এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ishan | ২৩ ডিসেম্বর ২০১৬ ০৩:১৭371670
  • কিন্তু ধূমকেতু-টেতু তো অনেক পরে পরে আসে। আমি তো ছোটো থেকেই চেক করতাম, কোন সালটা আমি দেখতে পাব। সেবার যখন পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ হল, তখন আমি মনে হয় কলেজে। অনেকে ডায়মন্ড হারবার গেল, আমি গেলাম না। বাড়িতেই থেকে গেলাম। সূর্যগ্রহণে তেমন ইন্টারেস্ট ছিলনা। কিন্তু ওই প্রায় সূর্যগ্ড়ণও ভারি চমৎকার দৃশ্য, বলতেই হবে। বিশেষ করে সাত সকালেই পাখিরা সূর্য ডুবে যাচ্ছে ভেবে গাছে ফিরে আসছে, এটা তো যাকে বলে অপার্থিব। সেসব দেখলাম। আফশোষ হয়নি ডায়মন্ড হারবার না যাবার জন্য। কিন্তু তখনই জানতাম, এটাই শেষ চান্স। এ জীবনে আর পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ দেখা হবেনা। চাট্টি দেশে বিদেশে ঘোরা হবে, সেটা তখনও জানা ছিলনা। সেই ভাবেই হিসেব করেছিলাম।

    জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে এইসব কেউ বলেনা। কিন্তু বলে ফেললাম। কী আর করা। :-)
  • Atoz | ২৩ ডিসেম্বর ২০১৬ ০৩:১৫371669
  • বুঝলে ছোটাইদি, কালকে সেই পুরনো রুশী কালেকশন থেকে একটা বই পড়ছিলাম, আজারবাইজানের গল্প। সেখানে এক পাহাড়ে চড়ার গল্প, "বাঁক ঘুরেই চূড়া"। সেই গল্পে পর্বতারোহীদের গাইড, তাঁর বয়স বিরানব্বুই বছর শুনে একবার চমকালাম। তারপরে আরো চমক ছিল, ভদ্রলোক একটা পুঁতির মালা থেকে প্রতি বছর একটা করে পুঁতি পাহাড়ের খাদে ফেলে যান, তাতে আরো সতেরোটা পুঁতি বাকী। এই মালায় একশোটা পুঁতি ছিল, এই ভদ্রলোকের সঙ্গে যখন তাঁর স্ত্রীর বিবাহ হয়, তাঁরা এই একশোপুঁতির মালা কেনেন, সম্মিলিত জীবন একশোবছর কাটাবেন বলে। ভাবো একবার! ঃ-)
  • i | ২৩ ডিসেম্বর ২০১৬ ০৩:০৭371668
  • অর্পণের জন্মদিন ছিল একুশে। আসা হয় নি। বিলম্বিত শুভেচ্ছা জেনো অর্পণ।

    কুমুদিদি, এটুজেড, সব চেটেপুটে খেলাম। কিছু পড়ে নেই। ল্যাকটোজ ইন্টলারেন্স অনেকটাই কেটে গেছে তাই পায়েস দুধ পুলি পরম তৃপ্তি করে খেলাম।
    কুমুদিদি, বাড়ি গিয়ে প্রকাশকের নাম জানাব। মনে হচ্ছে শিশু সাহিত্য সংসদ।

    সিকি, পাই, আর সবাই থ্যাঙ্কু ম্যাঙ্কু রে।

    টেখা দিয়েই সবার সঙ্গে আলাপ। টেখা যেন চালিয়ে যেতে পারি।

    পাই রাত্রি কেকে কে আগাম শুভেচ্ছা জানিয়ে রাখি-যদি না আসতে পারি।

    বহুবছর পরে জন্মদিনে প্রবাসেই রইলাম। এবারে বাড়ি যাওয়া হবে না।
    বেলা হ'ল অনেক। এই বয়সের লোকজনদের কত বুড়ো ভেবেছি আগে। এখন এক এক সময় বিশ্বাস হয় না-আমার নিজেরই এত বয়স।
    যেটা হচ্ছে আজকাল-ধরুন কাগজে পড়লাম অমুক ধূমকেতুর ল্যাজ এই বেস্পতিবার পৃথিবীর এত কাছে আসবে, আবার আসবে এত বছর পরে-আগে হোতো না, এখন ঐ বছর গুলো নিজের বয়সে যোগ দি মনে মনে -নাঃ বাঁচব না তো অতদিন। বা ধরুন, কারোর জন্মদিনের রিমাইন্ডার সেট করলাম। রিপীট করতে বললাম প্রতিবছর। রিপীট আনটিল... সালটা কি লিখব-আঙুল একটু হ'লেও কেঁপে যায়
    ক্রিজে টিঁকে থাকলে সামনের বছর হেল্মেট খুলে ব্যাট তুলে যাব।

    আপনাদের ছোটাই
  • Atoz | ২৩ ডিসেম্বর ২০১৬ ০২:৩৩371667
  • ছোটাইদি, শুভ জন্মদিন। জামবাটিতে পায়েস রইল, থালায় ফুলকো লুচি আর কাশ্মীরী আলুরদম। ঃ-)
  • kumu | ২২ ডিসেম্বর ২০১৬ ২১:৫৪371666
  • ছোটাই যোগীন্দ্রনাথ সরকারের সমস্ত রচনার সংকলনএর প্রকাশকের নামটা একটু লিখে দিয়ো,যখন সময় হবে।
  • সিকি | ২২ ডিসেম্বর ২০১৬ ২১:১৭371665
  • পাই মেসেজ দ্যাখো চটপট।
  • pi | ২২ ডিসেম্বর ২০১৬ ২০:৫০371664
  • ডিডিদা, মেইল দেখুন চটপট !
  • pi | ২২ ডিসেম্বর ২০১৬ ২০:৩৭371663
  • ছোটাইদিকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা আর ভালবাসা। এমনিই ভাল লিখতে থেকো, ভাল থেকো।

    কেন যে আমি প্রতিবার ছোটাইদির জন্মদিন ২৩ ভাবি কে জানে !
  • b | ২২ ডিসেম্বর ২০১৬ ১৮:৩৯371662
  • রাহুল গন্ধীর চার্জটা কেমন পর্বতের মূষিক প্রসব টু দ্য পাওয়ার ওয়ান বাই এন, এন গোজ টু ইনফিনিটি লাগলো।
  • robu | ২২ ডিসেম্বর ২০১৬ ১৮:১০371661
  • Modi : Sack the governor immediately. Make it look like a resignation !
    PA : Ok Sir !
    *5 minutes later, Modi opens News Channel*
    Modi : BC, RBI governor bola tha maine !

    - Priyanka Ch
  • সিকি | ২২ ডিসেম্বর ২০১৬ ১৮:০২371660
  • নাজীব জঙ্গ পদত্যাগ করলেন।
  • সিকি | ২২ ডিসেম্বর ২০১৬ ১৮:০০371659
  • আইদিদিকে জন্মদিনে একগুচ্ছ শুভেচ্ছা।
  • Arpan | ২২ ডিসেম্বর ২০১৬ ১৭:৪৫371658
  • ছোটাইদি, জন্মদিনের অনেক শুভেচ্ছা রইল। এই উঠে গুরুর পাতা খুললাম।
  • i | ২২ ডিসেম্বর ২০১৬ ১৭:২২371657
  • যাহার কুমুদিদি নাই, তাহার কেহই নাই। আবারও বুঝিলাম।
    প্রণাম নিও।

    আমার কাছে হাসিখুশি প্রথম ভাগ আর যোগীন্দ্রনাথ সরকারের সমস্ত রচনার একটা সংকলন ও আছে।
  • kumu | ২২ ডিসেম্বর ২০১৬ ১৫:০৩371656
  • ছোটাইএর জন্মদিন--

    একঝুড়ি গোলাপরঙ্গনটগরবেলী,নলেনগুড়ের পায়েস আর দুধপুলি,

    খুব সুন্দর থাকো,আনন্দে থাকো চিরকাল।
  • সিকি | ২২ ডিসেম্বর ২০১৬ ১২:২৭371655
  • সরি এতে পিডিএফ নেই। দেখ্ছি।
  • kumu | ২২ ডিসেম্বর ২০১৬ ১১:০৯371653
  • মিনমিন করিয়া
    কারো কাছে যোগীন্দ্রনাথ সরকারের হাসিখুশি বইটি আছে?
  • pi | ২২ ডিসেম্বর ২০১৬ ০৯:২৮371652
  • রাঘব বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোন ছোটগল্প অনলাইনে আছে বা পড়ার মত পিডিএফ আছে ?
  • pi | ২২ ডিসেম্বর ২০১৬ ০৮:৫৩371651
  • ভাল খবর। তবে সত্যি ভাল লাগবে, যেদিন ট্রান্সজেণ্ডাররা আলাদা করে স্কুল না করে একই স্কুলে, একই বোর্ডিং এ থাকতে পারবেন, টিটকারি, টিপন্নী ও অন্যান্য সমস্যা ছাড়া। আলাদা ভাবে কিছু নয়, সবার সাথেই মিলেমিশে। স্বাভাবিক ভাবে।

    এখন কি স্কুলে বা বোর্ডিং ট্রান্সজেন্ডার পরিচয়ে থাকতে কোন আইনি বা অফিশিয়াল সমস্যা আছে ?

    http://www.indiatimes.com/news/india/india-s-first-transgender-boarding-school-launched-in-kochi-267656.html
  • সাগরিকা ভট্টাচার্য | ২২ ডিসেম্বর ২০১৬ ০৮:৪৯371650
  • বড় সাধ করে ছোট মেয়ের বিয়ে দিয়েছিল ইঞ্জিনিয়ার পাত্রের সংগে। পাত্রপক্ষ-এর চাহিদা মতো পণও কিছুটা দিয়েছিল। কিন্তু তাদের যে তর সয় না। তাই মেয়ের ওপর অত্যাচার করে যদি দ্রুত পণের বাকি টাকাটা আদায় করে নেওয়া যায়। সেই চেষ্টা করতে গিয়ে বিয়ের আট দিনের মাথায় মেয়েটি মারা গেছে। মেয়ের পরিবার ছেলের পরিবার এর নামে অভিযোগ করেছে।

    আমার ইচ্ছে করছে মেয়েটির তরফ থেকে তার বাবা মা এর বিরুদ্ধে অভিযোগ ঠুকতে। কেন? সেটাই বলছি।

    অবিবাহিত মেয়েরা আর কত দিন মা-বাবার গলায় কাঁটা হয়ে থাকবে? খুব কি দরকার তাদেরকে বিয়ে দিয়ে অচেনা একটা পরিবারে পাঠিয়ে দেবার? যেখানে মেয়েকে যত না দরকার,তার চেয়ে বেশি দরকার তার বাপের ব্যাংক ব্যালেন্স... সেই রকম একটা "নিশ্চিত আশ্রয়ে" খুব প্রয়োজন মেয়েটিকে পাঠিয়ে দেবার? তোমরা বাবা মা হয়ে যাকে আশ্রয় দিতে পারলে না... তাকে এমনি এমনি রাখবে অচেনা একটি পরিবার? এই দেওয়া নেওয়ার বাজারে এত সস্তা হিসেব মিলবে কি করে?

    তার চেয়ে বলো না, আমরা জেনে শুনে মেয়েকে হাঁড়ি কাঠে ঝুলিয়ে দিয়েছি। স্বীকার করো মেয়ে মানেই বোঝা। বলো,তাকে ঘাড় থেকে নামিয়ে আমরা হাঁফ ছেড়েছিলাম। আর শ্বশুরবাড়ি বাকি দায়িত্বটা পালন করে দিয়েছে। তা খারাপ কী? ভালোই তো হয়েছে।

    মেয়েদেরকে যত দিন না নিজের পায়ে দাঁড় করানোর কথা না ভেবে বড় হলেই বিয়ে দিয়ে দেবো, এই ভাবনা ভাবা হবে ততদিন মেয়েদের মৃত্যু এভাবেই নির্ধারিত হয়ে থাকবে।

    ভাবনার বদল জরুরী। কন্যাসন্তান এর বাবা মা তাদের সন্তানকে স্বাবলম্বী করে বড় করে তোলার চেষ্টা না করে, যদি মেয়েকে কেবল কোন এক পুরুষ মানুষ এর যোগ্য করে তোলার উদ্দেশ্যে রুপে-গুনে সুন্দর করে গড়ে তোলার কথা ভাবেন... আর স্বপ্ন দেখতে থাকেন, কোন এক মালদার পরিবারের মোটা মাইনার জামাই এর কাছে মেয়েকে সঁপে দিলেই মেয়ের ভাগ্য খুলে যাবে, তবে মেয়েদের ভবিতব্য হচ্ছে শ্বশুরবাড়ির লোকের কাছে মারধোর খেয়ে হয় বেঁচে থাকা, নয় গলায়দড়ি বা আগুনে পুড়ে অথবা বিষ খেয়ে ইত্যাদি ইত্যাদি হাজারো পন্থায় মরে যাওয়া। বাবা মারা সিদ্ধান্ত নিক, কোন পথকে বেছে নেবেন তারা?

    আবহমান কাল ধরে মেয়েদের অপর এই অন্যায় হয়েই যাচ্ছে, ঘরে ঘরে পণ চেয়ে অত্যাচার চলেই যাচ্ছে। তবুও আমাদের ঘুম ভাংছে কই? আমরা তবু মেয়ের বিয়েতে খাট, আলমারি থেকে শুরু করে একে একে অনেক কিছুই যৌতুক হিসেবে দিয়ে জামাইবাবাজীবন ও তার পরিবারকে তুষ্ট রাখার চেষ্টা করছি। তাতেও কি তাদের মন ভরে। চলছে বৌ এর ওপর অত্যাচার। বৌ কাঁদছে আর বলছে বাবা এরা আমায় মেরে দেবে পণের টাকা না দিলে। আর তাই না শুনে অসহায় বাবা দৌড়ে মরছে পণের টাকা যোগান দিতে। এমন পাত্রের জন্যই কি মেয়ের বিয়ে দেওয়া?

    অভিভাবকরা কবে ভাববেন মেয়েদেরকে স্বাবলম্বী করে তোলার কথা। কারুর গলগ্রহ হয়ে মেয়েদেরকে বাঁচার দরকার নেই। বরং নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে মা-বাবার পাশে মেয়েরা দাঁড়াক। তারা ঠিক করুক কে তাদের জীবনসঙ্গী হবে?

    রোজের খবর। তবু খবরেরকাগজে এই খবরগুলো দেখলে পুরো দিনটা খারাপ হয়ে যায়। কবে বদলাবে আমাদের সমাজ, আমাদের মন, মানসিকতা? কবে?
  • | ২২ ডিসেম্বর ২০১৬ ০৮:৪৬371649


  • মন দিয়ে দেখবেন কিন্তু।
  • pi | ২২ ডিসেম্বর ২০১৬ ০৮:০৮371648
  • গ্রুপে সাগরিকা নিচের পোস্টটা লিখেছিলেন। অনেকটাই একমত। বাবা মা ঐ 'অনেকটাই চাহিদামত পণ' দিয়েছিলেন পড়েই গা পিত্তি জ্বলে গেছে। এখনো এই অন্যায় চাপের কাছে নতিস্বীকারের বাধ্যবাধকতা সত্যি কিছু আছে কি ? আর কবে যে ছেলে সুউপায়ী পাত্রের পিছোনে ধাওয়ার চেয়ে, মেয়েকে স্বাবলম্বী করার দিকে ঝোঁকটা বাড়বে !

    'বড় সাধ করে ছোট মেয়ের বিয়ে দিয়েছিল ইঞ্জিনিয়ার পাত্রের সংগে। পাত্রপক্ষ-এর চাহিদা মতো পণও কিছুটা দিয়েছিল। কিন্তু তাদের যে তর সয় না। তাই মেয়ের ওপর অত্যাচার করে যদি দ্রুত পণের বাকি টাকাটা আদায় করে নেওয়া যায়। সেই চেষ্টা করতে গিয়ে বিয়ের আট দিনের মাথায় মেয়েটি মারা গেছে। মেয়ের পরিবার ছেলের পরিবার এর নামে অভিযোগ করেছে।
    আমার ইচ্ছে করছে মেয়েটির তরফ থেকে তার বাবা মা এর বিরুদ্ধে অভিযোগ ঠুকতে। কেন? সেটাই বলছি।
    অবিবাহিত মেয়েরা আর কত দিন মা-বাবার গলায় কাঁটা হয়ে থাকবে? খুব কি দরকার তাদেরকে বিয়ে দিয়ে অচেনা একটা পরিবারে পাঠিয়ে দেবার? যেখানে মেয়েকে যত না দরকার,তার চেয়ে বেশি দরকার তার বাপের ব্যাংক ব্যালেন্স... সেই রকম একটা "নিশ্চিত আশ্রয়ে" খুব প্রয়োজন মেয়েটিকে পাঠিয়ে দেবার? তোমরা বাবা মা হয়ে যাকে আশ্রয় দিতে পারলে না... তাকে এমনি এমনি রাখবে অচেনা একটি পরিবার? এই দেওয়া নেওয়ার বাজারে এত সস্তা হিসেব মিলবে কি করে?
    তার চেয়ে বলো না, আমরা জেনে শুনে মেয়েকে হাঁড়ি কাঠে ঝুলিয়ে দিয়েছি। স্বীকার করো মেয়ে মানেই বোঝা। বলো,তাকে ঘাড় থেকে নামিয়ে আমরা হাঁফ ছেড়েছিলাম। আর শ্বশুরবাড়ি বাকি দায়িত্বটা পালন করে দিয়েছে। তা খারাপ কী? ভালোই তো হয়েছে।
    মেয়েদেরকে যত দিন না নিজের পায়ে দাঁড় করানোর কথা না ভেবে বড় হলেই বিয়ে দিয়ে দেবো, এই ভাবনা ভাবা হবে ততদিন মেয়েদের মৃত্যু এভাবেই নির্ধারিত হয়ে থাকবে।
    ভাবনার বদল জরুরী। কন্যাসন্তান এর বাবা মা তাদের সন্তানকে স্বাবলম্বী করে বড় করে তোলার চেষ্টা না করে, যদি মেয়েকে কেবল কোন এক পুরুষ মানুষ এর যোগ্য করে তোলার উদ্দেশ্যে রুপে-গুনে সুন্দর করে গড়ে তোলার কথা ভাবেন... আর স্বপ্ন দেখতে থাকেন, কোন এক মালদার পরিবারের মোটা মাইনার জামাই এর কাছে মেয়েকে সঁপে দিলেই মেয়ের ভাগ্য খুলে যাবে, তবে মেয়েদের ভবিতব্য হচ্ছে শ্বশুরবাড়ির লোকের কাছে মারধোর খেয়ে হয় বেঁচে থাকা, নয় গলায়দড়ি বা আগুনে পুড়ে অথবা বিষ খেয়ে ইত্যাদি ইত্যাদি হাজারো পন্থায় মরে যাওয়া। বাবা মারা সিদ্ধান্ত নিক, কোন পথকে বেছে নেবেন তারা?
    আবহমান কাল ধরে মেয়েদের অপর এই অন্যায় হয়েই যাচ্ছে, ঘরে ঘরে পণ চেয়ে অত্যাচার চলেই যাচ্ছে। তবুও আমাদের ঘুম ভাংছে কই? আমরা তবু মেয়ের বিয়েতে খাট, আলমারি থেকে শুরু করে একে একে অনেক কিছুই যৌতুক হিসেবে দিয়ে জামাইবাবাজীবন ও তার পরিবারকে তুষ্ট রাখার চেষ্টা করছি। তাতেও কি তাদের মন ভরে। চলছে বৌ এর ওপর অত্যাচার। বৌ কাঁদছে আর বলছে বাবা এরা আমায় মেরে দেবে পণের টাকা না দিলে। আর তাই না শুনে অসহায় বাবা দৌড়ে মরছে পণের টাকা যোগান দিতে। এমন পাত্রের জন্যই কি মেয়ের বিয়ে দেওয়া?
    অভিভাবকরা কবে ভাববেন মেয়েদেরকে স্বাবলম্বী করে তোলার কথা। কারুর গলগ্রহ হয়ে মেয়েদেরকে বাঁচার দরকার নেই। বরং নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে মা-বাবার পাশে মেয়েরা দাঁড়াক। তারা ঠিক করুক কে তাদের জীবনসঙ্গী হবে?
    রোজের খবর। তবু খবরেরকাগজে এই খবরগুলো দেখলে পুরো দিনটা খারাপ হয়ে যায়। কবে বদলাবে আমাদের সমাজ, আমাদের মন, মানসিকতা? কবে?
    '
  • Atoz | ২২ ডিসেম্বর ২০১৬ ০৭:৪৪371647
  • আবার আর একটা মেয়েকে মেরে ফেলেছে শ্বশুরবাড়িতে, পণের জন্য।
  • pi | ২২ ডিসেম্বর ২০১৬ ০৭:২০371646
  • এ কি !! মোদির সাহারা নিয়ে এত ঝড় আর কোন কথা নাই !!
  • Atoz | ২২ ডিসেম্বর ২০১৬ ০০:৫১371645
  • মাঝে মাঝে ফেবুগ্রুপে সার্কাস দেখে আসি। ঃ-)
  • b | ২২ ডিসেম্বর ২০১৬ ০০:২৯371644
  • সিনেমা/ফোটোগ্রাফি লাইনের লোকজন পড়ে আনন্দ পাবেন। আমি অবশ্য বুঝভুম্বুল।
    সুব্রত মিত্রঃ
    http://agamikal.com/?p=1714
  • Ishan | ২২ ডিসেম্বর ২০১৬ ০০:২১371642
  • সিনেমাটার পুরো নাম মৌত কি সওদাগর। এই সিনেমা অবলম্বনেই পরে বিখ্যাত বাংলা নাটক হয়। তার নাম ফেরিওয়ালার মৃত্যু।
  • lcm | ২২ ডিসেম্বর ২০১৬ ০০:১৩371641
  • সওদাগর - মান্না দে-র গানটাই শুধু মনে আছে - দূর হ্যায় কিনারা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত