এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Atoz | ১৫ মার্চ ২০১৭ ০০:২৭375930
  • তবে যে যাই বলুন না কেন, মহিলারা ছিলেন, আছেন, থাকবেন। ফিজিক্স ম্যাথ কসমোলজি বায়োলজি সোশিওলজি রাজনীতি কবিতা গল্প আবিষ্কার উদ্ভাবন নাচ গান ম্যানেজমেন্ট ইত্যাদি প্রভৃতি যা যা আছে সবই করে চলবেন, স্বীকৃতি আসুক বা নাই আসুক।
    ঃ-)
  • Atoz | ১৫ মার্চ ২০১৭ ০০:২১375929
  • তবে একটা ব্যাপার জেনে একেবারে হাঁ হয়ে আছি, একজন মুভিস্টার মহিলা সিনেমা টিনেমা ছেড়ে দিয়ে ইনভেন্টর হয়ে যান, নানাকিছু উদ্ভাবন করেছেন।
    এটা জেনে এত অবাক হলাম কেন? এও পিতৃতন্ত্র। ভেবেই রেখেছিলাম এরকম হতেই পারে না। এত ছম্মকছল্লু করে তারপরে আবার কিনা উদ্ভাবন? বলে কী!!!! ঃ-)
    এই যে লিংক
    https://en.wikipedia.org/wiki/Hedy_Lamarr
  • Atoz | ১৫ মার্চ ২০১৭ ০০:১২375928
  • সিঁফো যে মহিলা কসমোলজিস্ট এর কথা উল্লেখ করলেন, উনি ভেরা রুবিন। উনি প্রথম ডার্ক ম্যাটারের অস্তিত্বের ব্যাপারে অব্জার্ভেশনাল এভিডেন্স দেখান, গ্যালাক্সির রোটেশন কার্ভ থেকে।
  • Ekak | ১৪ মার্চ ২০১৭ ২৩:০৭375926
  • না না কুপ্রভাব আছে বলে হাত গুটিয়ে থাকা আমিও সমর্থন করি না :) সেটা বলিনি। তবে একটা ব্যাপার আছে যে : কিছু জিনিস প্রিভিলেজে পৌঁছে এচিভ করা যায়। কিছু জিনিস এচিভ করে প্রিভিলেজড হওয়া যায়।

    যেমন সেন্স অব হিউমর। অনেক মেয়ে প্রচন্ড খেপে যান : "মেয়েদের সেন্স অব হিউমর কম " বললে। এতে খেপে যাওয়ার কী আছে জানিনা। সেন্স অব হিউমর জিনিষটা আসে একটা প্রিভিলেজড অবস্থান থেকে, কারণ প্রিভিলেজ না থাকলে সার্টেইন ডিসট্যান্স তৈরী হয়না। ডিসট্যান্স তৈরী না হলে হিউমর হয়না। যে সমস্ত মহিলা হিউমারিস্ট আছেন তাঁরা আইদার প্রিভিলেজড ক্লাসের অর অন্য কোনোভাবে ওই প্রিভিলেজ এতেইন করেছেন। তো ব্যাপারটা এরকম নয়, যে সব জিনিস সব পরিস্থিতিতে মেয়েদের থাকতেই হবে নইলে বিশাল বাজে ব্যাপার !! যেমন যেমন প্রিভিলেজ এ পৌঁছবেন তেমন তেমন থাকবে।
  • সিকি | ১৪ মার্চ ২০১৭ ২২:৫৭375925
  • ডিডিদার জন্য একটা প্রশ্ন রেখেছিলাম। ডিডিদা কি দেখেছে?
  • de | ১৪ মার্চ ২০১৭ ২২:৫৪375924
  • একক - কুপ্রভাব আমিও অস্বীকার করিনি তো, কিন্তু নিজেরা পরিশ্রম না করার অজুহাত হিসেবে সেটা খাড়া করতে চাই না। যেটা খুবই খারাপ ট্রেন্ড। আমি প্রফেশনাল এবং পার্সোনাল দুজায়গাতেই মেয়েদের এই ছাতার তলায় আশ্রয় নিতে দেখেছি - সো কল্ড প্রিভিলেজড ক্লাসের মেয়েদেরই দেখেছি!
  • S | ১৪ মার্চ ২০১৭ ২২:৫৩375923
  • ডেভালাপ্ড দেশগুলোতে কর্পোরেট ম্যানেজমেন্টে মেয়েদের অবস্থা খুবেকটা ভালো না। গ্লাস সিলিঙ্গ বড্ড নিচু। কজন মহিলা সিইও সিএফো বোর্ড মেম্বার আছে গুনলেই বোঝা যায়। সিলিকন ভ্যালিতে তো আরো খারাপ অবস্থা।

    জানিনা কর্পোরেট ম্যানেজমেন্টকে কেন সাফল্যের জায়্গায় রাখে।
  • de | ১৪ মার্চ ২০১৭ ২২:৫০375922
  • অনগের সঙ্গে অ্যাড করি - গুরুতে যে ক'জন থিংকার আউট অব দ্য বক্স থিংকিং করেন, যাঁদের সঙ্গে কথা বলতে ভালো লাগে, কখনো এমনি এসে যাঁদের লেখা পড়ে যাই - একক, এতোজ, ডিডি, টি,সিঁফো তাঁদের অন্যতম! হানুদাকেও লিস্টে রাখতাম, কিন্তু স্মার্ট হবার পর থেকে হানুদার বাংলা আমি একদম বুঝিনা! এককের পরিধি দেখে আমি চমকে যাই মাঝে মাঝে, তবে টোট্যাল ভল্যুম কন্স্ট্যান্ট কোয়ান্টিটি - এটা ভেবে এট্টু শান্তি পাই!
  • বি.রাঘব | ১৪ মার্চ ২০১৭ ২২:৩৮375921
  • তা কেন, আরশোলা সিরিজ আছে, শুবা সিরিজ আছে। পশুপাখি কম পড়ে নাই।
    পাশবিক বলে একটা পুজোসংখ্যাও ছিল যে।

    আরশোলাকে অবশ্য এমনি চিড়িয়াখানায় রাখতে চাইবে না। একটা জেলিফিশ সিরিজের ইচ্ছে ছিল, কিন্তু জেলিফিশদের নিয়ে সিরিজ করলে তাদের জেলিফিশত্ব আহত হতে পরে।
  • Ekak | ১৪ মার্চ ২০১৭ ২২:৩২375920
  • দে স্ট্যাটিস্টিক্স চেয়েছিলেন, থাকলো। ইন্টারন্যাশনাল ফিমেল রাইটিং এর বাজার -এর। এনারা, মেয়েদের পেশাগত অবস্থান নিয়েই গবেষণা করেন।
    http://www.vidaweb.org/the-count-2010/

    একচুয়ালি প্রিভিলেজ এর তফাৎ ও প্যাট্রিয়ার্কির কুপ্রভাব কে এনারা কেউ ই অস্বীকার করেন না। অস্বীকার করলে পুরো প্রতিযোগিতা টাই অসম হয়ে যাবে। "মেয়েদের দায়" শুনতে ভালো, কার্যক্ষেত্রে নয়।
  • Ekak | ১৪ মার্চ ২০১৭ ২২:২০375919
  • এদিকে ছাগল আর লক্ষীপেঁচার পর এবার এলো শকুন ! গুরু পুরো চিড়িয়াখানা হয়েযাচ্ছে, আগে শুধু আমিই ছিলুম :(
  • Ekak | ১৪ মার্চ ২০১৭ ২২:১৫375918
  • [ স্ট্রেন্জেষ্ট ইজ এখনো কাওকে, কয়েকজন প্রতিষ্ঠিত মহিলা কবির পরিচয় ও কবিতা ছুঁড়ে মারতে দেখলুম না :) নিজেদের বই কেনার লিস্টি কী তাহলে "পিতৃতান্ত্রিক " ? :P ) ]
  • Ekak | ১৪ মার্চ ২০১৭ ২২:১২375917
  • দে

    আপনি পুলিৎজার আর এনওয়াই টাইমস, আইরিশ পোয়েট ফাউন্ডেশন এ লাস্ট ওয়ান ডিকেড কবিদের লিস্টি দেখে নিন, যথেষ্ট উত্তর পাবেন :) আর বাকি সমস্ত সাবজেক্ট ধরে যদি দেখেন সেখানেও একটা প্যাটার্ন পাবেন যে কোনো কোনো সাবজেক্ট এ মেয়েদের এক্সপোজার টু এচিভমেন্ট ভীসন ভালো গ্র্যাডিয়েন্ট। তার মধ্যে একাডেমিক রিসার্চ হতে কর্পোরেট ম্যানেজার্স অনেক জায়গা রয়েছে।

    এরমধ্যে কোনো পিতৃতন্ত্র জূজূ নেই, কিছু সাবজেক্টে গ্রাডিয়েন্ট ভালো। কিছু সাবজেক্টে নয়। পাতি স্টিয়ারিওটাইপিং। স্টিরিওটাইপিং ছাড়া কনক্লুসিভঃ ডিসিশন অসম্ভব। এবার ভবিষ্যতে ভালো রেসাল্ট এলে আবার স্টিরিওটাইপ ও বদলাবে। যেমন প্রচুর মেয়ে ম্যানেজার -সিইও হচ্ছেন। লোকে তো অক্ষম বলছে না। হোক আগে :)
  • Ekak | ১৪ মার্চ ২০১৭ ২২:০০375916
  • সিঁফো একবার বললে নলেজ ইনহেরেন্ট নয়, গিগো প্রসেস। আবার ব্রেনের ক্ষমতার পেছনে পরে কী লাভ তাহলে ? :) ব্রেইন এর ক্ষমতা নিয়ে দুরকম দিকে গবেষণা হচ্ছে বলে শুনেছি। একটা বৈজ্ঞানিক, সেখানে ল্যাঙ্গুয়েজ সেন্টারে কিছু পার্থক্য পাওয়া গ্যাছে। আরেকটা আধা-বৈজ্ঞানিক মানে সাইকোলজি আর কি। আধা, কারণ তারা মেল্ ব্রেইন-ফিমেল ব্রেইন এই সোশ্যাল কস্ট্রাক্টটা কে সত্যি ধরে নিয়ে এবার কার কতটুকু মেল্ কতটুকু ফিমেল খুঁজছে। কিন্তু এসব হাবিজাবি দিয়ে লাভ কি যেখানে প্রথমেই বলেছো নলেজ ইস গিগো।

    দেখো আমি একবার ও লিখিনি মেয়েদের "বুধ্ধি " কম। নট আ সিঙ্গল টাইম। বারবার সেদিকেই যাচ্ছো ইদিকে। বুদ্ধি আদৌ কী, ব্রেনের ভেতর সাপ আছে না ব্যাঙ ওসব ধোয়াঁতে এরিয়া এখনো অবধি বিজ্ঞানীদের কাছেই, আমি কেন মাথা ঘামাতে যাবো।

    আমার প্রশ্ন অনেক সিম্পল। তারজন্যে বিজ্ঞানকে সাক্ষী মানার কুনো প্রয়োজন নাই। কারণ বিজ্ঞান তো পিতৃতন্ত্র শব্দটা আমদানি করেনি। করেছে সোশ্যাল স্টাডিজ এর লোকজন। কাজেই তাদের উত্তর সেই জবানিতেই হবে। তখন পাশ কাটিয়ে না বাপু ওসব আমি বুঝিনা বলে অবজেকটিভ সায়েন্টিফিক থিওরি টেনে কী লাভ যেখানে, পিতৃতন্ত্র জাতীয় পুরো গল্পটি নিজেই কোনো বৈজ্ঞানিক প্রস্তাবনা নয় ? এটা জাস্ট গুলিয়ে দেওয়া চেষ্টা :)
  • anag | ১৪ মার্চ ২০১৭ ২১:০৫375915
  • এককের ফান্ডা দেখে আমার মোবিয়াস স্ট্রিপের কথা মনে হয়, অসীম পরিধি। দেখে বেশ লাগে।
  • crazy nature unlimited | ১৪ মার্চ ২০১৭ ১৯:৪৭375914
  • এপ্রিলে উত্তরবঙ্গের জঙ্গলে দিন চারেক কাটাতে চাইলে জানাবেন। হাতির পিঠে চেপে ঘোরার সঙ্গে সঙ্গে সেরকম লোক হলে হাতির তাড়া খাওয়ার ব্যবস্থাও হয়ে যাবে।
  • de | ১৪ মার্চ ২০১৭ ১৯:৪৬375913
  • লিস্ট বানায়ে সাবজেক্ট ধরে ধরে শোনা যাক - কোন কোন সাবজেক্টে মেয়েরা কিস্যু পারে না! ম্যাথ, ফিজিক্স, কবিতা মেয়েদের নয় বলার আগে সেই স্ট্যাটিস্টিক্সটাও তো আসা দরকার - বছরে এইসব সাবজেক্টে কতো জন মহিলা রিসার্চারের পেপার পাবলিশড হয়। সায়েন্স সাবজেক্টে অন্ততঃ এই স্ট্যাটস তো পাওয়া যেতেই পারে। কবিতায়ও কতজন মহিলা কবির বই ছাপা হয় আর তা কেমন বিক্কিরি হয় -সেসব স্ট্যাটসও পাওয়া চাই। স্ট্যাটস ছাড়া এইসব ছুঁড়ে দেওয়া মন্তব্যের কোন মানে হয় নাকি? ঃ)

    ছেলেরা এই পারে, মেয়েরা ওই পারে না - এইসব ধারণাগুলো অবশ্য পিতৃতন্ত্রেরই গুঁজে দেওয়া। এবং দুঃখের সঙ্গে দেখা যাচ্চে, এখনো ছেলেরাই এইসব নিয়ে তক্কো-বিতক্কো চালিয়ে যাচ্চে। মেয়েদের অতো মাথাব্যথা নেই!
  • sinfaut | ১৪ মার্চ ২০১৭ ১৭:৩৩375912
  • বা এইযে রোজালিন্ড ফ্র্যাঙ্কলিন। ওয়াটসন ক্রীক এর নাম ৪ ৫ বছর শোনার পরে এনার নাম শুনলেও শোনা যেতে পারে।
  • sinfaut | ১৪ মার্চ ২০১৭ ১৭:৩১375911
  • এককের সকাল ৮টা ৯ এর উত্তরেঃ
    এপিস্টেমলজি থেকে পাওয়ার স্ট্রাকচার থেকে পোমোবাজি তে পৌঁছে গেলে কাজের জিনিস কিছু থাকেনা। সে নারীই হোক, সাবল্টার্নই হোক, শুধুই গোলগোল ঘোরা। আর নিজেরাই দায়িত্ব নিয়ে সকলের দায়িত্ব আর ক্ষমতা বুঝিয়ে দেওয়া। এ নিয়ে ইন্টারেস্ট নেই। জেন্ডার স্টাডিজ পড়ি নাই, তাই জানিনা কারা কারা ভয়াল ভয়ঙ্কর কুম্ভীরের গপ্প ফেঁদেছে। আমি এখনো এমন কোন তত্ত্ব পাইনি যে পুরুষ আর নারীর ব্রেন এ এমন তফাত আছে যে গড়পড়তা এটা বলা যায় যে নারীরা কোন কাজে কম পারদর্শী হয়।
    উল্টোদিকে এটা পড়েছি একদম জন্ম থেকে সোসাল ফিডব্যাক ব্রেন এর ফাংশন কে কতটা বদলাতে পারে। একটা এমন এক্সপেরিমেন্ট ছিল, ম্যাথ এর টেস্ট পেপারের শুরুতে একতা ফল্স সায়েন্টিফিক স্টেটমেন্ট ছিল যে "দেখা গেছে মেয়েরা ম্যাথে কম পারদর্শী"। অন্য গ্রুপে এই স্টেটমেন্ট ছাড়া পেপার ছিল। তাতে প্রথম গ্রুপে মেয়েদের রেসাল্ট দ্বিতীয় গ্রুপের থেকে খারাপ হয়, দ্বিতীয় গ্রুপে ছেলে আর মেয়েদের মধ্যে রেসাল্টে কোন তফাত পাওয়া যায় নি। আর এরকম কিউ ফিডব্যাক মানুষ জন্ম থেকে হাজারে হাজারে পেতে থাকে।
    এবার কেউ যদি বলে ম্যাথে ফিজিক্সে কবিতায় মেয়েদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি নেই, তাতে বলার, তো? নেই তো নেই। এই তো কদিন আগে একজন কস্মোলোজিস্ট মারা গেলেন। মহিলা। নামই শুনিনি, এবং কী লজ্জার এখনও নামটা মনে করতে পারছিনা। এই যদি অবস্থা হয় সেখানে দাবীই বা করি কী করে মেয়েদের এক্সপেক্টেড রোল ছেড়ে সবাই নিজের পছন্দের ফিল্ডে কীর্তিমান হয়ে উঠবে। আগে কী হয়েছে তাই দিয়ে ভবিষ্যতে মেয়েদের কী হওয়া উচিত তার পলিসি নির্ধারণ হবে নাকি?
    আর সত্যি বলতে কী এই তাত্বিক আলোচনাটা সেন্সিটিভ হয়ে করা যায়, কিন্তু যেখানে রোজকার লড়াইটাই এতো বিভৎস সেখানে মেয়েরা ভালো কবিতা লেখে না অঙ্ক করে সে তর্কটা সেকেন্ডারি।
  • Ekak | ১৪ মার্চ ২০১৭ ১৬:২৯375909
  • "মনে " তো নিজের মতো সবাই করতে পারে :) তার সঙ্গে লজিকের কী সম্পর্ক।

    ধরেন এখন মৃদুল বাবু এসে বললেন বাপু : হোমার -দান্তে -ভার্জিল -শেক্সপীয়ার -ইয়েটস - কোলরিজ হয়ে আধুনিক প্যাটারসন -প্রীন অবধি তো ছেলেদের দৌরাত্ম। কোই কোন গ্র্যাডিয়েন্ট দিয়ে প্রমান হবে যে মেয়েরাও কবিতা লিখতে পারে ? এই প্রশ্নের উত্তরে তো সেই ঘুরেফিরে শোষণের ইতিহাস -মেয়েদের লিখতে দেওয়া হয়নি -পিতৃতন্ত্র এসবি আসবে, নাকি ? ল্যাজ খসাতে গেলে কোনোভাবে পারফরম্যান্স কে তুলনা করতে হবে তো হয় পাশাপাশি ফেলে নয়, পিতৃতন্ত্রের শোষণ দিয়ে এডজাস্ট করিয়ে। এটাই তো করেন সবাই। নাকি এর বাইরে কিছু আছে ?

    পিতৃতন্ত্রকে ইথার ভাবতে খারাপ লাগে, কিন্তু একটা করে পয়েন্ট ধরে অমুক জিনিসে পৃথিবীব্যাপী গড়পড়তায় মেয়েরা কেন পিছিয়ে ? এই প্রশ্নের উত্তরে তো সেই পিতৃতন্ত্র -শোষণ -বাঘ-ভাল্লুক।

    লড়াই -তোরাই নিয়ে বক্তব্য নাই সে যে যার মতো করুক কিন্তু পিতৃতন্ত্রের হেজিমনি জাস্ট ফুৎকারে উড়িয়ে দিলে কম্পিটিশন টাই হয় অন্যায্য হবে নয় অসম্ভব। এর ব্যতিক্রম কী ?
  • de | ১৪ মার্চ ২০১৭ ১৬:২৯375910
  • *ধ্বংস
  • de | ১৪ মার্চ ২০১৭ ১৬:১৭375908
  • লজিকে ফ্যালাসি আচে -

    প্রথমতঃ বেশীদিন ধরে বাইরে বেরিয়ে কাজ করেচে বলে ছেলেদের এক্স্ট্রা কিছু ল্যাজ গজিয়েছে বলেই মনে করি না। মেয়েদের ক্ষেত্রে উন্নতির গ্রাডিয়েন্টটা দেখলেই ল্যাজ খসে যাবে। দ্বিতীয়তঃ এমন ইথারের মতো সর্বব্যাপী পিতৃতন্ত্রের অস্তিত্বই স্বীকার করি না। মাথা উঁচু করে সমানে সমানে কমপিট করতে পারা মেয়েদেরই দায়। সেখানে কিভাবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করবে, সেটা তাঁদেরই লড়াই!

    বাকি রইলো আত্মধংস! "আত্ম" টি যাঁর সে মাথাব্যথাও তাঁর। ফেলবেন, রাখবেন, খাবেন কি মাথায় দেবেন - সব তাঁর দায়িত্ব। আত্মধংসী, উইদাউট ফোকাস, উড়নচন্ডী মহিলা তো কম দেখিনি!
  • Ekak | ১৪ মার্চ ২০১৭ ১৪:৩৪375907
  • হোনে দো। চাষ আর বাস যারা গুলিয়ে ফ্যালে তাদের প্রতি সিম্প্যাথি নেই। হাঁসের পেছনে যাক।
  • dc | ১৪ মার্চ ২০১৭ ১০:৫৩375904
  • ভোগোনদের ছাড়া কারুর কবিতাই পাতে দেবার যোগ্য না, মেয়ে হোক কি ছেলে।
  • Pi | ১৪ মার্চ ২০১৭ ১০:৪৯375903
  • মৃদুল দশগুপ্ত কে সন্ঘমিত্রা হালদারের উত্তর।

    'মেয়েদের লেখালিখি নিয়ে অনেকেই তুচ্ছ-তাচ্ছিল্যের ধারণা পোষণ করেন। কেউ নাকটা কুঁচকে থাকেন কিন্তু মুখ থাকে অন্যদিকে, ফলত দেখা যায় না। কেউ বা সেই ভাবনার প্রকাশ ঘটান। সে প্রসঙ্গেই কয়েকটি বিনীত প্রশ্ন বা সন্ধান।

    কে স্থির করল মেয়েরা জন্মের পর থেকে 'সুস্থিতির বাহিকা'? এ তো একধরনের সংস্কার। অবশ্যই পুরুষতান্ত্রিক সমাজের। যে ধারণা থেকে আগেকার দিনে মানুষজন ভাবত মেয়েদের জোরে হাসতে নেই, কথা বলতে নেই। লম্বা চুলে বেণী দোলানো আর মাথা নত করে আজ্ঞাবাহী হওয়া ছাড়া কোনও গত্যন্তর নেই মেয়েদের। কিন্তু এহ বাহ্য। এমনও জানা যায় অনেককাল আগের সমাজ ছিল মাতৃতান্ত্রিক। সন্তানেরা তার মায়ের কুলের পরিচয়ে পরিচিত হত। সেই মাতৃতান্ত্রিক সমাজে যেখানে ছেলেরা থাকতে আসত মেয়েদের বাড়িতে। শ্রমের বিনিময়ে। প্রয়োজনে মেয়েটির মা-কাকিমা তাকে ঘর থেকে বের করে দিতে পারত। যেটা পরে বা এখনও অব্দি পুরুষতান্ত্রিক সমাজ হওয়ার কারণে উলটে গিয়ে উলোটপুরাণ হয়েছে। তবে এই একতরফা সমাজের কোনওটাই কাম্য ছিল না। বদলে এখনকার মানুষ আমরা একটা 'মানবতান্ত্রিক সমাজ'-এর স্বপ্ন দেখতেই পারতাম। ফলত যাঁরা বলেন অনেক তো পুরুষের চোখরাঙানি দেখলাম, এবার নারীর যুগ-- এই মতকেও সমর্থন জানাতে পারিনা। কেননা কোনও কিছুর প্রতিকার চাইলে একেবারে উৎসমূলে গিয়ে দেখাই ভালো। কেউ কেউ কি দেখেন নি? অবশ্যই দেখেছিলেন, কিন্তু আমরা কেন জানিনা তাঁদের কাজ ও কথাকে তেমন সামনে আনিনি। খুব প্রকট হয়ে সেই তালিকায় আছেন স্বয়ং বিদ্যাসাগর। যাইহোক, প্রসঙ্গান্তরে চলে যাচ্ছি, ফিরি। উপরে প্রাচীনকালের মাতৃতান্ত্রিক সমাজের যে ছবিটার কথা বললাম তা কোন 'সুস্থিতির বাহক', আমার অন্তত জানা নেই। প্রাচীনকালের এই সমাজব্যবস্থার ছবিতে আমি অন্তত কোনও নরম-মিষ্টভাষী-আজ্ঞাবাহী নারীচরিত্রের ছবি খুঁজে পাইনা। এবার ওই 'সুস্থিতির বাহক'-এর মধ্যে আরও একটি প্রধান যে ইঙ্গিত রয়ে যাচ্ছে তা হল-- সংসার সামলানো, তাকে পরিপাটি করে রাখা। এবং অবশ্যই তার জন্য 'নারী'কে 'বিশৃঙ্খল' হলে চলবে না, শৃঙ্খলিত থাকতে হবে। মোটকথা একটি বেড়ি পরে কাটাতে হবে জীবনটা। তাই মহাপুরুষদেরও রাজনৈতিক সমীকরণ টানতে হয়-- সংসার সুখের হয় রমণীর গুণে। অনুভবের ক্ষমতা থাকলে বোঝা যায় এই সমীকরণের পিছনে বাস্তবতার থেকেও ঢের বেশি কাজ করে ভয়ের সতর্কতা, সতর্কতার ভয়। কাজ করে নিজের কাঁধ থেকে এক পলকে অনেকখানি দায়িত্ব খসিয়ে ফেলে চারহাতপায়ে মুক্ত হবার আকাঙ্ক্ষা। যে আকাঙ্ক্ষা নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকল মানুষের। অনুভূতিপ্রবণ পুরুষ এটা বোঝে। তাই অনেকদিন থেকে অনেক পুরুষ 'নারী'র স্বাধীনতার জন্য লড়েছেন। কেননা তিনি বোঝেন নারী-পুরুষের যৌথ সম্পর্কে কোনও আধিপত্যকামিতার স্থান নেই। সন্তান ধারণের অতিরিক্ত দায়িত্বটুকু বইতে হয় বলেই তার উপরে আর সমস্ত ভারই চাপিয়ে দেওয়া যায় না। নারী-পুরুষ সম্পর্কের রসায়ন কখনওই একতরফা হতে পারে না। হ'লে গোটাটাই মাটি। তাই সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুরের মতো আধুনিক চেতনাসম্পন্ন মানুষ পরিবারের বিরুদ্ধে গিয়ে লড়েন। নিজের স্ত্রীকে পড়াশোনা ও বাইরের লোকসমাজের মধ্যে বারবার টেনে নিয়ে আসতে চান। একা স্ত্রী'কে বিদেশে পাঠান। কেননা পড়াশোনা ও বাইরের সমাজের সংস্পর্শে না এলে সেই মন যথার্থ বিকশিত হয় না, তাঁর স্থির বিশ্বাস ছিল। আসলে নারীপুরুষের সম্মিলিত সহযোগী অবস্থান ছাড়া কোনও সম্পর্ক-এর ভিত্তি সুগঠিত হতে পারে না (যেখানে দায়িত্বও সমপরিমাণে বর্তায় বইকি), বুঝেছিলেন তিনি। তাই এই দ্রোহ।

    আর কবিতা তো এমন একটা ফর্ম, যে সময়ের বিরুদ্ধে, অবস্থান ও প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে সমস্ত দ্রোহ শুষে নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। এই নশ্বর জীবনে নিজের মতো করে, নিজের আনন্দে কাটিয়ে দেওয়ার মতো ক্ষমতা অর্জন করাও তো এক নিরবধি দ্রোহ। কবিতা তো বটেই, যে কোনও শিল্প-ই এই ক্ষমতা-অর্জনের মাধ্যম ও অর্জিত আধারও বটে। জার্মান কবি ও চিন্তক গ্যেটে একটা কথা বলেছিলেন-- আমরা নিজেরা কোনও পরিণাম নয়, কিন্তু আমাদের মধ্য দিয়ে অর্জিত হচ্ছে এক মহত্তর পরিণাম। আমার মনে হয় যেকোনও শিল্পই সেই পরিণাম অর্জনের মাধ্যম ও খোঁজ। এবং সংরক্ষণও বটে।

    তবে একটু আগে যে 'বেড়ি'র কথা বলছিলাম তা কি কেবল নারীর হাত-পায়ে? মোটেই না। এই বাস্তবের মাটিতে সেই বেড়ির শিকার মানুষমাত্রেই। কেবল 'নারী'র শারীরিক গঠনের কারণে সেই বেড়ি ভিন্ন মাত্রার। যেহেতু এখনকার সমাজে তাকে পুরুষদের পরিবারে এসে থাকতে হয়, তাই সে বেড়ি কিছু ক্ষেত্রে মাত্রারিক্ত, সন্দেহ নেই। কিন্তু বর্তমান সমাজ-পরিস্থিতি সেই বেড়িও অনেক পরিমাণে হাল্কা করছে। স্বাধীনচেতা নারী হাঁসফাঁস করতে করতে সেই বাঁধন নিজের শক্তিতে কিছু-পরিমাণ আলগা করেছে। মনের সংস্কার থেকে সে আস্তে আস্তে বেরিয়ে এসে তার হাতে-পায়ের বাঁধনচিহ্নগুলোও একটু একটু করে সরিয়ে ফেলছে। এবার বাকি রইল মনের বাঁধন। সেই মনের বাঁধনও যে কিছুটা কাটিয়ে উঠতে পারা গেছে তার প্রমাণ হ'ল হাতেপায়ের চিহ্নগুলো সে একটু একটু খসিয়ে ফেলতে পেরেছে। বাকি যেটুকু রয়ে গেছে তার একটা বড় কারণ তার 'নিজস্ব এক ঘর'-এর অভাব। ভার্জিনিয়া উলফ তাঁর 'আ রুম অফ ওয়ান'স ওন'-এ সে বিষয়ে বিস্তারিত লিখেছেন। যা ভার্জিনিয়া'র কথা হ'লেও আসলে তাঁর সময়েরই কথা।

    এবার আসি কবিতার কথায়।প্রতিটি ব্যক্তিমানুষ, জন্মের পর থেকেই, বস্তুপৃথিবী ও ব্যক্তিপৃথিবীর সংস্পর্শে এসে কিছু কিছু সংঘর্ষ ও রক্তক্ষরণের মুখোমুখি হন। সংবেদন, অনুভূতিপ্রবণতা ইত্যাদির প্রেক্ষিতে সেই রক্তক্ষরণ ও সংঘর্ষের মাপ ও মাত্রা ভিন্ন ভিন্ন। আর এই সংঘর্ষে যিনি যত তীব্র মৌল চাপ অনুভব করেন তাঁর প্রকাশ আকাঙ্ক্ষা তত প্রকট হতে থাকে। ঘরাণা অনুযায়ী সেই প্রকাশ ও ভঙ্গী আলাদা আলাদা। এই ভিন্নতায় নারী-পুরুষের লিঙ্গগত পরিচয় ততটুকুই গুরুত্ব বহন করে যতটুকু তার ভিন্নতর যৌনাচার ও তৎসহ দৃষ্টিভঙ্গীগত ফারাক। আবার এই দৃষ্টিভঙ্গীগত ফারাক ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতেও পাল্টায়। এখানে উৎকৃষ্ট-অপকৃষ্টের প্রসঙ্গই অবান্তর। বরং এই দৃষ্টিভঙ্গীগত ভিন্নতা সামগ্রিকভাবে শিল্পে কবিতায় এক উৎকর্ষের খোঁজেই ব্যাপৃত থাকে। কবিতায় বোহেমিয়ান যাপনের চিহ্ন-গুটি ফুটে উঠবে কি উঠবে না তা ব্যক্তিবিশেষের অভিমুখ ও কর্ষণ সাপেক্ষ। নারী-পুরুষ ভেদের নয়। এই বোহেমিয়ানার চোরাস্রোত নারীপুরুষ নির্বিশেষে চামড়ার নীচে, রক্তে বহন করে। কারওবা তা চামড়ার উপরেও ফুটে ওঠে। তফাৎ এটুকুই। তফাৎটা নারীপুরুষঘটিত নয়।

    গহণ অরণ্যপথে হাঁটতে হাঁটতে তার বুনো-কষা গন্ধে আদিমতার ভিতর হারাতে হারাতে একটি ব্যক্তি যে কবিতা বা কবিতা-প্রণোদনাকে খুঁজে পেল তাতে তার লিঙ্গগত পরিচয় ততটা কাজে লাগল না, যতটা লাগল তার মানব-ইন্দ্রিয়বাহিত অনুভূতি ও সংবেদন। লিঙ্গচিহ্নের ভিন্নতার কারণে কবিতার চরিত্র পাল্টায়। কিন্তু গভীরতা ও বিশেষত্ব কমে-বাড়ে না। কবিতার গভীরতা বা তার ফকিরি করা, তার কেটে বসে যাওয়া ধার বা তাপ, জলপট্টি, কাঁধে হাত রাখা বা খাদের দিকে ঠেলে দেওয়া, ব্যক্তিমনকে একটা 'কেমন'-এর দিকে নিয়ে যাওয়া এ সবকিছুই নির্ভর করে ব্যক্তিকবির মৌল-চাপ, সংবেদন ও তৃষ্ণার্ত হতে পারার ক্ষমতার উপর।

    কিন্তু এত কথা সত্ত্বেও একটা কথা ভেবে দেখবার। আলাদা করে 'মেয়েদের লেখালিখি' বলে দাগিয়ে দেওয়া বা তাকে খাটো করবার প্রবণতা কেন, আজও? উপরের সমস্ত যুক্তির বাইরে গিয়ে কোনও কি ভিত্তি থেকে যাচ্ছে সেই নাক কোঁচকানো মনোভাবে? সবটাই কি পুরুষতান্ত্রিক রাজনীতির একতরফা শিকার এই 'মেয়েদের কবিতা'? সন্দেহ নেই পুরুষতান্ত্রিক সংস্কার ও ছুতমার্গ সেই ভিত্তির দুহাত জুড়ে থাকলেও, তৃতীয় হাত অর্থাৎ অজুহাতটির একটা ক্ষীণ হলেও দায়ভার থেকে যাচ্ছে। কী সেই অজুহাত? যার নাম করে এহেন অপবাদ বা স্নবারি চলে আসছে? সেই অজুহাত কিছুকিছু ক্ষেত্রে মেয়েদের সংস্কারাচ্ছন্ন মনোভাব ও তৎসংলগ্ন লেখালিখি। কীরকম? মেয়েদের হাতেপায়ের চুড়ি-গহনার রিনরিন শব্দ-ঢেউ কোথাও কোথাও যে এখনও পাওয়া যায় না এমন নয়। মায় কাদের কুলের বউ গো তুমি'র লাজবতী আভাও সেখানে পরিস্ফুট! তবে ছেলেদের লেখালিখিতে কি তাদের নতুন গলা-ভাঙার স্বর লেগে থাকেনা কারও কারও কবিতায়? অবশ্যই থাকে। তাহলে মেয়েদের ক্ষেত্রেই এত প্রকট কেন সেই অপবাদ? কারণ হয়ত তাঁরা আজও সংখ্যালঘু বলে। চোখে পড়েন বেশি।কিংবা অধিকাংশ সম্পাদক 'পুরুষ' বলে এবং কোনও কোনও সম্পাদক যারপরনাই মোহমুগ্ধ বলে বাছবিচারের সময় বা অবকাশ কোনওটাই পান না। ফলে উপরের পাতলা সরটুকুর দোষ কেবল দেখা যায়। তার জ্বাল ও আঁচের অভাবটুকু কেবলই চোখ এড়িয়ে থাকে। পুরুষতান্ত্রিক সমাজের এ একপ্রকার হেজিমনি-ও বটে। আমার বন্ধুমহলে যতটুকু শুনেছি বা পরিচিত অনুভূতিপ্রবণ মানুষেরা এই কাঁচাত্বকেই 'মেয়েদের লেখালিখি' বলে থাকেন, ধারণা। অর্থাৎ মেয়েদের দ্বারা লিখিত কবিতা মানেই 'মেয়েদের কবিতা' নয়। তবে কোনও কোনও মেয়েদের দ্বারা লিখিত কবিতাকে 'মেয়েদের কবিতা' বলে চিহ্নিত করেন তাঁরা।

    তবে আমার ব্যক্তিগত মত-- এই 'মেয়েদের কবিতা' বা মেয়েলি ছাঁচে রিনিরিনে গলার কেরামতিসহ কবিতা পুরুষ বা ছেলেরাও লিখে থাকেন। আলাদা করে মেয়েদের কবিতা বা মেয়েদের লেখালিখির এই চিহ্নিতকরণ, সত্যিই কোনও মানে আনে না। আমার কাছে। রসিকজন বুঝবেন। এই আশা। আশালতাটি বৃথা কিনা, বৃথা কিনা এই বাক্যব্যয় আপনি বলুন, হে আগামীর পাঠক।

    শেষে শুধু একটা প্রসঙ্গের উল্লেখ করে আপাতত এ লেখাটার গাত্রমার্জনা শেষ করব। আমাদের পূর্বসূরীদের জলে-স্থলে পুরুষের সমান অধিকার অর্জনের জন্য বেশ কিছুটা জোর প্রয়োগ করতে হয়েছিল। তাই সেই জোরের রোঁয়া যদি কারও কারও কবিতার গায়ে লেগে থাকে, যাকে 'নারীবাদ' বলে চিহ্নিত করা যায়-- তা দোষের কিছু নয়। বরং তা স্বাভাবিক নয় কি? যাপনের চিহ্ন তো কবিতার গায়ে আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে থাকবেই। বরং আমাদের প্রজন্মের লড়াইটা অন্তত তেমন মাত্রায় প্রতিকূল নয়। ফলে অচিরেই সেই 'নারীবাদী' চিহ্নও বিলুপ্তির পথে। যেভাবে সংস্কারের চিহ্নও আস্তে আস্তে লোপ পাচ্ছে। বরং বাংলা কবিতায় একধরনের 'গিমিক'-এর আবির্ভাব হয়েছে সম্প্রতি। আমাদের চিন্তা-ভাঁজের ছায়া সেইদিকে খানিক হেলে থাকুক।

    [ মৃদুলদা'ই এই লেখাটার একপ্রকার প্রেরণা। অনেক ধন্যবাদ ওঁকে। মৃদুলদা আমার অন্যতম প্রিয় কবিও। কিন্তু 'মেয়েদের লেখালিখি' নিয়ে ওঁর বক্তব্যের সঙ্গে কিছুতেই একমত হতে পারি না। আশাকরি বুঝবেন।]'
  • Pi | ১৪ মার্চ ২০১৭ ১০:৪৮375902
  • সাইডেই তো ক্লিক করলে এপিসোড গুলো পেয়ে যাবেন।
  • সিকি | ১৪ মার্চ ২০১৭ ১০:২৬375901
  • ডিডিদার কাছে কোশ্চেন ছিল।

    ঘটোৎকচের ছেলে বার্বরীক, বা খাটু শ্যাম কি অজ্জিনাল মহাভারতের চরিত্র? নাকি কোনও লোকাল দেবতাকে পরে (স্কন্দপুরাণে) মহাভারতের অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত