এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Robu | ২১ মার্চ ২০১৬ ২১:১৮702573
  • ওরম ছাগলেই তো চারপাশ ভর্তি।
  • | ২১ মার্চ ২০১৬ ২১:৫৯702575
  • বক্তৃতা
    ব্যপারটা
  • | ২১ মার্চ ২০১৬ ২১:৫৯702574
  • এই খবর মানুষের আখাম্বা হুজুগেপনাও দেখাচ্ছে। কানহাইয়া গ্রেপ্তার হয়ে ছাড়া পেল, দারুণ বক্ত্রীতা দিল --- অর্থাৎ বেশ একটা পরিচিতি পেয়েছে, অতএব ওকে ব্যবহার কর। আবার সেই পরিচিতির ফলে অন্য কিছু লোক সেটাকে ব্যবহার করে উল্টোদিকে বেশী ফুটেজ খেয়ে যেতে পারে --- অতএব দরকার নেই, যাও যাও।
    পুরো ব্যপরাটা কানহাইয়ার দিক থেকে দেখলে অপমানজনক না?
  • Mmu | ২৭ মার্চ ২০১৬ ০৫:১৬702577
  • ণমেঃ ট

    ঈ আদ্দ্রেস্স ঃ ১৬৫।৬৯।১৯৭।১৪২ (*) ডতেঃ১৮ অর ২০১৬ -- ০৪ঃ৪০

    ধুর, এবিপি যা দেখাচ্ছে এরম কিচ্ছু হবে না, জোট টায়েটুয়ে একশ য় যেতে পারে। তাও যাবে কিনা সন্দেহ। চার নম্বর হলে অবশ্য খুব খুশি হই। শিপিয়েমের প্রচারে আদৌ লোক ফোক কিছু তো দেখাই যাচ্ছে না। উল্টোদিকে মুলোপার্টিকে দেখুন। প্রচুর লোক।

    আর মহম্মদ সেলিম কি বাজে বক্তা রে বাবা। ধুত।

    ******

    জোট- ৭০, খুব বেশী যদি হয়।
    এ বি পি মানে টোটাল গ্রুপ, প্রচারের জন্য কয়েক কোটি টাকা নিয়েছে জোটের থেকে।
  • Mmu | ২৭ মার্চ ২০১৬ ০৫:২৩702578
  • Name: Manish

    IP Address : 127.200.89.223 (*) Date:16 Mar 2016 -- 04:41 PM

    Bus Stand তো সরকারি সম্পত্তি। ভবানিপুরে যত bus stand আছে তাতে মমতার ছবির কি হবে? ঢেকে দেওয়া হবে কি?

    *******
    মমতার ছবি সরিয়ে লেলিনের ছবি দেওয়া হবে।
  • Mmu | ২৭ মার্চ ২০১৬ ০৫:৩৯702579
  • আগে হাঁটছেন নির্মল মাজি, ভাগলেন পিছনের কর্মীরা, গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের মুখে দেবও
    নুরুল আবসার

    উলুবেড়িয়া,২৭ মার্চ, ২০১৬, ০৩:১৩:৪২
    e e print

    dev
    প্রচারে দেব। শনিবার পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুরে। ছবি: কৌশিক সাঁতরা।
    সাদা পাজামা-পাঞ্জাবি গায়ে প্রচার-মিছিল নিয়ে এগিয়ে চলেছেন শাসকদলের প্রার্থী।
    পিছন থেকে ভেগে পড়ছেন দলীয় কর্মী-সমর্থক! রাস্তার দু’ধার থেকে পুষ্পবৃষ্টি হচ্ছে। প্রার্থী তাতেই আপ্লুত।
    পিছন থেকে বিক্ষুব্ধ দলীয় নেতা অবশ্য বলছেন, ‘‘এখানে আমাদের একটা বড় অংশের ভোট কংগ্রেস পাবে। উনি নয়।’’
    রাজ্যের ভোট-রঙ্গে এই বিচিত্র দৃশ্য শনিবার যাঁর প্রচার ঘিরে দেখা গেল, গত দু’বছরে তাঁর বিচিত্র আব্দার শুনে এসেছেন রাজ্যবাসী। অভিযোগ, কখনও তিনি মানুষের হাসপাতালে কুকুরের ডায়ালিসিস করার আব্দার ধরেছেন। কখনও চেয়েছেন, ডাক্তারি-পড়ুয়া ছেলের পরীক্ষার সময় পরীক্ষাকেন্দ্রের সিসিটিভি-র ক্যামেরা যেন বন্ধ থাকে এবং ছেলে যেন নিজের মর্জিমাফিক জায়গায় বসে উত্তর লিখতে পারে! আরও অভিযোগ, চলতি বছরের গোড়ায় কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পরীক্ষায় হবু ডাক্তারদের টোকাটুকিতে ‘মদত’ দিতেও চেয়েছিলেন তিনি। তিনি— নির্মল মাজি।
    উলুবেড়িয়া উত্তর কেন্দ্রের বিদায়ী বিধায়ক নির্মলকে যাতে এ বার প্রার্থী করা না হয়, তার জন্য ওই বিধানসভা এলাকার নেতা-কর্মীদের একটা বড় অংশ চেষ্টার কসুর করেননি। কিন্তু দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্মলকেই ফের প্রার্থী করেন। এই ক’দিনে দলের বিক্ষুব্ধদের ক্ষোভ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু তা যে পুরোপুরি থামেনি এ দিন উলুবেড়িয়া-২ ব্লকের বাণীবন পঞ্চায়েতের জোড়াপুল এলাকাতেই সামনে এসে গেল। এখানে নির্মল মিছিল নিয়ে ঢোকার সময়ে অঞ্চল কংগ্রেস সভাপতি শেখ মসিবুর রহমান প্রায় ৭০ জন কর্মী-সমর্থক নিয়ে তৃণমূলে যোগ দেন। নির্মলবাবু মসিবুরের হাতে তুলে দেন দলীয় পতাকা। তাঁদের নিয়ে যখন মিছিল শুরু হয়, তখনই পিছনে শুরু হয়ে যায় বাদানুবাদ। তার পরেই মিছিল থেকে ভেগে পড়েন ৫০-৬০ জন তৃণমূল নেতা-কর্মী। তাঁদের দাবি, তাঁদের সঙ্গে কোনও আলোচনা না করেই মসিবুরদের দলে নিয়ে আসা হয়েছে। এক বিক্ষুব্ধ নেতা তো ঘোষণার সুরে বলেই দিলেন, ‘‘এর প্রভাব ভোটে পড়বে। এখানে দলের একটা বড় অংশের ভোট নির্মলবাবু পাবেন না। পাবে কংগ্রেস।’’

    নির্মল মাজি।
    দিনের শেষে নির্মল অবশ্য দাবি করেছেন, ‘‘নতুন কেউ দলে এলে পুরনোদের অসন্তোষ হয়। তবে, সকলেই মিছিলে ছিল বলে জানি। আমিই বলেছিলাম, বেশি ভিড় না করতে।’’ তবে, তাল শুধু মিছিলেই কাটেনি। বাণীবনের শাসমলপাড়া, শীতলা-মন্দিরতলায় নির্মল পেয়েছিলেন পুষ্পবৃষ্টি। সংখ্যালঘু মহল্লায় তাঁর দিকে ধেয়ে আসে প্রশ্নবাণ। ট্যাপকলে জল নেই কেন, বার্ধক্যভাতা মিলছে না কেন, কন্যাশ্রীর টাকা অমিল কেন ইত্যাদি প্রশ্ন। বিব্রত মাজিবাবু সব সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়ে ভোট চেয়েছেন। তবু এক প্রৌঢ়া বলতে ছাড়েননি, ‘‘রেশনে চাল পাচ্ছি না। ভোটের সময়ে দেখাব মজা।’’ কথাটা কানে যায় দলেরই এক কর্মীর। তাঁর স্বগতোক্তি, ‘‘মিছিলের সময়ে দলের কর্মীরাই যা মজা দেখাল, আর কী বাকি থাকল!’’
    গোষ্ঠীকোন্দল টের পেয়েছেন শাসকদলের তারকা সাংসদ দেবও। সাতগাছিয়ার তৃণমূল প্রার্থী সোনালি গুহ শনিবারও কর্মী-বিক্ষোভের মুখে পড়েন। শনিবার সকালে প্রচার শেষে সাতগাছিয়ার এক প্রেক্ষাগৃহে কর্মী-সম্মেলনে যান তিনি। পরে সেখানে আসেন দলের জেলা সভাপতি শোভন চট্টোপাধ্যায়। তাঁর সামনেই সোনালির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন এক দল তৃণমূল কর্মী। মেয়র তাঁদের বোঝানোর চেষ্টা করলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। বেলা তিনটে নাগাদ কর্মী সম্মেলন ছেড়ে মেয়র বেরিয়ে যান।
    দেব যান মেদিনীপুরের দাসপুর-২ ব্লকের সোনাখালিতে দলীয় প্রার্থী মমতা ভুঁইয়ার হয়ে প্রচারে। সঙ্গী ছিলেন মুকুল রায়। সভাস্থলে পৌঁছে দেব দেখেন, মাঠ ফাঁকা! সোনাখালির দলীয় কার্যালয়ে আধ ঘণ্টা অপেক্ষা করেন তিনি। পরে অবশ্য মাঠ একটু ভরতে মঞ্চে ওঠেন। দলীয় সূত্রের খবর, দাসপুর কেন্দ্রে প্রার্থী বদলের দাবিতে প্রথম থেকেই সরব হয় দলেরই একাংশ। দলের দাসপুর-২ ব্লক সভাপতি তপন দত্ত রাজ্য নেতৃত্বকে হুঁশিয়ারিও দিয়েছিলেন। কিন্তু তাতে চিঁড়ে ভেজেনি। তার জেরেই এ দিনের অসহযোগিতা বলে দাবি দলেরই একাংশের। তপন দত্ত অবশ্য কম লোকেরজন্য দায়ী করেছেন ‘চড়া রোদ’কেই।
    পরিস্থিতি সামাল দিতে সভায় মুকুল রায় বলেন, “সংসারে দুই ভাইয়ের মধ্যেও গণ্ডগোল হয়। কিন্তু যখন বাইরে থেকে কেউ আক্রমণ করতে আসে, তখন নিজেদের মধ্যে প্রতিরোধ করতে হয়। আপনারাও এক সঙ্গে মিলেমিশে কাজ করুন।”
    বিরোধীরা বলছে, প্রতিরোধ তো শাসকের ঘরেই!

    সহ প্রতিবেদন: অভিজিৎ চক্রবর্তী।

    TAGS : assembly election 2016 disputes vote campaign tmc Nirmal Maji n2
    আরও খবর

    আ:বা:প ঢপ।

    ৫০ / ৬০ চলে গেল ৭০ তো এল !

    ৭০ - ৬০ = ১০ (+)

    এ সব কোটি টাকার খেলা, সুপারি ------ মানে কনট্রাকট।
  • Mmu | ২৭ মার্চ ২০১৬ ০৫:৪৮702580
  • শেষ দিন যখন রেসাল্ট বের হবে, তার পর এখানেই লেখা হবে ---------

    ' নির্বাচন কমিশন ঠিক মত কাজ করেনি। পর্যবেক্ষ কোন ক্লাব ঘরে ঘুমাচ্ছিল। অথবা তার মোবাইল বন্ধ ছিল।
    কত কথা কত সমীক্ষা রেসাল্ট বেরোলে খুজে পাওয়া যাবে না।

    দেখা যাক
  • Mmu | ২৭ মার্চ ২০১৬ ০৫:৪৯702581
  • ** পর্যবেক্ষক
  • Mmu | ২৭ মার্চ ২০১৬ ০৬:০৪702583
  • ভিডিও-হুলে নাকাল কংগ্রেস
    নিজস্ব সংবাদদাতা

    নয়াদিল্লি,২৭ মার্চ, ২০১৬, ০২:৫৪:২৯
    e e print

    harish rawat
    হরিশ রাওয়াত
    পশ্চিমবঙ্গের মতো ‘স্টিং ভিডিও’ নিয়ে সরগরম এ বার উত্তরাখণ্ডের রাজনীতি। পশ্চিমবঙ্গে নারদ-নিউজের ভিডিওয় নাজেহাল তৃণমূল। ভোটের মুখে যা নিয়ে দারুণ রকম সরব এখন কংগ্রেস ও অন্য বিরোধী দলগুলি। উত্তরাখণ্ডে কিন্তু কংগ্রেসই বেজায় অস্বস্তিতে পড়ে গিয়েছে গোপন ক্যামেরার হুলে। বিপাকে ফেলে দিয়েছে কংগ্রেস সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হরিশ রাওয়াতকে।
    কংগ্রেসের ন’জন বিধায়ক বিদ্রোহ করায় এমনিতেই রাওয়াত সরকার টালমাটাল অবস্থায় রয়েছে ক’দিন ধরে। মুখ্যমন্ত্রীকে আস্থা ভোটের পরীক্ষা দিতে হবে সোমবার। বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রমাণ দেওয়ার ঠিক দু’দিন আগে ভিডিও-হুলে বিদ্ধ হলেন মুখ্যমন্ত্রী। বিক্ষুব্ধ কংগ্রেস বিধায়ক হরকসিংহ রাওয়াত গোপনে তোলা ওই ভিডিও দেখিয়ে অভিযোগ তুলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী বিক্ষুব্ধ কংগ্রেসের, এমনকী বিজেপি বিধায়কদেরও কোটি কোটি টাকা দিয়ে কেনার চেষ্টা করেছিলেন। এই পরিস্থিতিতে বিজেপির দাবি, অবিলম্বে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করতে হবে রাজ্যে। প্রধানমন্ত্রী মোদী এ দিন রাতে অসম থেকে উড়ে এসে মন্ত্রিসভার জরুরি বৈঠক করায় এ নিয়ে জল্পনা জোরদার হয়ে ওঠে। যদিও তড়িঘড়ি উত্তরাখণ্ড নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত এ দিন নেয়নি কেন্দ্রীয় সরকার।
    পশ্চিমবঙ্গের শাসক দলের মতোই হরিশ রাওয়াতও আজ এই ভিডিওকে জাল বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহর দিকে আঙুল তুলে হরিশের অভিযোগ, দু’জনের ‘অশুভ আঁতাঁত’-এর ফল হল এই জাল ভিডিও। এ ভাবে রাজ্যের মানুষকে ‘ব্ল্যাকমেল’ করা হচ্ছে বলেও তাঁর অভিযোগ।
    কী রয়েছে ওই গোপন ভিডিওয়?
    বিক্ষুব্ধ কংগ্রেস বিধায়ক হরকসিংহ রাওয়াতের অভিযোগ, গত ২৩ মার্চ দেহরাদূন বিমানবন্দরে তাঁর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠক হয়। সেখানেই তিনি বিক্ষুব্ধ কংগ্রেস বিধায়ক ও বেশ কয়েক জন বিজেপি বিধায়কের সমর্থনের বিনিময়ে কোটি কোটি টাকা দিতে রাজি হন। তাঁদের হুমকিও দেওয়া হয় বলেও হরকের অভিযোগ। এ জন্য কেন্দ্রের কাছে নিরাপত্তারও অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।
    যে সংবাদ-চ্যানেলের তরফে এই ‘স্টিং অপারেশন’ করা হয়েছে, হরিশ রাওয়াত আঙুল তুলেছেন সেটির মালিক-সম্পাদকের দিকেও। তাঁর যুক্তি, ওই চ্যানেলের তরফে বরাবরই ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করার চেষ্টা করা হয়। রাজ্যের সব নেতা-আমলাই এদের ভয় করে চলেন। যে মুখ্যমন্ত্রীই তাদের ‘ব্ল্যাকমেলিং’-এর সামনে মাথা নোয়াতে অস্বীকার করেছেন, তাঁকেই এই ধরনের পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, টাকার লোভেই ওই ন’জন বিধায়ক বিজেপির আনুগত্য স্বীকার করেছে। এখন তাঁরাই আবার টাকার লোভ দেখানোর অভিযোগ তুলছে। কংগ্রেস ও বিক্ষুব্ধদের মধ্যে একটি বিষয়ে অবশ্য লক্ষ্যণীয় মিল দেখা যাচ্ছে। দু’পক্ষই দলের হাইম্যান্ডের উদাসীনতায় ক্ষুব্ধ। আজ অবশ্য রাওয়াতের পাশে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফে বিবৃতি দিয়েছেন অম্বিকা সোনি। বিজেপির বিরুদ্ধে সরকার ফেলার চক্রান্তের অভিযোগ করেছেন।
    বিজেপির দাবি, ৭০ আসনের বিধানসভায় কংগ্রেস থেকে ৯ জন আসায় তাঁদের শক্তি এখন ৩৭। অর্থাৎ রাওয়াত সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে। বিক্ষুব্ধরা তাই বিজেপির সঙ্গে মিলে রাষ্ট্রপতির কাছেও রাওয়াত সরকারকে হটানোর আবেদনও জানান। কংগ্রেসও কেন্দ্রের বিরুদ্ধে উত্তরাখণ্ডে সরকার ফেলার চক্রান্তের অভিযোগ তোলে।
    রাতে অবশ্য পরিস্থিতি বদলে যায় খানিকটা। ওই ন’জনের বিরুদ্ধে বিধানসভার স্পিকার আগেই দলত্যাগ-বিরোধী আইনে শো-কজ নোটিস জারি করেছিলেন। সূত্রের খবর, স্পিকার রাতে ওই ন’জনেরই সদস্যপদ খারিজ করেছেন। এটা রাওয়াতকে কিছুটা আশা জুগিয়েছে। কারণ, বিক্ষুব্ধ ৯ জন ভোট দিতে পারবেন না। তাতে গরিষ্ঠতা প্রমাণের জন্য লাগবে ৩১ জনের সমর্থন। কংগ্রেসের বাকি ২৭ জন ও প্রোগ্রেসিভ ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়েন্সের ৬ জনের ভোট সরকারের পক্ষেই যাওয়ার কথা। ফলে রাওয়াত পাচ্ছেন ৩৩টি ভোট। বিক্ষুব্ধরা গত কাল স্পিকারের নোটিসের বিরুদ্ধে উত্তরাখণ্ড হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছিলেন। কিন্তু আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। এর পরেই সামনে এল গোপন ক্যামেরার ছবি। আস্থা ভোট ঘিরে অঙ্কের খেলাটা সামলে ওঠার মুখেই স্টিং-বিদ্ধ হলেন রাওয়াত।

    TAGS : harish rawat congress

    :)) :)) :)) :))

    দেখ্ ক্যামন লাগে।

    আ আ আ ---------

    কস্ট হচ্ছে ?
  • T | ২৭ মার্চ ২০১৬ ০৬:৩৭702584
  • এঁকে সংরক্ষণ করা হোক।
  • চাপ নিও না | ২৭ মার্চ ২০১৬ ০৭:০৭702585
  • ইনি দীর্ঘদিন ধরেই বিশেষ যত্নের সঙ্গে সংরক্ষিত। :)
  • T | ২৭ মার্চ ২০১৬ ০৭:৩৩702586
  • অ, তাই নাকি। ভালো ভালো। :)
  • হাতির শিং | ২৭ মার্চ ২০১৬ ০৮:২৯702587
  • সিকির বিশেষ বন্ধু :-p কেমন "শমিকদা" বলে ডাকেন।
  • PM | ২৭ মার্চ ২০১৬ ১১:০৭702588
  • তবু তো Mmu ভোটের টইতে লেখার ইচ্ছা দেখালেন। আমরা তো উদাসীন ভোট নিয়ে--কিছুই লিখি না ঃ)।।।

    আচ্ছা একটা খবর পেলাম, প্রত্যক্ষ দর্শীর মুখে। বোলপুরে সব খাবার দোকান মালিকদের বলে দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর লোকেদের মাছ, মাংস সব বিনি পয়সায় খাওয়াতে। পয়্সা তিনোদল দেবে।

    এদিকে আমার ড্রাইভারের পাড়ায় (কলকাতায়) প্রতিবারের মতো এবারো এসে বলে যাওয়া হয়েছে ভোট দিতে না যেতে। এবার মানবে কিনা দোলাচলে আছে। ভোটের পরে কি হবে ভাবছে।
  • হাতির শিং | ২৭ মার্চ ২০১৬ ১২:০৪702589
  • পিএম - দুটো ঘটনারই একটু ডিটেইলস পাওয়া যাবে? এখানে অসুবিধা থাকলে মেইল এ পাঠাতে পারেন। জরুরী।
  • S | ২৭ মার্চ ২০১৬ ১২:০৮702590
  • তাহলে তো সুসংবাদ।
  • হাতির শিং | ২৭ মার্চ ২০১৬ ১২:৩৩702591
  • বোলপুর না, সম্ভবত লাভপুর। যাই হোক, পিএম - দুটোরই একটু ডিটেইলস প্লিজ - [email protected]
  • PM | ২৭ মার্চ ২০১৬ ১৩:১৫702594
  • অরিজিত , এটা কি ব্যক্তিগত মেল-আইডি ?
  • হাতির শিং | ২৭ মার্চ ২০১৬ ১৩:৩২702595
  • হ্যাঁ আমারই। দরকারে আলাদা আইডি করতে হল। চাইলে arijit72 তেও পাঠাতে পারেন।
  • PM | ২৭ মার্চ ২০১৬ ১৪:১৭702596
  • তখন বাউন্স কর্লো, তাই জিগ্গেস করেছিলাম--এখ্ন গেলো দেখ্লাম। পাঠিয়ে দিয়েছি
  • হাতির শিং | ২৭ মার্চ ২০১৬ ১৪:১৮702597
  • থ্যাঙ্কু।
  • ???? | ২৭ মার্চ ২০১৬ ১৮:২১702598
  • ********* আ:বা:প:----
    ( Swapnamoy চক্রবর্তী
    ভোট করানো
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    ২৩ মার্চ, ২০১৬, ১৭:২৯:৪১
    e e print

    Polling
    পিওন থেকে গেজেটেড অফিসার— সব কিসিমের সরকারি কর্মচারীই ভোট করাতে যান। দূরেও যেতে হয়, এ জন্য ট্রেনিংও নিতে হয়। একটা করে বুথ থাকে এক জন প্রিসাইডিং অফিসারের অধীনে, এবং তাঁর অধীনে থাকেন কয়েক জন করে পোলিং অফিসার। পোলিং অফিসাররাই আঙুলে কালি মাখান, নামের পাশে দাগ দেন। নিজেদের অফিসে ওঁরা পিওন হতে পারেন, গ্রুপ ‘ডি’ হতে পারেন, কিন্তু ভোটকেন্দ্রে অফিসার। এ রকম কয়েকটা বুথের দায়িত্বে থাকেন এক জন সেক্টর অফিসার, তাঁর উপরে রিটার্নিং অফিসার। একটি রাজ্যের সার্বিক দায়িত্বে থাকেন চিফ ইলেকশন অফিসার। এবং সবার উপরে চিফ ইলেকশন কমিশনার, যিনি এখন নসীম জৈদি। নির্বাচন পরিচালনা এবং সম্পাদন করার এ রকম একটা বিধিব্যবস্থা এবং কাঠামো গঠন আমাদের সংবিধানে রয়েছে। এই কর্ম সম্পাদনের জন্য যাঁরা ভার পেতেন, তাঁরা বলতেন, ‘ভোট করাতে যাচ্ছি’। লক্ষ করেছি গত দু’তিনটি নির্বাচনে ওঁরা এ কথাটা বলছেন না। বলছেন, ‘‘ভোটের ডিউটিতে যাচ্ছি।’’ কারণ ‘ভোট করানো’ শব্দবন্ধটাকে হাইজ্যাক করে নিয়েছেন ভোট-প্রজ্ঞাবান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা। ভোট বিশারদ রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের প্রবল ভোট-চেতনাই ভোটে জেতানোর নানা রকম কূটকৌশল, ফন্দিফিকির তৈরি করে। এবং কৌশল-সমৃদ্ধ অ্যাকশন সমূহকে বলা হয় ‘ভোট করানো’। এ রকম কিছু পটু ভোট-করিয়ে আছেন। এঁরা কেউ স্বশিক্ষিত, কেউ বা উপযুক্ত গুরুর যোগ্য চেলা। এদের নব নব উদ্ভাবনে নির্বাচন কমিশন পর্যুদস্ত হয়ে যায়।
    টাকা তোলা, বোমা বাঁধা, দেয়াল দখল, পোস্টার লেখা— এগুলো ভোট করানোর সিলেবাসে থাকলেও ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। গুরুত্বপূর্ণ হল বুথের চরিত্র অনুযায়ী চরিত্র ঠিক করা। কোথায় ভিড় তৈরি করে ভোটারদের ভোট দিতে অনীহা তৈরি করতে হবে, যাকে বলে জ্যামিং, কোথায় দু’একটা বোম চার্জ করে সন্ত্রস্ত করতে হবে, কী ধরনের বোম, ক’টা ব্যবহার করতে হবে, ফস্কা, না ফুটুস...! ফস্কায় ধোঁয়া বেশি, ফুটুসে শব্দ। এ ছাড়া স্প্লিন্টার সমৃদ্ধ প্রাণঘাতী বোমাও আছে। স্টকে রাখতে হয়, খুব দরকার পড়লে ব্যবহার করতে হয়। কোন বুথ বাবুসোনা, মানে নিজের দলের পক্ষে নিরাপদ। ওখানে কোনও ঝামেলা নয়, ম্যান পাওয়ার অপচয় নয়। কোন বুথ ঠিক কোন সময়ে দখল করে নিয়ে আধ ঘণ্টার মধ্যে পটাপট ভোট দিয়ে দেওয়া সম্ভব...এটার নাম ছাপ্পা ভোট। ই-ভি-এম আসার আগে প্রার্থীর নামের পাশের প্রতীক চিহ্নে রবার স্ট্যাম্পের ছাপ দিতে হত। সেই থেকেই ছাপ্পা ভোট কথাটা ভোট করানোর জারগনে রয়ে গেছে। ‘প্রক্সি’ আগে খুবই প্রচলিত ছিল। আঙুলের কালি ওঠাবার নানা রকম পন্থাও উদ্ভাবিত হয়েছিল। ভোটার কার্ড প্রচলন হবার পর এই প্রথা ততটা কাজ দিচ্ছে না। হুইপিং নামে ভোট করানোর একটা পদ্ধতি আছে। যার মানে কিছু ভোটারকে ভয় দেখিয়ে কোনও নির্দিষ্ট প্রার্থীকেই ভোট দিতে বাধ্য করা। হুই হুই হল এর একটা স্তর, মানে একটা বাইক মিছিল ঘ্যাঁক ঘ্যাঁক করতে করতে একটা রাস্তা দিয়ে চলে গেল। এটা এক ধরনের শক্তি প্রদর্শন। দ্বিতীয় ধাপ হল দু’এক জন পেশীধারী বা অস্ত্রধারী সম্ভাব্য বিপক্ষ ভোটারের বাড়ি গিয়ে বলে আসবে— কাকে ভোট দিচ্ছিস সেটা কিন্তু আমরা ঠিক জানতে পারি। এ ছাড়া দরকার মনে করলে ভোটের সপ্তাহখানেক আগে দু’একটা বাড়িতে আগুন। বাইরের প্যারামিলিটারি পিচরাস্তায় যতই খটাখট করুক না কেন, হুই হুই বন্ধ করা সম্ভব নয়। এমন অনেক গ্রাম আছে যেখানে গাড়িই ঢোকে না। ওরা যদি হেঁটেও যান, কত ক্ষণ থাকবেন? আর এই ভয় দেখানোর কাজটা চলে খুব ঘরোয়া কায়দায়, যা বাইরের লোকের পক্ষে বোঝা সম্ভব নয়। ভয় না দেখিয়ে লোভ দেখিয়েও ভোট আদায় করা যায়। ৪০-৫০ বছর আগে সমাজবাদের লোভ দেখিয়ে ভোট টানা যেত। ওটা একটা দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। এখন আধুনিকতার যুগ। লোভের ফাঁদ পাতা নানা ভাবে হতে পারে, এ সব পাকামাথার কাজ।
    গণতন্ত্র নিয়ে স্কুলপাঠ্য রচনা লিখতে গেলে আমরা লিখব: নির্বাচন হল গণতন্ত্রের মহোৎসব। মহোৎসব শব্দটাকে তুচ্ছার্থে মোচ্ছব বলি আমরা।
    ভোটে যাঁরা জেতেন, সেখানে যে সব সময় নির্বাচকদের ইচ্ছাতেই যেতেন এমন মনে হয় না আর। অনেক ক্ষেত্রেই ‘ভোট করানো’র প্রক্রিয়ার সাফল্য-অসাফল্যের কারণেই হারজিত নির্ভর করে। যখন যে দলের হাতে ক্ষমতা থাকে, ভোট করিয়ে নেওয়াটা তাদের পক্ষে সহজতর হয়। তাঁরা ক্ষমতাবলে ভয় দেখানো এবং লোভ দেখানো— দুটো অস্ত্রই ব্যবহার করতে পারেন।
    গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার কোনও বিকল্প উন্নততর ব্যবস্থা আমাদের জানা নেই। কিন্তু গত ২০-২৫ বছরের নির্বাচন দেখে মনে হয়, সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মতামতের প্রতিফলন এই নির্বাচন ব্যবস্থায় অন্তত পশ্চিমবঙ্গে হয় না। কিন্তু কেরল, গোয়া, দিল্লি, ওড়িশা— এই সব অনেক রাজ্যেই তুলনায় সুষ্ঠু ও সুস্থ ভোট হয়। পশ্চিমবঙ্গের মধ্যবিত্ত সংখ্যালঘু। মধ্যবিত্ত শ্রেণির বৃদ্ধির হারও কম। কর্মসংস্থান নেই। বিরাট সংখ্যক তরুণ দালালি, কমিশন সংগ্রাহক, ফড়েগিরি, অটো-টোটো ইত্যাদি চালানো, সফ্ট তোলাবাজি— এ সব করে পয়সা রোজগার করছে। এ সব কাজে মাথার ওপর একটা দাদার ছাতা দরকার হয় (দিদিরও হতে পারে)। এবং যাঁরা ভোট করান, তাঁরা এদের যথেচ্ছ ব্যবহার করেন। এই অবস্থার বদল না হলে ঠিকঠাক ভোট কী করে হবে আমি জানি না।

    TAGS : assembly election 2016 Organization Polling Swapnamoy চক্রবর্তী )

    সঠিক। তবে গত ৫এর আগের ৩৪ বৎসরেও তাই। :)) :))
  • PT | ২৭ মার্চ ২০১৬ ১৯:৪১702599
  • ১৯৭৭, ২০০৯ আর ২০১১-তেও?
  • skm | ২৭ মার্চ ২০১৬ ২১:২০702600
  • PT ভাই
    আমার বারি burdwan এর গ্রামএ। 1971 থেকে ভোত থিক হোয় না। irrespective of দল।
  • wow | ২৮ মার্চ ২০১৬ ১০:৩৯702601
  • খোকাটিও বংশের ধারা মানিয়া বাণী বর্ষণ করিতেছে, অচিরেই পিসিকল্যাণে খিস্তিকল্যাণকে ছাপিয়ে যাইবার প্রবল সম্ভাব্না

    "১৯ মে‌-র পর ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে জবাব দেব আপনাদের।” সেই সঙ্গে জোট প্রসঙ্গে আরও একবার বলে বসেন ‘দাদা-বৌদির বিয়ে’, ‘কলঙ্কিত সন্তানের জন্ম’ ইত্যাদি।
    চন্দ্রকোনা রোডে স্টেশনপাড়া মাঠে ঠা ঠা রোদেও নেতার কথা শুনছিলেন প্রায় হাজার চারেক মানুষ। মঞ্চের একেবারে নীচেই ছিলেন দলীয় কর্মীরা। অভিষেকের ‘কু-কথা’ শুনে তাঁদের চোখেমুখেও ফুটে উঠেছে অস্বস্তি। "

    http://www.anandabazar.com/elections/west-bengal/election-news/abhishek-again-attacked-election-commission-1.343364
  • Mmu | ২৯ মার্চ ২০১৬ ০৩:৩৬702602
  • **** 'এ লেখাগুলো পড়লাম, আপনারাও পড়ুন '

    ঙ্গ
    খেলা
    শিল্প -বাণিজ্য
    সম্পাদকীয় বিভাগ
    রাশিফল
    চতুষ্পর্ণী
    রবিবার
    চিত্রমঞ্চ
    শ্রেণীবদ্ধ
    যোগাযোগ
    হেমন্ত বসু হত্যার পরও এই দোস্তি আসলে কৃতজ্ঞ সিপিএমের প্রতিদান কংগ্রেসকে

    রাজ্যে তখন জারি রয়েছে রাষ্ট্রপতির শাসন। রাজ্যজুড়ে চলছে ষষ্ঠ অন্তর্বর্তী বিধানসভা ভোটের প্রচার। হেমন্তবাবু ছিলেন শ্যামপুকুর কেন্দ্রের ফরওয়ার্ড ব্লক প্রার্থী। ওই দলের প্রবাদপ্রতিম নেতা অশোক ঘোষ পরবর্তীকালে বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন...
    হারাধন চৌধুরী: ফরওয়ার্ড ব্লকের ‘অজাতশত্রু’ নেতা হেমন্ত বসু ১৯৭১ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি গুপ্তঘাতকের হাতে খুন হন। সেই রহস্য আজও উন্মোচিত হয়নি। তবু, কংগ্রেস নেতৃত্ব এই হত্যাকাণ্ডের দায় সিপিএমেরই ঘাড়ে চাপাতে চেয়েছিল। তা নিয়ে সিপিএম ও ফরওয়ার্ড ব্লকের মধ্যেকার সম্পর্কটির তিক্ততা প্রায় চরম পর্যায়ে পৌঁছেছিল।
    রাজ্যে তখন জারি রয়েছে রাষ্ট্রপতির শাসন। রাজ্যজুড়ে চলছে ষষ্ঠ অন্তর্বর্তী বিধানসভা ভোটের প্রচার। হেমন্তবাবু ছিলেন শ্যামপুকুর কেন্দ্রের ফরওয়ার্ড ব্লক প্রার্থী। ওই দলের প্রবাদপ্রতিম নেতা অশোক ঘোষ পরবর্তীকালে বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, একাত্তরের ২০ ফেব্রুয়ারি উত্তর কলকাতায় শ্যামপুকুর স্ট্রিটের মোড়ে হেমন্তবাবুকে খুন করা হয়। ঘটনার সময় তিনি জরুরি কাজে বেরিয়েছিলেন। এক দলীয় সহকর্মীকে ট্যাক্সি ডাকতে বলে রাস্তা ধরে হাঁটছিলেন। ইতিমধ্যেই চলে-আসা ট্যাক্সিতে ওঠার মুখেই চার-পাঁচজন যুবক হেমন্তবাবুকে ঘিরে ধরে ছুরি দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করে। তাঁর বুক ও পেটে ছুরি বসে যায়। রক্তাক্ত শরীরে লুটিয়ে পড়ার সময় তিনি একটিমাত্র প্রশ্ন করতে পেরেছিলেন, ‘‘তোমরা আমাকে মারছ কেন?’’
    ঘটনার দিন ভোট প্রচারে বাঁকুড়া গিয়েছিলেন অশোক ঘোষ। ফেরার পথেই রেডিয়োর খবরে এই দুঃসংবাদ পান। সন্ধ্যায় বউবাজারে পার্টি অফিসে ফিরতেই পার্টি নেতা অমরপ্রসাদ চক্রবর্তী তাঁকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে কাঁদতে বলেন, ‘‘হেমন্তদাকে কমিউনিস্টরা খুন করেছে।’’ তাঁকে এও বলা হয় যে, স্বয়ং কলকাতার পুলিশ কমিশনার রঞ্জিত গুপ্ত ফরওয়ার্ড ব্লকের রাজ্য দপ্তরে ফোন করে এই তথ্য জানিয়েছেন! তৎকালীন ‘শাসক’ কংগ্রেসেরও নানা মহল থেকে রটানো হয়েছিল, হেমন্ত বসুকে সিপিএমই খুন করেছে। এমনকী কংগ্রেস নেতা সিদ্ধার্থশংকর রায়ও (উত্তরবঙ্গ থেকে কলকাতা এয়ারপোর্টে ফিরেই) জানিয়ে দেন যে, এই হত্যাকাণ্ড সিপিএমেরই কম্ম!
    হেমন্তকুমার বসু জন্ম শতবর্ষ কমিটি কর্তৃক প্রকাশিত (১৯৯৪) ‘হেমন্তকুমার বসু: জীবন ও সংগ্রাম’ গ্রন্থে প্রশ্ন করা হয়েছে, খুনি কারা? তৎকালীন পরিস্থিতিতে সন্দেহের প্রথম তিরটি যায় নকশালদেরই দিকে। কিন্তু, সন্দেহটি অচিরেই অমূলক বলে প্রতিপন্ন হয়। বিভিন্ন নকশাল সংগঠন এই হত্যকাণ্ডের তীব্র নিন্দা করে। ঘটনাটির পূর্ণাঙ্গ তদন্তেরও দাবি তারা জানায়। ইতিমধ্যেই অন্য এক রাজনৈতিক মহল থেকে সন্দেহের তির ছুড়ে দেওয়া হয় সিপিএমের দিকে। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে পরিষ্কার অভিযোগ করা হয়, জঘন্য এই ঘটনাটি সিপিএমই ঘটিয়েছে। সেদিন মালদায় নির্বাচনী প্রচারে ব্যস্ত ছিলেন সিদ্ধার্থশংকর রায়। সেখানে বসেই সিদ্ধার্থবাবু রায় দেন যে, ‘‘এ-কাজ সিপিএম ছাড়া কারও নয়!’’ সন্দেহ নেই যে, ভোটে ফায়দা লোটার জন্যই কংগ্রেস প্রচারটি করেছিল। জোরালো প্রতিবাদও অবশ্য জানিয়েছিল সিপিএম। স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে জ্যোতি বসুও প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছিলেন, ‘‘সিদ্ধার্থশংকর রায় পুলিশের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর না কি, যে মালদায় বসেই স্রেফ গন্ধ শুঁকে বলে দিচ্ছেন কারা খুন করেছে?’’
    এভাবে অভিযোগ, পালটা-অভিযোগ চলতেই থাকে। রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রমূলক হত্যাকাণ্ডটির কিনারা হয়নি আজ ঘটনার ৪৫ বছর পরও। উপযুক্ত সাক্ষ্য প্রমাণের অভাবে মামলাটি আদালতে খারিজ হয়ে গিয়েছে বহু বছর আগেই।
    তবু একাত্তরের গোড়ায় ফরওয়ার্ড ব্লক কর্মী-সমর্থকরা কংগ্রেসি প্রচারটি বিশ্বাসই করেছিলেন। সেদিন সেই পরিস্থিতিই ছিল। কারণ, সিপিএম, ফরওয়ার্ড ব্লক তখন ‘বন্ধু’ নয়। বরং রাজ্যের নানা স্থানে এই দু’দলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, খুনোখুনি চলছিল। তার ফলে কংগ্রেসের পক্ষে দুয়ে দুয়ে চার করে দেওয়াটা সেদিন সহজ হয়েছিল।
    পরদিন মরদেহ নিয়ে কলকাতার রাস্তায় মহামিছিল বেরয়। আকাশবাণী থেকে তাঁর শেষযাত্রার ধারাবিবরণী প্রচার করেছিলেন বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র। ব্রিগেডে শোকসভা পালিত হয়েছিল। ২২ ফেব্রুয়ারি সর্বাত্মক হরতাল পালিত হয়েছিল সারা বাংলায়।
    কংগ্রেস দল এবং সরকারের কথায় ফরওয়ার্ড ব্লক নেতৃত্ব সেদিন এতটাই বিভ্রান্ত হয়েছিলেন যে, অশোক ঘোষ বাঁকুড়া থেকে কলকাতা ফিরেই এক বিবৃতিতে অভিযোগ করেন, ‘‘সিপিএম গোটা রাজ্যে যে খুনের রাজনীতি তৈরি করেছে, হেমন্ত বসু হত্যা তারই পরিণতি।’’ অশোকবাবুর বক্তব্য অনু্যায়ী, তিনি দ্রুতই বুঝতে পেরেছিলেন হেমন্ত-হত্যার দায় যত সোজাভাবে সিপিএমের উপর চাপানো হচ্ছিল, বিষয়টি বাস্তবে তত সোজা নয়। এজন্য ব্রিগেডের শোকসভা থেকে ফরওয়ার্ড ব্লক একটু অন্যরকম বিবৃতি দিয়ে বলেছিল, যা পড়েছিলেন অশোকবাবুই—‘‘পশ্চিমবঙ্গে যে খুনের রাজনীতি চলছে, হেমন্ত বসু তারই শিকার।’’
    এই ঘটনা নিয়ে সিপিএম-ফরওয়ার্ড ব্লক সম্পর্ক এতটাই তিক্ত হয়ে গিয়েছিল যে, সেদিন হেমন্ত বসুর শোকসভায় শুধু সিপিএমের কোনও প্রতিনিধি যাননি—গিয়েছিলেন রা‌঩জ্যের বাকি সমস্ত দলের নেতা-কর্মী-সমর্থকরা। প্রমোদ দাশগুপ্ত ও জ্যোতি বসু নাকি মালা দিতে যাবেন বলে সিপিএম ঠিক করেছিল। পরিস্থিতি তখন মোটেই সুবিধের নয়। সিপিএমকে ‘খুনের দল’ ভেবে ফুঁসছিলেন ফরওয়ার্ড ব্লক কর্মী-সমর্থকরা। তাই সম্ভাব্য পরিণাম আশঙ্কা করে, সম্ভবত, অশোকবাবুই সিপিএম নেতৃত্বকে সেখানে যেতে বারণ করেছিলেন। অন্যদিকে, মহাজাতি সদনে হেমন্ত বসুর মরদেহে মালা দিতে গিয়ে অপমানিত হয়েছিলেন মার্কসবাদী ফরওয়ার্ড ব্লক নেতা রাম চট্টোপাধ্যায়। মাফব’র অপরাধ হল তারা তখনও সিপিএমের ‘বন্ধু’।
    বলা বাহুল্য, একাত্তরে কংগ্রেস ক্ষমতায় ফিরতে একেবারে মরিয়া হয়ে উঠেছিল। জ্যোতি বসু এক সাক্ষাৎকারে অভিযোগ করেছিলেন, মানুষের তীব্র কংগ্রেস-বিরোধী মনোভাবের আঁচ পেয়ে কংগ্রেস বল্গাহীন সন্ত্রাসের রাস্তা নিয়েছিল দিল্লিরই মদতে। ’৭১-এর ২৭ জানুয়ারি বসিরহাটের এক জনসভায় যাওয়ার পথে জ্যোতিবাবুর গাড়ির উপর বোমা নিক্ষেপ করেছিল কংগ্রেসি গুন্ডারা। সেদিন জ্যোতিবাবুর সঙ্গে ছিলেন সিপিএমের প্রবীণ নেতা আবদুল্লাহ রসুল। তাঁরা প্রাণে বেঁচে গেলেও তাঁদের গাড়িটি ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
    জ্যোতি বসুর অভিযোগ ছিল, এইভাবেও যখন জব্দ করা সম্ভব হচ্ছিল না, তখনই কংগ্রেস ব্যক্তিহত্যার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়; আর সেইসব চরম অপরাধের দায় সিপিএমের কাঁধে চাপিয়ে দেওয়ার নোংরামি করতে থাকে তারা। হেমন্ত বসুর হত্যার ঘটনাটিকে ওই চক্রান্তেরই অংশ বলে জ্যোতিবাবু মনে করতেন। পরবর্তীকালে জ্যোতিবাবু একাধিক সাক্ষাৎকারে অভিযোগ করেছিলেন, ‘‘উত্তরবঙ্গ থেকে তাড়াতাড়ি দমদম এয়ারপোর্টে পা দিয়েই তিনি (সিদ্ধার্থশংকর রায়) বললেন যে, তিনি সবকিছু জানতে পেরেছেন। এই খুনের জন্য তিনি তৎক্ষণাৎ আমাদের পার্টিকেই দায়ী করলেন!’’ যা শুনে তিনি স্মম্ভিত হয়ে যান। উল্লেখ্য, কংগ্রেসের সুরে সুর মিলিয়ে সেদিন তাদের আট পার্টির জোটের নেতারাও হেমন্ত বসু হত্যার দায় সিপিএমেরই উপর চাপিয়েছিল। পরে হয়তো অনেকেই তাদের ভুল বুঝতে পেরেছিল।
    অনেকেই জানেন, সেদিন কী হীন কৌশলে সংখ্যালঘু কংগ্রেস ডেমোক্র্যাটিক কোয়ালিশনের আড়ালে ক্ষমতায় ফিরেছিল অজয় মুখোপাধ্যায়কে মুখ্যমন্ত্রী ও বিজয় সিং নাহারকে উপমুখ্যমন্ত্রী খাড়া করে। যদিও আশঙ্কামতোই সেই সরকারের অকালমৃত্যু হয়। এই সুযোগে ইন্দিরা গান্ধী মরিয়া হয়ে ওঠেন সিদ্ধার্থশংকর রায়কে পরবর্তী ‘বঙ্গেশ্বর’ বানাবার জন্য। যেমনি ভাবা তেমনি কাজ! বাহাত্তুরে ‘নির্বাচন’-এর মাধ্যমে ক্ষমতাসীন হলেন ব্যারিস্টার সিদ্ধার্থশংকর। পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসের সবচেয়ে কলঙ্কজনক অধ্যায়টিও রচিত হয় তাঁরই হাত ধরে।
    অবশ্য বাহাত্তর-সাতাত্তরের অমন ‘মহানায়ক’-এর আবির্ভাব ছাড়া পশ্চিমবঙ্গে ‘বামফ্রন্ট’ বলে কিছু সেকালে দানা বাঁধত কি না সংশয় রয়ে যায়। ওই ‘কুমির ছানা’ দেখিয়েই জ্যোতিবাবু কতকগুলি বামপন্থী দলকে দীর্ঘদিন একঘাটে জল খাওয়াতে পেরেছিলেন। সাত সাতবার ক্ষমতা ধরে রাখতে সমর্থ হয়েছিল সিপিএম। সিপিএম পার্টি এবং তার কিছু বাছাই করা কমরেডের অভাবনীয় শ্রীবৃদ্ধিও ঘটেছিল সিদ্ধার্থশংকরের ওই অপার ‘আশীর্বাদ’-এ। আরও একটি মহাসত্য হল, পশ্চিমবঙ্গে ৩৪ বছরের সিপিএম-শাহি টিকিয়ে রাখার পিছনেও কংগ্রেসের বিরাট অবদান (যদি পরোক্ষেও তা হয়ে থাকে) রয়ে গিয়েছে।
    হেমন্ত বসু হত্যার ঘটনায় কংগ্রেসের ওই ঘৃণ্য ভূমিকার পর অন্তত এই বঙ্গে সিপিএম কখনও কংগ্রেসের হাত ধরতে পারে—এটা কোনও সাচ্চা বামপন্থী মানুষ ভাবতেও পারেন না। তা সত্ত্বেও ২০১৬-র ভোটমঞ্চে হাত-হাতুড়ি একাঙ্গী হয়ে গিয়েছে! সুন্দর জুতে গিয়েছে মাকাল ও তরমুজ! খেমটাই যখন নাচবে তখন ঘোমটার বালাই কেন? তারা তা রাখেওনি, খুলেই ফেলেছে। আমাদের মতো কিছু অর্বাচীন এর মধ্যে ‘নীতিহীনতা’র সন্ধান করার আগে কেন মনে রাখছেন না—সিপিএম আর যাই হোক কোনও দিন অকৃতজ্ঞ হতে পারবে না। দীর্ঘকালের মহা মহা উপকারের ‘প্রতিদান’ দিতেই বাংলার মার্কসবাদী কমিউনিস্টরা এবার দিল দরাজ হয়েছেন—বড্ড দেরিতে হলেও। তাতে জ্যোতি বসুর সাধের বামফ্রন্ট-এর গয়াগঙ্গাযাত্রার বন্দোবস্ত পোক্ত হলে কী এমন আসে যায়!
  • PT | ২৯ মার্চ ২০১৬ ১০:১২702603
  • শুধু অতীতই ঘাঁটবেন না কি বর্তমানের দিকেও তাকাবেন?

    "মিছিলে আসা পূর্ণিমা কোটাল, অমৃতা সিং, পুষ্প ভক্তা, মধুসূদন কোটালরা নেতাদের বলেন, ‘বক্তব্য পরে হবে৷ পাঁচ বছর নাচতে পারিনি৷ ওরা ভয় দেখিয়ে রেখেছিল৷ আগে নাচ হবে মনের আনন্দে৷ তারপর মিটিং৷ ’"
    http://www.epaper.eisamay.com/Details.aspx?id=21996&boxid=144712974
  • dd | ২৯ মার্চ ২০১৬ ১১:৩৩702605
  • আর নেতাজী? সেই যে কমুনিসরা নেতাজীকে তোজোর কুকুর কয়েছিলো?

    সেই প্রসংগ উঠবে না?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লুকিয়ে না থেকে মতামত দিন