এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • cm | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৯:০৬332400
  • প্রাক ক্যাটারার যুগে লোকে খাওয়াতে ভালবাসত।
  • cm | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৯:০৫332399
  • আমি বাড়িতেই বড় স্কেলে খেতে ভালবাসি, মানে ঐ কেজি দেড়েক মাংস বা গোটা ৩০ রসোগোল্লা।
  • b | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৬:০৭332398
  • @ দে,
    তা নয়, কিন্তু একটা লোক খেয়ে আনন্দ পাচ্ছে এটা দেখতে ভালো লাগে। আমি যাঁকে জানি তিনি ওসব বরযাত্রী কনেযাত্রীর ধার ধারতেন না। লোকে দিতো-ও।
    এখন বেশি খেলে ক্যাটারার বিরক্ত হয়।
  • de | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৫:২১332396
  • এসব টিপ্স এই প্রজন্মে কাজে লাগার নয়, এখন কেউই বেশী খায় না - ঃ)

    বেশী খাওয়া ভালোও নয়। আমার মায়ের অসংখ্য খুড়/জ্যাঠতুতো, মাসতুতো, পিসতুতো ভাইয়েরা এইরকমই খাইয়ে ছিলেন। আমার ছোটবেলায় আমরা ছোটরা ওনাদের খাওয়া দেখতে ভিড় করে দাঁড়াতাম। কেউ পঁয়ষট্টি পিস মাছ, কেউ মাংসের বালতি কেউ শয়ে শয়ে রসগোল্লা ওড়াতেন। পরে বড় হয়ে বুঝেছি এই অসভ্যতা গুলো বরযাত্রী হিসেবে গিয়েই বেশী হোতো! এখন ভাবলে ভালো লাগে না আর। এঁদের প্রায় প্রত্যেকে লিভারের নানারকম অসুখে ভুগে মারা গেছেন, কেউ বা শয্যাশায়ী। বয়্স কিন্তু ওই ষাট-সত্তর মতোই।
  • b | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৪:৪০332395
  • এটা আজ একজন পাঠালো। নেমন্তন্নের টিপসঃ

    নেমন্তন্ন এলে যাঁদের মন তুড়ুক - তুড়ুক করে নেচে ওঠে না, এই টিপ্স তাঁদের জন্য নয়। যাঁরা ঠোঁটে জিভ বুলিয়ে নেন (প্রায়
    বাঘের মতোই), এই সব টিপ্স তাঁদের সাহায্যার্থেই।

    ১। মনে রাখবেন, নেমন্তন্ন খাওয়া শুরুই হয় নেমন্তন্ন করার দিন থেকে। যিনি নেমন্তন্ন করতে এসেছেন, তাঁর থেকে কায়দা করে জেনে নিন মেনু কী। এটা কিন্তু মাস্ট। কেননা, বড় ম্যাচের আগে মানসিক প্রস্তুতিটাই সবথেকে বড়।

    ২। এইবারে আসল দিনের প্রস্তুতির কথায় আসা যাক।
    সকাল থেকে আপনার খাদ্যতালিকায় থাকুক জল - মুড়ি, লিকার চা মেরি বিস্কুট, দুপুরে ঝিঙে - বেগুন - বড়ির পাতলা ঝোল আর অল্প ইট্টুখানি ভাত। পেট খালিও নয়, আবার ভর্তিও নয়।

    ৩। নেমন্তন্ন বাড়িতে যখন ঢুকছেন, তখন আপনার পেট
    চুঁইচুঁই। কিন্তু ভুলেও চিকেন পকোড়া, ফুচকার দিকে এগোবেন না। ওরা শ্রেণিশত্রু। ক্যাটারারের পাঠানো ঘুসপৈঠি। আপনার পেটে ঢুকে আগেভাগে চেকিং পোস্ট দখল করে বসে থাকবে।

    ৪। একটু দাঁত দেখিয়ে হেঁ - হেঁ করে সোজা চলে যান
    খাওয়ার জায়গায়। যত দ্রুত সম্ভব। মনে রাখুন, আপনার
    উদ্দেশ্য খাওয়া। তাই সেটা গরম - গরম হওয়াই ভাল। শেষের দিকে হলে কচুরির বদলে লুচি আর ছোলার বদলে মুগের ডাল মেলাও অস্বাভাবিক নয়।

    ৫। খেতে বসুন পরিচিত লোকের সঙ্গ এড়িয়ে। মনে রাখবেন, আপনি এসেছেন খেতে, খোশগপ্পো করতে নয়। পরিচিত লোক খেতে বসে খেজুরে গপ্পো করবেন। তাতে আপনার উদ্দেশ্য বিঘ্নিত হবে।

    ৬। মেনু আপনি জানেন। তা - ও একবার মেনু কার্ডে চোখ বুলিয়ে নিন। লাস্ট মিনিট চেঞ্জ হলে আপনার গেম - প্ল্যানও পাল্টাবে। এখানে আপনার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা পরীক্ষার মুখে পড়বে। আপনি স্মার্ট। তাই চিন্তা নেই।

    ৭। গোড়ার দিকের আইটেম নৈব নৈব চ। লুচি, কচুরি, ডাল, ডালনা খেতে আপনি নেমন্তন্ন বাড়িতে আসেননি। আপনার উদ্দেশ্য বৃহত্তর। ক্ষুদ্র যেন আপনার বাধা হয়ে না ওঠে।

    ৮। মাছ নিশ্চয়ই আপনার প্রথম টার্গেট। ফ্রাই হোক বা
    ফিঙ্গার, পাতুরি হোক বা কোফতা - আপনি এবার ক্ষুধার্ত বাঘ। ঝাঁপিয়ে পড়ুন সর্বশক্তি দিয়ে। তবে গোগ্রাসে নয়। ধীরে ধীরে।

    ৯। এর পরে পোলাও, বিরিয়ানির পালা। সঙ্গত অবশ্যই
    মাংসের। পোলাও হলে প্রশ্নপত্র সোজা। ভাত - মাংসের হিসেব আলাদা। বিরিয়ানি হলে মাংসের হিসেব দু 'বার করে করতে হবে। এই সূত্রেই জানিয়ে রাখা যাক, মিষ্টি হল ইজ্জত কা সওয়াল। সংখ্যায় নয়,ঘড়ি ধরে হোক মিষ্টি খাওয়া। আজ ২০ মিনিট খেলুম,
    সে দিন ২২ মিনিট খেয়েছিলাম - এই সব আর কী!

    ১০ এবং সর্বশেষে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ কথা। আপনি কেমন খেলেন, জিতলেন না হারলেন, বুঝবেন কীভাবে? সোজা ফর্মুলা - (গিফ্ট - এর খরচ + যাতায়াত - প্লেটের আনুমানিক খরচের যা
    খেয়েছেন, তার আনুমানিক খরচ) = যা হবে তা - ই। উত্তর
    'মাইনাস' - এ এলে আপনি জিতলেন। নয়তো। ।।
  • i | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৪:২৪332394
  • মুক্তধারা সিনেমায় এই বন্দিশ আর বহে নিরন্তর ব্যবহার করা হয়েছিল মনে হয়..ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে দেখেছিলাম/ শুনেছিলাম তাই জোর দিয়ে বলতে পারি না।
  • | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৪:১০332393
  • রোবু, ইস্কুলের গপ্পের থেকে অভিবাসনের গপ্প বেশী ইন্টারেস্টিং। ঐটে আগে ল্লেখো।
  • Robu | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৪:০৭332392
  • ল্যাপটপ হাতে পেলেই লিখব।
  • Abhyu | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৪:০০332391
  • টই তুলে দিয়েছি রোবু
  • Abhyu | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৩:৫৯332390
  • দেবী দয়া শুনতে গিয়েই মনে হচ্ছিল বড্ড চেনা গান, আর ওদিকে অন্য কথা চলছে বলে ধরতে পারছি না। সে কি অস্বস্তি। তারপর মনে পড়ল তো মাঝের থেকে - দুলাইন গেয়ে তারপরে মনে এলো বহে নিরন্তর!
  • Robu | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৩:৫৭332389
  • ব-হে নিরন্তর?
  • Abhyu | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৩:৫৫332388
  • ব-য়ের লিঙ্কের উত্তরে আমি এটা দিলাম
  • Translation | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৩:৫৪332387
  • লা ফঁতেন এর নাম শোনা আছে? ঈশপের মতন ফরাসী নীতিকথাকার। তার সমস্ত ফেবলস অরিজিনাল ফরাসী থেকে বাংলায় অনুবাদ করার কাজ করতে পারবে? ডিভো?
  • Abhyu | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৩:৫১332386
  • পোটকেদা, একদিন স্কাইপ করতে হবে এবার।
  • potke | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৩:৩৫332385
  • দ এর কথা আমিও লিখতে যাচ্ছিলাম, তারপর ভাবলাম ইনসিগনিফিকেন্ট ঃ)
  • avi | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১২:৩৪332384
  • দাশ তো উৎকল ব্রাহ্মণদের একটা কমন পদবী। পাত্র, মহাপাত্র, মহান্তি ইত্যাদি। বাংলার পশ্চিমের জেলাগুলোতে, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, মেদিনীপুরের একটা বড় অংশে উৎকল ব্রাহ্মণেরা একটা সিগনিফিক্যান্ট পার্ট।
  • b | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১২:৩৩332383
  • এদ্দিনে পাইসি।


    পদকর্তাঃ গোস্বামী তুলসীদাস।
    (রাগঃ মারু)
    দুসহ দোষ দুখ দলনী করু দেবি দয়া
    বিশ্বমূলাসি জনসানূকুলাসি করশূলধারিণী মহামূলমায়া।

    তড়িৎ গর্ভাঙ্গ সর্বাঙ্গ সুন্দর লসিত, দিব্যপট ভব্যভূষণ বিরজইঁ।
    বাল-মৃগ-মঞ্জু-খঞ্জন-বিলোচনী চন্দ্রবদনী লখি কোটি রতিমার লাজইঁ।

    রূপ-সুখ-শীল-সীমাসি, ভীমাসি,রামাসি,বামাসি বর- বুদ্ধি-বানী
    ছমুখ হেরম্ব-অম্বাসি,জগদম্বিকে,শম্ভু-জায়াসি জয় জয় ভবানী।।

    চণ্ড-ভুজদণ্ড-খণ্ডনি,বিহণ্ডনি মহিষ মুণ্ড-মদ-ভঙ্গ কর অঙ্গ তোর
    শুম্ভ-নিশুম্ভ কুম্ভীশ রণ-কেশরিণি,ক্রোধ-বারীষ অরি-বৃন্দ বোর।

    নিগম-আগম-অগম গুর্বি ! তব গুন-কথন, উর্ভিধর করত যে হি সহসজীহা়
    দেহি মা মোহে পন প্রেম য়হ নেম নিজ, রাম-ঘনশ্যাম তুলসী পপীহা।

    (ইম্রিজি থেকে লিখতে গিয়ে কয়েকটা ভুল থেকে গ্যালো।)
  • | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১২:২৬332382
  • উফ! শনিবারের বাজারে তুমুল খোরাকসমূহ দিকে দিকে উদীয়মান। যিনি দাপিয়ে দাপিয়ে অন্যদের বিভিন্ন নিকে লেখা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনিই সেশে .....,

    অজ্জিত, মনুস্মৃতি বলেও একটা ভুলভাল ব্যপার আছে।
  • নন্দকিশোর মুন্সী | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১২:১৯332381
  • তৃণমূল সরকারের প্রশংসা করে পোবোন্ধো লিখলে দশ হাজার টাকা অবধি প্রাইজ পেতে পারেন। এনি টেকার্স?
  • AnandaBazar | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১১:২০332380
  • ৪০ হাজারের মতো লোক বাস করত শহরটাতে। সংখ্যাটা কমতে শুরু করেছে দ্রুত। শহর ছেড়ে কেউ কোথাও যাচ্ছেন না। যাওয়ার উপায়ও নেই। কিন্তু রোজ হু হু করে কমে যাচ্ছে জনসংখ্যা। শহরটাতে খাবারের গাড়ি শেষ বার ঢুকেছিল অক্টোবর মাসে। তার পর আর ঢুকতে পারেনি। অনাহারে শুকিয়ে যেতে যেতে ঘরে ঘরে এখন নিশ্চিত মৃত্যুর প্রতীক্ষা। কেউ জানেন না, আর ক’টা দিন তাঁর জন্য বরাদ্দ রয়েছে এই পৃথিবীতে।
    শহরটার নাম মাদায়া। খনিজ তেলে সমৃদ্ধ সিরিয়ার অন্য সব শহরের মতোই মাদায়াতেও স্বচ্ছল জীবন ছিল নাগরিকদের। কিন্তু আইএস-এর সঙ্গে সরকারি বাহিনীর লড়াই শুরু হওয়ার পর সব বদলে গিয়েছে। গৃহযুদ্ধে দীর্ণ দেশেও কোনও রকমে জীবন কাটছিল। কিন্তু অক্টোবরের পর থেকে সব থেমে গিয়েছে। সরকারি বাহিনীর হাত থেকে শহরটাকে মুক্ত করতে না পেরে মাদায়ার সব দিকে ল্যান্ডমাইন বিছিয়ে দিয়েছে আইএস। ফলে শহর থেকে মাসের পর মাস কেউ বাইরে যেতে পারছেন না। বাইরে থেকে কোনও গাড়ি নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস বা খাবার নিয়ে শহরে ঢুকছেও না।

    বেশ কিছু দিন আগেই মাদায়ায় খাবারের শেষ দানাটাও ফুরিয়ে গিয়েছে। ঘরে ঘরে অনাহারে মৃত্যু। না খেতে পেয়ে সর্বাগ্রে মৃত্যু হচ্ছে শিশুদের। মা-বাবার চোখের সামনে দিনের পর দিন না খেয়ে অল্প অল্প করে শুকিয়ে যাচ্ছে শিশুরা। অসহায় ভাবে নিজেদের সন্তানকে মরতে দেখছেন মা-বাবা। সংবাদমাধ্যমের হাত ধরে সামনে আসা একটি ভিডিওতে, ক্যামেরার সামনে মুখ খুলতে দেখা গিয়েছে বেশ কয়েকটি পরিবারকে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে বছর সাতেকের একটা হাড় জিরজিরে ছেলেকে। চামড়ার পাতলা আস্তরণের তলা থেকে বাইরে ঠেলে বেরিয়ে আসতে চাইছে বুকের সব ক’টা পাঁজর। তাকে জিজ্ঞাসা করা হচ্ছে, ‘‘শেষ কবে খেয়েছো?’’ শিশুর জবাব, ‘‘সাত দিন আগে।’’ আবার প্রশ্ন, ‘‘সত্যি বলছ?’’ হাড় জিরজিরে শিশু বলছে, ‘‘ঈশ্বরের দিব্যি বলছি।’’
    আরও একটি পরিবারের অবস্থা তুলে ধরা হয়েছে ভিডিওতে। এক বছরেরও কম বয়সের একটি শিশুকে দেখা যাচ্ছে সেখানে। ছোট্ট শরীরটার সর্বত্র ছাপ ফেলেছে দীর্ঘ অনাহার। মাঝেমধ্যে ভেসে আসছে গোঙানির আওয়াজ। শিশুর মা বললেন, ‘‘অনেক দিন দুধ জোগাড় করতে পারিনি।’’ প্রশ্ন এল কত দিন? মা জানালেন, ‘‘এখন ১০ দিন অন্তর এক বার দুধ দিতে পারছি।’’ বাকি দিনগুলো কী খাওয়াচ্ছেন? মা বললেন, ‘‘নুন আর জল খাওয়াচ্ছি।’’ মা জানেন না, নুন-জল খাইয়ে আর ক’দিন টিকিয়ে রাখতে পারবেন ছোট্ট প্রাণটাকে। নিজেও মৃত্যুর দিকে এগোচ্ছেন। বুঝে গিয়েছেন, মৃত্যু ছাড়া অন্য কোনও পথ নেই। শুধু বুঝতে পারছেন না, কার পালা আগে আসবে?
  • নন্দকিশোর মুন্সী | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১১:১৭332378
  • Dash লিখতে দেখেছি - ইমেলে।
  • Arpan | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১১:১৭332379
  • আর কলকাতার এলিট গোষ্ঠীর বাইরে ব্রাহ্মদের প্রভাব কতটুকু ছিল? বৃহত্তর সমাজে চৈতন্যের ভক্তি আন্দোলনের প্রভাব খ্যাল রাখবেন।
  • Arpan | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১১:১৪332377
  • ওড়িয়ারা দাস ও দাশ দুইই হয়। দ্বিতীয় বর্গের লোকেরা উচ্চবর্ণের ও পুংরা উপবীতধারী হন।
  • avi | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১১:১০332376
  • এটা চরম ছিল, "তুমি জোনাকির পশ্চাতে আলো দিয়াছ আমাদের পশ্চাতে তো দাও নাই প্রভু!!! "
    হ্যা হ্যা হ্যা।
  • নন্দকিশোর মুন্সী | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১১:০৩332375
  • কিন্তু আপনারা খ্যাল করেছেন কি - যে স্মৃতি নাম হলেই লোকজন কেমনধারা হয়? এই যেমন স্মৃতি ম্যাম আর এদিকে বর্ধমান ইউনিতে স্মৃতি স্যার।

    আর কেশী কিনা শ্যাষে স্মৃতিম্যামের...
  • cm | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১০:৫৬332374
  • পদবী দেখে এই sc/st/obc/general নির্ধারণের আইনস্বীকৃত পন্থার খোঁজ থাকলে বলবেন। অন্যান্য অনেকের সাথে বহু ছদ্মবামেরা অবশ্য পদবী মাফিক স্বীকৃতি খোঁজেন।
  • | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১০:৫৫332373
  • ব্রাম্ভন ব্রাম্ভ শুম্ভ নিশুম্ভ .....
  • Robu | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১০:৪৮332372
  • রায় আগুরিও হয়, তফসিলিও হয়।
    যদিও, কীই বা যায় আসে!
  • r | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১০:১০332371
  • রায়রা হয় ব্রাম্ভন, নয় ব্রাম্ভ
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত