এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • অ্যাক্রোম্যান টুলা | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১৫:৪৬374820
  • শার্লি হেবদো নিয়ে কোনো বক্তব্য আছে?

    মানে আপনাদের বক্তব্যকে জুড়ে যেটা পাচ্ছি সেটা হল ওই ম্যাগাজিনের কার্টুনিস্টরা ঠিক কাজ করেননি মহম্মদকে নিয়ে কার্টুন এঁকে। সেটা অশ্রদ্ধা প্রকাশ ছিলো। কিন্তু খুনটুন করা ঠিক হয়নি। তাই তো?

    হুসেনের ক্ষেত্রেও একই বলা যায়?
  • T | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১৫:৪৩374819
  • আগে 'শ্রদ্ধা' ব্যাপারখানি ডিফাইন করুন তারপর বলে দেওয়া যাবে।
  • * | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১৫:৩৯374818
  • ও যা খুশি বলা যায়। তাহলে বিরুদ্ধমত প্রকাশ এবং অশ্রদ্ধা প্রকাশ সমার্থক?
  • sch | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১৫:৩৮374817
  • দেখুন আপনি আজ আমাকে আর আমার কোন আত্মীয়কে নিয়ে যদি প্রমাণ ছাড়া কিছু sexual slander লেখেন - কাল আরেকজন উল্টোটা করতে পারে। কাজেই রাকৃ-বিবেকানন্দের যৌন জীবন ন্যে তাত্বিক লেখা তুলে আলোচনা করুন - কিছু বলার থাকবে না। কিন্তু দুজন এক ঘরে ছিলেন বলেই সেক্স করেছিলে এটা খুব চীপ স্টেটমেন্ট। কোন শক থেড়াপিই না
  • T | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১৫:৩৩374816
  • ঠিক কতদূর আবার কি, যা খুশি বলা যায়।
  • * | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১৫:৩০374815
  • আচ্ছা শাক্য তো নেই এখানে কেউ একটু বলবেন, মানে "অশ্রদ্ধা প্রকাশ করার অধিকার" ঠিক কতদূর। একটা উদাহরণ দিলেই বুঝে যাবো...
  • * | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১৫:২৮374814
  • শক থেরাপির কথা বললে এই লেখাটি মনে আসে-
    https://blog.mukto-mona.com/2012/01/24/22258/ স্ববিরোধী বিবেকানন্দ। রেফারেন্স দিয়ে লেখা।
    শাক্যর জাস্টিফিকেশান পড়লাম। প্রাথমিকভাবে আঘাত করা তার লক্ষ্য ছিল, এখন সে বুঝতে পারছে কাজটি ঠিক হয়নি। মানুষেরই ভুল হয়। বাদবাকী অজস্র বিষয় মানে সুনীল কী বলেছেন, সে কী বলেছেন ইত্যাদি নিয়ে কথা বলেছেন। প্রশ্ন করাই যায় কিন্তু শাক্য এখানে নেই, সুতরাং ডিবেট আপাতত বন্ধ।
  • sch | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১৫:১৯374813
  • ঈপ্সিতা নজরে আসছে তো - কিন্তু পৃথিবীতে এক লাখ মানুষ আছে এই নামে - এখানে কেন আপনি নিজেকে জড়াচ্ছেন, যতো প্রতিবাদ করবেন - তত জড়িয়ে যাবেন। এটার কোনো শেষ নেই। কিন্তু যে মুহূর্তে ট্যাগ করবে - সাথে সাথে সাইবার ক্রাইমে। ওদের ভুলটা করতে দিন। আপনি ইগনোর করলে ওদের আনন্দ হবে না - তখন ট্যাগ করবেন
    স্পিনের বিরুদ্ধে খুব ভালো ফুটওয়ার্ক না থাকলে এগিয়ে মারতে নেই।wait and watch. ভুল করবেই ট্যাগ করে। অন্যের দেওয়ালে যুদ্ধ করবেন কেন - ওদের আসতে দিন আপনার গুহায়- তারপর.........।।
  • রোবু | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১৫:১৮374812
  • চমৎকার লিখেছে।
  • pi | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১৫:১২374811
  • আর এই শক থেরাপি দিয়ে লাভ হয়না, তাতে অনেক বেশি মানুষকে আলিয়েনেট করে দেওয়া হয় মনে হয়। এই মত আমি আগেও অনেকবার রেখেছি, শাক্যকেও বলেছি।

    যাই হোক, শাক্যর এই নিয়ে বক্তব্য আমাকে সকালে পাঠিয়েছিল, সেটা আমি ওপেনলিই দিয়ে দিলাম।

    'দুই বছরেরও বেশি আগে গুরুচণ্ডালি গ্রুপে করা আমার একটি পোস্ট দুম করে এখন ভাইরাল হয়ে গেছে। রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ ইত্যাদিদের নিয়ে করা সেই লেখাটিতে প্রচুর মানুষ ক্ষুব্ধ। যেহেতু ফেসবুকের বাইরে আছি তাই আত্মপক্ষ সমর্থন করতে পারছি না। এই লেখাটি দিলাম নিজের বক্তব্যকে পর্যালোচনা করবার উদ্দেশ্যে।

    প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি রামকৃষ্ণ নিবেদিতা ইত্যাদিদের নিয়ে কিছু মন্তব্য করায় যেসব মানুষের খারাপ লেগেছে তাঁদের কাছে। কাউকে আঘাত দেওয়া উদ্দেশ্য ছিল না এরকম বাজে কথা বলে লাভ নেই। অবশ্যই আঘাত দেওয়া উদ্দেশ্য ছিল। কিন্তু সেটা অগণিত রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ ভক্তদের নিখাদ শ্রদ্ধার জায়গাটাকে নয়। সেই কারণেই তাঁদের শ্রদ্ধাটুকুকে অসম্মান করবার জন্য ক্ষমাপ্রার্থী। এই বিষয়ে বিস্তারে পরে লিখছি।

    তাহলে আঘাত করবার উদ্দেশ্যটা কাদের ছিল? গুরুচন্ডালি অনলাইন দুনিয়াতে বাংগলা সাহিত্য চর্চার সম্ভবত বৃহত্তম প্লাট্ফর্ম। কিন্তু সেই সময়কালে উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা এই গ্রুপটাকে নিজেদের রণক্ষেত্রের আখড়া বানিয়ে তুলেছিল। কোনো তাত্বিক বিতর্ক নয়, বরং পরস্পরের উদ্দেশ্যে অশ্লীল আক্রমণ এবং খেউড় যার বেশিরভাগটাই যৌনগন্ধী। দিনের পর দিন হজরত মুহম্মদের যৌনজীবন নিয়ে বিকৃত চর্চা হয়েছে এখানে। আমরা সমমতাবলম্বীরা ব্যাপারটাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখিনি। বরং হিন্দু মৌলবাদ যে ভারতবর্ষে ক্রমবর্ধমান বিপদ হিসেবে উপস্থিত হচ্ছে, সেটার উপসর্গ হিসেবে দেখেছিলাম। এবং মডারেট রেটরিক দিয়ে সেই হিংস্র কণ্ঠ্স্বরকে থামানো যাচ্ছিল না। একটাই উপায় হতে পারত, তাদেরকে আঘাত করা। যেসব কাল্টকে তারা চর্চা করে এসেছে সেই কাল্টকে আক্রমণ। পদ্ধতিটা ভুল ছিল, এখন মানি। একটা সমাজের সবথেকে এগিয়ে থাকা মানুষদের আক্রমণ করে নামিয়ে আনবার পদ্ধতিতে মৌলবাদ দমন করা যায় না। কিন্তু ভুল ছিল পদ্ধতিটাতেই। আঘাত করবার উদ্দেশ্য্তে নয়। কাজেই আবারো একবার ক্ষমা চেয়ে নিলাম, সঠিক উপায়ে আঘাত করতে না পারার জন্যে।

    রামকৃষ্ণ বা বিবেকানন্দের মূল্যায়ন তাহলে কী হবে? রামকৃষ্ণ সেই সমাজের সবথেকে এগিয়ে থাকা শ্রুড একজন বুদ্ধিজীবি ছিলেন। ব্রাহ্ম্ধর্মের অন্তর্দ্বন্দ্বে দিশেহারা, এবং মিল বেন্থাম লক পড়ে ও সর্বোপরি ইয়াং বেংগল-অক্ষয় দত্তদের প্রভাবে নাস্তিকতার দিকে ঝুঁকতে থাকা বাংগালীকে ইউরোপীয় মধ্যযুগের মডেলের ভক্তিবাদের দিকে টেনে নিয়ে গেলেন একজন সম্পূর্ণ নিজের ক্যারিশমাতে। এবং এই স্কুলের উজ্জলতম ছাত্র হিসেবে দেখা দিলেন নরেন্দ্রনাথ দত্ত। সুনীল গংগোপাধ্যায় তাই যথার্থ লিখেছিলেন, নরেন্দ্রনাথ দত্ত যেদিন দক্ষিণেশ্বরের কালী মন্দিরে চাকরি চাইতে এসে তার বদলে জ্ঞান ভক্তি ও বৈরাগ্য চেয়ে ফেললেন, সেদিন সেই নাস্তিক যুবকের একটিমাত্র `মা` ডাকে তিনখানা ব্রাহ্ম সমাজ এবং অক্ষয় দত্তদের নিরীশ্বরবাদের পতন ঘটেছিল। ওই একটি ডাকেই সূচিত হয়ে গিয়েছিল একটি জাতির আগামী দেড়শ বছরের চিন্তাজগতের একমাত্র না হলেও একটি প্রধান মডেল। তো এই যে মানুষজন, এঁদের জীবনি পাঠ করলে একটা গোটা জাতির ভাংগাগড়া পাঠ করা যায়। কিন্তু প্রত্যেক যুগে এগিয়ে থাকা মানুষদের মধ্যে প্রচুর সওয়বিরোধীতা এবং অস্থিরতা দেখা যায়। বংকিমের ছিল, রবীন্দ্রনাথের ছিল। টলস্টয়ের স্ববিরোধীতা লেনিনের ধৈর্য্য্চ্যুতি ঘটিয়েছিল। বিবেকানন্দ এই অস্থিরতার ব্যতিক্রম নন। প্রচণ্ড সেকিউলার চিন্তার পাশাপাশি হিন্দু-তোষণের লেখা লিখেছেন। একবার প্রগ্রেসিভ হয়েছেন, পরমুহূর্তেই দুই পা পিছিয়ে গেছেন। রামকৃষ্ণের রিপ্রেসড হোমো-ইরটিসিজম থেকে মৃগিরোগ হতেও পারত, এবং সেখান থেকেই কালীমূর্তি দেখবার হ্যালুসিনেশন শুরু, এই অনুমান আমি প্রথম করিনি। জেফ্রি কৃপালের কালী'স চাইল্ড একটি বহুচর্চিত বই। সেখানে এই বিষয়ে বিস্তৃত আলোচনা আছে। আবার এই বইটিকে নেগেট করে স্বামী ত্যাগানন্দ একটি গ্রন্থ লিখেছেন, নাম রিভিজিটিং কালী`স চাইল্ড। এই দুই বইতেই দুখানা পরস্পরবিরোধী স্পেকুলেশন আছে। সোমনাথ ভট্টাচার্য্য তাঁর কালীস চাইল্ডঃ সাইকোলজিকাল এন্ড হার্মোনিউটিকাল প্রবলেম্স লেখাটিতে রামকৃষ্ণের রউপান্তরকামী বৈশিষ্ট্গুলি নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা করেছেন এবং এগুলির শিকড় হিন্দু ধর্মের লোকায়ত সেক্টগুলির রিচুয়ালের মধ্যে খুঁজতে চেয়েছেন। ১৯৯১ সালে নরসিংহ শীল তাঁর `রামকৃষ্ণ পরমহংসঃ আ সাইকোলজিকাল প্রোফাইল` গ্রন্থে দেখিয়েছিলেন ওনার ভরসমাধি জাতীয় জিনিসগুলি ছোটবেলার কোনো সেক্সুয়াল ট্রমা থেকে ঘটার সম্ভাবনা ছিল। আরো লেখার কথা বলা যায়। আর বলছি না। এই লেখাগুলোর লাইন মেনেই আমিও স্পেকুলেটই করেছি মাত্র। এবং এই রিপ্রেসড হোমো-ইরটিসিজম যদি সত্যিও হয়ে থাকে তার জন্য রামকৃষ্ণের অবদান বুদ্ধিজীবি হিসেবে তুচ্ছ হয়ে যায় না। কেউ কেউ বলছেন পুরনো যুগের মানুষজন নিয়ে এমন লেখা উচিত নয়। রামকৃষ্ণ বা নরেন্দ্রনাথ দত্ত ইম্পরটান্ট ফিগার কারণ তাঁরা সেই যুগটির প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। তাঁরা পুরনো যুগের মানুষ বলে নয়। না হলে পুরনো যুগের একজন পকেটমারের ছবিতে দুবেলা ধুপধুনো দিয়ে প্রণাম করতে হয়।

    বিবেকানন্দ আর নিবেদিতার প্রেম বিষয়ে সুনীল গাংগুলি আগেই লিখে গেছেন। আমি নতুন করে কিছু লিখিনি। প্রেমটুকু থাকলেও তাঁদের গ্রেটনেস কমে না। নিবেদিতা ভারতবর্ষের স্বাধীনতা সংগ্রামীদের হাতে প্রথম অস্ত্র তুলে দিয়েছিলেন। এই বিপ্লবী নারীই আবার হিন্দু ধর্মের মাহাত্ম প্রচার করেচেন। এই দুখানা দিকই সত্যি, এবং পরস্পরের পরিপূরক। বাদবাকিটুকু, সারদা ইত্যাদি বিষয়ে কিছু বলবার নেই। ওটুকু লেখা হয়েছিল আঘাত করবার উদ্দেশ্যেই। সাধারণ অনেক মানুষজনের ভাল লাগেনি। তাঁদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী, আগেই বলেছি।

    এবার প্রশ্ন, আমি যদি রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ সেক্টটির প্রতি শ্রদ্ধাশীল না হতাম, যদি বাস্তবেও তুমুল অশ্রদ্ধার মনোভাব দেখাতাম, তাহলেও কি আমাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো লজিকাল হত? আপনার শ্রদ্ধা প্রকাশ করবার অধিকার আছে, আমার আছে অশ্রদ্ধা প্রকাশ করবার অধিকার। আমরা বাকস্বাধীনতার কথা বলি। যে বাকস্বাধীনতা অন্যের বিশ্বাসে আঘাত না হানে, সেই নিরামিষ বাকস্বাধীনতা দিয়ে আমি কী করব? "রবীন্দ্রনাথ মহান কবি ছিলেন" আর "গোলাপের রং কি কুচি কু সুন্দর" এটুকু বলবার জন্য বাকস্বাধীনতার দরকার পড়ে না। আমার বাকস্বাধীনতা আপনার বিশ্বাসে আঘাত করে চুরমার করবে। তার উত্তরে আপনি আমাকে ধুইয়ে দিন, পেজ খুলুন, আমার বিরুদ্ধে লেখা নামান। কিন্তু রাষ্ট্র লেলিয়ে দিতে পারেন না। খুনের হুমকি, অফিসে মেরে ফেলবার হুমকি দিতে পারেন না। আমার ব্য্ক্তিগত জীবনকে পাব্লিক স্পেকুলেশনের বিষয় করতে পারেন না। পুলিশে কম্প্লেইন করা অথবা পাব্লিক শেমিং করতে পারেন না। তাতে আপনি আমাকে আঘাত করছেন, আমার বক্তব্যকে নয়। আজ আপনারা এত রেগে গেছেন রামকৃষ্ণ সেক্টকে নিয়ে যৌনগন্ধী লেখা নেমেছে বলে। বিশ্বাস করুন, এগুলোই আসিড টেস্ট। আপনার বিশ্বাসের ওপর কুৎসিত আঘাত নেমে আসলেও আপনি আমাকে আর আমার প্রকাশিকাকে নিয়ে পর্নো লিখবেন কি লিখবেন না, রাষ্ট্র লেলিয়ে দেবেন না কি দেবেন না, সেটাই ঠিক করে দেবে আপনি প্রাচীন ভারতীয় দর্শনের তর্ক্প্রিয় ধারাটির সেরিব্রাল ঐতিহ্যের অনুগামী, না কি নরেন্দ্র মোদী বা আইসিস আল কায়েদার অনুগামী-- যারা চার্লি হেবদো ঘটায়, হুসেনকে দেশ ছাড়া করে।

    লেখাটি কি নিম্ন মানের রসিকতা ছিল? অবশ্যই নিম্নমানের। আমি নিজেই এখন আর ওরকম লেখা লিখব না। কিন্তু নিম্নমানের লেখা নামানোর জন্য কাউকে ফাঁসিতে ঝোলানো যায় না। যদি যেত, তাহলে দুই দিনে জামাত এবং আরএসএস-এর চিন্তন শিবিরে মোমবাতি জ্বালাবার লোক পাওয়া যেত না। কাজেই সেই প্রশ্নে যাচ্ছি না। আমি ক্ষমা চেয়ে নিলাম সাধারণ মানুষ যাঁরা মৌলবাদী নন তাঁদের কাছে। তাঁদের বাঁচিয়ে অন্যদের আঘাত করবার পন্থা আবিষ্কার করতে পারিনি, এই জন্যে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি নিম্নমানের লেখা লেখবার জন্য। লেখাটির কোয়ালিটি নিয়ে আমি নিজেই লজ্জিত। চেষ্টা করব ভবিষ্যতে নিজেকে উন্নত করতে। ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি অন্যদের হয়েও, যাঁরা লেখাটিকে পছন্দ করেছিলেন, তাতে কমেন্ট করেছিলেন। এবং অতি অবশ্যই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি সেই সব মানুষদের হয়ে, যাঁরা সুভাষ বোসের বিয়ের খবর প্রচার করে, সিনেমাতে লেনিনের নিতম্ব দেখিয়ে অথবা হজরত মুহম্মদকে নিয়ে কার্টুন এঁকে লক্ষ লক্ষ সাধারণ মানুষের অনুভূতিতে আঘাত করেছেন।'
  • pi | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১৫:১০374810
  • আমার নাম, গুরুচণ্ডালির নাম স্ক্রিনশটে নজরে পড়ছে না ?
    চমৎকার।

    এগুলো নিয়ে কিন্তু আপনাদের সমস্যা নেই। সমস্যা আসে ঠাকুর, দেবতা গোত্রের কেউ হলে।
  • sch | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১৫:০৭374809
  • এই পোস্টগুলোতে কেউ যতক্ষণ না আপনাকে ট্যাগ করছে ওই স্টেটমেন্টের সাথে, আপনি কিন্তু অনায়াসে ইগনোর করতে পারেন কার না কার জন্য লিখেছে বলে। প্রতিদিন বিভিন্ন সাইটে/ফোরামে প্রতিটি বিখ্যাত মানুষ বা মানুষীকে নিয়ে কত্ত টন টন নংরা কথা, মর্ফড ছবি আর নোংরা গল্প বের হয় সব কি আমি বা আপনি পড়ি না পড়লেই বিশ্বাস করি। সেগুলো আসে ব্যক্তিগত রাগ থেকে বিকৃতি ত্থেকে - এগুলোও তাই। আপনি আইনি ব্যবস্থাও নিতে পারবেন না ডিস্ক্লেইমারের জন্য।

    বক্তব্যটা অন্য জায়গায়- গুরুর লেখায় যে যুক্তিবাদী বা মননশীলতার ছাপ থাকে সেটা শাক্যর লেখায় নেই। পাতি নোংরামো করেছে। যদি সত্যি কোনো তথ্য প্রমাণ সহ এই সব কিছু লিখত ( যেমন মনীষীদের যৌন জীবন নিয়ে লেখা হয়), তাহলে বলা যেত লোকের মনের ইমেজ ভেঙ্গে যাওয়া ইত্যাদি - এবার সেই জায়গাটুকুও নেই। কি প্রেক্ষিতে তক্ক হয়েছিল, কেউ জানে না। কিন্তু এই জিনিসটা ব্যাড টেস্টের পরিচয় রাখে। আর এই নোংরামো এক বার আরম্ভ হলে থামান কঠিন। শাক্যর হয়ে সওয়াল করলে আরো বেশী আঘাত পাওয়ার চান্স।

    ১) কেউ ক্যালানর হুমকি দিলে শাক্য অবশ্যই লিগ্যাল পদ্ধতির সাহায্য নেবেন
    ২) কেউ ক্যালাতে চাইলে সেটা কোনভাবেই সমর্থন যোগ্য না
    ৩) কিন্তু কাদার বদলে কাদা ছুড়লে কারোই কিছু করা নেই

    তমোঘ্নর ঘটনার পরে শাক্য এখানে এরকম অনেক মন্তব্য করেছিল ( ডেস্কে ঊঠে হাগু করে দেওয়া উচিত) আর বেশ কিছু মানুষ সেটা সমর্থন করেছিলেন। হতে পারে সমাজ পরিবর্তনে ওরকম শক থেরাপি লাগে। কিন্তু বেশ কিছু লোকজনের সেটা খারাপ লেগেছিল। সেই জন্য এই ধরণের বক্তব্য থেকে গুরুকে ডিসোশিয়েট করা খুব দরকার। তাহলে ওকারণ অন্যকারো গায়ে কাদা লাগবে না
  • * | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১৪:৫২374808
  • কী আশ্চর্য! কোনো লোক তার যৌন জীবনের কথা বাইরে প্রকাশ করলে, তা নিয়ে যে কেউ প্রশ্ন তুলতে পারে। এখন কেউ তুলবে, কেউ তুলবেনা। যে তুলবে সে একটা জাস্টিফিকেশান দেবে, আর যে তুলবেনা সেও একটা জাস্টিফিকেশান দেবে। কিন্তু যে তার যৌন জীবনের কথা বাইরে প্রকাশ্যে বলেনি তার সেই ব্যক্তিগত জীবন আপন মনের মাধুরি মিশিয়ে বাইরে প্রকাশ করাকে যদি সমর্থন করতে হয় তাহলে সবক্ষেত্রে সব ব্যক্তির ক্ষেত্রেই একে মান্যতা দিতে হবে। সেটা কী সমর্থন যোগ্য? মনে হয় না।

    শক থেরাপি? ঐ লেখাটি কোনো থেরাপির কাজ করেছে নাকী? কোন রোগ নিরাময়ের জন্য শুনি?

    রইল বাকী, ঐ লেখাটির (শাক্যজিতের লেখা) প্রতিক্রিয়ায় যেসব হুমকি বা ইত্যাদি এল। তা নিন্দনীয় ও অপরাধ যোগ্য। শাক্য বা অন্য কেউ মনে করলে আইনের সাহায্য নেবে।

    আমি'ত এই কথাগুলো আগের পোস্টে বলেছি। আবারও বললাম সেই একই কথা কিন্তু জানতে আগ্রহী আপনি কেন শাক্যর এই লেখাটির পক্ষে ছিলেন অন বা এই নিয়ে লেখাতে বিশেষ আগ্রহ রাখেন না?
  • pi | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১৪:৩১374807
  • তাহলে এই রবীন্দ্রনাথ, মাও, মার্ক্স, কাস্ত্রো, আইনস্টাইন, সবার যৌনজীবন নিয়ে যেসব লেখা বের হয়, সেগুলো নিয়ে কী বক্তব্য ? মানে লেখা ভাল খারপ, এই প্রশ্নেই যাচ্ছিনা। আমি এক্ষেত্রেও এই শক থেরাপির বিপক্ষে ছিলাম, এই নিয়ে লেখাপত্তরেও আমার ব্য়্ক্তিগত ইন্টারেস্ট নেই। কিন্তু এইসব লেখার এরকম প্রতিক্রিয়া, বা এরকম লেখা আসলে বিভিন্ন অসভ্যতার জাস্টিফিকেশন আসে না তো ? এখন এই পোস্টও জাস্টিফায়েড ? শাক্যর ঐ পোস্টের জন্য ? আসবেই তো, এগুলোই ইন্ভাইট করা হয়েছিল, তাই বলবেন তো ?

  • * | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১২:২৩374806
  • শাক্যর পোস্ট নিয়ে দুচার কথা-
    ১) কাউকে হুমকি দিলে, সেটা অপরাধ বলেই গণ্য হয় সুতরাং সেনিয়ে কিছু বলার নেই।
    ২) শাক্যর পোস্ট পড়েছি। মানে FB যা ঘুরে বেড়াচ্ছে। রামকৃষ্ণ-বিবেকাননদ-সারদা দেবী বা সিস্টার নিবেদিতা নিয়ে প্রশ্ন করা যেতে পারে কিন্তু প্রশ্ন করার স্বাধীনতা বা কথা বলার স্বাধীনতা কতদূর?
    আহা ওটা "নরম জায়গা" তাই মারবনা বা ভাবাবেগে আঘাত লাগবে তাই চুপ করে থাকি একথা সবক্ষেত্রে সবসময় খাটেনা। কিন্তু, হ্যাঁ একটা "কিন্তু" আছে।

    যে আমি বা আপনি মনে করি যৌন জীবন ব্যক্তিগত। তারা এটাও মানি, কে কীভাবে কাটাবে সেটা তারা(অর্থাৎ যে যার যৌন পার্টনার) স্থির করবে বাইরের লোকের নাক গলানোর দরকার নেই যতক্ষণ না কেউ এগিয়ে এসে সাহায্য চাইছে বা নিজে থেকে তার অসুবিধা বা অস্বস্তির কথা বলছে। সেইদিক দিয়ে বিচার করলে বলতে হয় শাক্যর পোস্ট দুর্বল, শস্তা জনপ্রিয়তা বা প্রচারভিমুখী(অন্তত FBতে যেটি আছে তার ভিত্তিতে বলছি)

    হ্যাঁ এইরকম একজন এস্টাবলিশ লেখক বাজারে আছেন যিনি রবীন্দ্রনাথের বিছ্নায় সারাজীবন "লোম/বাল" খুঁজে বেড়ান। পেলেই তা নিয়ে তদন্তে বসে যান- কার লোম/বাল? একী ওকাম্পোর না কাদম্বরীর, ইত্যাদি ইত্যাদি।

    রবীন্দ্রনাথ-গান্ধী-বিবেকানন্দ শুধু নয় কারুরই যৌন জীবন নিয়ে আলোচনার জায়গা নেই যতক্ষণ না তারা নিজেরা সেটা ফলাও করে বাজারে আনছেন। তাদের কাজ-কম্ম কী কিছু কম পড়িয়াছে আলোচনার জন্য!!!!!
  • Ekak | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১১:২৪374805
  • ধুর এসব কাটান। এদেশে যদ্দিন ধর্ম থাকবে তদ্দিন শাক্যর বিরুদ্ধে যাই স্টেপ নিক শাক্যর পক্ষেই যাবে :) নো চিন্তা।
  • অ্যাক্রোম্যান টুলা | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১১:২০374804
  • লাইন অফ আর্গুমেন্ট নিয়ে প্রশ্ন থাকলে তাকে কাউন্টার করা যায়। থ্রেট দেওয়া ইজ আ ডিফারেন্ট বল গেম। যুক্তি/কুযুক্তির অবতারনা অবধি ফ্রীডম অফ স্পীচ থাকে। মুন্ডু চাই বল্লেই সেটা ফৌজদারি কেস।
  • sch | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১১:১৩374803
  • সিকি বিষয়টা কিন্তু রাকৃ বিবে সারদা নিয়ে নয়। শাক্যর লাইন অফ আর্গুমেন্ট নিয়ে। কেউ যদি মনে করে যে একজন নারী ও পুরুষ এক ঘরে থাকলে তাদের মধ্যে যৌন সম্পর্ক না হওয়াটাই স্বাভাবিক তাহলে কিন্তু তার সুস্থতা নিয়ে সন্দেহ জাগে। এবার সেই লাইনেই কিন্তু লোকে পাই আর শাক্য নিয়ে নোংরামী করছে। সেটাকে সারকাজম হিসেবে না নিতে পারলে তো চলবে না। ওই পক্ষও বলবে শক থেরাপি।
    বেসিক্যালি কিন্তু এই শাক্য জাতীয় লোকগুলোর জন্যে গুরুর মতো প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি হয়।
  • d | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১০:২১374802
  • ধ্যাঃ আমি বলি নি, পুরুতমশাই বলেছিল। আমি তো বেলটা ফাটিয়েছিলাম ধাঁই করে ঠুকে।
  • pi | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১০:১২374801
  • না, আমি অতনুর কথা বলিনি।
  • সিকি | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১০:০৭374800
  • পাই - অতনু সরাসরি হিসংয়ের সাথে যুক্ত নয়, যদ্দূর জানি, তবে মানুষ তো বদলায়, ওর সাথে আমার শেষ দেখা গত বছর বইমেলায়, খুব আবেগঘন ভাবে জিজ্ঞেস করেছিল "কলকাতায় কবে ফিরছি"। কলকাতা আমার আদপেই পোষায় না, বরং দিল্লিতেই তোফা আছি বলাতে ওর চোখমুখ দেখে মনে হয়েছিল একটা ইমোশনাল আউটবার্স্ট হল বলে। যাক গে, কারুর কলকাতা ভালো লাগে, কারুর দিল্লি।

    এখন, চারদিকে এই খিস্তিখেউড় দেখে আমার মনে হচ্ছে - ই দ যেমন একদিন লিখেছিল, শিবঠাকুরের নরম জায়গা - সেই রকম রামকৃষ্ণ-বিবেকানন্দ-সারদামণি বাঙালির "নরম জায়গা" - লাগিয়ে দিলে খুউব লাগে।

    তো, লেগে গেছে। আগে প্রোফাইল ডিঅ্যাক্টিভেট করিয়ে তারপরে আবেগঘন নিন্দেমন্দ থেকে, ওর ফোন নম্বর দে, ওর বাড়ির ঠিকানা কী, বিকৃতরুচি, এই সেই - সবই চলছে। শুধু অপরাধীর দেখা পাবার উপায় রাখা হয় নি সোশাল মিডিয়ায়।

    আপাতত, এইটুকুই অনুরোধ, সব বিষয়ে ঝাঁপিয়ে পোড়ো না। থ্রেড দ্যাখো, মজা নাও। অমি তো তেড়ে খিল্লি করলাম কাল।
  • d | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৯:৫৯374798
  • ছোটোবেলায় ওঁর
  • d | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৯:৫৯374799
  • হুঁ আমাদের ছোটবেলায়োঁর পীক পিরিয়ড ছিল।
    ফেবুতে ফরিদা চমৎকার লিখেছে।
  • অ্যাক্রোম্যান টুলা | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৯:৫৮374797
  • হুঁ, আমার গোলকীপিং এর গুরু।
  • cb | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৯:৫৭374796
  • হ্যাঁ, কসমস ম্যাচ খেলেছিলেন
  • d | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৯:৫৫374795
  • মোহনবাগানের শিবাজী ব্যনার্জী না?
  • pi | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৯:৪৮374794
  • যা শুনলাম, এটা হিন্দু সংহতির কাজ।
  • b | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৯:৪৭374792
  • হ্যাঁ। আর যত তর্কে জড়াবেন, তত জালে আটকা পড়বেন।
    নির্বাণ লাভ করে চুপটি করে বসুন, ওরা থিতিয়ে যাবে।
  • pi | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৯:৪৭374793
  • কিন্তু কোন শিবাজী বন্দ্যোপাধ্যায় মারা গেছেন ?
    খেলোয়াড় ?
    এখানে তাহলে ভুল আপডেট করেছে ?
    https://en.wikipedia.org/wiki/Sibaji_Bandyopadhyay
  • pi | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৯:৩২374791
  • সেটাই তো। খুবই প্ল্যান করে করা।
    এখন বিজেপির লোকগুলো শুরু করেছে, কাশ্মীর নিয়ে আমাদের লেখাপত্তরের জন্য আমাদের UAPA খাওয়াবে। আমাদের রাষ্ট্রবিরোধী কথার একেকটা নমুনা তুলে তুলে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত