থাক।

    ট্যাঁপারী

    এটি কিন্তু এর মরশুমে থোকায় থোকায় বহু জায়গাতেই পাওয়া যাবে।
    _______________________
    &&&&&&&&&&&&&&&&&&
    পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা সকলকে।
    &&&&&&&&&&&&&&&&&&
  • i | ২৬ জুন ২০১৭ ০৩:০৮379762
  • আমার রক্তকরবী আই ডি থেকে কোনো অ্যাটাচমেন্ট সমেত মেইল পেলে, খুলবেন না।
  • Atoz | ২৬ জুন ২০১৭ ০০:৩৩379761
  • অভি, উহুঁ, মহাভারতেই বরং তীরধনুকের উপরে গুরুত্ব বেশি। ভীষ্ম নিজেও তো তীরধনুকের লড়াই করে শরশয্যায় শুলেন। অর্জুনের এত নাম, সে তো তীরন্দাজির জন্যই। কর্ণের কেসও তাই। একলব্যের সঙ্গে ঝামেলা বাঁধল তীরধনুকের কেস নিয়েই। কুরুক্ষেত্রের বড়ো বড়ো যোদ্ধারা প্রায় সবাইই তো তীরধনুর লড়াই করলেন। ভীষ্ম দ্রোণ কৃপ অশ্বত্থামা কর্ণ ইত্যাদি সবাই ই তো। একমাত্র শেষে ভীমে দুর্যোধনে গদাযুদ্ধ হল, সেও নেহাৎ একটা ব্যতিক্রমই বলা যায়, প্রধান যুদ্ধ ততক্ষণে সমাপ্ত।
    অর্জুনের মৎসচক্ষু বিদ্ধ করে দ্রৌপদীলাভ, তার আগে সেই কাজ কর্ণকে করতে না দেওয়া নানা ফ্যাকড়া তুলে, সেও তো তীরন্দাজির ব্যাপার।
    রামায়ণে সীতা-স্বয়ম্বরে তো ঐভাবে সূক্ষ্ম কিছু টার্গেট বিদ্ধ করতেই হল না রামকে, হরধনুতে গুণ পরাতে গিয়েই ভেঙে গেল। আর লঙ্কার যুদ্ধে তো নাগপাশ শক্তিশেল ইত্যাদি ধরণের নন- তীরধনু টাইপ অস্ত্রের উল্লেখ অনেক।
  • Atoz | ২৫ জুন ২০১৭ ২৩:৫৫379760
  • আরে!!!! আমিও গাছকে গাছ বলে বুঝতে পারি, দাঁড়িয়ে থাকে কিনা! আর, পাখি কাঠবেড়ালি খরগোশ ইত্যাদিরা সব নড়ে চড়ে দৌড়ে বা উড়ে বেড়ায়।
    ঃ-)
  • Rajarshi Monfaquira Basu | ২৫ জুন ২০১৭ ২০:২৪379759
  • সকল কে রথযাত্রার শুভেচ্ছা। এই রথযাত্রার দিনে বংগ সংস্কৃতির একটি অংশ জাগ্রত হয়ে ওঠে। সেই ছোটবেলা থেকে দেখতাম, খবরের কাগজে গহনা বিপণীর বিগ্যাপন ছাপিয়ে সেদিন প্রথম স্থান দখল করে যাত্রা। আমার ভাল লাগত যাত্রার ছবি দেখতে, যদিও এখনো অব্ধি মাত্র ৩ টি যাত্রাপালা দেখেছি। মোটা দাগের মেলোড্রামা বলে যতই ওড়াই, এই ২০১৭ সালে দেখছি, এখনো নতুন পালা নামছে।
    এবং সেই নামকরণ চমক এখনো চলছে। তবে এবার দেখলাম কিছু অন্য ধারার রোমান্টিক নামকরণ হয়েছে।
    এখানে মফস্বল এর অনেকেই আছেন। যাত্রাপালা নিয়ে তাদের ছেলেবেলার কথা বলুন।
    সবার জন্য রইল, ২০১৭ সনের যাত্রাপালার নাম :
    সিথির সিন্দূরএ হায়নার থাবা।
    শুধু স্মৃতি টুকু থাক।
    স্বর্গ আমার স্বামীর ঘর।
    বৌমা বাঘা তেঁতুল, শাশুড়ি বুনো ওল।
    অন্য প্রেমের রুপকথা।
    বস্তীর মেয়ে বিজলী।
    কুয়াশা ভাঙা ভোর।
    বাবুগো,আমি সিঁদুর বেচে মা হয়েছি।
    অন্ধগলির চন্দ্রমল্লিকা।
    প্রেম আছে কাছে, সাথী নেই সাথে।
    পল্লী বধুর ময়লা সিঁদুর।
    ইতি তোমার নীলাঞ্জনা।
    কি চেয়েছি আর কি যে পেলাম।
    ফুটপাথের রাজকুমারী।
    বিশ্বাসএ বিষ ঢেলেছি।
    প্রেমের মাঝে একফোটা বিষ।
    বল না গো কার মা তুমি।
    ধরণীর বুকে দরদী শয়তান।
    ধূলো মাটির ধন্যি মেয়ে।
    ও আরও অনেক।
  • (রাম)-সীতাফল | ২৫ জুন ২০১৭ ১৩:০৮379758
  • কলকাতায় পরিচিত এলাকার মধ্যে ফলসা যেখানে পাওয়া যায়।

    ১) লেক মার্কেটের পূর্ব দিকে পরাশর রোড বা পশ্চিম দিকের জনক রোড, যে কোন একটির উপর অবস্থিত গেট দিয়ে ঢুকে ফল বাজারের মুখে ঝাঁকাতে কলাপাতা বিছিয়ে জনা দুয়েক বিক্রেতা বসেন যাঁরা, এইসব মরশুমী ফল যেমন ফলসা, আঁশফল, বৈঁচি, ছোট দিশী খেজুর বেচেন।

    ২) ল্যান্সডাউন মার্কেটের পাশে বিনয় বসু রোডের গেট দিয়ে ঢুকে প্রথমে বড় স্টেশনারী, ফল দোকানগুলো পেরিয়ে বাঁ দিকে আরেকটি গেট আছে, সম্ভবতঃ গৌর ঘোষ রোডে। সেখানেও ওরকম ভাবেই বেচেন দু'তিনজন।

    ৩) যদুবাবুর বাজার বা জগুবাজারের বড় রাস্তা (আশুতোষ মুখার্জী রোডের উপর ২ নং গেটে)

    এ ছাড়া রামবাবুর বলা মত স্থানীয় অঞ্চলগুলির বাজারগুলো মানে বাঁশদ্রোণী, নাকতলা, কুদঘাটে খাল ধারে, সন্তোষপুর, ইত্যাদি প্রভৃতি।

    এগুলো সবই দক্ষিণের, উত্তরে মানিকতলায় অবশ্যই পাওয়া যায়। চিৎপুরে নতুন বাজারেও।

    সবার সুবিধেমাফিক জায়গার দরকার হলে ডালহৌসীতে এন এস রোড ও ক্যানিং স্ট্রীট ক্রসিংএ। এখানে অবশ্য ভালো মানের ভালো দামের নামী ফলই বেশী পাওয়া যায়। তবে ঐখানেই ক্যানিং স্ট্রীটের উপর বাজারে খুঁজলেও পাবেনই।

    মেছুয়ার ফলপট্টিতে পাবেন না।
  • avi | ২৫ জুন ২০১৭ ১১:১১379757
  • পুরো গ্রীষ্মকাল আমার হেড অব ডিপার্টমেন্ট আমাকে কৃষ্ণচূড়া, অমলতাস, জারুল থেকে আফ্রিকান টিউলিপ অব্দি চেনানোর ব্যর্থ চেষ্টা করে এখন কিসব সেন্ট্রাল ইন্ডিয়ান ফ্লোরা এন্ড ফনা এসব বই পড়তে দিয়েছেন। তারপর আবার গাছ চিনতে বেরোতে হবে। অবিশ্যি বোটানি কঠিন বিষয়, ছদ্মবেশীর শুভেন্দু চট্টো হাড়ে হাড়ে জানেন।
  • Ishan | ২৫ জুন ২০১৭ ০৯:২৩379756
  • আমি তো প্রায় বটানিস্ট। প্রায় সব গাছকেই আমি গাছ বলে চিনতে পারি। পেয়ারা না জামরুল, আতা না কামরাঙা, এইসব গুলিয়ে যায় খালি।
  • Arpan | ২৫ জুন ২০১৭ ০৯:১২379755
  • ল্যাদোশদার ছবিটা প্লামের না? এখানে তো ভরপুর মেলে।
  • সাইকো | ২৫ জুন ২০১৭ ০৮:১৪379754
  • ঋতুপর্ণার নিজেরও নার্কো করানো হোক। দুবারের গয়না চুরিরই অনেক তথ্য সামনে আসবে। আরো বহু ব্যপারও জানা যাবে, যা নিয়ে কোর্টে মামলা-টামলা চলছে।
  • i | ২৫ জুন ২০১৭ ০৩:১২379752
  • বোটানিস্ট নই। আমি শুধু খেয়ে বেড়াই..
  • i | ২৫ জুন ২০১৭ ০৩:১১379751
  • ক্যাপিটাল এস এর ১টা ৪৭ এ পোস্ট করা ছবিটি করমচা জাতীয় কিছু মনে হয়।
  • i | ২৫ জুন ২০১৭ ০৩:০০379750
  • বছর দুই আগের কথা-
    **************************************************************
    name: i mail: country:

    IP Address : 134.169.22.243 (*) Date:25 Apr 2015 -- 02:52 AM

    আঁশফল খেতে অসম্ভব ভালো লাগত-তবে বীচিটা বড় আর শাঁসটা কম বলে আশ মিটত না-হয়ত আঁশফল না আশফল। ছোটোবেলায় ফলের দোকানে বলত লিচুর ভাইপো।
    এদেশে এসে তাকে আবার খুঁজে পেয়েছি-বীচি কম শাঁস বেশি। আপনারা তো লিং না দিলে বিশ্বাস করেন না-
    http://en.wikipedia.org/wiki/Longan
    এই একটু পরে বাজার করতে বেরোবো আর গুচ্ছ খানেক কিনে আনব গোটা সপ্তাহের জন্য। তবে আজ বিকেলের মধ্যেই শেষ।
    **************************************************************
  • S | ২৫ জুন ২০১৭ ০১:৫৬379749
  • এগুলো মনে হয় ইন্ডিয়ান প্লাম বা অসোবেরী।
  • lcm | ২৫ জুন ২০১৭ ০১:৫২379748
  • ফলসা -
  • S | ২৫ জুন ২০১৭ ০১:৪৭379747
  • এটা কি ফলসা?

  • paps | ২৫ জুন ২০১৭ ০০:০১379746
  • রামরাহা, আপনার প্রশ্নের উত্তর কোনো বোটানিস্ট ভলো দিতে পারবেন। গুরুতে কোনো রেসিডেন্ট বোটানিস্ট আছেন কিনা কে জানে। ফলসা নামের ফলটা ঠিক কেমন দেখতে হয় জানার জন্য গুগল এর সাহায্য নিতে হল। গুগল ফটো দেখে যা বুঝ্লাম যে এ ফল আমি কখনো দেখিনি, খাওয়া তো দুর কি বাত।
  • pi | ২৪ জুন ২০১৭ ২৩:১০379745
  • ওদিকে এটাকে নির্মল আনন্দে দেব কিনা ভাবছিলাম।
    এই পোস্ট আর তার মন্তব্যসমূহ পড়ে, আর সেটাশেয়ার করায় আমার দেওয়ালে এমন সার্কাস চলছে যে মন্তব্য করতেই পুরো ভ্যাব্বাভাবাচাকা লাগছে !

    '
    কন্যাশী এর উদ্যেশ্যঃ
    ১) বাংলার মেয়েদের কর্পোরেট শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলা,
    ২) বাংলার মেয়েদের বিয়ের বয়স বাড়িয়ে দিয়ে বাঙালির জনসংখা কমিয়ে দেওয়া,
    ৩) বাঙালি মেয়েদের সংসার ভেঙ্গে কর্পোরেট সেবা দাসী হতে উৎসাহিত করা।

    জাতি সঙ্ঘ জনসংখ্যা কমানোর তত্বে বিশ্বাসী।
    এই জন্য ট্রাম্প ও তার সমর্থক ব্যাপটিস্ট ক্রিস্টান রা জাতি সঙ্ঘ থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে নিচ্ছে।
    জনসংখ্যা কমানোর ঘোষিত এজেণ্ডা এর বিরুদ্ধে রয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন থেকে তুর্ক প্রেসিডেন্ট এরদোগান।

    পশ্চিম বাংলার জন্ম হার বর্তমানে ১.৬।
    যা প্রতিস্থাপন হার (replacement rate) ২.১ এর ও নীচে।
    দার্জিলিং পাহাড়ে আজ নেপালীরা জনসংখ্যায় বেশি আর নেপালীদের জন্ম হার ২.২।
    বাংলার শহর গূলো ক্রমেই হিন্দিভাষীতে ভরে যাচ্ছে কারণ হিন্দিভাষীদের জন্ম হার ৩ থেকে ৪ যা আমাদের দ্বিগুণের ও বেশি।
    বাংলাকে ভবিষ্যতে হিন্দিভাষী দের হাতে তুলে দেওয়ার কাজে সাহায্য করছে না কি কন্যাশ্রী ?'

    ---

    এই পোস্টটা পড়ে ভাবছিলাম, এঁরা কোদ্দিয়ে আসেন!
    কোন মেয়ে কীসে এম্পাওয়ার্ড ভাববে নিজেকে সেটা নিয়ে প্রশ্ন করার ইনি কে? মেয়েদের কাজ হল এনাদের জন্য সন্তান উতপাদন করে যাওয়া, নাকি? এত গায়ে লাগছে কেন, মেয়েদের বিয়ের বয়স পিছোতে? ছেলেদের বিয়ের বয়স নিয়ে তো কোন চিন্তা,কথা কিছুই দেখা যায়না। প্রথমে ভেবেছিলাম, একটা অক্ষম খিল্লির চেষ্টা করেছেন। সিরিয়াস পোস্ট দেখে সত্যি অসুস্থ মনে হচ্ছে।
  • s | ২৪ জুন ২০১৭ ২২:৩৬379744
  • ক্পুর ওয়ালে পাইয়ের দেওয়া বিবৃতিটা পড়লাম।
    কপু সব পোস্টই বন্ধুগন বলে করে, সুতরাং সেটা ঠিকই আছে। কিন্তু সামান্য চুরির কেসে কেন নার্কো টেস্ট তার কোন গ্রহনযোগ্য ব্যখ্যা করতে পারে নি। যেটা বলেছে, যে তদন্ত আর এগোচ্ছে না বলে অগত্যা নার্কো টেস্ট, এটা খুবই বালের যুক্তি। এই যুক্তিতে আরো ৩,৫৬৭ টা মামলায় নার্কো করানো উচিৎ, যেগুলো আরও গুরুত্বপূর্ণ।
    আর সেলিব্রিটি প্রেশারেই যে নার্কো হচ্ছে সেটা কোন যোক্তি দিয়েই ঢাকা যাচ্ছে না।
  • রামরাহা | ২৪ জুন ২০১৭ ২০:০৪379743
  • হুঁ, দিয়েছে বটে।
  • অভিষেক | ২৪ জুন ২০১৭ ১৯:৪৯379742
  • গুরুচণ্ডালী গণতন্ত্রের অন্তঃনিহিত আদেশ
    - অনুষ্টুপ আয়োজিত সমর সেন স্মারক বক্তৃতায় আজকে গায়ত্রী এই বাক্য থেকেই নানান সুতো খুলে দ্যাখালেন। বক্তৃতার বিষয় - গণতন্ত্রের রহস্য। প্রথম বাক্যের গভীরতা অপরিসীম। এই প্রকাশনার মূল দর্শনের সাথে সমার্থকও য্যানো বটে।
  • pi | ২৪ জুন ২০১৭ ১৮:৪০379741
  • এ মানে কপু এরকম বান্গ্লায় বিবৃতি দিচ্ছে? তাও আবার বন্ধুগণ বলে!
    ফেবু পেজে দিয়েছে শুনলাম।

    '

    Kolkata Police
    বন্ধুরা,
    একটু সময় চেয়ে নিচ্ছি আপনাদের। একটি বিষয়ে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট করা জরুরি হয়ে পড়েছে, তাই।
    প্রেক্ষাপট সংক্ষেপে এই। গত এপ্রিল মাসে দক্ষিণ কলকাতার রবিনসন স্ট্রিটে একটি বাড়িতে চুরি হয়। আলমারি থেকে খোয়া যায় বহুমূল্য গয়নাগাঁটি। বাড়িটিতে থাকেন অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের মা। যিনি হঠাৎই একদিন আবিষ্কার করেন, আলমারির ভিতরে রাখা গয়নার বাক্স থেকে বেশ কিছু মূল্যবান গয়না উধাও। কাজকর্মে সাহায্য করার জন্য দু’জন মহিলা সর্বক্ষণ বাড়িটিতে থাকতেন। অভিযোগ দায়ের হয়। তদন্তে নামে স্থানীয় থানার পুলিশ।
    তদন্তের বিস্তারিত খুঁটিনাটিতে যাচ্ছি না। শুধু এটুকু বলা যাক, বাইরে থেকে ঘরে অজ্ঞাতপরিচয় কেউ ঢুকে চুরি করার সম্ভাবনা ছিল প্রায় শূণ্য। বিস্তর জিজ্ঞাসাবাদ এবং ফরেনসিক পরীক্ষানিরীক্ষার পর তদন্তকারী দলটির দৃঢ় ধারণা হয়, বাড়িতে কাজ করা দু’জন মহিলার মধ্যে কোনও একজন চুরির সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত আছেন। কিন্তু কেউই অপরাধ স্বীকার না করায় সম্প্রতি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, সংশ্লিষ্ট দু’জনেরই “Narco-analysis test” (সত্যি-মিথ্যে নির্ধারণের বৈজ্ঞানিক এবং আইনসিদ্ধ প্রক্রিয়া) করানো হবে পর্যায়ক্রমে। সেই মর্মে আদালতে পুলিশের তরফে আর্জি জানানো হয়। এই প্রক্রিয়ায় সন্দেহভাজন ব্যক্তির সম্মতি জরুরি। আদালতে সেই সম্মতি ইতিমধ্যেই দিয়েছেন দুই মহিলার একজন। আদালত পুলিশের আর্জি মঞ্জুরও করেছে। একজনের পরীক্ষা সম্পূর্ণ হলে, অন্যজনের সম্মতি চাইবে আদালত। বলে রাখা ভাল, প্রাথমিক সম্মতি দিলেও পরীক্ষার পূর্বমুহূর্তেও তা প্রত্যাহার করার আইনি অধিকার এ ক্ষেত্রে সন্দেহভাজনের আছে। জোর খাটানোর কোনও ব্যাপারই নেই।
    “Narco-analysis test” –এর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর কোনও কোনও মহলে তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে, লক্ষ্য করেছি আমরা। প্রশ্ন তোলা হচ্ছে টিভি চ্যানেলের আলোচনাচক্রে, চোখে পড়ছে ফেসবুক-টিপ্পনিও। ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত “celebrity” বলেই কি “সামান্য” চুরির ঘটনায় পুলিশের অতি-সক্রিয়তা ? কই, চুরির ঘটনা তো অনেকই ঘটে, সব ক্ষেত্রে কেন “Narco-analysis” নয় ?
    কারোর সমালোচনা করা এই পোস্টের উদ্দেশ্য নয়। এ প্রসঙ্গে আমাদের বক্তব্য পেশ করার সুযোগটুকু নিচ্ছি মাত্র সোশ্যাল মিডিয়ার পরিসরে।
    প্রথমত, তদন্তের গতিপ্রকৃতি প্রথাগত পদ্ধতিতে দু’মাস ধরে চলার পরও অপরাধীকে চিহ্নিত করা এখনও সম্ভব হয়নি। দু’জন প্রবলভাবে সন্দেহভাজন। যাঁদের কেউই এখনও অপরাধ স্বীকার করেননি। এমতাবস্থায় আইনসিদ্ধ বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ার সাহায্য নেওয়াই তো সঙ্গত।
    দ্বিতীয়ত, অভিযোগকারিনীর বয়স সত্তর। চুরি যাওয়া গয়নাগুলি তিনি উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছিলেন। বারবারই জানিয়েছেন, অর্থমূল্যের থেকেও তাঁর কাছে জরুরি ওই গয়নাগুলির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা পারিবারিক সেন্টিমেন্ট। তাঁরও দৃঢ় সন্দেহ বাড়ির ওই দুই মহিলার প্রতি। কিন্তু যেহেতু দু’জনই ওই বাড়িতে দীর্ঘদিন কর্মরতা, তাঁদের কোনওরকম হেনস্থাও চান না। একজন বাড়ির কাজ ছেড়ে দিয়েছেন ইতিমধ্যে। এলাকারই অন্য একটি বাড়িতে কাজ করছেন। অন্যজন কাজ ছাড়েননি। এখনও ওই বাড়িতেই। তদন্তকারী দলের মনে হয়েছে, “Narco-analysis”-ই এক্ষেত্রে যুক্তিসম্মত পদক্ষেপ। পরীক্ষায় প্রাপ্ত তথ্য পারিপার্শ্বিক প্রমাণ হিসেবে অপরাধীকে চিহ্নিতকরণে সাহায্য করতে পারে, এটাই ভাবনা।
    তৃতীয়ত, প্রশ্ন তোলা হচ্ছে কোথাও কোথাও, “celebrity”-র মা যেহেতু অভিযোগকারিনী, তা-ই কি সত্যি-মিথ্যে নির্ধারণের জন্য এত গভীরে গিয়ে তদন্ত ? সবিনয়ে জানানো যাক, ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তেরই লেক গার্ডেন্সের ফ্ল্যাট থেকে বেশ কিছু মূল্যবান সামগ্রী খোয়া গিয়েছিল। অপরাধী ধরা পড়েনি। সন্দেহভাজনদের তল্লাশি-জিজ্ঞাসাবাদ, সবই হয়েছিল। কিন্তু সন্দেহের মাত্রা সেই পর্যায়ে ছিল না যে “Narco-analysis” করাতে হবে। এ ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আলাদা এবং তুলনায় অনেক বেশী জটিল। সন্দেহের মাত্রা বহুগুণ বেশী। এবং সন্দেহভাজন নাগালের মধ্যেই। অতএব সত্যি-মিথ্যে বিচারের বৈজ্ঞানিক পথে যাওয়ার সিদ্ধান্ত। তদন্তেরই প্রয়োজনে, অভিযোগকারিনীর সামাজিক অবস্থান বিবেচনা করে নয়।
    সারা বিশ্বেই ক্রমশ বাড়ছে তদন্তে প্রথাগত নিয়মের পাশাপাশি নিত্যনতুন বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির উপর নির্ভরতা। আমরাও ব্যতিক্রম নই। প্রয়োজনে ভবিষ্যতেও অন্য কোনও ঘটনায় আদালতের সম্মতিসাপেক্ষে নিশ্চয়ই সাহায্য নেব “Narco-analysis”-এর।
    সবাই ভালো থাকবেন।'
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত