এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Arpan | ২৬ জানুয়ারি ২০১৭ ০২:৫০373350
  • আপনারা কি এই সাইটটার কথা জানতেন।

    http://www.ideasforindia.in/Default.aspx

    আমি হালে ফলো করা শুরু করেছি।
  • ranjan roy | ২৬ জানুয়ারি ২০১৭ ০০:৪৪373349
  • কাবলিদা,
    আমরা ও ১৯৬৬-৬৭র হাঃ সেঃ পাশ করেছি কেসিনাগের ম্যাথস ইংরেজি এডিশন পড়ে। তাতে অ্যালজেব্রা, মেনস্যুরেশন, জিওমেট্রি, কোঅর্ডিনেট জিওমেট্রি, ট্রিগোনোমেট্রি সবই ছিল।
  • kd | ২৬ জানুয়ারি ২০১৭ ০০:৩২373348
  • কেশববাবু আমারও হেডমাস্টারমশাই ছিলেন। আমি যখন ক্লাস ইলেভেনে, তখন উনি রিটায়ার করেন।
  • সিকি | ২৫ জানুয়ারি ২০১৭ ২৩:০০373347
  • সিবিএসই-র জন্য ম্যাচিং কেসি নাগ আছে। হ্যাঁ সব ম্যাচ করে না, দেখেশুনে পড়াতে হয়।
  • dc | ২৫ জানুয়ারি ২০১৭ ২২:৪২373346
  • হ্যাঁ ইঁরেজিতেও আছে, Arithmetic। কোন একবার কলকাতা গিয়ে কিনে এনেছিলাম। এবার কেসি নাগ কিনে নিয়ে আসব। সিলেবাস সব ম্যাচ করেনা, যে চ্যাপ্টারগুলো আছে সেগুলো পড়াই।
  • dd | ২৫ জানুয়ারি ২০১৭ ২২:৩৫373345
  • অ্যাতো কেসি এলো গ্যালো, কাতারে কাতারে কেসি। অংক কেসি, ছাতা কেসি, রসগোল্লা কেসি,সুর্য্য কেসি - কিন্তু আমাদের কেসি কই?

    বাঁশবাগানের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ঐ.....
  • Arpan | ২৫ জানুয়ারি ২০১৭ ২২:১৮373344
  • কিন্তু সিলেবাস ম্যাচ করে?
  • সিকি | ২৫ জানুয়ারি ২০১৭ ২২:১৫373343
  • মেয়ের জন্য কেসি নাগ ইংরেজিতে কিনে আনি এখন। মেয়ের যথারীতি খুব কঠিন লাগে, আর আমার কী সোজা লাগে :) কিন্তু কষে মজা আসে।
  • Arpan | ২৫ জানুয়ারি ২০১৭ ২২:১০373342
  • যাদববাবুর পাটিগণিত ইংরেজিতে আছে?

    (আমি অবশ্য পড়িনি কখনো, কেসি নাগ আর নব গণিত মুকুলেই শৈশব কেটেছিল)
  • dc | ২৫ জানুয়ারি ২০১৭ ২১:৫২373341
  • অর্পনকেও ধন্যবাদ।

    ভুল করেছি, লাল বইটা যাদববাবুর পাটিগণিত। কে সি নাগের অ্যালজেব্রা তো এর পর আসবে।
  • Arpan | ২৫ জানুয়ারি ২০১৭ ২১:২২373340
  • এটা সোশাল নেটওয়ার্ক সাইটগুলোয় ঘুরছে গত ক'দিন। যথারীতি মূল লেখার প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকারের কোন গল্প নেই।

    মূল লেখাটা এখানে, যেখান থেকে সিংহভাগ টোকাঃ

    http://archives.anandabazar.com/archive/1130714/14rabipro1.html
  • dc | ২৫ জানুয়ারি ২০১৭ ২১:০২373339
  • বাঃ খুব ভাল্লাগলো পড়তে। ছোটবেলায় কে সি নাগের লাল অংকের বইটা পড়েছি, এখন মেয়েকেও কে সি নাগের বই থেকে পড়াই। যিনি লিখেছেন তাঁকে অনেক ধন্যবাদ।
  • pi | ২৫ জানুয়ারি ২০১৭ ২০:৪৭373338
  • ফেবুতে মালবিকা রায়ের পোস্ট।

    'এক বিস্মৃতপ্রায় বাঙালী অঙ্কের মাস্টারমশাই কেশব চন্দ্র নাগ:
    ———————————————————————————
    কেশব চন্দ্র নাগ নামটা নিশ্চয়ই শোনা শোনা লাগছে? বর্তমান প্রজন্মের ছেলে -মেয়েরা হয়ত নামটা শোনেই নি তবে আমরা গুরুজনদের মুখে এই নামটা শুনেছি ৷ আমরা তাঁর অঙ্ক বই থেকে অঙ্ক কষার সুযোগ হয়ত পাই নি তবে তিনি কত বড় অঙ্কের শিক্ষক ছিলেন সে কথাটা শুনেছি বহুবার ৷

    চৌবাচ্চা দিয়ে জল বেরোচ্ছে আর ঢুকছে ৷ তেলমাখা বাঁশে বাঁদর উঠছে আর নামছে ৷ সুদ চক্রবৃদ্ধি হারে বাড়ছে ৷ প্ল্যাটফর্ম ছাড়িয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে গতিময় ট্রেন‚ তাহলে ট্রেনের দৈর্ঘ্য কত হবে ?

    স্কুল পেরোনো মধ্যবয়সীদের অফিসে ডেডলাইন চাপের দুঃস্বপ্নেও ফিরে আসে এই প্রশ্নগুলো ৷ কারণ স্কুলস্মৃতির সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে আছে সাদা পৃষ্ঠায় কালো অক্ষরে পাটীগণিত ৷ নাম তার ‘ কে সি নাগ ‘ ৷

    কারও কাছে কে সি নাগ নামটা কে সি দাসের রসগোল্লার মতোই মধুময় ৷ কারও কাছে আবার কে সি পালের ছাতার শক্ত বাঁট ৷ কে সি নাগের অঙ্ক একদিকে শাস্তি ৷ আবার সেই অঙ্কের সমাধান নিজের হাতে কষা যেন অ্যাচিভমেন্ট ৷

    তাঁর বই তো অনেক দেখেছি ৷ চলুন না এ বার একটু ব্যক্তি কে সি নাগকে দেখি ৷

    স্বামী বিবেকানন্দ যে বছর শিকাগোয় বিশ্বজয় করলেন ‚ সে বছরেই হুগলির গুড়াপের নাগপাড়ায় জন্ম তাঁর ৷ ১৮৯৩-এর ১০ জুলাই ৷ সেদিন ছিল রথযাত্রা ৷ সন্তানের নাম ‘কেশবচন্দ্র‘ রেখেছিলেন বাবা রঘুনাথ ৷ কিন্তু সন্তানের শৈশবেই চলে গেলেন বাবা ৷ ছেলেকে বড় করতে শুরু হল মা ক্ষীরোদাসুন্দরী দেবীর কঠিন লড়াই ৷

    গুড়াপে তখন সবেধন নীলমনি একটাই স্কুল ৷ সেখানেই ভর্তি হলেন শিশু কেশব ৷ পরে ক্লাস সেভেনে ভর্তি হলেন ভস্তারা যোগেশ্বর হাই স্কুলে ৷ ৩ মাইল দূরে সেই স্কুলে যেতে ভোররাত থেকে হাঁটতে শুরু করতেন কেশব ৷ আবার বাড়ি ফিরতেন সূর্য পাটে ডুবলে ৷ নবম শ্রেণিতে ভর্তি হলেন কিষেনগঞ্জ হাই স্কুলে ৷

    ১৯১২ সালে প্রথম বিভাগে এন্ট্রান্স পাশ করে কেশব তখন কলকাতার রিপন কলেজের ( আজকের সুরেন্দ্রনাথ কলেজ ) ছাত্র ৷ ১৯১৪ সালে প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন আইএসসি ৷

    এরপর যোগেশ্বর স্কুলে থার্ড মাস্টারি কিছুদিন ৷ সঙ্গে প্রাইভেট টিউশনি ৷ নইলে স্কুলের সামান্য বেতনে বড় সংসার চালানো অসম্ভব ৷ কিন্তু তার মধ্যেই মনে হল শেষ করতে হবে উচ্চশিক্ষা ৷ বিজ্ঞান শাখায় না করে কেশবচন্দ্র স্নাতক হলেন অঙ্ক সংস্কৃত এবং কলাবিদ্যায় ৷ পেলেন বিএ ডিগ্রি ৷ এরপর কিষেণগঞ্জ স্কুলে গণিতের শিক্ষক ৷ পড়িয়েছিলেন বহরম পুর কৃষ্ণনাথ কলেজিয়েট স্কুলেও ৷

    তখন তাঁর ধ্যান জ্ঞান শুধুই গণিত ৷ কী করে ছাত্রদের অঙ্কভীতি দূর করা যায় ‚ কী করে গণিতকে আরও প্রাঞ্জল করে তোলা যায়‚ এই ছিল তাঁর স্বপ্ন ৷

    তাঁর পড়ানোর খ্যাতি ছাড়িয়ে পড়ল ৷ স্যর আশুতোষ মুখোপাধ্যায় তাঁকে নিয়ে এলেন কলকাতায় ৷ ভবানীপুরের মিত্র ইনস্টিটিউশনে ৷ সেখান থেকেই প্রধান শিক্ষক হিসেবে অবসর নেন ৷

    কলকাতায় প্রথমে থাকতেন রসা রোডের মেসে ৷ পরে দক্ষিণ কলকাতার গোবিন্দ ঘোষাল লেনে বাড়ি করেছিলেন ৷

    শিক্ষকতা নিয়েই মগ্ন ছিলেন কেশবচন্দ্র ৷ স্কুলে অগ্রজ সহকর্মী ছিলেন কবি কালিদাস রায় ৷ তাঁর বাড়িতে বসত সাহিত্যিকদের আড্ডা ৷ মধ্যমণি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ৷ একদিন বৈঠকী মেজাজেই কথা সাহিত্যিক প্রস্তাব দিলেন বরং বই লিখুন কেশবচন্দ্র ৷ কিছুদিন পরে জোর করে বললেন কালিদাস রায় | যে কেশবচন্দ্রের অঙ্কের ক্লাস ছিল সাহিত্যের মতোই প্রাঞ্জল ৷ যাঁর ক্লাস করতে মুখিয়ে থাকত ছাত্ররা‚ তিনি বই লিখলে আখেরে লাভ পড়ুয়াদেরই ৷

    তিনের দশকে প্রকাশিত হল ‘ নব পাটীগণিত ‘ ৷ ইউ এন ধর অ্যান্ড সন্স থেকে ৷ কেশবচন্দ্র নাগ থেকে তিনি হলেন কে সি নাগ ৷ শরৎচন্দ্র তাঁর নাম দিলেন গণিত শিল্পী ৷ দ্রুত জনপ্রিয় হল কে সি নাগের পাঠ্যপুস্তক ৷

    একবার কে সি নাগের ডায়েরি দেখে ফেলেন ক্যালকাটা বুক হাউজের মালিক ৷ সেখানে লিখে রাখা কীভাবে কোন অঙ্ক করলে সুবিধে হবে ছাত্রদের ৷
    প্রকাশক বললেন‚ ওই বই তিনি ছাপবেন
    কে সি নাগ তো নারাজ ৷ অঙ্কের কোনও মানে বই বের করবেন না ৷ শেষে তাঁকে বলা হল ওটা হবে শিক্ষকদের গাইড বুক ৷ এ বার তিনি রাজি হলেন ৷ ১৯৪২ সালে বেরোলো ‘ ম্যাট্রিক ম্যাথেমেটিক্স ‘ ৷ এত চাহিদা হল‚ যে ছাপিয়ে কূল করা যেত না ৷

    বিভিন্ন ভাষায় প্রকাশিত হয়েছে কে সি নাগের গণিত বই ৷ পাকিস্তান বোর্ডের জন্যও লিখেছেন বই ৷ আছে তাঁর বইয়ের ব্রেল সংস্করণও ৷ পরে তাঁর বইয়ের গুণমান দেখে থাকত তাঁর পারিবারিক প্রকাশনা সংস্থা নাগ পাবলিশিং ৷ যাতে কিংবদন্তির নাম ক্ষুণ্ণ না হয়


    গণিতের বাইরে বিবিধ বিষয়ে আগ্রহ ছিল তাঁর ৷ তার মধ্যে একটি আধ্যাত্মিকতা ৷ শৈশবে পড়শি ছিলেন জিতেন্দ্রনাথ রায় ৷ যিনি পরে হন রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী বিশুদ্ধানন্দ ৷ তাঁর নির্দেশ কেশবের কাছে ছিল বেদবাক্য ৷ গ্রহণ করেছিলেন শ্রী শ্রী সারদামায়ের শিষ্যত্ব ৷ গণিতের বাইরে বহু আধ্যাত্মিক লেখা অনুবাদ করেছেন ৷

    সামিল হয়েছিলেন স্বাধীনতা সংগ্রামেও ৷ গান্ধীজির ভারত ছাড়ো আন্দোলনে যোগ দিয়ে গ্রেফতার হন ৷ জেল খেটেছিলেন ম্যালেরিয়ায় ভুগতে ভুগতে ৷ পরে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় প্রস্তাব দেন ভোটে দাঁড়ানোর ৷ সবিনয়ে তা ফিরিয়ে দেন অঙ্কের মাস্টারমশাই ৷

    আর ছিল খেলার নেশা ৷ ফুটবল ক্রিকেট টেনিস সব ৷ শেষদিকে আর মাঠে যেতে পারতেন না আদ্যন্ত এই মোহবাগানি ৷ রেডিয়োয় শুনতেন ধারাবিবরণী ৷

    সেরকমই শুনছিলেন একদিন ৷ ১৯৮৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারি কানপুরে ভারত ইংল্যান্ড টেস্টে কেরিয়ারের শুরুতে তৃতীয় শতরানের পথে মহম্মদ আজহারউদ্দিন ৷ শুনতে শুনতেই মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ ৷ দু বছর পর থেমে এল সব গণনা ৷ ১৯৮৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি নেমে এল গণিতশাস্ত্রজ্ঞর জীবনের শেষ অঙ্ক ৷

    তাঁর ছাত্রদের তালিকায় আছেন সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়‚ সুভাষ মুখোপাধ্যায়‚ হেমন্ত মুখোপাধ্যায়‚ বিকাশ রায়‚ রঞ্জিত মল্লিকের মতো দিকপালরা ৷ তাঁর বই বিক্রির রয়ালটির টাকা চলে যায় চ্যারিটি ফান্ডে ৷ তাঁর এবং তাঁর স্ত্রী লক্ষ্মীমণি দেবীর নামে ফান্ড ৷ গুড়াপে লোকচক্ষুর আড়ালেই পালিত হয় তাঁর জন্মবার্ষিকী ৷ হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের খুব কাছেই থাকতেন কে সি নাগ ৷ এত উৎসব-মেলা-অনুষ্ঠান হয়‚ অথচ উপেক্ষিত থেকে যান তিনি ৷ যিনি আজীবন উৎসর্গ করেছিলেন ছাত্রকল্যাণে ৷ বইয়ে যাঁর নামের পাশে থাকত না ডিগ্রির উল্লেখ ৷ আসলে আমরা মানে বাঙালীরা বড়ই আত্মবিস্মৃত জাতি ৷

    বিঃ দ্রঃ এই তথ্যটি জানার পর শেয়ার করতে ইচ্ছে হল আপনাদের সাথে তাই পোস্টটি করলাম ৷ এত বড় একজন ব্যক্তি সম্পর্কে জানা এবং জানানোর প্রয়োজন অনুভব করেই আমার এই পোস্ট ৷ যাঁদের ভালো লাগবে অবশ্যই পড়বেন ৷ আমি এই পোস্টের মাধ্যমে অঙ্কের মাস্টারমশাই কেশব চন্দ্র নাগকে শ্রদ্ধা জানাই ৷'
  • pi | ২৫ জানুয়ারি ২০১৭ ১৩:৩৯373336
  • ওক্কে। থ্যাম্কু।
    মা কে ডাক্তার ছয় বছর ধরে খাওয়াচ্ছেন। এনিয়ে বলার পরেও কন্টিনিউ করতে বলছেন।
  • d | ২৫ জানুয়ারি ২০১৭ ১৩:১৭373335
  • *রিকোটায়
  • d | ২৫ জানুয়ারি ২০১৭ ১৩:১৬373334
  • বাহ বাহ থ্যাঙ্কু ডিসি। লম্বা উইকেন্ডের জন্য বেশ ভাল।

    কেলোদাদা এলে যেন আমার ট্যাবের রোকোটায় একটু চোখ বুলিয়ে নিজের মতটি নথিভুক্ত করে যান। বুধবারে আর সময় নেই এবার কাটি।
  • I | ২৫ জানুয়ারি ২০১৭ ১২:৫২373333
  • না নিফট্রান নয়,সিক লিভ জনিত কারণে।
  • ক্যাম্পা কোলা | ২৫ জানুয়ারি ২০১৭ ১২:৫০373332
  • এইটা কি দেখা যাচ্ছে?



    একখান অ্যাওয়ার্ড হইচে, মেডেল নয় অবিশ্যি - ফিতা, যারে কয় রিবন।
  • ক্যাম্পা কোলা | ২৫ জানুয়ারি ২০১৭ ১২:৪২373331
  • আর সিস্কোর লোকজন সবকিছুকেই বলে "সুইচ":-p
  • ক্যাম্পা কোলা | ২৫ জানুয়ারি ২০১৭ ১২:৪০373330
  • আমি রুটারই বলি। জর্ডি কিনা।

    >>> কি পোচোন্ডো গ্যাজেট প্রিয় জনতা!

    তাও তো আমি/রোবু/ব্ল্যাঙ্কি/ফোজ্জি এখনো এফ-স্টপ, এফ বাই অমুক তমুক, প্রাইম ইত্যাদি শুরু করিনি।
  • ম্যামি | ২৫ জানুয়ারি ২০১৭ ১২:৩৬373329
  • এগজ্যাক্টলি সো ক্যাম্পা।
  • ক্যাম্পা কোলা | ২৫ জানুয়ারি ২০১৭ ১২:৩৪373327
  • অ্যাজ সাচ কোনো কারণ নেই, দুটোই বলে। তবে যেহেতু নেটওয়ার্কের জন্ম আর্পা থেকে, আমেরিকান অরিজিনের জন্যে রাউটারই বেশি চলে।
  • d | ২৫ জানুয়ারি ২০১৭ ১২:৩৩373326
  • ওহো না তখন এট্টু ভুল বলেছি। নেক্সাস ৬পি ৩২ জিবি ২৩ এ পাওয়া যাচ্ছে। এক্ষুণি দেখলাম।
  • d | ২৫ জানুয়ারি ২০১৭ ১২:৩১373324
  • আমিও রাউটার বলি তো। ব্রিটদের সাথে বেশীদিন কাজ করার ফল বোধহয়।

    কিন্তু ট্যাবটু তে অ্যান্ড্রয়েড ৬ করা গেছে নাকি?
  • dc | ২৫ জানুয়ারি ২০১৭ ১২:৩১373325
  • ক্যাম্পা, অ্যান্ড্রয়েড ৬ এর থেকে বেশী নেবে না বোধায়। OmniROM ট্রাই করে দেখতে পারেন। ওটার ভার্শান 5.1 দেখায় কিন্তু আসলে ৬। অন্য রমও খুঁজে দেখতে পারেন। আচ্ছা, ফোন/ট্যাব নিয়ে এই শেষ পোস্ট।

    রুটার কে রাউটার কেন বলে তো জানিনা! অমিতাভ বচ্চনকে জিগ্যেস করে দেখতে পারেন।
  • ম্যামি | ২৫ জানুয়ারি ২০১৭ ১২:১৭373323
  • না না ক্যাম্পাকে না, ডিসিকে বললাম।
  • de | ২৫ জানুয়ারি ২০১৭ ১২:১৬373322
  • উফ্‌ - আফনাদের ফোং-ট্যাব কেনা শ্যাষ হোলো! কি পোচোন্ডো গ্যাজেট প্রিয় জনতা!
  • ম্যামি | ২৫ জানুয়ারি ২০১৭ ১২:১৫373321
  • ক্যাম্পা, রুটার কে রাউটার বলে কি জন্য?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত