এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • h | ১৭ জুন ২০১৭ ২৩:৫৯379560
  • এবার আর ইপ্সিতা আমায় নিন্দে করতে পারবে না, প্রায় পেট খারাপের মত অনেক লিখেছি গুরু তে ঃ-))))))))
  • যা যা বর... | ১৭ জুন ২০১৭ ২৩:১১379559
  • এই ব্লগের অনেক লেখা পড়লাম। খুব ভালো লাগলো। সমস্ত লেখক দের কাছে আবেদন, আমরা কয়েকজন একটি বাংলা ওয়েব ম্যাগাজিন ওপেন করেছি।এখানে আপনাদের রচিত লেখা পেলে আমাদের ম্যাগাজিন আরো উন্নত হবে এই আশা রাখি। আমাদের এই পত্রিকায় যে কেউ জাতি,ধর্ম,বর্ণ নির্বিশেষে বিভিন্ন বিভাগে সচ্ছন্দে লেখা পাঠাতে পারবেন।আপনাদের লেখা গুলিকে যথার্থ মর্যাদার সাথে আমাদের ওয়েব ম্যাগাজিনে প্রকাশ করা হবে। এখানে দুই ভাবে আপনারা আপনাদের লেখা কে প্রকাশ করতে পারবেন।
    এক, আপনি সরাসরি Email এর মাধ্যমে (প্রেরণ লেখক) আপনার লেখা, ছবি প্রভিতি আমাদের কে পাঠতে পারবেন।
    আমাদের এখানে লেখা পাঠানোর জন্য মেল করুন- [email protected]
    আপনাদের লেখা/ছবি ইত্যাদি ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আপডেট করা হবে।
    বিঃ দ্রঃ - প্রতিটি লেখার সাথে আমাদের বিভাগ গুলি অবশ্যই উল্লেখ করবেন।
    এবং দুই, সক্রিয় লেখক হয়েও আপনার লেখা কে প্রকাশ করতে পারেন।কিন্ত কিভাবে? আসুন বিস্তারিত আলোচনা করা যাক।"অকপট" - ওয়েব ম্যাগাজিন একটি পত্রিকা হলেও, এটি একটি বাংলা ব্লগিং সাইট।এখানে আপনি ইচ্ছা মতো আপনার লেখা কে প্রকাশ করতে পারবেন। যে কোনো দিন, যে কোনো সময়ে।
    তবে এর জন্য আপনার কাছে দুটি অপসন্ থাকতে হবে।এক, আপনার নিজেস্ব সক্রিয় একটি জিমেল(Gmail Account) একাউন্ট। আর দুই, অ্যান্ড্রয়েট মোবাইল বা কম্পিউটার ( ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ) থাকলেই আপনি সহজেই, আপনার লেখা/ছবি আমাদের এখানে পোষ্ট করতে পারবেন।
    কিভাবে করবেন?
    ১ম পর্যায়, আপনি আপনার নিজেস্ব জিমেল অ্যাকাউন্ট ওপেন করে, আমাদের কে মেল করুন
    ([email protected])- আপনি আমাদের ম্যাগাজিনে লিখতে আগ্রহী।
    2য় পর্যায়, আপনার মেল আসার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আমাদের পক্ষ্য থেকে একটি মেল পাবেন।
    ৩য় পর্যায়, এবার আপনি আপনার মেলটি ওপেন করুন। সেখানে Accept Invitation লেখা তে ক্লিক করুন।
    ৪র্থ পর্যায়, এর পর আবার একটি BOX OPEN হবে।Accept Invitation এ আবার ক্লিক করতে হবে।
    ৫ম পর্যায়, ব্যাস্ শেষ। এবার আপনার ড্যাশবোর্ড ওপেন হবে।আর আপনি নতুন নতুন পোষ্ট করতে পারবেন।
    আরো জানতে এই লিঙ্ক ওপেন করুন >>
    http://www.okopotwebmag.in/2016/10/youareactivewriter.html/
  • j | ১৭ জুন ২০১৭ ২১:৩২379557
  • খবরে বলছে পুলিশের গুলিতে মৃত্যু বেড়ে ৪ !
  • Du | ১৭ জুন ২০১৭ ২১:২০379556
  • আজকে কলকাতা ব্রীজ বলে একটা ফীডে খেয়াল না করে ক্লিক করে ফেলে রিআব্লিক টিভি শুনে ফেল্লাম ক সেকন্ড। it is the story of a roguenation বলে শুরু হচ্ছে! বিষ পুরো। আর বেশি দেখার চেষ্টা করলাম না।
  • pi | ১৭ জুন ২০১৭ ২০:৪৩379555
  • লাগত না, কারণ ফুটবল খেলাটাকে ছোট করে নয়,আরেকটা স্কিল, আরেকটা চয়েজ হিসেবে বলা হত। অন্যগুলো বলায় সেটা থাকেনা। ছোট করাটা থাকে বলেই সমস্যা। বা সমাজে ছোট করা হয়ই, সেটাকেই রিইনফোর্স করা হয়, বা সেটাই বোঝানো হয়। সমস্যা সেখানে লাগে।
    আর এছাড়াও, এই ধরুন, এই বাক্যতেই, যার রক্তে ফুটবল, সে কী করে ক্রিকেট খেলবে বললে, আপনিই ভেবে দেখুন না,রক্তে ফুটবলকেই উল্টে গ্লোরিফাই করা হচ্ছেমনে হচ্ছে। কারণ ফুটবল খেলতে পারাটা আমাদের সমাজে একটা স্বীকৃত বিশেষ স্কিল, দারোয়ানি নয়। দারোয়ানি করায় যে স্কিল লাগে, কাজটার যা গুরুত্ব, সেটাকে স্বীকার করিনা বলে।
  • Hmm | ১৭ জুন ২০১৭ ১৮:২৫379554
  • দিগ্স্নিটি ওফ লেবার নিয়ে তো একটা টই দেখলাম, টই এর সাথে অনেকটাই সহমত,
    আবাপর প্রতিবেদকের ফেবু পোস্ট দেখার সময় নেই। তবে 'যার পায়ে ফুটবল তার হাতে ব্যাট ধরালে কি সেন্ঞ্চুরী আসবে?' এইরকম একটা পোস্ট পড়তে নিশ্চয় আপনার খারাপ লাগত না?

    সবটাই মানসিকতা আর আপেক্ষিক!
  • j | ১৭ জুন ২০১৭ ১৮:০৬379553
  • আবাপর একজন সিনিয়র প্রতিবেদকের ফেসবুক থেকে

    ""এ বার খুব খারাপ ভাষা জিবের ডগায় এসে যাচ্ছে। তবু ভদ্র ভাষায় বলার চেষ্টা করছি। পুঁইশাক চচ্চড়িক মশলা দিয়ে যেমন বিরিয়ানি রাঁধা যায় না, তেমনই যাদের রক্তে দ্বারোয়ানি আছে, তারা প্রশাসক হবে কী করে? আবারও বলছি, এই খারাপ কথাটা বলার জন্য খারাপ লাগছে। তবু না বলে পারলাম না।"

    এই তো হচ্ছে মানসিকতা..... যাই হোক
  • PM | ১৭ জুন ২০১৭ ১৮:০৩379552
  • যেদিন ঝমেলা শুরু হয়, মানে গত শুক্কুর বার, আমি দার্জিলিং এ ছিলাম--বেরোনোর সময় ২ ঘন্টা আটকে ছিলাম রাস্তায়। GJM এর অ্যাকটিভিস্ট এর সাথে কথা হয়েছিলো। সরকারের রাজনৈতিক চালে খুব ভুল ছিলো---- মিরিকের তিনো জেতার ওভার কনফিডেন্স থেকে সরকারের ভুল চাল। আরো ধৈর্য ধরা উচিত ছিলো--পায়ে পা দিয়ে ঝগড়া করে GJM কে কোনঠাসা করার রাজনৈতিক সুযোগ হাতছড়া হয়েছে
  • j | ১৭ জুন ২০১৭ ১৪:৩৫379551
  • সেনা নামল

    পুলিশের গুলিতে বিক্ষোভকারীর মৃত্যু
  • pi | ১৭ জুন ২০১৭ ১৪:৩৪379550
  • গোর্খা অফিসার মারা গেছেন।
  • j | ১৭ জুন ২০১৭ ১৪:২৬379549
  • পাহাড়ের অবস্থা খুউব খারাপ

    গুলি চলেছে আর একজন কমান্ডাট খুন
  • pi | ১৭ জুন ২০১৭ ১১:০৯379548
  • শাড়ি নিয়ে আলোচনায় বিশ্বেন্দু নন্দর পোস্টটা থাক।

    'সমস্যা হল বলার কিছুই নেই - এর সমাজতত্ত্ব বিষয়ে ডডনংএর থেকেও খারাপ জ্ঞান। এ নিয়ে অনেকেই আলোচনা করেছেন এর আগে।

    তবুও বোকার কয়েকটি মূঢ প্রশ্ন
    ১) বাংলার রেশম ছিল একদা বিশ্বখ্যাত - ডাচ, ব্রিটিশ, ফরাসী আর পর্তুগিজ কর্পোরেটরা চারশ বছর আগে পলাশি পর্যন্ত কাশিমবাজারের রেশমের ওপর নির্ভরশীল ছিল - ইওরোপিয় রেশম বাজারের ভিত্তি লিয়ঁ আর আমস্টার্ডামকে পেছলে ফেলে দেয় কাশিমবাজার এমন কি পারসি রেশমও পাত্তা পায় না। ১৭৫৭র পরে বিশিল্পায়নে সমস্ত চিত্র পালটে যায়। তখন বাংলা ছাড়া গুজরাট বিখ্যাত ছিল রেশম বস্ত্র উৎপাদনের জন্য। গুজরাট বাংলাকে তুলো দিত আর বাংলা গুজরাটকে দিত রেশম। বাংলার রেশমে বোনা গুজরাটি পাটোলা ডাচেদের হাত ঘুরে দক্ষিণ এশিয়ার সব থেকে দামি ও অভিজাত পরিধেয় ছিল। তখন বেনারসি বা পোচমপল্লি কোথায়? ছিল মুর্শিদাবাদের (পরে বিষ্ণুপুরে আসা) বালুচরি তার হাল্কা রেশমি অনুভূতি আর জ্যাকার্ড পূর্ব অসাধারণ হাতে তোলা কারিগরির দক্ষতা আর জ্ঞান। তাহলে মোটাদাগের বেনারসি যা গরমের এলাকার জন্য নয় তা কি করে বাংলায় চালু হল? উত্তর পাই নি।
    ২) শাড়ি নামক উৎপাদনের চরিত্রের দুটি প্রধান উপাদান যদি হয় সূক্ষ্মতা আর শাড়ির ওপর তোলা সূক্ষ্ম কারুকার্য - তাহলে বিয়ের জন্য বিখ্যাত বেনারসি বা দক্ষিণের ভারি ভারি শাড়িগুলো শুধু চলছে প্রচারের জোরে - এর বেশি তো আর অন্য কোন তত্ত্ব তৈরি করা মুশকিল - ঠিক যেভাবে বাংলার সূক্ষ্ম সুতির উৎপাদন ব্যবস্থা ধ্বংস করে ব্রিটিশ মিলের উতপাদনকে ভাল বলে ধনীদের কাছে চালানো হয়েছিল - ১৮২০ সালের পর আজ পর্যন্ত - এখনও ভাল কাপড় তৈরি হয় তাঁতেই। এবং ঠিক যে জন্য ব্রিটিশেরা মসলিনকে ধ্বংস করতে ছোট আঁশের ঢাকাই ফুটি তুলো চাষ নিষিদ্ধ করে বৈদ্যুতিক যন্ত্রে বোনা যায় বড় আঁশের আমেরিকিয় আর মিশরীয় তুলোর গুণগান করতে থাকে - এবং এখন খবরের কাগজে মিশরী বা আমেরিকিয় তুলোর প্রচুর বিজ্ঞাপন আর ক্রেতা। কেউ জানেই না যে বিশ্বের সব থেকে দামি সূতির শাড়ি তৈরি হত বাংলার ফুটি তুলোয় আর দামি তম রেশমি কাপড় তৈরি হত বাংলার রেশমে। তাহলে আমার চেহারার মোটা আকারের বেনারসি আর দক্ষিণী রেশমি শাড়ি কেন বিখ্যাত হল সুন্দর বালুচরি আর স্বর্ণচরি ছেড়ে?
    ৩) আজও কেন সেই মোটা বেনারসি এই বাংলা-গরমে বধুমাতারা পরবেন বালুচরি ছেড়ে?
  • h | ১৭ জুন ২০১৭ ১০:৪০379547
  • কিরকম সব আশ্চর্য্য যোগাযোগ হয়। অদ্রীশ বিশ্বাস এর এই সীমান্ত এই লেখাটার কিছুটা প্রুফ রিডিং, টাইপিং ইত্যাদি আমি বোধ হয় করেছিলাম, একটা ব্রিফ পিরিয়ডে এই কাজ আমি করেছিলাম সম্ভবত। আমার ভাদ্রলোক কে চেনা ছিল না, আলাপ করার খুব আগ্রহ কখনো পাইনি। মনে হয় নি গিয়ে আলাপ করি। তাছাড়া লেখক দের সঙ্গে পাঠকের একটা দুরত্ত্ব থাকা ভালো, সবাই কে চেনার কোন দরকার নাই।

    তো আমার লেখাটা ভালো লাগে নি। আমার মনে হয়েছিল কেন এই লেখাটা সিলেক্ট করছে। আমার মনে হয়েছিল, এই বিক্ষিপ্ত অভিজ্ঞতা, এবং তাও ধার করা বিক্ষিপ্ত অভিজ্ঞতার কি অর্থ আছে। আর আমি আজকে, কাছাকাছি মানে না পৌছাতে পারলেও, অর্গানাইজেশন কিসুই না রেখে, বিক্ষিপ্ত অভিজ্ঞতার, ফ্লিটিং কনভারসেশন রেকর্ড করছি। এবং বলতে নেই সেই গুরুচন্ডালি তেই করছি। এটা আশ্চর্য্য একটা ব্যাপার ঃ-))) আমার তখন মনে হয়েছিল এই ফ্লিটিং বরোড এক্সপেরিয়েন্স এর অর্থ কি, বরোড এক্সপেরিয়েন্স বুঝি, আমি নিজে অত্যন্ত আরামে রয়েছি, আমার নিজের ইমিডিয়েট অভিজ্ঞতা কে প্রোফাউন্ড অভিজ্ঞতা না মনে করার সঙ্গত কারণ রয়েছে, তো তাইলে স্বর ধার করার একটা বস্তু আর্টে রয়েছে। কারণ মানুষ নইলে সুদু আত্মজীবনী লিখতো, আর কিসুই লিখতো না। যত ধার করাই হোক, একটা সংযুক্তি রয়েছে। এখন তিতি দেখলাম ফেসবুকে শেয়ার করেছে লেখাটা, আমার টাইপ করার কথা মনে পড়লো, আর একটা সংযুক্তি বোধ এর কথা মনে হল। এইটা কাটানো যায় না। আলাপ করতে ইচ্ছে না হলেও।
    খুব ই খারাপ লাগছে। ওনাকে যেন লেখা দিয়ে জানাই যথেষ্ট হয়।

    বাদল সরকার এর উপরে এই বইটা আমার কেনা হয় নি। বাদল সরকারের নাটকের সঙ্গে আমার দুটো বিচিত্র পরিচিতি ঘটেছিল। একটা
    হল তখন সম্ভবত ক্লাস সেভেন বা এইটে পড়ি, হঠাৎ একদিন বেশ রাত্রে কয়েকজন স্থানীয় বোলপুরের সিপিআইএমেল করা ছেলে বাবার কাছে হাজির। নাটক করবো চাঁদা দিন। তো বাবা সিপিএম বলে পরিচিত, তার কাছে আসতে কারো বাধা নেই, তবে চাঁদা পাওয়ার সম্ভাবনা থাকার কথা না, তো খুব ই সুকনো মুখে খুব ই কম চাঁদা নিয়ে ছেলে গুলো ফিরে গেলো। তারা কেউ কেউ নাম করা গুন্ডা টাইপের, তাদের লোকে ভয় টয় পায়, তো তারা যাওয়ার সময়ে আমাকে বলে গেল, নাটক দেখতে যাস কিন্তু। তো আমি নাটক দেখতে গিয়ে দেখি, এখন কানেক্ট করতে পারি, কান্ডটা মোটামুটি এই, বিশ্বভারতী তাদের বাদল সরকারের নাটক করতে দেয় নি, তাদের মানে দার্শনিক সন্তোশ সেনগুপ্তর ছেলে বাবজু দা, সুজিত ঘোষ, বিজয় মিশ্র, রুপালি দি, দেবাংশু মজুমদার দা দের। তো তারা পশ্চিম বঙ্গ সরকারের জমিতে, বিশ্বভারতীর ঠিক বাইরে, একটা ব্লক অফিসের সামনে চীপকুঠিতে নাটক করছে এ, একটা ইউ শেপ এর রাস্তা মত বানি নিয়ে, আর একটা সাদা পর্দা খাটিয়ে। তো ভালো মন্দ বড় কথা না, আমি এরকম নাটক তার আগে দেখিনি। কারণ আমি তার আগে শুধুই রবীন্দ্রনাথের নাটক দেখেছি। সেটা একধরণের আড়ম্বর হীন বটে, কিন্তু তার একটা নির্দিষ্ট ভাষা ও স্টাইলাইজেশন। আমি কলকাতায় তার আগে কোন নাটক দেখিনি, পথ নাটিকা দেখেছি, কিন্তু ইলেকশনে, সেখানে বাজেটের কাগজ হাতে সত্য বন্দ্যোপাধ্যায়, কেন্দ্রীয় সরকার এই খাতে এত টাকা দেয় নি গোছের সংলাপ, তো স্টেজ দেখা অথচ সত্যি কারের প্রসেনিয়াম না দেখা একটা ছেলে বাদল সরকার দেখছে। শরীরী অভিনয় দেখছে, বাবজু দা দেবাংশু দা সুজিত দা রুপালি দি, শেষোল্লিখিতি তিনজন, এখন সারাজীবনের বন্ধু, তো এই সব দেখলাম। তারা লেবানীজ ওয়ার আর ইইজরায়েল প্যালেস্তাইন এর কনফ্লিক্ট এর একটা ছোটো অংশ নাটকের মধ্যে আনে। আই বছর টা নিয়ে একটু কনফিউজ্ড, যদি ১৯৭৬ হয় বেশি আগে মনে হচ্চে, কিন্তু সেটা মিউনিখ অলিম্পিক এর পরে পরে, যদি ৮২ হয় তাইলে বেশি বড় মনে হছে, নিজেকে, অতটা বড় হয়তো নাটকের সময়ে ছিলাম না, ৮২ হতে পারতো কারন শাবরা শাটিলা কিলিং ৮২ তে। এটা মনে করতে পারছি না। তো এই নাটকের এই অভিনয়ের ইম্প্যাক্ট আমার মনে থেকে গেছিল। এর অনেক পরে ৯১-৯২ সালে চাকরি খুইয়ে যখন শান্তিনিকেতনে ফিরে আসি তখন মালিনি অন্গ্শু স্রোতা আর কলাভাবনের কিছু ছেলে মেয়ে বাদল সরকারের সঙ্গে নাটক করা শুরু করে। তখন উনি ওখানে ভিজিটিং প্রফেসর। তো তখন আমি আর নাটক না দেখা বা না পড়া লোক নই, তবু কোন নাটক মনে করতে পারছি না, একটা দৃষ্য ছিল, একদল ছেলে মেয়ে নিজেদের মনে মনে কথা বলতে বলতে এগোছে কিন্তু কেউ কারো সঙ্গে কথা বলছে না, মিনিমাম গ্রীট ও করছে না, তার এক সেকেন্ড আগেই তারা নিজেরা নিজেদের কে জড়িয়ে ধরে লাফালাফি করছিল তো এটা আমাকে খুব হন্ট করে, আমি মালিনি দের একটা লম্বা চিঠি লিখি, যে তোমাদের নাটকের এই জায়গাটার অর্থ কি, কেন এরকম ভাবে এই জায়গাটা করেছো, তো ওরা অ্যাপারেন্টলি, যত্ন করে গ্রুপের মধ্যে চিঠিটা পাঠ করে এবং নিজের একটু থ মেরে যায় হঠাৎঅ একটা যতই চাকরি ছেড়ে আসা ক্যালানে হোক না কেন তবু তো এস এফ আই এর পুচকে মাল তার আবর নাটকে এতো ফাটার কি হল, পরে সেই নিয়ে হাসাহাসি হয়েছে। থ খাওয়া টা নিয়ে। এইবার যেটা ঘটে সেটা আরো বিচিত্র, উত্তরকাশী তে গিয়ে আমার প্রখ্যাত নাট্যকার এবং নাট্য পরিচালক জুবিন ড্রাইভার এর সঙ্গে পরিচয় হয়। সে ওয়ার্ক শপে এই টেকনিক গুলো ইউজ করতো, এই সঙ্গী কে বিশ্বাস করে জড়িয়ে ধরা, গা ছেড়ে দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়া, এই ক্যামরাডারি টার একটা অভ্যেস সে ওখানকার লোক দের দিয়ে করাতো। এবার সে একেবারে অরাজনৈতিক ছেলে, এবং দর্শন পড়া ছেলে, পশিমী শপেনহাওয়ার নিৎশে হেগেল কান্ত এবং বৌদ্ধ দর্শন সংক্রান্ত বেনারস এবং থিওসোফিকাল স্কুলের লেখাপড়া তার করায়ত্ত্ব। সে আমাকে ওখানে খুব জ্বালায় আমি থিয়েটার এর গ্রুপ অ্যাক্টিভিটি তে বিশ্বাস করতাম না বলে। আমার মনে হত প্রাইভেসি র ভাওয়্লেটেড হচ্ছে। আমি যে এত কিছুর মধ্যে আবার সময় করে একটু লাজুক ও সেটা ওর রিহার্সালে গিয়ে বুঝতে পারি ঃ-))))))))কিন্তু আমি পার্টিসিপেট করছিনা দেখে, জুবিন বোঝে একে মাল দিলে পড়বে, কিন্তু কিসু করবে না। তো আমাকে সে আন্জুম কাটিয়াল সম্পাদিত সিগাল থিয়েটার কোয়ার্টার্লি পড়তে দেয়, এবং তাতে আমি অগাস্টো ব্লুম এর থিয়েটার অফ দি অপ্রেসড পড়তে দেয়, কিছু দিন পরে সবার সঙ্গে রাগারাগি করে চাকরি ছাড়ে এবং আমাকে ডজন ডজন দর্শনের বই দিয়ে বম্বে তে ফিরে যায়। এবং যোগাযোগ বিছিন্ন হয়। তার প্রায় আট দশ বছর পরে, আমি অগাস্টো ব্লুম এর বইটা যোগাড় করে কিছুটা নাড়া চাড়া করি, এবং কাকতালীয় ভাবে, এক থিয়েটার কর্মী আমাকে বই পড়ছি দেখে এগিয়ে এসে আলাপ করে জানতে চান আমি নাটক করি কিনা, আমি বলি না, তখন বলেন নর্মালি নাট্যকর্মী ছাড়া কেউ এই বই পড়ে না, আমি কোথাকার লোক, তো আমি বলি ভারতের, তখন সে বলে আমি অগাস্টো ব্লুম কে কি ভারতেই আবিষ্কার করেছি, তো আমি বলি হ্যাঁ কিন্তু সেই প্রসঙ্গে জুবিনের কথা আর বাদল সরকারের নাটকের কথা বলি। উনি আমার দু হাত ধরে বলে অ্যামেজিং স্টোরি। তার পরে আমার কফির দাম দিয়ে চলে যান। এতো এই হল একটা বিচিত্র সংযুক্তি র গল্প যা মূলতঃ বিক্ষিপ্ত। তো এইটা আমার এখন মনে হচ্ছে, যে শিক্ষা থাকলে, অদ্রীশ বিশ্বাসের লেখা আমার টাইপ করতে গিয়ে ভালো লাগতে পারতো, সেই শিক্ষা আমার ছিল না তা না, কিন্তু তখন ও প্রোফাউন্ড কিছু নিজস্ব ডিরেকট গভীর অভিজ্ঞতা হবে এই আশাটা ছিল, এখন সেই আশা টা মারা যাওয়ায়, অদ্রীশ বিশ্বাসের লেখা বুঝতে আর কষ্ট হচ্ছে না, আলাপ করতেও ইচ্ছে করছে। কিন্তু উপায় নেই। তিতির শেয়ার ই সই।
  • Atoz | ১৭ জুন ২০১৭ ০৪:২৩379546
  • ঋতাভরী না ঋতাভরি?
    নামটা কিন্তু বেশ চমৎকার। এই শব্দের অর্থ কী?
  • Ishan | ১৬ জুন ২০১৭ ২৩:২৩379545
  • উৎপলেন্দুর একটা দু-লাইনের বক্তব্য বেরিয়েছিল আনন্দবাজারে। সেটা বুঝি। তার জবাবে শতরূপা-ঋতাভরির বক্তব্য বেরিয়েছিল অনেক লাইনের, সেটাও বুঝি। কিন্তু দলে দলে লোকের পক্ষ নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়া বুঝিনা।

    এর একটা থিয়োরি ও বেরিয়েছে, নেমিং অ্যান্ড শেমিং। গো-অ্যাহেড গাইজ। একদিন নিজেদেরই থামতে হবে, নিজের কোর্টে ঘা গেলে। তার আগে আপনাদের শুভবুদ্ধির উদ্ভব হবেনা।
  • Hmm | ১৬ জুন ২০১৭ ২৩:১৮379544
  • শতরূপার বাবার এক বন্ধুকে চিনতাম, তিনি সেই নব্বই সাল নাগাদ কথায় কথায় বলেছিলেন যে উৎপলেন্দু শতরূপার ওপর খুব অত্যাচার করে।

    সেসব কথা ও চরিত্রদের কবেই ভুলে গেছিলাম, আনন্দবাজার দেখে হঠাৎ মনে পড়ল।
  • pi | ১৬ জুন ২০১৭ ২৩:১০379543
  • আর অদ্রীশদাকে নিয়েও দেওয়ালে দেওয়ালে কম খাপ দেখছিনা।
  • Hmm | ১৬ জুন ২০১৭ ২৩:০৯379542
  • প্রথাগত ভাবে পূর্বাঞ্চল (যার মধ্যে হয়ত বেনারসও পরে) আর বিহারের উচ্চবর্ণের মেয়েদের বোধহয় হলুদ পাড়বিহীন (একরঙা, সাধারণ কাপড়) পরে সাতপাক ইত্যাদি হয়, তারপর হয়ত বেনারসী পরে/ পরত। বিয়ের সময় কনে কোন গয়নাও পরে না/পরত না। এখন অনেককিছুই হয়ত বদলে গেছে।

    প্রসঙ্গত, ঐশ্বর্য রাই এর বিয়ে তার শ্বশুর কুলের প্রথা মেনে হলুদ কিন্তু বাপের বাড়ীর প্রথা মেনে দক্ষিনী সিল্কের শাড়ী পরে হয়েছিল।
  • pi | ১৬ জুন ২০১৭ ২৩:০৭379541
  • তবে সবকটা ক্ষেত্রেই কনসার্নড ব্যক্তিরাই সমস্যা পাবলিকালি জানিয়েছেন, এটাও ঘটনা।
    এনিয়ে আমার দুদিন ধরে অন্য একটা জিনিস মনে হচ্ছে, ডিস্টার্বেন্স কমলে লিখব।
  • Ishan | ১৬ জুন ২০১৭ ২২:৫৭379540
  • তবে নতুন কী। এই সেদিন উৎপলেন্দুকে নিয়ে দেখলাম। প্রথমে উৎপলেন্দুর প্রাক্তন বৌ কী বদ। এটা হাল্কা করে। তারপর দ্বিগুণ বেদে উৎপলেন্দু কী বদ। এমনকি মার্কসবাদী পুরুষদের বৌ পেটানোর কারণ অনুসন্ধানে নাতিদীর্ঘ প্রবন্ধও চোখে পড়েছে। তখন আমরা চক্ষু মুদে ছিলাম। এখন এ দানব কাউক্কে ছাড়বেনা।
  • Ishan | ১৬ জুন ২০১৭ ২২:৫৩379539
  • ফোরামে দেখি নাই। ওয়াল-টোয়ালে এক আধটা দেখলাম।
  • pi | ১৬ জুন ২০১৭ ২২:৪৯379538
  • বেনারসী বাঙ্গালি ছাড়া আর কাদের বিয়ের শাড়ি? মানে বেনারসের লোকজনের তো নয় মনে হয়।

    আর মামু আবার জামদানি নিয়ে বকবকানি শুরু করেছে। বইমেলায় এই নিয়ে সবার মাথা খারাপ করে দিয়েছিল!
  • pi | ১৬ জুন ২০১৭ ২২:৪৪379537
  • ফেবুর কোন কোন ফোরামে চলছে? নজরে পড়েনিতো কোন গ্রুপে!
  • aka | ১৬ জুন ২০১৭ ২০:৫২379536
  • অদ্রীশ বিশ্বাসকে নিয়ে ফেবুতে বিভিন্ন ফোরামে ঝড় বইছে দেখলাম। উনি তো অসুস্থ ছিলেন মনে হল, চিকিৎসার দরকার ছিল বহুদিন, ওনার এবং ওনার স্ত্রীয়েরও। খুবই দূর্ভাগ্যজনক, সবাই এখন পক্ষে বা বিপক্ষে চাপান উতোরে ব্যস্ত। এনিওয়ে এই হল সোশাল মিডিয়ার কুফল, মর্ডান খাপ পঞ্চায়েত। ভাল্লাগে না। মৃত্যু শোকের, তাই নিয়ে কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি আরও বাজে ব্যপার।
  • Hmm | ১৬ জুন ২০১৭ ২০:১৪379535
  • প্রশ্নটা রাজি বা অরাজি হওয়ার নয়। প্রশ্নটা হল তথাকথিত সবচেয়ে সংস্কৃতিবান ভারতীয় প্রজাতির আঞ্চলিক কোন নৃত্যশৈলীও নেই আর না আছে কোন স্ব-প্রদেশীয় বিয়ের শাড়ী।
    নইলে তামিলদের কাঞ্জিভরম ইত্যাদি সিল্ক, মারাঠীদের পৈঠানী, গুজরাটীদের ঘটচোলা, পাঞ্জাবীদের ফুলকারি দোপাট্টা এসব প্রথাগত বিয়ের পোশাক আছে, তবে এখন হয়্ত বেশীরভাগ অবস্থাপন্ন কনেরা ডিজাইনার লেহঙ্গা পরেই বিয়ে করে।
  • Ishan | ১৬ জুন ২০১৭ ১৯:১৭379534
  • জামদানি বেস্ট, তারপর বালুচরি। কিন্তু জামদানি পরে কি কেউ বিয়ে করতে রাজি হবে? হবেনা মনে হয়। বিয়েতে তো হয় বেনারসি কিংবা দক্ষিণ ভারতীয় শাড়িই চয়েস। জামদানি পরে করলে কী ভালই না হত।
  • Ishan | ১৬ জুন ২০১৭ ১৯:১৫379533
  • অদ্রীশ এই লেখাটা শেষ করেনি। মিস শেফালিকে নিয়ে বিস্তারিত একটা কাজ ছিল, প্রকাশ হবে-টবে ঠিক করে ফেলার পরেও, সেও ছেপে বেরোলনা। আর বেরোবেওনা। ঠিক আছে, কী আর হবে।
  • anag | ১৬ জুন ২০১৭ ১৫:২০379532
  • লুরুতে ল্যাম্পপোস্টের সম্পর্কে প্রশ্ন নেই, কিন্তু তা ছাড়া বাকি হিসেব আছে একই রকম।
  • রামরাহা | ১৬ জুন ২০১৭ ১৪:২৪379531
  • ভাল্লাগেনা মাইরি। একে তো ক্যালকুলেশনের মাথামুণ্ডু বুঝছি না, তায় ল্যাম্পপোস্টের নম্বর, তারপর আরো কীসব বাক্সে কত কী ভরতে হবে...কমপ্লেক্সের মধ্যে কমন শেয়ারড এরিয়ার (বাগান, সিঁড়ি, পার্কিং, করিডর ইঃ) হিসেব দিতে হবে। শুধু শোভনে হবে না, সাথে সাথে ববি বা আরো কয়েকটাকে এনে হাতে ফিতে, ঝুড়ি, কোদাল সব দিয়ে নামিয়ে দেওয়া উচিৎঃ-(((((
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত