এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • h | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১২:২৪366150
  • একি রে ভাই, বেশি হয়ে গেল।
  • h | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১২:২৩366148
  • একক - ঠিক জায়গাতেই ধরেছো ঃ-))))

    বেসি ফ্লো মাঝে মাঝেই চিন্তাহীনতার কাজে সাহায্য করে, তাই আমার ফ্লো এলেই কমিয়ে দি ;-) আসলে এগুলোর কোন মেজার নাই। বেশি ফ্লো এর আরেকটা দিক ও আছে, কালচারাল টুরিজম এর মত করে, একটা

    বার্ট্রান্ড রাসেল সম্পর্কে লোকে অভিযোগ করতো, অনেকে অমিত ভাদুড়ি, অমর্ত্য সেন, এরিক হবসবম দের সম্পর্কেও করে, যে অসম্ভব সুন্দর লেখা, কিন্তু মানুষকে ভাবাচ্ছে ঠিক ই কিন্তু ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করছে না ইত্যদি। যে পৃথিবীতে, ইউনি তে প্রায় কিসুই পড়ানো হয় না, মানে যেভাবে হয়, তাতে লেখাপড়ার বারোটা, তো সেখানে এঁদের মানুষকে শেখানোর পদ্ধতি তো অননুকরণীয়। এই যে ধরো, আমার বত জাস্ট পোঙাপাকা বোকা সি লোক, সে ইতিহাস পড়ায় আগ্রহ পাচ্ছ্হে, ছোটোবেলাটা নিমাই সাধন বোস দ্বারা করাপ্টেড হওয়া সত্ত্বেও, সেটা কিন্তু অনেকটাই অমর্ত্য সেন, হবসবম বা অশীন দাশউপ্ত অম্লান দত্তদের দান। লোক শিক্ষে আর এক্সপার্ট জ্ঞানচর্চার মধ্যে পার্থক্য ঘোচানো টাই ইটসেল্ফ একটা কাজ, মামু র কল শুধু তাই না, পত্র পত্রিকার এটাই মেন কাজ। এটা গণতন্ত্রের সাফল্যের অন্যতম শর্ত। আমি যদি নেচার পত্রিকা বুঝতে আরম্ভ করি, তাইলে নেচারের তো ক্ষতি নাই। আমার মনে আছে, আমেরিকান জার্নাল অফ ফিজিক্স লাইব্রেরী তে আসতো আমাদের, সেটা তে আমি লো টেম্পারেচার ফিজিক্স সম্পর্কে কয়েকটা লেখা পড়ে খুব ই এক্সাইটেড হই, সুপার কন্ডাক্টিভিটি জিনিসটা যে একটা এনার্জি প্রবলেম সলুশন এর অ্যাপ্রোচ এর দিকে এগিয়ে ছিল সেটা ওখানেই জানতে পারি, পরে বড় হয়ে উত্তেজনা কমে গেল, থার্মোডিনামিকস এর অংক কষতে শেখার পরে, তো সিলেবাস এর গণতন্ত্রীকরণ ইত্যাদি ও জরুরী, এবং সেটাই চাড্ডি রা আটকাছে। আরেকটা দিক ও আছে, টেকনোলোজি ও গিক দের হাত্থেকে উদ্ধার হওয়া জরুরী, খুল প্রডাক্ট করতে গিয়ে কি পরিমান ফাল্তু মালশাট হয় সকলের ই জানা। চিন্তাশীলতা র সঙ্গে গণতন্ত্রের বিরোধ কমানোটাও একটা আমার মত লোক যারা, যাদের নিজেদের ট্যালেন নাই, কিন্তু আগ্রহ আছে, তাদের একটা কাজ। লোকাল ট্রেনে যদ্দিন না জেমস জয়েস আলোচনা হচ্ছে বুঝলে তদ্দিন বাঁচতে চাই।

    মানুষের এটাও বোঝা দরকার, পপুলার সায়েন্স আর গ্যাজেট কলাম এক কথা না। ইত্যাদি। এটাতেও সেই একটু পাবলিক আর প্রাইভেট সেক্টর ঝগড়া আছে ;-) অর্থাত তুমি আজ্জো অ্যান্ড ডিসি বনাম অরিজিত ইত্যাদি। আমাদের সিলেবাস গুলোর হোয়াট অ্যান্ড হাউ এ যত জোর দেয়, তত হোয়াই এ জোর দেয় না, আমি মেয়ের বেলায় দেখছি, ওকে আমি কিছু না পড়িয়ে যদি, শুধু চ্যাপটার গুলোর কখনো কখনো সাবজেক্ট গুলোর কানেকটেডনেস নিয়ে একটু বলে দেই, তাইলে বাকি টা ও ওর ক্ষমতা অনুযায়ী করে নেয়। সেটা কখনো ভালো কখনো খারাপ, খারাপ হলে ধরতে হয়, কিন্তু বোর না করে যতটা পারি করি এই আর কি।

    লোকশিক্ষে আর চিন্তাশীলতা এগুলোর মধ্যে ব্যালান্স খুব বড় লেখক ছাড়া পারা মুশকিল। আমি অন্তত তিনশো কেন তিনহাজার বার জন্মালেও পারবো না।

    তব্য সুনীল গাঙ্গুলির প্রচুর বাজে লেখা সত্ত্বেও, এবং বাঙালী ঊনবিংশ শতক, বাঙালী যৌবন আর জ্যাক কেরুআকপন্থী জীবন আবিষ্কার ইত্যাদি কে মেলানোর বিচিত্র কাজ করা সত্ত্বেও ওনার অসামান্য পড়াশুনোর জন্য, সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে বিজ্ঞানমনষ্ক তার সপক্ষের বক্তব্যের জন্য অনেক টা ছেড়ে খেলতে ইচ্ছে করে, আমার মাঝে মাঝে মনে হয়, শক্তি যখন হুইট ম্যান বা দিলীপ চিত্রে অনুবাদ করলেন, সুনীলের দস্তয়েভস্কি অনুবাদ কেমন হত। আমার তো মনে হয় দুর্ধর্ষ হত, কিন্তু ঐ আর কি, কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স আর কে কি লিখবেন, এর কোন হইলে হইতে পারিতো হয় না। ;-)
  • h | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১২:২৩366149
  • একক - ঠিক জায়গাতেই ধরেছো ঃ-))))

    বেসি ফ্লো মাঝে মাঝেই চিন্তাহীনতার কাজে সাহায্য করে, তাই আমার ফ্লো এলেই কমিয়ে দি ;-) আসলে এগুলোর কোন মেজার নাই। বেশি ফ্লো এর আরেকটা দিক ও আছে, কালচারাল টুরিজম এর মত করে, একটা

    বার্ট্রান্ড রাসেল সম্পর্কে লোকে অভিযোগ করতো, অনেকে অমিত ভাদুড়ি, অমর্ত্য সেন, এরিক হবসবম দের সম্পর্কেও করে, যে অসম্ভব সুন্দর লেখা, কিন্তু মানুষকে ভাবাচ্ছে ঠিক ই কিন্তু ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করছে না ইত্যদি। যে পৃথিবীতে, ইউনি তে প্রায় কিসুই পড়ানো হয় না, মানে যেভাবে হয়, তাতে লেখাপড়ার বারোটা, তো সেখানে এঁদের মানুষকে শেখানোর পদ্ধতি তো অননুকরণীয়। এই যে ধরো, আমার বত জাস্ট পোঙাপাকা বোকা সি লোক, সে ইতিহাস পড়ায় আগ্রহ পাচ্ছ্হে, ছোটোবেলাটা নিমাই সাধন বোস দ্বারা করাপ্টেড হওয়া সত্ত্বেও, সেটা কিন্তু অনেকটাই অমর্ত্য সেন, হবসবম বা অশীন দাশউপ্ত অম্লান দত্তদের দান। লোক শিক্ষে আর এক্সপার্ট জ্ঞানচর্চার মধ্যে পার্থক্য ঘোচানো টাই ইটসেল্ফ একটা কাজ, মামু র কল শুধু তাই না, পত্র পত্রিকার এটাই মেন কাজ। এটা গণতন্ত্রের সাফল্যের অন্যতম শর্ত। আমি যদি নেচার পত্রিকা বুঝতে আরম্ভ করি, তাইলে নেচারের তো ক্ষতি নাই। আমার মনে আছে, আমেরিকান জার্নাল অফ ফিজিক্স লাইব্রেরী তে আসতো আমাদের, সেটা তে আমি লো টেম্পারেচার ফিজিক্স সম্পর্কে কয়েকটা লেখা পড়ে খুব ই এক্সাইটেড হই, সুপার কন্ডাক্টিভিটি জিনিসটা যে একটা এনার্জি প্রবলেম সলুশন এর অ্যাপ্রোচ এর দিকে এগিয়ে ছিল সেটা ওখানেই জানতে পারি, পরে বড় হয়ে উত্তেজনা কমে গেল, থার্মোডিনামিকস এর অংক কষতে শেখার পরে, তো সিলেবাস এর গণতন্ত্রীকরণ ইত্যাদি ও জরুরী, এবং সেটাই চাড্ডি রা আটকাছে। আরেকটা দিক ও আছে, টেকনোলোজি ও গিক দের হাত্থেকে উদ্ধার হওয়া জরুরী, খুল প্রডাক্ট করতে গিয়ে কি পরিমান ফাল্তু মালশাট হয় সকলের ই জানা। চিন্তাশীলতা র সঙ্গে গণতন্ত্রের বিরোধ কমানোটাও একটা আমার মত লোক যারা, যাদের নিজেদের ট্যালেন নাই, কিন্তু আগ্রহ আছে, তাদের একটা কাজ। লোকাল ট্রেনে যদ্দিন না জেমস জয়েস আলোচনা হচ্ছে বুঝলে তদ্দিন বাঁচতে চাই।

    মানুষের এটাও বোঝা দরকার, পপুলার সায়েন্স আর গ্যাজেট কলাম এক কথা না। ইত্যাদি। এটাতেও সেই একটু পাবলিক আর প্রাইভেট সেক্টর ঝগড়া আছে ;-) অর্থাত তুমি আজ্জো অ্যান্ড ডিসি বনাম অরিজিত ইত্যাদি। আমাদের সিলেবাস গুলোর হোয়াট অ্যান্ড হাউ এ যত জোর দেয়, তত হোয়াই এ জোর দেয় না, আমি মেয়ের বেলায় দেখছি, ওকে আমি কিছু না পড়িয়ে যদি, শুধু চ্যাপটার গুলোর কখনো কখনো সাবজেক্ট গুলোর কানেকটেডনেস নিয়ে একটু বলে দেই, তাইলে বাকি টা ও ওর ক্ষমতা অনুযায়ী করে নেয়। সেটা কখনো ভালো কখনো খারাপ, খারাপ হলে ধরতে হয়, কিন্তু বোর না করে যতটা পারি করি এই আর কি।

    লোকশিক্ষে আর চিন্তাশীলতা এগুলোর মধ্যে ব্যালান্স খুব বড় লেখক ছাড়া পারা মুশকিল। আমি অন্তত তিনশো কেন তিনহাজার বার জন্মালেও পারবো না।

    তব্য সুনীল গাঙ্গুলির প্রচুর বাজে লেখা সত্ত্বেও, এবং বাঙালী ঊনবিংশ শতক, বাঙালী যৌবন আর জ্যাক কেরুআকপন্থী জীবন আবিষ্কার ইত্যাদি কে মেলানোর বিচিত্র কাজ করা সত্ত্বেও ওনার অসামান্য পড়াশুনোর জন্য, সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে বিজ্ঞানমনষ্ক তার সপক্ষের বক্তব্যের জন্য অনেক টা ছেড়ে খেলতে ইচ্ছে করে, আমার মাঝে মাঝে মনে হয়, শক্তি যখন হুইট ম্যান বা দিলীপ চিত্রে অনুবাদ করলেন, সুনীলের দস্তয়েভস্কি অনুবাদ কেমন হত। আমার তো মনে হয় দুর্ধর্ষ হত, কিন্তু ঐ আর কি, কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স আর কে কি লিখবেন, এর কোন হইলে হইতে পারিতো হয় না। ;-)
  • dc | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১১:৪০366147
  • কাঞ্চনবুড়ি যাওয়া হয়নি। ওখানেই সেই ব্রিজ ওন দ্য রিভার কোয়াই আছে না?
  • Blank | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১১:৩৪366146
  • আরো হাটা। ১ কিমি অন্তত ডেলি। আর ঘুমোনোর সময় পা টা বালিশে তুলে রাখা যাতে হার্টের চেয়ে উচু তে থাকে পা।
  • pi | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১১:৩৩366145
  • আর গুরুর লোকজনকে অনেক থ্যাম্কু। কথা না হলে হয়ত পাটায়া কাটাতাম্না।আর তাহলে কান্চনাবুড়ির মত এত ব্যাপক একটা এক্ষপি মিস করতাম
  • সিকি | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১১:২৯366144
  • ফ্লেক্সন, ভোলিনি। পরের বারে আর ব্যথা লাগবে না।
  • dc | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১১:২২366143
  • দড়ি শক্ত করে পাকিয়ে পাকিয়ে পায়ে বাঁধলে ব্যাথা কমে যায়।
  • pi | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১১:১৮366142
  • ট্রেক করে পায়ে খুব ব্যথা হলে তা চটপট কমার দাওয়াই কী ? চটপট বলতে কমে গিয়ে আবার দু তিনদিনের মধ্যে পাহাড়ে ফিল্ড করার মত অবস্থায় ফিরতে হবে।
  • cb | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১১:১৬366141
  • বাবলা :)
  • dc | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১১:০১366140
  • এঃ আমার নাম দিলো ভোদা ঃ(
  • kc | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১০:৫৫366139
  • রোবু,
    মেল দেখো।
  • Yggdrasil | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১০:৪৮366138
  • এবিআরএসএম গ্রেড ফোরের পরীক্ষাটা মনে হয় বেশ ভয়ানক কিছু। ঋকের টিচার যেরকম মুখ চূণ করে ঘুরে বেড়াচ্ছে, আমারই টেনশন হচ্ছে।
  • ইয়ে | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৯:৫৪366137
  • আচ্ছা এই জয়েস ভদ্রলোক কোথাকার ? বাংলার বাইরেও ভালো লেখালিখি হচ্ছে তাহলে ?
    ভেরি গুড। খুবই আশাব্যঞ্জক।
  • সিকি | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৯:১২366135
  • একে যে কে দেয়, আর কেনই বা দেয়, কে জানে! এক সময়ে তো ২৪ ঘন্টার প্যানেল মডারেটর ছিলেন। খুব তাড়াতাড়ি কথা বলতে গিয়ে কথা জড়িয়ে যেত।
  • Ekak | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৪:১৯366133
  • আমি কনল্যাঙ এর কথা বলছিলুম না। ফিনিগানস বা টোলকেইনএর লেখা বা শিরাফিনিয়ানিস এগুলো সম্পূর্ণ আলাদা গোত্রের লেখা। শক্ত -সহজেই ব্যাপার না ঠিক। যে ভাষার ব্যাকরণ ও শব্দের অর্থগত সামঞ্জস্য আছে সেইরকম ভাষাতেই স্টাইলাইস লেখার কথা বলছিলুম। এখানে সুনীলের সঙ্গে যাঁদের তুলনা হচ্ছে তাঁরা কেও জয়েসের মতো মাল্টিলিঙ্গুয়াল এলিটারেশন -পানিং বা ইমেজারি মিক্সিং কিছুই করেন নি। তাই আলাদা করে "ফ্লো " কথাটার মানে কী বুঝতে চাইছিলুম। বাঙালি লেখক নিয়ে তুলনা হচ্ছে তো। আতির সঙ্গে পাতির তুলনা। জয়েস ফয়েস অনেক দূরের দিল্লি :)
  • কুমড়ো | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৩:০৪366132
  • @একক,
    ফ্লো টা ভাষায়। বিষয়বস্তুতে নয়। শক্ত করে লিখলে ফিনিগান্স ওয়েক লেখা যায়। একই গল্প সহজ ভাষাতেও হয়ত জয়েস লিখতে পারতেন। তাই হয়ত এত কম লিখেছেন।
    তবে সুনীল ও জয়েস আলাদা। সুনীলের লেখা পড়তে অ্যাভারেজ মেধার পাঠকের কোনো সমস্যা হয় না। সে গল্প/উপন্যাস পড়তে চেয়েছে এবং পড়তে পারছে। বিষয়বস্তু শক্ত হোক কি নরম, পাঠকের সমস্যা হচ্ছে না পড়তে। আনপুটডাউনেবল। এটাই ফ্লো।
    আবার জয়েসের লেখা খুবই উচ্চমানের বিশ্বসাহিত্য। একেকটা বাক্যের মধ্যে অনেক কিছু বুঝবার আছে। অন্তর্নিহিত অর্থের গভীরতা অনেকটাই। হোঁচট খেয়ে খেয়ে পড়তে হয় পুরোটা বুঝতে গেলে।
  • Arpan | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০২:২৪366130
  • সুনীলের সেই উপন্যাসটার নাম মনে পড়েছে।

    সত্যি রাজপুত্র।

    এইটা আর ভয়ঙ্কর সুন্দর আমার প্রথম হুনীলপাঠ। পরে আরো ভালো লেখাপত্তর নামিয়েছেন, একটা সময় অব্দি, কিন্তু মনে হয় এই দুটো সুনীলের সেরা কাজ কিশোর সাহিত্যে।
  • Ekak | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০২:২২366129
  • এই ফ্লো বেটার -সাবলীল এগুলো বোঝার মাপকাঠি কী ? ধরা যাক একজন পাঠক আর ওয়ান, তার মাথাভর্তি প্রিকনসিভ আইডিয়া বা সংস্কার বা যায় বলুন সেসব নিয়ে তো কিছু পড়তে যায়। এটা শুধু বিষয় নয় ভাষা সম্বন্ধেও। এবার যে লেখা ল্যাপা পোঁছা হবে সেটা তার কোথাও আটকাবে না, দিব্য তরতরিয়ে এগিয়ে যাবে। সেইটে সাবলীল ?

    আবার আরেকজন পাঠক আর টু, তার প্রচুর চুলকানি, গা ঘষতেই লেখা পড়ে, এবার যেই দেখবে ঘষে আরাম হচ্ছেনা সেই লেখাকে বলবে ফালতু। সেই হরিণ আর গাছের বন্ধুত্বের গপ্পের মতো। তারমানে সেই পাঠক কি সাবলীলতা চায় নি ?

    মানে এটা অনেকেই বলেন : অমুকের লেখার খুব ফ্লো। এর মানে কী ? আমার বদ্ধমূল জায়গাগুলোতে কোনো বাধা সৃষ্টি করছেনা। তাই ? বিষয় ও ভাষা দুই অর্থেই বলছি।
  • ranajn roy | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০২:১৪366128
  • ও কে।
    ঃ))))
  • কুমড়ো | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০১:৫৭366127
  • রঞ্জনদা,
    আমি জুরিখ থেকে বাছা বাছা কটা খিস্তি (ছাপার অযোগ্য) করলাম। এবার ঘুমোন।
  • Arpan | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০১:৪৯366126
  • আমার নাম দিয়েছে সোনা। সন্দেশ আর পিগি চপ্সে টিক মেরেছি বলে।
  • aranya | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০১:১৫366125
  • সুনীলের লেখার ফ্লো-টা বেটার -তরতরে, গতিময়, সাবলীল।
  • ranjan roy | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০১:০৭366124
  • অনেকদিন কেউ আমায় খিস্তায় নি-- না কোলকাতায়, না ছত্তিশগড়ে। বোর হয়ে গেছি, ঘুম আসছে না।

    খিস্তি খেলে আসবে। তাই তেড়ে খিস্তি খাওয়ার আশা নিয়ে পোস্টাচ্ছিঃ
    আমার সুনীলের উপন্যাসের চেয়ে বিমল করের উপন্যাস ও গদ্যের শিল্প অনেক বেশি ভাল লাগে, পরিণত মনে হয়। সেই "দেয়াল" থেকে। এমনকি খড়কুটো পর্য্যন্ত।
  • একক | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০১:০৫366123
  • চন্দ্রবিন্দু নেইকো। আমাকেও তাই বলেচে :|
  • kc | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০০:৩২366122
  • আমার নাম ভোঁদা।
  • Abhyu | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০০:২৫366121
  • আমার নাম দিয়েছে বাবলা :)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত