এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • চাপ! | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৭:১৮330600
  • কিকি মনে হচ্ছে একটু ভুল বুঝে সেন্টি খেয়ে গেছে।

    ১) প্রথমেই বলা হচ্ছে, আর্মি কোনও হোমোজিনিয়াস এনটিটি নয়। এতে হাজার রকমের সেকশন, রেজিমেন্ট, কর্প ইত্যাদি আছে, প্রত্যেকের কাজের নেচার আলাদা, ইউনিফর্মও আলাদা। কিকির ভাই মনে হচ্ছে MES-এ আছে, মানে, মিলিটারি এঞ্জিনীয়ারিং সার্ভিস। এই রকম মিলিটারি ডাক্তার, মিলিটারি নার্স, মিলিটারি পুলিশ, মিলিটারি টিচার, বিআরও - গুচ্ছ গুচ্ছ ভাগ রয়েছে। সিভিলিয়ানদের পাশাপাশি একটা প্যারালাল সিভিলাইজেশন।

    ২) অনেক আর্মির লোকই সার্ভিসে থাকতে থাকতেই আরও পড়াশোনা সেরে নেয়, অবশ্যই, যেমন অন্য জব-এও নেয়। কেউ তো বলে নি, তারা সবসময়ে এসে সিকিওরিটির চাকরি পায়? বলা হয়েছিল হাবিলদার, ল্যান্সনায়েক ইত্যাদি নিচু লেভেলের পোস্টের কথা, যাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা এমন কিছুই নয়। ক্লাস এইট না হলে ক্লাস টেনই হবে। তাদের কথা বলছিলাম। টেকি লোকজন অবশ্যই আর্মি থেকে বেরিয়ে টেকনিকাল জব খুঁজে নেয়, ডাক্তারদের তো আর্মিতে আর্লি রিটায়ারমেন্ট হয় না, শেষ সার্ভিস লাইফ পর্যন্ত তাঁরা ডাক্তারি করেন, সার্জারি করেন আর্মি হাসপাতালে।

    ৩) মেজমামারা ঐ রকম বলে, ওতে রাগ করে কী হবে? আমি আইটি নিয়ে পাশ দেবার পরে প্রতিবেশি ঘরে এসে বলে গেছিলেন, যদি কম্পিউটার খারাপ হলে সারাতেই না পারি, তবে আমি কীসের কম্পিউটার ইঞ্জিনীয়ার? ইত্যাদি।

    ৪) বলা হচ্ছিল সাধারণ জওয়ানদের কথা, যারা গ্রাম থেকে উঠে আসে, আর স্রেফ শারীরিক কর্মঠতার জোরে আর্মিতে চান্স পায়, এবং অড অড লোকেশনে তাদের পোস্টিং দেওয়া হয়। আর্মির চাকরি তাদের কাছে লোভনীয়, সে কারণেই যায়, দেশপ্রেম মাথায় নিয়ে যায় না। ওসব পরে ট্রেনিং পিরিয়ডে শেখানো হয়। এবং বন্ডে সই করানো হয় যে দেশের জন্যে যে কোনও জায়গায় গিয়ে কাজ করতে সে বাধ্য।

    ইন্ডিয়ান আর্মি শুধুই ইন্ডিয়ায় কাজ করে না, আফগানিস্তানে, মালয়েশিয়ায়, বালীতে ইন্ডিয়ান আর্মির অনেক জওয়ান অফিশিয়ালি ডিপ্লয়েড আছে। ভারতের প্রতি দেশপ্রেম দিয়েও তখন কাজ হয় না। আর্মির ডিসিপ্লিন, যেতে হবে মানে, যেতে হবে। তোমার বাড়িতে কী অসুবিধে, ছেলের পরীক্ষা, মেয়ের বিয়ে, কিছু শোনা হবে না। বদলে প্রচুর প্রচুর সুযোগসুবিধে। হ্যাঁ, ডেপুটেশন খুব অ্যাডভার্স সিচুয়েশন না হলে এক্সটেন্ড করা হয় না, ডেপুটেশন শেষ হলে ফিরিয়ে আনা হয় এবং অপেক্ষাকৃত কম রিস্ক জোনে পোস্টিং দেওয়া হয়।
  • kiki | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৬:৪৭330599
  • আরেকটা কথা সাধারন সেনারাও বা টেকিরাও(সেনাদের) কাজ করতে করতে পড়াশুনাটা করে নেয়। তাদের এমনকি সরকার ম্যানেজমেন্ট কোর্স ও করিয়ে দেয়, মেকানিকালে ডিপ্লোমা ও দিয়ে দেয়। তারা এসে সবসময় সিকিউরিটির কাজ করে এমন ও না। মানে অত্যন্ত দুঃখের ই ব্যাপার, লোকের নিজের সম্পর্কে অহমিকা আকাশ ছুঁলে মানুষকে মানুষ জ্ঞান করতেও ভুলে যায়। এমনকি নিজের লোকেরাও বাদ যায় না। বাবা হাসপাতালে ভর্তি, মেজোমামা দেখতে এসে ভাই ব্যাঙ্কে কাজ পেয়েছে শুনে জিগালো, সিকিউরিটির? পরে অবশ্য তা নয় শুনে ঠিক তুষ্ট হতে পারলো না। কিন্তু সেই প্রশ্নের মুহুর্তে আমার অসুস্থ বাবা, ভাই আর আমার মা অত্যন্ত ভদ্র বলেই চুপ করে থাকলো, আমি গা জ্বললেও ছেড়ে দিলাম হাসপাতাল বলে।

    ভাই স্টাফ সিলেকশনে সব কটা পরীক্ষা ক্লিয়ার করে দিয়েছে, গেজেটেড র‌্যাঙ্কেই যাবে, যদি যায়। তবে হয়তো বাইরে পোষ্টিং হলে নেবে না। সেটা শুনলে মামার মুখ কেমন হবে ভেবে বেশ তৃপ্ত লাগছে অবশ্য।যাইহোক। সে টেকনিকাল ট্রেনি হিসাবেই গিয়েছিলো। জেদেই গেছিলো, বাবার উপর রাগ করে।

    কেন বললাম, তাও জানিনা। গায়ে লাগাবোনা ভাবলেও অনেককিছুই গায়ে লেগে যায়।
  • Ekak | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৬:৩৫330598
  • অরুন সৌরি।
  • Ekak | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৬:৩৩330597
  • আমি আবার প্ল্যানার দের লেখা পেলেই পড়ে ফেলি :) সে স্তালিন হোক বা গলোয়াল্কর। তবে ইন্ডিয়ান ন্যাশনালিস্ট প্ল্যানার দের মান অত্যন্ত নীচু। ওই গলোয়াল্কর থেকে এখনকার অরুন সুরি অবধি পড়া যায়। দত্তাত্রেও ইত্যাদি রা জাস্ট ভাট।
  • d | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৬:২৬330596
  • ফাগোল বললাম কারণ পড়ার অন্য প্রায়োরিটি আছে তো। সবসময়ই একটা লম্বা লিস্টি ঝুলে থাকে .....
  • নন্দকিশোর মুন্সী | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৬:২১330595
  • লোকের জানাটা আবার কন্ডিশনড কিনা। মুশকিলটা সেখানেই।
  • Ekak | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৬:০৭330593
  • ফাগোল বলা যায় কিনা জানিনে। এই পেল্লায় ভূগোল। তার মধ্যে এত দস্যু থুড়ি শাসক আর ভিন্ন ইন্টারেস্ট এর জনগণ, এত কিছুর মাঝে দাঁড়িয়ে ওই সময়ে গলোয়াল্কর এর প্ল্যান ও একটা প্ল্যান বৈকি। ইংরেজ ভারত ছাড়াতে নেহেরু পরিবার ছাড়া আর কারো কোনো সরাসরি লাভ তো দেখিনে। না কমি দের। না চাড্ডি দের। ব্যাপারগুলো ঠিক ইংরেজ মানেই হালুম হুলুম দেশের লোক মানেই কোলে নাও এমন তো না।
    মীরজাফর কে সাহায্যকারী বাঙালি ব্যবসায়ী দের এর বংশধর রা এখনো আছেন। একবার ওনাদের জিয়াগঞ্জ এর বাড়ির ছাদে বসে মাঝরাত্তির অবধি আড্ডা হয়েছিল। আমি একটু মীরজাফর-ফাপর উস্কাবার চেস্তাছিল্লুম। পোস্কার বললেন, ওই মাতাল-দুশ্চরিত্র সিরাজ কে সরাবার জন্যে দেশের লোকের কৃতজ্ঞ থাকা উচিত আমাদের পরিবারের কাছে। কথা টা ভুল না।

    গলোয়াল্কর দের সময় টাও মাল্টিপল ইন্তারেসতে উত্তাল। আউশুইত্জ এর গপ্প ফাঁস হবার আগে ন্যাশনালিস্ট ব্রাদার দের অনেকেই ঠিকঠাক প্ল্যানার ভাবত। যেমন গুলাগ ফাঁস হবার আগে কমি ব্রাদার দের। সময়ের সঙ্গে গপ্প বদলায়। আর মুশকিল হলো পাবলিক মেমরি অতটাও খাটো নয় যে দুভাই মিলে আবার কুকুর কেত্তন শুরু করলে কাওকে একটা টেংরি র জুস খাইয়ে পুষতে হবে। লোকে জানে এরা কবে কি বেল্ছিল। করেছিল।
  • Ekak | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৫:৫০330591
  • তবে গলোয়াল্কর কিন্তু খুব বাগ্মী লোক ছিলেন। আর সোশালিস্ট রা যেটা ন্যাচেরালি হয়, প্ল্যানার্স ড্রীম সেল করায় মাস্টার :))
  • d | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৫:৫০330592
  • হ্যাঁ ঐটাই। ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে যাবার দরকার নেই। মুসলমানদের বিরুদ্ধে লড়ে যাও ভাইয়েরা।

    ফাগোল!
  • Ekak | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৫:৪৮330590
  • কোনটা ওই ইংরেজরা শত্রু নয় ওই টা ? আমিও রিসেন্টলি পিছিয়ে পড়ি নি, তবে "উই এন্ড আওয়ার নেশন হুড ডিফাইনড" পড়া। আগাগোড়া ন্যাশনালিস্ট ফ্লেভার সশালিস্ম এর ভজনা এবং ইংরেজ যাতে ব্রিটিশ বিরোধী না ভাবে তার জন্যে বিশেষ সাবধানতা অবলম্বন করে লেখা। যদ্দুর শুনেছি লাইন টা ওই বই থেকেই। মনি-মুক্ত ছড়ানো বই। পরে দেখতে পারেন :)
  • d | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৫:৩৯330589
  • আচ্ছা গোলওয়ালকরের কোট বলে যেটা ফেবুতে চলছে সেটা অথেন্টিক? আমার গোলওয়ালকর বা সাভারকর ঘাঁটার ইচ্ছে নাই, কেউ কনফার্ম করলে ভাল হয়।
  • kiki | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৫:৩৫330588
  • কথা হচ্ছে ফেসিলিটি নিয়ে কথা উঠুক, এবং ঠিক ভাবে। গায়ের ঝাল মেটানোর মতন করে নয়। কাজ হিসাবে সত্যি কি ফেসিলিটি পায় সৈনিক রা।

    যে কুয়োয় নামছে বা পোলে উঠছে, সে খাবার সংস্থান করার জন্য কাজটা করছে যতটা সত্যি, ঠিক ততটাই সত্যি, তার উপায় নেই বলে তাকে এক্সপ্লয়েট করা হচ্ছে। কাজেই যেমন দলিতদের দুঃখে প্রতিবাদ করা উচিত ভাবা হয়, তেমনি এই জিনিসগুলো নিয়েও ভাবা উচিত। এই আর কি। খানিকটা সুযোগ তুমি পেয়েছো বাপু, এ নিয়েই খুশী থাকো, আমি অনেক উপরে আছি, তোমার দুঃখে আমার প্রান কাঁদে, কিন্তু কতটা কাঁদবে আমি ঠিক করবো এটাও তো চলে না, ওদের তো কেউ দয়া করছে না, আলোচনা হলে সঠিক প্রাপ্য নিয়েই আলোচনা উঠুক।

    ক্লাস এইট পাস করে কি আর ডিফেন্সে যাওয়া যায়? মনে হয় না, টেন বোর্ড মনে হয় মিনিমাম। এবং যে এইট বা ঐ কম পড়াশুনা করে সেই জবে যাচ্ছে তার দিকে আঙুল তোলার আগে এটাও ভাবা উচিত, উপায় থাকলে কেউ কঠিন পথ খোঁজে না, যারা মনে করে আর্মি হওয়া খুব সোজা, তাদের ভাবনাটা ঝালিয়ে নেওয়াই ভালো। আর জীবন যোগ বিয়োগের সোজা হিসেবে চলে না, যার যার যুদ্ধ তার তার কাছে তাদের মতই কঠিন।

    আর সেনা থাকবে না, রাষ্ট্র থাকবে না, রাষ্ট্রের সুরক্ষা থাকবে না এই ধরনের সোনার পাথরবাটির ভাবনা মনে হয় বিরাট প্রলয় না আসলে, মানে সব দেশের পাব্লিকের একসাথে বাঁচাটা দুষ্কর না হয়ে উঠলে কোনদিন হবে না। যারা ভালো আছে তারা চারটে বাঁশ নিয়ে নিজেদের বাঁচাটা কঠিন করে তুলতে চাইবে না। আসলে দিন এগোয়, সভ্যতার মোড়কে প্রবলেম গুলো পাল্টে নাম দেওয়া হয়, বেসিকটা বদলায় না। এবং যখন চরম দুঃসময় তখন কিছু পাব্লিক লোঠার তালেই থাকে, সেনারা সাধারণ মানুষের বাইরে কেউ না। প্রশ্নটা এভাবে উঠুক, সরকার চোখ বুঁজে থাকে কেন সেই সময়ে।তার জন্য পুরো সেনাবাহিনী কোন কাজের নয় হয়ে যায় না।

    সব থেকে বড় কথা যখন আগুন লাগে দেশের সুরক্ষার ক্ষেত্রে তখন আমরা ঘরে বসে তর্কের ঝড় তুলি কিন্তু আমাদের গায়ে আঁচ যাতে না আসে সেটা সেনারাই দেখে, কাজেই ওরা মরার জন্য পয়সা পায়, তাই মরুক যদি যুক্তি হয়, তো ওদের মহান বানানোটা অন্তত তার থেকে গ্রহন যোগ্য এবং ভালো যুক্তি।
  • Ekak | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৫:২৬330587
  • পরিকল্পিত ছাড়া কী। দুদল সোশালিস্ট এ ঝামেলা লেগেছে। একচুয়ালি এদের ইতিহাস ঘাঁটলে দুদল ই স্বাধীনতা আন্দোলন এর সময় প্রচুর সো কল্ড ভারতবিরোধী স্ট্যান্ড নিয়েছিল। একদল বলেছিল ইংরেজ তোমার শত্রু নয়, মোচলমান তাড়াও। আরেকদল বলেছিল নেশন বলেই কিছু হয়না ভারত শত শত নেশনে টুকরো হলেও কিস্যু যায় আসেনা। এখন এগুলো কোনটা বলাই ভুল না। যারা ন্যাশনালিস্ট ব্রাদার তারা মোচলমান তারাও বলবেই। যারা ক্লাস স্ট্রাগল এ বিশ্বাস করে এবং কমিউনিস্ট কামারাদারি তে বিশ্বাসী তারা নেশন মানবেনা এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু চূড়ান্ত হাস্যকর হচ্ছে এই দুটো ব্লাড ব্রাদার মিলে এখন উঠে পরে লেগেছে প্রমান করতে এমন সব ইস্যু যার গু তাদের পেছনেই লেগে আছে। এতে এদেশের জনগনের জাস্ট ছেঁড়া যায়। ফালতু হুপ খাওয়ানো চলছে চারিদিকে। এমন ভাব যেন দেশ্শুধ্ধু লোক আইদার কমি অর চাড্ডি। কোনো একটা ভাই কে বাঁচাবার জন্যে ঝাঁপ দিতেই হবে। আর সেই সাতবাসতে টেম্পলেট। সমর্থন না পেলেই একদল বলবে পাকিস্তান যাও ......আরেকদল ভোটের গাদন খেয়ে পতক্কিয়াশীল বলে হুক্কাহুয়া করা কমিয়েছে ......একটা ডুবিযাস কবতে আছে সমর্থক-সমর্থন বিষয়ে সেটা কেঁদে কেঁদে পোস্ট করে বেড়ায়। এক পাল জম্বির মধ্যে ঢুকে পরেছি মনে হয় মাঝে মাঝে।
  • নন্দকিশোর মুন্সী | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৫:১৫330585
  • এই রে, কেমব্রিজ/হার্ভার্ডও এবার মোহনদাস পাইয়ের গাল (:-p) খাবে!

    Over 400 academicians from international varsities, including Columbia, Yale, Harvard and Cambridge, have come out in support of JNU students agitating against a row over an event on the campus.

    http://www.outlookindia.com/newswire/story/academicians-from-400-international-varsities-extend-support-to-jnu/930563
  • lcm | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৫:১১330584
  • ওহে নামহীন (হেইডা কে ধরতে পারি না, নামধাম তেমন দেয় না),

    দেশের ৯৫% লোক জেএনইউ খায় না মাথায় মাখে জানে না। যারা বিজেপিরে ভোট দিসে আর যারা দেয় নাই, তাদের বেশির ভাগই সব একসঙ্গে মিলেমিশেই আছে। দেশের সব্বোনাশ হইয়া গেল বইল্যা হেই হেই কইর‌্যা প্যানিক খাইও না। হে সবের অনেকটাই হয়ত পরিকল্পিত ডিসট্র্যাকশন। পাবলিক এই নিয়া যত প্যানিক করবে ক্ষমতাশালী পার্টির উদ্দেশ্য ততই সফল হইবে।
  • Ekak | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৫:০৪330583
  • দুশো আট যেই হোন, এই যা কিছু আমার মতের সঙ্গে মেলেনা তাই শয়তানের ওকালতি এরকম চিন্তাভাবনা কে সমর্থন করছিনা। শয়তানের ওকালতি বলেও মনে করছিনা :)
  • lcm | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৫:০৩330582
  • মোহনদাস পাই - ইনি কে বের করলাম খুঁজে, ইনফোসিসের কর্তা। আর এনডিটিভি-তে লেখাটাও পেলাম।

    http://www.ndtv.com/opinion/dear-jnu-students-we-fund-your-studies-not-your-politics-1277417

    লেখাটায় প্রচুর অভিযোগ, যুক্তি সম্ভার তেমন কিছু নাই, কালেকশন অফ্‌ পার্সোনাল ওপিনিয়ন্‌স্‌। অবশ্য নীচে ডিস্প্লেইমার আছে - The opinions expressed within this article are the personal opinions of the author.
    সুতরাং, একজনের মতামত যার সঙ্গে আমি একমত নই, ব্যস্‌।
  • বালাই ষাট | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৫:০১330581
  • মরবেন কেন? বেঁচেবত্তে থাকুন। মঙ্গল হোক।
  • রাগের মধ্যে | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৪:৫৯330580
  • স্মাইলি! মরি আর কি।
  • আর | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৪:৫৩330579
  • দুশো আট সম্ভবত খুব ঠাণ্ডা মাথায় শয়তানের ওকালতি করে চলেছেন, অন্তত আমার সে রকমই মনে হল রেটোরিকগুলোর প্যাটার্ন দেখে। খুব রাগের মধ্যেও তাই একটু স্মাইলি দিলাম, ভালো মনে নেবেন :)
  • নন্দকিশোর মুন্সী | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৪:৫২330578
  • ফেবু-তেই কোথাও যেন (বোধির পোস্টের ওপর মনে হয়) একজনের কমেন্ট দেখলাম - বাংলা অনুবাদ করলে মানে দাঁড়ায় - "এই জেএনইউ বা এফটিআইআইয়ের পাবলিকগুলোর পিছনে ট্যাক্সপেয়ারের পয়সা কেন খরচ হবে? এরা শেষ কবে কোনো ইনোভেশন বা পেটেন্ট করেছে?"

    আমি পোচোন্ডো ইনফিরিয়রিটি কমপ্লেক্স খেয়ে পালিয়ে এলুম।
  • লসাগুদা-কে | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৪:৫১330577
  • লসাগুদা,

    সিচুয়েশনটা ঠিক অতটা কাম অ্যান্ড কুল নেই এখন যে নির্লিপ্তমুখে সবকিছুই গণতন্ত্রের সমান অধিকার বলে পাশ কাটিয়ে বেরিয়ে যাবো। সকলের সমান অধিকার অবশ্যই, শুধু কারুর কারুর অধিকার একটু বেশি সমান। সেইগুলো চিনে নেওয়াটা দরকার।

    আমার রাগের আউটবার্স্ট স্রেফ ফ্রাস্ট্রেশন থেকেই - কিছু করতে তো পারব না। এটা পড়ো - হয় তো পড়েছো।

    শান্ত থাকা খুব কঠিন হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

    http://www.ndtv.com/blog/will-break-your-phone-and-bones-i-was-warned-1277739
  • d | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৪:৪৯330576
  • মোহনদাস পাই মনিপাল ইউনির কি একটা না? JNUর ওপরে ক্ষারের কারণটা বোঝাই যায়।

    আর আমরা যারা ভারতের ট্যাক্সপেয়ার তারা মোহনদাসের কথা থু থু করে উড়িয়ে দিতেই পারি। আমার ট্যাক্সের পয়সায় আমি আদানি আম্বানি বা মোহনদাসের কিছু পুষতে চাই না। ব্যাস
  • cb | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৪:৪৮330575
  • সকালে চোখ খুলে প্রথম চোন্দিলের লেখাটাই পড়েছিলাম। বড় ভাল লাগল। সোজা কথায় সোজা ল্যাখা
  • নন্দকিশোর মুন্সী | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৪:৪২330574
  • হ্যাঁ জানি তো। শাইনিংরা বহুদিন ধরেই "কর্পোরেট গভর্ন্যান্স" চেয়ে আসছে। মোহনদাস পাইয়ের লেখা পড়ে তাদের নোলা সকসকিয়ে উঠবে তাতে আশ্চর্যের কী আছে?
  • মোহনদাসের কথা | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৪:৩৫330572
  • আপনি না মানলেও আমাদের অনেকেরই মনের কথা উনি বলেছেন। আমাদের বিহাফে এই কথাগুলো গুছিয়ে লেখার জন্য ওনাকে আমরা অনেকে ধন্যবাদ জানাতেই পারি।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত