এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • S | ২৬ মার্চ ২০১৭ ১২:৩৯376590
  • @চহার মগজ শিকন
    কিসের সাথে মিল - বুঝতে পারলাম না।
  • একক | ২৬ মার্চ ২০১৭ ১২:১১376589
  • এরকমই কথা সার্ফডমেও আছে। রাদার অনেক এবস্ট্রাক্ট ওয়েতে। কীভাবে একেকটা প্ল্যানিং সিস্টেম গড়ে ওঠে, ফেইল করে।
  • চহার মগজ শিকন | ২৬ মার্চ ২০১৭ ১২:১০376588
  • ফিরে পড়ছি। এই কোটটা ওতে আছে বটে, তবে কোট হিসেবে। এটা রুডল্ফ হেস এর "হাউ মাস্ট দ্য ম্যান বি কন্সস্টিটিউটেড হু উইল লীড জর্মনি ব্যাক টু হার ওল্ড হাইটস" বলে একটি এসে থেকে নেওয়া।

    এত মিল সত্যি ভাবা যায় না।
  • Ekak | ২৬ মার্চ ২০১৭ ১২:০৫376587
  • রাইজ এন্ড ফল পচ্চ নাকি। তা ভালো। একনজরে দেখে রোড টু সার্ফডম ভেবেছিলুম। হি হিমসেল্ফ এর জায়গাটা পড়ে খটকা খাটলো।
  • চহার মগজ শিকন | ২৬ মার্চ ২০১৭ ১০:৪৬376586
  • "Where all authority has vanished, only a man of the people can establish authority...The deeper the dictator was originally rooted in the broad masses, the better he understands how to treat them psychologically, the less the workers will distrust him, the more supporters he will win among these most energetic ranks of the people. He himself has nothing in common with the mass; like every great man he is all personality...When necessity commands, he does not shrink before bloodshed. Great questions are always decided by blood and iron...In order to reach his goal, he is prepared to trample on his closest friends...The lawgiver proceeds with terrible hardness...As the need arises, he can trample then [the people] with the boots of a grenadier..."

    কোথা থেকে নেওয়া বলুন দিকি।
  • S | ২৬ মার্চ ২০১৭ ০৯:৪৩376584
  • পারেন। কিন্তু খুবই পার্সোনাল ওপিনিয়ন।
  • S | ২৬ মার্চ ২০১৭ ০৯:৪৩376585
  • ওবামাকেয়ার নাম তো আর ওবামা বা তার হোয়াইট হাউস দেয়নি, দিয়েছে মিডিয়া। তাইতো আজকে রিপাবলিকানরা ট্রাম্পকেয়ার বলতে চায়্না।
  • Ekak | ২৬ মার্চ ২০১৭ ০৮:২০376583
  • কন্টেন্ট পড়ে এক্টা মিনিমাল ফোর্ম্যাট দান্র করিয়ে দিতে পারি। ভয়েস ভিডিও এগুলো ঐ ব্যাপারে পোক্ত লোকজন দিয়ে বানাতে হবে।আমি তো ভিডিও এডিটর টুলের ইউস জানিনে।
  • pi | ২৬ মার্চ ২০১৭ ০৮:১২376582
  • করলে তো ভাল হয়। করে দিবি একটা ? কন্টেন্ট পাঠিয়ে দিতে পারি।
  • Ekak | ২৬ মার্চ ২০১৭ ০৮:১০376581
  • এই সবার জন্যে স্বাস্থ্য বইটা অবসসই পড়বো। এটার জিস্ট নিয়ে ছোট্ট করে ভিডিও তৈরী করা যায় না ? একটু ডকু প্রেজেন্টেশন ধরণের ? বই পড়ুয়ারা আশা করি রাগ করবেননা। প্রস্তাবনা জাতীয় জিনিসে একটা ডিজিটাল ডকুমেন্ট থাকা ভালো। বইটার প্রচার ও হলো আবার সহজে বই ছুঁয়ে দেখেননা এমন মানুষদের কাছেও পৌঁছে দেওয়া গ্যালো।
  • pi | ২৬ মার্চ ২০১৭ ০৮:০৯376580
  • * তুলে রাখতে পারি ?
  • Ekak | ২৬ মার্চ ২০১৭ ০৮:০৭376579
  • * তার ফল
  • Ekak | ২৬ মার্চ ২০১৭ ০৮:০৫376578
  • রাষ্ট্রের প্রধান যদি নাগরিকের পয়সায় চলা পলিসিকে নিজের নামে ব্র্যান্ডিং করেন তার ভালো এবং খারাপ দু রকমই হতে পারে। ট্রাম্প কেয়ার নাম দেওয়ার পর যদি এবার ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা চলে যায়, একই ব্যাপার ঘটবে। ওবামাকেয়ার, ইন্দিরা রোজগার যোজনা এসব ফালতু নামকরণ বন্ধ হোক। পৃথিবীজুড়ে এ এক বিকট ন্যাকড়া।
  • pi | ২৬ মার্চ ২০১৭ ০৭:৫৪376577
  • S এর পোস্টটা একটা টইতে তুলে রাখতে পারি।
  • Ishan | ২৬ মার্চ ২০১৭ ০৭:৫০376576
  • আপাতত এখানেই থাক। পরে যথাস্থানে দেওয়া যাবেঃ

    গুরুচন্ডালির পরবর্তী বইঃ

    সবার জন্য স্বাস্থ্য -- একটি স্বপ্ন যা সত্যি করা যায়।
    সম্পাদনাঃ পুণ্যব্রত গুণ।
    সারা বাংলা সবার জন্য স্বাস্থ্য প্রচার কমিটি এবং গুরুচণ্ডা৯ প্রয়াস।

    ঘুণধরা স্বাস্থ্যব্যবস্থা, আজ রোগি এবং চিকিৎসকদের প্রায় একে অপরের সঙ্গে যুযুধান প্রতিপক্ষ বানিয়ে দিয়েছে। কোথাও মানুষ মারা যাচ্ছেন চিকিৎসা নামধারী মুনাফাযন্ত্রের চাপে। কোথাও চিকিৎসক বিপন্ন বোধ করছেন আক্রমনের আশঙ্কায়। অথচ শর্টকাটে এ সমস্যার সমাধান হবার উপায় নেই। দীর্ধমেয়াদী কোনো সদুত্তরও কি আছে, এই সমস্যার? সে প্রশ্নেরই উত্তর খুঁজেছেন দীর্ঘদিনের স্বাস্স্থ্যকর্মী ও চিকিৎসকরা। এই বইয়ে।

    'সবার জন্য স্বাস্থ্য' কথাটা এই বইয়ে যেভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, তার একমাত্র অর্থ সরকার সমস্ত নাগরিকের স্বাস্থ্যরক্ষার দায়িত্ব সরকারের।
    আজ শুনতে অলীক লাগে, কিন্তু ১৯৭৮-এর আলমা আটা ঘোষণা পত্রে ভারত এই মর্মে স্বাক্ষরও করেছিল। সবার জন্য স্বাস্থ্যের লক্ষ্যে গঠিত উচ্চ স্তরীয় বিশেষজ্ঞ দল হিসেব করে দেখিয়ে দিয়েছিল কি ভাবে এমনটা সম্ভব। যদিও দেশের সরকার সে দায়িত্ব নেয়নি। ফল? আজ সরকারি ব্যবস্থা অপদার্থ, বেসরকারি ব্যবস্থাও মুনাফার লোভে পাগল।

    এ থেকে এখনও বেরোনোর উপায় এখনও অসম্ভব কিছু না। 'হেলথ ফর অল' এর উদ্যোগে আয়োজিত কনভেনশনে এই মর্মে বিশদ বক্তব্য রেখেছিলেন, ভারতের স্বনামধন্য চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। এ বই সেই বক্তৃতাবলীরই সংকলন। লিখছেনঃ

    পুণ্যব্রত গুণ
    বিনায়ক সেন
    অরুণ সিংহ
    শ্রীনথ রেড্ডি
    রাহুল মুখার্জি
    সত্য শিবরমন
    অলকেশ মন্ডল
    বঙ্কিম দত্ত

    'সকলের জন্য স্বাস্থ্য' শুধু একটি বই নয়। এটি সকলের জন্য আশু এবং জরুরি একটি বিষয়। সংকট সমাধানের জন্য জন সচেতনতা গড়ে তোলার প্রথম ধাপ। বইটি প্রকাশিত হবে 'সবার জন্য স্বাস্থ্যের লক্ষ্যে জাতীয় প্রতিনিধি সম্মেলন'এ, যার আহ্বায়ক শ্রমজীবী স্বাস্থ্য উদ্যোগ এবং

    সারা বাংলা সবার জন্য স্বাস্থ্য প্রচার কমিটি।
    প্রকাশের আগে এবং পরে সমস্ত রকম সহযোগিতা কাম্য। যদি কেউ আংশিক দত্তক নিতে চান, জানাবেন।
  • S | ২৬ মার্চ ২০১৭ ০১:৪৫376575
  • Arpan | ২৬ মার্চ ২০১৭ ০১:২৬376574
  • লেট মি গেস। ছাগোল?
  • S | ২৬ মার্চ ২০১৭ ০১:০২376573
  • @ডিসি, অন্য একটা টইতে আপনার একটা মন্তব্য শুনে এইটা লিখছি।

    ২০১০ সালে ওবামাকেয়ার ল'এ পরিণত হয়। যদিও ইট ওয়াজ নট পারফেক্ট ইত্যাদি, তবুও প্রায় ২ কোটি লোক ইন্সিওরেন্স পায় যাদের আগে ইন্সিওরেন্স ছিলো না। এছাড়াও ওবামাকেয়ারে আরো বেশ কিছু ভালো ব্যাপার ছিলো। যেমন প্রি একজিস্টিঙ্গ কন্ডিশন। কিন্তু আম্রিগার বহু লোক ওবামাকে একেবারেই পছন্দ করেনা। কারণটা এই খোলা পাতায় আর নাই বা লিখলাম - আপনি ভালই আন্দাজ করতে পারছেন। ফলে তারা ওবামাকেয়ারের সমালোচোনা করে - রিপাবলিকানদের মিথ্যে প্রচার তো ছিলই। যেমন একজন ক্যান্সার পেশেন্ট মহিলা (তাঁর হাজবেন্ড আবার রিপাবলিকান পার্টির নেতা) একটি পলিটিকাল কমার্শিয়ালে দাবী করেন যে ওবামাকেয়ারের ফলে তাঁর প্রিমিয়াম বেড়ে গেছে। পরে যখন তাঁকে দেখানো হয় যে আসলে প্রিমিয়াম কমে গেছে, তখন তিনি সেইটা বিশ্বাস করতে চান না, এবং অস্বীকার করেন। অনেকেই এইধরনের ধারণা পোষন করে ছিলেন।

    লাস্ট ইলেকশনে হেলথকেয়ার খুব বড় ইস্যু ছিলো - চিরকালই বোধয় ছিলো। ট্রাম্প দাবী করেন - যে ওবামাকেয়ার ইজ অ ডিজাস্টার, উনি এসেই রিপিল করে দেবেন। খুব সমর্থন পান। পরে অবশ্যি উনি বলেছেন যে হেল্থকেয়ার যে এতো কমপ্লেক্স কে জানতো? আর কালকে কি হয়েছে সেতো আমরা সবাই জানি।

    সবথেকে মজার ব্যাপার হলো এইসব ওবামাকেয়ার বিরোধীদের মধ্যে অনেকেই ওবামাকেয়ার থেকেই ইন্সিওরেন্স পাচ্ছিলেন। কিন্তু তারা নিজেরাও সেইটা জানেনা। আরেকটা কারণও আছে। রিসেন্টলি একটা পোল নিয়ে দেখা গেছে যে প্রায় ৩০-৩৫% লোক জানতই না যে ওবামাকেয়ার আর অ্যাফোর্ডেবেল কেয়ার অ্যাক্ট একই জিনিস। কিন্তু ওবামাকেয়ারে যেহেতু ওবামার নাম রয়েছে - আর এরা ওবামার কোনো কিছুই (আসলে একটাই জিনিস) পছন্দ করতো না - অতেব বিরোধিতা করে গেছে। এদের সবার কাছেই স্মার্ট ফোন আছে আর ফোর্জি কানেকশনও। বিগত ছবছরে একবারও মনে হয়নি যে দেখি তো ইন্টারনেট চেক করে সত্যিই ওবামাকেয়ারে কি আছে।

    এইসব জনগণকে আপনি কি বলবেন?
  • সোমনাথ | ২৬ মার্চ ২০১৭ ০০:২৯376571
  • Pi দি,
    চেন্নাই এয়ার পোর্ট এর যেদিক দিয়ে সব গাড়িগুলো বেরোচ্ছে, ঠিক তার সামনেই বাস স্টপ। আপনি সামান্য হেঁটেই পৌছে যাবেন। মূল রাস্তা পার হতেও হবে না। আপনাকে প্রথমে CMBT/ কোয়েম্বেড়ু যেতে হবে, যদি বাস এ যেতে চান। 70V/ 70 /L18 সরাসরি CMBT যায়। ওখান থেকে ভেলোর যাবার প্রচুর বাস পাবেন। ৮১ টাকা বাসের ভাড়া চেন্নাই থেকে ভেলোর।৩ ঘন্টার মত লাগবে। বাস থেকে নেমে অটো নিতে পারেন। তবে বেশি রাত হয়ে গেলে ট্রেন এ যাওয়া ভালো। ভেলোর এ কিছু হোটেল এ রাত ১০ টা ১১ টার পর ঢুকতে দিতে চায় না। তবে হোটেল আছে অগুনতি, আর প্রায় সবই বাঙালী হোটেল।
    চেন্নাই - কাটপাডি ট্রেন এ গেলে জেনারাল কামরায় মোটামুটি ভীড় হবে।
  • Atoz | ২৬ মার্চ ২০১৭ ০০:২৯376572
  • স্ক্রীনশট নিয়ে রাখছে সব। ঃ-)
  • রোবু | ২৬ মার্চ ২০১৭ ০০:২৪376570
  • তিরুসুলম স্টেশনে গেলে কিন্তু নিরোধ ছাড়া যাবেন। স্টেশনের ভাবাবেগ বড় ঠুনকো আজকাল।
  • S | ২৫ মার্চ ২০১৭ ২৩:০১376569
  • আমি কয়েকবার রাত্রে ভেলোরের উপর দিয়ে যাতায়াত করেছি - বাসে। সব বন্ধ হয়ে যায়। একেবারে ঘুটঘুটে অন্ধকার। তবে সেগুলো সব মাঝরাত বা তারও পরে। তাই ভোরবেলায় রওয়ানা হওয়াই ভালো।
  • Ekak | ২৫ মার্চ ২০১৭ ১৯:১৮376568
  • এটার ফেসবুক লাইভ দেখেছিলুম। হাইডি যুবার জাস্ট ফাটিয়ে ভালো বাজান। ইউটিউবে এসেছে দেখছি :

  • pi | ২৫ মার্চ ২০১৭ ১৮:১৭376567
  • অভিকে অনেক শুভেচ্ছা ! মেডিকাল এডুকেশন সার্ভিসে ঢুকে পড়ল। এবার তো পুরো নতুন জীবন !
  • সিকি | ২৫ মার্চ ২০১৭ ১৮:১০376566
  • ইউপি ইজ টোটালি ফাকড আপ।

    মাছ মাংসের অথরাইজড বাজার বন্ধ। দেখে মনে হল লাঠিসোঁটা চলেছে দোকানগুলোর ওপর। যেন চুরির মাল নিয়ে আসছি, এইভাবে আমাকে কাটা মাছের প্যাকেটটা ধরিয়ে দিল মুস্তাকিন। চোখ মুখ বসে গেছে একেবারে। বারো বছর ধরে আমি তার থেকে মাছ কিনি।
  • pi | ২৫ মার্চ ২০১৭ ১৭:৫৪376565
  • ওকে।
  • dc | ২৫ মার্চ ২০১৭ ১৬:৪২376564
  • ভুল বলেছি। চেন্নাই ফোর্ট না, আপনাকে Chennai Park স্টেশানে আসতে হবে। Tirusulam থেকে Chennai Park স্টেশান। পার্কের ঠিক উল্টোদিকে চেন্নাই সেন্ট্রাল। পার্ক থেকে বেরিয়েও সাবওয়ে আছে, সেটা দিয়ে সেন্ট্রাল যাওয়া যায়।
  • pi | ২৫ মার্চ ২০১৭ ১৬:৩২376563
  • বেশ বেশ। অনেক থ্যাংকু !
  • dc | ২৫ মার্চ ২০১৭ ১৬:১০376562
  • এয়ারপোর্ট থেকে বাস ধরা বোধায় একটু অসুবিধে, যদ্দুর মনে হয় বাসগুলো এয়ারপোর্টের ভেতরে আসেনা (এয়ারপোর্ট থেকে বাস ধরিনি, তাই শিওর না)। যদি সেন্ট্রাল স্টেশানে আসতে হয় তাহলে ট্রেন ধরা বেশী সুবিধে। তার জন্য আপনাকে ডিপার্চার থেকে বেরিয়ে ডানদিকে বেশ খানিকটা হেঁটে গিয়ে সাবওয়েতে নামতে হবে। সাবওয়ের ওপ্রান্তে Tirusulam স্টেশান, সাবওয়ে থেকে উঠে টিকিট কাটার কাউন্টার, তার পর স্টেশানের প্ল্যাটফর্ম। তিরুসুলাম থেকে লোকাল ট্রেনে Chennai Fort স্টেশানে আসবেন, সেটার উল্টোদিকে চেন্নাই সেন্ট্রাল (তিরুসুলাম থেকে ফোর্ট আসতে চল্লিশ মিনিট লাগবে)। এখানে লোকাল ট্রেনে যাতায়াত করা খুব সুবিধে, ভিড় হয়না, খুব পরিষ্কার, আলাদা লেডিজ কামরাও থাকে। সাথে লাগেজ না থাকলে ট্রেনে করে সেন্ট্রাল চলে আসতে পারেন (রাত নটা-দশটাতেও ট্রেনে অসুবিধে নেই)।
  • pi | ২৫ মার্চ ২০১৭ ১৫:৪৭376561
  • ঠিক আছে। থ্যাঙ্কু থ্যাঙ্কু !

    এমনিতে বিকেলে পৌঁছালে বাস ধরা যাবে, তাই তো ?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত