এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ekak | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ২০:৪৩330630
  • মদ নীট হয়, পলিটিকাল রেসাল্ট হয় না :( নীট হয়না বলেই পরের লেভেলে যায়। তুমি যদি নীট রেসাল্ট খোঁজো তাহলে আমারও কিস্যু বলার নেই। লেট আন ডাইলিউট টু নট দাইলিউত :)
  • Div0 | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ২০:৪১330629
  • এর মাঝে মুন্সীদা আবার পঞ্চাশ শেডের গ্রে এনেছে... :-/

    যাই একটু আটা মাখি।
  • Div0 | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ২০:৩৮330628
  • ঠিকই পড়েছি, ফেন্স সিটিংই লিখেছে :p

    আর সিঁফোর বক্তব্যে পুরোপুরি ক। কিন্তু এককের বক্তব্য বুঝছি না, যদিও বোঝার দায় নেই কোনও। মানে রাবড়ির রস না মাখিয়ে সমস্যায় র‍্যাঁদা চালিয়ে চূড়ান্ত অসাম্য-ফসাম্য ঢুকিয়ে ফাইটের আশা, আচ্ছা ধরে নিলাম হলও জামা-প্যান্ট খুলে নেওয়া ফাইট - তার্পর নীট রেজাল্ট কী?
  • Ekak | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ২০:৩৬330627
  • আমি তো আগেই সিডিসন ল্য এর এগেইনস্ট এ কথা বলেছি। ওই কুত্সিত আইন টা নিয়ে আন্দোলন অবস্যই সমর্থন করি। কিন্তু প্রথম থেকেই একটা কথা বলছি যে অন্দলের যারা মুখ তারা স্টেটমেন্ট ক্লিয়ার করুক। পরিস্কার বলুক যে তারা মনে করে "ভারত কি বরবাদী" বলা কোনো অপরাধ নয়। তার জায়গায় তারা আমরা বলিনি এবিভিপি বলে ঠিক কি প্রমান হচ্ছে বলুন তো ? মানে না না আমরা ওই "খারাপ কাজ " টা করি নি ? পাতায় পাতায় দেখছি এরা লিখছে "জীনইউ ইস মোর ন্যাসসনালিস্ট দ্যান ডট ডট ডট ", গোল ওয়াল্কর এর উদৃতি দিয়ে বলছে ওদের কাছে দেশপ্রেম শিখব না !! আপনি বলুন এগুলো দেখে হাসি পাবেনা তো কি পাবে ? তরা কি ঢোঁক গিলে ইটা বলতে এসেছিস যে ঠিকঠাক একটা দেশপ্রেমিক পেলে তার কচ্ছে দেশপ্রেম শিখবি ?? নেশন এর ধারনায় বিশ্বাস করে না এরা, আই হ্যাভ এবসলিউটলি নো প্রবলেম, সেটা বলছেনা ক্যানো ? কোনো কেয়ামতের দিন গুন্ছিনা জাস্ট ঘোড়া টা যখন নিজেই গাধা কে নকল করে গাধার ডাক ডাকছে তাকে ছোলা -গুর না দেওয়া সাব্যস্ত করেছি। ব্যাপারটা আদৌ কোনো "পুরো " র নয়। একটা -একটা প্লাটফর্ম এ দাঁড়িয়ে পরিস্কার বলুক না ওদের মতাদর্শে নেশন -ন্যাসনালিস্ম এগুলোর জায়গা কি, আদৌ আছে কিনা ইত্যাদি। ঠিক কি কারণে সমর্থন করব :( আমার বাত্সল্য নাই। থাকলেও বড়জোর ব্যান্দেদ দিতে পারি এরকম কেসে, সমর্থন কাদের করব সেটাই ক্লিয়ার হচ্ছে না। আপনি ঠিক কোন ধারণা কে সমর্থন কচ্ছেন একটু বুলেট পয়েন্টে লিখুননা, আম্মো সমর্থন কব্ব। সিডিসন ল্য তুলে দেওয়া উচিত এই নিয়ে পরিস্কার কিছু বলেছে ? তাহলে ঐটাতে সমর্থন রইলো। যদিও চোখে পরেনি। ওদের একটা ছানা কে কেন ওই ল্য তে জেলে পুরেছে তাই নিয়ে শোর হচ্ছে। কেও ল্য তুলে দাও বলছে শুনিনি :(
  • sinfaut | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ২০:২২330626
  • সমর্থন করতে কে বলেছে? দুটোই এক বলাটা শুধুই মস্তির রেটোরিক সেটা বলছিলাম। আর আমি মাত্র দুটো পথ দেখিনা তো, সক ডেম, ক্যাপিটালিজম, সোসালিজম, কমিউনিজম সবই তো দেখছি। তাতে অবশ্য ফেন্সে বসার জায়গা কমে যায় না। ফেন্সের জন্য তো জায়গা বেশি লাগেনা, ব্যালান্স ভালো হতে হয় অবশ্য।

    আর একক কী কেয়ামত এর দিন এর মতন এন্ড অফ হিস্ট্রি তে বিশ্বাস করেন নাকি? নইলে কবে লেফটি রা কাটাকাটি করে লিবারেলিজ্মের মুখোশ খুলে পথে নামবে ততদিন অপেক্ষা করবেন? নাকি শুধুমাত্র এই ইস্যু তে এরা মোটামুটি (পুরো নয়) ঠিক কথা বলছে বলে (নিজের মতে) সমর্থন করবেন? না করলে সেই না আসা ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে থাকা কে ফেন্স সিটিং ই বলে বোধহয়।
  • Ekak | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ২০:০৩330625
  • "একসময় " কনভার্জেন্স ??? তুমি কি দুটি সরলরেখা অসীমে মেলে এটাকে খাতায় আঁকতে যাও ? :) কোনসময়েই মিলবেনা। সর্বদাই একদল কে ইচ্চাকৃতভাবে বেশি এগিয়ে রাখতে হবে যাতে মারপিট চলতে থাকে। নাহলে তো কোনো ডেভেলপমেন্ট ই হবেনা। আমি কোনো প্রকৃত সত্যের একশ মাইল কাচ্চ্কাছি ও যেতে চাই না। জাস্ট ডিফারেন্সিয়াল স্টেটাস কে আরও বেশি প্রকট চাই। এবার ক্ষমতা হাত বদলাতে থাকুক। এটা একটা কুঁরেদের স্বপ্ন যে সবাই বেশ এট্টু এট্টু কাচ্চাকাছি থাকবে, সকাল বেলা রুটিন বেগুনভাজা নিয়ে কাজে যাবে ইহ ইহ। এভাবে আরও বেশি ঘন্ত পাকায়। আমাদের আগের যুগে যখন মেয়েদের কোনরকম অধিকার ছিল না বা চাকরিতে এসসি দের সীট সংরক্ষণ ছিল না সেই যুগ এপারেন্ত্লি খুব খারাপ ছিল কিন্তু আসলে সেই যুগেই সবচে বেশি ফাইট হয়েছে। এই তুমি কিছু নাও-আমি কিছু নি যুগে এসে পুরো স্টেল হয়ে গ্যাছে সবকিছু। ফাইট বন্ধ। ইকয়েসনে ইচ্ছাকৃত ভাবে আবার চূড়ান্ত অসাম্য ঢোকালে তবেই ফাইট এর আশা। ছোটখাটো অসাম্যে মানুষ সয়ে নেয়। কি যেন বলে "এদ্জাস্ত্মেন্ট " :(( ওই কেস হয়েছে :(
  • T | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৯:৫১330624
  • ইয়েস, পলিটিক্যাল অ্যাসাম্পসন থেকেই ওই ওয়েটেজ ফ্যাক্টর নির্ধারিত হয়। কাদেরকে কতখানি সুবিধে দেব বা দেব না। এটা কখনো প্রকৃত সত্যের কাছাকাছি (সেরকম অ্যাকচুয়ালি কিছু থাকলেও বা না থাকলেও), কখনো অনেক দূরে। একসময় কনভার্জেন্স। এই ভাবেই তো একটা ইতিহাস তৈরী হয়। মাঝখানে বিবিধ রেটরিকরা আসবে যাবে। তাতে অসুবিধে নেই। এখন কাদা মাখা পথ, কিন্তু সামনে শুকনো ডাঙাও থাকতে পারে।
  • | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৯:৪১330621
  • নাহ সিকি আর একক বিভিন্ন লেভেলে ঘাঁটছে। ওর মধ্যে না ঢোকাই ভালো।

    কেডি এখন আর কারো মনে হয় একশো বারো নয় রে দাদা। আর যদি হয় তাহলে সেটা ভীষণ ভীষণ অন্যায়।
  • ঈশান | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৯:৪১330622
  • কিন্তু একক কি আরেসেসকে সোশালিস্ট বলল? কোন হিসেবে? ইকনমিকালি না, রাজনৈতিকভাবে না। আর কোন ভাবে সোশালিস্ট? একটু জানা দরকার।
  • Ekak | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৯:৪১330623
  • ওই একশ আর পয়েন্ট ওয়ান এর যে ডিফারেন্স নিয়ে হিসেব তা শুরু করলে ওটা হার্ড ডেটা নয়, পলিটিকাল এসাম্পশন। কাজেই কত বড় নাম্বার দিয়ে গুন করলে ঠিক হবে সেটাও পলিটিকাল এজেন্ডা। গুন-ভাগ করে "মেটার" সমস্যা এটা আদৌ নয়। যদি একশ ভাগ সংরক্ষণ দেওয়া হত তাহলে দুটো ক্লিয়ার পলারায়সেষণ তৈরী হত। এবং সেখান থেকে নতুন করে ক্রাইসিস। ক্রাইসিস থেকে নতুন লড়াই। নেক্সট গেম লেভেল। যদি "ইকুয়াল প্রেফারেন্স অফ জেন্ডার " কথা তাই হাটিয়ে দেওয়া হত তাহলে আমরা অনেক শক্তিশালী জেন্ডার ফাইট দেখতে পেতুম।

    তুমি অঙ্ক কষে যেটা করলে, সেটার ফল হলো এই যে : সংরক্ষিত সীট এর অফিসার কাজ না করলেও তার বিরুদ্ধে মুখ খোলা যায়না। প্রেফারেন্শিয়াল স্টেটাস পাওয়া জেন্ডার এর একটা অংশ প্রেফারেন্স কে দুর্নীতি করার জন্যে ব্যবহার করে। তার ফলে যেটা একট চত্ব অংশের রেটরিক যে " সংরক্ষিত রা কাজ করেনা " বা "মেয়েরা ৪৯৮ এ কাজে লাগিয়ে টাকা লুট করে" সেটাই জেনেরাল রেটরিক হয়ে দাঁড়ায়।

    অঙ্কের কাজ সলিউশন খোঁজা। রাজনীতির কাজ সমস্যা খোঁজা। প্রেসার কে এমন লেভেলে নিয়ে যাওয়া যাতে পিস্তল ক্রমাগত দ্রুতগতিতে হাত পাল্টাতে থাকে এবং সব পক্ষই নিজের লেভেলে পৌছে গুলি চালানোর সুযোগ পায়। ঠিক ই বলেছ ওটা লিবারাল "সলিউশন", সেই জন্যেই ওটা পলিটিকাল রেটরিক কেই ধ্বংস করে দিয়েছে। লিবেরালিস্ম এটাই করে। সবকিছুতেই একটা রাবড়ির রস মাখিয়ে পলিটিকাল ফাইট কে মাঠে মেরে দেয়।
  • T | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৯:২৫330620
  • কই, ঘন্ত মার্কা থিয়োরী নয় তো। খুব সহজ ব্যাপার। একশোর সাথে পয়েন্ট ওয়ান যোগ করে তার স্কোয়ার রুট নিলে ব্যাপারটা সেই দশের কাছেই থাকে। কারণ ওয়েটেজটা সেম দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এফেক্টিভ নয়। সেজন্য পয়েন্ট ওয়ানকে একটা বড়ো নাম্বার দিয়ে মাল্টিপ্লাই করে তারপর যোগ করছে একশোর সাথে। তারপর স্কোয়ার রুট। এটাই তো রিজার্ভেশনের থিয়োরী। এই ধরণের সমস্ত মেজারের কালেক্টিভ নিলে দেখা যাবে যে তবে ইকোয়ালাইজেশন আসছে। তারপর সবাই খেলতে নামবে। ঠিকঠাক মেথড। সাউন্ড। লিবারেল।
  • Ekak | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৯:২১330619
  • আমি নিজে কোনো রকম ইকুয়ালিটি তে বিশ্বাসী নই। যার হাতে ক্ষমতা সে কেড়ে নাও। ব্যাস। এবং স্টেটমেন্ট এ সেটা পরিস্কার রাখো। একশ শতাংশ সংরক্ষণ কর সরকারী চাকরি তে। মেয়েদের প্রেফারেন্শিয়াল স্টেটাস দাও, সেক্স চেঞ্জ করে মেয়ে হাবর জন্যে অপারেশন কস্ট এ সাবসিডি দাও কিচ্ছুতে আপত্তি নেই। জাস্ট মুখে এই ইকুয়ালিটি ( তারপর এখন ঘুরিয়ে ঘাস খাওয়ার চল হয়েছে: ইক্যুইটি !) ইত্যাদি বালর প্রবণতা একটা লিবারাল ডিসিস, এস ইফ নেহাত গণতন্ত্রে থাকতে হচ্ছে তাই এই তেতো অসুধ খাচ্ছি, জবে ক্ষমতা হবে দেখিয়ে দেব :) আমি যখন ই লিবারাল দের বক্তৃতা শুনি এটাই মনে হয়। এরা এত ইকুয়ালিটি মাড়ায় ক্যান ? :)) পরের ডিসক্রিমিনেশন দিয়ে আগের ডিসক্রিমিনেশন কে সেটল করবে, ইতিহাসে তো তাই হয়ে এসেছে ....দে আর ডুইং নাথিং নিউ। তাহলে ক্যানো :(
  • Ekak | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৯:১৫330618
  • আপনি যেটা বললেন ওটা একটু কন্স্তিতিউসনাল ভাষায় লেখার চেষ্টা করে দেখুন কি দাঁড়ায়। বাস এ -ট্রেনে আলাদা করে লেডিস সীট লাগে এটা কোন্স্তিতিউশোন মেনেছে বলে হয় নি :) ওটা একটা সার্কাম্স্ত্যান্শিয়াল ব্যাপার যে মেয়েরা জেন্ডার হ্যারাসমেন্ট এর শিকার হচ্ছেন তাই আলাদা সীট এর সুযোগ রাখা হচ্ছে। ওটা আইন না রাখলেও হত শুধু কনসিউমার এর স্বার্থ দেখতে গিয়েই।আমি ওটার বিরুদ্ধে নই। বিরুদ্ধে কোন্স্তিতিউশোন এ ঘন্ট পাকিয়ে রাখার। তাহলে প্রথম থেকে বললেই হয় ডিফারেন্সিয়াল রাইট এন্ড প্রটেকশন দিচ্ছি। দিক না। এক জায়গায় দিচ্ছি বলে তার পর দিচ্ছিনা এগুলো ঘন্ট পাকানো। এরকম ঘন্ত মার্কা থিওরি তে লিবারেল রা ভর্তি। ডিরেক্ট সেকশন চেঞ্জ করতে অসুবিধে কি ??
  • kd | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৯:১৪330617
  • জানো না? সে কি? ওই যে - "মাইনে তোমার একশ' বারো" ঃ)
  • না, একক | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৯:০৮330616
  • এইবারে তুমি ঘাঁটছো। জেন্ডার ডিসক্রিমিনেশন সে আজাদী মানে নারী পুরুষ এক করে দেখা নয়। নারী আর পুরুষ আলাদা। আলাদা বলেই "মহিলাদের আলাদা করে প্রায়োরিটি" দেবার দরকার হয়, বাসে মেট্রোতে লেডিজ সীট লাগে, মেয়েদের আলাদা টয়লেট লাগে। এর সাথে ডিসক্রিমিনেশনের কোনও সম্পক্কো নেই।
  • Ekak | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৯:০৫330615
  • "এই মুহুর্তে পারছেনা " বলে সাতখুন মাপ হয়না। দুদল সোশালিস্ট ই দেখিয়েছে এক্সট্রিম মেজরিটি পেলে এরা কিরকম ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে। কাজেই এদের সমর্থনের কোনো সীন নেই। দুই এর বাইরে কিছু নেই বলে মনে হলে বাকি টা তো ফেন্স ই দেখাবে। আর কোন পয়েন্টে দাঁড়িয়ে সমর্থন করব এই সব ঘাঁটা পাবলিক দের। এক্ষুনি শুনলুম যেএনইউ এর এক নেত্রী চেন্চাছেন : "হাম্লক আজাদী মান্গতে হায় জেন্ডার দিস্ক্রিমিনেতরী রুলস সে " তো খুবভাল, কোন্স্তিতিউশোন এর সেকশন উঠিয়ে দেওয়া সমর্থন করেন যেখানে পরিস্কার বলা হচ্ছে মহিলা দের আলাদা করে প্রায়োরিটি দেওয়া হচ্ছে যে কোনো নারী-পুরুষ কেন্দ্রিক আইনি সমস্যা তে। সেকশন ফর্তিনে ইকুয়াল প্রটেকশন বলে আবার এমেন্দ হচ্ছে মেয়ে মানেই ডিফারেন্সিয়াল প্রটেকশন। এটাত দিক্রিমিনেষণ। এসব তর্ক অনেক হয়েছে। এরা তখন সাম আর মোর দ্যান ইকুয়াল আল বাল ছোলার ডাল বকবে। গণতন্ত্র যদি মানতেই হয় দেয়ার ইস নো "সাম"। কার ভয়েস ডিসেন্ট কার ইন্দিসেন্ট সেটা কোনো সেন্ট্রাল সিস্টেম ঠিক্করে দেবেনা। রাষ্ট্র দেবেনা রাষ্ট্র বিরোধী ও না। একটা গোবরের তাল সরিয়ে আরেকটা গোবরের তাল আনার কোনো মানে হয়না।

    সঙ্গে আছি। একবার বলুক আমরা রাষ্ট্র মানিনা। একবার বলুক লিবারেল দের এই নিমকি ন্যাকাম ইকুয়ালিটি ইত্যাদি মানিনা। বলুক যে আগের সমস্ত হিসাব চুকতা করতে মার কাট যা করতে হয় করব। তাহলে সঙ্গে আছি। বগল চেপে নাচা পাবলিক দের সঙ্গে নেই। স্যরি। যেদিন লেফট রা লীবেরালামো ছাড়বে সেদিন অবস্যই তাদের সঙ্গে চাড্ডি দের এক করব না।
  • ফেসিলিটি | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৯:০৪330614
  • আমি দেখেছি। আর্মি হাসপাতালে স্টেট অফ দা আর্ট ফেসিলিটি থাকে। দেশের প্রিমিয়ার প্রাইভেট হাসপাতালকে টেক্কা লাগিয়ে দেবার মত প্রযুক্তি আছে।

    আর ফেসিলিটির কথা যদি বলতে হয়, রেল কর্মচারিরা ফ্রি-তে রেলের পাস পান, টেলিকম মিনিস্ট্রির লোকেরা ফ্রি-তে ল্যান্ডলাইন কানেকশন পান - এই রকম কিছুমিছু ফেসিলিটি সর্বত্রই থাকে।

    আর্মির সাবসিডাইজড র‌্যাশন - ডিফেন্স ক্যান্টিন বা সিএসডি ক্যান্টিন যেটাকে বলে - সেখানে টুথব্রাশ থেকে মারুতি গাড়ি সমস্ত সাবসিডিতে পাওয়া যায়, বেশ বড় বড় সাবসিডি। আর ডিফেন্সে কাজ করা শিবিলিয়ানরাও সেই ক্যান্টিনের কার্ড পান, একই ফেসিলিটি পান। তফাৎ বলতে এই ধরুন, ষাট টাকার দু লিটারের কোকের বোতল ক্যান্টিনে পাওয়া যায় বত্রিশ টাকায়। দুশো টাকার সিএফেল ল্যাম্প - নব্বই টাকায়। দুশো টাকার হরলিকস, নব্বই টাকায়।

    খালি ইসের জন্য আলাদা কাউন্টার, ওটা শিবিলিয়ানরা পায় না, কেবল ডিফেন্সের জন্য বরাদ্দ। ঘ্যামা ঘ্যামা বোতল শস্তায় নিয়ে যায় আর্মির লোকেরা।

    এইবারে কী হয়, আপনার আমার মত লোক তো ঘরে যা যা লাগবে সেটুকু তুলেই ক্ষান্তি দিই। প্রচুর লোক আছে, মূলত তারা ফৌজি - তুলে নেয় বেশির ভাগ আইটেম। ধরুন, এইমাত্র ক্যান্টিনে এল পাঁচশো বোতল কোক আর চল্লিশটা অ্যামেরিকান ট্যুরিস্টারের বড় ট্র্যাভেল সুটকেস, ফৌজিভাই এসে হয় তো সাড়ে তিনশো বোতল কোক আর তিরিশটা সুটকেশ কিনে নিল ডিসকাউন্টেড প্রাইসে। গ্রামে তার ভাইয়ের স্টেশনারি শপ আছে, সেইখানে এগুলো ফুল দামে বেচা হবে।
  • হায়ার স্টাডিজ | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৮:৫৬330612
  • হায়ার স্টাডিজের খরচা শুধু সেনা নয়, অনেক কেসচাই পান। ফরিদাবাদে একটা ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিট্যুট আছে, সেখানে পড়ার জন্য কোর্স ফী, ফ্যামিলি হস্টেল, দু বছরের সবেতন ছুটি, ল্যাপটপ ইত্যাদি কেসচারা পান - স্টাডি লিভ অ্যাপ্রুভ হলে অবশ্য, আর যতক্ষণ সীট থাকে। এ রকম আরও ইনস্টিট্যুট আছে হয় তো সিভিলিয়ানদের জন্যে।
  • d | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৮:৫৬330613
  • মনে পুলিশ হাসপাতালে গেলে পুলিশের চিকিৎসা ফ্রী? হাসপাতালগুলোর অবস্থা কেমন?

    আর্মি হসপিটালে নাকি স্টেট অব দ্য আর্ট জিনিষপাতি থাকে। আর্মির ডাক্তারদের থেকে শোনা। নিজে দেখি নি। যেসব রিটায়ার্ড আর্মি অপসর আইটি কোম্পানিগুলোর অ্যাডমিন হেড হয় তারাও খুবই প্রশংসা করে।
  • | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৮:৪৯330611
  • পুলিশ রেশন পায়। পুলিশ হাসপাতাল আছে বলে শুনেছি।
  • d | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৮:৩৯330610
  • এইত্তো। টইতে লিখেছিলাম না সেপাই লেভেলে হাতে কম পেলেও ফেসিলিটিজ থাকে প্রচুর। রেশন আর মেডিকেল লিখেছিলাম। এই হায়ার স্টাডিজের খরচও একটা ফেসিলিটি।

    দমকল বা পুলিশ কনেস্টবল পায় এই সুবিধে? আমি দমকল বা পুলিশ সম্পর্কে একেবারে জানি না, কোনওরকম চেনাশুনো নেই। জানতে চাই।
  • sinfaut | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৮:৩৬330609
  • দুজনেই সেন্ট্রাল প্ল্যানার বলে গোল্বালকর আর জেএনইউ এর ছেলেগুলো ও ভাই? ডিসেন্ট এর ভয়েস হিসেবেও লেফটি ছাড়া আর কোন ইডিওলজির লোককেই তো তেমন দেখিনা। প্ল্যানিং এখনই তো করতে পারছেনা (আর কোনদিন করবে বলেও মনে হয়্না এদেশে), বরং ডিসেন্ট করার জন্যই গোল্বালকরের ভাই বলে নাই বা গালি দিলাম। এমনিতে ফেন্স সিটিং করলে সব ক্যালাকেলিই 'মস্তি'র, তবে কিনা জাতি ধর্ম কাস্ট ফিল্টার করা প্ল্যানারদের ঘেউ ঘেউ দুম করে গায়ে এসে লেগে যেতে পারে। এই মূহুর্তে গুলাগ তো কেউ বানাচ্ছেনা, সেসব গুয়ান্তামোর দিকে আউটসোর্স হয়ে গেছে। তাই ভাই বলতে পারছিনা। শুধু একটাই ভরসা টিভিতে মুখ দেখানোর সময় আমতা আমতা করা কাউকে আবার পাঠাসনে বাপ।
  • এই একজন | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৮:৩৩330608
  • পাটিয়ালা হাউস কোর্টের উকিল, কালকের একতরফা পিটুনির মূল অভিযুক্ত, এক্সপোজড।

    http://www.ndtv.com/india-news/spot-the-goon-lawyer-in-court-attack-photographed-with-bjp-brass-1277947

    এর আরও কিছু ছবি ফেসবুকে পেলাম, অমিত শাহের সঙ্গে, জেটলির সঙ্গে।
  • নন্দকিশোর মুন্সী | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৮:১০330607
  • তবে কিনা গ্রে-র ৫০ টা শেড ই এল জেমস ছাড়া কেউ আলাদা করতে পেরেছেন বলে শুনিনি :-p
  • নন্দকিশোর মুন্সী | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৮:০৫330606
  • অনেক ক্ষেত্রেই সাদা-কালোর দুটো শেডই দেখা হয়ঃ হয় ০, নয়তো ২৫৫। পুরো গ্রে-স্কেল দেখলেও অনেকটা দেখা হত।
  • নন্দকিশোর মুন্সী | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৮:০৩330604
  • জেনেরিকভাবে গ্লোরিফাই বা ডেমনাইজ - কোনোটারই দরকার আছে বলে মনে করি না। সিকিমে বা লাদাখে যেমন ভালো ব্যবহার পেয়েছি, তেমনি নিউ আলিপুরের আর্মি ব্যারাকের লোকেদের দাদাগিরিও দেখেছি। উত্তরাখন্ডের বন্যায় আর্মির কাজ যেমন সত্যি, মণিপুর/মিজোরাম/কাশ্মীরের ঘটনাও তেমনই সত্যি।
  • নন্দকিশোর মুন্সী | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৮:০৩330605
  • জেনেরিকভাবে গ্লোরিফাই বা ডেমনাইজ - কোনোটারই দরকার আছে বলে মনে করি না। সিকিমে বা লাদাখে যেমন ভালো ব্যবহার পেয়েছি, তেমনি নিউ আলিপুরের আর্মি ব্যারাকের লোকেদের দাদাগিরিও দেখেছি। উত্তরাখন্ডের বন্যায় আর্মির কাজ যেমন সত্যি, মণিপুর/মিজোরাম/কাশ্মীরের ঘটনাও তেমনই সত্যি।
  • cm | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৭:৫৬330603
  • কার কার চেনা, এবং কিরকম ঘনিষ্ঠ চেনা আর্মিতে, একটা ভোট হবে নাকি? আর্মি বলতেই শয়তান গোত্রের যেটা শুনছি তাও বিশেষ সঠিক মনে হচ্ছেনা। সবই একই রোগের রুগী।
  • . | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৭:৪৮330602
  • কিকির কাছে আমি ক্ষমাপ্রার্থী।

    আসলে আর্মিতে কেমন সুবিধা-অসুবিধা, কি ওয়ার্কিং কন্ডিশন, আর্মি ছাড়ার পর কি চাকরি পাওয়া যায় ইত্যাদি দিকগুলো আলোচনায় আসার কথা ছিল না। "আর্মি" নামের একটা গল্পের গরুকে আরএসএস কিভাবে প্রোপাগান্ডা করে মানুষের মনে ঢুকিয়ে দিচ্ছে, আর সেই ইমেজটা ব্যবহার করে জিংগোইসম তৈরি করছে সেটাই আলোচনায় আনা হয়েছে। যারা "আর্মি"র নামে চেঁচাচ্ছে তাদের কারুর ইন্ডিয়ান আর্মির সম্বন্ধে হয়তো বিন্দুমাত্র ধারনাও নেই। তাদের স্রেফ আর্মি-টেরোরিজম-হিন্দুত্ব নামের একটা মশলা গেলানো হচ্ছে।

    যাইহোক, কিকি যদি ব্যক্তিগত কারনে আঘাত পেয়ে থাকেন তো দুঃখিত।
  • আর্মি সম্বন্ধে আরও | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৭:২৭330601
  • দেশপ্রেমের আবেগটা সম্বন্ধে ঠিক জানা নেই, তবে আর্মিতে সাধারণভাবে যে কোনও আবেগকে সাপ্রেস করার ওপর বেশ জোর দেওয়া হয়। ব্যাটলফিল্ডে তাদের মানুষ মারতে হয়, সহকর্মীর মৃতদেহ দেখতে হয়, নিজেরও মরে যাবার চান্স থাকে। অনেক জওয়ানই এর থেকে ডিপ্রেশনে চলে যায়, ফলে ওদের নিয়মিত কাউন্সেলিং ইত্যাদি করানো হয়। কেউই তো হ্যাবিচুয়াল কিলার নয়।

    মানুষ মারার গল্প ছেড়েই দিলাম, এমনিতেও আবেগ কন্ট্রোল করার দিকে জোর দেওয়া হয় আর্মিতে। বেশির ভাগ জওয়ানকেই নিজের পরিবার, স্ত্রী সন্তান বাবা মা ছেড়ে আসতে হয় হোমটাউনে। ফোনে কথা বলার সময়ে নিজের বর্তমান সম্বন্ধে কখনও বেশি বলবে না। হতেই পারে একজন জওয়ান, তার ডিউটি পড়েছে কাশ্মীরের কোনো এক অ্যাপল অর্চার্ডে, তার দেশের বাড়িতে হয় তো তাজা আপেল পৌঁছয় না। হতেই পারে এক জওয়ানের বাড়ি হিমাচলের পাহাড়ে, তার ডিউটি পড়েছে রাজস্থানের মরুভূমিতে কি তামিলনাড়ুর কোনও শহরে। যাতে এক পক্ষের পরিস্থিতি শুনে অন্য পক্ষ না মনে করে যে ওর থেকে তো আমি বেটার আছি বা আমার থেকে ও বেটার আছে, এবং তাই নিয়ে মেন্টাল স্ট্রেস আসে, তাই জন্য, কেমন আছো? ভালো আছি। এসট্যাবলিশমেন্টে ভালো খাওয়া দাওয়া। সকাল সাড়ে চারটেয় উঠি। আল ইজ ওয়েল। এর বাইরে কিছু না। এখানে কেমন আপেল পাওয়া যায় কত কিশমিশ খাচ্ছি, বা এখানে কী বিদিকিচ্ছিরি গরম, মরে গেলুম - একেবারে না।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত